লগইন রেজিস্ট্রেশন

চন্দ্র বিদির্ণ ও আধুনিক বিজ্ঞান

লিখেছেন: ' সাজ্জাদ' @ শনিবার, মার্চ ৫, ২০১১ (৬:৩৮ পূর্বাহ্ণ)

যেহেতু আমার ধারাবাহিক লেখা (نهاية العالم) এর অনুবাদের ৫ নং পর্বে চাঁদ দ্বিখন্ডিত হওয়ার কথা এসেছে তাই আমি মনে করি এব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করা দরকার।
আল্লাহ তা’য়ালা পবিত্র কুরআনের সুরা ফুসসিলাতের ৫৩ নং আয়াতে বলেনঃ- “আমি তাদের আমার নিদর্শন সমুহ দেখাব বিশ্ব ভখন্ডে”।
আর তাঁর অস্তিত্যের প্রমাণ ও নবী (স) এর মুজিজার অন্যতম হল “চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হওয়া”। আল্লাহ বলেনঃ- إقتربت الساعة وانشق القمر (কিয়ামত আসন্ন ও চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হয়েছে)
এব্যাপারে মানুষদের মাঝে কয়েক ধরণের মতবাদ পরিলক্ষিত হয়। এক. এটা (চন্দ্র বিদর্ণ) হওয়ার অবকাশ রাখে এবং তা নবী (স) এর আমলেই সংঘটিত হয়েগিয়েছিল। দুই. এদের মতে এটা হওয়ার অবকাশ আছে,কিন্তু এখনও তা সংঘটিত হয়নি,কিয়ামত দিবসে হবে। তিন. যারা এটা আদৌ সত্য মনে করেনা। অর্থাৎ এটা কিভাবে হতে পারে যে,চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হয়ে আবার জোড়া লেগে যাবে। এখানে প্রথম মতটিই সত্য এবং উলামা ই হাক্কার মাঝে গ্রহণ যোগ্য। তাই আমি এই সপক্ষে দলিল পেশ করব। (ইনশাআল্লাহ)। এই সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন তাফসীরে কাবীরে (إقتربت الساعة وانشق القمر) এর তাফসীরে।
প্রথম দলের যুক্তিঃ-
১। তাফসীরে ইবনে কাসীরে উল্লেখ আছেঃ- এটা নবী কারীম (স) এর যুগেই সংঘটিত হয়েছে। যা সহীহ সনদে মুতওয়াতির হাদিসে বর্ণিত। বোখারীতে উল্লেখ আছে, হযরত ইবনে মাসউদ বর্ণিত, কিয়ামতের বড় বড় পাছটি নিদর্শন ইতিমধ্যে সংঘটিত হয়ে গেছে। যথা; দোয়া, চন্দ্রের বিদিরণ ইত্যাদি। এব্যাপারে তাঁর মত উল্লেখ করে বলেন,
وهذا أمر متفق عليه بين العلماء أي انشقاق القمر قد وقع في زمان النبي صلى الله عليه وسلم وأنه كان إحدى المعجزات الباهرات.
“সমস্ত ওলামা এই কথার উপর ঐক্যমত পোষণ করেন;যে এটি নবী (স) এর আমলেই সংঘটিত হয়। এবং তা নবী (স) এর অন্যতম মুজেযা।“
তারপর তিনি এর সপক্ষে বেশ কিছু হাদিসের অবতারণা করেন;যেমন;
হযরত আনস (র) বলেন;মক্কাবাসীরা নবী (স) এর কাছে এসে চন্দ্রের দ্বিখন্ডকরণ দেখানোর জন্য বললে, তিনি চন্দ্র দ্বিখন্ডিত করেন,এমনকি তারা চাদের দু’টুকরার মাঝে হেরা পর্বত দেখতে পায়। এবং এই ঘটনাকে কিবারে সাহাবাগণ উল্লেখ করেছেন।
যেমন,আনাস (র) এর হাদিস উল্লেখ করা হয়েছে। তাছাড়া ইবনে বলেনঃ-
رأيت القمر منشقا شقين بمكة قبل مخرج النبي صلي الله عليه وسلم
২। আল্লাহ তা’য়ালা এখানে ماضي এর সিগাহ তথা paste tense ব্যবহার করেছেন। এর অর্থ এটা সংঘটিত হয়েছিল। না হয় আল্লাহ মিথ্যুক হওয়া আবশ্যিক হয়ে পড়বে। আর যদি ২য় দলের মত বলি এটা পরে সংঘটিত হবে,তখন এটা إخبار عن الغيب (ভবিষ্যতবাণী) এ অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবে,অথচ আমরা জানি এটা মুহাম্মদ (স) এর একটি মুজেযা।
৩। ইতিহাসও এই সাক্ষ্য বহন করে যে,চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হয়েছে। এর প্রমাণ ভারতের মালাবারের রাজা চক্রবর্তী ফর্মা এই মুজিযাটি দেখছিলেন। যখন তিনি জানতে পারলেন যে, এটা মক্কায় একজন নবীর হাতে সংঘটিত হয়েছে,তখন তিনি মক্কায় এসে নবী (স) এর হাতে ইসলাম গ্রহণ করেন। ইয়ামনে এখনো উনার কবর রয়েছে যা দেখার জন্য লোকেরা ভ্রমন করে থাকেন। {উইকিপিডিয়া}
৪। এপোলো ১০/১১ এর তোলা ছবি এর জ্বলন্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ।

মিশরের ভূ-বিশারদ ড. জাগুল নাজ্জার তার এক সাক্ষাৎকারে বলেন,
আমি ব্রিটেনের এক ভার্সিটিতে বক্তব্য দিচ্ছিলাম। যাতে মুসলমানসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীও উপস্থিত হয়েছিল। আমি এই (চন্দ্র বিদর্ণ) প্রসঙ্গে আলোছনা করছিলাম। আলোচনার মাঝে একজন নৌ-মুসলমান দাড়িয়ে বলল,স্যার আমি কিছু বলতে পারি? আমি অনুমতি দিলাম। সে বলতে লাগল,মূলতঃ আমি আমার মুসলমান বন্ধুদের কাছ থেকে কুরআন অনুবাদসহ পড়ার জন্য নিলাম। সর্বপ্রথম যে আয়াতটি আমার চোখে পড়ে তা হচ্ছে এই আয়াতটি। আমি অনুবাদ পড়ে মনে মনে বললাম,এটা কিভাবে হতে পারে যে, চন্দ্র একবার খন্ডিত হয়ে যাওয়ার পর আবার জোড়া লেগে যায়। এর পর আমি আমার কাজে ব্যস্ত থাকি। হঠাৎ একদিন বিবিসিতে সাক্ষাৎকার চলছে একজন সাংবাদিক ও তিনজন নবোযাত্রীদের মাঝে। সাংবাদিক তাদের এই প্রজেক্টে কত খরছ হয়েছে তা জানতে চাইলে তারা উত্তর দেয় ১০ কোটি মিলিয়ন ডলার। তখন সাংবাদিক বলল,নিজ দেশের পতাকা ইড্ডিয়ন করার জন্য এত অর্থ ব্যয় করার কোন কি মানে হয়। অথচ সারা পৃথিবী এখন অনাহারে মরছে। তখন তারা উত্তার দিল,আমরা এত অর্থ ব্যয় করার পরও মানুষকে বাস্তবতা বিশ্বাস করানোর জন্য এর চেয়েও বেশী অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে। তখন সাংবাদিক বলল, সে সত্যটা কি? তারা বলল,আমরা সেখানে গিয়ে এমন কিছু নিদর্শন দেখতে পেলাম যা দ্বারা প্রমাণিত হয় এই চাঁদটি একবার ফেটে ছিল,তারপর আবার জোড়া লাগে।
যখন আমি একথাগুলো শুনলাম তখন মনে মনে বললাম ,আমেরিকানরা এত টাকা খরছ করছে ঐ সত্য উদঘাটন করার জন্য যা ১৪০০ বছর পূর্বেই নবী (স) এর মিজিযা হিসেবে সংঘটিত হয়েছিল। এই ধর্ম সত্য হওয়া চাই। আমি আবার উক্ত আয়াতটি পড়লাম এবং তা আমার ইসলাম গ্রহণের কারণ হল।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৯৩১ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৪.০০)

১৪ টি মন্তব্য

  1. এই কথা গুলির রেফারেন্স তো দিলেন না।

    মিশরের ভূ-বিশারদ ড. জাগুল নাজ্জার তার এক সাক্ষাৎকারে বলেন,
    আমি ব্রিটেনের এক ভার্সিটিতে বক্তব্য দিচ্ছিলাম। যাতে মুসলমানসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীও উপস্থিত হয়েছিল। আমি এই (চন্দ্র বিদর্ণ) প্রসঙ্গে আলোছনা করছিলাম। আলোচনার মাঝে একজন নৌ-মুসলমান দাড়িয়ে বলল,স্যার আমি কিছু বলতে পারি? আমি অনুমতি দিলাম। সে বলতে লাগল,মূলতঃ আমি আমার মুসলমান বন্ধুদের কাছ থেকে কুরআন অনুবাদসহ পড়ার জন্য নিলাম। সর্বপ্রথম যে আয়াতটি আমার চোখে পড়ে তা হচ্ছে এই আয়াতটি। আমি অনুবাদ পড়ে মনে মনে বললাম,এটা কিভাবে হতে পারে যে, চন্দ্র একবার খন্ডিত হয়ে যাওয়ার পর আবার জোড়া লেগে যায়। এর পর আমি আমার কাজে ব্যস্ত থাকি। হঠাৎ একদিন বিবিসিতে সাক্ষাৎকার চলছে একজন সাংবাদিক ও তিনজন নবোযাত্রীদের মাঝে। সাংবাদিক তাদের এই প্রজেক্টে কত খরছ হয়েছে তা জানতে চাইলে তারা উত্তর দেয় ১০ কোটি মিলিয়ন ডলার। তখন সাংবাদিক বলল,নিজ দেশের পতাকা ইড্ডিয়ন করার জন্য এত অর্থ ব্যয় করার কোন কি মানে হয়। অথচ সারা পৃথিবী এখন অনাহারে মরছে। তখন তারা উত্তার দিল,আমরা এত অর্থ ব্যয় করার পরও মানুষকে বাস্তবতা বিশ্বাস করানোর জন্য এর চেয়েও বেশী অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে। তখন সাংবাদিক বলল, সে সত্যটা কি? তারা বলল,আমরা সেখানে গিয়ে এমন কিছু নিদর্শন দেখতে পেলাম যা দ্বারা প্রমাণিত হয় এই চাঁদটি একবার ফেটে

    ছিল,তারপর আবার জোড়া লাগে।এই

    মিশরের ভূ-বিশারদ ড. জাগুল নাজ্জার তার এক সাক্ষাৎকারে বলেন,
    আমি ব্রিটেনের এক ভার্সিটিতে বক্তব্য দিচ্ছিলাম। যাতে মুসলমানসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীও উপস্থিত হয়েছিল। আমি এই (চন্দ্র বিদর্ণ) প্রসঙ্গে আলোছনা করছিলাম। আলোচনার মাঝে একজন নৌ-মুসলমান দাড়িয়ে বলল,স্যার আমি কিছু বলতে পারি? আমি অনুমতি দিলাম। সে বলতে লাগল,মূলতঃ আমি আমার মুসলমান বন্ধুদের কাছ থেকে কুরআন অনুবাদসহ পড়ার জন্য নিলাম। সর্বপ্রথম যে আয়াতটি আমার চোখে পড়ে তা হচ্ছে এই আয়াতটি। আমি অনুবাদ পড়ে মনে মনে বললাম,এটা কিভাবে হতে পারে যে, চন্দ্র একবার খন্ডিত হয়ে যাওয়ার পর আবার জোড়া লেগে যায়। এর পর আমি আমার কাজে ব্যস্ত থাকি। হঠাৎ একদিন বিবিসিতে সাক্ষাৎকার চলছে একজন সাংবাদিক ও তিনজন নবোযাত্রীদের মাঝে। সাংবাদিক তাদের এই প্রজেক্টে কত খরছ হয়েছে তা জানতে চাইলে তারা উত্তর দেয় ১০ কোটি মিলিয়ন ডলার। তখন সাংবাদিক বলল,নিজ দেশের পতাকা ইড্ডিয়ন করার জন্য এত অর্থ ব্যয় করার কোন কি মানে হয়। অথচ সারা পৃথিবী এখন অনাহারে মরছে। তখন তারা উত্তার দিল,আমরা এত অর্থ ব্যয় করার পরও মানুষকে বাস্তবতা বিশ্বাস করানোর জন্য এর চেয়েও বেশী অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে। তখন সাংবাদিক বলল, সে সত্যটা কি? তারা বলল,আমরা সেখানে গিয়ে এমন কিছু নিদর্শন দেখতে পেলাম যা দ্বারা প্রমাণিত হয় এই চাঁদটি একবার ফেটে
    ছিল,তারপর আবার জোড়া লাগে।

    এই বিষয় কোন সাইন্টিফিক প্রুব কি না তা হতে হলে, এটলিস্ট একটি সাইন্টিফিক জার্নালে একটি আর্টিক্যাল দেখান। তা হলে ভাল হয়। এই কথা গুলির কোন সাইন্টিফিক প্রুবমেন্ট হল না। এখানে একের পর এক কথা ঘুর পাক খেয়েছে, কিন্তু আসল কথা ই ঠিক করে আসল না। কে এই কথা বলেছে “আমরা সেখানে গিয়ে এমন কিছু নিদর্শন দেখতে পেলাম যা দ্বারা প্রমাণিত হয় এই চাঁদটি একবার ফেটে ছিল,তারপর আবার জোড়া লাগে।” ? আপনি দিয়েছেন ডা নাজ্জার সাহেব বলেছেন, কিন্তু তিনি কোথায় বলেছেন তা বলেন নি। তারপর, ডা নাজ্জার সাহেব শুনেছেন একজনের কাছে থেকে। সে আবার শুনেছেহ আরেক জনের কাছ থেকে। কিন্তু আসলে কে বলেছে তার নাম ই নাই। তাহলে এগুলো কি হল ভাই ?

    একটুক সতর্ক হন ভাই। এত টুকু সতর্ক না হলে যে চলে না। এই কথা গুলি সাধারন হাইপোথিসিস হিসাবে বললে ঠিক আছে। কিন্তু পুরো ঘটনা হিসাবে বললে, সত্যিকার রেফারেন্স দরকার।

    সাজ্জাদ

    @রাতদিন,
    আমি দুঃখিত ,লেখা সুন্দর না হওয়ার জন্য। মূলতঃ আমি এগুলো অনুবাদ করেছি। এবং আমি তখন তন্দ্রাচ্ছন্ন হওয়ার কারণে দ্বিতীয় বার দেখার সুযোগ হয়নি।
    এখন আসা যাক রেফারেন্সের ব্যাপারে,হ্যা ভাই,আমি এত এরেদিয়া না যে, আপনার মত না দেখে কথা বলে নিজেকে বাদশা মনে করব। বরং আমারও মূলনীতি হল, গ্রহণ যোগ্য কোন সূত্র ছাড়া কারো লেখা অগ্রহন যোগ্য। এবার রেফারেন্স নেনঃ-
    ১। http://quraaninurdu.blogspot.com/2010/04/blog-post_07.html
    ২।http://ar.wikipedia.org/wiki/%D8%A7%D9%86%D8%B4%D9%82%D8%A7%D9%82_%D8%A7%D9%84%D9%82%D9%85%D8%B1
    ৩। http://ur.wikipedia.org/wiki/%D8%B4%D9%82_%D8%A7%D9%84%D9%82%D9%85%D8%B1
    ৪। আর যদি ভিডিও দেখতে চান তাহলে انشقاق القمر দিয়ে google এড্রেস বারে search দিলে অসংখ্য ভিডিও পাবেন। নাজ্জার সাহেবের সাক্ষাৎকারও পাবেন। যা তিনি মিশর,সৌদি আরবসহ বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে দিয়েছিলেন।
    ধন্যবাদ

  2. ধন্যবাদ আপনাকে। চালিয়ে যান (Y) (Y) (Y)

    সাজ্জাদ

    @মুসাফির,
    جزاك الله

  3. খুবই সুন্দর হয়েছে আপনার লেখা । ধন্যবাদ ।

    সাজ্জাদ

    @ম্যালকম এক্স,
    ধন্যবাদ

  4. আপনার মেহনত আল্লাহ কবুল করুন । জাযাকাল্লাহ ।

    সাজ্জাদ

    @এম এম নুর হোসেন,
    আমীন। আপনারও।

  5. ভাল লিখেছেন ধন্যবাদ।

    সাজ্জাদ

    @rasel ahmed,
    thanks

  6. চমৎকার ধন্যবাদ। চালিয়ে যান (F)

    সাজ্জাদ

    @humaid,
    ভালো। ধন্যবাদ

  7. চাঁদ বিদীর্ণ/দ্বিখণ্ডিত হওয়া নিয়ে লিখতে পারেন, যেহেতু কোরানে ইঙ্গিত আছে, কিন্তু বানোয়াট ধর্মান্তরের কাহিনী দিয়ে দয়া করে মুসলিমদেরকে হাসি-তামাশার পাত্র করে তুলবেন না। আপনি কি জানেন এই ধরণের লেখা ওয়াচ করা হয়? আর বাংলাভাষী হয়ে বাংলা বানানে এত ভুল কেন।

    সাজ্জাদ

    @এস.এম. রায়হান,
    ধন্যবাদ,আমার পূরো লেখা পড়ে বানান ভূল খেয়াল করার জন্য। কিন্তু বানোয়াট “ধর্মান্তরের কাহিনী” কি বল্লেন? আমি তো আপনার কাছ থেকে এটা আসা করেনি। তাহলে আপনিও রাতদিন (ভাই/বোন)কে অন্ধ অনুসরন করছেন? কোরানে আল্লাহ বলেন,إذا جاء فاسق بنبإ فتبينوا الأية