লগইন রেজিস্ট্রেশন

কারও সম্মানে দাঁড়ানো

লিখেছেন: ' শাহরিয়ার' @ সোমবার, ডিসেম্বর ২১, ২০০৯ (৬:৫০ পূর্বাহ্ণ)

আবু উমামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সঃ) লাঠির উপর ভর করে বের হলেন। আমরা তাঁর জন্য দাঁড়ালাম। তিনি বললেনঃ অনারবগন একে অপরকে সম্মান করার জন্য যেভাবে দাঁড়ায় তোমরা সেভাবে দাঁড়িওনা।
(আবূ দাউদ, মিশকাত ১ম খন্ড ৪০৩ পৃঃ)

সাঈদ বিন আবিল হাসান হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ আবূ বাকরাহ আমাদের মাজলিসে আসলেন। অতঃপর মাজলিস থেকে একব্যক্তি দাঁড়াল, তিনি ঐ মাজলিসে বসতে অস্বীকার করলেন এবং বললেনঃ নাবী (সাঃ) এটা (দাঁড়ানো) কে নিষেধ করেছেন।
(আবূ দাউদ ২য় খন্ড ৬৬৪ পৃঃ, মিশকাত ১ম খন্ড ৪০৩ পৃঃ)

মুয়অবিয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ রসূললুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন ঃ যে ব্যক্তি তার সম্মুখে অপর লোকদের প্রতি মুর্তির ন্যায় দাঁড়িয়ে থাকা পছন্ত করে, সে যেন জাহান্নামের মধ্যে তার বাসস্থান বানিয়ে নেয়।
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, মিশকাত ৪০৩ পৃঃ)

অথচ অফিসের বস বা ক্লাশের টিচারদের শুভাগমনে যদি কর্মচারী বা ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ না দাঁড়ায় তাহলে চরম বেয়াদবী ছাড়া আর কিছুই নয়। কে এই দাড়ানো প্রথার আবিষ্কারক?

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৪৯৯ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

১৩ টি মন্তব্য

  1. আপনি উপরে আলোচনা করলেন যে, কারও সম্মানে দাঁড়ানো এটা ঠিক না আপনি তার পক্ষে সরাসরি হাদীস থেকে উদ্রিতিও দিয়েছেন, আলহামদুল্লিল্লাহ ভাল কথা।

    কিন্তু কাউকে সম্মান জাতে আমরা কি করতে পারি , বা কোন সম্মানি লোককে যদি আমরা সম্মান জানাতে চাই , তাহলে কিভাবে জানাতে পারি? দয়াকরে এ বিষয়ে সহিহ হাদীস থেকে কোন উদ্রিতি দিতে পারবেন কি ? :)

    malek001

    @জ্ঞান পিপাষু,
    এই মূহুর্তে কোন হাদিসের উদ্ধৃতি দিতে পারছি না। তবে, সামনে হেটে গিয়ে অভ্যর্থনা জানিয়ে নিয়ে আসা কিংবা বসা অবস্থায় সালাম দেয়া যায়। কিন্তু কোরআন-হাদিস সম্পর্কে না জানা লোকদের বোঝাতে গেলেও তারা আবার অসম্মানিত বোধ করেন।

    জ্ঞান পিপাষু

    @malek001, সুন্দর বলেছেন। তবে আমার মনেহয় এটা আপনার ব্যক্তিগত মতামত।

    তবে আমাদের উচিত আল-কুরান এবং সহিহ হাদীসকে অনুশরন করা, এছড়া আমরা মাঝে মধ্যেই সহিহ এবং দুরবল হাদিসের সংকায় ভুগি, যেহেতু উপরের ভাই বলেছেন দাঁড়িয়ে সম্মান জানাতে হাদিছে মানা আছে, তবে আমার মনে হয় হাদীসে এটাও আছে যে, কিভাবে সম্মান বা অভ্যর্থনা জানাতে হবে। কিভাবে সাহাবাগন সম্মান বা অভ্যর্থনা জানাতেন তা আমাদের জানা উচিত বলে আমি মনে করি। আশাকরি আমরা এ বিষয়ে কুরান হাদীস সম্মত গ্রহনযোগ্য ও পুর্ণাঙ্গ সমাধান পাবো। ধন্যবাদ। (F)

    দেশী৪৩২

    @জ্ঞান পিপাষু, সুন্দর প্রশ্ন । ধন্যবাদ।

  2. কোনো একটি বিষয়ে হাদিস পড়ে সাথে সাথে কোনো সিদ্ধান্তে আসা ঠিক নয় । অন্য হাদিস শরীফে আছে রসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) এর সম্মানে অনেক সাহাবী দাড়িয়েছেন কিন্তু তিনি মানা করেন নি ।

    আগে আনারবদের মধ্যে প্রথা ছিল তারা রাজা বাদশাহদের সম্মুখে সবসময় দাড়িয়ে থাকত , কোনো সময় বসত না । এইধরনের সার্বক্ষনিক দাড়িয়ে থাকা নিষেধ । তাছাড়া সম্মানের খাতিরে কোনো শিক্ষক বা পিতা মাতার সামনে দাড়ানোতে নিষেধ নেই ।

    bagerhat

    @হাফিজ,
    ধন্যবাদ।
    অাপনার মন্তেব্যর সাথে একমত হতে পারলে ভালো লাগত,কিন্তু কোন দলিল দেখাতে পারবেন কি?
    অামার মনে হয় , কোন দলিলই অাপনি দেখাতে পারবেন না। অপেক্ষায় রইলাম।

    হাফিজ

    @bagerhat, ভাই বাগেরহাট, ঠিক আছে চেষ্টা করে দেখব । কোথায় পড়েছিলাম খুজে দেখতে হবে । একটু সময় লাগবে ।

    mamun

    @হাফিজ,ভাই হাফিজ, একটা কথা মনে রাখবেন। আল্লাহর নবীর কোন হাদীস সরাসরি কন্টডিক্টরি হবে না। হয়তো প্রয়োজনের ক্ষেত্রে বা বিশেষ ক্ষেত্রে কিছুটা শীথিল হতে পারে। যেমন শুকরের মাংস খাওয়া হারাম, তবে জীবন বাঁচাবার তাগিদে খাওয়া যাবে। মিথ্যা কথাবলা মাহা পাপ তবে তিন ক্ষেত্রে মিথ্যা বলা জায়েয।

    আসমাহ বিনতু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ তিনটি ব্যাপারে মিথ্যা কথা বলা বৈধ রয়েছেঃ
    ০১) স্ত্রীকে খুশি রাখার জন্য মিথ্যা বলা;
    ০২) যুদ্ধের ব্যাপারে মিথ্যা বলা;
    ০৩) মানুষের মাঝে সংশোধন বা মিমাংসা করে দেয়ার জন্য মিথ্যা বলা।
    (তিরমিযী ২য় খন্ড ১৫ পৃঃ, মুসনাদে আহমাদ, মিশকাত ২য় খন্ড ৪২৮ পৃঃ)

    ঠিক তদ্রুপ কারো সম্মানে দাড়ানোর যদি কোন সহীহ হাদীস থেকেও থাকে, সেটা নিশ্চিত কোন বিশেষ পরিস্থিতিতে।
    যেটাই হোক দলিল পেশ করুন আমরা বিষয়টা জানতে পারব।

    হাফিজ

    @mamun,ভাই মামুন, জ্বি আমারো সেই বক্তব্য , কোনো বিষয়ে দুইরকম হাদিস থাকলে সেটা কনটেক্সট এর উপর নির্ভর করার কারনেই হয় । আসলে বিশ্লেষন করলে দেখা যায় তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই , যেটা আপনি বললেন ।

    একবার হযরত সাদ (রা:) সওয়ারীতে চড়ে আসলে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম সাহাবীদের উদ্দেশ্য করে বললেন “তোমরা তোমাদের সর্দারের সম্মানে দাড়িয়ে যাও” ? [ মেশকাত শরীফ ]

    দাড়ানোর ব্যাপার যে হাদিস শরীফটি উল্লেখ করেছি সেটা আমি পরবর্তিতে খবর নিয়ে দেখলাম বিশেষ অবস্হার সাথে সম্পর্কিত, হযরত সাদ(রা;) অসুস্হ ছিলেন । তাই এটা সব সময়ের জন্য প্রযোজ্য হবে না ।

    তাই মুলত সাধারনভাবে দাড়ানো নিষেধ যেটা “বাগেরহাট” উল্লেখ করেছেন । আশাকরি আমার বক্তব্য বুঝতে পেরেছেন ।

  3. @বাগেরহাট ভাই,

    একবার হযরত সাদ (রা:) সওয়ারীতে চড়ে আসলে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম সাহাবীদের উদ্দেশ্য করে বললেন “তোমরা তোমাদের সর্দারের সম্মানে দাড়িয়ে যাও” ? [ মেশকাত শরীফ ]

    এছাড়া রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম হযরত ফাতেমা (রা:) কে দেখতে গেলে তিনি দাড়াতেন এবং হযরত ফাতেমা (রা:) রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম কে দেখতে গেলে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ও দাড়াতেন । এটা মহব্বতের বহিপ্রকাশ । এ সংক্রান্ত হাদিস শরীফও পাওয়া যায় ।

  4. @বাগেরহাট ভাই,

    দাড়ানোর সম্বন্ধে পক্ষে বিপক্ষে হাদিস থাকলেও আপনার উল্লেখিত হাদিস শরীফের দলীলকে মজবুত মনে হচ্ছে । তাই আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো মত প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকছি । পরবর্তিতে আমি ইসলামিক স্কলারদের সাথে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিব । কোনো বিষয়ে যাচাই করার সময় আমি এভাবে পর্যালোচনা করে থাকি ।

    ধন্যবাদ

  5. রসুল পাক সা: এক মজলিসে আলোচনার সময় হঠাৎ উনার দুধমাতা হালিমা এসে হাজির হলে ,রসুল পাক সা: কি করেছিলেন তা কি সবার জানা নেই ? উনি সা: কি দাড়িয়ে নিজের চাদর বিছিয়ে বিবি হালিমাকে বসতে দেন নি ?