লগইন রেজিস্ট্রেশন

পৃথিবীর ধ্বংস The end of earth (৬)

লিখেছেন: ' সাজ্জাদ' @ মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১১ (১:৩৩ পূর্বাহ্ণ)

৪। সাহাবী কেরামের যোগ সমাপ্তি (১২০ হিঃ)
নবী (স) এর সাহাবাগণ নবীর পরে এই উম্মতের সর্বস্রেষ্ট মানুষ। আবু মুসা (র.)এর হাদিসে উল্লেখ আছে- নবী (স) এরশাদ করেন- তারকারাজি আসমানের জন্য নিরাপদের কারণ, যখন তারকা আর উদয় হবেনা তখন আসমানের ব্যাপারে ভয়ের যে আশংকা করা হয়েছে তা বাস্তব হতে থাকবে। আর আমি আমার সাহাবাদের জন্য নিরাপদে থাকার কারণ, আমি যখন চলে যাব তখন তাদের ব্যাপারে যে ভবিষ্যত বাণী করা হয়েছে তা সম্পন্ন হবে। আর আমার সাহাবারা আমার উম্মতের জন্য নিরাপদের কারণ, .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

বিদআত থেকে সাবধান !

লিখেছেন: ' এম জেড এইস ফরিদি' @ সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১১ (১০:২৩ অপরাহ্ণ)

আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন: “সেদিন কিছু চেহারা শ্বেতবণ উজ্জ্বল আর কিছু চেহারা কৃষ্ণবণ মলিন হবে।”। সূরা আলে-ইমরান: ১০৬
হযরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন: “সুন্নাতের অনুসারীদের চেহারা শ্বেতবণ ও উজ্জ্ব্বল হবে। পক্ষান্তরে বিদআতপন্থী ও মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টিকারীদের চেহারা কৃষ্ণবণ বা মলিন হবে।”
ইজতিমাউল জুয়ুশিল ইসলামিয়া আলা গাজয়াল মুআত্তালা ওয়াল জাহমিয়া-ইবনে কাইয়িম (র): খন্ড: ২ পৃষ্ঠা: ৩৯:
সূত্র: নূরুস সুন্নাহ ওয়া জুলুমাতুল বিদআহ (প্রকাশক: আল-ফোরকান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ) পৃষ্ঠা: ১৩
মাআরিফুল কোরআন (সৌদী সংস্ককরণ) পৃষ্ঠা: ১৯৫

.....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

আল্লাহর নামে যিকির করার ফযীলত

লিখেছেন: ' আল্লাহর-বান্দা' @ সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১১ (১০:০০ পূর্বাহ্ণ)

হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত।তিনি বলেন,
রাসূলুল্লাহ (সঃ)বলেছেন, আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে একদল ফেরেশতা(নিয়জিত) আছে – যারা আল্লাহর স্মরণে রত লোকদের খোঁজে পথে পথে ঘুরে বেড়ায়।যখন তারা আল্লাহর যিকিরে মগ্ন লোকদের দেখতে পায়, তখন একজন আর একজনকে ডাকাডাকি করে বলে, স্ব স্ব দায়িত্ব পালনে একদিকে চলে আসো।রাসূলুল্লাহ (সঃ)বলেন, তখন সেই ফেরেশতারা নিজেদের পাখা দিয়ে এ লোকদেরকে ঘিরে ফেলে এবং এভাবে তাদেরকে ঘিরতে ঘিরতে ফেরেশতাদের স্তর আসমান পর্যন্ত পৌছে যায়।রাসূলুল্লাহ (সঃ)বলেন, তখন ফেরেস্তাদের রব তাদেরকে জিজ্ঞাস করেন, আমার এই বান্দারা .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

পৃথিবীর ধ্বংস The end of earth (৫)

লিখেছেন: ' সাজ্জাদ' @ সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১১ (৫:৪২ পূর্বাহ্ণ)

২। নবী (স) এর তিরোধান
তাঁর তিরোধারনের ব্যথা, (কষ্ঠ-বেদনা) কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার প্রারম্ভিক নিদর্শনের অন্যতম। আউফ বিন মালিক বলেনঃ-আমি তাবুক যুদ্ধ কালীন মহানবী স-এর নিকট আসলাম। তিনি চামড়ার তাবুর মধ্যে অবস্থান করছিলেন। অতঃপর বললেনঃ- কিয়ামতের ছয়টি নিদর্শন গুনো রেখো (১) আমার পরলোক গমন।(২) বায়তুল মুকাদ্দাসের বিজয়।(৩) মেষের এক প্রকার রোগের মত এক মহামারী তোমাদের অনেকের মৃত্যু ঘটাবে। (৪) মানুষের মাঝে ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পাবে। এমনকি এক ব্যক্তিকে এক’শ দীনার দেওয়ার পরও সে অসন্তুষ্ট থাকবে। (৫) এমন ফিৎনা আসবে যা প্রত্যেক আরবের .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

১ম রবিউল মাসের সুন্নাহ ও বিদাআহ ।

লিখেছেন: ' আল মাহমুদ' @ রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১১ (৩:২২ অপরাহ্ণ)

ইতিপূর্বে রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মক্ষন সম্পৃক্ত ঐতিহাসিক বিশ্লেষন থেকে যা প্রতীয়মান হলো যে, রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মক্ষন নিয়ে ঐতিহাসিক গ্রহনযোগ্য ইখতিলাফ থাকায় তার জন্মকাল সম্পর্কে সুনির্দিস্ট সময় নির্নয় করা সম্ভব হয় না; অপর দিকে তার গুরুত্বপূর্ন জীবন ও নবুয়্যত পরবর্তী গুরুত্বের কারনেই ঐতিহাসিকভাবে তার মৃত্যুর সময়-কাল কোনপ্রকার ইখতিলাফ ও মতানৈক্য ব্যতিতই স্বীকৃত। তথাপি আমরা পূর্বেল্লেখিত ঐতিহাসিক গ্রন্থ আল বিদায়াহ ওয়ান নিহাইয়াহ থেকে রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মৃত্যক্ষন নিয়ে আলোচনা করবো।
ইবনে কাসীর (রহ:) লিখেন .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

লিখেছেন: ' anamsajid' @ রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১১ (৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ)

shayi chytonar binirmany
abu naeim md. shajid
prithibir shokol dysheyr shokol muslim noronani amra shobai vhivhi.amadeyr majy konk biddeysh kono vhydavhyd nai.jati,borno,gotro nirbishyshe amra amadeyr otit oitjjeyr uttoradhikar.amadeyr ummah aroby ajomy mushlim ummah boly shomadrito.
aj amadeyr jonno otib apsos o poritapyr bishoy aijy,bortomany amra vratrttobodheyr shumohan chytona ky jolanjoli diey nijyra poroshpory shonghat o dondo koloheyr majy joriey phelyci.joddorun sharabishsey amra akeyr por ak shorbonasha opototporotar shikar hochchi.muslim ummah protinioto prithibir pranty pranty jolom nirjatoneyr shikar hoey dhuky dhuky .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

পৃথিবীর ধ্বংস The end of earth (৪)

লিখেছেন: ' সাজ্জাদ' @ রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১১ (৪:৫৩ পূর্বাহ্ণ)


আজ থেকে আমরা মূল পর্বের দিকে যেতে পারি।
কিয়ামতের নিদর্শন সমূহ صغري ও كبري এ বিভক্ত। উভয়ের মাঝে পার্থক্য হচ্ছে كبري গুলো صغري এর পর পরই আসবে কিয়ামতের কাছাকাছি সময়ে। পৃথিবীতে এই প্রকার (كبري নিদর্শনসমুহ) এর অধিক প্রভাব পড়বে এবং সকল মানুষই তার সম্পর্কে অবগত হবে। আর অপর প্রকার (صغري) কিয়ামতের একটু আগেই সংগটিত হবে। এবং তা কিছু জায়গায় দেখা দিবে,অন্য কিছু জায়গায় দেখা যাবেনা। কিছু মানুষ এগুলো সম্পর্কে জানবে আর কিছু মানুষ জানবেনা। এই পর্বে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ফরয নামায পরবর্তী যিকরসমূহ

লিখেছেন: ' এম এম নুর হোসেন' @ শনিবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১১ (১২:৩৫ অপরাহ্ণ)

প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয নামায শেষে যে সমস্ত দু’আ পাঠ করা নাবী কারীম [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর অনুসরণে সহীহ হাদীস থেকে প্রমাণিত তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো:

 প্রথমে ৩ বার পড়বে

أستغفر الله

 অতঃপর নিম্নের দু’আগুলি ১ বার পড়বে :

اَللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ واْلإِكْرَامِ

অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি শান্তি দাতা, আর তোমার কাছ থেকেই শান্তি, তুমি বরকতময়, হে মর্যাদাবান এবং কল্যাণময় !”

لا َإِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لا َشَرِيْكَ لَهُ؛ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

খোদার কসম দ্বীন না থাকলে দুনিয়া থাকবেনা।

লিখেছেন: ' রাসেল আহমেদ' @ শনিবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১১ (১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ)

জুমার নামাযের শেষে একটি চায়ের ষ্টলে গেলাম ইচ্ছা ১ কাপ চা পান করব। সাথে বন্ধু মুফতী এনামুল হক। ষ্টলে উপস্থিত হতেই এক জন বৃদ্ধ লোক যাকেই পাচ্ছেন চায়ের দাওয়াত দিচ্ছেন। আমরা উপস্থিত হতেই চায়ের দাওয়াত। অনিচ্ছা থাকা সত্তেও গ্রহন করলাম। চা পান করতে করতে জানতে পারলাম ভদ্রলোকের নাম শফি উল্লাহ, বয়স ৯০ এর কাছাকাছি, বাড়ি নোয়াখালি জেলায়। তিনি আমাদের লক্ষ্য করে বলতে লাগলেন নাতীরা তোমরা হচ্ছ দ্বীনের দায়ী (আহব্বায়ক) এই কাজটা ঠিকমত আন্জাম (সম্পাদন) দাও। আমি সর্বদা দ্বীনের সাথে থাকার .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

নবীগন কবরে স্বশরীরে জীবিত manwithamission ভাইকে উৎসর্গিত।

লিখেছেন: ' মুসাফির' @ বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১১ (৩:২২ অপরাহ্ণ)

নবীগণ কবরে স্বশীরে জীবিত, তা ছহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। কুরআনে এ সম্পর্কে সরাসরি এমন কোন আয়াত নেই, তবে সুস্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে। নিম্নে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।
১। কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন।
وَلاَ تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ قُتِلُواْ فِي سَبِيلِ اللّهِ أَمْوَاتًا بَلْ أَحْيَاء عِندَ رَبِّهِمْ يُرْزَقُونَ সুরা আল ইমরান আয়াত: ১৬৯

আর যারা আল্লাহর রাহে নিহত হয়, তাদেরকে তুমি কখনো মৃত মনে করো না। বরং তারা নিজেদের পালনকর্তার নিকট জীবিত ও জীবিকাপ্রাপ্ত।

وَلاَ تَقُولُواْ لِمَنْ يُقْتَلُ فِي سَبيلِ اللّهِ .....

১২ টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>