লগইন রেজিস্ট্রেশন

জাকির নায়েক প্রসঙ্গ

লিখেছেন: ' Raihan' @ মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১২ (২:১৪ অপরাহ্ণ)

আলহামদুলিল্লাহ ঃ আল্লাহ পাকের অনুগ্রহ যে, ওলামায়ে দেওবন্দ এমন একটি ইসলামের অতন্দ্র প্রহরী যারা শুধু ভারতীয় উপমহাদেশেই নয় বরং সারা বিশ্বে ইসলামের সঠিক রূপরেখা তুলে ধরে শরীয়ত মতে চলতে উম্মতের জন্যে প্লাটফরম তৈরী করে দিয়েছেন এবং যখনই কোন বাতিল শক্তি মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে তখনই তার দাঁত ভাঙ্গাঁ জবাব দিয়ে জনগণের ঈমান আকীদার পাহারাদারী করেছেন। তাঁদের এই ত্যাগ এর বদৌলতে ভারতীয় উপমহাদেশে এখনও মুসলমানদের ঈমান আকীদা এবং দ্বীনের সহীহ ব্যাখ্যা বাকী রয়েছে। মূলত যারা হক্কানী ওলামায়ে কেরাম হবেন তাদের দায়ীত্বই এটা যে, কারো সমালোচনা, রক্ত চক্ষুকে পরোয়া করবে না। বাতিলের মুকাবিলা করতে দ্বিধা করবে না। বাতিল ও ফিতনা কিয়ামত পর্যন্ত আসতেই থাকবে। আমার আলোচনা ডা: জাকির নায়েককে নিয়ে। প্রথম তিনি যখন তার লেকচার নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন, বিভিন্ন ধর্মের বিশ্লেষন করে বিধর্মীদেরকে লাজাওয়াব করে দিচ্ছিলেন, তখন ওলামায়ে কেরাম তাকে সমর্থন করেছেন এবং প্রশংসাও করেছেন, কিছু ব্যাপারে সন্দিহান থাকলেও তার বিরুদ্ধে কিছু বলেন নি, কারণ মৌলিক ভাবে তার দ্বারা উপকার হচ্ছে। কিন্তু যখন মাসআলা মাসায়েল নিয়ে অনধিকার চর্চা শুরু করলেন এবং সমাধান হওয়া বিরোধপূর্ণ মাসআলা নিয়ে মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা শুরু করলেন, তখন ওলামায়ে কেরাম জনগনকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে কলম হাতে নিতে বাধ্য হয়েছেন। ওলামায়ে কেরামের হীনমন্যতা বা ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই। তিনি যদি এখনো দায়ী হিসেবে প্রচারের কাজে তার গন্ডির ভিতরে ফিরে যান, তবে তার সাথে কোন মত বিরোধ থাকবে না।
ডা: জাকির নায়েকের লেকচার পিস টিভি সহ বিভিন্ন চ্যানেলে এবং সিডি আকারে প্রচারিত হয়েছে। বর্তমানে বই আকারে উর্দু ভাষায় خطبات ڈاکٹر ذاکر نائیک এবং বাংলা ভাষায় বিষয় ভিত্তিক পুস্তক আকারে বাহির করার পর এখন ৬টি ভলিয়ামে “ডা: জাকির নায়েক লেকচার সমগ্র” নামে প্রকাশ করা হয়েছে।
ডা: জাকির নায়েক প্রথম যখন আত্ম প্রকাশ করেন এবং বিভিন্ন চ্যানেলে তার প্রচার চলতে থাকে তখন আনন্দিত ও তার প্রতি সন্দিহানও ছিলাম। কারণ অতীতের একটি ইতিহাস মনে পড়ে গেল, ১৮৮৪ইং গোলাম আহমদ কাদিয়ানী যখন মুজাদ্দিদ হওয়ার দাবী করল, অনেক লোক তাঁকে সমর্থন করল। কেননা কাদিয়ানী সাহেব তখন খৃষ্টান মিশনারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় মুনাজারা করে তাদেরকে নাকানীচুবানী খাওয়াচ্ছিল, তাই তাকে মুজাদ্দিদ মেনে নিল। কিন্তু আল্লামা হাবিবুর রহমান লুদিয়ানবীর দাদা, মুফতি আব্দুল্লাহ লুদিয়ানবী রহ. ঘোষণা করলেন যে মির্জা কাদিয়ানী কোন মুজাদ্দিদ বা বযুর্গ নয়। বরং সে একজন মুলহিদ এবং যিন্দিক। এর প্রত্যুত্তরে মির্জার বক্তরা বলে বেড়াতে লাগল যে, তুমি মির্জার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এসব বলে বেড়াচ্ছে। কিন্তু যখন মুফতী আব্দুল্লাহ, তার ভাই মাওলানা মুহাম্মদ এবং মাওলানা শাহ আব্দুল আযীয লুধিয়ানাবীসহ লুধিয়ানার অন্যান্য উলামায়ে কেরাম মির্জা গোলাম আহমাদ কাদিয়ানীর আক্বীদা-বিশ্বাস আর তার দৃষ্টিভংগির আলোকে তার কাফের হওয়ার ফতোয়া প্রদান করলেন তখন তাদের বিরোধিতায় নেমে এল হাজার হাজার মানুষ। মির্জার মত এত বড় একজন বিতর্কিক যার যুক্তির সামনে খৃষ্টান পাদ্রিরা ময়দান ছেড়ে লেজ গুটিয়ে পালাচ্ছে, কত শত মানুষ মুসলমান হচ্ছে তার বিরুদ্ধে কুফরীর ফতোয়া কেই বা মেনে নিতে পারে? অত:পর এই ফতোয়া সত্যায়নের জন্য পাঠানো হল দারুল উলুম দেওবন্দে। হযরত মাওলানা রশীদ আহমাদ গাংগুহী (রহ.) মাওলানা ইয়াকুব নানোতবী (রহ.) সহ উলামায়ে দেওবন্দের বড় বড় আকাবেররা তখন জীবিত। তারা সবকিছু পর্যালোচনা করে যখন এই ফতোয়ার দস্তখত করলেন তখন জনরোষ কিছুটা প্রকাশিত হল। এর পরে কয়েক বছরের মাথায় মির্জা যখন নবী হওয়ার দাবী করে বসল তখন স্পষ্ট হয়ে গেল যে, উলামায়ে দেওবন্দের এই ফতওয়া কত বিজ্ঞজনোচিত ছিল। এই জন্য কারো হঠাৎ জনপ্রিয়তা দেখে তাকে একেবারে পরম পুজনীয় বানিয়ে ফেলা বিবেক বিরোধী কাজ। (ডা: জাকির নায়েকের ভ্রান্ত মতবাদ, পৃ: ১৩)
অনেকে তাঁর সম্পর্কে প্রশ্ন করে ছিল। আমি উত্তর দিয়ে ছিলাম যে, এখনও ভাল বা খারাপ মন্তব্য করতে পারব না তবে মনে হচ্ছে এর পিছনে সুদুর প্রসারী এক চক্রান্ত আছে। কারণ এমন একটি সময় আমরা অতিক্রান্ত করছি, সমগ্র পৃথিবীতে ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। ইসলামের পক্ষে বললেই মৌলবাদী, ধর্মান্ধ, ফতোয়াবাজ, সন্ত্রাসী, জঙ্গী বিভিন্ন ভাষায় বুলেট ছুড়া হচ্ছে কিন্তু ডা: জাকির নায়েক ইসলাম ধর্মের সত্যতা প্রকাশ করতে গিয়ে হিন্দু, খ্রিষ্টান ধর্মের বিরুদ্ধে অনেক কথা বলা সত্বেও তাঁর বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ বা কোন মন্তব্য করা তো দুরের কথা বরং বিভিন্ন মিডিয়াতে তাঁকে ফলোয়াপ করে প্রচার করা হচ্ছে। অথচ সব মিডিয়ার উপর বাতিল অপশক্তির হস্তক্ষেপ রয়েছে। ডা: জাকির নায়েককে তাদের দেশে নিয়েও তাদের ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার পিছনে তাদের চক্রান্তের ইঙ্গিত রয়েছে। ডা: জাকির নায়েককে এত প্রচার প্রসার করিয়ে প্রত্যেক মানুষের অন্তরে তাকে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এমন একটি স্তরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে যে জনগনের মন মস্তিস্ক এ স্তরে পৌছবে যে, বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড় ইসলামীক জ্ঞানী একমাত্র ডা: জাকির নায়েক। সে যা বলবে তাই সঠিক। এর বিপরীত কোন আলেমরা বললেও তা ঠিক নয়। জনগন যখন পরিপূর্ণ ভক্ত হয়ে যাবে, তাদ্বারা ইসলামের নামে ভ্রান্ত কিছু মাসআলা প্রচার করবে। যা ধারনা করে ছিলাম তা এখন বাস্তবে পরিণত হচ্ছে। তাঁর ভ্রান্তি শুধু মাসআলা মাসায়িলের ক্ষেত্রেই সিমাবদ্ধ নয়, বরং দ্বীনের মৌলিক বহু বিষয়ে তিনি ভ্রান্ত মতবাদ সৃষ্টি করেছেন, যা মুসলমানদের দ্বীন ও ঈমানের জন্যে মারাত্মক হুমকি। তবে আমার মনের বড় আশা তিনি যদি দ্বীনের দায়ী হিসেবে কাজ করেন মাসআলা মাসায়েলের আলোচনা না করেন, তবে অনেক উপকার হবে। নিুে ডা: জাকির নায়েকের ভ্রান্ত মতবাদ ও গোমরাহীমুলক কিছু চিন্তাধারা বর্ণনা করা হল। যেন মুসলমান ভাই বোনেরা তার অনুসরণ থেকে বিরত থাকে। পরবর্তীতে তাঁর সম্পর্কে বর্তমান বিশ্বের মহামনীষীদের মন্তব্য উল্লেখ করা হবে ইনশাআল্লাহ। বিশেষ করে দেওবন্দ মাদ্রাসার ফতওয়া আমার হস্তগত হয়েছে যার পরিপ্রেক্ষিতে এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এই কাজে আমাকে যথেষ্ট সাহায্য করেছে। আমার প্রিয় ছাত্র মৌ: রুহুল্লাহ বরগুনাবী ছাত্র দারুল ইলফতা ও আরো কয়েকজন øেহের ছাত্র। আল্লাহ পাক এই অধম ও তাদের শ্রমকে কবুল করুন। আমাদের ক্বাওমী ওলামায়ে কেরাম ও ছাত্রদেরকে ভাল করে স্মরণ রাখতে হবে যে, আমরা আমাদের আকাবেরীনদের মাসলাকের ধারক বাহক, যাদের ফতওয়া আমাদের উৎস। দেওবন্দ ও করাচী থেকে ফতওয়া দিয়েছেন যে, ডা: জাকির নায়েক নিজে পথভ্রষ্ট এবং অপরকে পথভ্রষ্টকারী। তার লেকচার ও মজলিস থেকে বেঁচে থাকা ঈমানী দায়িত্ব। তারপরও তার সাফাই গাওয়া, পক্ষাবলম্বন করা, দরদ দেখানো, অন্ধভক্তি ছাড়া আর কিছুই নয়। অনেকে বলেন, যে সমস্ত মাসআলার কারণে তাকে পথভ্রষ্ট বলা হচ্ছে সেগুলিতো কিতাবে আছে।

মাদ্দাকথা ঃ ডা. জাকির নায়েকের প্রকৃত পরিচয় আমার কাছে এখনও স্পষ্ট নয়। তার কিছু ইতিবাচক দিক অবশ্যই আছে। যেমন, উসূলী বা মৌলিক আকিদা-বিশ্বাস সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে তার যে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সেক্ষেত্রে তাকে আমি ভালো দৃষ্টিতেই দেখি। এর প্রভাব বিজ্ঞানমনস্ক অমুসলিমদের উপর পড়তে দেখা যায়। তাছাড়া মৌলিক আকিদা-বিশ্বাসের ক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম ধ্যান-ধারনা আছে কিনা, থাকলে কেমন তা আমার জানা নেই। কিন্তু গোল বাঁধে ইসলামের বিধি-বিধানের ক্ষেত্রে। যা হক্কানী ওলামায়ে কেরামের সাথে মিলে না। এখানে জাকির নায়েক সীমালঙঘন করছেন। তার অধিকারের পরিধি যতটুকু তার বাইরে তিনি হস্তক্ষেপ করছেন। এরকম না হলে তাকে নির্দ্বিধায় সমর্থন করা যেত।
তাকে হক্বপন্থী বলছি না; এর অর্থ এই নয় যে, তাকে না হক্ব, গোমরাহ বা পথভ্রষ্ট বলছি। বরং কেবল আমার সংশয় ও সন্দেহের কথাই বললাম। এ ব্যাপারে কয়েকজন বিজ্ঞ আলেমের সঙ্গে কথা বলেছি, যারা আমার বন্ধু-বান্ধবরে অন্তর্ভূক্ত। তাদের অধিকাংশই আমার মতই সংশয় ও সন্দেহের কথাই জানালেন। দু-একজন ইতিবাচক এবং এর সম্পূর্ণ বিপরীত নৈতিবাচকও বলেছেন।
হয়ত অচিরেই ডা. জাকির নায়েকের আসল রূপ ধরা পড়বে। মুখোশ উন্মেচিত হবে। হয়ত দেখা যাবে দাওয়াতের পথে যারা অবদান রেখেছেন ইতিহাসের সেই মহানায়কদের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হবেন ডা. জাকির নায়েক। বিপরীত কিছু হওয়াও বিচিত্র নয়। হয়ত দেখা যাবে, দাওয়াতের নামে, টুপি-দাড়ির আড়ালে ইসলামি বিশ্বে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে গোপন কোনো ফায়দা লোটার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ডা. জাকির নায়েক। তিনি যে একুশ শতকের মওদুদী, খোমেনী বা কাদিয়ানী নন এমন নিশ্চয়তা আমাদের কাছে নেই। তিনি যে সত্যেরই সাধক কিংবা তিনি যে দূরবর্তী মেগা ষড়যন্ত্রের ক্রীড়নক নন এটা আমি হলফ করে বলতে পারব না। এ বিষয়ে বিজ্ঞ ওলামায়ে কেরাম নির্মোহ দৃষ্টিকোণে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্তে আসতে পারেন।
আমি ডা. জাকির নায়েকের অন্ধ ভক্ত নই। আবার অতি উদার সমর্থকও নই। নির্মোহ দৃষ্টিকোণ থেকে কিছু কথা বললাম মাত্র। এখানে ভুলও হতে পারে। এতে কারো ভিন্নমতও থাকতে পারে। আমি বিষয়টাকে সহজভাবেই নিব। আল্লাহ আমাদেরকে সহিহ বুঝ দিন। সত্যপথে অটল-অবিচল থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন। লেখক: মেখল মাদ্রাসার শিক্ষক, লিখক ও গবেষক। ১৩.১১.২০১১ইং
সংগ্রহ-ডাঃ জাকির নায়েকের মতবাদ ও শরয়ী বিধান

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৬৭৬ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৩ টি মন্তব্য

  1. ডা: জাকির নায়েক প্রথম যখন আত্ম প্রকাশ করেন এবং বিভিন্ন চ্যানেলে তার প্রচার চলতে থাকে তখন আনন্দিত ও তার প্রতি সন্দিহানও ছিলাম। কারণ অতীতের একটি ইতিহাস মনে পড়ে গেল, ১৮৮৪ইং গোলাম আহমদ কাদিয়ানী যখন মুজাদ্দিদ হওয়ার দাবী করল, অনেক লোক তাঁকে সমর্থন করল। কেননা কাদিয়ানী সাহেব তখন খৃষ্টান মিশনারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় মুনাজারা করে তাদেরকে নাকানীচুবানী খাওয়াচ্ছিল, তাই তাকে মুজাদ্দিদ মেনে নিল। কিন্তু আল্লামা হাবিবুর রহমান লুদিয়ানবীর দাদা, মুফতি আব্দুল্লাহ লুদিয়ানবী রহ. ঘোষণা করলেন যে মির্জা কাদিয়ানী কোন মুজাদ্দিদ বা বযুর্গ নয়। বরং সে একজন মুলহিদ এবং যিন্দিক। এর প্রত্যুত্তরে মির্জার বক্তরা বলে বেড়াতে লাগল যে, তুমি মির্জার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এসব বলে বেড়াচ্ছে। কিন্তু যখন মুফতী আব্দুল্লাহ, তার ভাই মাওলানা মুহাম্মদ এবং মাওলানা শাহ আব্দুল আযীয লুধিয়ানাবীসহ লুধিয়ানার অন্যান্য উলামায়ে কেরাম মির্জা গোলাম আহমাদ কাদিয়ানীর আক্বীদা-বিশ্বাস আর তার দৃষ্টিভংগির আলোকে তার কাফের হওয়ার ফতোয়া প্রদান করলেন তখন তাদের বিরোধিতায় নেমে এল হাজার হাজার মানুষ। মির্জার মত এত বড় একজন বিতর্কিক যার যুক্তির সামনে খৃষ্টান পাদ্রিরা ময়দান ছেড়ে লেজ গুটিয়ে পালাচ্ছে, কত শত মানুষ মুসলমান হচ্ছে তার বিরুদ্ধে কুফরীর ফতোয়া কেই বা মেনে নিতে পারে? অত:পর এই ফতোয়া সত্যায়নের জন্য পাঠানো হল দারুল উলুম দেওবন্দে। হযরত মাওলানা রশীদ আহমাদ গাংগুহী (রহ.) মাওলানা ইয়াকুব নানোতবী (রহ.) সহ উলামায়ে দেওবন্দের বড় বড় আকাবেররা তখন জীবিত। তারা সবকিছু পর্যালোচনা করে যখন এই ফতোয়ার দস্তখত করলেন তখন জনরোষ কিছুটা প্রকাশিত হল। এর পরে কয়েক বছরের মাথায় মির্জা যখন নবী হওয়ার দাবী করে বসল তখন স্পষ্ট হয়ে গেল যে, উলামায়ে দেওবন্দের এই ফতওয়া কত বিজ্ঞজনোচিত ছিল। এই জন্য কারো হঠাৎ জনপ্রিয়তা দেখে তাকে একেবারে পরম পুজনীয় বানিয়ে ফেলা বিবেক বিরোধী কাজ। (ডা: জাকির নায়েকের ভ্রান্ত মতবাদ, পৃ: ১৩)

    জাযাকাল্লাহ খাইর………….

  2. জাযাকাল্লাহ খাইর