লগইন রেজিস্ট্রেশন

সালাতুল লাই্‌ল = কিয়া্‌মউল লাই্‌ল = তারাও্‌য়ী = তাহাজ্জুদ্‌

লিখেছেন: ' shane2k' @ মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০০৯ (১০:২৯ অপরাহ্ণ)

এই ব্লগের বিষয়টির উপর পরতে গিয়ে আমি Dr Abdulrazaq Kilani - এর একটি যথার্ত lecture খুজে পেয়েছি যা বিষয়টিকে সীমিত আকারে সুন্দর করে বিস্লেষন করেছে। অতএব আমি তার lecture-টি এখানে English-এ দিচ্ছি, এভাবে আমার অনুবাদের কারনে যাতে কোন misinformation প্রচার না পায়। Lecture-এর আগে আমি বাংলায় আমি যা বুঝেছি তা ব্যাখ্যা করবো।

প্রথমে দেখাযাক শব্দ গুলর মানে কি।

লাইল = রাত

সালাতুল লাই্‌ল = রাতের নামাজ

কিয়া্‌ম = দাড়ান বা দাঁড়িয়ে থাকা

কিয়া্‌মউল লাই্‌ল = রাতের দাড়ান

তারাও্‌য়ী = বসে আরাম করা

তাহাজ্জুদ্‌ = রাতে জেগে থাকা

ইসা্‌রের ফরজ নামজের পর হতে বেতের এবং ফজরের আগে পর্যন্ত দুই রাকাহ্‌ করে পড়া সকল নামাজকেই রাসুল(সাঃ)-এর সময় বলা হতো “সালাতুল লাই্‌ল”। এই নামাজ রাসুল(সাঃ) দুইবার সাহাবীদের সহ জামাতে পড়িয়েছেন, একবার তার নিজের গৃহে তার স্ত্রীকে নিয়ে পড়েছেন (যদি আমি ভুলে গিয়ে না থাকি)। হাদীসে্‌ আছে তিনি যখন এই নামাজ পরতেন তিনি যেই পরিমান সময় দাঁড়িয়ে সুরাহ্‌ পরতেন, ঠিক সেই পরিমান সময় রুকুতে পার করতেন এবং ঠিক সেই পরিমান সময় সিজ্‌দায় পার করতেন। শুধু তাই নয়, এক একবার দারানো অবস্থায় ধিরে ধিরে সুর করে তিনি দুইয়ের অধিক সুরাহ্‌ পরতেন। কিন্তু নামাজ ও জামাত জরিত সকল হাদীস পরলে দেখা যায় তিনি এও বলেছেন যে জামাতে যেন এক এক রাকাতকে প্রয়োজনের অধিক দীর্ঘ না করা হয়। প্রশ্ন তাহলে কেন রাসুল(সাঃ) এই “সালাতুল লাই্‌ল” এত দীর্ঘ করে পরেছেন ? আসলে তিনি প্রথম জামাত যখন পরেন তখন তার পেছনে কেবল একজন সাহাবী ছিলেন যিনি রাসুল(সাঃ) নামাজ পরছে দেখে ওনার পেছনে এসে দারিয়ে যান। দ্বীতিয় জামাত হয় দ্বীতিয় দিনে যখন বেশ কিছু সাহাবীরা আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল, কিন্তু এর পর রাসুল(সাঃ) আর জামাত পরাতে আসেননি।

রাসুল(সাঃ) যেহেতু প্রায়ই রাতে ঘুম থেকে উঠে “সালাতুল লাই্‌ল” পরতেন, তাই এই ঘটনাকে বর্ননা করা হয়েছে “তাহাজ্জুদ্‌” বলে।

রম্‌জান মাসের পবিত্ত্রতার জন্য গুরুত্ত দেয়া হয়েছে “সালাতুল লাই্‌ল” -এর প্রতি। এই জন্য সাহাবীরা রাতের সিংহভাগ সময় ধরে এই নামাজ পরতেন এবং এক এক রাকাহ্‌ অনেক লম্বা হবার কারনে তাদের বেশ অনেক্ষন ধরে দারিয়ে থাকতে হত। এইজন্য এর আরেকটি নাম দেয়া হয়েছে “কিয়া্‌মউল লাই্‌ল”, কিন্তু এই নাম রাসুল(সাঃ)-এর সময় প্রচলিত ছিলনা, তখন শুধু একটাই নাম ছিল “সালাতুল লাই্‌ল” বা রাতের নামাজ। ওমর(রাঃ) -এর সময় হতে “তারাও্‌য়ী” নামটি প্রচার পায়, এর পেছনে কারন হলো, প্রতি চার রাকাহ্‌ নামাজের পর সাহাবীরা বসে একটু আরাম করে বা জিড়িয়ে নিতেন।

সালাতুল লাই্‌ল হলো সুন্নাতে মুয়াক্কাদা।

সালাতুল লাই্‌ল -এর ফজিলত

Abu Hurairah quotes the Prophet (peace and blessings be upon him) as saying: “May Allah bless the man who gets up during the night to pray and wakes up his wife and who, if she refuses to get up, sprinkles water on her face. And may Allah bless the woman who gets up during the night to pray and wakes up her husband and who, if he refuses, sprinkles water on his face.”

আমার অনুবাদ ঃঃ আবু হুরায়রা বলেছে রাসুল(সাঃ) বলেছেন, “আল্লাহ্‌ যেন সেই পুরুষকে আশীর্বাদ করে যে রাতে নামাজ পরতে উঠে এবং তার স্ত্রীকেও সাথে ডাকে, আর যদি স্ত্রী না উঠে তবে যেন তার চেহারায় পানি ছিটিয়ে দেয়। এবং আল্লাহ্‌ যেন সেই মহিলাকে আশীর্বাদ করে যে রাতে নামাজ পরতে উঠে এবং তার স্বামীকেও সাথে ডাকে, আর যদি তার স্বামী না উঠে তবে যেন তার চেহারায় পানি ছিটিয়ে দেয়।

====================

The Prophet (peace and blessings of Allah be upon him) also said: “If a man wakes his wife and prays during the night or they pray two rak`ahs together, they will be recorded among those (men and women) who (constantly) make remembrance of Allah.” This is related by Abu Dawud and others through an authentic chain of narrators.”

আমার অনুবাদ ঃঃ রাসুম(সাঃ) বলেছেন, “যদি কোন পুরুষ তার স্ত্রীকে রাতে জাগিয়ে একত্রে দুই রাকাহ্‌ নামাজ পরে, তবে তাদের সেই সকল পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে গন্য করা হবে যারা প্রতিনিয়ত আল্লাহ্‌র যিকির করে। আবু দাউদ বর্নিত।

====================

“It is highly recommended for you to observe Qiyam Al-Layl, for it was the practice of your righteous predecessors. Qiyam Al-Layl brings us close to your Lord, atones for our sins, drives disease from the body, and puts a stop to transgression.” (Reported by Al-Bukhari and Muslim)

আমার অনুবাদ ঃঃ কিয়া্‌মউল লাই্‌ল পালনের গুরুত্ত দেয়া হয়েছে তোমাদের জন্য, কেননা তোমাদের মোমিন পুর্বপরুষদের এটি অভ্যাস ছিল। কিয়া্‌মউল লাই্‌ল তোমাদের আল্লাহ্‌র নিকট নিয়ে আসে, তোমাদের গুনাহ্‌ মোচন করে, তোমাদের দেহ হতে বিষাদ দূর করে এবং অন্যায় বন্ধ করে। (বুখারী এবং মুস্‌লিম বর্নিত)

====================

Jabir (may Allah be pleased with him) reported that he heard the Messenger of Allah, peace and blessings be upon him, saying, “There is an hour in the night, in which no Muslim servant will impore Allah for good in this world and the next without giving it to him, and that applies to every night.” (Reported by Muslim)

আমার অনুবাদ ঃঃ [ সার্মম প্রকাশ করতে পারলামনা ]

====================

`Abdullah ibn `Amr ibn Al-`As (may Allah be pleased with him) reported that Allah’s Messenger, peace and blessings be upon him, told me, “The most beloved Prayer to Allah is that of Dawud and the most beloved fasts to Allah are those of Dawud. He used to sleep for half of the night and then pray for one-third of the night and again sleep for its sixth part and used to fast on alternate days.” (Reported by Al-Bukhari and Muslim)

আমার অনুবাদ ঃঃ আব্দুল্লাহ্‌ ইব্‌ন আম্‌র ইব্‌ন আল্‌-আস (রাঃ) বলেছেন যে রাসুল(সাঃ) তাকে বলেছেন, “দাঊদ(সাঃ) -এর সালাহ্‌ আল্লাহ্‌র সবচাইতে প্রিয় এবং দাঊদ(সাঃ) -এর উপাস যাপনও সবচাইতে প্রিয়। দাঊদ(সাঃ) অর্ধ রাত্রি নিদ্রা যাপন করতেন এবং বাকি এক তৃতীয়াংশ রাত্রি নামাজ পরতেন এবং আবার বাকি ষষ্ঠ রাত নিদ্রা যেতেন এবং উপাস যাপন করতেন প্রতি একদিন অন্তর। (বুখারী এবং মুস্‌লিম বর্নিত)

====================

Abdullah b. Amr reported that the Prophet said: ‘Whoever prays qiyam reciting ten verses (ayat), he will not be recorded among the negligent. Whoever prays qiyam reciting 100 verses, he will be recorded among the devout. And whoever prays qiyam reciting 1,000 verses, he will be recorded among those with multitude of good deeds’ (Abu Dawud, hasan according to al-Albani).

আমার অনুবাদ ঃঃ আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আম্‌র বলেছে রাসুল (সাঃ) বলেছেন, “যে কেঊ কীয়া্‌মের নামাজ দশটি আয়াহ্‌ সহ পরে তাকে ভ্রান্তদের মাঝে ধরা হবেনা। যে কেঊ কীয়া্‌মের নামাজ একশটি আয়াহ্‌ সহ পরে তাকে devout-দের মাঝে ধরা হবে। এবং যে কেঊ কীয়া্‌মের নামাজ এক হাজার আয়াহ্‌ সহ পরে তাকে ধরা হবে যারা বিভিন্ন প্রকারের পুণ্য করেছে। (আবু দাঊদ বর্ণিত)

=====================================================
THE LECTURE
=====================================================

TAHAJJUD OR QIYAM UL LAYL: FORTIFICATION FOR MUSLIMS
Dr Abdulrazaq Kilani
Presentation made at Al-Usrah Inc Port Harcourt Weekly Study Circle on 30th R. Thanni, 1427 H (27/5/2006)

PREAMBLE:

Q 3:102يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلا تَمُوتُنَّ إِلا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ
O ye who believe! Fear Allah as He should be feared, and die not except in a state of Islam.

Q 4:1يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالأرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا
O mankind! reverence your Guardian-Lord, who created you from a single person, created, of like nature, His mate, and from them twain scattered (like seeds) countless men and women;- reverence Allah, through whom ye demand your mutual (rights), and (reverence) the wombs (That bore you): for Allah ever watches over you.

Q 33:70-1

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلا سَدِيدًا
O ye who believe! Fear Allah, and (always) say a word directed to the Right:

Q 33.71 يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا
That He may make your conduct whole and sound and forgive you your sins: He that obeys Allah and His Messenger, has already attained the highest achievement.

DEFINITIONS OF TERMS

1. Qiyam- It means standing or Qiyamul Layl means standing at night.

i. In the Shar’eeah, both terms refer to the same thing- The voluntary prayer whose time extends from after Isha prayer until dawn.
ii. It is described with this term (standing) because it involves long standing in which long portions of the Qur’aan are recited.
iii. Other names used include tahajjud from hajada- to remain awake at night, witr- odd number or Taraweeh –resting.
iv. Qiyaam al-layl is Sunnah mu’akkadah (a confirmed Sunnah)
v. Qiyaam al-layl plays a great role in strengthening one’s faith and helping one to do good deeds.

يَا أَيُّهَا الْمُزَّمِّلُ
قُمِ اللَّيْلَ إِلا قَلِيلا
نِصْفَهُ أَوِ انْقُصْ مِنْهُ قَلِيلا

O thou folded in garments!
Stand (to prayer) by night, but not all night,-
Half of it,- or a little less,

Q 25.64 وَالَّذِينَ يَبِيتُونَ لِرَبِّهِمْ سُجَّدًا وَقِيَامًا
Those who spend the night in adoration of their Lord prostrate and standing;

CLARIFICATIONS

i. Qiyamul Layl, Taraweeh and Tahajjud are the same thing.
ii. There is only one nafl prayer at night with different names used to describe it
iii. Even though Taraweeh is most commonly used to describe it in Ramadaan, it does not make it a different prayer
iv. To pray Taraweeh in the early part of night and then pray Tahajjud at the end of the night has no basis in the Sunnah, it is considered bid’ah.

EXCELLENCE OR VIRTUE OF QIYAM
1. Allah describes the believers who deserve Jannah(paradise) as follows:

Al-Qur’an, 032.16 (As-Sajdah)

تَتَجَافَى جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ يَدْعُونَ رَبَّهُمْ خَوْفًا وَطَمَعًا وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنْفِقُونَ
Their limbs do forsake their beds of sleep, while they call on their Lord, in Fear and Hope: and they spend (in charity) out of the sustenance which We have bestowed on them.

Q 51.17 كَانُوا قَلِيلا مِنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ
They were in the habit of sleeping but little by night, The pious ones used to sleep but little at night (51:17)

2. The Best Voluntary Prayer

Abu Hurayrah reported that the Prophet said:

‘The best of prayers, after those prescribed, is that in the depth of night’

‘Abdullah b.Amr reported that Allah’s Messenger said:

‘The most beloved prayer to Allah was Dawud’s. He slept one half of the night, got up and prayed for one third, and then slept (the remaining) one sixth.

3. Protection from Satan’s Magic

Abu Hurayrah reported that the Prophet said:

When one of you goes to sleep, Satan ties three knots over the rear of his head, blowing into each knot, ‘You have a long night, so sleep on’ ‘You have a long night, so sleep on.’ If one wakes up and mentions Allah, one knot loosens. If he makes wudu’, another knot loosens. And if he prays, the third knot loosens, so that he becomes lively and good-natured; otherwise, he gets up ill-natured and lazy.

4. SIGN OF THANKFULNESS

The Prophet was asked on his long standing at night for salaat, He replied, ‘Shouldn’t I be a thankful servant’ (Bukhari&Muslim)

5. SIGNS OF GOODNESS

Abdullah b.Umar reported that Allah’s Messenger said:

‘Abdullah b. Umar would indeed be a good man if he prayed at night’ Abdullah’s son, Salim reported that after the Prophet said this his father would not sleep at night but very little (Bukhari & Muslim)

6. MEANS OF ENTERING JANNAH

Abdullah b. Salaam reported that the Prophet said:

‘O people! Spread the greeting of Salaam, provide food to the needy, and pray at night while the people are asleep- you would then enter jannah with peace’ (at-Tirmithi verified by al-Albani)

7. ACCEPTANCE OF SUPPLICATIONS

i. Abu Hurayarah reported that the Prophet said:

‘Our Lord descends every night to the lowest heaven, when only one third of the night has remained. He says, ‘ Who would invoke Me, so that I would answer him? Who would ask Me, so that I would give him? Who would seek My forgiveness, so that I would forgive him’ (Bukhari&Muslim).

ii. Jabir reported that he heard the Prophet say:

‘There is an hour of the night which, no Muslim person encounters it and asks for a good thing in life or the hereafter, but Allah grants it to him. This happens every night’ (Muslim)

iii. Abu Umamah reported that the Prophet was asked,

‘When are supplications most acceptable’ He replied: In the last depth of night, and at the end of the prescribed prayers (Ahmad and Abu Dawuud verified by al-Bani).

6. CLOSENESS TO ALLAH

Amr b. ‘Abasah reported that Allah’s Messenger said:

‘The closest that a servant is to his Lord is in the last part of night. If you can be among those who remember Allah at that hour do so (Tirmithi, authentic according to al-Hakim, ath-Thahaabi and al-Albani).

7. MERCY FROM ALLAH

Abu Hurayrah reported that the Prophet said:

‘May Allah have mercy on a man who wakes up at night, prays and wakes his wife to pray; and if she refuses, he sprinkles water on her face. And may Allah have mercy on a woman who wakes up at night, prays, and wakes her husband to pray; and if he refuses, she sprinkles water on his face (Abu Dawud, hasan according to al-Albani).

8. AMONG THE RIGHTEOUS

i.Abu Sa’id al-Khudri and Abu Hurayrah reported that the Prophet said:

‘When a man wakes his wife at night, and they pray two rak’aah together, they are recorded among the men and women who remember Allah frequently’ (Abu Dawud & Ibn Majah, authentic according to al-Albani).

ii. Abdullah b. Amr reported that the Prophet said:

‘Whoever prays qiyam reciting ten verses (ayat), he will not be recorded among the negligent. Whoever prays qiyam reciting 100 verses, he will be recorded among the devout. And whoever prays qiyam reciting 1,000 verses, he will be recorded among those with multitude of good deeds’ (Abu Dawud, hasan according to al-Albani).

9. FORGIVENESS OF SINS

Abu Hurayrah reported that the Prophet said:

‘Whoever stands (in qiyam) in Ramadaan out of faith and expectation (of Allah’s reward), all his previous sins will be forgiven’ (Muslim).

10. AVOIDANCE OF PUNISHMENT

It is one of the means of avoiding the punishment of Hell and attaining Paradise

· The Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said: “The best prayer after the obligatory prayer is prayer at night.” Narrated by Muslim, 1163.

· And he said: “You should pray qiyaam al-layl, for it is the custom of the righteous who came before you and it brings you closer to your Lord, and expiates sins and prevents misdeeds.”
Narrated by al-Tirmidhi, 3549; classed as hasan by al-Albaani in Irwa’ al-Ghaleel, 452.
· It was narrated that ‘Amr ibn Murrah al-Juhani said: A man came to the Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) from Qadaa’ah and said to him: “O Messenger of Allaah, what do you think if I bear witness that there is no god except Allaah and that you are His Messenger, and I pray the five daily prayers, and fast the month (of Ramadaan), and pray qiyaam in Ramadaan, and pay zakaah?” The Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said: “Whoever dies doing that will be one of the siddeeqs and martyrs.” Narrated by Ibn Khuzaymah; classed as saheeh by al-Albaani in Saheeh Ibn Khuzaymah, 2212.

HOW DO WE HELP OURSELVES TO DO TAHAJJUD?

1. – Being sincere towards Allaah, as He has commanded us to be sincere towards Him and none other in our deeds. He tells us (interpretation of the meaning): “And they were commanded not, but that they should worship Allaah, and worship none but Him Alone…” [al-Bayyinah 98:5]. The more sincere a person is towards Allaah, the more he will be guided and helped to obey Allaah and draw closer to Him

· Ibn al-Qayyim (may Allaah have mercy on him) said: “The degree to which a person is helped and aided by Allaah depends on the degree of his intention, drive, aim and hopes. Help from Allaah comes to people in proportion to their drive, intention, hopes and fears, and failure comes to them in like man

2. Knowing the virtues of qiyaam al-layl.

· The Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said: “The best of prayers after the prescribed prayers is prayer in the depths of the night, and the best of fasting after the month of Ramadaan is fasting the month of Allaah, Muharram.” (reported by Muslim).

· According to a hadeeth narrated by Ibn Mas’ood (may Allaah be pleased with him), the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said: “Our Lord admires two men: a man who leaves his mattress and cover, and slips away from his wife and lover, to go and pray. Allaah says, ‘O My angels, look at My slave. He has left his mattress and cover and slipped away from his lover and wife to pray, out of hope for what is with Me and out of fear of what is with Me.” (Reported by Ahmad. It is a hasan report. Saheeh al-Targheeb, 258).

· Yahyaa ibn Mu’aadh said: “The medicine of the heart is five things: reading Qur’aan and pondering the meaning, having an empty stomach, praying at night (qiyaam al-layl), beseeching Allaah at the time of suhoor, and keeping company with righteous people

3. Sleeping on one’s right side

· Al-Baraa’ ibn ‘Aazib (may Allaah be pleased with him) reported that the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said: “When you want to go to bed, do wudoo’ as for prayer, then lie down on your right side.” (Agreed upon)

4. Sleeping in a state of tahaarah (purity).

· Mu’aad ibn Jabal (may Allaah be pleased with him) reported that the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said: “There is no Muslim who goes to sleep remembering Allaah and in a state of purity, and when he turns over he asks Allaah for good in this world and the next, but it will be given to him.” (Reported by Abu Dawood and Ahmad. Saheeh al-Jaami’, 5754).

5. – Going to sleep early

6. – Having the habit of reciting adhkaar prescribed by sharee’ah before going to sleep, because these adhkaar are like a fortress which protects a person from the Shaytaan, by the permission of Allaah, and helps him to get up for qiyaam. Qul huwa Allaahu ahad, Qul a’oodhu bi Rabbi’l-Falaq and Qul a’oodhu bi Rabbi’l-Naas,

7. Being keen to take a nap or siesta during the day, whether before zuhr or after. Anas (may Allaah be pleased with him) reported that the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said: “Take a nap, for the shayaateen do not take naps.” (Reported by al-Tabaraani. Al-Saheehah, 2647)

· Ishaaq ibn ‘Abd-Allaah said: “Taking a nap is one of the deeds of good people. It revitalizes the heart and helps one to pray qiyaam al-layl

8. Avoiding eating or drinking too much

· Al-Miqdaam ibn Ma’d Yakrib (may Allaah be pleased with him) reported that the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said: “Man fills no vessel worse than his stomach. It is sufficient for the son of Adam to have a few mouthfuls to give him the strength he needs. If he has to fill his stomach, then let him leave one-third for food, one-third for drink and one-third for air.” (Reported by al-Tirmidhi and Ibn Maajah. Saheeh al-Jaami’, 5674).

· Sufyaan al-Thawri said: “You should eat little, so that you will be able to pray qiyaam al-layl.”

HOW MANY RAKA’AHS?

· The Sunnah is to perform no more than eleven rak’ahs, because of the hadeeth narrated by ‘Aa’ishah may Allaah be pleased with her, who said:
“. . . He never used to pray more than eleven rak’ahs, in Ramadan or at any other time . . .” (Reported by al-Bukhaari, no. 1874).

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৩৯১ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

১০ টি মন্তব্য

  1. আপনি তো তাহাজ্জুদ এবং তারাবীহ দুটো এক করে ফেলেছেন ।

    shane2k

    :) yes, you are right and infact they are all the same prayer but has been given different names in cource of time. Thats why, I have included actual script of the lecture after my initial comment. If needed I can include opinions of current and classical scholarly comments but unfortunately they will be all in English.

    তুষার খান

    তারাবীহ্‌ ও তাহাজ্জুদ নামায যে একই নামায নয়, নিম্নে তার প্রমাণ তুলে ধরা হলোঃ
    প্রথমতঃ তারাবীহ্‌ ও তাহাজ্জুদ শব্দের অর্থ দ্বারাই স্পষ্ট প্রমাণিত যে, তারাবীহ্‌ ও তাহাজ্জুদ নামায একই নামায নয়।
    ১) তারাবীহ্‌ শব্দের তাহ্‌ক্বীক্বী অর্থঃ
    রমাদ্বান মাসে (তারাবীহ্‌ নামাযে) প্রতি ৪ রাকায়াত পর মুসল্লীদের বিশ্রাম দেওয়াকে “তারবীহাতুন” বলে। প্রতি ৪ রাকায়াত পর মুসল্লীরা বিশ্রাম নেয় বলেই এটাকে তারাবীহ্‌ নামায বলে। আর “তারাবীহ্‌” বহুবচন হলো “তারবীহাতুন”-এর। (লিসানুল আরব ১ম জিলদ্‌, পৃষ্ঠা ১৭৬৮) অনুরূপ কামূস আল মুহীত–এও উল্লেখ আছে।
    “তারাবীহ্‌” বহুবচন হলো “তারবীহাতুন”-এর। যার অর্থ হলো বসা, অর্থাৎ রমাদ্বান মাসে (তারাবীহ্‌ নামাযে) ৪ রাকায়াত পর বিশ্রাম নেয়ার জন্য বসা। প্রত্যেক ৪ রাকায়াত নামাযকে “তারবীহাতুন” বলে। আর পুরো ২০ রাকায়াত নামাযকে “তারাবীহ্‌” বলে, যা রমাদ্বান মাসে পড়া হয়। (মিছবাহুল লোগাত, পৃষ্ঠা ৩২২) অনুরূপ আল মুনজিদ–এও উল্লেখ আছে।
    “‘তারাবীহ্‌’ শব্দের অর্থ হলো বিশ্রাম দেওয়া, ঐ ২০ রাকায়াত সুন্নত নামায, যেটা ইশার পর ও বিত্রের পূর্বে পড়া হয়। যেহেতু প্রত্যেক ৪ রাকায়াত পর পর কিছু বিলম্ব এবং বিশ্রাম নিতে হয়, তাই এটাকে “তারাবীহ্‌” নামায বলে।” (ফিরুযুল লোগাত, পৃষ্ঠা ৩৫৩)
    অর্থাৎ “তারাবীহ্‌” শব্দটি হলো বহুবচন। তার একবচন হলো “তারবীহাতুন”। মুহাদ্দিছীন রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণের মত হলো ৪ রাকায়াত নামাযকে এক “তারবীহাতুন” বলে, এরূপ ৫ “তারবীহাতুন”-এ ১ “তারাবীহ্‌”। অর্থাৎ ৪X৫=২০, অতএব ২০ রাকায়াতে ১ “তারাবীহ্‌”।
    এ প্রসঙ্গে বুখারী শরীফ-এর বিখ্যাত শরাহ্‌ “উমাদুল ক্বারী”তে উল্লেখ আছে যে, “প্রতি ৪ রাকায়াত নামাযকে “তারবীহাতুন” বলা হয়, আর উহা মূলতঃ বিশ্রাম নেওয়ার জলসা।”
    অর্থাৎ প্রতি ৪ রাকায়াত নামাযের পর বিশ্রাম নেওয়া হয় বলেই এটাকে “তারবীহাতুন” বলে। আর এরূপ ৫ “তারবীহাতুন”-এ যে ২০ রাকায়াত নিম্নোক্ত বর্ণনা দ্বারা তা স্পষ্টই প্রমাণিত হয়। যেমন এ প্রসঙ্গে কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “নিশ্চয় হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এক ব্যক্তিকে আমাদেরকে নিয়ে ৫ “তারবীহাত” অর্থাৎ ২০ রাকায়াত নামায পড়ার আদেশ দিয়েছেন।” (বায়হাক্বী, কানযুল উম্মাল)
    উপরোক্ত বর্ণনা দ্বারা স্পষ্টই বুঝা যাচ্ছে যে, ৫ তারবীহাতুন-এ ২০ রাকায়াত, অর্থাৎ ২০ রাকায়াতে ১ “তারাবীহ্‌”। অতএব, তারাবীহ্‌ শব্দের অর্থ দ্বারা ২০ রাকায়াত নামাযকে বুঝায়।
    ২) তাহাজ্জুদ শব্দের তাহ্‌ক্বীক্বী অর্থঃ
    “তাহাজ্জুদ শব্দের অর্থ হলো রাত্রের নামায, আর রাত্রে ঘুম হতে উঠে নামায আদায়কারীকে বলে মুতাহাজ্জিদ। আযহারী বলেন আরবী ভাষায় রাত্রে শয়নকারীকে হাজিদ বলে, আর ঘুম হতে উঠে নামায আদায়কারীকে মুতাহাজ্জিদ বলে।” (মিছবাহুল লোগাত, পৃষ্ঠা ৯৭৭) অনুরূপ লিসানুল আরব, কামূস আল মুহীত ও আল মুনজিদ–এও উল্লেখ আছে।
    “‘তাহাজ্জুদ’ শব্দের অর্থ হলো রাত্রে জাগ্রত হওয়া, ঐ নামায যা অর্ধ রাত্রে উঠে পড়া হয়।” (ফিরুযুল লোগাত, পৃষ্ঠা ৩৯৩)
    অতএব, “তারাবীহ্” ও “তাহাজ্জুদ” শব্দদ্বয়ের তাহ্ক্বীক্বী বা বিশ্লেষণ দ্বারা স্পষ্ট প্রমাণিত হলো যে, “তারাবীহ্” ও “তাহাজ্জুদ” নামায একই নামায নয়, বরং ভিন্ন ভিন্ন নামায। কারণ তারাবীহ্‌ নামায যেমন ইশার পর পর আদায় করলেও হয়, তদ্রুপ মধ্য ও শেষ রাত্রে অর্থাৎ ইশার নামাযের পর হতে সুব্‌হে সাদিকের আগ পর্যন্ত যে কোন সময় তারাবীহ্‌ নামায আদায় করা যায়। যেমন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রথম রাত্রে, মধ্য রাত্রে ও শেষ রাত্রেও তারাবীহ্‌ নামায আদায় করেছেন।
    আর তাহাজ্জুদ নামায মধ্য রাত্রের পূর্বে আদায় করলে ওটা তাহাজ্জুদ নামায হিসেবে গণ্য হবে না। বরং ওটা রাত্রের নফল নামায হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ তাহাজ্জুদ নামাযের সময় হলো মধ্য রাত্রের পর হতে সুব্‌হে সাদিকের আগ পর্যন্ত। তবে তাহাজ্জুদ নামায মধ্য রাত্রে পর হতে উঠে আদায় করাই আফদ্বল বা উত্তম।
    মূলতঃ হযরত উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উম্মতে মুহম্মদীর ইহ্‌সানের জন্য ও উম্মতে মুহম্মদীকে সুন্নতে মুয়াক্কাদা তরকের গুণাহ্‌ হতে হিফাজতের জন্য অর্থাৎ পরবর্তী উম্মতে মুহম্মদীর জন্য ঘুম হতে উঠে আদায় করা সম্ভব নাও হতে পারে, যদি তারা ঘুমের কারণে উহা আদায় করতে না পারে, তবে সুন্নতে মুয়াক্কাদা তরকের গুণাহে গুণাহ্‌গার হবে, তাই তিনি তারাবীহ্‌ নামাযকে ইশার পর পর নিয়ে আসেন। এ প্রসঙ্গে তিনি নিজেই বলেন, “তোমরা যে সময় ইবাদত বা ঘুমিয়ে থাক, সে সময় হয়ে ঐ সময়টুকু উত্তম, যে সময় তোমরা নামায পড়। (আব্দুর রহ্‌মান রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি বলেন) উত্তম সময় বলতে তিনি শেষ রাত্রকেই বুঝিয়েছেন, কেননা তখন (হযরত উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর সময়) লোকেরা প্রথম রাত্রেই তারাবীহ্‌ নামায পড়তেন।” (বুখারী শরীফ)
    অর্থাৎ তারাবীহ্‌ নামায শেষ রাত্রে পড়াই উত্তম ছিল, কিন্তু হযরত উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উম্মতে মুহম্মদীর ইহ্‌সানের জন্য তারাবীহ্‌ নামাযকে প্রথম রাত্রে ইশার নামযের পর নিয়ে আসেন।
    অতএব, হযরত উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর সময় হতেই নিয়মিতভাবে ইশার নামাযের পর তারাবীহ্‌ নামায আদায় হয়ে আসছে এবং বর্তমানেও সেই সুন্নত তরীক্বাই চালু রয়েছে।
    দ্বিতীয়তঃ তারাবীহ্‌ নামাযে ঘোষণা দেওয়া জায়িয। অর্থাৎ তারাবীহ্‌ নামায ঘোষণা দিয়ে জামায়াতের সাথে আদায় করা হয় বরং তারাবীহ্‌ নামায জামায়াতের আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদায়ে কিফায়া। আর তাহাজ্জুদ নামায অর্থাৎ ঘোষণা দিয়ে জামায়াতে আদায় করা মাক্‌রূহ তাহ্‌রীমী ও বিদ্‌য়াতে সাইয়্যিয়াহ্‌, চাই উহা রমাদ্বান মাসে হোক অথবা গায়েরে রমাদ্বানে হোক।
    এ প্রসঙ্গে কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “ঘোষণা দিয়ে তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে আদায় করা মাকরূহ তাহ্‌রীমী। আর ঘোষণা ব্যতীত একা তাহাজ্জুদ আদায়কারীর পিছনে যদি ঘটনাক্রমে উর্দ্ধে তিনজন লোক ইক্তেদা করে, (মতবিরোধ রয়েছে, কেউ বলেন, মাহরূহ হবে, কেউ বলেন, হবে না) তবে মাকরূহ হবে না। কিন্তু চারজন ইক্তেদা করলে (সর্বসম্মতিক্রমে) মাকরূহ তাহ্‌রীমী হবে। অনুরূপ বর্ণনা দুরার ও দুররুল মুখতার কিতাবেও রয়েছে। আল্লামা ফাযিল চলপী রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি শরহে বিকায়ার হাশিয়ায় উল্লেখ করেন যে, তাহাজ্জুদ নামায যেটা নফল নামাযের অন্তর্ভূক্ত, এটা জামায়াতে আদায় করা বিদ্‌য়াতে সাইয়্যিয়াহ্‌।(মজ্‌মুয়ায়ে ফতওয়ায়ে সা’দিয়াহ)
    সুতরাং এর দ্বারাও প্রমাণিত হলো যে, তারাবীহ্‌ নামায ও তাহাজ্জুদ নামায অভিন্ন নামায নয়, যদি অভিন্ন বা একই নামায হতো, তবে তারাবীহ্‌ নামাযও জামায়াতে পড়া মাকরূহ তাহ্‌রীমী ও বিদ্‌য়াতে সাইয়্যিয়াহ্‌ হতো। কারণ উলামায়ে কিরাম রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণের মতে তাহাজ্জুদ নামায রমাদ্বান মাসেও জামায়াতে পড়া মাকরূহ তাহ্‌রীমী ও বিদ্‌য়াতে সাইয়্যিয়াহ্‌। মূলকথা হলো তারাবীহ্ ও তাহাজ্জুদ একই নামায নয় বরং ভিন্ন ভিন্ন নামায।
    তৃতীয়তঃ তাহাজ্জুদ নামায প্রথমে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি ফরয ছিল, পরবর্তীতে আল্লাহ্‌ পাক ওহীর মাধ্যমে ওটা মানছূখ বা রদ্‌ করে দেন। এখন প্রশ্ন হলো তাহাজ্জুদ নামাযের ফরযের হুকুম যদি রদই হয়ে থাকে, তবে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কেন বললেন, “আমার আশঙ্কা হচ্ছে, তোমাদের উপর এটা ফরয হয়ে যায় কিনা।”
    মূলতঃ যেটা একবার রদ্‌ হয়ে গেছে, পুণরায় তা ফরয হওয়ার কোনই আশঙ্কা থাকতে পারে না। সুতরাং এর দ্বারাও প্রমাণিত হয় যে, তারাবীহ্‌ ও তাহাজ্জুদ নামায একই নামায নয়, বরং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রমাদ্বান মাসে তাহাজ্জুদ নামাযের সাথে সাথে তারাবীহ্‌ নামায আলাদা বা পৃথক আদায় করেছেন। আর এই তারাবীহ্‌ নামায ফরয হয়ে যাওয়ারই আশাঙ্কা করেছেন।
    চতুর্থতঃ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি তাহাজ্জুদ নামাযের নির্দেশ কুরআন শরীফ-এর মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। যেমন আল্লাহ্‌ পাক বলেন, “রাত্রের কিছু অংশ কুরআন পাঠসহ (নামায পড়ার জন্য) জাগ্রত থাকুন। এটা আপনার জন্য আতিরিক্ত।” (সূরা বণী ইস্রাঈল ৭৯)
    অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে, “হে বস্ত্রাবৃত, রাত্রিতে দন্ডায়মান হোন কিছু অংশ বাদ দিয়ে ।” (সূরা মুযযাম্মিল ১-২)
    আর তারাবীহ্ নামায সম্পর্কে হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “নিশ্চয় আল্লাহ্‌ পাক রব্বুল আলামীন, তোমাদের প্রতি রমাদ্বান মাসের রোজাকে ফরয করেছে। আর আমি তোমাদের প্রতি তারাবীহ্‌ নামাযকে সুন্নত করলাম।”
    এর দ্বারাও প্রমাণিত হলো যে, তারাবীহ্‌ ও তাহাজ্জুদ নামায ভিন্ন ভিন্ন নামায। কারণ তাহাজ্জুদ নামাযের হুকুম কুরআন শরীফ অর্থাৎ ওহীয়ে মাত্‌লু-এর মাধ্যমে এসেছে। আর তারাবীহ্‌ নামায হাদীছ শরীফ অর্থাৎ ওহীয়ে গায়রে মাত্‌লু-এর মাধ্যমে এসেছে। অতএব, এদিক থেকেও উভয় নামাযের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
    পঞ্চমতঃ হাদীছ শরীফ-এ তারাবীহ্ নামাযকে “قيام رمضان” বলা হয়েছে। অর্থাৎ তারাবীহ্ নামায শুধু রমাদ্বান মাসের জন্যই খাছ বা নির্দিষ্ট। আর তাহাজ্জুদ নামাযকে “صلاة لليل” বলা হয়েছে, অর্থাৎ তাহাজ্জুদ নামাযকে রমাদ্বান মাসের জন্য খাছ বা নির্দিষ্ট করা হয়নি বরং সারা বছরের জন্যই খাছ বা নির্দিষ্ট।
    অতএব, এর দ্বারাও প্রমাণিত হলো যে, তারাবীহ্‌ ও তাহাজ্জুদ নামায ভিন্ন ভিন্ন নামায।
    ষষ্ঠতঃ তাহাজ্জুদ নামাযের আদেশ মক্কা শরীফ-এ দেয়া হয়েছে, আর তারাবীহ্‌ নামাযের আদেশ মদীনা শরীফ-এ দেয়া হয়েছে।
    সপ্তমতঃ অনুসরণীয় ইমাম-মুজতাহিদ রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণ তাঁদের কিতাবে তারাবীহ্‌ ও তাহাজ্জুদ নামাযকে পৃথক নামায হিসেবে উল্লেখ করেছেন। যেমন- হাম্বলী মাযহাব-এর প্রসিদ্ধ কিতাব “আল মুকান্নাত”-এ উল্লেখ আছে যে, “রমাদ্বান মাসে ২০ রাকায়াত তারাবীহ্‌ নামায জামায়াতের সাথে আদায় করবে এবং উহার পর বিত্‌র নামাযও জামায়াতে আদায় করবে। আর যদি কারো তাহাজ্জুদ পড়ার অভ্যাস থাকে, তবে বিত্‌র তাহাজ্জুদের পর আদায় করবে।”
    অতএব, যদি তারাবীহ্‌ ও তাহাজ্জুদ একই হতো, তবে আলাদাভাবে তাহাজ্জুদের কথা উল্লেখ করার কোন প্রয়োজন ছিল না। সুতরাং এর দ্বারাও প্রমাণিত হলো যে, উল্লিখিত নামাযদ্বয় ভিন্ন ভিন্ন নামায। সাথে সাথে এটাও বুঝা গেল যে, ইমাম আহ্‌মদ ইবনে হাম্বল রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি-এর মতেও তারাবীহ্‌ ও তাহাজ্জুদ ভিন্ন ভিন্ন নামায।
    অষ্টমতঃ ইমাম বুখারী রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি হতেও অনুরূপ বর্ণিত আছে যে, “হযরত ইমাম বুখারী রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি রাত্রের প্রথম ভাগে নিজ ছাত্রের সাথে তারাবীহ্‌ নামায জামায়াতে আদায় করতেন এবং তাতে একবার কুরআন শরীফ খতম করতেন। আর সেহ্‌রীর সময় তাহাজ্জুদ নামায একাকী আদায় করতেন।” (লুময়াতুল মাছাবীহ্‌)
    সুতরাং যেখানে ইমাম বুখারী রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি তারাবীহ্‌ ও তাহাজ্জুদ নামাযকে পৃথক নামায মনে করতেন ও পৃথক পৃথকভাবে উহা আদায় করতেন, সেখানে উক্ত নামাযদ্বয়কে একই নামায বলা মূর্খতা ও গুমরাহী বৈ কিছুই নয়।
    নবমতঃ তারাবীহ্‌ ও তাহাজ্জুদ নামায পৃথক পৃথক নামায বলেই মুহাদ্দিছীনে কিরাম রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণ হাদীছ শরীফ-এর কিতাবে ও ফুক্কাহায়ে কিরাম রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণ ফিক্বাহের কিতাবে উক্ত নামাযদ্বয়কে পৃথক পৃথক অধ্যায় বর্ণনা বা উল্লেখ করেছেন। অতএব, যদি একই নামায হতো, তবে তো পৃথক পৃথক অধ্যায় রচনা করার কোন প্রয়োজন ছিল না। বরং একটি অধ্যায়ই যথেষ্ট ছিল। এর দ্বারা উক্ত নামাযদ্বয়ের ভিন্নতা প্রমাণিত হয়।
    দশমতঃ তাহাজ্জুদ নামাযের রাকায়াতের সংখ্যা নির্দিষ্ট রয়েছে, অর্থাৎ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উর্দ্ধে ১৩ রাকায়াত ও নিম্নে ৭ রাকায়াত তাহাজ্জুদ পড়েছেন বিত্‌রসহ। আর তারাবীহ্‌ নামায সম্পর্কে ৮ রাকায়াত দাবীদারদের অনুসরণীয় ব্যক্তিবর্গের বক্তব্য হলো সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে তারাবীহ্‌ নামাযের নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা প্রমাণিত নেই। যেমন এ প্রসঙ্গে কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “আল্লামা সুবকী বলেন, রমাদ্বান মাসে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ২০ রাকায়াত তারাবীহ্‌ পড়েছেন, না কম পড়েছেন, উহা বর্ণিত নেই।” (শরহে মিনহাজ)
    এখানে লক্ষণীয় যে বিষয় এই যে, তাদের উপরোক্ত বক্তব্যটি অশুদ্ধ বা ভুল, তথাপি উক্ত বক্তব্য দ্বারাও প্রমাণিত হয় যে, তারাবীহ্‌ ও তাহাজ্জুদ একই নামায নয়, যদি একই হতো, তবে (তাদের মতে) তারাবীহ্‌ নামাযের রাকায়াতের সংখ্যা অনির্দিষ্ট হতো না বরং তাহাজ্জুদ নামাযের ন্যায় নির্দিষ্টই হতো।
    উপরোক্ত বিস্তারিত আলোচনা দ্বারা এটা সুস্পষ্টভাবেই প্রমাণিত হলো যে, তারাবীহ্‌ ও তাহাজ্জুদ নামায কখনোই এক নামায নয়, বরং ভিন্ন ভিন্ন নামায। উক্ত নামাযদ্বয়কে একই নামায হিসাবে আখ্যায়িত করা মূলতঃ নিজেদের মূর্খতা ও গুমরাহীকে আরো সুস্পষ্ট করারই নামান্তর।

    Habibullah

    @তুষার খান,
    মুহতারাম তুষার খান সাহেব। মাশাআল্লাহ আপনি অনেক সুন্দর ও গভীরভাবে তারাবিহ এর নামাজ ও তাহাজ্জুদ নামাজের পাথ্যর্কগুলো নির্ণয় করলেন। অনেক ভাল লাগলো আপনার লেখাটি।
    তবে আমার নিচের হাদিসটির সাথে আপনার ২০ রাকাত তারাবির সমাধানটা আরো একটু গুছিয়ে বলবেন কি?
    حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا
    كَيْفَ كَانَتْ صَلَاةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي رَمَضَانَ فَقَالَتْ مَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَزِيدُ فِي رَمَضَانَ وَلَا فِي غَيْرِهِ عَلَى إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً يُصَلِّي أَرْبَعًا فَلَا تَسَلْ عَنْ حُسْنِهِنَّ وَطُولِهِنَّ ثُمَّ يُصَلِّي أَرْبَعًا فَلَا تَسَلْ عَنْ حُسْنِهِنَّ وَطُولِهِنَّ ثُمَّ يُصَلِّي ثَلَاثًا قَالَتْ عَائِشَةُ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتَنَامُ قَبْلَ أَنْ تُوتِرَ فَقَالَ يَا عَائِشَةُ إِنَّ عَيْنَيَّ تَنَامَانِ وَلَا يَنَامُ قَلْبِي
    বোখারী ৪/৩১৯/১০৭৯ নাম্বার হাদিসে আয়শা রাঃ কে যখন প্রশ্ন করা হলো রাসুলুল্লাহ সাঃ রাতের নামাজ কেমন ছিল? তিনি জবাবে বললেন রমজান হোক আর গাইরে রমজান হোক তিনি কখনো এগারো রাকাতের চেয়ে বেশি পড়তেন না। ….

  2. এইজন্য এর আরেকটি নাম দেয়া হয়েছে “কিয়া্‌মউল লাই্‌ল”, কিন্তু এই নাম রাসুল(সাঃ)-এর সময় প্রচলিত ছিলনা, তখন শুধু একটাই নাম ছিল “সালাতুল লাই্‌ল” বা রাতের নামাজ। ওমর(রাঃ) -এর সময় হতে “তারাও্‌য়ী” নামটি প্রচার পায়, এর পেছনে কারন হলো, প্রতি চার রাকাহ্‌ নামাজের পর সাহাবীরা বসে একটু আরাম করে বা জিড়িয়ে নিতেন।

    আপনার কাছে কোনো প্রুফ আছে যে ওমর (রা) এর সময় হতে তারাবী নামটি প্রচার পায় ? জানতে চাচ্ছি ।

    shane2k

    Taraweeh / Qiyam ul Layl / Tahajjud
    ===================================

    Ibn Qudamah Al-Maqdisi, Mukhtasar Minhaj Al-Qasidin, published by Dar Al-Manarah, Egypt, 2002.
    Sheikh Sayyid Sabiq in his Fiqh As-Sunnah
    Surah Al-Muzammil, 1-4 :: Uses “qum al-layl”
    Surah Al-Isra, 79 :: Uses fatahajjad. Using the verb fatahajjad, a derivative from the root hajada (meaning to keep vigil). Referring to Tahajjud prayer

    Taraweeh name from Omar’s (R:) time
    ===================================

    I have to be honest as I have not read his Seera in detail therefore apologize as I cannot provide book reference for the Taraweeh name inititation from Omar’s (R:) time. I recently read several short articles in response to questions on this very prayer name where this has been mentioned. Also recently heard lectures from following scholars in multitude of topics where they brought this up in relation to their discussion and also in Q&As.

    - Sheikh Salim Al-Amry
    - Dr. Zakir Naik
    - SHEIK ASIM AL HAKIM
    - Dr Jamal Badawi

    Summary
    =======

    - In order to avoid confusion and to avoid doubts that there may be my misinterpreation, aside from my explanation in Bangla I included the actual lecture script of a Professor of Islamic University without editing it [ http://www.aburaziq.com ]

  3. আমি পক্ষে বিপক্ষে কিছু কিছু আর্টিকেল পড়েছিলাম । আমার কাছে যাকির নাইকের টা শক্তিশালী মনে হয় নাই । আর এইসব ক্ষেত্রে মাজহাব যারা মানে আমার কাছে তাদের দলীল অনেক শক্তিশালী মনে হয়েছে । আমাকে আপনি জিজ্ঞেস করলে আমি হয়ত অত সুন্দর করে বলতে পারব না কিন্তু আমার অনুভুতীটা শেয়ার করলাম ।

  4. আপনি যেহেতু রিসার্চ করেন এই ইসলামিক সাইটটা ভিজিট করতে পারেন , তারা ইসলামিক জুরিসপ্রুডেন্স ইন ডিটেইলস আলোচনা করে।
    http://www.al-inaam.com/

    আর তারাবি সম্বন্ধে তাদের একটি আরটিকেল আছে :

    http://www.al-inaam.com/fataawa/tarawih.htm

  5. - I understand your point.

    - I always try to keep an open mind, thats why even at times I do not agree with some positions of the scholars that I like or listen to most.

    - One thing to make clear, when I mentioned Omar’s (R:) I was not trying to imply that the Taraweeh name was given or encouraged by him, or the Taraweeh congregational prayer was an innovation of his or somehow he is to blame, rather wanted to mention after the regular Taraweeh congregation practice started from his time the name “Taraweeh” became popular at a later stage as people used to rest in between the prayers. Omar’s (R:) Caliphate was used as a time reference. Aside from Shi’a scholars I have not seen or heard Sunni scholars going against the above understanding.

    Based on what I heard and read [always try to use the same analogy] I always try to avoid the doubt and follow the things that are commong in the decisions of the all scholars or what they are in consensus.

    Contentions or Things Where I saw difference
    ============================================

    - In terms of the numbers of rakah`s there is contention among scholars

    - In terms of Ramadan Taraweeh congregational prayer, Shi’a scholars are not in support while the Sunni scholars are

    Consensus or that all scholars agree
    =====================================

    - All scholarly talks that I have heard, references I have seen given in articles from European Scholars & Fiqh Councils, North American Scholars & Fiqh COuncils, Official opinion of Alhazr University or its scholars, or in papers/books of scholars of Madina University, they all say the same thing as per my articles topic, which is that the Salatul Layl, Qiyam ul Layl, Tahajjud & Taraweeh are all the same prayer.

    - The immediate above comment, also includes opinions of scholars from the 4 main Fiqh School of Thoughts.

    - Would also like to mention as a side note, that when the Imams of the 4 main Fiqh School of Thoughts were providing their experts, just then the Hadith collection work started and as far as I know it did not complete in their lifetime. That is the very reason all the 4 Imams mentioned that is any of their Fatwa is found to contradict Quran or the Sahih` hadiths then those Fatwas are to be torn out.

    - I hope you also know that some Sahih` hadith have been also declared to be wrong in the recent 30-40 years not because some scholars did not like it rather due to greater understanding of world istory and geography, scholars of Hadith found some Hadiths do not match with the timeline or the explanation of the time or situation.

    Summary
    =======

    - I always try to keep an open mind as I know that I do not know all things. Till now have not come across opposing comments or articles other that what I have mentioned above

    - Even by doing a simple Google search also reveals a lot about the topic.

    If you do have the articles that you are talking about and if they are available on line I would like to read them. I always prefer to see or read both sides of the arguement before making my own personal decision. May be if you give the name of the scholars or books, I will try to do the rest here.