লগইন রেজিস্ট্রেশন

সাধারণ মুসলিমদের জন্য আলিমদের প্রয়োজনীয়তা (নাবী- রাসুলগণের প্রকৃত উত্তরাধিকারী আ’লিম কারা? – ৫)

লিখেছেন: ' taalibul_ilm2011' @ রবিবার, মে ২০, ২০১২ (১০:০৩ পূর্বাহ্ণ)

(ক) আল্লাহ বলেন :
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِنْ كُنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ (سورة النحل 4316: )
তোমরা যদি না জান তাহলে আল্লাহ্র কিতাব সম্পর্কে যারা অবগত তাদেরকে জিজ্ঞেস কর। (সূরাহ্ আন্-নাহ্ল ১৬ : ৪৩)

ইসলামের সঠিক রূপ চেনার ক্ষেত্রে আল-কুরআন ও সুন্নাহ এবং এই দুইয়ের ব্যাখ্যায় প্রথম তিন প্রজন্মের অবস্থান কি ছিল, তা জানার জন্যই প্রয়োজন হলো আলিমদের। সাধারণ মুসলিমগণ যেহেতু অনেকেই আরবী জানেন না; আরবী জানলেও যে কোন ব্যাপারে ইসলামের বিধান বা হুকুম (Ruling) কি তা জানার পদ্ধতি এবং উপকরণ তাদের করায়ত্বে নেই, তাই অধিকাংশ ব্যাপারে হুকুম (বিধান) জানতে আলিমদের সাহায্য প্রয়োজন।

এছাড়া আল-কুরআনের কয়েকটি আয়াত কিংবা কিছু সহীহ হাদিস আপাতঃ দৃষ্টিতে পরস্পর বিরোধী হলে, কিভাবে সমন্বয় সাধন হবে, কোনটাকে গ্রহণ করতে হবে, কোনটাকে পরিত্যাগ করতে হবে – এসব ব্যাপার সাধারণ মুসলিমদের জানা থাকে না। এছাড়া দ্বীনের সকল বিষয় শুধুমাত্র সাধারণ জ্ঞান কিংবা যুক্তি-তর্কের মাধ্যমে বুঝা যাবে না। সে সব বুঝার জন্য প্রয়োজন বিশেষ জ্ঞান। আলী (রাঃ) বলেছেনঃ
عَنْ عَلِىٍّ – رضى الله عنه – قَالَ لَوْ كَانَ الدِّينُ بِالرَّأْىِ لَكَانَ أَسْفَلُ الْخُفِّ أَوْلَى بِالْمَسْحِ مِنْ أَعْلاَهُ وَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- يَمْسَحُ عَلَى ظَاهِرِ خُفَّيْهِ.] . أخرجه الدارمى (1/195 ، رقم 715) ، وأبو داود (1/42 ، رقم 162) ، والطحاوى (1/35) ، والدارقطنى (1/204 ، رقم 4) . قال الحافظ فى التلخيص : إنه حديث صحيح. تحقيق الألباني -صحيح [
যদি দ্বীনের বিধান বুদ্ধিবৃত্তি কিংবা যুক্তি-তর্কের মাধ্যমে নির্ণিত হতো, তাহলে মোজার উপরের অংশের চেয়ে নীচের অংশ মাসেহ করাই উত্তম হতো। (সুনান আবু দাউদ – ১৬২, সুনান আদ্‌ দারেমী – ৭১৫, ইমাম ত্বহাবী – ১/৩৫, সুনান দারাকুতনী – ৪, ইবনে হাজার (রঃ) আল-তালখীস গ্রন্থে বলেছেনঃ হাদিসটি সহীহ, আলবানীর মতে সহীহ, দেখুনঃ সহীহ আবু দাউদ – ১৪৭)

অর্থাৎ সাধারণ যুক্তি-তর্কের দাবী অনুযায়ী যেহেতু পায়ের উপরিভাগের চেয়ে নীচে ময়লা বেশী লাগে, তাই মোজা পরিহিত অবস্থায়ও পায়ের নীচের অংশ মাসেহ করার কথা কিন্তু দ্বীনের ক্ষেত্রে আল-কুরআন ও সুন্নাহ হচ্ছে শেষ কথা, এর উপর অন্য কোন যুক্তি – তর্ক চলতে পারে না। তাই দ্বীনের সকল ব্যাপার সাধারণ জ্ঞান কিংবা যুক্তি-তর্কের মাধ্যমে বুঝা সম্ভব নয়। তাই প্রয়োজন আলিমদের।

(খ) মাতৃভাষায় আল-কুরআন কিংবা সহীহ হাদিস সমূহের সরল অনুবাদ পড়ার সুযোগ অনেকের থাকলেও এসব আয়াত ও হাদিসের ব্যাখ্যা এবং উপলব্ধি (understanding) প্রথম তিন প্রজন্মের কাছে কি ছিলো, আমরা তাঁদের ব্যাখ্যার বিরোধী কিছু ভাবছি কিনা, তা জানা সাধারণ একজন মুসলিমের জন্য সহজ নয়। তাই কোন কোন আয়াত ও হাদিস মুহকাম (হুকুমধর্মী) হওয়ায় এবং এ ব্যাপারে আপাতঃদৃষ্টিতে পরস্পর বিরোধী আয়াত বা হাদিস না থাকায়, সাধারণ মুসলিমগণ সহজেই তা বুঝতে পারবেন। যেমন : সুদ হারাম সংক্রান্ত আয়াত, জ্বিনা হারাম সংক্রান্ত আয়াত বা হাদিস। কিন্তু সকল ব্যাপার এ রকম হবে না।
যেমন : আল্লাহ বলেন : يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَقْرَبُوا الصَّلَاةَ وَأَنْتُمْ سُكَارَى حَتَّى تَعْلَمُوا مَا تَقُولُونَ (سورة النساء 434:)
হে ঈমানদারগণ! তোমরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় সলাতের নিকটবর্তী হয়ো না যতক্ষণ না তোমরা যা বল, তা বুঝতে পার। (সূরাহ্ আন্-নিসা ৪ : ৪৩)

কোন নও-মুসলিম আল-কুরআনের এই আয়াতের সরল অনুবাদ পড়ে ভাবতেই পারেন, তার মানে কি সালাতের বাইরে মাতাল হওয়া দোষণীয় নয়?
কিংবা আল্লাহ বলেন :
الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا فَمَنِ اضْطُرَّ فِي مَخْمَصَةٍ غَيْرَ مُتَجَانِفٍ لِإِثْمٍ فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ (سورة المائدة 35:)
তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে মৃতজন্তু, রক্ত, শূকরের গোস্ত, আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে যবহকৃত পশু, আর শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত জন্তু, আঘাতে মৃত জন্তু, উপর থেকে পতনের ফলে মৃত, সংঘর্ষে মৃত আর হিংস্র জন্তুতে খাওয়া পশু (সূরাহ্ আল-মায়িদাহ ৫:৩)

কোন নও-মুসলিম এই আয়াতের সরল অনুবাদ পড়ে মাছ খাওয়া বাদ দেওয়ার চিন্তা করতে পারেন। কিন্তু তিনি যদি একই ব্যাপারে রসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সহীহ হাদিস জানেন, তখন তার ভুল ধারণা দূর হবে। এ ব্যাপারে রসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :
أُحِلَتْ لنا مَيْتَتَانِ ودَمَانِ فأما الميتتان فالحوتُ والجرادُ وأما الدمان فالكبدُ والطِّحال] أخرجه أحمد (2/97 ، رقم 5723) ، والبيهقى من طريق الحاكم (1/254 ، رقم 1129) ، وقال البيهقى : وروى موقوفاً على ابن عمر وهو الصحيح . وابن ماجه (2/1102 ، رقم 3314) [
‘আমাদের জন্য দুই প্রকার মৃত জন্তু এবং দুই প্রকার রক্ত হালাল করা হয়েছে। মৃত জন্তুদ্বয় হলো : মাছ এবং পঙ্গপাল (locust) আর রক্ত দুইটি হলো কলিজা (যকৃত) ও প্লীহা। (মুসনাদে আহমাদ-৫৭২৩, সুনান ইবনে মাজাহ-৩৩১৪, সুনান বাইহাকী-১১২৯, শুয়াইব আল আরনাউতের মতে হাসান, আলবানীর মতে সহীহ, দেখুনঃ সিলসিলা আস সাহীহা - ১১১৮)

(গ) আল্লাহ বলেন :
وَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الْأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الْأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ (سورة البقرة 1872:)
তোমরা আহার ও পান করতে থাক যে পর্যন্ত তোমাদের জন্য কালো রেখা হতে ঊষাকালের সাদা রেখা প্রকাশ না পায়। (সূরাহ্ আল-বাক্বারাহ্ ২:১৮৭)
عَنْ عَدِىِّ بْنِ حَاتِمٍ - رضى الله عنه - قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ (حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ) قَالَ لَهُ عَدِىُّ بْنُ حَاتِمٍ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّى أَجْعَلُ تَحْتَ وِسَادَتِى عِقَالَيْنِ عِقَالاً أَبْيَضَ وَعِقَالاً أَسْوَدَ أَعْرِفُ اللَّيْلَ مِنَ النَّهَارِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- « إِنَّ وِسَادَتَكَ لَعَرِيضٌ إِنَّمَا هُوَ سَوَادُ اللَّيْلِ وَبَيَاضُ النَّهَارِ ».

এই আয়াত নাযিল হওয়ার পর আদি বিন হাতিম (রাঃ) তাঁর বালিশের নিচে এক টুকরো কালো ও এক টুকরো সাদা সূতা এবং তা দিয়ে ভোর হয়ে হয়েছে কিনা পরীক্ষা করতেন। এটা শুনে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ নিশ্চয় তোমার বালিশ অনেক বড়!! এই আয়াতের অর্থ হচ্ছে : দিনের শুভ্রতা আর রাতের অন্ধকার। (দেখুন : সহীহ বুখারী ১৮১৭, সহীহ মুসলিম ২৫৮৫, সুনান আবু দাউদ ২৩৫১, সহীহ ইবনে হিব্বান ৩৪৬৩, সুনান বাইহাকী ৭৭৮৯)

جابر بن عبد الله - رضي الله عنهما - قال : «خرجنا في سفر ، فأصاب رجلا منا حَجَر فشجَّه في رأسه ، فاحتلم ، فسأل أصحابه : هل تجدون لي رخصة في التيمم ؟ فقالوا : ما نجد لك رُخصة وأنت تقدر على الماء ، فاغتسل فمات ، فلما قَدِمْنا على رسول الله -صلى الله عليه وسلم- وأُخْبِر بذلك ، قال : قتلوه، قتلهم الله ، ألا سألوا إذْ لم يعلموا ، فإنما شفاء العيِّ السؤال ، إنما كان يكفيه أن يتيمم ويَعْصِر - أو يَعصِبَ ، شك موسى - على جَرحه خِرْقة ، ثم يمسح عليها ، ويغسل سائر جسده ]أخرجه عبد الرزاق (1/223 ، رقم 867) ، وأحمد (1/330 ، رقم 3057) ، وأبو داود (1/93 ، رقم 337) ، والطبرانى (11/194 ، رقم 11472) ، والحاكم (1/285 ، رقم 630) . وأخرجه أيضًا : البخارى فى التاريخ الكبير (8/288) ، والدارمى (1/210 ، رقم 752) ، والبيهقى (1/227 ، رقم 1015) ، والدارقطنى (1/190)[
জাবির (রাঃ) বর্ণনা করেনঃ ‘এক ব্যক্তির পাথর দ্বারা আঘাত পেয়ে মাথা ফেটে যায়। তারপর তার স্বপ্নদোষ হয়। সে তার সাথীদেরকে জিজ্ঞেস করে, তোমরা কি জানো, আমার কি তায়াম্মুম করার সুযোগ আছে? তারা বললো আমাদের মনে হয় না, বরং তুমি পানি ব্যবহার করো। (গোসল করো) সে গোসল করলো এবং (পরিণামে) মারা গেলো। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন : নিশ্চয় তায়াম্মুম করা তার জন্য যথেষ্ট হতো। যাতে সে মাথার একটি কাপড় দিয়ে বেঁধে, তার উপর মাসেহ করতো আর বাকি শরীর ধুয়ে ফেলতো।’ তিনি এরপর বললেন : ‘তারা যদি না জানে, তবে কেন জিজ্ঞেস করে নিল না? নিশ্চয় অসামর্থ হওয়া আর না জানার প্রতিকার হচ্ছে জিজ্ঞেস করা।’ (সুনান আবু দাউদ-৩৩৭; মুসনাদে আহমাদ-৩০৫৭; মুসতাদরাক আল হাকিম-৬৩০, সুনান আল বাইহাকী- ১০১৬, মুহান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক- ৮৬৭, তাবরানী- ১১৪৭২, তারিখুল কাবির, ইমাম বুখারী- ৮/২৮৮, আলবানীর মতে হাসান, দেখুনঃ সহীহ আবু দাউদ - ৩২৫)

তাই দেখা যাচ্ছে আরবী ভাষা জানা সাহাবীরাও কোন কোন ক্ষেত্রে সঠিকভাবে আল-কুরআনের মর্ম সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারেন নি। পরবর্তীতে নাবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁদেরকে ব্যাপারটি ব্যাখ্যা করেছেন।

আবার ইসলামের সব হুকুম যে শুধুমাত্র বুঝার পর পালন করতে হবে, ব্যাপারটি এরকম নয়। সব হুকুম বুঝার সামর্থ ব্যক্তি হিসেবে আমাদের কিংবা পুরো মানবজাতির নাও থাকতে পারে। কিন্তু আল-কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত ব্যাপারসমূহ আমাদেরকে অবশ্যই পালন করতে হবে। স্বয়ং উমার বিন খাত্তাব (রাঃ) সব হুকুমের কারণ বা ব্যাখ্যা বুঝতে পারেন নি।
وعَن عابس بن رَبيعة، قَالَ: رَأيْتُ عُمَرَ بن الخطاب - رضي الله عنه - يُقَبِّلُ الحَجَرَ [ص:76] يَعْنِي: الأسْوَدَ – وَيَقُولُ: إني أَعْلَمُ أنَّكَ حَجَرٌ مَا تَنْفَعُ وَلاَ تَضُرُّ، وَلَولا أنِّي رَأيْتُ رسولَ الله – صلى الله عليه وسلم – يُقَبِّلُكَ مَا قَبَّلْتُكَ ] أخرجه: البخاري 2/ 183 (1597)، ومسلم 4/ 67 (1270) (251). قال الحافظ ابن حجر في الفتح 3/ 584 (1597): «في الحديث التسليم للشارع في أمور الدين، وحسن الاتباع فيما لم يكشف عن معانيها»[
ইবনে আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, উমার আল খাত্তাব (রাঃ) ওহাজরে আসওয়াদহ চুম্বন করার সময় বলেছিলেন, ওআমি জানি তুমি শুধুই একটি পাথর। তোমার কোন কল্যাণ কিংবা অকল্যাণ করার কোন ক্ষমতা নেই। যদি আমি রসুল ছলাল্ললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তোমাকে চুমু খেতে না দেখতাম, তবে তোমাকে চুমু দিতাম না। (সহীহ বুখারী- ১৫৯৭, সহীহ মুসলিম- ১২৭০)

সহীহ বুখারীর বিখ্যাত ব্যাখ্যাগ্রন্থ ওফাতহুল বারীহ প্রণেতা ইবনে হাজার আসকালানী (রঃ) বলেন, ও এই হাদিস থেকে দ্বীনের ব্যাপার সমূহের জন্য শরীয়াতের কাছে আত্মসমর্পণ করার কথা বুঝা যায় এবং কোন নির্দেশ না বুঝলেও তা যথাযথভাবে পালন করার সৌন্দর্য্য ফুটে উঠেছেহ। (ফাতহুল বারী- ৩/৫৮৪, ১৫৯৭)

সুতরাং, ইসলামের অধিকাংশ ব্যাপারেই বিস্তারিতভাবে নিয়ম-কানুন (হুকুম-বিধান) জানার ক্ষেত্রে, একজন সাধারণ মুসলিমের জন্য আলিমদের সাহায্য প্রয়োজন হবে।

এই জ্ঞান অর্জন করার জন্য আমাদেরকে আলিমদের কাছে যেতে হবে। তাদেরকে যথাযথ সম্মান করতে হবে। তাদের সাথে যথাযথ আদব রক্ষা করতে হবে। ইবনে আববাস (রা.) সাহাবীদের কাছে হাদিস শুনতে তাঁদের ঘরে ঘরে যেতেন। তারা দুপুরে বিশ্রামরত থাকলে তাদেরকে না ডেকে, তাদের ঘরের সামনেই অপেক্ষা করতেন যাতে তাদের বিশ্রামে ব্যাঘাত না ঘটে। (মুসতাদরাক আল হাকিম, মাদখাল ইলাল সুনান, সুনান বাইহাকী নং ৬৭৩) এভাবে ইলম অর্জনের জন্য তিনি কষ্ট স্বীকার করেছেন।
ইমাম মালিক (র.) বলেন : ‘মানুষ জ্ঞানের কাছে আসবে, জ্ঞান মানুষের কাছে যাবে না।’ [খাতিব আল-বাগদাদী, আল জামি আখলাকির রাওয়ী ওয়া আদাবিস সামী (১/১৫৯); ইবনে আব্দুল বার, আল জা’মি বায়ানিল ইলম ওয়া ফাদলিহি (১/৮৫)]

তাই আমাদের অহংকার কিংবা উন্নাসিকতা যাতে আমাদেরকে আলিমদের দরজায় যাতে বাধাঁ না দেয়।

(ইনশাআল্লাহ চলবে)

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১০০ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

২ টি মন্তব্য

  1. জাযাকুমুল্লাহ খাইরান

    abdullah al Mamun

    @আহমাদ, @আহমাদ, ওয়া ইয়্যাকা।

    দুয়া করবেন, পরমর্শ দিবেন এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনী দিবেন।