লগইন রেজিস্ট্রেশন

মদ (এলকোহল) নিয়ে হাদিস কিংবা কোরানের আয়াত – হেল্প

লিখেছেন: ' Wind of Change' @ বুধবার, মার্চ ৩, ২০১০ (২:১২ পূর্বাহ্ণ)

আমি মেনেজমেন্টে মাস্টার্স করছি। আমাদের এক সেমিস্টার করতে হবে ওয়াইন (মদ) ইনড্সট্রির উপর। রিসার্চ করে বের করতে হবে মদের বেচাকেনা কিভাবে বাড়ানো যায়।

যতুদুর জানি এটা পুরো হারাম। আমি এটা আমাদের ডিনকে বলাতে উনি বললেন তাহলে ওয়াইন ইনডাসট্রি না, এই রিলেটেড ইনডাসট্রি যেমন লজিসটিক (ধরুন মদের ডিস্ট্রিবিউশন করে এমন ট্রান্সপর্ট কম্পানি) এ কাজ করতে। আমার ধারন মদ-এর সাথে রিলেটেড যেকোন কিছুতে কাজ করা ঠিক হবে না। তবে আমার কাজে কোন রেফারেন্স নেই।

কেউ কি দয়া করে হাদিস কিংবা কোরানের রেফারেন্স দিতে পারেন। আমি শুনেছি কিছু হাদিসে (সহি) পরিষ্কার করে বলা আছে যে মদে সংক্রান্ত যেকোন কিছুতে জড়িত হওয়া হারাম। কেউ কি সেইসব হাদিসের রেফারেন্স দিতে পারবেন। ভাল হয় হাদিসের ইংরেজি ভার্সন যদি পাওয়া যায়।

জাজাকাল্লা..

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৬৪৯ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৫.০০)

১৬ টি মন্তব্য

  1. হে মুমিনগণ, এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈ তো নয়। অতএব, এগুলো থেকে বেঁচে থাক-যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও।
    يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالأَنصَابُ وَالأَزْلاَمُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

    [৫: সূরা আল মায়েদাহ, আয়াত নং ৯০]

    জ্ঞান পিপাষু

    শয়তান তো চায়, মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরের মাঝে শুত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও নামায থেকে তোমাদেরকে বিরত রাখতে। অতএব, তোমরা এখন ও কি নিবৃত্ত হবে?

    إِنَّمَا يُرِيدُ الشَّيْطَانُ أَن يُوقِعَ بَيْنَكُمُ الْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَاء فِي الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ وَيَصُدَّكُمْ عَن ذِكْرِ اللّهِ وَعَنِ الصَّلاَةِ فَهَلْ أَنتُم مُّنتَهُونَ

    তোমরা আল্লাহর অনুগত হও, রসূলের অনুগত হও এবং আত্মরক্ষা কর। কিন্তু যদি তোমরা বিমুখ হও, তবে জেনে রাখ, আমার রসূলের দায়িত্ব প্রকাশ্য প্রচার বৈধ নয়।

    وَأَطِيعُواْ اللّهَ وَأَطِيعُواْ الرَّسُولَ وَاحْذَرُواْ فَإِن تَوَلَّيْتُمْ فَاعْلَمُواْ أَنَّمَا عَلَى رَسُولِنَا الْبَلاَغُ الْمُبِينُ

    [৫: সূরা আল মায়েদাহ, আয়াত নং ৯১,৯২]

  2. O you who believe! Intoxicants (all kinds of alcoholic drinks), gambling, Al­Ansâb, and Al­Azlâm (arrows for seeking luck or decision) are an abomination of Shaitân’s (Satan) handiwork. So avoid (strictly all) that (abomination) in order that you may be successful.

    Shaitân (Satan) wants only to excite enmity and hatred between you with intoxicants (alcoholic drinks) and gambling, and hinder you from the remembrance of Allâh and from As-Salât (the prayer). So, will you not then abstain?

    And obey Allâh and the Messenger (Muhammad SAW), and beware (of even coming near to drinking or gambling or Al­Ansâb, or Al­Azlâm, etc.) and fear Allâh. Then if you turn away, you should know that it is Our Messenger’s duty to convey (the Message) in the clearest way.

    [5: Surah Al-Maidah, 90,91,92]

    জ্ঞান পিপাষু

    @জ্ঞান পিপাষু,

    আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিত্তা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যে, এটি মধু থেকে তৈরী মদ, ইয়ামানবাসীরা এটা পান করত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “নেশা সৃষ্টিকারী যে কোন পানীয়ই হারাম”। [বুখারী: ৫৫৮৫]

  3. জ্ঞান পিপাষু ভাই – অসংখ্য ধন্যবাদ। আরেকটা কথা। আমি একটা হাদিস শুনছিলাম যেখানে (সারমর্ম) বলছেন মদ সংক্রান্ত যে কোন কাজ (যে আংগুর বিচে ইত্যাদি) এ জড়িত থাকা উচিত না। আপনার কাছে কি ওই হাদিছটা কি আছে?

    manwithamission

    @Wind of Change, আসসালামু আলাইকুম ভাই,
    আপনাকে আল্লাহ রক্ষা করুন। আপনার এই সচেতনতা সত্যিই ঈমানদারের পরিচায়ক, আল্লাহ যেন আপনাকে এবং আমাদের সবাইকে তার একান্ত অনুগত বান্দাহ হিসেবে কবুল করে নেন। আমীন।

    Allaah has cursed the drinker of alcohol. In Sunan Abi Dawood (3189) it is narrated that Ibn ‘Umar (may Allaah be pleased with him) said: The Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) said: “Allaah has cursed alcohol, the one who drinks it, the one who pours it, the one who sells it, the one who buys it, the one squeezes (the grapes, etc), the one for whom it is squeezed, the one who carries it and the one to whom it is carried.”

    বারাক আল্লাহ ফিক।

    Wind of Change

    @manwithamission,

    ভাই অসংখ্য ধন্যবাদ।

  4. এখানে একটি চমত্কার নিবন্ধ আছে, যাতে মদ এবং এ সম্পর্কে সাময়িক ভাবনা নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে, আপনার কাংখিত হাদিসটিও এখানে আছে যার অর্থ: لعن النبي صلى عليه وسلم ــ الخمر شاربها ، ساقيها ، و عاصرها ، و معتصرها ، و بايعها ، و مشتريها ، و حاملها ، والمحمولة إليه كل هؤلاء واقعون في اللعنة (2)
    নবী করিম সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম মদ পানকারী, পরিবেশন করী, প্রস্তুতকারী, (প্রস্তুতকরে জীবন নির্বাহকরী)/অতিশয় কষ্টকরে তা নির্গমন কারী, বিক্রয়কারী, ক্রয়কারী, বহনকারী, এবং ধারনকারীপাত্র এ সকলের উপরই লা‌নত ভর্ত্ষনা করেছেন।
    পুরো আর্টিকলটিতে বিস্তারিত রেফারেন্স রয়েছে কোন ট্রানস্লেটরের সাহয্য নিয়ে উপকৃত হতে পারেন। সময়ের সংক্ষিপ্ততার জন্য পুরোটি অনুবাদ করতে না পারায় দুখিত।

    বাংলা মৌলভী

    @বাংলা মৌলভী, লিঙ্ক

    বাংলা মৌলভী

    @বাংলা মৌলভী, আরো বলা হয়েছে: রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ভবিষ্যত বানী করেছেন যে, এই উম্মতের শেষের ভাগে এমন সব লোক আসবে যারা মদকে অন্য নাম দিবে এবং তা পান করবে।
    আমার মনে হয় এখন বিষয়টি শুরু হয়েগেছে।

    হাফিজ

    @বাংলা মৌলভী,
    আরো বলা হয়েছে: রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ভবিষ্যত বানী করেছেন যে, এই উম্মতের শেষের ভাগে এমন সব লোক আসবে যারা মদকে অন্য নাম দিবে এবং তা পান করবে।
    আমার মনে হয় এখন বিষয়টি শুরু হয়েগেছে।

    সহমত । বর্তমানে বিভিন্ন এনার্জি ড্রিংক এসেছে , এগুলো সাইন্স ল্যাবরেটরী থেকে টেস্ট করা উচিত ।

  5. আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। নিচের হাদিসটি কাজে আসবে ইনশাল্লাহ

    Allaah has cursed the drinker of alcohol. In Sunan Abi Dawood (3189) it is narrated that Ibn ‘Umar (may Allaah be pleased with him) said: The Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) said: “Allaah has cursed alcohol, the one who drinks it, the one who pours it, the one who sells it, the one who buys it, the one squeezes (the grapes, etc), the one for whom it is squeezed, the one who carries it and the one to whom it is carried.”

  6. মদের হাত থেকে তো বাচা যায়। কিন্তু সুদের হাত থেকে তো নিস্তার নাই। কোন না কোন ভাবে অধিকাংশ মানুষকেই সুদের সাথে জড়িয়ে পড়তে হয়। ইসলামি ব্যাংকিং পদ্ধতি আশার আলো দেখালেও সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই শরীয়া-বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করা হয় না বলে যথেষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

    হাফিজ

    @মালেক_০০১,
    কোন না কোন ভাবে অধিকাংশ মানুষকেই সুদের সাথে জড়িয়ে পড়তে হয়।

    সুদের ব্যাংকে টাকা না রাখলেই হোলো । ইচ্ছে থাকলে আশাকরি আল্লাহ সহায়তা করবেন ।

    মালেক_০০১

    @হাফিজ,ইচ্ছা থাকলেই কি আফগানিস্তান , ইরাক কিংবা ফিলিস্তিন যাওয়া যায়? নাকি আমাদের ইচ্ছাই নাই? আল্লাহই ভালো জানেন।

    হাফিজ

    @মালেক_০০১,আমি সেই ইচ্ছের কথা বলিনি । আমার বক্তব্য হোলো একজন মুসলমানের কোনোক্রমেই উচিত নয় “সুদ” দেয়া এবং সুদ খাওয়া।