লগইন রেজিস্ট্রেশন

আহলে হাদিসদের মিথ্যাবাদীতা ও দু:সাহসের নমুনা – ২

লিখেছেন: ' Anonymous' @ মঙ্গলবার, মার্চ ২৭, ২০১২ (১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ)

ম্যালকম এক্স শুরু করেছিলেন। আমি একটু contribute করছি।

আমাদের এক সহব্লগার মাযহাব নিয়ে কিছু মানুষের চলমান বিভ্রান্তির প্রেক্ষিতে এক বিশ্লেষণধর্মী ও প্রামান্য পোস্ট দিয়েছিলেন। ওই পোস্টে তিনি শুরুতেই স্বীকার করেছিলেন
“আজকাল অনেক ভাইকে দেখা যায় মাযহাব শব্দটি নিয়ে বিভ্রান্তিতে ভুগে থাকেন।

আবার অনেকে এই শব্দটির সঠিক অর্থ জানা সত্ত্বেও এই শব্দটি নিয়ে সাধারন মুসলমানদের ভিতরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন।

যারা জেনে শুনে মাযহাব নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেন তাদের জন্য এই পোষ্ট নয়।
কারন ঘুমন্ত মানুষকে জাগানো আমার সম্ভব .....

১৯ টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

কোথায় তুমি, হে মা! হে মাতৃভূমি! সন্তানকে রক্ষা করতে যদি না পারো, তাহলে কেন ‘মা’ হলে? কেন লক্ষ বুকের রক্ত নিলে?

লিখেছেন: ' এম এম নুর হোসেন' @ সোমবার, মার্চ ২৬, ২০১২ (১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ)

555381_305260199540259_226486614084285_776869_1358939025_n

স্বাধীনতা দিবস

মেয়েটির কত কষ্ট হয়েছিলো মৃত্যুর সময় পানির পিপাসায়! কয়েক ফোঁটা মাত্র পানি চেয়েছিলো মেয়েটি, যারা গুলি করেছিলো তাদের কাছে এবং ‘মহান’ ভারতের কাছে। দেয়নি! আমাদের লুণ্ঠিত পানি থেকেও দিতে পারতো কয়েক কাতরা! তাও দেয়নি। ‘পানি! পানি!’ চিৎকার করছিলো অসহায় মেয়েটি! শেষে আর চিৎকার-শক্তি ছিলো না। রক্তাক্ত দেহটা .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

একটি ঘৃণ্য এবং হৃদয়বিদারক ও লোমহর্ষক ইতিহাসের নাম “এপ্রিল ফুল”

লিখেছেন: ' এম এম নুর হোসেন' @ রবিবার, মার্চ ২৫, ২০১২ (৮:০৫ অপরাহ্ণ)

প্রিয় বন্ধু!একটু কষ্ট করে এ ইতিহাস টুকু পড়ার অনুরোধ করছি।
এপ্রিল ইংরেজী বর্ষের চতুর্থ মাস , ফুল (FOOL) একটি ইংরেজী শব্দ , যার অর্থ বোকা । এপ্রিল ফুলের অর্থ ‘এপ্রিলের বোকা’ । “এপ্রিল ফুল” ইতিহাসের একটি জঘণ্যতম ও ঘৃণ্য এবং হৃদয়বিদারক লোমহর্ষক ইতিহাস । আজ আমরা অনেকই এসর্ম্পকে জানিনা বলে ইহুদী খৃষ্টানদের সাথে এপ্রিল ফুল পালন করে থাকি।

আমরা মুসলমান , আজ আমাদের ইতিহাস সর্ম্পকে আমাদের জানা নাই এবং জানার চেস্টা ও করিনা । আর একারনে আজ আমাদের অধঃপতন ত্বরাম্বিত .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ফরয সালাতের পরে সম্মিলিত মুনাজাত : একটি প্রচলিত বিদআত

লিখেছেন: ' ABU TASNEEM' @ রবিবার, মার্চ ২৫, ২০১২ (৬:১২ পূর্বাহ্ণ)

munajat

আমাদের সমাজে যতগুলি বিদ’আত প্রচলিত আছে , তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ফরয সালাতের পর সম্মিলিত মুনাজাত । এই সম্মিলিত মুনাজাতের দলীল নবী (সাঃ) থেকে পাওয়া যায় না । কোন কোন বিদ’আত বছরে একবার করা হয় , কোন কোনটি হয়ত মাসে একবার , কোন কোনটি হয়তো সপ্তাহে একবার । কিন্তু সম্মিলিত মুনাজাত এমন এক বিদ’আত যা প্রতিদিন পাঁচবাব করা হয় । সুতরাং এর থেকে দুরে থাকতে হবে ।

হাদীসে বর্ণিত ফরয সালাতের পর পঠিতব্য দুআ ও যিকিরগুলো এককী পড়তে হবে , দলবদ্ধভাবে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

নামাযে হাত বাঁধা ও নাভীর নিচে বাঁধা

লিখেছেন: ' Anonymous' @ শুক্রবার, মার্চ ২৩, ২০১২ (৭:১৪ অপরাহ্ণ)

প্রশ্ন : কিছুদিন আগে আমার এক বন্ধুর সাথে নামাযের নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা হচ্ছিল। তিনি বললেন, ‘নামাযে বুকের উপর হাত রাখা সুন্নাহ। হাদীস শরীফে এই নিয়মটিই আছে। অন্য কোনো নিয়ম নেই। সহীহ বুখারীতে সাহল ইবনে সাদ রা. থেকে বর্ণিত হাদীসে, সহীহ ইবনে খুযায়মায় ওয়াইল ইবনে হুজর রা. থেকে বর্ণিত হাদীসে এবং মুসনাদে আহমদে হুলব আতত্বয়ী রা. থেকে বর্ণিত হাদীসে বুকের উপর হাত বাঁধার কথা আছে। এছাড়া তাউস রাহ. থেকে একটি মুরসাল হাদীসে এবং হযরত আলী রা. থেকে সূরায়ে কাওসারের তাফসীরে নামাযে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

বুকের উপর হাত বাঁধা : বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা

লিখেছেন: ' Anonymous' @ বৃহস্পতিবার, মার্চ ২২, ২০১২ (৯:৫২ পূর্বাহ্ণ)

শায়খ আলবানীর ভ্রান্ত গবেষণা এবং স্বঘোষিত আহলে হাদীসদের ভ্রান্ত আ’মালের আরেকটি নমুনা দেখুন। ধন্যবাদ আলকাউসার

‘‘নামাযে হাত বাঁধা ও নাভীর নিচে হাত বাঁধা’’ শীর্ষক লেখায় বলা হয়েছে যে, সাহাবা-তাবেয়ীনের যুগ থেকে হাত বাঁধার দুটো নিয়ম চলে আসছে : বুকের নীচে হাত বাঁধা ও নাভীর নীচে হাত বাঁধা। মুসলিম উম্মাহর বিখ্যাত মুজতাহিদ ইমামগণও এ দুটো নিয়ম গ্রহণ করেছেন।

নিকট অতীতে হাত বাঁধার নতুন কিছু নিয়ম আবিষ্কৃত হয়েছে, যা সাহাবা-তাবেয়ীনের যুগে ছিল না এবং কুরআন-সুন্নাহর প্রাজ্ঞ মনীষী ও মুজতাহিদগণের .....

২৪ টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

দুআ-মুনাজাতে নবী রাসূলের অসীলা দেয়া কি জায়েজ ?

লিখেছেন: ' ABU TASNEEM' @ বৃহস্পতিবার, মার্চ ২২, ২০১২ (৫:৪৩ পূর্বাহ্ণ)


মুনাজাতে নবী রাসূলের অসীলা দেয়া : একটি পর্যালোচনা

প্রথমেই আমি কিছু বইয়ের কথা বলতে চাই যেখানে বিষয়টি আরও বিস্তারিত ভাবে আরও দলীল প্রমাণ সহ জানতে পারবেন ।
১. শিরক কি এবং কেন ? লেখক: ডঃ মুজ্জাম্মিল হক
২. কুরআন ও হাদীসের আলোকে ইসলামী আক্বীদা লেখক : ডঃ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর ।
অন্যান্য আক্বীদা বিষয়ক গ্রন্থাবলীতেও পাবেন ।এবারে আসুন আজকের বিষয়টি আলোচনা করি :-

বিভিন্ন দুআ মুনাজাতের সময় দেখা যায়, ইমাম সাহেব বা আলেম সাহেব দুআ-মুনাজাতের মধ্যে বলছেন, ‘হে আল্লাহ! মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

মুজাদ্দিদে আলফেসানী (রহ.) ও সম্রাট আকবরের দ্বীন-ই-ইলাহীর পতন

লিখেছেন: ' Mohammad Fourkan Hamid' @ বৃহস্পতিবার, মার্চ ২২, ২০১২ (২:১২ পূর্বাহ্ণ)

লেখাটি এখান থেকে নেয়া হয়েছে…
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2012/03/16/136299

রাসুলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এই উম্মতের জন্য প্রতি শতাব্দীর শুরুতে এমন একজন ব্যক্তিকে পাঠিয়েছেন, যিনি এই শতাব্দীর জন্য দ্বীনের সংস্কারমূলক কাজ করবেন।’ হিজরি দ্বিতীয় সহস্রাব্দের শুরুতে জন্মগ্রহণ করে দ্বীনের সংস্কারমূলক কাজ করায় তাকে ‘মুজাদ্দিদে আলফেসানী’ বলা হয়।
মুজাদ্দিদে আলফেসানী (রহ.) মাত্র ১৭ বছর বয়সে হিফজুল কোরআনসহ হাদিস, তাফসির, ফিকাহ, দর্শন, তর্কশাস্ত্র, কালামশাস্ত্র ইত্যাদি বিষয়ে পূর্ণ ব্যুত্পত্তি অর্জন করেন। বাহ্যিক জ্ঞানের পাশাপাশি আধ্যাত্মিকতার সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেন তিনি। চিশতিয়া, কাদেরিয়া .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

সহীহ হাদিস সরাসরি অনুসরন করা যাবে কিনা ?

লিখেছেন: ' হাফিজ' @ মঙ্গলবার, মার্চ ২০, ২০১২ (৩:১৪ অপরাহ্ণ)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

যেকোন মুসলমানকেই কোরআন এবং হাদিস অনুসরন করতে হবে । কিন্তু কিভাবে ? সেভাবেই যেভাবে কোরআন হাদিসকে অনুসরন করতে বলা হয়েছে । যেভাবে সাহাবীরা, তাবেয়ীরা , তাবে-তাবেয়ীনরা , পূরবর্তী ওলামায় কিরাম অনুসরন করেছেন । যেমন একটি উদাহরন দেয়া যাক । বর্তমানে দেখা যায় অনেকেই সিহাহ সিত্তা বা অন্য কোন হাদিস শরীফের কিতাব পড়ে কোন একটি নতুন হাদিস শরীফ সম্বন্ধে জানল । বিষয়টি হয়ত তার কাছে নতুন অথবা তার প্রতিষ্ঠিত কোনো মতের সাথে সাংঘর্ষিক । এখন সে কি করবে ? .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

তথাকথিত আহলে হাদীসের আসল রূপ – পর্ব ০১

লিখেছেন: ' Tarek000' @ মঙ্গলবার, মার্চ ২০, ২০১২ (১২:৫৫ অপরাহ্ণ)

মুসলমনাদের অবস্থা এখন বড়ই খারাপ। কোথাও তারা নিরাপদ নয়। না দেশে, না বিদেশে। না মুসলিম রাষ্ট্রে, না বিধর্মী রাষ্ট্রে। গোটা পৃথিবীতে ইসলামের শত্রুরা মুসলমানদের ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। মুসলমান দেখলেই “সন্ত্রাসী” উপাধী দিয়ে হেনস্থা করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। ইসলাম ধর্মকে সন্ত্রাসী ধর্ম, অসাম্প্রদায়িক ধর্ম আখ্যা দেওয়ার জন্য নানামুখী ষড়যন্ত্র চলছে উপর্যুপরিভাবে। মুসলমানদের ইসলামী শিক্ষালয়কে সন্ত্রাসীকেন্দ্র আখ্যা দেবার হিন কর্মকান্ডে লিপ্ত।

ঠিক এমনি সময় মুসলমানরা আজ শতধা বিভক্ত। মুসলমনদের মাঝে ধর্মীয় কোন্দলের সয়লাব।

অথচ এখন সবচেয়ে প্রয়োজন হল মুসলমানদের মাঝে একতা সৃষ্টি করা। .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>