লগইন রেজিস্ট্রেশন

আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা-১ (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হায়াতুন নবী)

লিখেছেন: ' তুষার (ﭡﺸر)' @ শুক্রবার, নভেম্বর ২০, ২০০৯ (৮:৫৫ অপরাহ্ণ)

আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা হল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্‌ নাবিয়্যীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হায়াতুন নবী। মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “যারা আল্লাহ পাক-এর রাস্তায় শহীদ হয়েছেন তোমরা তাদেরকে মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত। অথচ তোমরা তা উপলব্ধি করতে পারছো না।” (সূরা বাক্বারা/১৫৪)
আর ওলীআল্লাহগণের শানেও বলা হয়েছে, “ওলীআল্লাহগণ মৃত্যুবরণ করেন না। বরং তারা অস্থায়ী জগৎ থেকে স্থায়ী জগতের দিকে প্রত্যাবর্তন করেন।” (মিরকাত ৩য় খণ্ড, ২৪১ পৃষ্ঠা)। এছাড়া সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস্‌ সালামগণও স্বীয় রওযা মুবারকে জীবিত রয়েছেন। যেমন কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে, “নিশ্চয়ই হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত মুসা আলাইহিস্‌ সালামকে উনার রওজা মুবারকে নামাযরত অবস্থায় দাঁড়ানো দেখেছেন। অনুরূপভাবে হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস্‌ সালামকে দেখেছেন।” (মিরকাত ৩ জিলদ ২৪১ পৃষ্ঠা)
এ সম্পর্কে হাদীছ শরীফ-এ উল্লেখ রয়েছে, আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, “নবী-রসূল আলাইহিমুস্‌ সালামগণ স্বীয় রওযা শরীফ-এ জীবিত থাকেন। উনারা রওযা শরীফ-এ নামাযও আদায় করেন।” (তারিখে ইস্পাহান ২/৮৩, ফয়জুল ক্বাদীর ৩/১৮৪, আবু ইয়ালা, দায়লামী শরীফ/৪০৪)
শুধু তাই নয়, বরং সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস্‌ সালামগণই স্বীয় রওযা শরীফ-এ অবস্থান করে আল্লাহ পাক-এর ইবাদত-বন্দিগীতে মশগুল রয়েছেন এবং রিযিকও পাচ্ছেন। যেমন হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত আছে, “আল্লাহ পাক-এর নবী-রসূল আলাইহিমুস্‌ সালামগণ স্বীয় রওজা মুবারকে জীবিত রয়েছেন এবং উনারা খাদ্যও খেয়ে থাকেন।” (ইবনে মাযাহ, মিশকাত, মিরকাত/৩খণ্ড, ২৪১)। অন্য হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আউস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক যমীনের জন্য নবী-রসূল আলাইহিমুস্‌ সালামগণের শরীর মুবারককে ভক্ষণ করা (নষ্ট করা) হারাম করে দিয়েছেন।” (আহমদ, আবু দাউদ, ইবনে মাযাহ, ইবনু হিব্বান, মুস্তাদরাকে হাকিম, কানযুল উম্মাল, মিরকাত)
হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি আমার রওযা মুবারকের নিকট এসে আমার প্রতি দুরূদ শরীফ পাঠ করে আমি অবশ্যই তার দুরূদ শরীফ শুনতে পাই।” (বায়হাক্বী, মিশকাত/৮৭) অন্য হাদীছ শরীফ-এ এসেছে আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, “হে আমার ছাহাবীগণ! হে আমার উম্মতগণ!! তোমারা আমার প্রতি প্রত্যেক সোমবার ও শুক্রবার দুরূদ শরীফ পাঠ করো। নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সেই দুরূদ শরীফ বিনা মধ্যস্থতায় শুনতে পাই।” উক্ত হাদীছ শরীফ-এর ব্যাখ্যায় কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “আমি হাক্বীক্বীভাবে বিনা মধ্যস্থতায় তা শুনতে পাই।” (মিরকাত ২য় খণ্ড, ৩৪৭ পৃষ্ঠা)। কিতাবে আরো উল্লেখ আছে, “নিশ্চয়ই হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রওযা মুবারকে জীবিত অবস্থায় আছেন। (মিরকাত/২/২২৩)
উপরোক্ত দলীলভিত্তিক আলোচনা এটাই প্রমাণিত হলো যে, ওলীআল্লাহগণসহ শুহাদায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিগণ এবং সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস্‌ সালামগণ স্বীয় মাযার শরীফ বা রওযা শরীফ-এ জীবিত রয়েছেন। আর আল্লাহ পাক-এর হাবীব, নবীদের নবী, রসূলদের রসূল, নূরে মুজাস্‌সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কথা তো বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ তিনি হায়াতুন নবী। কিয়ামত পর্যন্ত তথা অনন্ত কাল পর্যন্ত উম্মতের অবস্থা তিনি পর্যবেক্ষণ করবেন।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১,৪৮৮ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

২৮ টি মন্তব্য

  1. অতি রঞ্জন পরবরতিতে বিস্তারিত তাত্তকিক বিশ্লেশনের জন্ন প্রচতুত থাকুন।

    তুষার খান

    আপনার দলীলবিহীন মন্তব্যের কোন মূল্য নেই। এখানে আমি যে দলীলগুলো পেশ করেছি তার সবগুলো শিরোনাম সংশ্লিষ্ট। যেখানে কুরআন শরীফ-এর সূরা বাক্বারার ১৫৪ নম্বর আয়াত শরীফে বলা হয়েছে শহীদরা জীবিত সেখানে নবীদের নবী, রসূলদের রসূল হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জীবিত বলা কি করে অতি রঞ্জিত হতে পারে? দয়া করে আমার ব্লগে দলীল ছাড়া কোন মন্তব্য করবেন না।
    আল্লাহ পাক কুরআন শরীফে ইরশাদ করেন, “যদি সত্যবাদী হয়ে থাকো, তাহলে দলীল পেশ কর।” (সূরা বাক্বারা -১১১)

    হাফিজ

    @বাংলা মৌলভী, কি বললেন কিছুই তো বুঝলাম না , বানান গুলো একটু শুদ্ধ করে লিখুন ।

  2. নূরে মুজাস্‌সাম
    প্রমান করুন যে কোরান সুন্নাহে রসূল স: এর ফিজিক্যাল স্বত্বাকে নূরে মুজাস্সাম বা ফেরেস্তাদের মত ফিজিক্যালী নূর বলা হয়েছে। রসূল স: এর আদর্শ মিশন ওহীর কার্যক্রম অবশ্যই শিরক ও অন্যান্ন ধর্মের অন্ধকারের বিপরীতে নূর একথা কোরানের অসংখ্য আয়াতে প্রমান হবে, সেগুলো ব্যতিত রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামকে যে ফিজিক্যাল তথা বস্তুগত ম্যাটরিয়াল সৃষ্টির ক্ষেত্রে -নূর- আলোর তৈরি বলা হয়েছে তার সপক্ষে এবং কোরানের আয়াত কিংবা হাদীস পেশ করুন । নতুবা বিভ্রান্ত মুলক পোষ্ট দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

  3. এখানে সমালোচনার দ্বার অনেক জটিল । কোরান হাদিসের ত্বাত্বিক আলোচনা শুরু হলে উড়ে যাবেন। আমাদের পূর্বের বিভিন্ন বিতর্ক দেখতে পারেন। পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে। আপনার দলিল প্রমান এভাবে পেশ করুন।
    ১। نص ظاهر কোরানের ডাইরেক্ট আয়াত যেখানে রসূল স: ফিজিক্যাল্লি নূর نور আলোর তৈরি বলা হয়েছে, কিংবা এমন কোন শব্দের উল্লেখ করা হয়েছে যা আলোর প্রতিশব্দ কিংবা ইঙ্গিত মূলক কোন আয়াত থাকলেও তা উল্লেখ করবেন।
    ২। সহীহ হাদিস কিংবা দলিল স্যাবস্ত করা যাবে এমন কোন হাদিস।
    ৩। যৌক্তিক ব্যাখা – যে যুক্তি আপনি মানেন এবং আমি ও মানি, এমন কিছু যুক্তি তো অবশ্যই আছে যা আপনি ও মানবেন যেমন রসূল স: খাবার খেতেন, বাজার করতেন, বিবাহ করেছিলেন, তার পিতৃ-পুরুষের একটি বংশ বর্ণনা আছে যা আদম আলাইহে ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পিতা ও মাতা হিসেবে পৌছবে, যেমন মুহাম্মদ বিন……. বিন আদম, আর আদম আলাইহে ওয়াসাল্লামকে আল্লাহ মাটি দিয়ে তৈরি করেছেন তা কোরানের বহুত আয়াতেই আছে আপনিও মানছেন আমিও বলছি। সুতরাং এ ধরনের যুক্তি বলুন যাতে সাব্যস্ত হবে রসূল স: মাটির তৈরি নন বরং নুর কিংবা ضوء ـ شعاع ـ আলোক রশ্মি, অতি বেগুনি রশ্মি কিংবা এত্বদ নিকট কোন বস্তু- বিকিরণ দ্বারা তৈরি।
    দুচার পৃষ্ঠা নং উল্লেখ করার দলীল আমাদের তর্কে هباء منثورا বাতাশের উড়ে যাওয়া তুলার মত উড়ে যাবে, সময়ের সংক্ষিপ্ততার জন্য এতটুকু বল্লাম। পরবর্তিতে বিস্তারিত হবে ইনশা আল্লাহ।

    manwithamission

    আসসালামু আলাইকুম,
    ভাই বাংলা মেলৌভী, তুষার খান ভাই, “খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত্ ত্বরীক্বত, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, মাহিউল বিদ্য়াত, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, ক্বাইয়্যুমে আ’যম, হাবীবুল্লাহ, গাউছুল আ’যম, ক্বাবিউল আউয়াল, ইমামুল আ’যম, আওলাদুর রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সাইয়্যিদ মুহম্মদ দিল্লুর রহমান আল হাসানী ওয়াল হুসাইনী ওয়াল কুরাঈশী মুদ্দা জিল্লুহুল আলী” এর একনিষ্ঠ অনুসারী। ইনার আস্থানার ঠিকানা:আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা-১২১৭ বাংলাদেশ।
    শিরকী এবং বাতিল ও ভ্রান্ত আকীদা সম্পন্ন।

    ইনাদের কিছু শিরকী এবং বাতিল-ভ্রান্ত আকীদার নমুনা:

    **একমাত্র উনার মাধ্যমে যারা আমার কাছে আসবে আল্লাহ পাক তাদেরকেই পূর্ণ নিয়ামত দান করবেন!
    **মুজাদ্দিদে আ’যম-এর স্মরণ রহমত প্রাপ্তির কারণ
    **লাওহে মাহ্‌ফূযে জ্বলজ্বল করছে মুজাদ্দিদুয্‌ যামান লক্বব মুবারকটি
    **স্বপ্নে নূরে মুজাস্‌সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন আমি রাজারবাগ শরীফে যাচ্ছি
    **মুজাদ্দিদে আ’যম, মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর উসীলায় কবরে হলনা সুওয়াল-জাওয়াব॥ সুসংবাদ প্রদান করা হলো কিয়ামত অবধি
    **এরা বিশ্বাস করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাজির-নাজির যার মানে হলো তিনি যেকোন জায়গায় হাজির হতে পারেন।

    এই সব শিরকী এবং বাতিল-ভ্রান্ত আকীদা থেকে আল্লাহ তাআলা আমাদের হিফাজত করুন। আমীন।

    হাফিজ

    @manwithamission ,

    **একমাত্র উনার মাধ্যমে যারা আমার কাছে আসবে আল্লাহ পাক তাদেরকেই পূর্ণ নিয়ামত দান করবেন!
    **মুজাদ্দিদে আ’যম-এর স্মরণ রহমত প্রাপ্তির কারণ
    **লাওহে মাহ্‌ফূযে জ্বলজ্বল করছে মুজাদ্দিদুয্‌ যামান লক্বব মুবারকটি
    **স্বপ্নে নূরে মুজাস্‌সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন আমি রাজারবাগ শরীফে যাচ্ছি
    **মুজাদ্দিদে আ’যম, মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর উসীলায় কবরে হলনা সুওয়াল-জাওয়াব॥ সুসংবাদ প্রদান করা হলো কিয়ামত অবধি
    **এরা বিশ্বাস করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাজির-নাজির যার মানে হলো তিনি যেকোন জায়গায় হাজির হতে পারেন।

    আপনি কোনো দলীল দ্যান নাই, কোথার থেকে পেলেন যে তাদের এই আকীদা ? একটু রেফারেন্স দিলে আমাদের বুঝতে সুবিধা হতো

    Malcolm X

    @হাফিজ ,
    ভাইজান , নীচের লিংটা দেখুন, শিরক নাকি জানি না তবে জব্বর পীর সাহেব মনে হচ্ছে :

    http://www.al-ihsan.net/special/default.aspx?topic_on=2&subject=2&lingo=BN

    মামদুহ্‌ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর মুবারক কারামত সমুহ

    ১. সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-তোমাদের মুর্শিদ ক্বিবলা জান্নাতী, তোমরাও জান্নাতী

    লাওহে মাহ্‌ফূযে জ্বলজ্বল করছে মুজাদ্দিদুয্‌ যামান লক্বব মুবারকটি

    ইত্যাদি , বিস্তারিত জানার জন্য উপরের লিংটি দেখেন ।

    manwithamission

    Malcolm X ভাই যে লিংক দিয়েছেন সেখানেই সব পাবেন। জাজাকাল্লাহ Malcolm X ভাই।

    বাংলা মৌলভী

    আমীন

    হাফিজ

    @বাংলা মৌলভী, উনি তো নুরে মুজাসসম এর ব্যাখ্যা দেন নি , আপনি এই বিষয়টা আনছেন কেনো ? আমি বুঝি নাই দেখে আপনাকে জিজ্ঞেস করছি ।

    বাংলা মৌলভী

    হাফিজ ভাই, তুষার তার লেখায় রসূল স: কে নুরে মুজাস্সাম

    আল্লাহ পাক-এর হাবীব, নবীদের নবী, রসূলদের রসূল, নূরে মুজাস্‌সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-

    নুর অর্থ আলো- রশ্মি, যা অন্ধকারের বিপরীত বস্তু তবে তার বৈশিস্ট হল তার কোন ম্যাটরিয়াল বা জড় বস্তুর মত মৌলিক স্বত্বা নেই, যেমন অন্ধকারের আলোর নেই।
    মুজাস্সাম অর্থ = জিসিম বা শরির বা শারিরীক নূর।
    আর = নুরে মুজাস্সাম অর্থ হয় যিনি শারিরীক ভাবে নূরের তৈরি। রসূল স: এর শারিরিক গঠন নিয়ে কোরানের কোথায় আছে কিংবা কোন হাদিসে আছে যে তিনি শারিরীক ভাবে মানুষ নন বরং নূরের তৈরি?!!
    “শহীদদগনের মত জীবিত ” শহীদগন কিরুপ জীবিত? আয়াতে বর্ণিত শাহাদাতের জীবন এর সঠিক তাফসীর কি? এগুলোতে না গিয়ে ব্লগার কতগুলো কথা এমন বলছেন যা মুলত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত বা সাহাবাপন্থী বিশ্বাসের ব্যতিক্রম, উপরন্তু তিনি এসব বিশ্বাসকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের বিশ্বাস বলে প্রচার শুরু করছে। (N)

    তুষার খান

    @ বাংলা মৌলভী >>> আপনার প্রশ্নের পরিপূর্ণ উত্তর এই লিংকে দেয়া আছে। PDF ফাইলটি আদ্যপান্ত মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। আপনার সব ভুল কেটে যাবে ইনশাল্লাহ।

    হাফিজ

    @তুষার খান ,

    আপনি যে লিংক দিয়েছেন সেটা “মুহাম্মদিয়া জামেয়া শরীফ” থেকে প্রকাশিত । এদের একটু পরিচয় দিবেন ?

    তুষার খান

    আপনি লিংকের ফাইলটি পড়ূন। যদি কোন জিনিস নিয়ে সমস্যা হয় তখন জানাবেন।

  4. ৩) সূরা আল ইমরান আঃ১৪৪
    আর মুহাম্মদ একজন রসূল বৈ তো নয়! তাঁর পূর্বেও বহু রসূল অতিবাহিত হয়ে গেছেন। তাহলে কি তিনি যদি মৃত্যুবরণ করেন অথবা নিহত হন, তবে তোমরা পশ্চাদপসরণ করবে? বস্তুতঃ কেউ যদি পশ্চাদপসরণ করে, তবে তাতে আল্লাহর কিছুই ক্ষতি-বৃদ্ধি হবে না। আর যারা কৃতজ্ঞ, আল্লাহ তাদের সওয়াব দান করবেন।

    ৬) সূরা আল আন-আম আঃ৫০-৫১
    আপনি বলুনঃ আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর ভান্ডার রয়েছে। তাছাড়া আমি অদৃশ্য বিষয় অবগতও নই। আমি এমন বলি না যে, আমি ফেরেশতা। আমি তো শুধু ঐ ওহীর অনুসরণ করি, যা আমার কাছে আসে। আপনি বলে দিনঃ অন্ধ ও চক্ষুমান কি সমান হতে পারে? তোমরা কি চিন্তা কর না ? আপনি এ কোরআন দ্বারা তাদেরকে ভয়-প্রদর্শন করুন, যারা আশঙ্কা করে স্বীয় পালনকর্তার কাছে এমতাবস্থায় একত্রিত হওয়ার যে, তাদের কোন সাহায্যকারী ও সুপারিশকারী হবে না-যাতে তারা গোনাহ থেকে বেঁচে থাকে।

    ১৮) সূরা কাহফ আঃ১১০
    বলুনঃ আমি ও তোমাদের মতই একজন মানুষ, আমার প্রতি প্রত্যাদেশ হয় যে, তোমাদের ইলাহই একমাত্র ইলাহ। অতএব, যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সাক্ষাত কামনা করে, সে যেন, সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তার পালনকর্তার এবাদতে কাউকে শরীক না করে।

    তুষার খান

    আপনার মন্তব্যের ব্যাপারটা বুঝতে পারলাম না। এখানে ৩ টি ভিন্ন নম্বর ( ৩, ৬, ১৮) দিয়ে তিনটি আয়াত শরীফ লিখে কি বুঝাতে চেয়ে আশা করি বলবেন।

    faruk

    একটু কোরান পড়ুন। ৩,৬,১৮ ওগুলো সুরার নম্বর। রসূলের নামের আগে টাইটেল বসানোর আগে এই আয়াতগুলো স্মরনে রাখবেন।

    সুরা আল-যুমার(৩৯) আয়াত ৩০
    নিশ্চয় তোমারও (মুহম্মদ) মৃত্যু হবে এবং তাদেরো মৃত্যু হবে।

    রসূল কিন্তু শহীদ হন নি।

    তুষার খান

    আপনি কি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে শহীদের চেয়ে ছোট কিছু মনে করেন?
    আর হাদীছ শরীফগুলো কি পড়ে দেখেছেন?

    the muslim

    একমত। (F)

    বাংলা মৌলভী

    ঠিক যেমনটি আপনার ইংলিশ লিংক থেকে আমি কিছুই বুঝতে পারছি না, অনুগ্রহ করে কি্ছু অনুবাদ করে আমাদের উপকৃত করবেন। আমি বা অনেক ব্লাগের উচ্চদরের ইংরেজী বুঝি না, আরবী কিংবা বাংলা দিলে আমি ব্যক্তিগতভাবে বুঝার চেষ্টা করতাম । ধন্যবাদ

    তুষার খান

    আপনি কি ফাইলটি পড়ছেন? সেখানে কোন ইংরেজী নেই

    faruk

    @তুষার খান , শহীদরা কিন্তু এই পৃথিবীতে জীবিত নয় , তারা তাদের রব্বের কাছেই জীবিত।

    “নবী-রাসূলগনের মর্যাদা শহীদগনের থেকে অনেক বেশি।” এর উৎস কি? কোরানে কি আছে এই কথা? তর্কের খাতিরে যদি মেনেও নি , মর্যাদা বেশি বলে তারাও আল্লাহ্‌র কাছে জীবিত আছেন এটা কিন্তু প্রমানিত হয় না। যেমন আমের সাথে আঙ্গুরের তুলনা হয় না।

    কোরানের কোথাও যদি নির্দিষ্ট ভাবে নবী-রাসূলগনের জীবিত থাকার আয়াত থাকে তো বলেন, অন্যথায় নিজদের মনগড়া কথা বলে পাপেরভাগী হবেন না।

    আল্লাহ আমাদের সকলকে হেদায়েত করুন , এই দোয়া করি।

  5. ভাই আপনার লেখার শিরোনামটা কি আমাকে একটু বুঝিয়ে বলবেন?
    যেমন, আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত টি কি জিনিস? আর হায়াতুন নবী মানে কি?
    দয়া করে একটু বাংলায় বুঝিয়ে বলবেন। শিরোনামটা বুঝার পরে যদি কিছু বলার থাকে তবে বলবো। ধন্যবাদ ।

    তুষার খান

    @সাউন্ড অফ ইসলাম >>>আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত সম্পর্কে জানতে নিচের লিংক দেখুন

    আর হায়াতুন নবী সম্পর্কে জানতে ব্লগটি পড়ুন।

  6. এতক্ষন পর্যন্ত ওনার হাবভাবে যা বুঝতেছি, তাতে উনি যেসব শব্দ বলেছেন সেগুলোর অর্থ ও হাকিকত উনি নিজেও জানেন না, আর যদি জেনে শুনে এগুলো বিশ্বাস করে তবে এখানে এমন কিছু শব্দ ওনার এমন আছে, যা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের বিশ্বাসের পরিপন্থি।

    সাউন্ড অফ ইসলাম

    হায়াতুন নবী মানে কি উনি বুঝাতে চাচ্ছেন যে নবী এখনো জীবিত?
    যদি উনি এমনটাই বুঝাতে চান, তবে কিছু বলার আছে।

  7. আপনি যে রেফারেনস দিয়েছেন সেটা জাল ও জোয়িফ হাদিসে ভরপুর । হাদিসগুলো সহিহ কিনা সেটা উললেখ করেন নি ।

    মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “আর মুহাম্মদ একজন রসূল বৈ তো নয়! তাঁর পূর্বেও বহু রসূল অতিবাহিত হয়ে গেছেন। তাহলে কি তিনি যদি মৃত্যুবরণ করেন অথবা নিহত হন, তবে তোমরা পশ্চাদপসরণ করবে? বস্তুতঃ কেউ যদি পশ্চাদপসরণ করে, তবে তাতে আল্লাহর কিছুই ক্ষতি-বৃদ্ধি হবে না। আর যারা কৃতজ্ঞ, আল্লাহ তাদের সওয়াব দান করবেন।” সূরা আলে ইমরান-১৪৪
    “নিশ্চয় তোমারও মৃত্যু হবে এবং তাদেরও মৃত্যু হবে।” সূরা আয-যুমার-৩০
    “আপনি বলুনঃ আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর ভান্ডার রয়েছে। তাছাড়া আমি অদৃশ্য বিষয় অবগতও নই। আমি এমন বলি না যে, আমি ফেরেশতা। আমি তো শুধু ঐ ওহীর অনুসরণ করি, যা আমার কাছে আসে। আপনি বলে দিনঃ অন্ধ ও চক্ষুমান কি সমান হতে পারে? তোমরা কি চিন্তা কর না ?” সূরা আল-আনআম-৫০
    “মানুষের কাছে কি আশ্চর্য লাগছে যে, আমি ওহী পাঠিয়েছি তাদেরই মধ্য থেকে একজনের কাছে যেন তিনি মানুষকে সতর্ক করেন এবং সুসংবাদ শুনিয়ে দেন ঈমনাদারগণকে যে, তাঁদের জন্য সত্য মর্যাদা রয়েছে তাঁদের পালনকর্তার কাছে। কাফেররা বলতে লাগল, নিঃসন্দেহে এ লোক প্রকাশ্য যাদুকর।”সূরা ইউনূছ-২
    “বলুনঃ আমি ও তোমাদের মতই একজন মানুষ, আমার প্রতি প্রত্যাদেশ হয় যে, তোমাদের ইলাহই একমাত্র ইলাহ। অতএব, যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সাক্ষাত কামনা করে, সে যেন, সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তার পালনকর্তার এবাদতে কাউকে শরীক না করে।” সূরা আল-কাহাফ-১১০
    “বলুনঃ আমি তোমাদের ক্ষতি সাধন করার ও সুপথে আনয়ন করার মালিক নই।” সূরা আল-জীন-২১

    নিজের সুবিধামত রেফারেনস দিবেন না ।