লিখেছেন: '
manwithamission' @ সোমবার, অক্টোবর ৩১, ২০১১ (১১:২৮ অপরাহ্ণ)
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
প্রথমত, প্রায়ই কিছু SMS এর কথা শুনতে পাই/দেখি যা সত্য/মিথ্যা মিশিয়ে প্রস্তুত করা হয় এরপর ৭/১০ জনকে পাঠতে বলা হয় আর এটাও বলা হয় যে এতে কিছুদিনের কিংবা দুইদিনের মধ্যে সে সুসংবাদ শুনবে কিংবা তার উন্নতি হবে। দ্বীন সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা না থাকার কারণে অনেকে আবেগ প্রবন হয়ে সরল বিশ্বাসে SMS গুলো পাঠিয়ে থাকেন।
দ্বিতীয়ত, প্রায়ই জুমা’র সালাত পড়ে বের হতে না হতেই হাতে নানান প্রকারের কাগজ এসে পড়ে। এরমধ্যে অমুক ব্যক্তি মদীনা শরীফ হতে স্বপ্ন দেখেছেন…..এরপর সেখানে .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
রাসেল আহমেদ' @ রবিবার, অক্টোবর ২৩, ২০১১ (৯:২২ পূর্বাহ্ণ)
প্রশ্ন : আপনি অনেক দিন ধরে বলছেন যে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনী আপনি লিখতে চান। সেই লেখার প্রস্তুতিটা কী রকম?
হুমায়ূন আহমেদ : আমার প্রস্তুতির কথা বলব, কিন্তু এখানেও কিছু সমস্যা আছে। সমস্যা হলো দুই ধরনের। প্রথম সমস্যা হলো, আমার মধ্যে কিছু ছেলেমানুষি আছে তো…আমি যখন সব কিছু ঠিকঠাক করলাম, তখন একটা ঘটনা ঘটে। শুরু থেকেই বলি। বাংলাবাজারে অন্যপ্রকাশের একটি স্টল আছে। স্টলটি উদ্বোধনের জন্য আমাকে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেক দিন পরে আমি বাংলাবাজারে গেলাম। স্টলের ফিটাটিতা কাটলাম। এক মাওলানা সাহেব .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
Khalid Bin Al Waleed' @ শনিবার, অক্টোবর ২২, ২০১১ (২:২৮ অপরাহ্ণ)

ডাঃ জাকির নায়েকের সমালোচনার জবাবে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম লেখা এক প্রমাণ্য গ্রন্থ
সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ ডঃ জাকির নায়েক মুসলিম বিশ্বের একজন প্রখ্যাত দায়ী। বিশেষ করে যখন আধুনিক শিক্ষিত নাস্তিক-মুরতাদ ও বিধর্মী আলেমগনগণ ইসলামের বিরুদ্ধে নানান প্রশ্ন ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দ্বার করিয়েছিল, সেই মুহুর্তে প্রয়োজন ছিল তাদের মতই শিক্ষায় শিক্ষিত একজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি।
এতোদিন ডাঃ জাকির নায়েক শুধু আলোচনার বিষয় থাকলেও এখন আলোচনার পাশাপাশি সমালোচনার বিষয়ও বটে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় বিভিন্ন ধরনের অসত্য এবং ভিত্তিহীন সমালোচনা করা হচ্ছে। মুসলিম উম্মাহর এই করুন সময়ে .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
এম এম নুর হোসেন' @ শনিবার, অক্টোবর ২২, ২০১১ (১২:২২ অপরাহ্ণ)
প্রিয় ব্রগ ভাই এবং বোনরা (লেখক/লেখিকা এবং পাঠক/পাঠিকা)আমি ইন শা-আল্লাহ আগামী ২৫ অক্টোবর-২০১১ তারিখে হজ্জে যাচ্ছি।
আল্লাহ চাহে তো যথা সময়ে আবার বাংলাদেশে ফিরবো। আমার জন্য সকলে দোয়া করবেন আল্লাহ তায়ালা যেন আমাকে এবং সকল হাজীদের সুস্থ রাখেন এবং তার হুকুম আহকাম যথাযথ পালন করতে পারি, সে তেীফিক দান করেন। আল্লাহ পাক যেন হাজ্জে মাবরুর করার তেীফিক দান করেন।
যেভাবে হজ্জ করলে আল্লাহ পাক রাজি খুশি হয়,সে ভাবে যেন হজ্জ সম্পাদন করতে পারি।
রাসূলে কারিম সালল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লামের রওজা আতহারে .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
দেশী৪৩২' @ শুক্রবার, অক্টোবর ২১, ২০১১ (২:১১ পূর্বাহ্ণ)
৪৩।জিকির ক্রীতদাস মুক্ত করে দেয়ার সমতুল্য।আল্লাহর পথে অর্থ ব্যয় তুল্য।আল্লাহর রাস্তায় জেহাদ করার সমান।
৪৪।জিকির শোকরের মুল।যে ব্যক্তি আল্লাহর জিকির করে না ,সে আল্লাহর শোকর আদায় করে না।
৪৫।পরহেজগারদের মাঝে আল্লাহর কাছে তারাই অধিক সন্মানিত যারা সব সময় জিকিরে মসগুল থাকে।কেননা তাকওয়ার শেষ ফল জান্নাত ।আর জিকিরের শেষফল আল্লাহর নৈকট্য।
৪৬।দিলের মধ্যে এমন এক ধরনের কাঠিন্য আছে, যা জিকির ছাড়া অন্য কিছুতে নম্র হয় না।
৪৭।জিকির সকল রোগের চিকিৎসা।
৪৮।আল্লাহর সঙ্গে বন্ধুত্বের মুল হচ্ছে জিকির।আর তার সাথে শত্রুতার মুল হচ্ছে- .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
এম এম নুর হোসেন' @ বুধবার, অক্টোবর ১৯, ২০১১ (১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ)
মূল: মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক
কদিন আগে আমার সন্তানদের সাথে আমি আলোচনা করছিলাম-হজ্ব-ওমরায় গেলে আমরা সেখান থেকে কী নিয়ে ফিরব? অনেক বন্ধুও মাঝেমধ্যে এ ধরনের প্রশ্ন করে থাকেন। তাই মনে হল, আরো কিছু প্রয়োজনীয় কথাসহ ওই আলোচনার সারসংক্ষেপ তুলে ধরি।
আবদ ও আবিদ হয়ে ফিরে আসা
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই যে, এই সফরের মাধ্যমে আল্লাহ রাববুল আলামীনের কোনো না কোনো ইবাদত আদায় হয়ে থাকে। চাই তা ফরয, সুন্নত কিংবা নফল ইবাদতই হোক না কেন। তাই একজন মুমিনের জন্য এর চেয়ে .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
abdullah al Mamun' @ বুধবার, অক্টোবর ১৯, ২০১১ (১১:০৭ পূর্বাহ্ণ)
[যারা মনে করেন যে, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ মুখে বলাই মুসলিম হওয়ার জন্য যথেষ্ট, বাস্তবে তার বিপরীত কিছু করলেও ক্ষতি নেই, তাদের মত ও যুক্তির খণ্ডন]
অনেকের মনে একটা সংশয় বদ্ধ-মূল হয়ে আছে। তা হলো এই যে, তারা মনে করেন ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ কালিমা পাঠ করা সত্ত্বেও হযরত উসামা (রাঃ) যাকে হত্যা করেছিলেন, নাবী (সাঃ) সেই হত্যাকাণ্ডটাকে সমর্থন করেননি।
একইভাবে তারা রসূলুলস্নাহ (সাঃ) এর এই হাদিছটিও তারা পেশ করে থাকেন যেখানে তিনি বলেছেন: “আমি লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যে .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
abdullah al Mamun' @ বুধবার, অক্টোবর ১৯, ২০১১ (১১:০২ পূর্বাহ্ণ)
[রসূলুলস্নাহ (সাঃ) যে সব মুশরিক্ এর বিরুদ্ধে জিহাদে অবতীর্ণ হয়েছিলেন তারা তাওহীদে রবুবিয়াত অর্থাৎ আল্লাহ যে মানুষের রব-প্রতিপালক একথা মানতো করত কিন্তু এই স্বীকৃতি ইবাদতে শিরক্ এর পর্যায় থেকে তাদেরকে বের করে আনতে পারে নাই]
যে সব কাফেরের সঙ্গে আল্লাহর রসূল (সাঃ) যুদ্ধ করেছেন তারা তাওহীদে রবুবিয়াতের সাক্ষ্য প্রদান করত- এই কথার প্রমাণ আল্লাহর বাণী :
قُلْ مَن يَرْزُقُكُم مِّنَ السَّمَاء وَالأَرْضِ أَمَّن يَمْلِكُ السَّمْعَ والأَبْصَارَ وَمَن يُخْرِجُ الْحَيَّ مِنَ الْمَيِّتِ وَيُخْرِجُ الْمَيَّتَ مِنَ الْحَيِّ وَمَن يُدَبِّرُ الأَمْرَ فَسَيَقُولُونَ اللّهُ .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
abdullah al Mamun' @ বুধবার, অক্টোবর ১৯, ২০১১ (১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ)
(বিষয়টি বুঝার সুবিধার জন্য একসাথে পুরো পোস্ট দেয়া হয়েছে – একটু লম্বা হলেও কস্ট করে পড়লে ইনশা আল্লাহ উপকৃত হবেন)
[যে ব্যক্তি দীন এর কতিপয় ফরয ওয়াজেব অর্থাৎ অবশ্যকরণীয় কর্তব্য পালন করে, সে তাওহীদ বিরোধী কোন কাজ করে ফেললেও কাফের হয়ে যায় না - যারা এই ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করেন, তাদের ভ্রান্তির নিরসন এবং তার বিস্তারিত দলীল-প্রমাণ]
অনেক পীর-মাজার পূজারী বলে থাকে: যাদের প্রতি আল-ক্বুরআন নাযিল হয়েছিল (অর্থাৎ মক্কার কাফির-মুশরিক্গণ) তারা আল্লাহ ছাড়া কোনই মা’বুদ নেই একথার সাক্ষ্য প্রদান করে .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
shahedups' @ রবিবার, অক্টোবর ১৬, ২০১১ (১:১৯ অপরাহ্ণ)
ইবলীস শয়তানের ভাষণঃ
হাশরের মাঠে মানুষের মাঝে যখন ফয়সালা শেষ হওয়ার পর মুমিনগণ জান্নাতে চলে যাবেন এবং কাফেরেরা জাহান্নামে নিপতিত হবে। শয়তানের অনুসারী জাহান্নামীরা যখন শয়তানকে এই বলে দোষারোপ করবে যে, আমরা তোমার কথায় সাড়া দিয়েছিলাম। দুনিয়াতে তুমি আমাদেরকে গোমরাহ করেছিলে, ইত্যাদি বলে শয়তানকে দোষারোপ করবে। শয়তান তখন নিজেকে সম্পূর্ণ দোষমুক্ত ঘোষণা করে একটি ভাষণ প্রদান করবে। আল্লাহ তাআ’লা কুরআনে শয়তানের সেই ভাষণটি তুলে ধরেছেন। আল্লাহ বলেনঃ
وَقَالَ الشَّيْطَانُ لَمَّا قُضِيَ الْأَمْرُ إِنَّ اللَّهَ وَعَدَكُمْ وَعْدَ الْحَقِّ .....
|
বিস্তারিত >>