লগইন রেজিস্ট্রেশন

ঘুমানো ও জাগ্রত হওয়ার আদব

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ শুক্রবার, জুলাই ১৩, ২০১২ (১০:২৫ পূর্বাহ্ণ)

ঘুম আল্লাহ তাআলার একটি বিশাল নেয়ামত , এর মাধ্যমে তিনি নিজ বান্দাদের উপর বিরাট অনুগ্রহ করেছেন। এবং তাদের জন্য সহজ করে দিয়েছেন। আর নেয়ামতের দাবি হল শুকরিয়া আদায় করা তথা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। আল্লাহ তাআলা বলেন :
وَمِنْ رَحْمَتِهِ جَعَلَ لَكُمُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ لِتَسْكُنُوا فِيهِ وَلِتَبْتَغُوا مِنْ فَضْلِهِ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ ﴿73﴾ (القصص 73)
তিনিই স্বীয় রহমতে তোমাদের জন্যে রাত ও দিন করেছেন যাতে তোমরা রাত্রে বিশ্রাম গ্রহণ কর ও তার অনুগ্রহ অন্বেষণ কর এবং যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। [1]
.....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

কুরআনের কয়েকটি বিশেষ সূরা ও আয়াতের ফযীলত

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ শুক্রবার, জুলাই ১৩, ২০১২ (১০:১৪ পূর্বাহ্ণ)

বাজারে প্রচলিত বিদ’আত ও ভুলে ভরা বই এ আমরা কুরআনের প্রত্যেকটি সূরার কোন না কোন ফজীলতের কথা পড়েছি। অথচ এগুলো অনেকাংশেই দুর্বল ও জাল হাদিসের উপর ভিত্তি করে লেখা। এখানে কুরআনের যেসব সূরা ও আয়াতের কথা সহীহ হাদিসে বিশেষ গুরুত্বের সাথে উল্লেখিত হয়েছে, সে হাদিসগুলো একত্রে উপস্থাপন করা হল।
সূরা ফাতিহা

১) আবু সাইদ রাফে’ ইবনে মুআল্লা (রাঃ) হতে বর্নিত, তিনি বলেন, একদা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে বললেন, “মসজিদ থেকে বের হবার পূর্বেই তোমাকে কি কুরআনের সব চেয়ে বড় (মাহাত্ম্যপূর্ণ) সূরা শিখিয়ে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

কবর আযাবের কতিপয় কারণ

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ শুক্রবার, জুলাই ১৩, ২০১২ (১০:১২ পূর্বাহ্ণ)

মৃত্যুর পরে মানুষকে কবরে রাখা হয়। বিভিন্ন কারণে মানুষকে কবরে শাস্তি দেওয়া হয়। তন্মধ্যে মিথ্যা বলা, কুরআন তেলাওয়াত পরিহার করা, সূদ খাওয়া ও যেনা-ব্যাভিচার করা অন্যতম। এ প্রসঙ্গেই নিম্নোক্ত হাদীছ।-

সামুরা ইবনে জুনদুব (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ছাঃ)-এর অভ্যাস ছিল তিনি ফজরের ছালাত শেষে প্রায়ই আমাদের দিকে মুখ করে বসতেন এবং জিজ্ঞেস করতেন, তোমাদের কেউ আজ রাত্রে কোন স্বপ্ন দেখেছ কি? বর্ণনাকারী বলেন, আমাদের কেউ স্বপ্ন দেখে থাকলে সে তাঁর নিকট বলত। আর তিনি আল্লাহ্র হুকুম মোতাবেক তার তা‘বীর .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

জান্নাতে প্রবেশকারী বান্দার সাথে আল্লাহর কথোপকথন

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ শুক্রবার, জুলাই ১৩, ২০১২ (১০:০৭ পূর্বাহ্ণ)

মুমিন তার পাপের কারণে জাহান্নামের আগুনে দগ্ধ হবে। কিন্তু তার ঈমানের কারণে এক সময় সে জান্নাতে যাবে। জান্নাতে যাওয়ার পূর্বে আল্লাহ তা‘আলা ও বান্দার মধ্যে যে কথোপকথন হবে, সে সম্পর্কে নিম্নোক্ত হাদীছ-
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, লোকেরা জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আমরা কি ক্বিয়ামতের দিন আমাদের প্রতিপালককে দেখতে পাব? অতঃপর আবূ হুরায়রা (রাঃ) হাদীছের বাকী অংশ আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) বর্ণিত হাদীছের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে আবূ হুরায়রা (রাঃ) ‘আল্লাহর পায়ের নলা প্রকাশ করবেন’ এ কথাটি উল্লেখ .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

কয়েকটি সহীহ্ হাদীস

লিখেছেন: ' আব্দুল্লাহ আল নোমান' @ বুধবার, জুলাই ১১, ২০১২ (১০:৪০ অপরাহ্ণ)

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম

০১) আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাঃ) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ কিছু সংখ্যক মানুষ আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছে, অথচ তাদের জন্য এরূপ করা উচিৎ নয়, কিছু সংখ্যক মানুষ আমাকে গালি দিয়েছে, অথচ তাদের এরূপ করা উচিৎ হয়নি, আমার উপর তাদের মিথ্যা আরোপ করা হল এই যে, তারা বলেঃ আল্লাহ আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, কিন্তু পুনরায় তিনি আর জীবিত করবেন না; অথচ তাদেরকে পুনরায় জীবিত করার চেয়ে প্রথমবার সৃষ্টি করা আমার জন্য সহজ ছিলনা। আমাকে তাদের গালি দেয়া .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

একটি ওয়েব সাইটের রিভিউ ও দ্বীনদার ভাইদের অংশগ্রহণ এবং আমার ভাবনা

লিখেছেন: ' guest' @ মঙ্গলবার, জুলাই ১০, ২০১২ (৮:৩১ পূর্বাহ্ণ)

এটাই এই ব্লগে আমার প্রথম লেখা। তেমন কাজের কোন পোস্ট পাইনা এখানে। কেউই দলীয় স্বার্থের উপরে ইসলাম কে কল্পনা করতে পারছে না। চরমোনাই, দাওয়াতুল হক, তাবলীগ জামাত, আহলে হাদীস, দেওবান্দী এই নিয়ে তর্ক ছাড়া তেমন কোন পোস্ট চোখে পরে না। অথচ এই সব বিতর্ক দ্বারা কোন সমাধান হতে দেখলাম না। না কোন আহলে হাদীস দেওবান্দী হয়েছেন আর না কোন চরমোনাই মুরীদ তার আকীদা থেকে তওবা করেছেন। শুধু আহমাদ ভাই কে দেখলাম এই সব তর্কের বাইরে ঐক্যমতে আগ্রহী।

আমাদের এক .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

এই ইখতেলাফ – এর সমাধান কী ???

লিখেছেন: ' ABU TASNEEM' @ শনিবার, জুলাই ৭, ২০১২ (৭:১৬ পূর্বাহ্ণ)

EKHTELAF

ছবিতে যদি লেখা বুঝা না যায় তার জন্য আমি লেখাগুলি ক্লিয়ার করে দিচ্ছি ।

আশেক মাশুক : চরমোনাই পীর মাওলানা ইসহাক : পৃষ্ঠা নং ৩৫ – এ বলা হয়েছে : কামেল পীরের আদেশ পাইলে নাপাক শরাব দ্বারাও জায়নামাজ রঙ্গিন করিয়া তাহাতে নামাজ পড় । অর্থাৎ শরীয়াতে কামেল পীর সাহেব যদি এমন কোন হুকুম দেন , যাহা প্রকাশ্য শরীয়তের খেলাফ হয় , তবুও তাহা তুমি নিরাপত্তিতে আদায় করিবে । কেননা , তিনি রাস্তা সব তৈরি করিয়াছেন । তিনি তাহার উঁচু নিচু অর্থাৎ .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

শবে বরাত সম্পর্কে আমাদের সালাফী ভাইরা যা জানেন না অথবা গোপন করেন – শবে বরাত এর ব্যাপারে কিছু সহীহ হাদিস আছে

লিখেছেন: ' abdullah al Mamun' @ বৃহস্পতিবার, জুলাই ৫, ২০১২ (৫:২৬ অপরাহ্ণ)

শবে বরাতকে বা লাইলাতুন নিসফি মিন শা’বানকে কেন্দ্র করে এক শ্রেণীর মানুষ বিদয়াতে লিপ্ত। আবার অনেকে শায়েখ বিন বাজের একটি ফতোয়ার উপর ভিত্তি করে শবে বরাতকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা শুরু করেছেন। তাদের দাবী হল ইসলামে শবে বরাতের কোন ধারণা নেই। এ ব্যাপারে যত হাদিস আছে সব মওযু অথবা যয়ীফ। শবে বরাতকে বিশেষ কোন ফযীলতপূর্ণ রাত মনে করা শরীয়তের দৃষ্টিতে জায়েয নয়। এটাও আরেকটা ভুল অবস্থান।

শবে বরাতের ব্যপারে সঠিক ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান হল, এ রাতের ফযীলত সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। সম্মিলিত .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

অনলাইনে কুরআন শরীফ – আরেকখানা কপি পেস্ট ;)

লিখেছেন: ' Anonymous' @ বুধবার, জুলাই ৪, ২০১২ (৬:৫৩ অপরাহ্ণ)

সামনে রমজান আসছে। তাই এই সময়ে একটা দুআ’র কথা উলামা কেরাম বলেন। দুআ’টির দলীল জঈফ হলেও উলামা কেরাম বলেন আ’মাল যোগ্য। যাই হোক দলীল প্রমাণের দিকে না যাই। যাদের দরকার ভালো কোন আলীমের সাথে পরামর্শ করে নিবেন। ঐ দুআ’র মধ্যে কিন্তু রকতের দুআ’র কথা বলা আছে। বরকত বলতে আ’মালের মধ্যে বরকত বুঝায়। তাই রমজানের পুর্ববর্তী দিন গুলোতে রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম আ’মাল বাড়িয়ে দিতেন বলে বিভিন্ন ঘটনায় পাওয়া যায়। বিশেষতঃ রমজান কুরআন নাযিলের মাস। তাই কুরআনের চর্চাও বেশী .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

শবে বরাত নিয়ে একটি গবেষণা । কোন ধরণের অতিরঞ্জনই প্রত্যাশিত নয়।

লিখেছেন: ' আল মাহমুদ' @ মঙ্গলবার, জুলাই ৩, ২০১২ (১২:২৯ অপরাহ্ণ)

বিসমিল্লাহ, ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রসুলিল্লাহ
লেখাটির মূল কপি সোর্স
তবে এই ব্লগের কিছু বাড়াবাড়ি দেখে এখানে তুলে ধরার ইচ্ছা হল। এবং আবু তাসনীম ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই দোয়া করছি, যে আল্লাহ সবাইকে হেদায়াত দান করুন। এবং অনুরোধ করবো যে, নীচের লেখাটা বানানো মনে হলে আপনাদের মতি হুজুর বা আলিম শ্রেনীর নিকট মৌলিক সোর্স ও আরবী ফতোয়া সহ দেখাবেন।
বিশেষত ইবনে তাইমিয়া। এবং আলবানীর সহিহ সংকলনের উদ্ধৃতি ও স্পস্ট সমর্থনের ব্যাখা চাইবেন। .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>