<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
		>
<channel>
	<title>Comments on: যামানার মুজাদ্দিদ ও ইমাম  </title>
	<atom:link href="http://www.peaceinislam.com/tusharzia/2005/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/2005/</link>
	<description>Islamic Blog Site in Bangla</description>
	<lastBuildDate>Fri, 03 Feb 2023 08:44:23 +0600</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
		<item>
		<title>By: Peace In Islam &#187; Blog Archive &#187; রাজারবাগের পীর ও কাদিয়ানী-এর মধ্যে মিল : ভন্ডের মুখোশ উন্মোচন</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/2005/comment-page-1/#comment-2384</link>
		<dc:creator>Peace In Islam &#187; Blog Archive &#187; রাজারবাগের পীর ও কাদিয়ানী-এর মধ্যে মিল : ভন্ডের মুখোশ উন্মোচন</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2005#comment-2384</guid>
		<description>[...] আমাকে সে সবের উত্তর না দিয়ে আমাকে &#8220;হাফিজুর রহমান ওরফে ম্যালকলম এক্স&#8221; বলে গালাগালি করেছে এবং মোনাফেক [...]</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>[...] আমাকে সে সবের উত্তর না দিয়ে আমাকে &#8220;হাফিজুর রহমান ওরফে ম্যালকলম এক্স&#8221; বলে গালাগালি করেছে এবং মোনাফেক [...]</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: তুষার (ﭡﺸر)</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/2005/comment-page-1/#comment-2381</link>
		<dc:creator>তুষার (ﭡﺸر)</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2005#comment-2381</guid>
		<description>&lt;strong&gt;হাফিজুর রহমান ওরফে Malcolm X,&lt;/strong&gt; আপনাকে ইতিপূর্বে যত দলীল দেয়া হয়েছে তার প্রায় সবগুলোই কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসের আলোকে প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু এখন বিনা দলীলে ৪ টি বক্তব্য পেশ করা হচ্ছে। 
১. বিনা দলীলে আল্লাহ পাক এক।
২. বিনা দলীলে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর হাবীব ও রসূল।
৩. বিনা দলীলে রাজারবাগ শরীফের মুর্শিদ ক্বিবলা বর্তমান যামানার মুজাদ্দিদ ও ইমাম।
৪. বিনা দলীল হাফিজুর রহমান ওরফে Malcolm X হচ্ছে উবাই বিন সুলুল অর্থাৎ বর্তমান যামানার মুনাফিক সর্দার।
আল্লাহ পাক হাফিজুর রহমান ওরফে Malcolm X–এর কপালে  হেদায়ত না থাকলে জমিন থেকে নিশ্চিন্ন করে দিন। আমিন।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><strong>হাফিজুর রহমান ওরফে Malcolm X,</strong> আপনাকে ইতিপূর্বে যত দলীল দেয়া হয়েছে তার প্রায় সবগুলোই কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসের আলোকে প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু এখন বিনা দলীলে ৪ টি বক্তব্য পেশ করা হচ্ছে।<br />
১. বিনা দলীলে আল্লাহ পাক এক।<br />
২. বিনা দলীলে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর হাবীব ও রসূল।<br />
৩. বিনা দলীলে রাজারবাগ শরীফের মুর্শিদ ক্বিবলা বর্তমান যামানার মুজাদ্দিদ ও ইমাম।<br />
৪. বিনা দলীল হাফিজুর রহমান ওরফে Malcolm X হচ্ছে উবাই বিন সুলুল অর্থাৎ বর্তমান যামানার মুনাফিক সর্দার।<br />
আল্লাহ পাক হাফিজুর রহমান ওরফে Malcolm X–এর কপালে  হেদায়ত না থাকলে জমিন থেকে নিশ্চিন্ন করে দিন। আমিন।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: দ্য মুসলিম</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/2005/comment-page-1/#comment-2311</link>
		<dc:creator>দ্য মুসলিম</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2005#comment-2311</guid>
		<description>@Malcolm X,ধন্যবাদ। অনেক কিছু জানতে পারলাম। (F)</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@Malcolm X,ধন্যবাদ। অনেক কিছু জানতে পারলাম। <img src='http://www.peaceinislam.com/wp-content/plugins/smilies-themer/Yahoo/rose.png' alt='(F)' class='wp-smiley' /> </p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Malcolm X</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/2005/comment-page-1/#comment-2310</link>
		<dc:creator>Malcolm X</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2005#comment-2310</guid>
		<description>@তুষার খান , 
&lt;strong&gt;
এখন আপনার কথা প্রসঙ্গ থেকেই আপনাকেই একটি প্রশ্ন করতে চাই। তাহলো ষষ্ঠ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত ইমাম সাইয়্যিদ আব্দুল ক্বাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি, তিনি বালক বয়সে ইলম অর্জনের জন্য তাঁর মায়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ইরাকের বাগদাদে চলে আসেন এবং তিনি ৯০ বছর দুনিয়াবী হায়াতে ছিলেন। কিন্তু বাগদাদে আসার পর কোন দিন তাঁর মায়ের সাথে দেখা-সাক্ষাত করেননি, এমনকি তাঁর মায়ের জানাযায়ও শরীক হননি অর্থাৎ তাঁর মায়ের সাথে তাঁর সম্পর্ক খারাপ ছিল। (নাঊযুবিল্লাহ) এর কি জবাব দিবেন?&lt;/strong&gt;

পীরের বাসার সামনে পারমিশন ছাড়া ওয়াজ করে তার সাথে দেখা না করে যে মুরীদ ব্যায়াদপের মতো চলে আসে , সেই মূরীদের সাথে পীর সাহেবের রুহানী সম্পর্ক আছে আপনি বলতে চান ?  যেটায় শরীয়তের দলীল নেই , সেটা রুহানী ভাবে চালিয়ে দেয়া তো আপনাদের স্বভাব ? তাই না ?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@তুষার খান ,<br />
<strong><br />
এখন আপনার কথা প্রসঙ্গ থেকেই আপনাকেই একটি প্রশ্ন করতে চাই। তাহলো ষষ্ঠ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত ইমাম সাইয়্যিদ আব্দুল ক্বাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি, তিনি বালক বয়সে ইলম অর্জনের জন্য তাঁর মায়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ইরাকের বাগদাদে চলে আসেন এবং তিনি ৯০ বছর দুনিয়াবী হায়াতে ছিলেন। কিন্তু বাগদাদে আসার পর কোন দিন তাঁর মায়ের সাথে দেখা-সাক্ষাত করেননি, এমনকি তাঁর মায়ের জানাযায়ও শরীক হননি অর্থাৎ তাঁর মায়ের সাথে তাঁর সম্পর্ক খারাপ ছিল। (নাঊযুবিল্লাহ) এর কি জবাব দিবেন?</strong></p>
<p>পীরের বাসার সামনে পারমিশন ছাড়া ওয়াজ করে তার সাথে দেখা না করে যে মুরীদ ব্যায়াদপের মতো চলে আসে , সেই মূরীদের সাথে পীর সাহেবের রুহানী সম্পর্ক আছে আপনি বলতে চান ?  যেটায় শরীয়তের দলীল নেই , সেটা রুহানী ভাবে চালিয়ে দেয়া তো আপনাদের স্বভাব ? তাই না ?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Malcolm X</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/2005/comment-page-1/#comment-2309</link>
		<dc:creator>Malcolm X</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2005#comment-2309</guid>
		<description>@@তুষার (ﭡﺸر) , 
&lt;strong&gt;
রাজারবাগ শরীফ-এর মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী যাত্রাবাড়ীর মুর্শিদ ক্বিবলা রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি-এর জানাযায় যাননি। আপনার উক্ত বক্তব্যটি সঠিক কিন্তু এর ব্যাখ্যা নিতান্ত বিদ্বেষপূর্ণ। কেননা যাত্রাবাড়ীর মুর্শিদ ক্বিবলা রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিও তাঁর মুর্শিদ ক্বিবলা রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি-এর জানাযায় যাননি। এর দ্বারা রাজারবাগ শরীফ-এর মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তাঁর মুর্শিদ ক্বিবলা (যাত্রাবাড়ীর মুর্শিদ ক্বিবলা) রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি-এর একখানা সুন্নত আদায় করেছেন। যাদের রূহানিয়ত নেই তাদের দ্বারা এর মর্ম বুঝা অসম্ভব। তাদের দ্বারা সম্ভব এর অপব্যাখ্যা করা।
&lt;/strong&gt;

তুষার খান, এটা আপনার পীর সাহেবের অনেকগুলো মিথ্যার  মধ্যে আরও একটি মিথ্যা । আসল ঘটনা আমার থেকে শুনুন ।

ওয়াজীউল্লাহ (রহ:) এর পীর সাহেব নহুজুর (রহ:) মারা যান পশ্চিমবংগে আর তখন যাত্রাবারীর হুজুর ছিলেন বাংলাদেশে । এক দেশ থেকে আর এক দেশে তখন স্বল্প সময়ের মধ্যে যাওয়া সম্ভব ছিল না ।  সেই জন্য উনি জানাজায় যেতে পারেন নাই।  আর যাত্রাবারীর হুজুর ওয়াজীউল্লাহ (রহ:) যখন মারা যান তখন রাজারবাগের পীর ছিলেন রাজারবাগে , মাত্র ৩০ মিনিটের রাস্তা । দুইবার যাত্রাবারীর থেকে খবর পাঠানোর পরো আপনার পীর সাহেব যান নাই । কেনো যায় নাই সেটা শুনুন । উনি মনে করেছিলেন যদি জানাজায় যান , আর সেখানকার কেউ যদি দিল্লুর রহমানকে জানাজার ইমামতি করতে না দ্যান , তাহলে সবাই বলবে উনি প্রধান খলীফা না । এই সংশয় উনার মধ্যে ছিল । তাই সে জানাজায় যায় নাই । কিন্তু মুরীদদের কাছে সেটা জায়েজ করার জন্য আপনার পীর এই গল্প ফাদে। পীরের সুন্নত এর প্রতি উনার যদি এতই দরদ থাকে তাহলে আপনার পীর দিল্লুর রহমানকে বলুন উনার পীরের মতো ২টা বিয়ে করুক । সেই সুন্নত তো পালন করে না , যেটা তার দলীলের জন্য সুবিধা সেটাই বলে বেরায় । 

আমার প্রতি গোস্বা না করে , নিজের পীরকে চেনার চেষ্টা করুন । আপনাদের রাজারবাগের সিনিয়ের মুরীদের সাথে আলোচনা করুন , তারা এগুলো সবই জানে ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@@তুষার (ﭡﺸر) ,<br />
<strong><br />
রাজারবাগ শরীফ-এর মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী যাত্রাবাড়ীর মুর্শিদ ক্বিবলা রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি-এর জানাযায় যাননি। আপনার উক্ত বক্তব্যটি সঠিক কিন্তু এর ব্যাখ্যা নিতান্ত বিদ্বেষপূর্ণ। কেননা যাত্রাবাড়ীর মুর্শিদ ক্বিবলা রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিও তাঁর মুর্শিদ ক্বিবলা রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি-এর জানাযায় যাননি। এর দ্বারা রাজারবাগ শরীফ-এর মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তাঁর মুর্শিদ ক্বিবলা (যাত্রাবাড়ীর মুর্শিদ ক্বিবলা) রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি-এর একখানা সুন্নত আদায় করেছেন। যাদের রূহানিয়ত নেই তাদের দ্বারা এর মর্ম বুঝা অসম্ভব। তাদের দ্বারা সম্ভব এর অপব্যাখ্যা করা।<br />
</strong></p>
<p>তুষার খান, এটা আপনার পীর সাহেবের অনেকগুলো মিথ্যার  মধ্যে আরও একটি মিথ্যা । আসল ঘটনা আমার থেকে শুনুন ।</p>
<p>ওয়াজীউল্লাহ (রহ:) এর পীর সাহেব নহুজুর (রহ:) মারা যান পশ্চিমবংগে আর তখন যাত্রাবারীর হুজুর ছিলেন বাংলাদেশে । এক দেশ থেকে আর এক দেশে তখন স্বল্প সময়ের মধ্যে যাওয়া সম্ভব ছিল না ।  সেই জন্য উনি জানাজায় যেতে পারেন নাই।  আর যাত্রাবারীর হুজুর ওয়াজীউল্লাহ (রহ:) যখন মারা যান তখন রাজারবাগের পীর ছিলেন রাজারবাগে , মাত্র ৩০ মিনিটের রাস্তা । দুইবার যাত্রাবারীর থেকে খবর পাঠানোর পরো আপনার পীর সাহেব যান নাই । কেনো যায় নাই সেটা শুনুন । উনি মনে করেছিলেন যদি জানাজায় যান , আর সেখানকার কেউ যদি দিল্লুর রহমানকে জানাজার ইমামতি করতে না দ্যান , তাহলে সবাই বলবে উনি প্রধান খলীফা না । এই সংশয় উনার মধ্যে ছিল । তাই সে জানাজায় যায় নাই । কিন্তু মুরীদদের কাছে সেটা জায়েজ করার জন্য আপনার পীর এই গল্প ফাদে। পীরের সুন্নত এর প্রতি উনার যদি এতই দরদ থাকে তাহলে আপনার পীর দিল্লুর রহমানকে বলুন উনার পীরের মতো ২টা বিয়ে করুক । সেই সুন্নত তো পালন করে না , যেটা তার দলীলের জন্য সুবিধা সেটাই বলে বেরায় । </p>
<p>আমার প্রতি গোস্বা না করে , নিজের পীরকে চেনার চেষ্টা করুন । আপনাদের রাজারবাগের সিনিয়ের মুরীদের সাথে আলোচনা করুন , তারা এগুলো সবই জানে ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Malcolm X</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/2005/comment-page-1/#comment-2308</link>
		<dc:creator>Malcolm X</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2005#comment-2308</guid>
		<description>@তুষার (ﭡﺸر) 

&lt;strong&gt;উনি সিম্পল বিএ পাশ। এই মন্তব্যটি ডাহা একটি মিথ্যা। &lt;/strong&gt;

আমি তো জানতাম উনি বি এ পাশ , আপনি বলছেন সেটা মিথ্যা । উনি কি বি এ পাশ-ও করেন নাই ?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@তুষার (ﭡﺸر) </p>
<p><strong>উনি সিম্পল বিএ পাশ। এই মন্তব্যটি ডাহা একটি মিথ্যা। </strong></p>
<p>আমি তো জানতাম উনি বি এ পাশ , আপনি বলছেন সেটা মিথ্যা । উনি কি বি এ পাশ-ও করেন নাই ?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Malcolm X</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/2005/comment-page-1/#comment-2303</link>
		<dc:creator>Malcolm X</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2005#comment-2303</guid>
		<description>@তুষার (ﭡﺸر),

তুষার খান, আমি ওলী আল্লাহ অস্বীকার করছি না , আমার তাদের প্রতি সম্পূর্ন বিশ্বাস আছে । সুতরাং আমাকে বিস্তারিত বোঝানোর দরকার নেই একজন ওলী আল্লাহ ( রহ:) কি কি করেন । আমার প্রশ্ন হলে একজন সুদী মহাজন কিভাবে ওলী আল্লাহ হতে পারেন । আপনার পীর সাহেব সুদে লোন নিয়ে মুহাম্মদীয়া মেডিকেল সার্ভিসেস করেছে । এইরকম একজন সুদী মহাজনকে আপনি কিভাবে আল্লাহর ওলী বলেন সেটা আমাকে খোলাসা করেন ।  

আর আপনি বলছেন সম্পুর্ন সুন্নত অনুসরন করেন আপনার মামদুহ পীর সাহেব কিবলা , মাথার তালু থেকে পায়ের তালু পর্যন্ত ।  এখন যে হেলিকপ্টারে চড়ে ওয়াজ করতে যায়, গাড়ীর মধ্যে টন কে টন এ সি নিয়ে ওয়াজ করতে যায়, হোটেলে মেয়েলোকের মধ্যে বোরকা পড়ে লুকিয়ে থাকে সে কিভাবে আল্লাহর ওলী হয় তা তো বুঝলাম না । আর আপনি খেপতেছেন কেনো , আমি যদি ভুল বলে থাকি তাহলে সেটা দলীল দিয়ে খন্ডান । 

আর আপনাদের খালাম্মা হুজুর নাকি আম্মা হুজুর তার নাকি ১০০ ভরি গহনা , এক জন আল্লাহর ওলীর বউ এর কিভাবে ১০০ ভরি গহনা থাকে সেটা আমাদের বুঝান । 

আমার প্রশ্নের উত্তর দেবার আগে আপনি আগে যাচাই বাছাই করে নিবেন । আগেই ক্ষেপে যাবেন না  । আপনাদের মুরীদ &quot;আবু আশরাফ&quot; , &quot;মুসা&quot; , &quot;রুহুল হাসান&quot; , &quot;সাইফুল্লাহ&quot; , &quot;সালাউদ্দিন&quot; , &quot;সোহেল&quot; সবগুলির সাথে আমার পরিচয় ছিল এবং আছে । সবার থেকে আমি এই সব ইনফরমেশন নিয়েছি । সুতরাং আগে যাচাই করেন ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@তুষার (ﭡﺸر),</p>
<p>তুষার খান, আমি ওলী আল্লাহ অস্বীকার করছি না , আমার তাদের প্রতি সম্পূর্ন বিশ্বাস আছে । সুতরাং আমাকে বিস্তারিত বোঝানোর দরকার নেই একজন ওলী আল্লাহ ( রহ:) কি কি করেন । আমার প্রশ্ন হলে একজন সুদী মহাজন কিভাবে ওলী আল্লাহ হতে পারেন । আপনার পীর সাহেব সুদে লোন নিয়ে মুহাম্মদীয়া মেডিকেল সার্ভিসেস করেছে । এইরকম একজন সুদী মহাজনকে আপনি কিভাবে আল্লাহর ওলী বলেন সেটা আমাকে খোলাসা করেন ।  </p>
<p>আর আপনি বলছেন সম্পুর্ন সুন্নত অনুসরন করেন আপনার মামদুহ পীর সাহেব কিবলা , মাথার তালু থেকে পায়ের তালু পর্যন্ত ।  এখন যে হেলিকপ্টারে চড়ে ওয়াজ করতে যায়, গাড়ীর মধ্যে টন কে টন এ সি নিয়ে ওয়াজ করতে যায়, হোটেলে মেয়েলোকের মধ্যে বোরকা পড়ে লুকিয়ে থাকে সে কিভাবে আল্লাহর ওলী হয় তা তো বুঝলাম না । আর আপনি খেপতেছেন কেনো , আমি যদি ভুল বলে থাকি তাহলে সেটা দলীল দিয়ে খন্ডান । </p>
<p>আর আপনাদের খালাম্মা হুজুর নাকি আম্মা হুজুর তার নাকি ১০০ ভরি গহনা , এক জন আল্লাহর ওলীর বউ এর কিভাবে ১০০ ভরি গহনা থাকে সেটা আমাদের বুঝান । </p>
<p>আমার প্রশ্নের উত্তর দেবার আগে আপনি আগে যাচাই বাছাই করে নিবেন । আগেই ক্ষেপে যাবেন না  । আপনাদের মুরীদ &#8220;আবু আশরাফ&#8221; , &#8220;মুসা&#8221; , &#8220;রুহুল হাসান&#8221; , &#8220;সাইফুল্লাহ&#8221; , &#8220;সালাউদ্দিন&#8221; , &#8220;সোহেল&#8221; সবগুলির সাথে আমার পরিচয় ছিল এবং আছে । সবার থেকে আমি এই সব ইনফরমেশন নিয়েছি । সুতরাং আগে যাচাই করেন ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: তুষার (ﭡﺸر)</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/2005/comment-page-1/#comment-2259</link>
		<dc:creator>তুষার (ﭡﺸر)</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2005#comment-2259</guid>
		<description>@Areef  &gt;&gt;&gt; “মুজাদ্দিদ” (مُجَدِيْدُ) শব্দটি কর্তৃবাচক যার ক্রিয়ামূল হচ্ছে “তাজদীদ” (تَجْدِيْدُ), আর তাজদীদ শব্দের অর্থ হচ্ছে দ্বীনের পুণঃপ্রচলন বা সংস্কার করা। যিনি উক্ত কার্যটি সম্পাদন করেন অর্থাৎ তাজদীদ করেন তাঁকে &lt;strong&gt;মুজাদ্দিদ বা দ্বীন সংস্কারক&lt;/strong&gt; বলে।
আখিরী নবী, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুসালীন, খতামুন্‌ নবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পর মানব জাতিকে মহান আল্লাহ্‌ পাক-এর রুবুবিয়াতের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য আল্লাহ্‌ পাক ওয়ারাসাতুল আম্বিয়া বা হাক্কানী আলিম বা আউলিয়ায়ে কিরাম রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণকে প্রেরণ করেন। তাঁদের মধ্যে যিনি স্ব স্ব যামানা বা শতাব্দির খাছ বা মূল হন, তাঁকে বলা হয় মুজাদ্দিদ।
দ্বীন ইসলামের মধ্যে যে সকল কুসংস্কার প্রবেশ করে, যামানার মুজাদ্দিদ তা দূরীভূত করে হাক্বীক্বী ইসলামী আদর্শ্য ক্বায়িম করেন, লুপ্তপ্রায় সুন্নতকে যিন্দা করেন, মানুষের ঈমান, আমল ও আক্বীদা নবায়ন করেন। 
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রত্যেক হিজরী শতকের শুরুতে মুজাদ্দিদ আগমনের ভবিষ্যতবাণী যেরূপ অনিবার্য ও অকাট্যরূপে সত্য, ঠিক তারই ধারাবাহিকতায় ১৪০০ হিজরী শতকের শেষে ১৫০০ হিজরী শতকের শুরুতে একজন মুজাদ্দিদ-এর উপস্থিতও অনিবার্য, আগমণও সত্য।
উল্লেখ্য যে, কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ “মুজাদ্দিদুয্‌ যামান”-এর আমভাবে পরিচয় দেয়া হয়েছে অর্থাৎ প্রত্যেক শতকে “মুজাদ্দিদুয্‌ যামান” থাকবেন তা দলীলে ক্বেত্বয়ী বা অকাট্ট দলীল দ্বারা ছাবিত। কিন্তু তিনি কে? তাঁর পরিচয় কি? তা দলীলে যন্নী দ্বারা ছাবিত।
তবে সেই দলীলে যন্নী আহ্‌লে ইলম রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণের নিকট এমন সুস্পষ্ট ব্যাপকতা লাভ করে যে, তা মুতাওয়াতির-এর পর্যায় পৌঁছে যায়। ফলে, তা ইয়াক্বীনী-এর ফায়দা দান করে। কারণ “মুজাদ্দিদুয্‌ যামান”-এর তাজদীদ বা সংস্কারমূলক কাজের দ্বারা তাঁর যাহিরী (বাহ্যিক) পরিচয় ফুটে উঠে। আর বাতিনী (আভ্যন্তরীণ) দিক সেই যামানার ইমাম-মুজতাহিদ, হক্কানী আলিম, গাউছ, কুতুব, আব্দাল, মু’মিন মুত্তাক্বী ব্যক্তিবর্গের নিকট ফুটে উঠে। তাঁরা তাঁর “মুজাদ্দিদুয্‌ যামান” হওয়ার ব্যাপারে সুনিশ্চিত হন। কারণ কাশ্‌ফ, মুরাকাবা-মুশাহাদা ইত্যাদির মাধ্যমে তাঁর পরিচয় পান। তাঁদেরকে “মুজাদ্দিদুয্‌ যামান” সম্পর্কে সুসংবাদ দেয়া হয়।
তাছাড়া আফদ্বালুল আউলিয়া, ইমামুল মুজতাহিদীন, গাউছে সাক্বালাইন, ইমামে রব্বানী, ক্বাইয়্যুমে আউয়াল, হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি বলেন, &lt;strong&gt;“মুজাদ্দিদুয্‌ যামানা হচ্ছেন সেই যামানার সবচেয়ে সম্মানিত এবং মর্যাদাবান ব্যক্তিত্ব। যাঁর ওসীলায় সেই যুগের সকল কুতুব, আব্দাল, আওতাদ, নুজাবা, নুকাবাসহ সকল উম্মত ফয়েজ ও নূর লাভ করে থাকেন।”&lt;/strong&gt; &lt;em&gt;(মাকতুবাত শরীফ)&lt;/em&gt;
সঙ্গতকারণে সকলের নিকট তিনি পরিচিতি লাভ করেন। সবার নিকটেই তিনি স্মরণীয়-বরণীয় হন। তবে বেদ্বীন-বিজাতীয়, ফাসিক-ফুজ্জার এবং উলামায়ে ‘ছূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী দুনিয়াদার আলিমগণ (যারা দ্বীনের বিনিময়ে দুনিয়া হাছিল করে) সেই হুকুমের আওতাভূক্ত নয়। কারণ তারা “মুজাদ্দিদুয্‌ যামানা”-এর প্রতি বিশেষভাবে শত্রুতা পোষণ করে থাকে।
মূলতঃ তাদের বিরোধীতা, মিথ্যাচার, অপপ্রচার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুজাদ্দিদ হওয়ার ব্যাপারে বাহ্যিক (যাহিরী) দলীল বলা যেতে পারে। যেমনিভাবে আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মি’রাজ শরীফ যে স্বশরীরে হয়েছে তার আক্বলী দলীল হিসেবে পেশ করা হয় কুরাঈশদের আস্বীকার বা বিরোধীতা।
কাজেই আল্লাহ্‌ পাক-এর হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিরোধীতা যে শ্রেণীর লোক করতো তাদের উত্তরসূরীরাই তাঁর নায়িব তথা “মুজাদ্দিদুয্‌ যামানা”-এর  বিরোধীতায় লিপ্ত হয় এবং মুজাদ্দিদ-এর তাজদীদের কাজে বিরোধীতা করে।
মুজাদ্দিদ-এর কাজ তাজদীদ বা সংস্কারকরণ। কাজেই তাজদীদ দ্বারাই মুজাদ্দিদ চেনা যাবে। তিনি দ্বীনি-দুনিয়াবী সকল বিষয়ে সঠিক সমাধান দান করবেন। ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাচসাউফসহ সকল বিষয়ে হবেন পূর্ণতার অধিকারী। তিনি ইলমে লাদুন্নীপ্রাপ্ত। আক্বীদা ও আমলে তিনি হবেন আহ্‌লে সুন্নত ওয়াল জামায়াত-এর অনুসারী। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পরিপূর্ণ ইতায়াত (অনুসরণ-অনুকরণ) করবেন। মাথার তালু হতে পায়ের তলা, হায়াত থেকে মউত পর্যন্ত সুন্নতের পূর্ণ পায়রবী করবেন। মূলতঃ তিনি হবেন মুত্তাক্বীগণের ইমাম।
অতএব, আহ্‌লে সুন্নত ওয়াল জামায়াত-এর বহির্ভূত আক্বীদা-আমলের আধিকারী এবং বাতিল আক্বীদাভূক্ত তথা সুন্নত বর্জনকারী, ফাসিক ব্যক্তি কখনও মুজাদ্দিদ হতে পারে না। তাছাড়া শুধু জাহিরী ইলম ফিক্বাহ অর্জনকারী এবং তার প্রচার-প্রসারকারীকে মুজাদ্দিদ বলা যাবে না। কেননা ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাসাউফ উভয় ইলমই শিক্ষা করা ফরজ। যেখানে ইলমে তাসাউফ ছাড়া আলিমই হয় না, সেখানে মুজাদ্দিদ হয় কিভাবে? কাজেই এরূপ ব্যক্তিকে মুজাদ্দিদ বলা এবং তার ইতায়াত করা কোনটাই জায়িয নেই বরং কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভূক্ত।
একজন মুজাদ্দিদের যত ছিফত বা গুণাবলী থাকা আবশ্যক তা সমস্তই রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর মাঝে সম্মকভাবে বিদ্যমান। সারাবিশ্বে অবস্থানরত মুরীদ-মুতাকিদ, ছূফী-দরবেশগণ তার বহিঃপ্রকাশ। আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, &lt;strong&gt;“আখিরী যামানায় হাতের তালুতে জ্বলন্ত অঙ্গার রাখা যেমন কষ্টকর তার চেয়েও বেশী কষ্টকর হবে ঈমান রাখা।”&lt;/strong&gt; সেই কঠিন যুগেও তাঁর মুরিদ-মুতাকিদগণ সুন্নতের পূর্ণ পাবন্দ। তাহাজ্জুদ গুজার। আহ্‌লে সুন্নত ওয়াল জামায়াত-এর আক্বীদা-আমলে ইস্তিকামাত। মূলতঃ মুজাদ্দিদ আ’যম-এর অনুসরণকারী আলিমা-উলামা, ছূফী-দরবেশ তথা খলীফাগণের দ্বারা যে সকল দ্বীনি-দুনিয়াবী খিদমত হবে সেটাও মুজাদ্দিদে যামান-এরই তাজদীদ বা সংস্কারে অন্তর্ভূক্ত। মাসিক আল বাইয়্যিনাত এবং দৈনিক আল ইহসান পত্রিকাদ্বয় বিদায়াত, বেশরা, কুফরী, শিরকীর মর্মমূলে আঘাত হানছে, ফলে প্রতিটি সংখ্যাই বাতিলের জন্য আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। উলামায়ে ‘ছূ’ এবং তাদের মদদদাতা ইহুদী-খৃষ্টানরা পর্যন্ত আজ শঙ্কিত। দ্বীনি, দুনিয়াবী যত সমস্যাই সৃষ্টি হউক না কেন তার সঠিক সমাধানদাতা রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী এবং তাঁর ইলম ও বিলায়েতের দাপটে বাতিলপন্থীগণ তটস্থ। তিনি হাদীছ শরীফ, তাফসীর, ফিক্বাহ, ফতওয়া, আক্বাইদ, মানতেক-বালাগাত, ভূগোল, ইতিহাস, অর্থনীতি, সমাজনীতি ইত্যাদি যে কোন বিষয়ে আলোচনা করলে মনে হয় যেন তা দেখে দেখে বলছেন। আল্লাহ্‌ পাক যে বলেছেন, &lt;strong&gt;“প্রত্যেক জ্ঞানীর উপর মহাজ্ঞানী আছেন।”&lt;/strong&gt; এই আয়াত শরীফ-এর পরিপূর্ণ মিছদাক্ব হচ্ছেন রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী।
ফারায়েজ বা মীরাসের মাসয়ালা সাধারণতঃ অঙ্ক কষে করা হয়। আর তিনি অঙ্ক কষার কোন প্রয়োজন বোধ করেন না। জাওয়াব শুনলে রীতিমত মনে হয় যেন আগেই তার জাওয়াব প্রস্তুত করে রেখেছিলেন। কাট্টা নাস্তিক, মুরতাদ, হুমায়ূন আহ্‌মদ যখন তার “শ্রাবণ মেঘের দিন” নামক তথাকথিত এক উপন্যাসে লিখলো, “আমাদের আল্লাহর অঙ্ক জ্ঞান তেমন সুবিধার ছিল না। অঙ্কে তিনি সামান্য কাঁচা। সম্পত্তি ভাগের যে আইন কুরআন শরীফ-এ আছে, সেখানে ভুল আছে। যে ভুল হযরত আলী পরে ঠিক করেছিলেন, যাকে আউল বলে।” (নাঊযুবিল্লাহ) তখন তার এই কুফরীমূলক বক্তব্যের যথোপযুক্ত জাওয়াব কে দিবে? উম্মাহ তখন বাংলাদেশের নামী-দামী মাদ্রাসাগুলোর প্রধান, তথাকথিত দেশবরেণ্য আলিমা-উলামাগণের স্মরণাপন্ন হয়েছিল। তারা এ ব্যাপারে মুজাদ্দিদুয্‌ যামান-এর নিকট যাওয়ার পরামর্শ দেন। ফলে উম্মাহ তাঁর নিকট যান। আর তিনি তার সঠিক জাওয়াব দান করেন। ফলে হুমায়ূন আহমদ ওরফে হনুমান আহমকসহ সকল নাস্তিক লা-জাওয়াব হয়ে যায়। এরূপ একটা, দু’টা নয় বরং হাজার হাজার সুওয়াল এসেছে। দেশ-বিদেশের নামী-দামী মুফতী, মুহাদ্দিছ, শায়খুল হাদীছ, শায়খুত্‌ তাফসীর, মুফাস্‌সিরে কুরআন, খতীব ছাহেবানরা তার সঠিক জাওয়াব দিতে পারেননি। পরিশেষে মুজাদ্দিদুয্‌ যামান-এর কাছে পাঠাতে বাধ্য হয়েছে। আর তিনি তার সঠিক সমাধান দিয়ে মুসলিম উম্মাহকে হিহায়েতের উপর ইস্তিক্বামত থাকার সুযোগ করে দিয়েছেন, দিচ্ছেন। আর এটাই স্বাভাবিক। কারণ মুজাদ্দিদুয্‌ যামান তাঁর কাজ অন্যের দ্বারা কিভাবে সম্পাদিত হতে পারে? অতীত ইতিহাসে এরূপ অনেক নজির রয়েছে। ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবূ হানিফা রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন সেই যুগের মুজাদ্দিদ এবং ইমাম। অপরাপর ইমাম ছাহেবগণের হাত ঘুরে তাঁর নিকট অনেক ফতওয়া আসতো, আর তিনি তার সঠিক সমাধান দিতেন।
উল্লেখ্য যে, মুজাদ্দিদুয্‌ যামান-এর স্বপ্ন নিছক কোন স্বপ্ন নয়। মুজাদ্দিদুয্‌ যামান-এর স্বপ্নের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। যেখানে হাদীছ শরীফ-এ মু’মিন ব্যক্তির সত্য স্বপ্নকে নুবুওওয়াতের ছিচল্লিশ ভাগের এক ভাগ বলা হয়েছে। সেখানে “মুজাদ্দিদুয্‌ যামান” ব্যক্তিত্বের স্বপ্নের গুরুত্ব-তাৎপর্যের গভীরতা যে আরো কত ব্যাপক হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়।
হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আতা ইবনে ইয়াছার রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, নিশ্চয়ই আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, &lt;strong&gt;&quot;আমার পরে নুবুওওয়াতের কোন ধারা বাকি থাকবে না। তবে মুবাশ্‌শিরাত বা সুসংবাদের ধারা অব্যাহত থাকবে। তাঁরা (হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম) আরজ করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহু ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুবাশ্‌শিরাত কি? তিনি বললেন, সু-স্বপ্ন। যা কোন আল্লাহ্‌ওয়ালা ব্যক্তি দেখে অথবা কোন আল্লাহ্‌ওয়ালা ব্যক্তি সম্পর্কে অপর কাউকে দেখানো হয়। আর এই প্রকার সু-স্বপ্ন নুবুওওয়াতের ছিচল্লিশ ভাগের এক ভাগ।&quot;&lt;/strong&gt; &lt;em&gt;(মুয়াত্তায়ে ইমাম মালিক, তানবীরুল হাওয়ালিক, মাছওয়া, মুন্তাকা, ফাতহুল মালিক, কাবাস, শরহুয্‌ যুরকানী, আওযাজুল মাসালিক)&lt;/em&gt;
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মুজাদ্দিদ সম্পর্কিত ভবিষ্যতবাণী অনুযায়ীই বর্তমান যামানার মুজাদ্দিদ হচ্ছেন আওলাদুর রসূল, রাজারবাগ শরীফ-এর মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী। যিনি প্রতি পদক্ষেপে ও প্রতিটি ক্ষেত্রে তাজদীদ করে যাচ্ছেন।
মূলতঃ মুজাদ্দিদগণ এমন সব বিষয়েরই তাজদীদ করেন, যা না করলে মানুষের ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে। যেমন এ সম্পর্কে উল্লেখ করা যেতে পারে, বর্তমানে অনেক নামধারী উলামায়ে ‘ছূ’ বলে থাকে যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন, অথচ তা চরম মিথ্যা কথা। আর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর শানে এরূপ মিথ্যা বলা সম্পূর্ণরূপে কুফরী ও জাহান্নামী হওয়ার কারণ। কেননা বর্তমানে যে সমস্ত কিস্তি, পাঁচকল্লি, নেট বা জালি ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণের টুপি রয়েছে, তা কখনো সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যবহার করেননি বা তাঁর যামানায় তা ছিলই না।
কাজেই কোন ব্যক্তি যদি বলে যে, আল্লাহ্‌ পাক-এর হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিস্তি, পাঁচকল্লি, নেট ইত্যাদি টুপি ব্যবহার করেছেন, তাহলে তা তাঁর উপর মিথ্যারোপ করা হবে। অথচ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন,&lt;strong&gt; “যে ব্যক্তি আমার নামে মিথ্যারোপ করে, সে যেন তার স্থা জাহান্নামে নির্ধারণ করে নেয়।”&lt;/strong&gt; &lt;em&gt;(বুখারী শরীফ, ফয়যুল ক্বাদীর, আহ্‌মদ, আবূ দাউদ, নাসাঈ, মুসলিম, তিরমিযী, ইবনে মাযাহ্‌, দাইলামী, মিশকাত)&lt;/em&gt;
উল্লেখ্য, টুপি পরিধান করা সুন্নত, যা ফরয/ওয়াজিব নয়। কিন্তু কোন লোক যদি এ আক্বীদা পোষণ করে বা একথা বলে যে, আল্লাহ্‌ পাক-এর রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন, তবে সে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি মিথ্যারোপ করার কারণে কাফির ও চির জাহান্নামী হবে।
অতএব, বর্তমানে টুপি সম্পর্কিত সঠিক আক্বীদা প্রকাশ না করলে অনেকেই উলামায়ে ‘ছূ’দের উল্লিখিত মনগড়া বক্তব্যের কারণে কুফরীমূলক আক্বীদা পোষণ করে জাহান্নামী হতো। তাই মানুষের ঈমান, আক্বীদা ও আমল হিফাযতের লক্ষ্যে বর্তমান হিজরী পঞ্চদশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী &lt;strong&gt;“চার টুকরা বিশিষ্ট, গোল, সাদা, সুতি কাপড়ের টুপি যা খাছ সুন্নতী টুপি”&lt;/strong&gt;-এর ফতওয়া দিয়েছেন।
হাদীছ শরীফ-এ উল্লেখ করা হয়েছে, &lt;strong&gt;আল্লাহ্‌ পাক হযরত জিব্রাঈল আলাইহিস্‌ সালাম-এর মাধ্যমে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বেহেশতী একটি টুপি মুবারক হাদিয়া দিয়েছিলেন। যা তিনি অধিক পরিমাণে ব্যবহার করতেন এবং পরবর্তীতে খুলাফায়ে রশিদীন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, বিশেষ করে হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে শুরু করে চীশতিয়া খান্দানের অধিকাংশ আউলিয়ায়ে কিরাম রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণ তা ব্যবহার করতেন। এমনকি কাউকে খিলাফত দিলে সেই চার টুকরা বিশিষ্ট, গোল, সাদা, সুতি কাপড়ের টুপি পরিধান করিয়ে খিলাফত দিতেন।&lt;/strong&gt; &lt;em&gt;(আনীসুল আরওয়াহ, দলীলুল আরিফীন, ফাওয়ায়িদুল ফুয়াদ, রাহাতুল মুহিব্বীন, রাহাতুল কুলুব)&lt;/em&gt;
অনুরূপ উলামায়ে ‘ছু’দের বিভিন্ন প্রকার অপপ্রচার ও কুমন্ত্রনার কারণে সাধারণ মানুষ অনেক সুন্নতী আমল থেকে মাহ্‌রূম হচ্ছে, অনেক সুন্নতকে সুন্নত হিসেবে জানা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং সে কারণে সেগুলো পালন থেকেও বিরত থাকছে। উলামায়ে ‘ছূ’রা বহু হারাম-নাজায়িয কাজকে হালাল ও জায়িয বলে অভিহিত করছে, যা কুফরী ও মানুষের ঈমান ঘাটতির কারণ। এ কারণেই বর্তমান যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুশ্‌ শরীয়ত ওয়াত্‌ তরীক্বত, ইমামুল আইম্মা, মুহ্‌ইস সুন্নাহ্‌, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদুয যামান, আওলদুর রসূল, সাইয়্যিদুনা রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী &lt;strong&gt;ইসলামের নামে গণতন্ত্র, মৌলবাদ দাবী করা, লংমার্চ করা, ব্লাসফেমী আইন চাওয়া, হরতাল করা, কুশপুত্তলিকা দাহ করা, ছবি তোলা, নারী নেতৃত্ব মানা ও মহিলাদের সাথে জোট বেধে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করা ও ভোট দেয়া ইত্যাদি হারাম, রোযা অবস্থায় ইঞ্জেকশন নেয়া রোযা ভঙ্গের কারণ, লাল রুমাল তথা পোশাক পুরুষের জন্য ব্যবহার করা হারাম, মহিলাদের জামায়াতের জন্য মসজিদ ও ঈদগাহে যাওয়া আমভাবে মাকরূহ তাহরীমী এবং খাছভাবে কুফরী, তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে পড়া মাকরূহ তাহ্‌রীমী, মীলাদ-ক্বিয়াম সুন্নতে উম্মত-মুস্তাহান, কুরআন শরীফ খতম করে উজরত গ্রহণ করা জায়িয, নিয়ত করে মাজার শরীফ যিয়ারত ও কদমবুছী করা জায়িয ও সুন্নত, ফরয নামাযের পর হাত তুলে মুনাজাত করা সুন্নত, আযানের মধ্যে অঙ্গুলী চুম্বন করা ও আযানের পরে হাত তুলে মুনাজাত করা সুন্নত, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নূরের তৈরী আর আল্লাহ পাক নূর বা আলো নন, পাগড়ী পরিধান করা দায়িমী সুন্নত&lt;/strong&gt; ইত্যাদি অসংখ্য ফতওয়া প্রদান করে দ্বীন ইসলামের ব্যাপক তাজ্‌দীদ ও মানুষের ঈমান, আক্বীদা ও আমল হিফাযতের কোশেশ করে যাচ্ছেন।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@Areef  &gt;&gt;&gt; “মুজাদ্দিদ” (مُجَدِيْدُ) শব্দটি কর্তৃবাচক যার ক্রিয়ামূল হচ্ছে “তাজদীদ” (تَجْدِيْدُ), আর তাজদীদ শব্দের অর্থ হচ্ছে দ্বীনের পুণঃপ্রচলন বা সংস্কার করা। যিনি উক্ত কার্যটি সম্পাদন করেন অর্থাৎ তাজদীদ করেন তাঁকে <strong>মুজাদ্দিদ বা দ্বীন সংস্কারক</strong> বলে।<br />
আখিরী নবী, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুসালীন, খতামুন্‌ নবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পর মানব জাতিকে মহান আল্লাহ্‌ পাক-এর রুবুবিয়াতের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য আল্লাহ্‌ পাক ওয়ারাসাতুল আম্বিয়া বা হাক্কানী আলিম বা আউলিয়ায়ে কিরাম রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণকে প্রেরণ করেন। তাঁদের মধ্যে যিনি স্ব স্ব যামানা বা শতাব্দির খাছ বা মূল হন, তাঁকে বলা হয় মুজাদ্দিদ।<br />
দ্বীন ইসলামের মধ্যে যে সকল কুসংস্কার প্রবেশ করে, যামানার মুজাদ্দিদ তা দূরীভূত করে হাক্বীক্বী ইসলামী আদর্শ্য ক্বায়িম করেন, লুপ্তপ্রায় সুন্নতকে যিন্দা করেন, মানুষের ঈমান, আমল ও আক্বীদা নবায়ন করেন।<br />
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রত্যেক হিজরী শতকের শুরুতে মুজাদ্দিদ আগমনের ভবিষ্যতবাণী যেরূপ অনিবার্য ও অকাট্যরূপে সত্য, ঠিক তারই ধারাবাহিকতায় ১৪০০ হিজরী শতকের শেষে ১৫০০ হিজরী শতকের শুরুতে একজন মুজাদ্দিদ-এর উপস্থিতও অনিবার্য, আগমণও সত্য।<br />
উল্লেখ্য যে, কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ “মুজাদ্দিদুয্‌ যামান”-এর আমভাবে পরিচয় দেয়া হয়েছে অর্থাৎ প্রত্যেক শতকে “মুজাদ্দিদুয্‌ যামান” থাকবেন তা দলীলে ক্বেত্বয়ী বা অকাট্ট দলীল দ্বারা ছাবিত। কিন্তু তিনি কে? তাঁর পরিচয় কি? তা দলীলে যন্নী দ্বারা ছাবিত।<br />
তবে সেই দলীলে যন্নী আহ্‌লে ইলম রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণের নিকট এমন সুস্পষ্ট ব্যাপকতা লাভ করে যে, তা মুতাওয়াতির-এর পর্যায় পৌঁছে যায়। ফলে, তা ইয়াক্বীনী-এর ফায়দা দান করে। কারণ “মুজাদ্দিদুয্‌ যামান”-এর তাজদীদ বা সংস্কারমূলক কাজের দ্বারা তাঁর যাহিরী (বাহ্যিক) পরিচয় ফুটে উঠে। আর বাতিনী (আভ্যন্তরীণ) দিক সেই যামানার ইমাম-মুজতাহিদ, হক্কানী আলিম, গাউছ, কুতুব, আব্দাল, মু’মিন মুত্তাক্বী ব্যক্তিবর্গের নিকট ফুটে উঠে। তাঁরা তাঁর “মুজাদ্দিদুয্‌ যামান” হওয়ার ব্যাপারে সুনিশ্চিত হন। কারণ কাশ্‌ফ, মুরাকাবা-মুশাহাদা ইত্যাদির মাধ্যমে তাঁর পরিচয় পান। তাঁদেরকে “মুজাদ্দিদুয্‌ যামান” সম্পর্কে সুসংবাদ দেয়া হয়।<br />
তাছাড়া আফদ্বালুল আউলিয়া, ইমামুল মুজতাহিদীন, গাউছে সাক্বালাইন, ইমামে রব্বানী, ক্বাইয়্যুমে আউয়াল, হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি বলেন, <strong>“মুজাদ্দিদুয্‌ যামানা হচ্ছেন সেই যামানার সবচেয়ে সম্মানিত এবং মর্যাদাবান ব্যক্তিত্ব। যাঁর ওসীলায় সেই যুগের সকল কুতুব, আব্দাল, আওতাদ, নুজাবা, নুকাবাসহ সকল উম্মত ফয়েজ ও নূর লাভ করে থাকেন।”</strong> <em>(মাকতুবাত শরীফ)</em><br />
সঙ্গতকারণে সকলের নিকট তিনি পরিচিতি লাভ করেন। সবার নিকটেই তিনি স্মরণীয়-বরণীয় হন। তবে বেদ্বীন-বিজাতীয়, ফাসিক-ফুজ্জার এবং উলামায়ে ‘ছূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী দুনিয়াদার আলিমগণ (যারা দ্বীনের বিনিময়ে দুনিয়া হাছিল করে) সেই হুকুমের আওতাভূক্ত নয়। কারণ তারা “মুজাদ্দিদুয্‌ যামানা”-এর প্রতি বিশেষভাবে শত্রুতা পোষণ করে থাকে।<br />
মূলতঃ তাদের বিরোধীতা, মিথ্যাচার, অপপ্রচার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুজাদ্দিদ হওয়ার ব্যাপারে বাহ্যিক (যাহিরী) দলীল বলা যেতে পারে। যেমনিভাবে আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মি’রাজ শরীফ যে স্বশরীরে হয়েছে তার আক্বলী দলীল হিসেবে পেশ করা হয় কুরাঈশদের আস্বীকার বা বিরোধীতা।<br />
কাজেই আল্লাহ্‌ পাক-এর হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিরোধীতা যে শ্রেণীর লোক করতো তাদের উত্তরসূরীরাই তাঁর নায়িব তথা “মুজাদ্দিদুয্‌ যামানা”-এর  বিরোধীতায় লিপ্ত হয় এবং মুজাদ্দিদ-এর তাজদীদের কাজে বিরোধীতা করে।<br />
মুজাদ্দিদ-এর কাজ তাজদীদ বা সংস্কারকরণ। কাজেই তাজদীদ দ্বারাই মুজাদ্দিদ চেনা যাবে। তিনি দ্বীনি-দুনিয়াবী সকল বিষয়ে সঠিক সমাধান দান করবেন। ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাচসাউফসহ সকল বিষয়ে হবেন পূর্ণতার অধিকারী। তিনি ইলমে লাদুন্নীপ্রাপ্ত। আক্বীদা ও আমলে তিনি হবেন আহ্‌লে সুন্নত ওয়াল জামায়াত-এর অনুসারী। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পরিপূর্ণ ইতায়াত (অনুসরণ-অনুকরণ) করবেন। মাথার তালু হতে পায়ের তলা, হায়াত থেকে মউত পর্যন্ত সুন্নতের পূর্ণ পায়রবী করবেন। মূলতঃ তিনি হবেন মুত্তাক্বীগণের ইমাম।<br />
অতএব, আহ্‌লে সুন্নত ওয়াল জামায়াত-এর বহির্ভূত আক্বীদা-আমলের আধিকারী এবং বাতিল আক্বীদাভূক্ত তথা সুন্নত বর্জনকারী, ফাসিক ব্যক্তি কখনও মুজাদ্দিদ হতে পারে না। তাছাড়া শুধু জাহিরী ইলম ফিক্বাহ অর্জনকারী এবং তার প্রচার-প্রসারকারীকে মুজাদ্দিদ বলা যাবে না। কেননা ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাসাউফ উভয় ইলমই শিক্ষা করা ফরজ। যেখানে ইলমে তাসাউফ ছাড়া আলিমই হয় না, সেখানে মুজাদ্দিদ হয় কিভাবে? কাজেই এরূপ ব্যক্তিকে মুজাদ্দিদ বলা এবং তার ইতায়াত করা কোনটাই জায়িয নেই বরং কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভূক্ত।<br />
একজন মুজাদ্দিদের যত ছিফত বা গুণাবলী থাকা আবশ্যক তা সমস্তই রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর মাঝে সম্মকভাবে বিদ্যমান। সারাবিশ্বে অবস্থানরত মুরীদ-মুতাকিদ, ছূফী-দরবেশগণ তার বহিঃপ্রকাশ। আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, <strong>“আখিরী যামানায় হাতের তালুতে জ্বলন্ত অঙ্গার রাখা যেমন কষ্টকর তার চেয়েও বেশী কষ্টকর হবে ঈমান রাখা।”</strong> সেই কঠিন যুগেও তাঁর মুরিদ-মুতাকিদগণ সুন্নতের পূর্ণ পাবন্দ। তাহাজ্জুদ গুজার। আহ্‌লে সুন্নত ওয়াল জামায়াত-এর আক্বীদা-আমলে ইস্তিকামাত। মূলতঃ মুজাদ্দিদ আ’যম-এর অনুসরণকারী আলিমা-উলামা, ছূফী-দরবেশ তথা খলীফাগণের দ্বারা যে সকল দ্বীনি-দুনিয়াবী খিদমত হবে সেটাও মুজাদ্দিদে যামান-এরই তাজদীদ বা সংস্কারে অন্তর্ভূক্ত। মাসিক আল বাইয়্যিনাত এবং দৈনিক আল ইহসান পত্রিকাদ্বয় বিদায়াত, বেশরা, কুফরী, শিরকীর মর্মমূলে আঘাত হানছে, ফলে প্রতিটি সংখ্যাই বাতিলের জন্য আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। উলামায়ে ‘ছূ’ এবং তাদের মদদদাতা ইহুদী-খৃষ্টানরা পর্যন্ত আজ শঙ্কিত। দ্বীনি, দুনিয়াবী যত সমস্যাই সৃষ্টি হউক না কেন তার সঠিক সমাধানদাতা রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী এবং তাঁর ইলম ও বিলায়েতের দাপটে বাতিলপন্থীগণ তটস্থ। তিনি হাদীছ শরীফ, তাফসীর, ফিক্বাহ, ফতওয়া, আক্বাইদ, মানতেক-বালাগাত, ভূগোল, ইতিহাস, অর্থনীতি, সমাজনীতি ইত্যাদি যে কোন বিষয়ে আলোচনা করলে মনে হয় যেন তা দেখে দেখে বলছেন। আল্লাহ্‌ পাক যে বলেছেন, <strong>“প্রত্যেক জ্ঞানীর উপর মহাজ্ঞানী আছেন।”</strong> এই আয়াত শরীফ-এর পরিপূর্ণ মিছদাক্ব হচ্ছেন রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী।<br />
ফারায়েজ বা মীরাসের মাসয়ালা সাধারণতঃ অঙ্ক কষে করা হয়। আর তিনি অঙ্ক কষার কোন প্রয়োজন বোধ করেন না। জাওয়াব শুনলে রীতিমত মনে হয় যেন আগেই তার জাওয়াব প্রস্তুত করে রেখেছিলেন। কাট্টা নাস্তিক, মুরতাদ, হুমায়ূন আহ্‌মদ যখন তার “শ্রাবণ মেঘের দিন” নামক তথাকথিত এক উপন্যাসে লিখলো, “আমাদের আল্লাহর অঙ্ক জ্ঞান তেমন সুবিধার ছিল না। অঙ্কে তিনি সামান্য কাঁচা। সম্পত্তি ভাগের যে আইন কুরআন শরীফ-এ আছে, সেখানে ভুল আছে। যে ভুল হযরত আলী পরে ঠিক করেছিলেন, যাকে আউল বলে।” (নাঊযুবিল্লাহ) তখন তার এই কুফরীমূলক বক্তব্যের যথোপযুক্ত জাওয়াব কে দিবে? উম্মাহ তখন বাংলাদেশের নামী-দামী মাদ্রাসাগুলোর প্রধান, তথাকথিত দেশবরেণ্য আলিমা-উলামাগণের স্মরণাপন্ন হয়েছিল। তারা এ ব্যাপারে মুজাদ্দিদুয্‌ যামান-এর নিকট যাওয়ার পরামর্শ দেন। ফলে উম্মাহ তাঁর নিকট যান। আর তিনি তার সঠিক জাওয়াব দান করেন। ফলে হুমায়ূন আহমদ ওরফে হনুমান আহমকসহ সকল নাস্তিক লা-জাওয়াব হয়ে যায়। এরূপ একটা, দু’টা নয় বরং হাজার হাজার সুওয়াল এসেছে। দেশ-বিদেশের নামী-দামী মুফতী, মুহাদ্দিছ, শায়খুল হাদীছ, শায়খুত্‌ তাফসীর, মুফাস্‌সিরে কুরআন, খতীব ছাহেবানরা তার সঠিক জাওয়াব দিতে পারেননি। পরিশেষে মুজাদ্দিদুয্‌ যামান-এর কাছে পাঠাতে বাধ্য হয়েছে। আর তিনি তার সঠিক সমাধান দিয়ে মুসলিম উম্মাহকে হিহায়েতের উপর ইস্তিক্বামত থাকার সুযোগ করে দিয়েছেন, দিচ্ছেন। আর এটাই স্বাভাবিক। কারণ মুজাদ্দিদুয্‌ যামান তাঁর কাজ অন্যের দ্বারা কিভাবে সম্পাদিত হতে পারে? অতীত ইতিহাসে এরূপ অনেক নজির রয়েছে। ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবূ হানিফা রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন সেই যুগের মুজাদ্দিদ এবং ইমাম। অপরাপর ইমাম ছাহেবগণের হাত ঘুরে তাঁর নিকট অনেক ফতওয়া আসতো, আর তিনি তার সঠিক সমাধান দিতেন।<br />
উল্লেখ্য যে, মুজাদ্দিদুয্‌ যামান-এর স্বপ্ন নিছক কোন স্বপ্ন নয়। মুজাদ্দিদুয্‌ যামান-এর স্বপ্নের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। যেখানে হাদীছ শরীফ-এ মু’মিন ব্যক্তির সত্য স্বপ্নকে নুবুওওয়াতের ছিচল্লিশ ভাগের এক ভাগ বলা হয়েছে। সেখানে “মুজাদ্দিদুয্‌ যামান” ব্যক্তিত্বের স্বপ্নের গুরুত্ব-তাৎপর্যের গভীরতা যে আরো কত ব্যাপক হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়।<br />
হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আতা ইবনে ইয়াছার রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, নিশ্চয়ই আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, <strong>&#8220;আমার পরে নুবুওওয়াতের কোন ধারা বাকি থাকবে না। তবে মুবাশ্‌শিরাত বা সুসংবাদের ধারা অব্যাহত থাকবে। তাঁরা (হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম) আরজ করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহু ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুবাশ্‌শিরাত কি? তিনি বললেন, সু-স্বপ্ন। যা কোন আল্লাহ্‌ওয়ালা ব্যক্তি দেখে অথবা কোন আল্লাহ্‌ওয়ালা ব্যক্তি সম্পর্কে অপর কাউকে দেখানো হয়। আর এই প্রকার সু-স্বপ্ন নুবুওওয়াতের ছিচল্লিশ ভাগের এক ভাগ।&#8221;</strong> <em>(মুয়াত্তায়ে ইমাম মালিক, তানবীরুল হাওয়ালিক, মাছওয়া, মুন্তাকা, ফাতহুল মালিক, কাবাস, শরহুয্‌ যুরকানী, আওযাজুল মাসালিক)</em><br />
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মুজাদ্দিদ সম্পর্কিত ভবিষ্যতবাণী অনুযায়ীই বর্তমান যামানার মুজাদ্দিদ হচ্ছেন আওলাদুর রসূল, রাজারবাগ শরীফ-এর মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী। যিনি প্রতি পদক্ষেপে ও প্রতিটি ক্ষেত্রে তাজদীদ করে যাচ্ছেন।<br />
মূলতঃ মুজাদ্দিদগণ এমন সব বিষয়েরই তাজদীদ করেন, যা না করলে মানুষের ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে। যেমন এ সম্পর্কে উল্লেখ করা যেতে পারে, বর্তমানে অনেক নামধারী উলামায়ে ‘ছূ’ বলে থাকে যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন, অথচ তা চরম মিথ্যা কথা। আর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর শানে এরূপ মিথ্যা বলা সম্পূর্ণরূপে কুফরী ও জাহান্নামী হওয়ার কারণ। কেননা বর্তমানে যে সমস্ত কিস্তি, পাঁচকল্লি, নেট বা জালি ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণের টুপি রয়েছে, তা কখনো সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যবহার করেননি বা তাঁর যামানায় তা ছিলই না।<br />
কাজেই কোন ব্যক্তি যদি বলে যে, আল্লাহ্‌ পাক-এর হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিস্তি, পাঁচকল্লি, নেট ইত্যাদি টুপি ব্যবহার করেছেন, তাহলে তা তাঁর উপর মিথ্যারোপ করা হবে। অথচ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন,<strong> “যে ব্যক্তি আমার নামে মিথ্যারোপ করে, সে যেন তার স্থা জাহান্নামে নির্ধারণ করে নেয়।”</strong> <em>(বুখারী শরীফ, ফয়যুল ক্বাদীর, আহ্‌মদ, আবূ দাউদ, নাসাঈ, মুসলিম, তিরমিযী, ইবনে মাযাহ্‌, দাইলামী, মিশকাত)</em><br />
উল্লেখ্য, টুপি পরিধান করা সুন্নত, যা ফরয/ওয়াজিব নয়। কিন্তু কোন লোক যদি এ আক্বীদা পোষণ করে বা একথা বলে যে, আল্লাহ্‌ পাক-এর রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সব ধরণের টুপি পরিধান করেছেন, তবে সে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি মিথ্যারোপ করার কারণে কাফির ও চির জাহান্নামী হবে।<br />
অতএব, বর্তমানে টুপি সম্পর্কিত সঠিক আক্বীদা প্রকাশ না করলে অনেকেই উলামায়ে ‘ছূ’দের উল্লিখিত মনগড়া বক্তব্যের কারণে কুফরীমূলক আক্বীদা পোষণ করে জাহান্নামী হতো। তাই মানুষের ঈমান, আক্বীদা ও আমল হিফাযতের লক্ষ্যে বর্তমান হিজরী পঞ্চদশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী <strong>“চার টুকরা বিশিষ্ট, গোল, সাদা, সুতি কাপড়ের টুপি যা খাছ সুন্নতী টুপি”</strong>-এর ফতওয়া দিয়েছেন।<br />
হাদীছ শরীফ-এ উল্লেখ করা হয়েছে, <strong>আল্লাহ্‌ পাক হযরত জিব্রাঈল আলাইহিস্‌ সালাম-এর মাধ্যমে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বেহেশতী একটি টুপি মুবারক হাদিয়া দিয়েছিলেন। যা তিনি অধিক পরিমাণে ব্যবহার করতেন এবং পরবর্তীতে খুলাফায়ে রশিদীন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, বিশেষ করে হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে শুরু করে চীশতিয়া খান্দানের অধিকাংশ আউলিয়ায়ে কিরাম রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণ তা ব্যবহার করতেন। এমনকি কাউকে খিলাফত দিলে সেই চার টুকরা বিশিষ্ট, গোল, সাদা, সুতি কাপড়ের টুপি পরিধান করিয়ে খিলাফত দিতেন।</strong> <em>(আনীসুল আরওয়াহ, দলীলুল আরিফীন, ফাওয়ায়িদুল ফুয়াদ, রাহাতুল মুহিব্বীন, রাহাতুল কুলুব)</em><br />
অনুরূপ উলামায়ে ‘ছু’দের বিভিন্ন প্রকার অপপ্রচার ও কুমন্ত্রনার কারণে সাধারণ মানুষ অনেক সুন্নতী আমল থেকে মাহ্‌রূম হচ্ছে, অনেক সুন্নতকে সুন্নত হিসেবে জানা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং সে কারণে সেগুলো পালন থেকেও বিরত থাকছে। উলামায়ে ‘ছূ’রা বহু হারাম-নাজায়িয কাজকে হালাল ও জায়িয বলে অভিহিত করছে, যা কুফরী ও মানুষের ঈমান ঘাটতির কারণ। এ কারণেই বর্তমান যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুশ্‌ শরীয়ত ওয়াত্‌ তরীক্বত, ইমামুল আইম্মা, মুহ্‌ইস সুন্নাহ্‌, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদুয যামান, আওলদুর রসূল, সাইয়্যিদুনা রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী <strong>ইসলামের নামে গণতন্ত্র, মৌলবাদ দাবী করা, লংমার্চ করা, ব্লাসফেমী আইন চাওয়া, হরতাল করা, কুশপুত্তলিকা দাহ করা, ছবি তোলা, নারী নেতৃত্ব মানা ও মহিলাদের সাথে জোট বেধে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করা ও ভোট দেয়া ইত্যাদি হারাম, রোযা অবস্থায় ইঞ্জেকশন নেয়া রোযা ভঙ্গের কারণ, লাল রুমাল তথা পোশাক পুরুষের জন্য ব্যবহার করা হারাম, মহিলাদের জামায়াতের জন্য মসজিদ ও ঈদগাহে যাওয়া আমভাবে মাকরূহ তাহরীমী এবং খাছভাবে কুফরী, তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে পড়া মাকরূহ তাহ্‌রীমী, মীলাদ-ক্বিয়াম সুন্নতে উম্মত-মুস্তাহান, কুরআন শরীফ খতম করে উজরত গ্রহণ করা জায়িয, নিয়ত করে মাজার শরীফ যিয়ারত ও কদমবুছী করা জায়িয ও সুন্নত, ফরয নামাযের পর হাত তুলে মুনাজাত করা সুন্নত, আযানের মধ্যে অঙ্গুলী চুম্বন করা ও আযানের পরে হাত তুলে মুনাজাত করা সুন্নত, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নূরের তৈরী আর আল্লাহ পাক নূর বা আলো নন, পাগড়ী পরিধান করা দায়িমী সুন্নত</strong> ইত্যাদি অসংখ্য ফতওয়া প্রদান করে দ্বীন ইসলামের ব্যাপক তাজ্‌দীদ ও মানুষের ঈমান, আক্বীদা ও আমল হিফাযতের কোশেশ করে যাচ্ছেন।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: তুষার (ﭡﺸر)</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/2005/comment-page-1/#comment-2235</link>
		<dc:creator>তুষার (ﭡﺸر)</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2005#comment-2235</guid>
		<description>@মর্দে মুমিন &gt;&gt;&gt; নিজেই শ্লোগান আউড়ান &quot;&lt;strong&gt;কোরান সুন্নাহ সর্ব যুগে – ইজমা কিয়াস যুগে যুগে।&lt;/strong&gt;&quot; অথচ লক্বব ব্যবহার সুন্নত,সেই সুন্নতকে বলছেন &quot;&lt;strong&gt;এটি তো সময় ও অর্থের অপচয়&lt;/strong&gt;&quot;। আশা করি আপনার এই দ্বিমুখী আচরণের জবাব দিবেন।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@মর্দে মুমিন &gt;&gt;&gt; নিজেই শ্লোগান আউড়ান &#8220;<strong>কোরান সুন্নাহ সর্ব যুগে – ইজমা কিয়াস যুগে যুগে।</strong>&#8221; অথচ লক্বব ব্যবহার সুন্নত,সেই সুন্নতকে বলছেন &#8220;<strong>এটি তো সময় ও অর্থের অপচয়</strong>&#8220;। আশা করি আপনার এই দ্বিমুখী আচরণের জবাব দিবেন।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: তুষার (ﭡﺸر)</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/tusharzia/2005/comment-page-1/#comment-2233</link>
		<dc:creator>তুষার (ﭡﺸر)</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2005#comment-2233</guid>
		<description>@Malcolm X &gt;&gt;&gt; সাধারণত যিনি মুজাদ্দিদ হন, তিনি কোন অবস্থাতেই ইচ্ছাকৃতভাবে সুন্নতের খিলাফ কোন কাজ করেন না। মাথার তালু থেকে পায়ের তলা, হায়াত থেকে মউত পর্যন্ত অর্থাৎ তিনি সমস্ত কাজই করেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্‌ নবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নত অনুযায়ী।
স্মর্তব্য যে, ওলীআল্লাহ্‌ রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণের শানে কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে, “একেক ফুলের একেক রঙ ও ঘ্রাণ।”
অর্থাৎ হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণ প্রত্যেকেই ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্যবান। এক্ষেত্রে বর্তমান যামানার ইমাম ও মুজাদ্দিদ, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর অসংখ্য বৈশিষ্ট্যের মধ্যে একটি বিশেষ ও শ্রেষ্ঠতম বৈশিষ্ট্য হলো, তিনি প্রতি ক্ষেত্রে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্‌ নবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নত-এর অনুসরণ করেন। এক কথায় এতটুকু বলা চলে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর এককভাবে ও একইসাথে যতগুলো সুন্নতের আমল দেখা যায়, তা অন্য কারো আমল বা জীবনীর মধ্যে পাওয়া যায় না। কাজেই কি করে লক্বব ব্যবহারের মতো একটি সুন্নতকে তিনি তরক করতে পারেন? মূলতঃ তিনি কোন অবস্থাতেই সুন্নতের খিলাফ কোন কাজ করেন না। শুধু তাই নয়, তাঁর বরকতময় ছোহ্‌বতের তাছীরে, ছোহ্‌বত অর্জনকারীগণও সুন্নত অনুযায়ী আমল করেন।
প্রকৃতপক্ষে ওলীআল্লাহ্‌ রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণ তাঁদের লক্বব মুবারক প্রকাশ করেন মহান আল্লাহ্‌ পাক-এর পক্ষ থেকে ইল্‌হাম-ইলকার মাধ্যমে নির্দেশ প্রাপ্ত হয়ে। আর যাঁরা মুজাদ্দিদ শ্রেণীর ওলীআল্লাহ্‌, তাঁদের প্রতিটি কথা, কাজ ইত্যাদি যে ইল্‌হাম-ইলকার দ্বারা সম্পাদিত হয়, তা বলা অপেক্ষাই রাখে না।
মূলতঃ আম্বিয়া আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালামগণ যেরূপ ওহীর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তদ্রুপ ওলীআল্লাহ্‌ রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণ ইল্‌হাম-ইলকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
আম্বিয়া আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালামগণ-এর শানে আল্লাহ্‌ পাক কালামে পাকে ইরশাদ করেন, “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওহী ব্যতীত নিজের থেকে কোন কথা বলেন না বা কোন কাজ করেন না।” (সূরা নজম ৩-৪)
এ আয়াত শরীফ-এর তাফসীরে যাঁরা নায়িবে নবী, ওয়ারাছাতুল আম্বিয়া তথা ওলীআল্লাহ্‌ রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিম, উনাদের শানে আল্লাহ্‌ পাক হাদীছে কুদসীতে ইরশাদ করেন, “বান্দা অতিরিক্ত আমল (সুন্নতে যায়েদা, মুস্তাহাব) করতে করতে আমার এতটুকু নৈকট্য লাভ করে যে, আমি তাকে মুহব্বত করি। আমি যখন তাকে মুহব্বত করি তখন আমি তার কান হই, সে আমার কানে শুনে। আমি তার চোখ হই, সে আমার চোখে দেখে। আমি তার জবান হই, সে আমার জবানে কথা বলে। আমি তার হাত হই, সে আমার হাতে ধরে। আমি তার পা হই, সে আমার পায়ে চলে। কাজেই তখন সে আমার কাছে যা প্রার্থণা করে তা আমি তাকে দান করি।” (বুখারী শরীফ)
অর্থাৎ যিনি হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ্‌ তিনি যা কিছু করেন না কেন, তা মহান আল্লাহ্‌ পাক-এর নির্দেশ মুতাবিক বা তাঁর মত ও পথ অনুযায়ীই করে থাকেন।
সুতরাং হক্কানী ওলী আল্লাহ্‌গণ যে লক্বব ব্যবহার ও প্রকাশ করেন তাও মহান আল্লাহ্‌ পাক ও তাঁর রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্‌ নবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নির্দেশেই করে থাকেন।
অতএব, যে বা যারা বলে থাকে তাঁর এই লক্ববগুলো ব্যবহারের যোগ্যতা নেই, তাদের উচিত হবে তারা যেন আল্লাহ্‌ পাক ও তাঁর হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রশ্ন করে জেনে নেয় তাঁরা  কেন তাঁকে এই লক্বব মুবারকগুলো দান করছেন।
উনি সিম্পল বিএ পাশ। এই মন্তব্যটি ডাহা একটি মিথ্যা। হাদীছ শরীফ-এ মিথ্যাবাদী সাবস্ত্য হওয়ার ব্যাপারে বলা হয়েছে, “মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে তাই বলে বেড়ায় (যাচাই-বাছাই বা তাহক্বীক্ব করে না)।” (মিশকাত শরীফ)
আর মিথ্যাবাদীদের ব্যাপারে আল্লাহ্‌ পাক কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “মিথ্যাবাদীদের উপর আল্লাহ্‌ পাক-এর লা’নত।” (সূরা আল ইমরান ৬১)
বস্তুত তিনি কোন নিয়মতান্ত্রিক বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে লেখাপড়া করেননি। বরং তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ যেরূপ আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ্‌ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট ইল্‌মে ফিক্বাহ্‌ ও ইল্‌মে তাছাউফ অর্জন করেছেন। তদ্রুপ তিনিও যাত্রাবাড়ীর হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি-এর নিকট ইল্‌মে ফিক্বাহ্‌ ও ইল্‌মে তাছাউফ অর্জন করেছেন। যিনি একজন প্রখ্যাত ও প্রসিদ্ধ তাফসীর, হাদীছ ও ফিক্বাহ বিশারদ ছিলেন। ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার একজন স্বনামধন্য ও প্রতিথযশা উস্তাদ ও আলিমে দ্বীন ছিলেন।
রাজারবাগ শরীফ-এর মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী যাত্রাবাড়ীর মুর্শিদ ক্বিবলা রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি-এর জানাযায় যাননি। আপনার উক্ত বক্তব্যটি সঠিক কিন্তু এর ব্যাখ্যা নিতান্ত বিদ্বেষপূর্ণ। কেননা যাত্রাবাড়ীর মুর্শিদ ক্বিবলা রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিও তাঁর মুর্শিদ ক্বিবলা রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি-এর জানাযায় যাননি। এর দ্বারা রাজারবাগ শরীফ-এর মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তাঁর মুর্শিদ ক্বিবলা (যাত্রাবাড়ীর মুর্শিদ ক্বিবলা) রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি-এর একখানা সুন্নত আদায় করেছেন। যাদের রূহানিয়ত নেই তাদের দ্বারা এর মর্ম বুঝা অসম্ভব। তাদের দ্বারা সম্ভব এর অপব্যাখ্যা করা।
এরপর আপনি লিখেছেন, তিনি ১০বছর তার পীর ছাহেবে সাথে দেখা করেননি। মূলতঃ এর কারণ আমার লিখাটিতে স্পষ্টভাবেই উল্লেখ আছে আপনার এই বিষয় জ্ঞানের যথেষ্ট ঘাটতি থাকার কারণে তা বুঝতে পারেননি। আমার লেখাটিতে স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, “তিনি সারাবিশ্বে সমাদৃত, প্রশংসিত, গ্রহণযোগ্য ও হক্ব সিলসিলা ফুরফুরা সিলসিলার পীর সাহেব ক্বিবলা হযরত মাওলানা শাহ ছূফী আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ নানুপূরী (যাত্রাবাড়ির হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা) রহমতুল্লাহি আলাইহি হাতে বাইয়াত হয়ে মাত্র দেড় বছরে চার তরীক্বায় পূর্ণতাপ্রাপ্ত হন এবং স্বীয় মুর্শিদ ক্বিবলার চূড়ান্ত সন্তুষ্টি হাছিল করে খিলাফত প্রাপ্ত হন।”
পীর সাহেব বা মুর্শিদ ক্বিবলা কাছ থেকে খিলাফত প্রাপ্ত হলে মুরীদ নিজেই যে বাইয়াত করাতে পারেন এবং তারঁ মুরীদেরকে যে তালীম-তালক্বীন, দর্স-তাদরিস দিতে হয় অর্থাৎ তাদের সময় দিতে হয় এটা আপনাদের মতো ইলমে তাসাউফের জ্ঞানহীন ব্যক্তিদের না জানারই কথা। মূলতঃ রাজারবাগের পীর সাহেব-এর সাথে তাঁর পীর সাহেব-এর সরাসরি দেখা-সাক্ষাত না হলেও রূহানী যোগাযোগ ঠিকই ছিল।
এখন আপনার কথা প্রসঙ্গ থেকেই আপনাকেই একটি প্রশ্ন করতে চাই। তাহলো ষষ্ঠ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত ইমাম সাইয়্যিদ আব্দুল ক্বাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি, তিনি বালক বয়সে ইলম অর্জনের জন্য তাঁর মায়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ইরাকের বাগদাদে চলে আসেন এবং তিনি ৯০ বছর দুনিয়াবী হায়াতে ছিলেন। কিন্তু বাগদাদে আসার পর কোন দিন তাঁর মায়ের সাথে দেখা-সাক্ষাত করেননি, এমনকি তাঁর মায়ের জানাযায়ও শরীক হননি অর্থাৎ তাঁর মায়ের সাথে তাঁর সম্পর্ক খারাপ ছিল। (নাঊযুবিল্লাহ) এর কি জবাব দিবেন?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@Malcolm X &gt;&gt;&gt; সাধারণত যিনি মুজাদ্দিদ হন, তিনি কোন অবস্থাতেই ইচ্ছাকৃতভাবে সুন্নতের খিলাফ কোন কাজ করেন না। মাথার তালু থেকে পায়ের তলা, হায়াত থেকে মউত পর্যন্ত অর্থাৎ তিনি সমস্ত কাজই করেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্‌ নবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নত অনুযায়ী।<br />
স্মর্তব্য যে, ওলীআল্লাহ্‌ রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণের শানে কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে, “একেক ফুলের একেক রঙ ও ঘ্রাণ।”<br />
অর্থাৎ হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণ প্রত্যেকেই ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্যবান। এক্ষেত্রে বর্তমান যামানার ইমাম ও মুজাদ্দিদ, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর অসংখ্য বৈশিষ্ট্যের মধ্যে একটি বিশেষ ও শ্রেষ্ঠতম বৈশিষ্ট্য হলো, তিনি প্রতি ক্ষেত্রে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্‌ নবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নত-এর অনুসরণ করেন। এক কথায় এতটুকু বলা চলে যে, রাজারবাগ শরীফ-এর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর এককভাবে ও একইসাথে যতগুলো সুন্নতের আমল দেখা যায়, তা অন্য কারো আমল বা জীবনীর মধ্যে পাওয়া যায় না। কাজেই কি করে লক্বব ব্যবহারের মতো একটি সুন্নতকে তিনি তরক করতে পারেন? মূলতঃ তিনি কোন অবস্থাতেই সুন্নতের খিলাফ কোন কাজ করেন না। শুধু তাই নয়, তাঁর বরকতময় ছোহ্‌বতের তাছীরে, ছোহ্‌বত অর্জনকারীগণও সুন্নত অনুযায়ী আমল করেন।<br />
প্রকৃতপক্ষে ওলীআল্লাহ্‌ রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণ তাঁদের লক্বব মুবারক প্রকাশ করেন মহান আল্লাহ্‌ পাক-এর পক্ষ থেকে ইল্‌হাম-ইলকার মাধ্যমে নির্দেশ প্রাপ্ত হয়ে। আর যাঁরা মুজাদ্দিদ শ্রেণীর ওলীআল্লাহ্‌, তাঁদের প্রতিটি কথা, কাজ ইত্যাদি যে ইল্‌হাম-ইলকার দ্বারা সম্পাদিত হয়, তা বলা অপেক্ষাই রাখে না।<br />
মূলতঃ আম্বিয়া আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালামগণ যেরূপ ওহীর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তদ্রুপ ওলীআল্লাহ্‌ রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিমগণ ইল্‌হাম-ইলকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।<br />
আম্বিয়া আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালামগণ-এর শানে আল্লাহ্‌ পাক কালামে পাকে ইরশাদ করেন, “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওহী ব্যতীত নিজের থেকে কোন কথা বলেন না বা কোন কাজ করেন না।” (সূরা নজম ৩-৪)<br />
এ আয়াত শরীফ-এর তাফসীরে যাঁরা নায়িবে নবী, ওয়ারাছাতুল আম্বিয়া তথা ওলীআল্লাহ্‌ রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিম, উনাদের শানে আল্লাহ্‌ পাক হাদীছে কুদসীতে ইরশাদ করেন, “বান্দা অতিরিক্ত আমল (সুন্নতে যায়েদা, মুস্তাহাব) করতে করতে আমার এতটুকু নৈকট্য লাভ করে যে, আমি তাকে মুহব্বত করি। আমি যখন তাকে মুহব্বত করি তখন আমি তার কান হই, সে আমার কানে শুনে। আমি তার চোখ হই, সে আমার চোখে দেখে। আমি তার জবান হই, সে আমার জবানে কথা বলে। আমি তার হাত হই, সে আমার হাতে ধরে। আমি তার পা হই, সে আমার পায়ে চলে। কাজেই তখন সে আমার কাছে যা প্রার্থণা করে তা আমি তাকে দান করি।” (বুখারী শরীফ)<br />
অর্থাৎ যিনি হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ্‌ তিনি যা কিছু করেন না কেন, তা মহান আল্লাহ্‌ পাক-এর নির্দেশ মুতাবিক বা তাঁর মত ও পথ অনুযায়ীই করে থাকেন।<br />
সুতরাং হক্কানী ওলী আল্লাহ্‌গণ যে লক্বব ব্যবহার ও প্রকাশ করেন তাও মহান আল্লাহ্‌ পাক ও তাঁর রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্‌ নবিয়্যীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নির্দেশেই করে থাকেন।<br />
অতএব, যে বা যারা বলে থাকে তাঁর এই লক্ববগুলো ব্যবহারের যোগ্যতা নেই, তাদের উচিত হবে তারা যেন আল্লাহ্‌ পাক ও তাঁর হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রশ্ন করে জেনে নেয় তাঁরা  কেন তাঁকে এই লক্বব মুবারকগুলো দান করছেন।<br />
উনি সিম্পল বিএ পাশ। এই মন্তব্যটি ডাহা একটি মিথ্যা। হাদীছ শরীফ-এ মিথ্যাবাদী সাবস্ত্য হওয়ার ব্যাপারে বলা হয়েছে, “মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে তাই বলে বেড়ায় (যাচাই-বাছাই বা তাহক্বীক্ব করে না)।” (মিশকাত শরীফ)<br />
আর মিথ্যাবাদীদের ব্যাপারে আল্লাহ্‌ পাক কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “মিথ্যাবাদীদের উপর আল্লাহ্‌ পাক-এর লা’নত।” (সূরা আল ইমরান ৬১)<br />
বস্তুত তিনি কোন নিয়মতান্ত্রিক বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে লেখাপড়া করেননি। বরং তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ যেরূপ আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ্‌ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট ইল্‌মে ফিক্বাহ্‌ ও ইল্‌মে তাছাউফ অর্জন করেছেন। তদ্রুপ তিনিও যাত্রাবাড়ীর হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি-এর নিকট ইল্‌মে ফিক্বাহ্‌ ও ইল্‌মে তাছাউফ অর্জন করেছেন। যিনি একজন প্রখ্যাত ও প্রসিদ্ধ তাফসীর, হাদীছ ও ফিক্বাহ বিশারদ ছিলেন। ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার একজন স্বনামধন্য ও প্রতিথযশা উস্তাদ ও আলিমে দ্বীন ছিলেন।<br />
রাজারবাগ শরীফ-এর মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী যাত্রাবাড়ীর মুর্শিদ ক্বিবলা রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি-এর জানাযায় যাননি। আপনার উক্ত বক্তব্যটি সঠিক কিন্তু এর ব্যাখ্যা নিতান্ত বিদ্বেষপূর্ণ। কেননা যাত্রাবাড়ীর মুর্শিদ ক্বিবলা রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহিও তাঁর মুর্শিদ ক্বিবলা রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি-এর জানাযায় যাননি। এর দ্বারা রাজারবাগ শরীফ-এর মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী তাঁর মুর্শিদ ক্বিবলা (যাত্রাবাড়ীর মুর্শিদ ক্বিবলা) রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি-এর একখানা সুন্নত আদায় করেছেন। যাদের রূহানিয়ত নেই তাদের দ্বারা এর মর্ম বুঝা অসম্ভব। তাদের দ্বারা সম্ভব এর অপব্যাখ্যা করা।<br />
এরপর আপনি লিখেছেন, তিনি ১০বছর তার পীর ছাহেবে সাথে দেখা করেননি। মূলতঃ এর কারণ আমার লিখাটিতে স্পষ্টভাবেই উল্লেখ আছে আপনার এই বিষয় জ্ঞানের যথেষ্ট ঘাটতি থাকার কারণে তা বুঝতে পারেননি। আমার লেখাটিতে স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, “তিনি সারাবিশ্বে সমাদৃত, প্রশংসিত, গ্রহণযোগ্য ও হক্ব সিলসিলা ফুরফুরা সিলসিলার পীর সাহেব ক্বিবলা হযরত মাওলানা শাহ ছূফী আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ নানুপূরী (যাত্রাবাড়ির হযরত পীর ছাহেব ক্বিবলা) রহমতুল্লাহি আলাইহি হাতে বাইয়াত হয়ে মাত্র দেড় বছরে চার তরীক্বায় পূর্ণতাপ্রাপ্ত হন এবং স্বীয় মুর্শিদ ক্বিবলার চূড়ান্ত সন্তুষ্টি হাছিল করে খিলাফত প্রাপ্ত হন।”<br />
পীর সাহেব বা মুর্শিদ ক্বিবলা কাছ থেকে খিলাফত প্রাপ্ত হলে মুরীদ নিজেই যে বাইয়াত করাতে পারেন এবং তারঁ মুরীদেরকে যে তালীম-তালক্বীন, দর্স-তাদরিস দিতে হয় অর্থাৎ তাদের সময় দিতে হয় এটা আপনাদের মতো ইলমে তাসাউফের জ্ঞানহীন ব্যক্তিদের না জানারই কথা। মূলতঃ রাজারবাগের পীর সাহেব-এর সাথে তাঁর পীর সাহেব-এর সরাসরি দেখা-সাক্ষাত না হলেও রূহানী যোগাযোগ ঠিকই ছিল।<br />
এখন আপনার কথা প্রসঙ্গ থেকেই আপনাকেই একটি প্রশ্ন করতে চাই। তাহলো ষষ্ঠ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত ইমাম সাইয়্যিদ আব্দুল ক্বাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি, তিনি বালক বয়সে ইলম অর্জনের জন্য তাঁর মায়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ইরাকের বাগদাদে চলে আসেন এবং তিনি ৯০ বছর দুনিয়াবী হায়াতে ছিলেন। কিন্তু বাগদাদে আসার পর কোন দিন তাঁর মায়ের সাথে দেখা-সাক্ষাত করেননি, এমনকি তাঁর মায়ের জানাযায়ও শরীক হননি অর্থাৎ তাঁর মায়ের সাথে তাঁর সম্পর্ক খারাপ ছিল। (নাঊযুবিল্লাহ) এর কি জবাব দিবেন?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
</channel>
</rss>
