লগইন রেজিস্ট্রেশন

আমি নিরাশ নই হয়তো কেউ পারবেন তবে আমি অপারগ। সংশোধনের খাতিরে ধ্বংস করার চাইতে অশুদ্ধ থাকাই শ্রেয় – তাই বিদায় নিজেকে গুটিয়ে নিতে চাই।

লিখেছেন: ' আল মাহমুদ' @ বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৬, ২০০৯ (৯:৪৪ পূর্বাহ্ণ)

বিছমিল্লাহি ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রছুলিল্লাহ ।
পিস-ইন ইসলামের সম্পৃক্ত সকলের শুভকামনা করে এবারের মত কিছু কথা বলে বিদায় নিতে হচ্ছে।
আমি ভেবেছিলাম এটা দিয়ে হয়তো বা অনেকের চিন্তা-ভাবনার গভীরে যাওয়া যাবে, কিংবা কেউ যদি পরিবর্তন হওয়ার সে হতে পারবে, কিন্তু আমি ব্যক্তিগত ভাবে অনেকটাই ইমোশনাল । এখন আমার মনে হচ্ছে এই প্রযুক্তিগত – বিতর্কে – আমার অংশগ্রহন ইসলামের উপকারের পরিবর্তে ক্ষতির কারন হচ্ছে।
বিগত কয়েকদিনের বাস্তবতা দেখে যা বুঝে আসলো :
১- আমি নিজেই আমার কথা চালিয়ে যাই অন্যের কথায় ভ্রুক্ষেপ করি না, এবং কেবল তাদের কথাই আমি ভালো মনে করি যারা আমার পক্ষে বলেন।
২- আমি নিজের ভূল-ভ্রান্তি দেখার চেয়ে অপরের সংশোধন মূখ্য বানিয়ে নিয়েছি।
৩- আমি বিপক্ষকে ঘায়েল করতে অনেক কটু ভাষা প্রয়োগ করি।
৪- গীবত- নিন্দার ইত্যাদিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছি।
৫- অপরকে সংশোধন করার চাইতে নিজেকে সংবরণ করা শ্রেয়।
৬- কট্টর পন্থার চেয়ে উদারতা শ্রেয়।
৭- যে চুপ থাকে সে মুক্তি পায় । বিষয়গুলোর প্রত্যেকটির উত্তরো আমার আছে, কিন্তু আমার বিবেকের সাথে আপোষ করতে চাই, আমি দ্বিধাগ্রস্থ হয়ে বিবেকের বিরুদ্ধে নিজেকে পরাজিত স্বীকার করে নিলাম। আমাকে দিয়ে হবে না, তবে দোয়া করি অন্য কেউকে যাতে আল্লাহ এখানে আসার তৌফিক দান করুন যারা বিনম্র- সুভাষী এবং হেকমতপূর্ণ ভাষায় এই প্রযুক্তিগত দাওয়াত দান করতে পারবেন। সেই সাথে সকলের কাছে ক্ষমা চাইছি বিতর্কের খাতিরে যাদের ঢ়ুড ভাষা-শব্দ ইত্যাদি ব্যাবহার করেছি। আল্লাহ এর প্রতিদানে তাদের গুনাহকে মাফ করুন এবং হেদায়াত নসীব করুন সেই দোয়া করি, এবং আল্লাহর কাছেও ক্ষমা প্রার্থনা করি আমার, আমার পিতা-মাতা এবং সকল ঈমানদারদের জন্য ।
আমি আশা করবো না কেউ আমাকে এ ব্যাপারে অনুরোধ করুক কিংবা মন্তব্য করে আমাকে বিবেকের বিরুদ্ধে জয়ী হবার সাহস যোগাক। و السلام عليكم و رحمة الله

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
২০২ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ২.০০)

৯ টি মন্তব্য

  1. আসসালামু আলাইকুম ভাই,

    আমি কিছু কথা বলি, ভুল হলে আমাকে ক্ষমা করবেন, কাউকে আঘাত করা আমার উদ্দেশ্য নয়,
    ভাই এতা একটা ইসলামিক সাইট, সাইটটির নামই হচ্ছে(peace in ilam), ইসলাম আমাদেরকে জেভাবে আদেশ করেছেন,
    আমরা যদি সেইভাবে আমাদের কাজগুলি করি, তাহলে আমাদের অনেক সমশ্যাই আর থাকবে না, আজ মুসলিমদের মধ্যেই
    একতার অভাব লক্ষ্যকরা যাচ্ছে, এর কারন কেবল একটাই, ইসলাম আমাদের যেভাবে আদেশ নিষেধ করেছে, আমরা সেভাবে
    পালন করতে পারছিনা, একজঙ্কে আরেক জন আঘাত করাতেই আমরা বেশি ব্যস্ত হয়ে পরছি,

    যেমনঃ
    আজ আপনাকে হয়তো কেউ আঘাত করেছে, আর আপনি সেই আঘাতের কষ্ট সইতে না পেরে নিজেকে গুটিয়ে নিতে চাচ্ছেন,
    ভাই, কাল হয়তো আরেকজন আপনারি মত বলবে, আর কত দিন এইরকম চলবে, যেখানেই যাই সেখানেই দেখি আঘাত আর আঘাত, ভাই আল্লাহ আল-কুরআনে বলে দিয়েছেন, কিভাবে মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকতে হবে, আপনারা যদি এভাবে কথা বলেন
    তাহলে আমাদের মত অজানা মানুষগুলি কোথায় গিয়ে কার কাছে গিয়ে শিখবে বলতে পারেন?

    আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকবেই, আর আমাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে, কিন্তু তার মানে এই নয় আমি বা আপনি যা ইচ্ছা
    তাই বলে যাবো, ভাই আপনাকে একটা কথা বলি, হাদিছে বলা আছে মুমিন সে যার জিহ্বা ও হাত থেকে মুমিনগন নিরাপদ, আসুন একটু ভেবে দেখি আমাদের জিহ্বা ও হাত থেকেকি অন্য ভায়েরা নিরাপদ, আল্লাহ নিজেই ইসলামকে দুনিয়ার বুকে প্রতিষ্ঠিত রাখবেন, এটা আল্লাহ বলেদিয়েছেন, তার পরও আমরা এমন কিছু কাজ করি যা দেখে মনে হয় আমরাই সব উধ্বার করে ফেলোবো,

    আপোনি কেন নিজেকে গুটিয়ে নিতে চাচ্ছেন ভাই, সবুর করুন, সবুর কারির সাথেই আল্লাহ আছেন, আর আল-কুরানে আল্লাহ বলে দিয়েছেন, সেদিন তাদের প্রতি কোন অবিচার করা হবে না, তাদের পাওনা সেদিন পুরোপুরি মিটিয়ে দেয়া হবে, যা তারা দুনিয়াতে করতো, আল্লাহ সবার অন্তরের খবর রাখেন, তাই আসুন আমরা ছোট খাট ব্যথাগুলি ভুলে, আল্লাহর দিকে চেয়ে আল্লাহর দিনকে দুনিয়ার বুকে প্রচার করে যাই, মিথ্যার জয় কিছুক্ষনের জন্যে, সত্যের জয় চিরদিন, সত্যের জয় হবেই হবে, আল্লাহ আমাদের সবাইকে
    কবুল করুন আমিন। :)

  2. السلام عليكم ورحمة الله و بركاته

    ভাই বাংলা মৌলভী,
    আমি আপনার অনুভূতিগুলো বুঝি। ইসলামকে “গণতান্ত্রিক” আলোচনার জন্য খুলে দেয়া এক “মারাত্মক খেলা” – যা থেকে কারো লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম – ধ্বংস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশী। এজন্যই আমি “ফারুক” নিকের ব্যান চেয়েছিলেম। সম্ভব হলে “তুষার খান”-কেও ব্যান করার আবেদন জানাতাম। ব্লগ-কর্তৃপক্ষ অবশ্য “যুক্তি-তর্ক” ও “ইসলাম-ইসলাম” খেলা জিয়িয়ে রাখতে চাইলেন – after all “বাক-বিতন্ডা” ও “ব্লগর-ব্লগর” চালু না থাকলে ব্লগ খুলে রাখার কি মানে? আপনি হয়তো খেয়াল করেছেন, আমি কারো ব্লগে সচরাচর মন্তব্য করি না বা বাক-বিতন্ডায়ও participate করি না।

    একটা তফসীরের ক্লাসে একবার শুনেছিলাম যে, শয়তান যখন কাউকে স্বাভাবিক পন্থায় deceive করতে না পারে, তখন তার কাছে এমন কিছুকে important করে তোলে যা আসলে আল্লাহর দ্বীনের নিরিখে একেবারেই অথর্হীন – যেমন ধরুন একজন মুসলিম astrophysicist এই নিয়ে গবেষণা করতে শুরু করলেন যে, ৩০০ আলোক-বর্ষ দূরে এটা pulsar থেকে কি পরিমাণ আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছে। এই কাজটা হয়তো তাকে প্রচুর অর্থ, প্রতিপত্তি ও সম্মান এনে দিল। কিন্তু তিনি একটা “গবাদিপশুর” জীবন কাটিয়ে [অর্থাৎ, নিজের ও পরিবারের শরীরী সুখের যোগান দিতে দিতে] হিউস্টনের NASAয় কাজ করতে করতে পৃথিবী ত্যাগ করলেন – তার কাজ, আসলে তার আমলের খাতায় কিছুই যোগ করলো না! অথচ, আল্লাহ তাকে যে মেধা দিয়েছিলেন, তাতে তিনি মুসলিম উম্মাহর জন্য অনেক কিছু করতে পারতেন। আমাদের এই ব্লগের তর্ক-বিতর্ক দেখে আমার সবসময়, তফসীর ক্লাসে শোনা ঐ কথাগুলোর কথা মনে হয়। ঐ ক্লাসে আরো শুনেছিলাম যে, unimportant কিছুকে, খুবই important কিছু দেখাতে চেয়েও যখন শয়তান কোন মানুষকে deceive করতে অকৃতকার্য হয়, তখন সে মানুষের ভিতর থেকে ঐ শক্ত-ঈমানের মানুষটির জন্য assasin তৈরী করার চেষ্টা করে – যেমনটা ওমর (রা.)-এঁর বেলায় সে করেছিল – যখন ওমর(রা.) পৃথিবীর সকল প্রলোভনকে “অকেজো” করে দিয়েছিলেন।

  3. আসসালামুয়ালাইকুম,
    ভাই কি হয়েছে ? ভাল আছেন তো । আপনার হতাস হওয়া সাজে না । আপনি থাকেন ব্লগে থাকেন ।

  4. Brother বাংলা মৌলভী

    কিন্তু আমি ব্যক্তিগত ভাবে অনেকটাই ইমোশনাল ।

    এতে কন সন্দেহ নেই :)। এটি যেমন একদিকে ভাল তেমন সময়ে খারাপ। তবে আমার আলোচ্য বিষয় তা নয়।

    আমি মনে করি আলোচনা এক জিনিস এবং ঝগড়া আরেক জিনিস।

    আলোচনায় আমাকে যদি কেঊ within the boundaries of discussion and topic গালি গালাজও করে আমি তা মেনে নিব কেননা topic-এর উপর সর্বপ্রকার সমালোচনা করার অধিকার বিপক্ষের বা অংশগ্রহণকারীদের আছে। এবং এই সকল সমালোচনায় হতাশ হলে চলবে না, বরং আমি মনে করি এরূপ প্রতি ভুল বা situation-এর মোকাবিলার পর নিজে প্রস্তুত করতে হবে পরের বার কিভাবে face করব।

    কিন্তু উপরোক্ত ঘটনা যদি ঝগড়া পরিবেশে হয় তবে তা কখনই fruitful হবে না।

    Brother বাংলা মৌলভী, আমি আমার article-এ আপনার মন্তব্যের সমালোচনা করেছি এবং একি সাথে আপনার অনেক মতবাধকে আমি সাপোর্টও করি, এবং ইন্সাল্লাহ ভবিষ্যতেও এরূপ করে যাব। খেয়াল করবেন উদ্দেশ্য আপনাকে হেয় করা বা আমাকে উচা করা নয় বরং আলোচনা not ঝগড়ার মাধ্যমে নিজের মতবাধকে প্রতিষ্ঠা করা বা সংশোধন করা। আপনি যদি আমার এরূপ ব্যবহারে দুঃখিত হন তবে আমি ক্ষমা প্রার্থি কেননা উদ্দেশ্য তা নয়।

    আর ব্যক্তিগত experience থেকে বলব, নিজেকে sacrifice করেই ইসলামের স্বার্থের কথা চিন্তা করতে হবে। অতঃপর আপনি যদি মনে করেন আপনাকে কেঊ অযৌক্তিক ভাবে কটাক্ষ করছে তবে সবুর করে এর জবাব দিন। আপনি ১-৭ যা বলেছেন তা আমার ক্ষেত্রে সত্যি হলেও আমি এই ব্লগ ত্যাগ করবেনা কেননা আমি এর থেকে আরও কটাক্ষ কথা নিজের মুখের উপর বলতে শুনেছি আমার নিজ বাংলাদেশিদের এবং ভিন দেশের অমুসলিমদের, জার মন্তব্য Solmon Rishdie-এর বই থেকেও খারাপ। প্রথম প্রথম অল্প বিদ্যা নিয়ে প্রতিবাদ করেছি এবং অবশ্যই ফল হয়নি, এরপর নিজে জানতে শুরু করেছি এবং debate ও training দেখেছি আমাদের scholar-রা কিভাবে মাথা ঠাণ্ডা রেখে বিজ্ঞভাবে জবাব দেয়, অতঃপর পরেরবার নীরব থেকে বুঝতে শুরু করলাম বিপক্ষ কি জানতে চায়, তার ক্ষব কথায় এবং যদি উত্তর থাকে তবে দিব নয়তবা না, না হলে নিজেকে আবার শিখিয়েছি কিভাবে পরের এরূপ ক্ষেত্রে situation face করা জায়।

    আপনি হয়তবা সবি জানেন তবু এ কারণে বললাম, যে সবুর ধরেন এবং আরও গুছিয়ে বলেন। তারপর যদি কেঊ আপনার কথা পছন্দ না করে সেটা তার ব্যাপার। মুসলমানের কাজ সে জা সত্য ভাবে তা অপরকে পৌঁছিয়ে দেয়া, আর সেই লোক তা যদি গ্রহণ না করে সেটা তার ব্যপার।

  5. আপনি হয়তবা সবি জানেন তবু এ কারণে বললাম, যে সবুর ধরেন এবং আরও গুছিয়ে বলেন। তারপর যদি কেঊ আপনার কথা পছন্দ না করে সেটা তার ব্যাপার। মুসলমানের কাজ সে জা সত্য ভাবে তা অপরকে পৌঁছিয়ে দেয়া, আর সেই লোক তা যদি গ্রহণ না করে সেটা তার ব্যপার।

    (*)

  6. ভাই প্রথম থেকেই আপনাকে পেয়েছে। আপনার লিখার মাধ্যমে অনেকে উপকৃত হয়েছে। শুধু একটা কথা বলবো –

    We need you more than you need us. Please don’t go.

    আশা করি আপনি আপনার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবেন।

  7. @ বাংলা মৌলভী’ ,
    না ভাই , আপনার এই সিদ্ধান্তকে আমি কোনোমতেই মেনে নিতে পারলাম না। আমরা কেউ পরিপূর্ন না । কেউ হয়ত আপনাকে আঘাত দিতে পারে কিন্ত তাই বলে এত অল্পতে ধৈর্য হারালে চলবে না । আমাদের মনে রাখতে হবে রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) ১৩ বছর মক্কি জীবনে কি কষ্ট করেছেন । আমরা যদি এত অল্পতে আস্হির হয়ে যাই তাহলে দ্বীনের কাজ কোনোমতেই এগুবে না ।

    আর আপনার লেখার দ্বারা অন্য কিভাবে নেয় জানিনা , তবে আমি অনেক উপকৃত হয়েছি । আপনারা ইসলামিক লাইনে পড়াশুনা করেছেন, আপনাদের থেকে আমাদের অনেক আশা ।

    অবশ্যই আপনাকে আপনার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হবে । আপনার লেখায় যদি একজনও উপকৃত হয় মনে রাখবেন সেটাও সমগ্র দুনিয়ার চেয়ে বেশী মুল্যবান। কে গ্রহন করল না সেটা বড় কথা নয় ।

    shane2k

    @হাফিজ,

    আমরা কেউ পরিপূর্ন না । কেউ হয়ত আপনাকে আঘাত দিতে পারে কিন্ত তাই বলে এত অল্পতে ধৈর্য হারালে চলবে না । আমাদের মনে রাখতে হবে রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) ১৩ বছর মক্কি জীবনে কি কষ্ট করেছেন । আমরা যদি এত অল্পতে আস্হির হয়ে যাই তাহলে দ্বীনের কাজ কোনোমতেই এগুবে না

    আপনার লেখায় যদি একজনও উপকৃত হয় মনে রাখবেন সেটাও সমগ্র দুনিয়ার চেয়ে বেশী মুল্যবান। কে গ্রহন করল না সেটা বড় কথা নয়

    একমত (Y)

  8. [...] মাননীয় এ্যডমিন আমি ইতিপূর্বে আমার একটি পোস্টে পিস ত্যাগ করার বিষয়টি আলোচনা করেছি, এবং বিষয়গুলোর প্রতি [...]