লগইন রেজিস্ট্রেশন

শুধু আজকের প্রেক্ষাপটে নয়, অতীত ইতিহাস হতেই ইহুদীরা মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু।

লিখেছেন: ' sayedalihasan' @ মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১১ (৪:৩৭ অপরাহ্ণ)

বিশ্ব নিয়ন্ত্রণে ইহুদী পরিকল্পিত নীল নকশা লিপিবদ্ধ হয়েছে একশত বছর পূর্বে তাদের প্রণীত ‘প্রটোকলে’।
বর্তমানে মুসলমানদের কোণঠাসা পরিণতি ও ইসলাম বৈরী মনোভাব তৈরির যাবতীয় গভীর ষড়যন্ত্র ‘প্রটোকলে’ খোলামেলা লিপিবদ্ধ করা আছে।
যা এখন কেবল ভবিষ্যদ্বাণীর মত ফলছে।
মুসলমান নিজেদের বর্তমান দুরবস্থা চিন্তা করলেই দেখতে পাবে-
‘আর কিছু নয়; তারা ইহুদী প্রটোকলের পাতা ফাঁদে পা দিয়েছে মাত্র।“প্রটোকল” পুস্তক একটি মূল্যবান দলীল। দুনিয়ার মানুষকে সর্বপ্রথম এ বইটি সম্পর্কে অবহিত করে অধ্যাপক সারকিল এ নাইলাস নামক জনৈক গোঁড়া রুশীয় পাদ্রী। ১৯০৫ সালে অধ্যাপক নাইলাস নিজে উদ্যোগী হয়ে বইটি প্রকাশ করে। বইয়ের ভূমিকায় সে উল্লেখ করে যে, ‘ইহুদী ফ্রি-ম্যাসন ষড়যন্ত্রের কেন্দ্রস্থল’ ফ্রান্সের একটি ফ্রি-ম্যাসন লজ থেকে জনৈক মহিলা (সম্ভবত হিব্রু ভাষায় লিখিত) মূল বইটি চুরি করে এনে তাকে উপহার দেয়। ল্লেখ্য যে, এ ঘটনার পর কোনো মহিলাকেই আর ফ্রি-ম্যাসন আন্দোলনের সদস্য করা হয় না। সামাজিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে মহিলারা ফ্রি-ম্যাসন লজে যাবার অনুমতি পেলেও বৈঠকাদির সময় তাদের বের করে দেয়া হয়।১৯১৭ সালের জানুয়ারি মাসে অধ্যাপক নাইলাস এ বইয়ের একটা নয়া সংস্করণ তৈরি করে এবং বাজারে বের হবার আগেই ওই বছর মার্চ মাসে রাশিয়ায় কমিউনিস্ট বিপ্লব সংঘটিত হয়। জার সরকারকে উচ্ছেদ করে ক্ষমতা দখলকারী কীরিনিস্কী সরকার প্রটোকলের সকল কপি বিনষ্ট করে ফেলে। কারণ এ বইয়ের মাধ্যমে রুশ বিপ্লবের গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যাবার আশঙ্কা ছিল। নাইলাসকে গ্রেফতার করে জেলে নিক্ষেপ করা হয় এবং অমানুষিক দৈহিক নির্যাতনের পর তাকে রাশিয়া থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। ১৯২৯ সালের ১৩ই জানুয়ারি সে ভøাদিমিরে মারা যায়।কিন্তু তা সত্ত্বেও বইটির এত চাহিদা হয়েছিল যে, ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত এর ৪টি সংস্করণ প্রকাশিত হয়। ছাপানো পুস্তক ছাড়া পাতলা কাগজে টাইপ করেও এটি প্রকাশ করা হয়েছিল। ধান পাতার তৈরি এক প্রকার কাগজে লেখা একটি প্রটোকল পুস্তক সাইবেরিয়া অঞ্চলে প্রচার করা হয়েছিল। এরই এক কপি ১৯৩৯ সালে আমেরিকায় পৌঁছে এবং সেখানে এর অনুবাদ প্রকাশিত হয়।প্রটোকলের ইংরেজি অনুবাদক ছিল ভিক্টরই মারসডেন। সে একজন ইংরেজ সাংবাদিক। দীর্ঘকাল রাশিয়ায় বসবাস করে এক রুশ মহিলাকে সে বিবাহ করে। ‘মর্নিং পোস্ট’ পত্রিকার রুশীয় সংবাদদাতা হিসেবে সে কাজ করতো। ১৯৩৭ সালের বিপ্লব সে স্বচক্ষে দেখে এর রোমহর্ষক হত্যাকা- সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ সংবাদপত্রে প্রেরণ করে। এজন্য তাকে গ্রেফতার করে দু’বছর ‘পিটার পল’ জেলে রাখা হয় এবং সেখান থেকে মুক্তির পর ইংল্যান্ডে ফিরে এসে সে ব্রিটিশ মিউজিয়ামে বসে প্রটোকলের তরজমা করে। বলশেভিক বিপ্লবের পর রাশিয়া থেকে পালিয়ে যে সব লোক আমেরিকা ও জার্মানিতে আশ্রয় নেয়, তারাও অধ্যাপক নাইলাস অনূদিত প্রটোকলের কিছু কপি সঙ্গে নিয়ে আসে। অধ্যাপক সারকিল এ নাইলাস ধর্মে খ্রিস্টান ছিল। সে স্বীয় ধর্মকে ইহুদী ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যেই এ বইটি বিশ্ববাসীর কাছে পেশ করার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠেছিল।প্রটোকল বইটি গুপ্ত চক্রান্ত মারফত বিশ্ব সমাজ গঠনের ইহুদী পরিকল্পিত একটি নীল নকশা। এ নীল নকশায় যে ধরনের বিশ্ব রাষ্ট্রের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এক কথায় তাকে পুলিশী রাষ্ট্র বলা যেতে পারে।সাম্প্রতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে যে, পৃথিবীতে যে কয়টি বড় ধরনের ঘটনা বা দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে তার সবগুলোই প্রটোকল বইয়ে পূর্ব থেকেই ভবিষ্যদ্বাণীর মতো লিপিবদ্ধ রয়েছে। আমরা বইটির এই গুরুত্ব উপলব্ধি করে ইংরেজি থেকে তার বাংলা অনুবাদ এখানে পেশ করছি। চিন্তাশীল পাঠক তা মনোযোগ সহকারে পাঠ করলে বিশ্বব্যাপী ইহুদী ষড়যন্ত্র সম্পর্কে একটা সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারবেন। নিম্নে প্রটোকল পুস্তকে বর্ণিত ইহুদীদের নিজস্ব অভিমত ও মুসলমান দমনের গোপন পরিকল্পনা বা নীল নকশা তুলে ধরা হলো-

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
২৫৩ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

২ টি মন্তব্য

  1. বর্তমান মুসলিম উম্মাহর জন্য খুবই জরুরী তথ্যবহুল পোষ্ট (F)