লগইন রেজিস্ট্রেশন

মাযহাব ও লা-মাযহাব এবং আমার ভাবনা।

লিখেছেন: ' দ্য মুসলিম' @ সোমবার, এপ্রিল ২৬, ২০১০ (১০:৪৩ অপরাহ্ণ)

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

বিসমিল্লাহির রাহ মানির রাহীম।

ভুমিকায় কিছু কথাঃ
আমি হানাফি মাজহাবের অনুসারী। অথচ গত ২৫ বছরে এই কথাটি আমাকে ২৫বার বলতে হয়েছে কিনা সন্দেহে। কেউ যখন প্রশ্ন করে তখন নিজেকে হয়তো নিজের নামে বা কখনো বাবার নামে বা কখনো মুসলমান নামে পরিচয় দিয়েছি। কখনো এই পরিচয় দেইনি যে, আমি হানাফী মাজহাবী। এই পরিচয় দেইনি কারণ এটা দেবার মতো কোন পরিচয়ও নয়। মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে শুকরিয়া যে, তিনি আমাকে জ্ঞান অর্জন করার সামর্থ সুযোগ দিয়েছেন। সেই জ্ঞান অর্জন করার সুযোগে হানাফি মাজহাব বা লা-মাজহাব সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়েছে। প্রশ্ন হলো বর্তমানে বাংলাদেশে কয়জন এই সুযোগ পেয়ে থাকেন? শতকরা ১ জন পান কিনা সন্দেহ আছে।

… … … যেখানে নিজেকে কখনো হানাফী বলে পরিচয় দেইনি অথচ কেউ কেউ আমার উপর এই পরিচয় চাপিয়ে দেয়ার জন্য যেন উঠে পড়ে লেগেছেন। যেটা দেবার মতো কোন পরিচয় নয় সেটাকেই আমার গলায় ঝুলিয়ে দেয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন কেউ কেউ। এমনকি কেউ কেউ বিদআতি-ভ্রান্ত ইত্যাদি টাইটেলও দিয়েছেন। সবচাইতে দুঃখ তখনই লাগে যখন নিজেকে মুফতি নামে পরিচয় দেয়া একজন আলিম তার জ্ঞানের সকল পুঁজি নিয়ে উঠেপড়ে লাগেন আমাদের আমলের ইত্যাদির ভিত্তিকে শুন্য প্রমান করার জন্য। এরচাইতেও বেশী খারাপ লাগে যখন মনে পড়ে যে, আমাকে এমনকি ৭৩ ফেরকার একটি বলে অভিহিত করা হয়েছে। ফেরক্বার মধ্যে ফেলে দেয়ার মানে হলো আমি জাহান্নামী!!! এসব তর্ক-বিতর্ক ইত্যাদির সংশ্পর্শে এসে আমার এসব জানার সুযোগ হয়েছে কিন্তু আমার প্রাণপ্রিয় আব্বুতো এসব জানেনা। আমার প্রিয় চাচাতো এটা জানেনা। ওরা জানেনা যে যতই নামাজ পড়ুন না কেন ওনারা জাহান্নামী কারণ ওনারা হানাফী মাজহাব অনুসরণ করে থাকেন! শুনলে কেমন লাগবে তাদের? নিশ্চয়ই ভালো লাগবেনা। যখন এই বৃদ্ধ মানুষগুলো শুনবেন যে, সারাজীবনের আমলকে অর্থহীন প্রমাণ করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে একদল গোঁড়া-অন্ধ মুসলমান তখন তাদের অন্তরে যে কষ্টের জোয়ার উঠবে তার দাম এই দুনিয়াতে কেউ না দিলেও অন্তরে এতটুকু বিশ্বাসতো লালন করেই থাকি যে, কেয়ামতের দিন মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে কাঠগড়ায় তাদেরকে দাঁড় করিয়েই ছাড়বো, ইনশাআল্লাহ। (এই লিখাটি কোন মাজহাব বা লা-মাজহাবের কাউকে উদ্দেশ্য করে লিখা হয়নি। যারা গোঁড়ামি করে থাকেন তাদের বিরুদ্ধেই এই লিখা।)

… … … মাজহাব ও লা-মাজহাব নিয়ে আমার নিজস্ব ভাবনা রয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত ঘুর্ণাক্ষরেও কারো প্রতি আমর ঘৃণা সৃষ্টি হয়নি কেবল তাদের ছাড়া যারা গোঁড়ামি করেন। না, এই ব্লগের বা ব্লগের কোন লা-মাজহাবি ভাইয়ের প্রতি কোন অসন্তুষ্টি বা ক্ষোভ বা আক্ষেপ ইত্যাদি নেই। মহান আল্লাহ তায়ালা এর সাক্ষী কারণ তিনিই আমার মনের খবর জানেন। তেমনি হানাফি মাজহাবের কোন ভাইয়ের প্রতি আমার এক্সট্রা কোন ভালোবাসা নেই। আমরা মুসলমান এটা ছাড়া আর কিছু ভাবতে যাওয়াই আমার কাছে পাপ মনে হয়। কাল হাশরের মাঠে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে এই বলে ফরিয়াদ করতে পারবো যে, হে আল্লাহ! আমি তোমার বান্দাহদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টিকারীগণের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না। যাই হোক মাজহাব ও লা-মাজহাব নিয়ে আমার ভাবনা গুলো লিখতে ইচ্ছে করলো তাই শুরু করলাম।

*** প্রথমত একটা কথাতো স্পষ্ট যে মাজহাবী বা লা-মাজহাবী সকলেই আসলে তাক্বলিদ করে থাকেন। কেউ স্বীকার করেন আর কেউ স্বীকার করেন না। মানে অনেকেই এটাকে তাক্বলিদ মনে করেন না। একটু ভেতরে খতিয়ে দেখলে পুরো ব্যপারটা স্পষ্ট হয়ে যাবে।

*** ফকিহ , মুজতাহিদ, আলিম, মুফতি, মুহাদ্দিস, মুফাসসির ইত্যাদি সকলে মিলে ইসলামের শরীয়াতের আহকাম সমূহের একটি ভিত্তি দাঁড় করিয়ে দিয়ে গেছেন। সেখানে অনেকেই ছিলেন। ইমাম আবু হানীফা রঃ, ইমাম শাফেয়ী রঃ, ইমাম মালেক রঃ, ইমাম আহমদ ছিলেন। আবার আলবানী রঃ, ইবনে তাইমিয়া রঃ, ইবনুল কাইয়্যুম রঃ ছিলেন। ইমাম আবু হানীফা রঃ একজন তাবেয়ী ছিলেন, সুতরাং তিনি সেসময়ের পরিস্হিতি সম্পর্কে বেশী অবগত হবার কথা। তিনি এবং তাঁর সভাষদগণ সাহাবীগণের এবং বায়োজোষ্ট তাবেয়ীগণের আমল দেখেছেন, সে হিসেবে আমরা অনেকেই ইমাম আবু হানীফা রঃ এর মত সমূহকে প্রাধান্য দিয়ে থাকি।
এমনিভাবে যাদের মনে হয়েছে যে ইমাম শাফেয়ী রঃ এর মত সমূহ বিশুদ্ধ তারা তাঁর মত সমূহকে গ্রহণ করে থাকেন। অনুরূপ ভাবে ইমাম মালেক রঃ এবং ইমাম আহমদ রঃ। মাজহাব বলতে যদিও আমরা সাধারণত এই চারজনের মতামতকে মনে করে থাকি কিন্তু মাজহাব রয়েছে। যেমন সুফিয়ান সাওরী রঃ এরও মাজহাব রয়েছে।

*** ইমাম ইবনে তাইমিয়া রঃ প্রমুখগণের মতামতের যে ভিত্তি তাতে যে উপরোক্ত চার ইমাম বা অনুরূপ আরো ইমাম গণের অবদার রয়েছে তা অনস্বীকার্য। কারণ-
প্রথমত, ইমাম ইবনে তাইমিয়া রঃ, ইবনুল কাইয়্যিম রঃ প্রমুখগণ যারা লা-মাজহাবী ভাইদের অনুসরণীয়, তারা স্বয়ং হাম্বলী মাজহাবের অনুসারী ছিলেন প্রথমে। পরের দিকে তাঁরা স্বাধীনভাবে কিছু মতামত বা মাসআলার ফতোয়া দিয়েছেন। এরমানে হলো উনারাও কোন একসময় মাজহাবের অনুসরণ করেছিলেন।

*** ইমাম ইবনে তাইমিয়া রঃ, শায়খ আলবানী রঃ প্রমুখগণ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সময়ে উপস্হিত ছিলেন না। উনারা মুজতাহিদ ছিলেন এবং ইজতিহাদ করেছিলেন হাদীস শরীফ, তাফসীর, ইতিহাস, ফকিহগণের মাসআলা ইত্যাদি থেকে। আগেই বলেছি যে উনাদের কেউ কেউ প্রথম দিকে হাম্বলি মাজহাবের অনুসারী ছিলেন। তারমানে উনাদের ইজতিহাদের মধ্যেও ফকিহগণের মেহনতের মাসআলা রয়েছে, রয়েছে মাজহাব। কারণ উনারা সব নয় বরং কিছু কিছু মাসআলাতে বিরোধীতা করেছিলেন, তারমানে বাকিগুলো গ্রহণ করেছিলেন। এখন কেউ যদি মাজহাবকে ভ্রান্ত এবং মুসলমানগণকে বিভক্তি করণের মুল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করতে চান তাহলে তাহলে তা নিজের গায়ে এসে পড়বে। যদি মাজহাব সমূহের দলিল ইত্যাদিকে শুন্য করে দেখাতে চান তাহলে উনাদের ভিত্তিও শুন্য হযে যেতে বাধ্য।

*** গত ১৪০০ বছরের কোরআন হাদীসের জ্ঞানকে যদি একটি চেইন কল্পনা করা যায় তাহলে সেই চেইনের একটি অংশ যেমন ইমাম আবু হানীফ রঃ, তেমনি ইমাম বুখারী রঃ, ইমাম শাফেয়ী রঃ, তেমনি রয়েছে ইমাম ইবনে তাইমিয়া রঃ, ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রঃ প্রমুখগণ। সুতরাং কেউ যদি পুর্বের অংশকে অসার প্রমাণ করে ইমাম ইবনে তাইমিয়া রঃ থেকে নতুন ভাবে ইসলামের দীক্ষা শুরু করতে চান তাহলে তারা যে প্রকাশ্যই বিভ্রান্তিতে পতিত হয়েছেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। তেমনি ইমাম ইবনে তাইমিয়া রঃ, ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রঃ প্রমুখগণও এই চেইনের একটি অংশ বিধায় তাদেরকে কেউ যদি অস্বীকার করতে চান তাহলে তারাও বিভ্রান্তিতে রয়েছেন। এই চেইনের প্রত্যেকেই ছিলেন এক একটি রত্ন। তাদেরকে অস্বীকার করে বা অপমান করে যে অন্তত তাকওয়া হাসিল হতে পারেনা এতটুকু স্পষ্ট।

*** যাদের কাছে যে মাসআলা সঠিক মনে হয়েছে তারা তাই মানছেন। কেউ কিন্তু ইমাম আবু হানীফা রঃ বা ইমাম ইবনে তাইমিয়া রঃ এর নামে দুরূদ পাঠ করছেন না, বা তাদের উদ্দেশ্যে কিছু করছেন না। মাজহাবী ও লা-মাজহাবী সকলেই একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ইবাদত করে থাকি এর দুরূদ পাঠ করে থাকি হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নামে। এখানে আমরা যারা দাওয়াতের কাজে বা শিখতে এসেছি তারা কেউ কোন নির্দিষ্ট আলিমের মতবাদের দাওয়াত দিতে আসিনি, এসেছি ইসলামের দাওয়াত দিতে। সেখানে যার যে মাসআলা পছন্দ হয়েছে সে সেটাই পালন করছেন।

*** এতদিনে একটা বিষয়তো প্রতিয়মান হয়েছে যে, কেউ দলিল ছাড়া কথা বলছেন না। প্রত্যেকটি মতভেদের মধ্যেই উভয় পক্ষেরই দলিল রয়েছে। যার কাছে যেটির অবস্হান শক্ত মনে হয়েছে তিনি তা মানছেন। কিন্তু অন্য পক্ষের দলিলকে অসার প্রমান করার মধ্যে কি কোন সওয়াব রয়েছে কিনা একমাত্র আল্লাহ তায়ালাই জানেন।

কল্যান কামনাই হচ্ছে দ্বীনঃ

*** তামীমুদদারী থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কল্যাণকামনাই হচ্ছে দ্বীন। আমরা আরয করলাম, কার জন্যে কল্যানকামনা? তিনি বললেন, আল্লাহ ও তাঁর কিতাব, তাঁর রাসুল আর মুসলিম নেতৃবৃন্দ ও জনসাধারণের কল্যান কামনাই হচ্ছে দ্বীণ। (মুসলিম-৫৭)

*** জারীর ইবনে আবদুল্লাহ রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে নামাজ কায়েম করা, যাকাত আদায় করা এবং প্রত্যেক মুসলমানের কল্যাণকামনার বাইয়াত করেছি। (মুসলিম-৫৮)

কারো যদি মনে হয় যে, অমুক মাসআলাটি সঠিক নয়, তবে শুধু দলিল পেশ করেই ক্ষান্ত হওয়া উচিত। এটুকুই দায়িত্ব। ঢালাও ভাবে মন্তব্য পেশ করা থেকে বিরত থাকা উচিত।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১,১৫৮ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৪.২৫)

১৫ টি মন্তব্য

  1. *** ইমাম ইবনে তাইমিয়া রঃ, শায়খ আলবানী রঃ প্রমুখগণ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সময়ে উপস্হিত ছিলেন।

    “না” যোগ হবে ।

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ,

    ঠিক করে দিয়েছি, ধন্যবাদ।

  2. * ইমাম ইবনে তাইমিয়া রঃ প্রমুখগণের মতামতের যে ভিত্তি তাতে যে উপরোক্ত চার ইমাম বা অনুরূপ আরো ইমাম গণের অবদার রয়েছে তা অনস্বীকার্য। কারণ-
    প্রথমত, ইমাম ইবনে তাইমিয়া রঃ, ইবনুল কাইয়্যিম রঃ প্রমুখগণ যারা লা-মাজহাবী ভাইদের অনুসরণীয়, তারা স্বয়ং হাম্বলী মাজহাবের অনুসারী ছিলেন প্রথমে।

    সহমত , সুন্দর লিখেছেন ।

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ,

    এপ্রিশিয়েট করার জন্য শুকরিয়া। (F)

  3. *** গত ১৪০০ বছরের কোরআন হাদীসের জ্ঞানকে যদি একটি চেইন কল্পনা করা যায় তাহলে সেই চেইনের একটি অংশ যেমন ইমাম আবু হানীফ রঃ, তেমনি ইমাম বুখারী রঃ, ইমাম শাফেয়ী রঃ, তেমনি রয়েছে ইমাম ইবনে তাইমিয়া রঃ, ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রঃ প্রমুখগণ। সুতরাং কেউ যদি পুর্বের অংশকে অসার প্রমাণ করে ইমাম ইবনে তাইমিয়া রঃ থেকে নতুন ভাবে ইসলামের দীক্ষা শুরু করতে চান তাহলে তারা যে প্রকাশ্যই বিভ্রান্তিতে পতিত হয়েছেন তাতে কোন সন্দেহ নেই।

    এই একটি ব্যাপার বুঝলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতো ।

  4. *** যাদের কাছে যে মাসআলা সঠিক মনে হয়েছে তারা তাই মানছেন। কেউ কিন্তু ইমাম আবু হানীফা রঃ বা ইমাম ইবনে তাইমিয়া রঃ এর নামে দুরূদ পাঠ করছেন না, বা তাদের উদ্দেশ্যে কিছু করছেন না। মাজহাবী ও লা-মাজহাবী সকলেই একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ইবাদত করে থাকি এর দুরূদ পাঠ করে থাকি হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নামে। এখানে আমরা যারা দাওয়াতের কাজে বা শিখতে এসেছি তারা কেউ কোন নির্দিষ্ট আলিমের মতবাদের দাওয়াত দিতে আসিনি, এসেছি ইসলামের দাওয়াত দিতে। সেখানে যার যে মাসআলা পছন্দ হয়েছে সে সেটাই পালন করছেন।

    সঠিক ।

  5. কারো যদি মনে হয় যে, অমুক মাসআলাটি সঠিক নয়, তবে শুধু দলিল পেশ করেই ক্ষান্ত হওয়া উচিত। এটুকুই দায়িত্ব। ঢালাও ভাবে মন্তব্য পেশ করা থেকে বিরত থাকা উচিত।

    সঠিক ।

  6. ভাল বলেছেন। সম্পূর্ণ সহমত। (F)

    দ্য মুসলিম

    @তামীম, শুকরিয়া। (F)

  7. পোষ্টের প্রতিটি পয়েন্টের সাথে পুরোপুরি একমত।

    দ্য মুসলিম

    @মাহমুদ, শুকরিয়া।

  8. ব্যাপার হলো অনেক মাজহাবীদের মধ্যে অনেকে মনে করে যেকোন একটা মাজহাবই তাকলীদ করতেই হবে। একটার সাথে আরেকটা মিশানো যাবে না। এটা তো ঠিক নয়। মূলত কোরআন আর সুন্নাহই আসল দলীল। বাকী সব তো বিভিন্ন আলেমদের মতামত বা ইজতিহাদ। তার মধ্যে রিজিডলি ফলো করার তো কোন দরকার নেই।

    আর গত ২৫ বছরে ………এটা কি আপনার বয়সের সাথে সম্পর্কিত? তাহলে তো আপনি অনেক ছোট! :)

    ??? ??????

    @নাজনীন,

    জ্বী, বয়স সম্পর্কিত।
    বলেন কি! আজও বড় হতে পারলাম না!!!

    নাজনীন

    @দ্য মুসলিম, কি উত্তর দিলেন কিছুই তো পড়তে পারি না। :(

  9. বিশ্ব যখন এগিয়ে চলছে, আমরা তখন বসে-
    বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজছি ফেকা ও হাদিস চষে। – কাজী নজরুল ইসলাম/p>