লগইন রেজিস্ট্রেশন

প্রসিদ্ধ কয়েকটি জাল হাদিস – ২

লিখেছেন: ' দ্য মুসলিম' @ বুধবার, জানুয়ারি ২৭, ২০১০ (১১:০৩ অপরাহ্ণ)

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

প্রসিদ্ধ কয়েকটি জাল হাদিস – ১

জাল হাদিস- ৪: ” সূর্য কিংবা চন্দ্রের আলোতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ছায়া দেখ যেত না। “

বিজ্ঞ রিজাল শাস্ত্রবিদ আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী ও ইমাম আবু যুরআ উক্ত হাদীসের বর্ণনাকারী আব্দুর রহমান ইবনে কাইস যাফরানীকে মিথ্যুক বলেছেন। ইমাম আবু আলী বরৈন, আব্দুর রহমান মনগড়া হাদীস বর্ণনা করে। ইমাম আবু রঈম ইসফাহানী বলেন, তিনি তো একজন পাত্তাহীন লোক। তাছাড়া তার সম্পর্কে ইমাম বুখারী, ইমাম মুসলিম, ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল, ইমাম নাসায়ী ও ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ুতী রঃ প্রমুখ প্রখ্যাত ইমামগণের কঠোর উক্তি রয়েছে। (তারিখে বাগদাদ, ১০/২৫১-২৫২; মজমুআহ পৃ. ২৩১, ও তাহযীবুত-তাহযীব ৬/২৫৮)

তাছাড়া এর বিপরীত এমন সহীহ পাওয়া যায়, যাতে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ছায়া থাকার সুস্পষ্ট দলীল রয়েছে। যেমন হযরত আনাস রাঃ হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলৈন, এক রাতে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামায আদায় করেছিলৈন। এমন সময় আকস্মাৎ তিনি সামনের দিকে হাত বাড়ালেন। অতঃপর চেছনের দিকে সরে গেলেন। তখন আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আজ নামাজে আমরা আপনাকে এমন একটা কাজ করতে দেখলাম, যা ইতিপূর্বে কোনদিন দেখিনি। তখন হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করলেন, নিঃসন্দেহে আমার সামনে জান্নাত হাযির করা হয়েছে। অতঃপর দোযখ হাজির করা হয়েছে এবং আমার ও তোমাদের মধ্যবর্তী স্হানে রাখা হয়েছে। এমনকি তার আগুনের আলোতে আমার ও তোমাদের ছায়া পর্যন্ত আমি দেখেছ। (মস্তাদরাকে হাকেম)

জাল হাদিস- ৫: ” জুমা গরিব-মিসকিনদের হজ্ব। “

উক্ত হাদীসটি আল্লামা মানাবী ‘জামেউচ্ছগীর’ কিতাবে উল্লেখ করেছেন। হাফিজুল হাদীস যাইনুদ্দীন ইরাকী বরেন, হাদীসটির সনদ দুর্বল এবং ইমাম সাখাবী বলেন, হিদীসটির বর্ণনাকারীদের মধ্যে মুকাতিল নামক এমন এ ব্যক্তি আছে যিনি দুর্বল। শাইখ আলবানী বলেন, তিনি চরম মিথ্যাবাদী তাই হাদীসটি মওজু। ইমাম আজলুনী উল্লেখ করেছেন যে, হাদীসটিকে মুহাদ্দিস কাজাঈ ইবনে আব্বাস রাঃ মরফুআন বর্ণনা করছেন। তবে তিনি ‘আল-মাসাকীন’ এর স্হলে ‘আল ফুক্বারাউ’ উল্লেখ করেছেন। হাদীস গবেষক ইমাম সাগানী বলেন, এই হাদিসটি মওজু তথা বানোয়াট। ইমাম শাওকানী বলেন, হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই। ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ুতী হাদীসটি হযরত ইবনে ওমর রাঃ সুত্রে বর্ণনা করেছেন এবং ‘আল মাসাকিন’ এর স্হলে ‘ফুকার-উহা’ উল্লেখ করেছেন। এর উপর মন্তব্য করতে গিয়ে মুহাদ্দিস ইবনে হিব্বান বলেন, হাদিসটি বাতিল তথা কোন ভিত্তি নেই। (আল-মাকাসিদুল হাসানাহ, পৃ. ২৮; আল-ফাওয়াইদুল মজমুআহ পৃ. ৩৭৮; কাশফুল-খফা, খন্ড-১; পৃ. ৩৩৪)

জাল হাদিস- ৫: ” একজন আলেমের মৃত্যু সমস্ত পৃথিবীর মৃত্যুসরূপ। “

অনেক ওয়ায়েজ এ বাক্যটিকে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাদীস হিসেবে বয়ান করে থাকেন। অথচ নবীর হাদীসের সাথে এর আদৌ কোন সম্পর্ক নেই। অধম এ ব্যপারে হাদীস কিতাব সমূহে অনেক তত্ত্ব তালাশ করেছি, হাদীসের ভান্ডারে এ ব্যপারে কোন সন্ধান পাইনি। তবে এটি কোন বুজুর্গের উক্তি হিসেবে বর্ণনা করা যেতে পারে।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৬০১ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

২২ টি মন্তব্য

  1. আপনারা যারা দাবি করেন সাহাবী তায়েবীদের কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা না করতে, করলে আপনরা এমন ভাবে উপস্থাপন করেন যাতে মনে হয় আমারা ঈমান থেকে বের হয়ে পড়েছি।
    অথচ যত মিথ্যা হাদিস বলে যা প্রতিপন্ন করছেন তার সনদ অনুসারে ঐ রাবীরা হয় সাহাবী না হয় তায়েবীদের মধ্যেই পড়েন। তাহলে পরবর্তি শায়খূল হাদিসরা ঐ সব রাবীদের মিথ্যাবাদী বলে ট্যাগীং করতে পারলেন? এটি কি স্ববিরোধ হয়ে গেল না?

    আর উল্লেখিত তিন হাদিস কি কুরানের সাথে সংঘাতশীল? সনদ দূর্বল কিংবা মিথ্যা হলেও ঐ তিন হাদিসকে যদি আক্ষরিক ভাবে না নিয়ে ঐ কথার মর্মের আলোকে বিচার করে দেখুনতো? ধন্যবাদ।

    ফুয়াদ

    @মুনিম,

    আমার দৃষ্ঠিতে ৪ নম্বর হাদিসটি একে বারে আল কুরানের বিপরিত। কারন, তা রাসূল সঃ কে মানুষের কাতারে বাহিরে নিয়ে যায়, কিন্তু আল কুরান অনুষারে তিনি মানুষ। তারপর, উনার ছায়া দেখা যায় না, এই বিষয় দিয়েই মানুষের কাছে তিনি নিজেকে রাসূল বলে দাবী করতে পারেন।

    যাইহোক, হাদিস মওজু , জয়ীফ যাই হোক আমাদের তা সংরক্ষন করতে হবে। আমি এক আলোচনা করে এক বিষয়ে সিদ্ধান্তে এসেছিলাম। দেখি এখানে পোষ্ট করব, ইনশি-আল্লাহ।

    দ্য মুসলিম

    @ফুয়াদ,

    তা রাসূল সঃ কে মানুষের কাতারে বাহিরে নিয়ে যায়, কিন্তু আল কুরান অনুষারে তিনি মানুষ।

    একমত।

    মুনিম

    @ফুয়াদ, দেখুন ভাই, আরব সাহিত্যে অনেক রূপক উপমা ব্যবহার করা হয়। সে কারণে সূর্য কি সত্যিকারের সূর্যের কথা বলা হয়েছে না রূপক অর্থে ব্যবহার হয়েছে? আর ছায়া শব্দ তো আমরা বাংলায় ও অনেক ভাবে ব্যবহার করি। কোন হাদিস আমার বুঝে না আসলে তা মিথ্যা বলে ধরে নেব, তাহলে ফারুক ও আমরাতে কি ব্যবধাণ? আমার কথা হল যে সব হাদিস স্পষ্ট তৌহিদের বিপরীত তা অবশ্য বাতিল করব। এছাড়া অন্য বিষয়ে আমার বুঝে না আসলে আমি ঐ হাদিসের বিষয়ে নিরবতা পালন করব। ধন্যবাদ।

    দ্য মুসলিম

    @মুনিম,

    এছাড়া অন্য বিষয়ে আমার বুঝে না আসলে আমি ঐ হাদিসের বিষয়ে নিরবতা পালন করব। ধন্যবাদ।

    অবশ্যই আপনি তা করবেন। এবং করাও উচিৎ। কারন আপনি হাদিস বিশারদ না। কিন্তু যারা রিজাল বিশারদ তারাই সিদ্ধান্ত নিবেন কোন হাদিস মওজু আর কোনটি সহীহ।

    হাফিজ

    @মুনিম ভাই,

    কোনো সাহাবী এবং তাবিয়ীনকে কেউ মিথ্যাবাদী বলেন নি । যেসব রাবীকে মিথ্যাবাদি বলা হয়েছে তারা কেউ সাহাবী বা তাবেয়ীন নয় ।

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ,

    সমস্যা হলো, নিজেদের মতবাদকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমাদের কথাকে নিজের ইচ্ছে মতো ব্যাখ্যা করে থাকেন।

    মুনিম

    @দ্য মুসলিম, কেন আপনার কি কোন অসুবিধা?

    দ্য মুসলিম

    @মুনিম,

    না ভাই, সমস্যা নাই। পরকালে আমাকে আহলে হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবেনা আর কোরান অনলী সম্পর্কে ও নয়। আমরা আজ আছি তে কালকে নাই। শুধু নিজের অনুভূতিটা প্রকাশ করলাম।

    দ্য মুসলিম

    @মুনিম,

    একটা কথা মনে হয় আপনি ভুলে গেছেন, ঐ সময় মুনাফিক ও ছিলো, যারা হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ঈমান এনেছিলো এবং বাহ্যিক ভাবে তারা সাহাবীদের মতোই ছিলো। কিন্তু তাদেরকে মুনাফিক বলায় কোন দোষ নেই। এখানে যাদেরকে মিথ্যুক বলা হয়েছেলো তারা কোন না কোন ভাবে অপরাধের সাথে যুক্ত ছিলো অথবা আমলে ঘাটতি ছিলো। ঐতিহাসিকরাই তা ভালো বলতে পারবে।

    মুনিম

    @দ্য মুসলিম, এক কাজ করুন টাইম মেসিনে চড়ে ঐ আমলে যান তারপর দেখুন কে মোনাফিক আর কে মোনাফিক নয়?

    আয়নায় দেখুন সব কিছুতে মোনাফিকদের উপর দোষ চাপিয়ে পার পাবেন না। ধন্যবাদ।

    দ্য মুসলিম

    @মুনিম,

    সমস্যা কি ভাই? আপনিকি কোন সন্দেহ রোগে ভুগছেন? আমাদের ঐতিহাসিকগণ, তাফসীরকারকগণ, ফিকহের ইমাম গণ, হাদীসের ইমামগণ, রিজাল শাস্ত্রবিদগণ ইত্যাদি যারা আপ্রাণ কাজ করে গেছেন তাদের উপর কি আপনার ভরসা নাই?

    মুনিম

    @দ্য মুসলিম, সমস্যা কি ভাই? আপনিকি কোন সন্দেহ রোগে ভুগছেন? আমাদের ঐতিহাসিকগণ, তাফসীরকারকগণ, ফিকহের ইমাম গণ, হাদীসের ইমামগণ, রিজাল শাস্ত্রবিদগণ ইত্যাদি যারা আপ্রাণ কাজ করে গেছেন তাদের উপর কি আপনার ভরসা নাই?

    আপনি বোধহয় খুব বেশি মাদহাব নিয়ে পড়তেছেন। পড়েন তবে ৭৩ ফারকার এক ফারকা মুসলমান হবার জন্য নয় সম্পূর্ণ মুসলমানিত্বের মাধ্যমে যথার্থ মানুষ হবার পথ খুঁজেন। আল্লাহ আমাদেরকে মানুষ হিসাবে দুনিয়াতে পাঠাইছেন এবং মানুষ হিসাবে দুনিয়া থেকে নিয়ে যাবেন।

    আর সন্দেহ ! আপনার মা যখন রেঁধে আপনাকে দেন তখন কি খাদ্য গুলো না দেখে না বেছে না চেয়ে খেয়ে নেন? এই বাছা দেখা চাওয়া কে কি সন্দেহ বলে ট্যাগ করেন? ধন্যবাদ।

    দ্য মুসলিম

    @মুনিম,

    আপনি বোধহয় খুব বেশি মাদহাব নিয়ে পড়তেছেন।
    একটি কঠিন সত্য হলো। আজ পর্যন্ত আমি মাযহাব নিয়ে কোন বই পড়িনি। তবে আমার বিবেক সাক্ষ্য দেয় মাযহাবকে অযথা যারা অসার বলে প্রমাণ করতে চায় তাদেরকে এভয়েড করা উচিৎ।

    আল্লাহ আমাদেরকে মানুষ হিসাবে দুনিয়াতে পাঠাইছেন এবং মানুষ হিসাবে দুনিয়া থেকে নিয়ে যাবেন।
    মানুষের সংজ্ঞাটা পারলে উল্লেখ কইরেনতো।

    আর সন্দেহ ! আপনার মা যখন রেঁধে আপনাকে দেন তখন কি খাদ্য গুলো না দেখে না বেছে না চেয়ে খেয়ে নেন? এই বাছা দেখা চাওয়া কে কি সন্দেহ বলে ট্যাগ করেন?
    কথাটা অপ্রাঙ্গিক মনে হলো, তাই জবাব দিলামনা।

  2. প্রসিদ্ধ কয়েকটি জাল হাদি

    কি অবস্থা দুনিয়ার, ইসলামে আবার জাল হাদীস, চালিয়েযান, সত্য চিরদিনি সত্য, সত্যকে জানুন এবং আমাদেরকে জানান। (Y)
    অন্ধভাবে শুধু আল্লাহকে এবং আল্লাহর রাসূলকেই বিশ্বাস করতে চাই, এর বাহিরে কাউকে নয়, হোক সে যে কেউ বা যেকোন বিষয়।

    দ্য মুসলিম

    @জ্ঞান পিপাষু,

    ধন্যবাদ।

    মুনিম

    @দ্য মুসলিম,
    একটি কঠিন সত্য হলো। আজ পর্যন্ত আমি মাযহাব নিয়ে কোন বই পড়িনি। তবে আমার বিবেক সাক্ষ্য দেয় মাযহাবকে অযথা যারা অসার বলে প্রমাণ করতে চায় তাদেরকে এভয়েড করা উচিৎ।

    দ্য্ মুসলিম আপনার নিক । এখানে মাদহাব কি বলে? আল
    মুসলিম না বলে দ্য মুসলিম বলাতে আপনার বিবেক সায় তো কিন্তু শ্রী মুসলিম নিকে কি আপনার সায় থাকব ? বিবেক কি বলে ?

    মানুষের সংজ্ঞাটা পারলে উল্লেখ কইরেনতো।

    খালি মুসলমান মানুষ আর কেহ নয়। ঠিক আছে তাইনা ভাই ?

    কথাটা অপ্রাঙ্গিক মনে হলো, তাই জবাব দিলামনা।
    অপ্রাঙ্গিক কি ভাই ?

    দ্য মুসলিম

    @মুনিম,

    দ্য্ মুসলিম আপনার নিক । এখানে মাদহাব কি বলে? আল
    মুসলিম না বলে দ্য মুসলিম বলাতে আপনার বিবেক সায় তো কিন্তু শ্রী মুসলিম নিকে কি আপনার সায় থাকব ? বিবেক কি বলে ?

    ভাই, যাদের অন্তরে বক্রতা আছে একমাত্র তারাই মাযহাব নিয়ে অহেতুক ঘাটাঘাটি করে। এই ব্লগে আসার আগে গত ২৪বছরে স্বল্পসংখ্যক বার এটা মনে হয়েছে যে আমি হানাফী মাযহাব অনুসরণ করি। নামাজ পড়ি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। ইবাদত করি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। একবারও এটা মনে হয়নি যে আমি হানাফী মাযহাব অনুসরণ করার জন্য নামাজ পড়ি। এর আগে আমি কখনো মাযহাব নিয়ে কারো সাথে তর্ক পর্যন্ত করিনি। সুতরাং আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টিই মুখ্য, মাযহাব নয়।
    কিন্তু যখন দেখলাম এক শ্রেণীর লোক শুধু মাত্র প্রবৃত্তির বশবর্তী হয়ে, না জেনে না বুঝে মাযহাবকে ফেরকা, কেউবা ইমাম আবু হানীফা রহঃ সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করছে, মাযহাবের ভালো দিক গুলো না দেখে ছোটখাট দোষ ত্রু টি গুলো বাহির করে অপপ্রচার চালাচ্ছে তখন এর প্রতিবাদ কল্পে কিছুটা পড়াশোনা করার সিদ্ধান্ত নেই। এ পর্যন্ত পড়ে যা বুঝলাম তাতে মাযহাবের কোন দোষ ত্রু টি খুজে পেলামনা। যার ফলশ্রুতিতে মাযহাবের পক্ষে লিখতে শুরু করি।

    খালি মুসলমান মানুষ আর কেহ নয়। ঠিক আছে তাইনা ভাই ?
    তা হতে যাবে কেন? আল্লাহ তায়ালা যাদেরকে নির্দিষ্ট সুরতে বিবেক বুদ্ধি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন তারাই মানুষ। আমাদের বাবা-মা দের মুখে একটি কমন কথা শোনা যায় যে, ছেলেকে মানুষের মতো মানুষ বানাবো। আর একজন মানুষ কে তখনই মানুষের মত মানুষ বলা যাবে যখন সৃষ্টির উদ্দেশ্যকে সে স্যটিসফাই করবে। আর সৃষ্টির উদ্দেশ্য কি আপনি তা আমার চেয়ে ভালো জানেন বোধ করছি। ধন্যবাদ।

    হাফিজ

    @দ্য মুসলিম,

    কিন্তু যখন দেখলাম এক শ্রেণীর লোক শুধু মাত্র প্রবৃত্তির বশবর্তী হয়ে, না জেনে না বুঝে মাযহাবকে ফেরকা, কেউবা ইমাম আবু হানীফা রহঃ সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করছে, মাযহাবের ভালো দিক গুলো না দেখে ছোটখাট দোষ ত্রু টি গুলো বাহির করে অপপ্রচার চালাচ্ছে তখন এর প্রতিবাদ কল্পে কিছুটা পড়াশোনা করার সিদ্ধান্ত নেই। এ পর্যন্ত পড়ে যা বুঝলাম তাতে মাযহাবের কোন দোষ ত্রু টি খুজে পেলামনা। যার ফলশ্রুতিতে মাযহাবের পক্ষে লিখতে শুরু করি।

    জ্বী সম্পূর্ন একমত । “মাজহাব” সম্পূর্ন কোরাআন হাদিস সম্মত । ইসলামিক পদ্ধতিতে জীবন যাপন , ইবাদত করতে হলে “কোরান” , “হাদিস” থেকে সমাধান বের করতে হয় । যেটাকে মাসআলা বলা হয় । আর এই মাসআলার সংকলনই মাজহাব । যারা মাজহাবের বিপক্ষে বলে , তারাও দেখা যায় প্রকারান্তরে হয় অন্য কোনো আলেম ( যেমন ইমাম তাইমিয়া , আলবানী সহ আরো অনেককে ) অনুসরন করে , কিংবা বেশীর পক্ষে নিজের নফসকে অনুসরন করে ।

  3. @দি মুসলিম ভাই ,

    আপনার এই লেখা কি নাসিরুদ্দিন আল বানীর বই এর থেকে নেয়া ?

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ,

    মাসিক মদিনা। জানুয়ারী-২০১০, পৃষ্ঠা-১৪।

    হাফিজ

    @দ্য মুসলিম, ধন্যবাদ