লগইন রেজিস্ট্রেশন

বিবর্তনবাদ তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা – ৭

লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ সোমবার, জুলাই ৫, ২০১০ (৯:২৪ অপরাহ্ণ)

পাঠক! কিছুক্ষণের জন্য ব্যাকটেরিয়া-সদৃশ অতি ক্ষুদ্র ও সরল একটি জীব কল্পনা করুন। সারা পৃথিবীতে একটি মাত্র ব্যাকটেরিয়া-সদৃশ জীব। জীব বলতে সেই ব্যাকটেরিয়া ব্যতীত আর কিছুই নেই। সেই জীব যে কোথা থেকে ও কীভাবে এলো – এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে না হয় না-ই বা গেলেন। কেননা ডারউইনবাদীরা এই প্রশ্নে প্রচণ্ড ভয় পায়! সেই জীবের মাথা নেই। কান নেই। নাক নেই। চোখ নেই। হাত-পা নেই। ব্রেন নেই। বুদ্ধিমত্তা নেই। হাড়-মাংসপেশী নেই। প্রকৃতপক্ষে মানুষ বা অন্য কোন প্রাণীর সাথে তুলনা করলে কিছুই নেই। পুংলিঙ্গ নাকি স্ত্রীলিঙ্গ নাকি ক্লীবলিঙ্গ তাও জানা নাই! যে কোন মুহূর্তে মারা যেতে পারে। ডারউইনবাদীরা সেই জীবকে কখনো স্বচক্ষে দেখেননি, যদিও তারা নাকি স্বচক্ষে না দেখে কোন কিছুতে বিশ্বাস করেন না! সেই জীব আসলে কী – তার ঠিক পরের জীব কোন্টি – কেন ও কীভাবেই বা পরের জীব বিবর্তিত হলো – বিবর্তিত হওয়ার পর প্রথম জীব থেকেই গিয়েছিল কি-না – এগুলো তারা জানেন না! অনুমান আর কল্পনা ছাড়া কোনদিন জানতেও পারবেন না!

অথচ ডারউইনবাদীদের বিশ্বাস অনুযায়ী এরকম একটি জীব থেকেই নাকি উদ্দেশ্যহীন পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে মিলিয়ন মিলিয়ন ধরণের মাছ, পশু-পাখি, সরীসৃপ, কীট-পতঙ্গ, ফল-মূল, খাদ্য-শস্য, উদ্ভিদ, ডারউইন, ও রিচার্ড ডকিন্স সহ সকল প্রকার প্রজাতি মন্থর গতিতে বিবর্তিত হয়েছে! এটিই হচ্ছে বিবর্তনবাদ তত্ত্বের মূল মন্ত্র। এটিই নাকি আবার গাছ থেকে মাটিতে অ্যাপেল পড়ার মতোই প্রতিষ্ঠিত একটি সত্য! দীর্ঘদিন ধরে ডারউইনবাদীরা ঠিক তা-ই প্রচার করে আসছেন। বিজ্ঞানের নামে ইতোমধ্যে অনেকেরই মস্তক ধোলাই করা হয়েছে। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে বিবর্তনবাদ তত্ত্বকে গাছ থেকে মাটিতে অ্যাপেল পড়ার মতোই প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে দাবি করার পরও হঠাৎ হঠাৎ দু-একটি ফসিলের অংশবিশেষ দিয়ে নিজেদের মতো করে ড্রয়িং করে ‘মিসিং লিঙ্ক পাওয়া গেছে’ ‘মিসিং লিঙ্ক পাওয়া গেছে’ বলে এখনও মিডিয়া গরম করা হচ্ছে! পাথরের তৈরী মূর্তির দুধ পানের মতো ঘটনা আর-কি! মাঝে-মধ্যে অন্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন বিশ্বাসকে চাঙ্গা করার এটি একটি কৌশলও হতে পারে – কী বলেন পাঠক!

আপনাদের কারো ক্ষণিকের জন্যও কি মনে হতে পারে যে, বড় বড় বিজ্ঞানী ও নামী-দামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা মানব জাতির ইতিহাসে সর্বনিকৃষ্ট কল্পকাহিনী ও কুসংস্কারকে সত্যি সত্যি গাছ থেকে মাটিতে অ্যাপেল পড়ার মতোই প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে বিশ্বাস করেন! ভেবে দেখুন। ব্যাকটেরিয়া-সদৃশ সরল কোন জীব থেকে তো দূরে থাক এমনকি অন্য যে কোন জীব থেকেও এটি সম্ভব নয়। অথচ বিজ্ঞানের নামে এরকম একটি ডগমার মধ্যে মাথা গুঁজে উল্টোদিকে বিশেষ দু-একটি ধর্ম ও তার অনুসারীদেরকে বিভিন্নভাবে আক্রমণ ও হেয় করা হচ্ছে। সত্যিই সেলুকাস!

যাহোক, একমাত্র মানুষ ছাড়া বিজ্ঞানীরা যদি সত্যি সত্যি প্রমাণ করতে পারেন যে সরল কোন জীব থেকে সকল প্রকার প্রজাতি বিবর্তিত হয়েছে সেক্ষেত্রে কোরআনের কিন্তু কিছুই আসে যায় না। কারণ কোরআনে একমাত্র মানুষ ছাড়া অন্যান্য প্রজাতির সৃষ্টি সম্পর্কে এমন কিছু বলা নাই যেটি বিবর্তনবাদ তত্ত্বের সাথে সাংঘর্ষিক হতে পারে। এমনকি ইসলামে বিশ্বাসীরাও কখনো এরকম কিছুতে বিশ্বাস করেনি। তার মানে কি মানুষ ছাড়া অন্যান্য সকল প্রকার প্রজাতির বিবর্তনকে বিজ্ঞানের নামে বিশ্বাস করতে হবে? অবশ্যই না। তাহলে তাদের কল্পকাহিনী আর কুসংস্কারাচ্ছন্ন বিশ্বাসকে বিজ্ঞানের নামে বৈধতা দেয়া হবে! কারণ বিবর্তনবাদ তত্ত্বের স্বপক্ষে বিগত ১৫০ বছরে যে তথাকথিত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে সেগুলো মূলতঃ অনুমান, কল্পনা, প্রতারণা, ও কুসংস্কারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে। এগুলোকে আর যা-ই হোক পরীক্ষা-নিরীক্ষা লব্ধ বিজ্ঞানের নামে অন্ততঃ বিশ্বাস করা যায় না।

অন্যদিকে ডারউইনবাদীরা এখন পর্যন্তও বলে আসছেন যে, মানুষ আর বানর প্রজাতি একটি ‘সাধারণ পূর্বপুরুষ’ থেকে বিবর্তিত হয়েছে। কিন্তু সেই ‘সাধারণ পূর্বপুরুষ’ কি মানুষ নাকি বানর নাকি অন্য কিছু – সেটা পরিষ্কার করে বলা হয় না। কারণ তারা নিজেরাই নিশ্চিত না। সেই ‘সাধারণ পূর্বপুরুষ’ যদি মানুষ হয় তাহলে কিন্তু তাদের আত্মহত্যা করা ছাড়া অন্য কোন উপায় থাকবে না! কেননা তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ধর্মগুলোকে ভুল প্রমাণ করা। অথচ অনেক দিন ধরেই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এই বলে যে, বিবর্তনবাদ তত্ত্ব নাকি অ্যাডাম-ইভ তথা আদম-হাওয়া ‘মিথ’কে ভুল প্রমাণ করেছে! অধিকন্তু, এটি যেহেতু মিলিয়ন মিলিয়ন বছর আগের একটি ঘটনা সেহেতু বারংবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করাও সম্ভব নয়। আর তা-ই যদি হয় তাহলে ইসলামে বিশ্বাসীরা কোন্ দুঃখে ইসলাম ত্যাগ করে বিবর্তনবাদের কল্পকাহিনী আর কুসংস্কারে বিশ্বাস করবে! মিলিয়ন মিলিয়ন বছর আগের কিছু ফসিলের অংশবিশেষ দিয়ে তৈরী করা কাল্পনিক ড্রয়িং এর উপর ভিত্তি করে ইসলাম ত্যাগ নিতান্তই হাস্যকর শুনায় – যেখানে আবার তথাকথিত প্রমাণগুলো পরবর্তীতে জাল প্রমাণিত হচ্ছে।

যাহোক, যে সকল কারণে ইসলামে বিশ্বাসীদের বিবর্তনবাদ তত্ত্বে বিশ্বাস করা উচিত হবে না:

- বিবর্তনবাদ তত্ত্বের মূল মন্ত্র হচ্ছে স্রষ্টার কোন ভূমিকা ছাড়াই ‘উদ্দেশ্যহীন পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচন’ এর মাধ্যমে সকল প্রকার প্রজাতির বিবর্তন – যেটি আসলে নাস্তিক্য বা বস্তুবাদী বিশ্বাস। যদিও এই বিশ্বাসের সাথে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার কোন সম্পর্ক নেই তথাপি এই মূল মন্ত্রকে বাদ দিয়ে ডারউইনবাদীরা বিবর্তনবাদ তত্ত্বে বিশ্বাসই করতে পারবেন না। তবে ইদানিং তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলা শুরু করেছেন যে, কেউ ইচ্ছে করলে বিবর্তনকে ‘গডের একটি প্রক্রিয়া’ হিসেবেও বিশ্বাস করতে পারেন। অসচেতন লোকজনকে তাদের ডগমাতে ধর্মান্তরিত করার এটি একটি কৌশল মাত্র। তবে সাথে সাথে এও স্মরণ করিয়ে দেয়া হয় যে, বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করে গডে বিশ্বাস আসলে বোকামী ও মূর্খামী ছাড়া কিছুই নয়! অতএব, ইসলামে বিশ্বাসীরা বিবর্তনবাদের মূল মন্ত্রের সাথে কখনোই একমত হতে পারবে না।

- ডারউইনবাদীরা বিপদে পড়ে যা-ই বলুক না কেন, বিবর্তনবাদকে যে স্রষ্টা ও ধর্মের বিকল্প একটি মতবাদ বা দর্শন হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে – সেটা তারা নিজেরাই অস্বীকার করতে পারবেন না। অস্বীকার করলে নিজেদের সাথেই প্রতারণা করা হবে। ফলে জেনে-শুনে-বুঝে দুটি বিপরীতধর্মী বিশ্বাসকে মনে-প্রাণে ধারণ করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। এজন্য সারা পৃথিবী জুড়ে দু-চার জন ইসলামে বিশ্বাসীও পাওয়া যাবে কি-না সন্দেহ যারা একই সাথে বিবর্তনবাদ, এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা, ও কোরআনকে স্রষ্টার বাণী হিসেবে বিশ্বাস করে।

পরিবেশগত কারণে একটি প্রজাতির মধ্যে মাইক্রো লেভেলে সামান্য এদিক-সেদিক হতেই পারে যেগুলো নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। ল্যাবে ব্যাকটেরিয়া লেভেলে মিউটেশন ঘটিয়ে তাদের মধ্যে কিছু একটা পরিবর্তনও হয়তো করা যেতে পারে। কিন্তু সেখানে থেকে কোনভাবেই বড় কোন সিদ্ধান্তে আসা যাবে না। অর্থাৎ ল্যাবে বিভিন্নভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ব্যাকটেরিয়া লেভেলে মিউটেশন ঘটিয়ে কিছু পরিবর্তন করা মানেই কিন্তু বিবর্তনবাদ তত্ত্ব সত্য হয়ে যায় না। অথচ এগুলোর সাথেই ভাইরাস, মেডিসিন, আণবিক জীববিদ্যা, ও জেনেটিক্সের উপর গবেষণাকে বিবর্তনবাদ তত্ত্বের পক্ষে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে!

সার্বিকভাবে বিবর্তনবাদ যে একটি ভ্রান্ত ও সেকেলে মতবাদ তাতে কোনই সন্দেহ নেই। শুধুমাত্র রিচার্ড ডকিন্স না থাকলেই এই মতবাদ অনেক আগেই মুখ থুবড়ে পড়তো। অক্সফোর্ড প্রফেসর হওয়ার সুবাদে বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদের নামে গড ও ধর্মকে আক্রমণ করে মৃত একটি মতবাদকে যেভাবে পুনরুজ্জীবিত করেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়! পাশাপাশি ড্যান ডেনেট, ক্রিস্টোফার হিচেন্স, স্যাম হ্যারিস, ড্যান বার্কার, ও ভিক্টর স্টেঙ্গারের মতো পশ্চিমা বিশ্বের কিছু প্রসিদ্ধ নাস্তিক তো আছেই। বাংলা ডারউইনবাদীরা কোন প্রকার সংশয়-সন্দেহ ছাড়াই তাদের দর্শন প্রচার করে নিজেদেরকে ‘বিজ্ঞানমনষ্ক ও যুক্তিবাদী’ বলে দাবি করছেন!

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৩৬৩ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৪.০০)

২০ টি মন্তব্য

  1. সুন্দর

    এস.এম. রায়হান

    @বাংলা মৌলভী, ধন্যবাদ।

    shuvo23

    না জেনে না বুঝে বিবর্তনের পেছনে পড়েন কেন??? বিবর্তন সঠিক হলেই ইসলাম মিথা হয়ে যাবে না – এত ঠুনকো নয় ইসলাম!!!

    http://www.christiananswers.net/q-aig/aig-c018.html

    এস.এম. রায়হান

    @shuvo23, আপনি না জেনে না বুঝে এমন উদ্ভট ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করলেন কেন? ইসলাম যে এত ঠুনকো সেটা কোথায় বলা হয়েছে? লেখা বুঝে মন্তব্য করলে ভাল হতো না কি?

  2. (Y) (Y) (Y) (Y)

    এস.এম. রায়হান

    @হাফিজ, পড়ার জন্য ধন্যবাদ। একের অধিক ইমোটিকোন দিলে পাশাপাশি দুটির মধ্যে গ্যাপ রাখতে হয়। অন্যথায় সবগুলো ঠিকমতো আসে না।

  3. বিবর্তনবাদ যদি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে এখন আমরা বিবর্তনবাদের ছিটে-ফোটাও তো কোনোখানে দেখছি না । ডারউইনের সময় থেকে এই পর্যন্ত (১৮০৯-১৮৮২) ১৩০ বছর পার হয়ে গেছে । এই সময়ের মধ্যে এমন হয়েছে কি কোনো একটি প্রাণীর ১ দশমাংশও বিবর্তিত হয়েছে ?

    ২০০ টা টিকটিকির লেজ কেটে আবার প্রজনন করালে সেই তো লেজসহই টিকটিকি জন্মায় ? সত্য কিনা ?

    এস.এম. রায়হান

    @হাফিজ, বিবর্তনবাদের ছিটে-ফোটাও দেখবেন না। কারণ বিবর্তনবাদ একটি কুসংস্কার ও ফেয়ারি-টেল।

    shuvo23

    The idea that human beings and chimps have close to 100% similarity in their DNA seems to be common knowledge. The figures quoted vary: 97%, 98%, or even 99%, depending on just who is telling the story. What is the basis for these claims and do the data mean there really is not much difference between chimps and people? Are we just highly evolved apes? The following concepts will assist with a proper understanding of this issue:

    1. Similarity (“homology”) is not an absolute indication of common ancestry (Evolution) but certainly points to a common designer (creation). Think about a Porsche and Volkswagen “beetle” car. They both have air-cooled, flat, horizontally-opposed, 4-cylinder engines in the rear, independent suspension, two doors, boot (trunk) in the front, and many other similarities (’homologies’). Why do these two very different cars have so many similarities? Because they had the same designer! Whether similarity is morphological (appearance), or biochemical, is of no consequence to the lack of logic in this argument for evolution.
    2. Photo copyrighted.If humans were entirely different from all other living things, or indeed if every living thing was entirely different, would this reveal the Creator to us? No! We would logically think that there must be many creators rather than one. The unity of the creation is testimony to the One True God who made it all (Romans 1:20).
    3. Photo copyrightedIf humans were entirely different from all other living things, how would we then live? If we are to eat food to provide nutrients and energy to live, what would we eat if every other organism on earth were fundamentally different biochemically? How could we digest them and how could we use the amino acids, sugars, etc., if they were different from the ones we have in our bodies? Biochemical similarity is necessary for us to have food!
    4. We know that DNA in cells contains much of the information necessary for the development of an organism. In other words, if two organisms look similar, we would expect there to be some similarity also in their DNA. The DNA of a cow and a whale, two mammals, should be more alike than the DNA of a cow and a bacterium. If it were not so, then the whole idea of DNA being the information carrier in living things would have to be questioned. Likewise, humans and apes have a lot of morphological similarities, so we would expect there would be similarities in their DNA. Of all the animals, chimps are most like humans[1], so we would expect that their DNA would be most like human DNA.
    5. Certain biochemical capacities are common to all living things, so there is even a degree of similarity between the DNA of yeast, for example, and that of humans. Because human cells can do many of the things that yeast can do, we share similarities in the DNA sequences that code for the enzymes that do the same jobs in both types of cells. Some of the sequences, for example, those that code for the MHC (Major Histocompatibility Complex) proteins, are almost identical.
    6.

    Chimpanzee. Photo copyrighted.What of the 97% (or 98% or 99%!) similarity claimed between humans and chimps? The figures published do not mean quite what is claimed in the popular publications (and even some respectable science journals). DNA contains its information in the sequence of four chemical compounds known as nucleotides, abbreviated C,G,A,T. Groups of three of these at a time are “read” by complex translation machinery in the cell to determine the sequence of 20 different types of amino acids to be incorporated into proteins. The human DNA has at least 3,000,000,000 nucleotides in sequence. A proper comparison has not been made. Chimp DNA has not been fully sequenced.

    Where did the “97% similarity” come from then? It was inferred from a fairly crude technique called DNA hybridization where small parts of human DNA are split into single strands and allowed to re-form double strands (duplex) with chimp DNA [2]. However, there are various reasons why DNA does or does not hybridize, only one of which is degree of similarity (homology) [3]. Consequently, this somewhat arbitrary figure is not used by those working in molecular homology (other parameters, derived from the shape of the “melting” curve, are used). Why has the 97% figure been popularized then? One can only guess that it served the purpose of evolutionary indoctrination of the scientifically illiterate.

    Interestingly, the original papers did not contain the basic data and the reader had to accept the interpretation of the data “on faith.” Sarich et al. [4] obtained the original data and used them in their discussion of which parameters should be used in homology studies [5]. Sarich discovered considerable sloppiness in Sibley and Ahlquist’s generation of their data as well as their statistical analysis. Upon inspecting the data, I discovered that, even if everything else was above criticism, the 97% figure came from making a very basic statistical error – averaging two figures without taking into account differences in the number of observations contributing to each figure. When a proper mean is calculated it is 96.2%, not 97%. However, there is no true replication in the data, so no confidence can be attached to the figures published by Sibley and Ahlquist.

    Chimpanzee. Photo copyrighted.What if human and chimp DNA was even 96% homologous? What would that mean? Would it mean that humans could have ‘evolved’ from a common ancestor with chimps? Not at all! The amount of information in the 3 billion base pairs in the DNA in every human cell has been estimated to be equivalent to that in 1,000 books of encyclopedia size [6]. If humans were ‘only’ 4% different this still amounts to 120 million base pairs, equivalent to approximately 12 million words, or 40 large books of information. This is surely an impossible barrier for mutations (random changes) to cross [7].
    7.

    Does a high degree of similarity mean that two DNA sequences have the same meaning or function? No, not necessarily. Compare the following sentences:

    There are many scientists today who question the evolutionary paradigm and its atheistic philosophical implications.

    There are not many scientists today who question the evolutionary paradigm and its atheistic philosophical implications.

    These sentences have 97% homology and yet have almost opposite meanings! There is a strong analogy here to the way in which large DNA sequences can be turned on or off by relatively small control sequences.

    The DNA similarity data does NOT quite mean what the evolutionary popularizers claim!

  4. রায়হান ভাই কৌতুহলের বশে জিজ্ঞাসা করছি, আপনার কি বিবর্তনবাদের উপর কোন একাডেমিক পড়াশোনা আছে?

    এস.এম. রায়হান

    @আবু আনাস, বিবর্তনবাদের উপর কোন ‘একাডেমিক পড়াশোনা’ বলতে ঠিক কী বুঝিয়েছেন জানি না। তবে বিবর্তনবাদের উপর আমার কোন ‘একাডেমিক ডিগ্রী’ নাই বা কোন ‘একাডেমিক ক্লাশ’ও করিনি। কিন্তু তাতে কোন সমস্যা নাই। কোন বিষয়ে ‘একাডেমিক ডিগ্রী’ না নিয়ে বা ‘একাডেমিক ক্লাশ’ না করেও সেই বিষয়ে স্বশিক্ষিত হওয়া যায়। আমি অনেকদিন ধরে বিবর্তনবাদ নিয়ে পড়াশুনা করছি এবং বিবর্তনবাদের উপর বড় বড় ডারউইনবাদীদের অনেক লেখা এবং লেকচার শুনেছি। বিবর্তনবাদ নিয়ে লিখার জন্য এটুকুই যথেষ্ট। এ বিষয়ে প্রথম পর্বেই বলেছি, “বিবর্তনবাদ তত্ত্ব বুঝার জন্য যেমন তসলিমা নাসরিন হওয়ার দরকার নাই তেমনি আবার উচ্চতর গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ণবিদ্যা, ও জীববিদ্যার উপর পিএইচডি থাকারও কোন প্রয়োজন নাই। সামান্য বুদ্ধিমত্তা আর কমনসেন্স-ই যথেষ্ট।”

    ম্যালকম এক্স

    @এস.এম. রায়হান, আমার জানামতে শুধু বিবর্তনবাদ নিয়ে কোন একাডেমিক কোর্স নেই । এটা এতই তুচ্ছ বিষয় যে এটাকে একাডেমিক কোর্স হিসেবেও তারা ওফার করতে পারছে না ।

  5. ইদানিং তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলা শুরু করেছেন যে, কেউ ইচ্ছে করলে বিবর্তনকে গডের একটি প্রক্রিয়া হিসেবেও বিশ্বাস করতে পারেন। অজ্ঞ লোকজনকে তাদের ডগমাতে ধর্মান্তরিত করার এটি একটি কৌশল মাত্র।

    আপনার এই কথাটা অত্যন্ত আপত্তিজনক। আপনার কিছু লেখা পড়ে আমি বুঝেছিলাম আপনার কোন একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড নাই, এখন নিশ্চিত হলাম। বিবর্তন একটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত প্রক্রিয়া। আমরা সে প্রমাণ পড়েছি এবং বিশ্লেষণ করেও দেখেছি যে তা ঠিক। শুধুমাত্র মানুষের সৃষ্টি ব্যতীত অন্য সব প্রাণের আবির্ভাবের ক্ষেত্রে বিবর্তনের প্রয়োগ করা যায়। তবে সে আলোচনা করে লাভ নেই কারণ যিনি এই ব্যাপারগুলো পড়েননি তিনি তা বুঝবেননা। মরিস বুকাইলি সহ অনেক “ভালো ইসলামে বিশ্বাসী” বিবর্তন প্রক্রিয়া বিশ্বাস করেন। আমি নিজেও করি। দয়া করে এটা পড়ে দেখবেন – http://web.youngmuslims.ca/online_library/books/towards_a_sound_awakening/ch1p3.htm

    বিবর্তনবাদ এবং বিবর্তন প্রক্রিয়া দুটো সম্পুর্ণ ভিন্ন জিনিস। এ সম্পর্কে স্বছ জ্ঞান (শোনা কথা নয়) না থাকলে সেটা নিয়ে ঢালাওভাবে মন্তব্য করা ঠিক নয়।

    সাদাত

    @আবু আনাস,

    রায়হান ভাই যে এখানে বিবর্তন বলতে বিবর্তনবাদের প্রজাতির বিবর্তনের কথা বুঝাচ্ছেন, মানুষকেও যে বিবর্তনের ফসল মনে করা হয়, এটা তো না বুঝার কথা নয়!

    সাদাত

    @আবু আনাস,

    মরিস বুকাইলি অনেক সহিহ হাদিসেও অবিস্বাস করেন। আপনিও তা করেন?

    আবু আনাস

    @সাদাত,মরিস বুকাইলির হাদিস সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা ছিল, কিন্তু তিনি ঢালাওভাবে হাদিস বিশেষ করে সহিহ হাদিস অস্বীকার করতেন বলে জানিনা। যদি করে থাকেন নিঃসন্দেহে আমি তার সেই দায় থেকে মুক্ত। কোন মানুষ তিনি যত জ্ঞানী হোক না কেন তিনি ভুলের উর্ধে নন (একমাত্র মুহাম্মদ (সাঃ) ছাড়া)

    ফুয়াদ

    @আবু আনাস,
    মরিস বুকাইলি সাহেব কে একটুকু বুঝি্যে বলবেন ?

    ম্যালকম এক্স

    @আবু আনাস,

    বিবর্তনবাদ এবং বিবর্তন প্রক্রিয়া দুটো সম্পুর্ণ ভিন্ন জিনিস

    এ দুটো প্রক্রিয়ার মধ্যে কি পার্থক্য সেটা ব্যাখ্যা করবেন কি ?

    আবু আনাস

    @ম্যালকম এক্স, জনপ্রিয় বিবর্তনবাদ তথা ডারউইনিয় বিবর্তনবাদ একটা তত্ব যেখানে মানুষ এবং অন্যান্য জীবের মধ্যে পরিলক্ষিত বিবর্তন প্রক্রিয়াকে মানুষ সৃষ্টির উপরে জোর করে ইমপোস করা হয়েছে। আন্তঃপ্রাজিতিক বিবর্তনের নিম্ন স্তরের সাথে মানুষের জৈবিক কিছু প্রক্রিয়ার সাথে তুলনা করে এবং মানুষের আত্মিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রক্রিয়াগুলো উপেক্ষা করে মানুষের সৃষ্টির পিছনের অতিউন্নত বুদ্ধিমত্তাকে অস্বীকার করা এ ধরণের বিবর্তনবাদের লক্ষ্য।

    বিবর্তন প্রক্রিয়া একটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে অভিযোজন (পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানোর প্রয়োজনে) জনিত তথ্য পরবর্তী প্রজন্মতে সংরক্ষন এবং তার বহিপ্রকাশ ঘটে।

    এস.এম. রায়হান

    @আবু আনাস, আপনি কি আমাকে ওপেন ব্লগে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করলেন? আমার “একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড নাই” বলতে কী বুঝাতে চাচ্ছেন। আপনার কি এ বিষয়ে একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড আছে। কেমন সেই ব্যাকগ্রাউন্ড। আমার পর্বগুলো কি পড়ে দেখেছেন সেখানে আসলে কী বুঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমি লিখছি ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্ব নিয়ে, অথচ এর মধ্যে “বিবর্তন প্রক্রিয়া” এলো কোথা থেকে?