লগইন রেজিস্ট্রেশন

হেজবুত তাওহীদ ভাইদের প্রশ্নের জবাবঃ ইহুদী-খ্রীষ্টান বস্তুবাদী সভ্যতায় কি দাজ্জাল?

লিখেছেন: ' Selim Al Din' @ রবিবার, নভেম্বর ১৬, ২০১৪ (২:৪৫ পূর্বাহ্ণ)

প্রথমে হেজবুত তাওহীদ ভাইদের করা কিছু প্রশ্ন দিয়ে শুরু করা যাক।

প্রথম পয়েন্টঃ ইবনে সাইয়্যাদ-ই কি দাজ্জাল।

দ্বিতীয় পয়েন্টঃ তামীম আদ দ্বারী (রাঃ) দাজ্জাল কে সচোক্ষে দেখেছিলেন বন্দী অবস্থায় কোন এক সমুদ্র দ্বীপে।

প্রশ্ন হল, দাজ্জাল যদি সমুদ্র দ্বীপে শেকল বন্দী অবস্থায় থাকে তাহলে রাসূল (সাঃ) কেন একজন বন্দী মানুষ কে মদীনায় খুঁজতে যাবেন?

তৃতীয় পয়েন্টঃ আদম (আঃ) থেকে শুরু করে কিয়ামত প্রর্যন্ত যত ঘটনা ঘটবে তার মধ্যে দাজ্জালের আগমন সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ।

তাহলে এতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার কুরআন কেন এড়িয়ে গেল?

চতুর্থ পয়েন্টঃ ইবনে সাইয়্যাদ ও তামীম আদ দ্বারী (রাঃ)-এর হাদিসদ্বয়ের মধ্যে মতানৈক্য আছে কিনা।

দাজ্জাল যদি মদীনায় প্রবেশ করতে না পারে তবে ইবনে সাইয়্যাদ কি করে দাজ্জাল হয়?

পঞ্চম পয়েন্টঃ দাজ্জাল আজব প্রাণী হবে।

ষষ্ঠ পয়েন্টঃ ইবনে সাইয়্যাদের কাছে জান্নাত এবং জাহান্নাম থাকা না থাকা।

সপ্তম পয়েন্টঃ ইবনে সাইয়্যাদের কপালে কাফের লিখা থাকা না থাকা?

অষ্টম পয়েন্টঃ দাজ্জাল আগে না ইমাম মাহদী আগে? দাজ্জাল যদি আগে নাই আবির্ভূত হবে তাহলে ইমাম মাহদীর আসার কী দরকার? ইমাম মাহদিই যদি দাজ্জালের আগে আসবেন তাহলে প্রত্যেক নবী ও রাসূলগণ কেনো তাঁদের আসহাবদের দাজ্জালের ফেৎনা থেকে বাঁচার জন্য বিভিন্ন লক্ষণ ও দোয়া বলে দিয়েছেন? কোনটা গুরুতর? কোনটার অগ্রজে যুক্তিকতা বেশি?

উত্তরঃ

প্রথম পয়েন্টঃ না এমন দাবি আমি কখনোই করিনি যে, ইবনে সাইয়্যাদ-ই দাজ্জাল। আমি বলেছি রাসূল (সাঃ) ইবনে সাইয়্যাদকে দাজ্জাল বলে সন্দেহ করেছিলেন।

দ্বিতীয় পয়েন্টঃ আমি যদি জানি যে হারুন সাহেব জেলে বন্দী আছেন, তাহলে একজন বন্দী মানুষকে চার রাস্তার মোড়ে খুঁজতে যাওয়ার কোন মানেই হয় না। রাসূল (সাঃ) পূর্বেকার হাদিসে বলেছিলেন যে, দাজ্জাল সমূদ্র দ্বীপে বন্দী অবস্থায় আছে। তাহলে বন্দী দাজ্জালকে মদীনায় খুঁজতে যাওয়ার কারণ কি?

সব থেকে অবাক করার বিষয় হল এতবড় একটা বিষয় কুরআনে স্থান পায় নি। আর রাসূল (সাঃ) ইবনে সাইয়্যাদের হাদিস দিয়ে আমাদের সুচারুভাবে বুঝিয়ে গেছেন যে, দাজ্জাল মুক্ত হয়ে গেছে। কারণ উমর (রাঃ) যখন বললেন- ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে অনুমতি দিন এর গর্দান আলাদা করে দেই। তখন রাসূল (সাঃ) কি বলেছিলেন? না উমর! এটা তুমি কর না। কারণ যদি সে দাজ্জাল হয়, তবে তুমি তাকে হত্যা করতে পারবেনা। কিন্তু যদি সে দাজ্জাল না হয়, তবে তাকে হত্যা করলে তোমার গুনাহ হবে। দাজ্জাল যদি সেই সময় সমুদ্র দ্বীপে বন্দী থাকত তবে রাসূল (সাঃ) “যদি সে দাজ্জাল হয়” এই কথা বলতেন না। অর্থাৎ এই হাদিস থেকে ধারণা পাওয়া গেল যে, ইবনে সাইয়্যাদ যদি দাজ্জাল নাও হয় তবুও দাজ্জাল তখন মুক্ত ছিল। কেননা একজন বন্দী মানুষকে কেন রাসূল (সাঃ) মদীনায় খঁজতে যাবেন?

তৃতীয় পয়েন্টঃ দাজ্জালের মত একটা বিষয় অথচ কুরআন এড়িয়ে গেল। ব্যাপারটা অবাক হবার কিছু নেই। বরং কুরআনে না থাকাটাই প্রমাণ করে রাসূল (সাঃ) ইবনে সাইয়্যাদের হাদিস দ্বারা আমাদের সুচারুভাবে বুঝিয়েছেন যে, দাজ্জাল আর শেকলে বাঁধা অবস্থায় নেই। তাহলে কি অবস্থায় আছে?

দাজ্জালের জীবনকে আমরা ৩ টা স্টেপে ভাগ করেছি।

নাম্বার ১ঃ সমুদ্র দ্বীপে শেকলে আটক দাজ্জাল।
নাম্বার ২ঃ মদীনায় দাজ্জালকে খুঁজতে যাওয়া অর্থাৎ শেকল থেকে দাজ্জালের মুক্তি।
নাম্বার ৩ঃ কিয়ামতের আগে নিজেকে প্রথমে নবী এবং পরে খোদা দাবি করা আসল রুপে দাজ্জাল।

যখন দাজ্জাল শেকলে আটকে ছিল তখন সে শুধু সেখানেই ছিল। কিন্তু যখন সে শেকল থেকে মুক্ত হল তখন সে ইনভিজিবল অবস্থায় পৃথিবীতে বিরাজ করছে আজ প্রর্যন্ত এবং শয়তানের সহায়তা নিয়ে তার আগমনের সমস্ত পথ প্রশস্থ করছে। পৃথিবীতে আজকে যে ফাসাদ চলছে তার মাষ্টারমাইন্ডার হল দাজ্জাল। যেমনটা জ্বীন-ফেরেস্তারা পৃথিবীতে থাকার পরেও আমরা তাদের দেখতে পাই না। সর্বশেষে দাজ্জাল মানুষ রুপে আবির্ভূত হবে এবং জেরুজালেম (ঈজরাইল) থেকে কুফরী শক্তির নেতৃত্ব দেবে।

চতুর্থ পয়েন্টঃ তামীম আদ দ্বারী (রাঃ) যখন দাজ্জালকে দেখেছিলেন তখন দাজ্জাল শেকলে বন্দী ছিল কিন্তু যখন মদীনায় ইবনে সাইয়্যাদকে দাজ্জাল বলে সন্দেহ করা হল তখন দাজ্জাল আর শেকলে বন্দী নেই। কারণ দাজ্জাল বন্দী থাকলে রাসূল (সাঃ) তাকে মদীনায় খুঁজতে যেতেন না।

ইবনে সাইয়্যাদ দাজ্জাল ছিল কিনা এটা চূরান্তভাবে বলা যাবে না। কারণ রাসূল (সাঃ) তার ব্যাপারে বিস্তারিত বলে যান নি। তবে অবাক করার বিষয় হল- এক সাহাবি যখন রাসূল (সাঃ)-এর সামনে কসম খেয়ে বললো ইবনে সাইয়্যাদই দাজ্জাল, রাসূল (সাঃ) তার প্রতিবাদ করেন নি। আবার অনেক সাহাবী (রাঃ) কসম করে বলতেন ইবনে সাইয়্যাদি হল দাজ্জাল। এখানে ইবনে সাইয়্যাদের দাজ্জাল হওয়াটা আবশ্যক না। আবশ্যক হল সাহাবী (রাঃ) এবং আল্লাহর রাসূল (সাঃ) একজন মানুষকে দাজ্জাল বলে সন্দেহ করেছিলেন কোন সভ্যতাকে নয়।

ইবনে সাইয়্যাদের মদীনা প্রবেশ নিয়ে সয়ং ইবনে সাইয়্যাদি প্রশ্ন তুলেছিল। এক সাহাবী ইবনে সাইয়্যাদের সাথে ভ্রমনে বেরিয়েছিলেন। পথিমধ্যে বিশ্রামের জন্য থামলেন। ইবনে সাইয়্যাদ ঐ সাহাবী কে দুধ খেতে দিল। সাহাবী বললেন- এখন নিশ্চয় অনেক গরম তাই দুধও গরম হবে। আমি খাব না। তখন ইবনে সাইয়্যাদ বুঝতে পারে যে, ঐ সাহাবী তাকে দাজ্জাল বলে সন্দেহ করে। তখন ইবনে সাইয়্যাদ বললো- আমার ইচ্ছা হচ্ছে যেন দড়ি গলায় দিয়ে কোন গাছের সাথে ঝুলে পড়ি। তুমিও আমাকে দাজ্জাল বলে সন্দেহ কর? আচ্ছা তোমরা না আল্লাহর রাসূলের শ্রেষ্ঠ সাহাবী যারা রাসূলের হাদিস সম্পর্কে ভাল ধারণা রাখ? আচ্ছা, আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কি বলেন নি যে, দাজ্জালের কোন সন্তান থাকবেনা? অথচ আমি ইবনে সাইয়্যাদের সন্তান আছে। আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কি বলেন নি যে, দাজ্জাল মদীনায় প্রবেশ করতে পারবেনা? অথচ আমি মদীনায় দাঁড়িয়ে। এরপর ঐ সাহাবী বললেন- আমার তখন মনে হল তার সাথে এমন ব্যবহারটা করা ঠিক হয় নি। এর পরেই ইবনে সাইয়্যাদ বললো- কিন্তু দাজ্জাল কোথায় আছে আমি তা জানি। আমি তাকে দেখেছি। তখন ঐ সাহাবী বললেন তোর হাত ধুলায় মলিন হোক। আবার ইবনে সাইয়্যাদ কে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে তাকে যদি দাজ্জাল বানানো হয় সে তা গ্রহণ করবে কিনা? ইবনে সাইয়্যাদ তাতে রাজী ছিল। বিষয়টা অস্পষ্ট।

কিন্তু এবিষয়টা দিনের মত পরিষ্কার যে, সব সাহাবী মানুষ দাজ্জালের কথায় বলেছেন।

পঞ্চম পয়েন্টঃ আমি কখনোই বলিনি যে দাজ্জাল আজব প্রাণী হবে। আজব যে প্রাণীটা সে হল দাজ্জালের গুপ্তচর।

ষষ্ঠ পয়েন্টঃ ইবনে সাইয়্যাদের কাছে জান্নাত-জাহান্নাম ছিল কিনা। এটা আবশ্যক নয় যে ইবনে সাইয়্যাদের কাছে তা থাকতে হবে। কারণ প্রথমত, তার বিষয়টা স্পষ্ট নয়। দ্বিতীয়্‌ সে যদি দাজ্জাল হয়েও থাকে তবে ঐ সময় তার কাছে জান্নাত-জাহান্নাম না থাকলেও চলতো। কারণ সে তার জীবনের দ্বিতীয় স্টেপে ছিল।

সপ্তম পয়েন্টঃ ইবনে সাইয়্যাদের কপালে কাফের লিখা থাকাটাও আবশ্যক নয়। কারণ প্রথমত, সে দাজ্জাল কিনা তা স্পষ্ট নয়। দ্বিতীয়ত, সে যদি দাজ্জালও হয় তবে সেটা তার জীবনের দ্বিতীয় স্টেপ চলছিল। আর কলমের কালি দিয়ে যে, কাফের লিখা থাকতে হবে ব্যাপারটা এরকম নয়। কাফের লিখা এর অর্থ এটাও হতে পারে যে, দাজ্জালের এভিডেন্স এতো বেশি থাকবে যে তা স্পষ্ট লেখার মত মনে হবে। কিন্তু ইমান না থাকার দরুন মানুষ তা প্রত্যাক্ষ করতে পারবে না।

অষ্টম পয়েন্টঃ ইমাম মাহদী না দাজ্জাল কে আগে? সহীহ মুসলিম শরিফের হাদিস, হাওয়ালা (৮/১৭৫-১৭৬)। ইমাম মাহদীও দাজ্জাল কে মোকাবেলা করতে পারবেনা একমাত্র ঈশা (আঃ) ছাড়া। বর্তমান তুরষ্কের রাজধানী ইস্তানবুল হাদিসে শব্দ এসেছে কন্সটাট্যানোপল বিজয় হবে। আর এই বিজয়ের ৭ বছরের মাথায় দাজ্জাল আসবে। হাদিসটি সহীহ। এটা এখনো বিজয় হয় নি। আগে ইমাম মাহদী আসবেন, তিনি রোমানদের সাথে যুদ্ধে বিজয়ী হবেন। তখন দাজ্জাল রেগে বেরিয়ে আসবে।

আপনার আরেকটা যুক্তি হল- যেহেতু বর্তমান খোদাহীন জগত কে মানুষ নিয়ন্ত্রণ করছে সুতরাং দাজ্জালের মানুষ হওয়া আর সভ্যতার দাজ্জাল হওয়ার মাঝে কোন দ্বন্দ নেই।

আমি আপনাকে বলি-,মানুষ কে পাপ কাজ করাই কে? নিশ্চয় শয়তান? তাহলে কি আপনি বলবেন যে মানুষই হল শয়তান? আপনি বলতে পারেন কিছু মানুষ শয়তানের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে চলেছে কিন্তু আপনি বলতে পারেন না যে মানুষই হল শয়তান।

কিছু কথাঃ
ক) রাসূল (সাঃ) বলেছেন- নিশ্চয় দাজ্জাল প্রকাশ পাবে সিরিয়া ও ইরাকের “খাল্লা” নামক স্থানে কিন্তু ইহুদী-খ্রীষ্টানদের দূর্গ সিরিয়া ও ইরাকে নয় বরং ইউরোপ ও আমেরিকাতে।
খ) দাজ্জাল মৃত ব্যাক্তিকে জীবিত করবে। কিন্তু ইহুদী-খ্রীষ্টান বস্তুবাদী সভ্যতা তা পারে নি?

দাজ্জাল যদি সভ্যতার নামই হবে তবে,

১) আল্লাহর রাসূল (সাঃ) (নাউজুবিল্লাহ) সাহাবিদের ভুল বুঝিয়েছিলেন কিনা?
২)তামিম আদ দারী (রাঃ) মিথ্যা বলেছিল কিনা?
৩) রাসূল (সাঃ) নিজে তামিম আর দারীর সত্যায়ন করে কি মিথ্যা বলেছেন (নাউজুবিল্লাহ) কিনা?
৪) উমর (রাঃ) কেন সভ্যতা দাজ্জালকে মানুষ ভেবে হত্যা করতে চাইলেন?
৫) হাফসা (রাঃ) কেন উমর (রাঃ) কে এই বলে ধমকলেন যে, তোমার তাকে বিরক্ত করা ঠিক হই নি?
৬) দাজ্জাল নিজেকে মসীহ দাবি করবে, তো যেহেতু মসীহ মানুষ সেহেতু দাজ্জাল কিভাবে সভ্যতা হয়েও মসিহ দাবি করবে?
৭) কুস্তুন্তুনিয়া (ইস্তানবুল)বিজয়ের আগে দাজ্জাল কিভাবে আসলো?
৮) দাজ্জালের আগে ইমাম মাহদী আসবে, তো ইমাম মাহদী কোথায়?
৯) যেহেতু দাজ্জাল সম্পর্কে আহলে কিতাবদের কিতাবে লেখা আছে, সেহেতু ইহুদী ও খ্রীষ্টানরা দাজ্জাল বলতে কাদের বুঝে?
১০) দাজ্জাল (মসীহ) জেরুজালেম থেকে দুনিয়া শাষণ করবে বলে ইহুদীরা বিশ্বাস করে। তাহলে মানুষ ছাড়া অন্য কোন মসীহকে ইহুদীরা গ্রহণ করবে না। কারণ তৌরাতে এটাই বলা হয়েছে।
১১) দাজ্জালের নবী দাবি করার অর্থ কি? অর্থাৎ আল্লাহ ২ জন মসীহ সৃষ্টি করেছেন। প্রথম জন হলেন ঈশা (আঃ) এবং দ্বিতীয় জন হল দাজ্জাল। ঈশা (আঃ) হলেন সত্যবাদী মসীহ আর দাজ্জাল হল মিথ্যাবাদী মসীহ। দাজ্জাল নিজেকে মসীহ দাবি করবে অর্থাৎ ঈশা (আঃ) বলে দাবি করবে। এখন ঈশা (আঃ) কি মানুষ না সভ্যতা? মানুষ, সুতরাং দাজ্জাল মানুষ হবে।

আপনি যদি কোন গরুকে মানুষ প্রমাণ করতে চান তবে, শুধু এতটুকু বললেই চলবে না যে গরুর কান আছে আর মানুষেরও কান আছে। সুতরাং মানুষই হল গরু। কারণ এটা ১ টা বৈশিষ্ট ঠিকই মিলেছে তবে মানুষ ও গরুর সাথে হাজারটা বৈশিষ্টের কোন মিল নেই। ঠিক তেমনি দাজ্জালের কয়েকটা বৈশিষ্ট মিললেই সভ্যতাকে দাজ্জাল বলা যাই না। সবগুলো বৈশিষ্ট মিলতে হবে। আশা করি বুঝাতে পেরেছি। যেহেতু হাদিসগুলো সহীহ সনদে বর্ণিত হয়েছে সুতরাং হাদিস জাল বলে অস্বীকার করার পথ নেই। এই সভ্যতা দাজ্জালের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে চলেছে, তবে এর মানে এই নয় যে সভ্যতায় দাজ্জাল। এই সভ্যতা হল দাজ্জালের হাতের ঘুঁটি।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১,০৪১ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৫.০০)