<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
		>
<channel>
	<title>Comments on: এ বছর হজ্জ নষ্টের উদ্দেশ্যে সৌদী ওহাবী সরকার কর্তৃক চাঁদের তারিখ হের-ফের-এর প্রমাণ </title>
	<atom:link href="http://www.peaceinislam.com/tusharzia/1865/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/1865/</link>
	<description>Islamic Blog Site in Bangla</description>
	<lastBuildDate>Fri, 03 Feb 2023 08:44:23 +0600</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
		<item>
		<title>By: রেজওয়ান করিম</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/1865/comment-page-1/#comment-10884</link>
		<dc:creator>রেজওয়ান করিম</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1865#comment-10884</guid>
		<description>ওহাবী মানে কি?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>ওহাবী মানে কি?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Malcolm X</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/1865/comment-page-1/#comment-1719</link>
		<dc:creator>Malcolm X</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1865#comment-1719</guid>
		<description>@তুষার খান, 

যেকোন পত্রিকার ডিকলারেশন এর জন্য &lt;strong&gt;প্রকাশক এবং সম্পাদকে&lt;/strong&gt;র ছবি দেয়া বাধ্যতামুলক ।  

আল বাইয়্যিনাত পত্রিকার  প্রকাশক হিসেবে &quot;নুরুল কবির চৌধুরী&quot; এবং সম্পাদক হিসেবে &quot;সিরাজুল ইসলাম&quot;  আর আল ইহসান পত্রিকার প্রকাশক হিসেবে &quot;নুরুল কবির চৌধুরী&quot; এবং সম্পাদক হিসেবে &quot;এ কে এম আবু আশরাফ&quot;  এর ছবি দিয়ে ডিকলারেশন পায় ।  এবং কে সম্পাদক এবং কে প্রকাশক হবে সেটা সম্পুর্ন পীর সাহেব নির্ধারন করেন এবং সেই সবসময় এগুলোর পৃষ্ঠপোষক । 

এখন আপনি বলছেন ছবি দিয়ে হজ্ব করলে হজ্ব হবে না তাহলে ছবি দিয়ে কিভাবে আপনার পীর সাহবে এই পত্রিকাগুলো পৃষ্ঠপোশকতা করে ?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@তুষার খান, </p>
<p>যেকোন পত্রিকার ডিকলারেশন এর জন্য <strong>প্রকাশক এবং সম্পাদকে</strong>র ছবি দেয়া বাধ্যতামুলক ।  </p>
<p>আল বাইয়্যিনাত পত্রিকার  প্রকাশক হিসেবে &#8220;নুরুল কবির চৌধুরী&#8221; এবং সম্পাদক হিসেবে &#8220;সিরাজুল ইসলাম&#8221;  আর আল ইহসান পত্রিকার প্রকাশক হিসেবে &#8220;নুরুল কবির চৌধুরী&#8221; এবং সম্পাদক হিসেবে &#8220;এ কে এম আবু আশরাফ&#8221;  এর ছবি দিয়ে ডিকলারেশন পায় ।  এবং কে সম্পাদক এবং কে প্রকাশক হবে সেটা সম্পুর্ন পীর সাহেব নির্ধারন করেন এবং সেই সবসময় এগুলোর পৃষ্ঠপোষক । </p>
<p>এখন আপনি বলছেন ছবি দিয়ে হজ্ব করলে হজ্ব হবে না তাহলে ছবি দিয়ে কিভাবে আপনার পীর সাহবে এই পত্রিকাগুলো পৃষ্ঠপোশকতা করে ?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Malcolm X</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/1865/comment-page-1/#comment-1718</link>
		<dc:creator>Malcolm X</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1865#comment-1718</guid>
		<description>@তুষার খান , 

আপনি কি জানেন বছর তিন/চার পূর্বে  রাজারবাগের পীর সাহেব কক্সবাজারে বেগানা মহিলার নিয়ে হোটেলে অবস্সহানের সময় হঠাৎ পুলিশ তাকে ধরার জন্য হোটেলে রেট দ্যায় ।  সেই সময় পীর সাহেব নিজে বাচার জন্য বোরকা পড়ে বেগানা মহিলাদের মধ্যে আত্নগোপন করেন । পরে পুলিশ তাকে খুজে না পেয়ে চলে যায় । 

এই সম্বন্ধে আপনি যদি বিস্তারিত জানতে চান তাহলে সেই সফরে সেই সময়ে যারা উপস্হিত ছিল তাদের থেকেও জানতে পারবেন এবং বললেও আমিও আপনাকে তাদের নাম  সহ বলে দিতে পারবো । 

আমি চাচ্ছি আপনি এগুলোর তদন্ত করুন এবং আসল সত্যটা জানুন । আপনাদের কোনো দোষ নেই যেহেতু আপনারা আল্লাহকে পাওয়ার জন্য গিয়েছেন ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@তুষার খান , </p>
<p>আপনি কি জানেন বছর তিন/চার পূর্বে  রাজারবাগের পীর সাহেব কক্সবাজারে বেগানা মহিলার নিয়ে হোটেলে অবস্সহানের সময় হঠাৎ পুলিশ তাকে ধরার জন্য হোটেলে রেট দ্যায় ।  সেই সময় পীর সাহেব নিজে বাচার জন্য বোরকা পড়ে বেগানা মহিলাদের মধ্যে আত্নগোপন করেন । পরে পুলিশ তাকে খুজে না পেয়ে চলে যায় । </p>
<p>এই সম্বন্ধে আপনি যদি বিস্তারিত জানতে চান তাহলে সেই সফরে সেই সময়ে যারা উপস্হিত ছিল তাদের থেকেও জানতে পারবেন এবং বললেও আমিও আপনাকে তাদের নাম  সহ বলে দিতে পারবো । </p>
<p>আমি চাচ্ছি আপনি এগুলোর তদন্ত করুন এবং আসল সত্যটা জানুন । আপনাদের কোনো দোষ নেই যেহেতু আপনারা আল্লাহকে পাওয়ার জন্য গিয়েছেন ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Malcolm X</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/1865/comment-page-1/#comment-1717</link>
		<dc:creator>Malcolm X</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1865#comment-1717</guid>
		<description>@তুষার খান, 

আপনাদের  &lt;strong&gt;মুহম্মদিয়া মেডিকাল সার্ভিসেস লিমিটেড &lt;/strong&gt; এর   চেয়ারম্যান এ কে এম আবু আশরাফ , এম, ডি  ড: আবু মুহম্মদ সালেহ ( মেহেদী ) , আর ডাইরেক্সোটর মোহাম্সোমদ রেজাউল করীম (বুলবুল ) ও ডাইরেক্টর আনিসুর রহমান ( সোহেল ) যারা পীর সাহবেরে নির্দেশে  ছবি জমা দিয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সুদের মাধ্যমে লোন নিয়েছে ।  এবং এই মুহাম্মদিয়া মেডিকাল সার্ভিসেস লিমিটেড এ রাজারবাগ পীর সাহেব ৫৪% শেয়ার আছে । যার জন্য সমস্ত মেনেজিং ক্ষমতা পীর সাহেবের । এইজন্য &quot;আল আরাফা&quot; ব্যাংক &quot;পীর সাহেবের&quot; নামে মামলা করেছে ।  ( মামলা নং - ১২৫/২০০৫ ইংরেজী , ৪র্থ অর্থ ঋন আদালত ঢাকা ) ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@তুষার খান, </p>
<p>আপনাদের  <strong>মুহম্মদিয়া মেডিকাল সার্ভিসেস লিমিটেড </strong> এর   চেয়ারম্যান এ কে এম আবু আশরাফ , এম, ডি  ড: আবু মুহম্মদ সালেহ ( মেহেদী ) , আর ডাইরেক্সোটর মোহাম্সোমদ রেজাউল করীম (বুলবুল ) ও ডাইরেক্টর আনিসুর রহমান ( সোহেল ) যারা পীর সাহবেরে নির্দেশে  ছবি জমা দিয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সুদের মাধ্যমে লোন নিয়েছে ।  এবং এই মুহাম্মদিয়া মেডিকাল সার্ভিসেস লিমিটেড এ রাজারবাগ পীর সাহেব ৫৪% শেয়ার আছে । যার জন্য সমস্ত মেনেজিং ক্ষমতা পীর সাহেবের । এইজন্য &#8220;আল আরাফা&#8221; ব্যাংক &#8220;পীর সাহেবের&#8221; নামে মামলা করেছে ।  ( মামলা নং &#8211; ১২৫/২০০৫ ইংরেজী , ৪র্থ অর্থ ঋন আদালত ঢাকা ) ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Malcolm X</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/1865/comment-page-1/#comment-1692</link>
		<dc:creator>Malcolm X</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1865#comment-1692</guid>
		<description>@তুষার খান, 
&lt;strong&gt;
বর্তমান পঞ্চদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত ইমাম সাইয়্যিদ মুহম্মদ দিল্লুর রহমান (মুদ্দা জিল্লুহুল আলী) ছাহেবের ফতওয়া। 

&lt;/strong&gt;

দেওয়ানবাগী, সায়দাবাদী , রাজারবাগী সবাই দাবী করে তারা জামানার মোজাদ্দেদ , আমাদের মতো আমজনতা কিভাবে বুঝবে কার দাবী ঠিক ? 

কোনো গাইডলাইন দিতে পারবেন ?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@তুষার খান,<br />
<strong><br />
বর্তমান পঞ্চদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত ইমাম সাইয়্যিদ মুহম্মদ দিল্লুর রহমান (মুদ্দা জিল্লুহুল আলী) ছাহেবের ফতওয়া। </p>
<p></strong></p>
<p>দেওয়ানবাগী, সায়দাবাদী , রাজারবাগী সবাই দাবী করে তারা জামানার মোজাদ্দেদ , আমাদের মতো আমজনতা কিভাবে বুঝবে কার দাবী ঠিক ? </p>
<p>কোনো গাইডলাইন দিতে পারবেন ?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Malcolm X</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/1865/comment-page-1/#comment-1691</link>
		<dc:creator>Malcolm X</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1865#comment-1691</guid>
		<description>@তুষার খান, 

&lt;strong&gt;
না, ছবির মাধ্যমে পত্রিকা বের করা জায়িজ হবে না। তবে যদি এমন হয় যে কেউ পত্রিকার রেজিষ্ট্রশনের জন্য পূর্বে ছবি জমা দিয়ে দেয় এবং পরে বুঝতে পারে যে ছবি জমা দেয়া জায়িজ নেই। তবে তার তওবা করলে পত্রিকাটি বের করা জায়িজ হবে&lt;/strong&gt;

আপনার এই লজিক অনুযায়ী বলা যায়, কেউ ছবি তোলার পর তওবা করে পরবর্তিতে সেই ছবি দিয়ে পাসপোর্ট করে হজ্ব করলে সেটাও জায়েজ হবে ।  কেননা তওবা করলে যদি পত্রিকা বের করা যায় ছবি দিয়ে তাহলে তওবা করে সেই ছবি দিয়ে হজ্বও করা যাবে নিশ্চই । তাই  নয় কি ?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@তুষার খান, </p>
<p><strong><br />
না, ছবির মাধ্যমে পত্রিকা বের করা জায়িজ হবে না। তবে যদি এমন হয় যে কেউ পত্রিকার রেজিষ্ট্রশনের জন্য পূর্বে ছবি জমা দিয়ে দেয় এবং পরে বুঝতে পারে যে ছবি জমা দেয়া জায়িজ নেই। তবে তার তওবা করলে পত্রিকাটি বের করা জায়িজ হবে</strong></p>
<p>আপনার এই লজিক অনুযায়ী বলা যায়, কেউ ছবি তোলার পর তওবা করে পরবর্তিতে সেই ছবি দিয়ে পাসপোর্ট করে হজ্ব করলে সেটাও জায়েজ হবে ।  কেননা তওবা করলে যদি পত্রিকা বের করা যায় ছবি দিয়ে তাহলে তওবা করে সেই ছবি দিয়ে হজ্বও করা যাবে নিশ্চই । তাই  নয় কি ?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Malcolm X</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/1865/comment-page-1/#comment-1688</link>
		<dc:creator>Malcolm X</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1865#comment-1688</guid>
		<description>@তুষার খান , 
আপনার পীর সাহেব নাকি অনেক বেগানা মহিলা নিয়ে সফর করে এবং যে হোটেল এ থাকে সেই হোটেল দুই ভাগ করে একভাগে মেয়েরা থাকে এবং অন্য অংশে ছেলেরা থাকে  ? আর যে অংশে মেয়েরা থাকে সেই অংশে পীর সাহেব থাকে ? এটা কতটুকু সত্য ? 

আর আপনারা হজ্বের ক্ষেত্রে ফতোয়া দ্যান মাহরম ছাড়া মহিলাদের হজ্বে বা যেকোনো সফরে যাওয়া জায়েজ নেই, কিন্তু আপনার পীর সাহেব ঠিকই বেগানা মহিলাদের  তাদের মাহরম ছাড়া সফরে নিয়ে যায় ? এটা কতটুকু শরীয়ত সম্মত জানাবেন কি ? 

খুশী হব শরীয়ত সম্মত উপায় উত্তর দিলে, আর কোনো ফতোয়া দিলে সেটার দলীল দিবেন ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@তুষার খান ,<br />
আপনার পীর সাহেব নাকি অনেক বেগানা মহিলা নিয়ে সফর করে এবং যে হোটেল এ থাকে সেই হোটেল দুই ভাগ করে একভাগে মেয়েরা থাকে এবং অন্য অংশে ছেলেরা থাকে  ? আর যে অংশে মেয়েরা থাকে সেই অংশে পীর সাহেব থাকে ? এটা কতটুকু সত্য ? </p>
<p>আর আপনারা হজ্বের ক্ষেত্রে ফতোয়া দ্যান মাহরম ছাড়া মহিলাদের হজ্বে বা যেকোনো সফরে যাওয়া জায়েজ নেই, কিন্তু আপনার পীর সাহেব ঠিকই বেগানা মহিলাদের  তাদের মাহরম ছাড়া সফরে নিয়ে যায় ? এটা কতটুকু শরীয়ত সম্মত জানাবেন কি ? </p>
<p>খুশী হব শরীয়ত সম্মত উপায় উত্তর দিলে, আর কোনো ফতোয়া দিলে সেটার দলীল দিবেন ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: তুষার খান</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/1865/comment-page-1/#comment-1673</link>
		<dc:creator>তুষার খান</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1865#comment-1673</guid>
		<description>@ফারুক &gt;&gt;&gt; এখানে ঊল্লেখ্য যে সূরা বাক্বারার ১৯৭ নম্বর আয়াত শরীফ খানা সম্পূর্ণ ব্যবহার করা হয়নি বরং আয়াত শরীফের একটি অংশ এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। উক্ত আয়াতাংশের অর্থ নিম্নরূপঃ
&quot;যে লোক হজ্জ্বের পরিপূর্ণ নিয়ত করবে (অর্থাৎ যার উপর হজ্জ ফরয হবে), তার পক্ষে স্ত্রীও সাথে নিরাভরণ হওয়া জায়েজ নয় (অর্থাৎ সে যেন নির্জনবাস ও তার সংশ্লিষ্ট কোন কাজ না করে)। না অশোভন কোন কাজ করা (অর্থাৎ কোন প্রকার ফাসিকী বা নাফরমানীমূলক কাজ না করে), না ঝাগড়া-বিবাদ করা (অর্থাৎ ঝগড়া-বিবাদ না করে) হজ্জ্বের সেই সময় জায়েজ নয়।&quot;

উপরে উল্লেখিত আয়াত শরীফে যে কাজগুলো (নির্জনবাস ও তার সংশ্লিষ্ট কোন কাজ,কোন প্রকার ফাসিকী বা নাফরমানীমূলক কাজ, ঝাগড়া-বিবাদ ইত্যাদি) আল্লাহ পাক-এর তরফ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে (অর্থাৎ হারাম করা হয়েছে)। উক্ত নিষিদ্ধ কাজগুলো যদি হজ্জ করতে গিয়ে করতে বাধ্য হয় বা বাধ্য করা হয় বা করে তাহলে ঈমান ও আমলের নিরাপত্তা থাকেনা। তাই যেখানে ঈমান ও আমলের নিরাপত্তা নেই সেখানে কি করে হজ্জ থাকতে পারে?

প্রসঙ্গে হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে,&lt;em&gt; “আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোন অন্যায় কাজ সংঘটিত হতে দেখে সে যেন তা হাত দ্বারা বাধা দেয়। যদি সে তা হাত দ্বারা বাধা দিতে না পারে তাহলে সে যেন জবান দ্বারা বাধা দেয়। যদি জবানের দ্বারা বাধা দিতে না পারে তাহলে যেন অন্তরে তা ঘৃণা করে দূরে সরে থাকে। আর এটাই সবচেয়ে দূর্বল ঈমানের পরিচয়। এরপর ঈমানের আর সরিষা পরিমাণ অবশিষ্ট নেই।”&lt;/em&gt; &lt;strong&gt;(মুসলিম শরীফ)&lt;/strong&gt;
অর্থাৎ ক্ষমতা থাকলে প্রথমতঃ শক্তি বা বল প্রয়োগ করে উপরোক্ত হারাম কাজগুলো জবরদস্তি করানো বন্ধ করতে হবে। দ্বিতীয়তঃ সেই ক্ষমতা যদি না থাকে তাহলে জবানে বা মুখে বলতে হবে বা জানিয়ে দিতে হবে যে, উপরোক্ত হারাম কাজগুলো করাতে পারবে না। তৃতীয়তঃ যদি জবানে বলার ক্ষমতা না থাকে তাহলে উপরোক্ত হারাম কাজগুলো থেকে দূরে সরে থাকতে হবে। আর এটা হচ্ছে একেবারে দূর্বল ঈমানদারের পরিচয়। এরপরে ঈমানের আর কোন স্তর নেই। অর্থাৎ যারা হাতেও বাধা দিবে না, জবানেও প্রতিবাদ করবে না এবং সে হারাম কাজকে অন্তরে খারাপ জেনে বিরত বা দূরেও সরে থাকবে না বরং তাতে জড়িত হবে হাদীস শরীফ মুতাবিক তাদের ঈমান নেই। তাহলে উপরোক্ত হারাম কাজগুলো করে হজ্জ করা কি করে ফরয থাকতে পারে?

আশা করি, এবার আপনার বুঝতে সমস্যা হচ্ছে না যে, আমার এবং আপনার লেখা আয়াত শরীফ একই অর্থ বহন করে।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@ফারুক &gt;&gt;&gt; এখানে ঊল্লেখ্য যে সূরা বাক্বারার ১৯৭ নম্বর আয়াত শরীফ খানা সম্পূর্ণ ব্যবহার করা হয়নি বরং আয়াত শরীফের একটি অংশ এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। উক্ত আয়াতাংশের অর্থ নিম্নরূপঃ<br />
&#8220;যে লোক হজ্জ্বের পরিপূর্ণ নিয়ত করবে (অর্থাৎ যার উপর হজ্জ ফরয হবে), তার পক্ষে স্ত্রীও সাথে নিরাভরণ হওয়া জায়েজ নয় (অর্থাৎ সে যেন নির্জনবাস ও তার সংশ্লিষ্ট কোন কাজ না করে)। না অশোভন কোন কাজ করা (অর্থাৎ কোন প্রকার ফাসিকী বা নাফরমানীমূলক কাজ না করে), না ঝাগড়া-বিবাদ করা (অর্থাৎ ঝগড়া-বিবাদ না করে) হজ্জ্বের সেই সময় জায়েজ নয়।&#8221;</p>
<p>উপরে উল্লেখিত আয়াত শরীফে যে কাজগুলো (নির্জনবাস ও তার সংশ্লিষ্ট কোন কাজ,কোন প্রকার ফাসিকী বা নাফরমানীমূলক কাজ, ঝাগড়া-বিবাদ ইত্যাদি) আল্লাহ পাক-এর তরফ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে (অর্থাৎ হারাম করা হয়েছে)। উক্ত নিষিদ্ধ কাজগুলো যদি হজ্জ করতে গিয়ে করতে বাধ্য হয় বা বাধ্য করা হয় বা করে তাহলে ঈমান ও আমলের নিরাপত্তা থাকেনা। তাই যেখানে ঈমান ও আমলের নিরাপত্তা নেই সেখানে কি করে হজ্জ থাকতে পারে?</p>
<p>প্রসঙ্গে হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে,<em> “আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোন অন্যায় কাজ সংঘটিত হতে দেখে সে যেন তা হাত দ্বারা বাধা দেয়। যদি সে তা হাত দ্বারা বাধা দিতে না পারে তাহলে সে যেন জবান দ্বারা বাধা দেয়। যদি জবানের দ্বারা বাধা দিতে না পারে তাহলে যেন অন্তরে তা ঘৃণা করে দূরে সরে থাকে। আর এটাই সবচেয়ে দূর্বল ঈমানের পরিচয়। এরপর ঈমানের আর সরিষা পরিমাণ অবশিষ্ট নেই।”</em> <strong>(মুসলিম শরীফ)</strong><br />
অর্থাৎ ক্ষমতা থাকলে প্রথমতঃ শক্তি বা বল প্রয়োগ করে উপরোক্ত হারাম কাজগুলো জবরদস্তি করানো বন্ধ করতে হবে। দ্বিতীয়তঃ সেই ক্ষমতা যদি না থাকে তাহলে জবানে বা মুখে বলতে হবে বা জানিয়ে দিতে হবে যে, উপরোক্ত হারাম কাজগুলো করাতে পারবে না। তৃতীয়তঃ যদি জবানে বলার ক্ষমতা না থাকে তাহলে উপরোক্ত হারাম কাজগুলো থেকে দূরে সরে থাকতে হবে। আর এটা হচ্ছে একেবারে দূর্বল ঈমানদারের পরিচয়। এরপরে ঈমানের আর কোন স্তর নেই। অর্থাৎ যারা হাতেও বাধা দিবে না, জবানেও প্রতিবাদ করবে না এবং সে হারাম কাজকে অন্তরে খারাপ জেনে বিরত বা দূরেও সরে থাকবে না বরং তাতে জড়িত হবে হাদীস শরীফ মুতাবিক তাদের ঈমান নেই। তাহলে উপরোক্ত হারাম কাজগুলো করে হজ্জ করা কি করে ফরয থাকতে পারে?</p>
<p>আশা করি, এবার আপনার বুঝতে সমস্যা হচ্ছে না যে, আমার এবং আপনার লেখা আয়াত শরীফ একই অর্থ বহন করে।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: তুষার খান</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/1865/comment-page-1/#comment-1672</link>
		<dc:creator>তুষার খান</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1865#comment-1672</guid>
		<description>@Malcolm X &gt;&gt;&gt; এটা বর্তমান পঞ্চদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত ইমাম সাইয়্যিদ মুহম্মদ দিল্লুর রহমান (মুদ্দা জিল্লুহুল আলী) ছাহেবের ফতওয়া। যিনি বর্তমান যামানার সকল স্বলারদেরও ইমাম। আর আপনি সমূহ ফিক্বাহর কিতাবগুলো (বায়রুর রায়িক, ফতওয়ায়ে আলমগীরী ইত্যাদি) দেখুন।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@Malcolm X &gt;&gt;&gt; এটা বর্তমান পঞ্চদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত ইমাম সাইয়্যিদ মুহম্মদ দিল্লুর রহমান (মুদ্দা জিল্লুহুল আলী) ছাহেবের ফতওয়া। যিনি বর্তমান যামানার সকল স্বলারদেরও ইমাম। আর আপনি সমূহ ফিক্বাহর কিতাবগুলো (বায়রুর রায়িক, ফতওয়ায়ে আলমগীরী ইত্যাদি) দেখুন।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: তুষার খান</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/1865/comment-page-1/#comment-1671</link>
		<dc:creator>তুষার খান</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1865#comment-1671</guid>
		<description>@Malcolm X &gt;&gt;&gt; জ্বি না, মহিলাদের জন্য মাহ্‌রাম ছাড়া ছফর করা জায়িয নেই। তবে মাহ্‌রামসহ ছফরকারিণী পরহেযগার মহিলার তত্ত্বাবধানে আরো একাধিক মহিলা ছফরসঙ্গী হিসেবে থাকলে খাছ পর্দার শর্তে তাদের ছফর জায়িয। তত্ত্বাবধায়ক মহিলার মাহ্‌রামই সকলের মাহ্‌রামের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ধার্য হবে। তাই এমন ছফর শরীয়ত মতে জায়িয।
এখন প্রশ্ন হতে পারে মাহ্‌রামের এ বিষয়টি হজ্জের ক্ষেত্রে কেন প্রযোজ্য হবে না? এ উত্তরে বলতে হয়
“ইমাম কুদূরী রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি বলেন, (মহিলাদের ব্যাপারে গ্রহণযোগ্য বিধান হলো, তার সাথে তার কোন মাহ্‌রাম যেমনঃ পিতা, ভাই, ছেলে ইত্যাদি অথবা তার স্বামী হজ্জ করবে। মহিলার জন্য তার মাহ্‌রাম ছাড়া হজ্জ করা জায়িয হবে না। যখন তার বাড়ী এবং মক্কা শরীফের মধ্যে তিনদিনের (৪৮ মাইল) বা তার বেশী সময়ের দুরত্ব হয়).......... আমাদের হানাফীগণের দলীল হলো, আখিরী রসূল হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
لاَ تَحُجُّنَ اِمْرَأَةٌ اِلاَّ وَمَعَهَا مَحْرَمٌ
অর্থাৎ- কোন স্ত্রী লোক যেন মাহ্‌রাম ছাড়া হজ্জ করতে না যায়। কেননা এতে ফিতনা-ফাসাদের আশংকা রয়েছে।..............(মহিলা যদি মাহ্‌রাম পেয়ে যায়, তবে স্বামীর পক্ষ থেকে তাকে বাধা দেয়ার অধিকার থাকবে না।)........আমাদের হানাফীগণের দলীল হলো, স্বামীর অধিকার ফরয সমূহ পালনের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে না। আর হজ্জ ফরয সমূহের অন্তর্ভূক্ত। তবে নফল হজ্জের ক্ষেত্রে স্বামীর বাধা প্রদানের অধিকার রয়েছে। মাহ্‌রাম যদি ফাসিক হয়। সেক্ষেত্রে ফক্বীহগণ বলেছেন, মহিলার উপর হজ্জ ফরয হবেনা। কেননা সফর সঙ্গী হওয়ার উদ্দেশ্য এমন ফাসিক মাহ্‌রামের দ্বারা হাছিল হবে না।..........শিশু, বালক এবং পাগল মাহ্‌রাম গ্রহণযোগ্য নয়। কেননা, তার পক্ষ থেকে হিফাযত হাছিল হবে না। যে বালিকা প্রাপ্ত বয়স্কার সীমায় উপনীত হয়েছে, সে প্রাপ্ত বয়স্কার সমতূল্য। কাজেই মাহ্‌রাম ছাড়া তাকে নিয়ে ছফর করা জায়িয নেই।” &lt;strong&gt;(আল হিদায়া মায়াদ দিরায়া ১ম খন্ড ২৩৩ পৃষ্ঠা, ফতহুল ক্বদীর, কিফায়া, শরহুল ইনায়া)&lt;/strong&gt;</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@Malcolm X &gt;&gt;&gt; জ্বি না, মহিলাদের জন্য মাহ্‌রাম ছাড়া ছফর করা জায়িয নেই। তবে মাহ্‌রামসহ ছফরকারিণী পরহেযগার মহিলার তত্ত্বাবধানে আরো একাধিক মহিলা ছফরসঙ্গী হিসেবে থাকলে খাছ পর্দার শর্তে তাদের ছফর জায়িয। তত্ত্বাবধায়ক মহিলার মাহ্‌রামই সকলের মাহ্‌রামের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ধার্য হবে। তাই এমন ছফর শরীয়ত মতে জায়িয।<br />
এখন প্রশ্ন হতে পারে মাহ্‌রামের এ বিষয়টি হজ্জের ক্ষেত্রে কেন প্রযোজ্য হবে না? এ উত্তরে বলতে হয়<br />
“ইমাম কুদূরী রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি বলেন, (মহিলাদের ব্যাপারে গ্রহণযোগ্য বিধান হলো, তার সাথে তার কোন মাহ্‌রাম যেমনঃ পিতা, ভাই, ছেলে ইত্যাদি অথবা তার স্বামী হজ্জ করবে। মহিলার জন্য তার মাহ্‌রাম ছাড়া হজ্জ করা জায়িয হবে না। যখন তার বাড়ী এবং মক্কা শরীফের মধ্যে তিনদিনের (৪৮ মাইল) বা তার বেশী সময়ের দুরত্ব হয়)&#8230;&#8230;&#8230;. আমাদের হানাফীগণের দলীল হলো, আখিরী রসূল হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন,<br />
لاَ تَحُجُّنَ اِمْرَأَةٌ اِلاَّ وَمَعَهَا مَحْرَمٌ<br />
অর্থাৎ- কোন স্ত্রী লোক যেন মাহ্‌রাম ছাড়া হজ্জ করতে না যায়। কেননা এতে ফিতনা-ফাসাদের আশংকা রয়েছে।&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;..(মহিলা যদি মাহ্‌রাম পেয়ে যায়, তবে স্বামীর পক্ষ থেকে তাকে বাধা দেয়ার অধিকার থাকবে না।)&#8230;&#8230;..আমাদের হানাফীগণের দলীল হলো, স্বামীর অধিকার ফরয সমূহ পালনের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে না। আর হজ্জ ফরয সমূহের অন্তর্ভূক্ত। তবে নফল হজ্জের ক্ষেত্রে স্বামীর বাধা প্রদানের অধিকার রয়েছে। মাহ্‌রাম যদি ফাসিক হয়। সেক্ষেত্রে ফক্বীহগণ বলেছেন, মহিলার উপর হজ্জ ফরয হবেনা। কেননা সফর সঙ্গী হওয়ার উদ্দেশ্য এমন ফাসিক মাহ্‌রামের দ্বারা হাছিল হবে না।&#8230;&#8230;&#8230;.শিশু, বালক এবং পাগল মাহ্‌রাম গ্রহণযোগ্য নয়। কেননা, তার পক্ষ থেকে হিফাযত হাছিল হবে না। যে বালিকা প্রাপ্ত বয়স্কার সীমায় উপনীত হয়েছে, সে প্রাপ্ত বয়স্কার সমতূল্য। কাজেই মাহ্‌রাম ছাড়া তাকে নিয়ে ছফর করা জায়িয নেই।” <strong>(আল হিদায়া মায়াদ দিরায়া ১ম খন্ড ২৩৩ পৃষ্ঠা, ফতহুল ক্বদীর, কিফায়া, শরহুল ইনায়া)</strong></p>
]]></content:encoded>
	</item>
</channel>
</rss>
