লগইন রেজিস্ট্রেশন

আলেমগণের মধ্যে মতভেদের কারণ – ২

লিখেছেন: ' ABU TASNEEM' @ বুধবার, এপ্রিল ৪, ২০১২ (৭:৪০ পূর্বাহ্ণ)

মুনাফিকী আচরণ

আলেমগণের মধ্যে মতভেদের কারণ – ১ পড়ে না থাকলে পড়ে নিন ।

কারণ ৩ : ভিন্নমত পোষণকারীর নিকট হাদীছ পৌঁছেছে, কিন্তু সে ভুলে গেছে :

অনেক মানুষ আছে কখনও ভোলে না। কত মানুষ আছে হাদীছ ভুলে যায়। এমনকি কখনও আয়াতও ভুলে যায়। রাসূল (ছাঃ) একদিন ছাহাবীগণকে নিয়ে ছালাত আদায় করছিলেন এবং তিনি ভুলক্রমে একটি আয়াত ছেড়ে দিয়েছিলেন। তাঁর সাথে ছিলেন উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)। ছালাত শেষে রাসূল (ছাঃ) বললেন, هَلاَّ كُنْتَ ذَكَّرْتَنِيْهَا ‘তুমি কি আমাকে আয়াতটি স্মরণ করিয়ে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

আলেমগণের মধ্যে মতভেদের কারণ – ১

লিখেছেন: ' ABU TASNEEM' @ সোমবার, এপ্রিল ২, ২০১২ (৫:৫৯ পূর্বাহ্ণ)

ঘরকুনো নামাযী

হামদ ও ছানার পর- এই বিষয়টি অনেকের মনে প্রশ্নের উদ্রেক করতে পারে। কেউ বলতে পারে, শরী‘আতের গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয় থাকতে কেন এই বিষয়ে আলোচনার অবতারণা? উত্তরে বলব, এই বিষয়টি বিশেষ করে বর্তমান যুগে অনেকের চিন্তা-চেতনাকে ব্যস্ত রেখেছে। আমি শুধু সাধারণ মানুষের কথাই বলছি না; বরং জ্ঞানপিপাসুরাও এর অন্তর্ভুক্ত। আর এর মৌলিক কারণ হচ্ছে, বর্তমান প্রচার মাধ্যমগুলিতে শরী‘আতের বিধিবিধানের প্রচার ও প্রসার ব্যাপক আকারে বেড়ে গেছে এবং মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে। আর একজনের কথার সাথে অন্যের কথার অমিল থাকায় বিশৃংখলা সৃষ্টি .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

আমরা কি মসজিদের আদব মেনে চলছি?

লিখেছেন: ' Raihan' @ রবিবার, এপ্রিল ১, ২০১২ (৯:১৫ অপরাহ্ণ)

সমস্ত প্রশংসা ঐ আল্লাহ তা’য়ালার জন্য যিনি সকল সমস্যার সমাধান নামাযের মধ্যেই রেখেছেন এবং হাজার দরুদ ও সালাম নাজিল হোক ঐ রাসূলের উপর যাহার মাধ্যমে আমরা নামায পেয়েছি। হামদ্ ও সালাতের পর হাদীসে বর্ণিত আছে যে, নামায বেহেস্তের চাবি, সুতরাং জান্নাতে যেতে হলে একজন মুসলমানকে সর্ব প্রথম পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করতে হবে, হাদীসে আরও উল্লেখ আছে, কিয়ামতের দিন সর্ব প্রথম নামাজের হিসাব হবে। অতএব আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য মসজিদে যাওয়া অতি জরুরী, কেননা ফরজ নামাজ জামাতের সহীত পড়া .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

তথাকথিত আহলে হাদীসের আসল রূপ – পর্ব ০২

লিখেছেন: ' Tarek000' @ বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৯, ২০১২ (৮:৪২ অপরাহ্ণ)

মুফতি রফিকুল ইসলাম আল-মাদানী

ভারতবর্ষের গাইরে মুক্বাল্লিদ্ ও পৃথিবীর অন্যান্য গাইরে মুক্বাল্লিদ্দের মধ্যে যোগসূত্রঃ

১।

তৃতীয় শতাব্দীর শুরু লগ্নে ২০২ হিজরীতে প্রখ্যাত মুহাদ্দিস দাউদে যাহেরীর (রহঃ) জন্ম। তিনি শরীয়তের সকল পর্যায়ে কিয়াস বর্জন করে কেবল কুরআন-হাদীসের প্রত্যক্ষ ও যাহেরী অর্থের ভিত্তিতে চলার মতবাদ রচনা করেন। তাঁর মতে ক্বিয়াস শরীয়তের কোন দলীল হতে পারে না। যদিও এ ক্বিয়াস কোরআন-হাদীসের আলোকে এবং কোন বিষয়ে কুরআন-হাদীসের স্পষ্ট উক্তি না থাকা সত্ত্বেই হোক না কেন! এ জন্যই তাকে দাউদে যাহেরী বা “ প্রত্যক্ষদর্শী ” এবং তাঁর অনুসারীদেরকে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

সুন্নতী জীবন বলতে কী বোঝায়?

লিখেছেন: ' মাসরুর হাসান' @ বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৯, ২০১২ (৬:৪৬ অপরাহ্ণ)

মজলিসে দাওয়াতুল হকের ১৮তম বার্ষিক ইজতেমায় প্রদত্ত মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান এর বয়ান

স্থান : যাত্রাবাড়ী মাদরাসা, বাদ মাগরিব, তারিখ : ২৩/১২/১২

اللهم صل وسلم وبارك علي سيدنا محمد وعلي اله واصحابه اجمعين
মাগরিবের ফরয নামা পড়তে পারলাম, আলহামদুলিল্লাহ! দিন শেষ হয়ে গেছে, রাতের আঁধার নেমে এসেছে। দৃষ্টিগোচর হওয়ার কথা না কিন্তু, আমাদের চোখের কিছুই দৃষ্টিশক্তি ভালো আর এই প্রজ্বলিত বাতির আলো, উভয়ের সমন্বয়েই আমরা একে অপরকে দেখত পাচ্ছি। যদি এই বাতি জ্বলতে থাকে কিন্তু আমার চোখের দৃষ্টিশক্তি না থাকে, তাহলে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

সফলভাবে অনুষ্ঠিত হলো মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশ-এর ১৮ তম বার্ষিক ইজতিমা

লিখেছেন: ' মাসরুর হাসান' @ বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৯, ২০১২ (৪:৫৮ অপরাহ্ণ)

দু’দিন ব্যাপী মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশ-এর ১৮তম বার্ষিক ইজতিমা দাওয়াতুল হক-এর মারকায জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী, ঢাকায় অত্যন্ত সুশৃংখলভাবে অনুষ্ঠিত হয়। ২৩ ফেব্রুয়ারী সকাল ৯টার পর কালামে পাকের তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে মজলিসের সূচনা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে বয়ান চলতে থাকে। সকাল দশটার মধ্যেই ঢাকাসহ সারাদেশ থেকে আত্মশুদ্ধি ও জীবনের সকল ক্ষেত্রে সুন্নতের অনুসরণের প্রেরণায় আগত উলামায়ে কেরাম ও দ্বীনদার মুসলমান ভাইদের অংশগ্রহণে মসজিদ ও মসজিদের সামনের বারান্দা, সামিয়ানা টাঙ্গানো চত্বরসহ মাদরাসার মাঠ ভরে যায়।
সকাল ৯টার পর কালামে পাকের .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

আহলে হাদিসদের মিথ্যাবাদীতা ও দু:সাহসের নমুনা – ৩

লিখেছেন: ' Anonymous' @ বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৯, ২০১২ (৭:৫৫ পূর্বাহ্ণ)

শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহমাতুল্লাহ আলাইহি নিঃসন্দেহে একজন মহান ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর পিতা একজন আলেম ছিলেন এবং নিজের ও সন্তানদের ঈমান ও আক্বীদাহ বাঁচানোর তাকীদে হিজরত করেছিলেন। এমন একজন মহান ব্যক্তিত্বের প্রভাব তাঁর সন্তানদের মধ্যেও পড়বে এটাই স্বাভাবিক। বাস্তবিকই তাঁর (আলবানী) মধ্যে এর যথেষ্ট প্রভাব ছিল। ছোট বেলা পড়া শুনার সুযোগ না পাওয়া, দারিদ্র এসব কোন কিছুই তাঁকে হাদীসের জ্ঞান অর্জন থেকে ফিরাতে পারেনি। তিনি দামেস্কের এক বিখ্যাত লাইব্রেরীতে নিজ গরজে হাদীস শিখেন ও গবেষণা করেন। যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এই হিসেবে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

বিদ’আতের অর্থ ও তার কুপ্রভাব

লিখেছেন: ' ABU TASNEEM' @ বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৯, ২০১২ (৬:১২ পূর্বাহ্ণ)

বিদ’আতের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে “নযীরহীনভাবে কিছু নব আবিস্কার করা ।” যেমন আল্লাহ তা’আলা বলেছেন : “তিনি (নযীরবিহীন) আসমান ও যমীনের স্রষ্টা” সূরা বাকারাহ /১১৭

পারিভাষিক অর্থে বিদ’আত বলা হয় : “ধর্মের মধ্যে যে নবাবিস্কৃত ইবাদাত , বিশ্বাস ও কথার সমর্থনে কুরআন ও সুন্নাহের মধ্যে কোন দলীল মিলে না অথচ তা ছাওয়াবের উদ্দেশ্যে করা হয় তাকেই বিদ’আত বলা হয় ।”

ব্যক্তি , সমাজ , ধর্মীয় মাসআলা মাসায়েলের উপর বিদ’আতের কুপ্রভাব অত্যন্ত ভয়ানক । তবে বিদ’আতের স্তর রয়েছে । স্তরভেদে বিদ’আতের ক্ষতিকর কুপ্রভাবগুলো প্রযোজ্য .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

আহলে হাদিসদের মিথ্যাবাদীতা ও দু:সাহসের নমুনা – ২

লিখেছেন: ' Anonymous' @ মঙ্গলবার, মার্চ ২৭, ২০১২ (১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ)

ম্যালকম এক্স শুরু করেছিলেন। আমি একটু contribute করছি।

আমাদের এক সহব্লগার মাযহাব নিয়ে কিছু মানুষের চলমান বিভ্রান্তির প্রেক্ষিতে এক বিশ্লেষণধর্মী ও প্রামান্য পোস্ট দিয়েছিলেন। ওই পোস্টে তিনি শুরুতেই স্বীকার করেছিলেন
“আজকাল অনেক ভাইকে দেখা যায় মাযহাব শব্দটি নিয়ে বিভ্রান্তিতে ভুগে থাকেন।

আবার অনেকে এই শব্দটির সঠিক অর্থ জানা সত্ত্বেও এই শব্দটি নিয়ে সাধারন মুসলমানদের ভিতরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন।

যারা জেনে শুনে মাযহাব নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেন তাদের জন্য এই পোষ্ট নয়।
কারন ঘুমন্ত মানুষকে জাগানো আমার সম্ভব .....

১৯ টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

কোথায় তুমি, হে মা! হে মাতৃভূমি! সন্তানকে রক্ষা করতে যদি না পারো, তাহলে কেন ‘মা’ হলে? কেন লক্ষ বুকের রক্ত নিলে?

লিখেছেন: ' এম এম নুর হোসেন' @ সোমবার, মার্চ ২৬, ২০১২ (১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ)

555381_305260199540259_226486614084285_776869_1358939025_n

স্বাধীনতা দিবস

মেয়েটির কত কষ্ট হয়েছিলো মৃত্যুর সময় পানির পিপাসায়! কয়েক ফোঁটা মাত্র পানি চেয়েছিলো মেয়েটি, যারা গুলি করেছিলো তাদের কাছে এবং ‘মহান’ ভারতের কাছে। দেয়নি! আমাদের লুণ্ঠিত পানি থেকেও দিতে পারতো কয়েক কাতরা! তাও দেয়নি। ‘পানি! পানি!’ চিৎকার করছিলো অসহায় মেয়েটি! শেষে আর চিৎকার-শক্তি ছিলো না। রক্তাক্ত দেহটা .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>