লগইন রেজিস্ট্রেশন

ভারতের গুজরাট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০০২ সালের মুসলিমবিরোধী দাঙ্গার সময় হিন্দুদের না ঠেকাতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলো

লিখেছেন: ' তরবারি' @ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৮, ২০১১ (৩:০৯ অপরাহ্ণ)

ভারতের গুজরাট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০০২ সালের মুসলিমবিরোধী ভয়াবহ দাঙ্গার সময় হিন্দুদের না ঠেকাতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে পদস্থ এক পুলিশ কর্মকর্তা ভারতের সুপ্রিমকোর্টে দেয়া এফিডেভিটে উল্লেখ করেছেন। ভারতীয় পুলিশ কর্মকর্তা সঞ্জিব ভাট গতকাল সুপ্রিমকোর্টে দাঙ্গা সম্পর্কিত মামলায় এ এফিডেভিট দেন।
সঞ্জিব ভাট বলেন, ২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি গোধরা দাঙ্গার পর নরেন্দ্র মোদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে হিন্দুরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে যেন তাদের ক্ষোভ মেটাতে পারে, পুলিশকে সে সুযোগ করে দেয়ার নির্দেশ দেন। ভাট এক্ষেত্রে নরেন্দ্র মোদির .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

আল্লাহর আইনের বিরুদ্বে রায় দেয়ার এখতিয়ার কারো নেই

লিখেছেন: ' এম এম নুর হোসেন' @ বুধবার, এপ্রিল ২৭, ২০১১ (৪:০৫ অপরাহ্ণ)

#হাইকোটের ফতোয়া বিরোধীরায় ,ইসলাম বিরোধী নারী নীতিমালা ও সেক্যুলার শিক্ষানীতি বাতিল ২ ও ৩ মে ২০১১
#সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ নয় বরং সংবিধান থেকে কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী ধারা বাতিল সোম ও মঙ্গলবার
#চাল, ডাল-তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি রোধের .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

মানবতার সেবায় এগিয়ে আসুন।

লিখেছেন: ' মুসাফির' @ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২১, ২০১১ (৩:৫৪ অপরাহ্ণ)

লেখক রুখসানা তাজিন।
“আমরা প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক। বড়লোকের কুকুরের এক ঠ্যাংয়ের চেয়েও আমাদের মূল্য কম। আমাদের কথা ভাবার মত সময় কারো নেই।” হাস্যচ্ছলে এই নির্মম সত্য কথাগুলো সহকর্মীদের আর আমার মুখের উপর ছুঁড়ে দেয়া মানুষটার দিকে তাকালাম। পিএইচডি গবেষণার কাজে রাজশাহীর এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এসে সাব্বিরের কথা শুনলাম। বাংলাদেশের পতাকাসমত একটা হালকা সবুজ টিশার্ট গায়ে। মুখে সাদাকালোর মিশেলে খোঁচাখোঁচা দাড়ি। ঠোঁটজোড়া সাদা হয়ে আছে। মুখের কথা জড়িয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ঘোলাটে চোখের আড়ালে জীবনের যে স্ফুলিঙ্গ উঁকি দিচ্ছে তা আমাকে শিহরিত .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি-২

লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ বুধবার, এপ্রিল ২০, ২০১১ (৯:১৮ অপরাহ্ণ)

ধর্মগ্রন্থ ও বিজ্ঞানের গ্রন্থের মধ্যে পার্থক্য: ধর্মগ্রন্থের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে আত্মশুদ্ধি ও সমাজ সংস্কার, বিজ্ঞান শেখানো নয়। সেখানে পার্থিব-অপার্থিব অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে বিজ্ঞানের গ্রন্থের একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে বিজ্ঞান শেখানো, আত্মশুদ্ধি বা সমাজ সংস্কার নয়। যেমন প্রত্যেকটি ধর্মগ্রন্থে কিছু উপদেশ বাণী আছে। কিন্তু সেই বাণীগুলোর স্বপক্ষে পরীক্ষামূলক উপাত্ত সহ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি। ধর্মগ্রন্থের প্রত্যেকটি বাণীর স্বপক্ষে যদি পরীক্ষামূলক উপাত্ত সহ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেয়া হতো তাহলে সেটি যেমন আর ধর্মগ্রন্থ থাকতো না তেমনি .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ইসলাম ও আধুনিক বিশ্বে এর চ্যালেঞ্জসমূহ (শেষ পর্ব)

লিখেছেন: ' নাজনীন' @ বুধবার, এপ্রিল ২০, ২০১১ (৮:১৩ অপরাহ্ণ)

প্রথম পর্ব

ক্রমবর্ধনশীল সেক্যুলার বিশ্বে কি মুসলিমরা আধুনিক সমাজের সাথে একাত্ম হতে পারবে?

পশ্চিমের দেশগুলোতে সেক্যুলার রাজনীতি দাঁড়িয়ে আছে জনগণের সার্বভৌমত্বের উপর যারা প্রতিটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের সরকার নির্বাচিত করে। তাত্ত্বিকভাবে, ইসলামে সকল সার্বভৌমত্ব মহান আল্লাহ্‌তাআলার আর তথাকথিত নির্বাচিত সরকার ততদিনই অস্থায়ীভাবে থাকবে যতদিন না দেশে আল্লাহ্‌র ইচ্ছা ও শরীয়া আইন প্রবর্তন না হচ্ছে। তাত্ত্বিকভাবে যাই-ই থাকুক, যেকোন সরকারের প্রধান কাজ হচ্ছে সমাজে শান্তি-শৃংখলা বজায় রেখে এর প্রভূত উন্নতি সাধন করা এবং শক্তিশালী নৈতিক নীতিমালার মাধ্যমে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ইসলাম ও আধুনিক বিশ্বে এর চ্যালেঞ্জসমূহ (১)

লিখেছেন: ' নাজনীন' @ বুধবার, এপ্রিল ২০, ২০১১ (৭:৫৪ অপরাহ্ণ)

[লেখক পরিচিতিঃ ডঃ আই ব্রুস ওয়াটসন প্যালেস্টাইন বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক। তিনি ইউনিভার্সিটি অফ নিউজিল্যান্ডের “সাউথ এশিয়ান এন্ড ইসলামিক হিস্ট্রি”র প্রভাষক। এছাড়া তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট প্রোগ্রাম ইন ইসলামিক স্টাডিজের কো-অর্ডিনেটর। এছাড়াও তিনি “সাউথ এশিয়া”র সহ-সম্পাদক। “পিরিওডিকা ইসলামিকা”র আন্তর্জাতিক সম্পাদক কমিটির সদস্য। তিনি দক্ষিণ এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ইতিহাসের উপরে অনেকগুলো প্রবন্ধ লিখেছেন যা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। তার একটি বই-ও প্রকাশিত হয়েছে।
ডঃ ওয়াটসনের লেখা “ইসলাম ও আধুনিক বিশ্বে এর চ্যালেঞ্জসমূহ” নামক প্রবন্ধটি ১৯৯৭ সালে প্রথম “ইনসাইট”-এর ১২তম .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

HADIS SHARIF

লিখেছেন: ' এম এম নুর হোসেন' @ বুধবার, এপ্রিল ২০, ২০১১ (৪:০৫ অপরাহ্ণ)

Abdullah Bin Abbas (May Allah be pleased with him) narrated that the Messenger of Allah (peace be upon him) said, “The Shaitan sticks to the heart of the child of Adam. When he does Dhikr (remembrance) of Allah, he (the Shaitan) runs away from him. And when the child of Adam becomes careless from the Dhikr of Allah, the Shaitan begins to put was-wasah (evil suggestions) into his heart.” [Bukhari]

! রিপোর্ট করুন ! .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ এর কুরআন হাদীস রিরুধী ধারা সমুহ।(3)

লিখেছেন: ' মুসাফির' @ বুধবার, এপ্রিল ২০, ২০১১ (১১:৪২ পূর্বাহ্ণ)

১৭.১ “মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার সকল ক্ষেত্রে যেমন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইত্যাদি ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষ যে সমঅধিকারী তার স্বীকৃতি স্বরূপ নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ করা।
এই ধারাটির পর্যালোচনা ১৬.১২ ধারার সাথে করা হয়েছে দেখুন
আলেম গণ ধারাটি নিম্নোক্তভাবে সংশোদিত হবে বলে মতামত দিয়েছেন।
মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার সকল ক্ষেত্রে যেমন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সংস্কৃতিক ইত্যাদি ক্ষেত্রে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে নারী ও পুরুষের যে ন্যায্য অধিকার রয়েছে তার স্বীকৃতি সরূপ নারীর প্রতি .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ইসলাম,মুসলমান : সমস্যার মুল?

লিখেছেন: ' Shah Shajedur Rahman' @ মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৯, ২০১১ (৫:২৮ অপরাহ্ণ)

৪ ফেব্রুয়ারি,২০১১,ফ্লোরিডা। মুসলমান পরিচয় জানার পরই সামাদ ইবাদির(৫৭) গলায় চাকু ঢুকিয়ে দেন ব্রেডলি কেন্ট স্ট্রট নামের এক শেতাংগ। বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে এ হামলা করা হয়। পুলিশ তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করে।

পুলিশ জানায়, ঐ দিন সন্ধায় ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে কথা বলার সময় সামাদ ইবাদি জানান তিনি একজন মুসলিম-আমেরিকান।এটি জানার পর শেতাংগ ব্রেডলি জাপটে ধরেন সামাদ ইবাদিকে। পকেট থেকে চাকু বের করে ব্রেডলি ইবাদির গলায় চালান এবং রাগতকন্ঠে বলেন,’মুসরমানরাই যত সমস্যার মূল। পুলিশ ইবাদিকে রক্‌তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করে।

আমি .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি-১

লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ সোমবার, এপ্রিল ১৮, ২০১১ (১০:৫২ অপরাহ্ণ)

বিষয়টি শুরুর আগে কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড জেনে নিলে বুঝতে সুবিধা হবে। কোরআনে বৈজ্ঞানিক তথ্য খোঁজাখুজি শুরুর আগে থেকেই কিন্তু অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা তাদের ধর্মগ্রন্থে বৈজ্ঞানিক তথ্য আছে বলে দাবি করে আসছে। ইসলামে বিশ্বাসীরা কখনোই তাদেরকে ছদ্মবিজ্ঞানী, অসৎ, মিথ্যাবাদী, ইত্যাদি বলে অপপ্রচার চালায়নি। কিন্তু ইসলামে বিশ্বাসীরা কোরআনে বৈজ্ঞানিক তথ্য খোঁজাখুজি শুরুর পর থেকে আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে কোন কোন ধর্মাবলম্বীদের মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। তারা ইসলামে বিশ্বাসীদের দাবিকে মেনে নিতে তো পারছেই না, তা না হয় ঠিক আছে; সেই সাথে আবার বিভিন্নভাবে অপপ্রচারও চালানো .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>