লগইন রেজিস্ট্রেশন

নাস্তিকতা টেস্ট: আপনি কি আসলেই নাস্তিক হতে পেরেছেন?

লিখেছেন: ' সরোয়ার' @ রবিবার, জুন ১২, ২০১১ (১১:১৮ অপরাহ্ণ)

‘নাস্তিকতা’ ও ‘আস্তিকতা’ শুধুমাত্র দুটি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ব্যক্তিগত চিন্তা-স্বাধীনতার অধিকার বলে বিবেচনা করা হলেও এদের সুদূরপ্রসারী প্রভাব সমাজে প্রতিফলিত হয়, কেননা সমাজ হচ্ছে ব্যক্তির সমষ্টি। আস্তিকতার ভিত্তি হচ্ছে স্রষ্টা প্রদত্ত নৈতিকতার গাইডলাইন (যেমন কোরান, বাইবেল ও তোরাহ)। নৈতিকতা এবং সমাজের প্রচলিত রীতি-নীতি ও আইন-কানুন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অন্যদিকে নাস্তিকতাবাদের ভিত্তি হচ্ছে বস্তুবাদ। বর্তমানে এটা বিজ্ঞানের নামে বিবর্তনবাদ তত্ত্বের খোলসে প্রচার করা হয় (বিস্তারিত বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ ও নাস্তিকতা)। তাই এর নৈতিকতার ভিত্তি হচ্ছে ডারউইনবাদ।

আস্তিক্য নৈতিকতা অনুযায়ী ভাল-মন্দের সুনির্দিষ্ট মাপকাঠি আছে। অন্যদিকে ডারউইনবাদী নৈতিকতার কোন মাপকাঠি নেই। এটা প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। পরিবেশে টিকে থাকার জন্য যা দরকার সেটাই হচ্ছে বিবর্তনবাদীয় নৈতিকতার ভিত্তি। যেমন খুন, ধর্ষণ, প্রতারণা, মিথ্যা বলাও এই নৈতিকতার অন্তর্ভূক্ত হতে পারে। গভীরভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যায় নাস্তিক্য নৈতিকতা সব সময় আস্তিক্য নৈতিকার সম্পূর্ণ বিপরীত। তাই আস্তিকতাবাদ অনুযায়ী যা নৈতিকভাবে ‘হ্যাঁ’ বা বৈধ বা সমর্থনযোগ্য, নাস্তিকরা যেভাবেই হোক সেটাকে ‘না’ বলবে বা তার বিরুদ্ধে যাবে। এর জন্য প্রয়োজনে তারা বিবর্তনবাদ তত্ত্বেরও স্ববিরোধীতা করে ছল-চাতুরীর আশ্রয় নেয়। ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ তত্ত্ব অনুযায়ী মানুষকে উন্নত প্রজাতির পশু হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই পশুর স্বভাব-চরিত্রের সাথে মিল রেখে প্রতিনিয়ত রচিত হয় নাস্তিক্যবাদী/ডারইউনবাদী নৈতিকতার গাইড লাইন!

আপনি নিজেকে কি নাস্তিক হিসবে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন? তবে কয়েকটি মৌলিক বিষয়ে আপনার চিন্তা-চেতনা পরখ করে নিন। পরিশেষে নিজের নাস্তিকতা নামক ধর্ম-বিশ্বাসের গাঁথুনী কতটুকু মজবুত সে সম্পর্কে নিজের কাছে প্রশ্ন করতে পারেন:

১. আপনি কি ধর্ষণকে নৈতিকভাবে সমর্থন করেন?

আস্তিক্য নৈতিকতা অনুযায়ী পৃথিবীর সব সমাজেই ধর্ষণ অত্যন্ত নিন্দনীয় ও প্রচণ্ড শাস্তিমূলক অপরাধ। কিন্তু নাস্তিক্য/ডারউইনবাদী নৈতিকতা অনুযায়ী ধর্ষণকে পজিটিভ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়! এক জরিপে দেখা যায় ধর্ষণের মাধ্যমে প্রায় ৩০% মহিলা গর্ভবতী হয়। অন্যদিকে সহমত অনুযায়ী একবার মিলিত (consensual sex) হলে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা ২-৪%। এই পরিসংখ্যানের উপর ভিত্তি করে বায়োলজি প্রফেসর রান্ডি থর্নহীল (Randy Thornhill) ও নৃ-বিজ্ঞানী ক্রেইগ পালমার (Craig Palmer) তাদের লিখিত “Natural History of Rape” বই-এ ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ অনুযায়ী দাবী করেন ধর্ষণ হচ্ছে প্রাকৃতিক বা ন্যাচারাল বা এডাপ্টিভ (Adaptive), কেননা প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে কোন প্রজাতিকে টিকে থাকার জন্য ধর্ষণ সহায়ক! পুরুষেরা নাকি ধর্ষণের মাধ্যমে তাদের জীন ছড়িয়ে দেয় যা তার বংশধারা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে! প্রাণীজগতেও ধর্ষণ বিদ্যমান। তার মানে বিবর্তনবাদীয় ধারায় এই স্বভাব মানুষও অর্জন করেছে! পরবর্তীতে তাদের এই ধারণাকে অপ-বিজ্ঞান বলে আখ্যা দেওয়া হয় (বিস্তারিত)। কিন্তু বিবর্তনবাদী সাইকোলজিষ্টরা মনে করেন তারা পলিটিক্সের শিকার। বিবর্তনবাদীয় সাইকোলজি অনুযায়ী মানবের সব স্বভাবই (মিথ্যা বলা, প্রতারণা করা ইত্যাদি) এডাপ্টিভ হিসেবে গণ্য করা হয়, কেননা এগুলো প্রজাতির বংশধারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বজায় রাখতে মূখ্য ভূমিকা পালন করে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পড়ুন এখানে

২. আপনি কি নৈতিকভাবে সমকামিতাকে সমর্থন করেন?

ইসলাম, ক্রিষ্টিয়ানিটি ও জুদাইজম অনুযায়ী সমকামিতা হচ্ছে চরমভাবে অনৈতিক। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের এক জরীপে দেখা যায় সেখানকার মুসলিমদের কেউ-ই সমকামিতাকে নৈতিকভাবে সমর্থন করে না (Muslims in Britain have zero tolerance of homosexuality)। এজন্য মুসলিমদের ডারউইনবাদের চারণভূমি ইউরোপে থাকার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে! সেখানে সমকামিতাকে সামাজিকভাবে অত্যন্ত মূল্যবান ভ্যালু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। যেহেতু এটা আস্তিকতার গাইডলাইন অনুযায়ী অনৈতিক, নাস্তিকতা অনুযায়ী এটা নৈতিক হতেই হবে। এর জন্য দ্বারস্থ হতে হয়েছে পশুদের কাছে। পশু-পাখীদের যৌন কার্যকলাপকে নিবীড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে সেখানেও নাকি সমকামিতা বিদ্যমান। যেহেতু সমকামিতা পশুতে বিদ্যমান, সেহেতু বিবর্তনবাদ তত্ত্ব অনুযায়ী মানুষে এটা হতে বাধ্য বা “বৈজ্ঞানিক”!

এখানে বিবর্তনবাদীদের স্ব-বিরোধীতা লক্ষ্য করার মতো। যুক্তির খ্যাতিরে ধরে নেয়া যাক ধর্ষণ বিবর্তনবাদে প্রজাতির টিকে থাকতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে, কেননা এতে জীন ছড়ানোর ইস্যু জড়িত। অন্যদিকে সমকামিতা প্রজাতির বিলুপ্তির ক্ষেত্রে সহয়তা করবে। কেননা এতে বংশধারা ব্যহত হবে। কিন্তু বিবর্তনবাদীরা এটাকেও বিবর্তনের আলোকে ব্যাখ্যা করেন! এর ভিত্তি হচ্ছে পশুদের মধ্যেও সমকামিতা বিদ্যমান। মজার ব্যাপার হচ্ছে বিবর্তনবাদীরা নিজের প্রয়োজনে বলে থাকেন সমকামিতা হচ্ছে বিবর্তনীয় বাই-প্রডাক্ট!

ইসলাম-বিদ্বেষী মুক্তমনা নাস্তিকদের ভাষ্য অনুযায়ী ডঃ জাফর ইকবাল ডারউইনের বিবর্তনবাদের কট্টর সমর্থক। তাই তাদের সংজ্ঞা অনুযায়ী তিনি নাস্তিক। কিন্তু সমকামিতার বিরুদ্ধে যায় এমন কিছু মন্তব্য (তার রচিত বইয়ে) করায় তার ধর্ম-বিশ্বাস নিয়ে মুক্তমনারা চরম সন্দেহের মধ্যে পড়ে গেছেন। ডঃ জাফর ইকবাল মনে-প্রাণে বিবর্তনবাদে বিশ্বাসী হয়েও সমকামিতাকে নীতিগতভাবে সমর্থন করতে পারেননি বলে তার বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হচ্ছে (বিস্তারিত- ডঃ জাফর ইকবাল কি নাস্তিক?)!

৩. আপনি কি ইনসেস্টকে (নিজের বাবা-মা, ভাই-বোন, ছেলে-মেয়ের সাথে যৌনকর্ম) নৈতিকভাবে সমর্থন করেন?

প্রাণীজগতে ধর্ষণের চেয়ে বরং ইনসেস্ট অনেক বেশী পরিলক্ষিত হয়। সবাই কম-বেশী এটা দেখে থাকবেন। পশুরা সচরাচর পরিবারের সদস্যদের সাথে এমন কাজ করে যা বংশধারা বজাইয়ের জন্য ভূমিকা রাখে। মজার ব্যাপার হচ্ছে সমাজের চাপের কারণে বিবর্তনবাদী নাস্তিকেরা এটা পাশ কাটিয়ে যায় এভাবে যে ইনসেস্টের মাধ্যমে বংশধরদের জেনেটিক সমস্যা হতে পারে। কারণ হিসেবে বলে থাকে যে ইনব্রীডিং-এ মিউটেশন যুক্ত বাজে জীনের সমাবেশ হতে পারে, যার জন্য বংশধারা ব্যহত হতে পারে। প্রশ্ন হতে পারে আমরা যেহেতু পশুর স্বভাব বিবর্তনের মাধ্যমে অর্জন করেছি, সেহেতু পশুদের মধ্যে ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত ইনসেস্ট মানবেরও স্বভাব হওয়া বেশ যুক্তি-যুক্ত।

ইনসেস্টের মাধ্যমে বাচ্চা-কাচ্চা না হলে বিবর্তনবাদীয় নৈতিকতা অনুসারে তা সাদরে গ্রহণ করতে তেমন বাধা নেই। সহমতের মাধ্যমে ইনসেস্টের বা consensual incest- এর জন্য বিবর্তনবাদীয় ভাবধারার সোসাইটিতে জনমত গড়ে তোলা হচ্ছে। এর পক্ষে যুক্তি হিসেবে সমকামিতাকে তুলে ধরা হচ্ছে; যদি সমকামিতা নৈতিকভাবে মেনে নেওয়া হয় তবে consensual incest-এ সমস্যা কোথায়?

সমকামিতা বা ইনসেস্টকে নৈতিক সমর্থন দেওয়া মানে এই নয় যে ব্যক্তিগতভাবে নিজেকে এসব কাজে নিয়োজিত হতে হবে। এটা ব্যক্তিগত রুচিবোধের উপর নির্ভর করে। তবে সামগ্রিকভাবে কোন কিছুর নৈতিক সমর্থনের উপর ভিত্তি করে সামাজিক কৃষ্টি-কালচার গড়ে উঠে। প্রসংগত, ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত American Psychiatric Association এর সংগা অনুযায়ী সমকামিতাকে মানসিক রোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হতো। পরবর্তীতে সমাজে সমকামিতাকে নৈতিকভাবে সমর্থন দেয়ার কারণে ইউরোপের কমপক্ষে তেইশটি দেশে সমকামি বিবাহ আইন দ্বারা সিদ্ধ করা হয়েছে, যা সমকামিতা প্রচার ও প্রসারে সহয়তা করছে। বর্তমান যুগের ফ্যাশন হিসেবে সমকামিতা ও সমকামিদের বিকৃত প্র্যাকটিস তরুন সমাজে ব্যাধি আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। এ সমস্ত বিকৃত অভ্যাসের ফলে সংক্রামিত রোগ-বালাইয়ের প্রাদুর্ভাবের কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

প্রসংগত, ধূমপান একসময় যুগের ফ্যাশন হয়ে উঠেছিল। মিডিয়াতে ধূমপানকে পৌরুষত্ত্বের প্রতীক হিসেবে দেখানো হতো। বামপন্থী কমরেডদের কাছে সিগারেট ফুঁকা ছিল ঐতিহ্যের মতো! বর্তমানে ব্যক্তিগতভাবে ধূমপান যে কেউ করতে পারে। তবে এটা যে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এমনকি ধূমপায়ীরাও তা স্বীকার করে। এজন্য অনেক দেশেই পাবলিক প্লেসে ধূমপানকে আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মিডিয়াতে ধূমপানের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরী করা হচ্ছে। ধূমপানের পক্ষে মিডিয়াতে বিজ্ঞাপন প্রচার করাও নিষিদ্ধ। ধূমপানের সুদূরপ্রসারী ক্ষতিকর প্রভাবকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য সিগারেটের প্যাকেটেও বিভৎস ছবি লাগানো অনেক দেশে বাধ্যতামূলক। সিঙ্গাপুরের ইউনিভার্সটি ক্যাম্পাসগুলোতে ধূমপান আইনত দন্ডনীয়। এ সমস্ত গণসচেতনতামূলক কার্যকলাপের ফলে ধূমপায়ীদের সংখ্যা স্পষ্টতই নিম্নমুখী।

মানবতার নামে নাস্তিকদের মায়াকান্না!

‘মানবতা’র নাম করে সমকামিদের সমর্থনে বিবর্তনবাদী নাস্তিকেরা বিজ্ঞানের খোলসে যে করেই হোক সমকামিতাকে বিবর্তনবাদের সাথে লিঙ্ক করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। এতে যতটুকু না মানবতাবাদ জড়িত তার চেয়ে বেশী বরং নাস্তিকতা ভাবধারা জড়িত। আস্তিকেরা যেহেতু ধর্ষণ, সমকামিতা, ও ইনসেস্টের বিরুদ্ধে, তাই তাদেরকে যে করেই হোক এর বিরুদ্ধে যেতেই হবে। বলা হচ্ছে সমকামিতা ‘জেনেটিক্যাল’। তার মানে এতে সমকামিদের করার কিছুই নেই! ইসলাম-বিদ্বেষী মুক্তমনা গুরু ডঃ অভিজিৎ রায় বাংলাদেশে সমকামিতাকে সামাজিকভাবে স্বীকৃতি দান ও আইন সিদ্ধ করার সুদীর্ঘ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সম্প্রতি বইমেলায় একটি বই প্রকাশ করেছেন। বিবর্তনবাদী নাস্তিকেরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত নৈতিকতার বিরুদ্ধচারণ করতে গিয়ে ক্রিমিনাল এক্টিভিটিকেও (যেমন খুন, চুরি, ধর্ষণ) জেনেটিক্যালি প্রগ্রামড এক্টিভিটি তথা অপরাধীকে নিরপরাধ হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছে। যেমন এই বই- The Psychopathology of Crime: Criminal Behavior as a Clinical Disorder-

Presenting sociological, genetic, neurochemical, brain-imaging, and psychophysiological evidence, it discusses the basis for criminal behavior and suggests, contrary to popular belief, that such behavior may be more biologically determined than previously thought.

সমাজে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব কল্পনা করতেই শরীর হিম হয়ে যাচ্ছে। সমাজে অন্যায়ের বিচার উঠে যাবে। কোর্টে খুনী, ধর্ষকরাও রেহাই পেয়ে যেতে পারবে। প্রমাণ হিসেবে জেনেটিক কারণ উল্লেখ করা হবে এবং তা ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। বিখ্যাত উপস্থাপিকা অপরাহ উইনফ্রে’র ওয়েবসাইট মানুষকে এ বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন করার প্রয়াসে উদ্যেগী হয়েছে- How Brain Science May Change the Way We Live. বিখ্যাত বায়োলজি জার্নাল Plos Biology’র এক রিভিউ আর্টিকেলে Law, Responsibility, and the Brain উল্লেখ করা হয়েছে:

New studies of the criminal brain are likely to shape moral views on responsibility and free will, with possible impacts on how legal systems punish and treat criminals.

যারা নিজেদেরকে তথাকথিত নাস্তিক হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করেন তারা একটু ভেবে দেখুন- আপনার মা-বোন, বাবা-ছেলে কে হত্যা, ধর্ষণ করে এমন অপরাধী নিজেকে ‘জেনেটিক্সে’র দোহাই দিয়ে ‘নিরপরাধ’ হিসেবে প্রমাণ করে সমাজে আপনার সামনেই বুক চিতিয়ে ঘোরা-ফেরা করছে! আপনি কি পারবেন একে নৈতিকভাবে সমর্থন করতে?

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
২৪৮ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৭ টি মন্তব্য

  1. সদালাপের এ সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে।

    সম্প্রতি ডাবলিনে ওয়ার্ল্ড এথিইয়েস্ট কনফারেন্সে মুসলিমদের একটি দল যোগ দিয়েছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ইসলামের দিকে নাস্তিকদের আহবান করা। বিজ্ঞানী কাম মৌলবাদী নাস্তিক প্রফেসর মাইয়ার ও প্রফেসর রিচার্ড ডকিন্স- এর সাথে অল্প সময়ের জন্য ডিবেট হয়েছিল। ভিডিও দেখতে সদালাপ ভিজিট করতে পারেন।

  2. অনেক ভালো লিখেছেন। অনেক শুভ কামনা আপনাকে। (Y) (Y) (Y)

    সরোয়ার

    @kalponik megh,

    আপনাকে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

  3. আপনার প্রচেষ্টা কে আল্লাহ কবুল করুন। আমীন (Y)

    সরোয়ার

    @মুসাফির,

    আপনাকে পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আল্লাহ আপনার দোয়া কবুল করুন ।

  4. আরও লেখা আশা করছি ধন্যবাদ আপনাকে। (Y)