লগইন রেজিস্ট্রেশন

অ্যাস্ট্রনমিকাল গণনা নাকি খালি চোখে দেখা নাকি উভয়ই

লিখেছেন: ' shane2k' @ শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০০৯ (১১:৩২ অপরাহ্ণ)

আমি ব্যক্তিগতভাবে উভয়েরই prefer করি যা কিনা এখনও কেউ অনুসরণ করছেন না। আমরা কেবল খালি চোখে আর নয়তবা শুধু calculation করে পালন করছি বা এক দেশে দেখা গেলে অন্য দেশে পালন করছি। অথচ technology-এর কারণে আমরা calculation-এর দ্বারা সময় নির্ধারণ করে satellite দ্বারা দেখতে পারি নতুন চাঁদ উঠেছে কিনা। এতে আমাদের সুন্নাহ্‌ও পালন হলো সাথে আল্লাহ্‌র creation-এর সত্যটিকেও আমরা জানতে পারলাম।

Point 1 :: আমরা আজ কি করছি ?

- আমরা আজ calculation করে কেবলা নির্ধারণ করছি
- আমরা আজ calculation করে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত নির্ধারণ করছি
- আমরা আজ calculation করে আগে থেকেই নামাজের সময় নির্ধারণ করছি
- আমরা আজ calculation-এর কারণে দিক নির্ধারণ করছি এবং এই কারণে Saudi-তে চাঁদ দেখা গেলেও নিজ দেশে না দেখা যাওয়া পর্যন্ত হিজরী মাস স্থির করিনা

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে

- Limited knowledge of the time
- নতুন information-কে সহসা গ্রহণ না করার বা নিজের গণ্ডি থেকে না বেরিয়ে আসার প্রবনতা

উপরের উল্লিখিত কারণে আমাদের সময় লেগেছে কিন্তু আল্লাহ্‌র creation-এর সত্যকে অবশেষে আমরা গ্রহণ করেছি।

Point 2 :: সূর্য ও চাঁদ দেখা

- যে চশমা পরে চাঁদ দেখবে, তার দেখাকে আমরা কি বলব বা আমরা কি তার দেখাকে গণ্য করব না ?
- চশমা পরা ব্যক্তির চাঁদ দেখা যদি গণ্য হয় তবে Science-এর সঙ্গা মতে চশমা এবং Telescope-এর কোন difference কি আছে ?
- সূর্য প্রতিনিয়ত নির্দিষ্ট সময়ে উঠে, একই ভাবে চাঁদ তার নির্দিষ্ট নিয়ম মত চলে। এদের নিয়মে যে কোন হেরফের নেই তা আল্লাহ্‌ কোর্‌আনে বলেছেন।
- আমাদের মাথার উপর নতুন চাঁদ যদি উঠে থাকে, যার মানে হলো সূর্যের আলো চাঁদের উপর, তাহলে পৃথিবীর আবহাওয়া জন্য যদি আমরা দেখতে না পাই কিন্তু প্রযুক্তির কারণে আমরা জেনেও যদি অস্বীকার করি চাঁদ উঠে নাই, তবে তার মানে কি এই দাঁড়াল না, যে আমরা আল্লাহ্‌র সত্য যেনেও স্বীকার করলাম ?
- আপনার এলাকায় যদি মাগ্‌রেবের আজান দেয় তবে সেই একি এলাকায় ৩০ বা ৪০ বা ৫০ তলা বিশিষ্ট bulding-এর লোকেরা কি সেই একই আজান অনুসরণ করবে ? কেননা মনে রাখবেন উচ্চতার কারণে তাদের জন্য কিন্তু তখনও সূর্যাস্ত হয়নি এবং আমাদের নামাজের নিয়ম সূর্যের অবস্থানের উপর নির্ভরশীল।

এটা কোন analogy, ইজতিহাদ, ইজমা এবং কিয়াছের মাঝে পরল ?

যাই হোক, নিচের লিঙ্কটি ধীরে মনযগ সহকারে পরেন এবং চলেন গঠন মুলক ভাবে একজন আরেকজনের brain picking করি।

http://hilal-discourse.net/Documents/Microsoft%20Word%20-%20Book-Revised%20without%20names.doc-1.pdf

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১৩৮ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৩ টি মন্তব্য

  1. আপনার বক্তব্যের সাথে আমি একমত। গত কয়েক লন্ডনে সৌদী আরবকে কেন ফলো করব এই কথা বলাতে জনৈক ইমাম আমার মুখে ঘুষি মারতে উদ্ধত্য হয়েছিলেন। লন্ডন যেহেতু সৌদীর চেয়ে পশ্চিমে অবস্থিত তাই যখন সৌদীর আকাশে চাঁদ উঠবে তখন লন্ডনে এশার ওয়াক্ত হয়ে যায়। সে কারণে চাঁদের জন্ম যদি লন্ডনে মগরিবের আগে হয় ঐ চাঁদকে ঈদের চাঁদ হিসাবে গন্য করা যাবেনা।
    যেহেতু দৈনিক পাঁচবার আমরা পাঁচটা ফর্জ নামাজ ঘড়ি দেখে আদায় করি তাতে আমাদের ফর্জ এবাদত তরক হয়না তাহলে বছরে মাত্র ৩০টি ফর্জ রোজা ঘড়ি দেখে পালন করলে অসুবিধা কোথায় তা আমি ভেবে পাই না! এক আল্লাহ, এক কোরআন এক নবীর উম্মত হয়ে এক দেশে মুসলমানরা ভিন্ন ভিন্ন দিন ঈদ উৎসব করায় বিধর্মীদের কাছে আমরা হাস্যকরে পরিনত হচ্ছি, তা কেউই ভেবে দেখছেন না। ধন্যবাদ।

  2. Salam Brother মর্দে মুমিন,

    I understand what you are saying.

    Just to make sure you understood my position correctly I would like to clarify myself again. I am not at all in full support of any type of Blind Calculation. Rather I was pointing out that our current Calculations are based on SOLID FACTS not just ANY GUESS WORK. If it was based on GUESS WORK then I oppose it and would have opposed it. Our Calculated Salah times are based on position of the SUN in any given Longitude and Latitude, and we are able to do such calculation based of SOLID SCIENTIFIC obeservation of the CREATION of the Almighty.

    Jazzak Allah

    মর্দে মুমিন

    সালাম। এই সাইট টা হোষ্ট করা হয়েছে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের জন্য, তাই আমার মনে হয় বাংলাতে আলোচনা বৃহত্তর পাঠকদের জন্য ভাল হয়।

    একটা জিনিস আমরা সবাই জানি যে, ঈদ বা রোজা রাখার জন্য যে শুধু নিজ চোখে চাঁদ দেখতে হবে তা নয়। যে কোন স্থান থেকে তিন মুসলমান নতুন চাঁদ দেখেছে বলে সাক্ষ্য দিলে তাদের ঐ সাক্ষ্যের উপরে ভিত্তি করে আমরা ঈদ কিংবা রোজা রাখতে পারি।

    যদি তিন জন ঈমানদার মুসলমানের সাক্ষিতে চাঁদ না দেখেও চাঁদ দেখা গেছে বলে বিশ্বাস করতে পারি তাহলে কি মুসলিম বিশ্বে ঈমানদার তিন জন জ্যোতির্বিদ নেই যে তাদের অবজারবেশনে প্রাপ্ত জ্ঞানে চাঁদ কখন জন্ম নিতে পারে তা বিশ্বাস করতে পারিনা?

    আমি যখন লন্ডন ছিলাম তখন মুসলীম কমিনিটি টনি ব্লিয়ার সরকারকে দাবি জানিয়ে ছিল মুসলমানদের ২ ঈদে সরকারী ভাবে ছুটি দেবার জন্য। টনি ব্লিয়ার তাদের এই বলে উত্তর দিয়েছিলেন- ঠিক আছে আমারা তোমাদের ২ ঈদে ছুটি দেব যদি তোমরা সবাই একদিনে ঈদ পালন করতে পার। ঐ বছরই সারা ইউকের ২৭ মসজিদের নেতারা ঈদের আগের দিন মিটিং এ বসলেন। ২৭ এর মধ্যে ২০ জন বললেন যেহেতু মুন অভজারবেটরী বলছে ঈদের চাঁদ ইউকের আকাশে মগরিবের আগে জন্ম নিয়েছে সে কারনে মগরিবের পর সে চাঁদ দেখা যাবেনা তাই পর দিন ঈদ হবেনা। কারন ইসলামি দিন গণনা হয় মাগরিবের পর। কিন্তু ৭ জন বাঙ্গালী বললেন যেহেতু সৌদীরা কাল ঈদ করবে আমরাও কাল ঈদ করব। তাই আর ঐক্য হলনা। আর কখনও ঐক্য হবেনা। আমাদের বাংলাদেশেও এক দল লোক সৌদী আরবের সাথে ঈদ করে থাকেন। অথচ বাংলাদেশ থেকে যত পশ্চিমে সৌদী আরব তার থেকে আর পশ্চিমে মরক্কের অবস্থান। সেই মরক্কও সৌদীদের সাথে ঈদ করেনা পরের দিন করে। আমরাও যদি মক্কাকে পৃথিবীর মধ্যস্থল মেনে নিয়ে ঐ গাইড লাইনে সৌদীদের পরেরদিন ঈদ রোজা পালন করি তাহলে ন্যুন্যতম ২দিনে সারা পৃথিবীর মুসলমান ঈদ করতে পারতাম। ধন্যবাদ।