লগইন রেজিস্ট্রেশন

যারা ভাল ইংরেজী বুঝেন একটু নীচের সংবাদটা একটু অনুবাদ করে দিন। হাই কোর্টে পর্দা নিয়ে কি ঘোষণা হল ?!!

লিখেছেন: ' আল মাহমুদ' @ শুক্রবার, এপ্রিল ৯, ২০১০ (৮:১১ অপরাহ্ণ)

মূল খবরটি এখানে :
Bangladesh court bans burqa bullying

Agence France-Presse
First Posted 20:01:00 04/09/2010

Filed Under: Judiciary (system of justice), Schools

DHAKA – Bangladesh’s high court has banned educational institutions in the Muslim-majority country from bullying female employees into wearing headscarves or veils, a lawyer said Friday.

Wearing a burqa or niqab in the South Asian country of 144 million is not compulsory, but women are often pressured into adopting Muslim headwear, which is tantamount to sexual harassment, barrister Sara Hossain told AFP.

“It is a woman’s personal choice to cover her head or not and nobody can force them to do so against their will,” she said, quoting the court ruling.

The high court decision Thursday followed a case lodged by a headmistress who claimed she was verbally assaulted by a government official for not covering her hair during a staff meeting.

The government official has since been ordered by the court to apologize, Hossain said.

In recent years Bangladesh has seen a rise in reported incidents of sexual harassment at educational institutions. The country has recently deployed plain-clothed police at schools in the capital to prevent bullying of female students.

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৬৬ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৪ টি মন্তব্য

  1. মহিলাদের জোর করে পর্দা করানো যাবে না।

  2. আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

    প্রথম আলোতে এ ব্যপারে একটি রিপোর্ট এসেছে। লিংক দিয়ে দিলাম।
    নারীদের মুখাবরণ পরতে বাধ্য করা যাবে না

    মুখাবরণ (স্কার্ফ) পরা নারীদের ব্যক্তিগত পছন্দ। তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এবং কেউ যদি তাদের মুখাবরণ পরতে বাধ্য করে, তবে তা হবে সংবিধানে সংরক্ষিত তাদের মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন।
    গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও সৈয়দা আফসার জাহানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ একটি রিট আবেদনের রায়ে এ পর্যবেক্ষণ দেন।
    রায়ে দেশের সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত অধস্তন শিক্ষিকারা যেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দ্বারা হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে শিক্ষাসচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। যৌন হয়রানি রোধে এর আগে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের নির্দেশনা অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাস্তবায়নে ব্যবস্থা নিতেও বলেছেন আদালত।
    মুখাবরণ ব্যবহার না করায় কুড়িগ্রামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকাকে অপদস্থ করেন সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা। গত বছরের ২৬ জুলাই এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। ২৮ জুলাই ঘটনাটি আদালতের নজরে আনেন অ্যাটর্নি জেনারেল। পরে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সালাহউদ্দিন রিট আবেদন করলে আদালত রুল জারি করেন। এতে পক্ষভুক্ত হয় বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)।
    এর আগে রুল শুনানির সময় আদালতের নির্দেশে ওই শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষিকা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। সেদিন আদালতে শিক্ষা কর্মকর্তা ঘটনার জন্য শিক্ষিকার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। গতকাল আদালত ওই শিক্ষা কর্মকর্তাকে অন্যত্র বদলি করার নির্দেশ দেন।
    আদালতে ব্লাস্টের পক্ষে আইনজীবী সারা হোসেন, রিট আবেদনকারী আইনজীবী সালাহউদ্দিন এবং সরকারপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রাজিক আল জলিল শুনানিতে অংশ নেন।
    সারা হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ১৪ মে হাইকোর্ট যৌন হয়রানি রোধে কয়েক দফা নির্দেশনা দিয়ে খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করে রায় দেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবিলম্বে সেই নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ১৯৭৯ সালের সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আচরণবিধির ২৭(ক) প্রয়োগ করতে বলা হয়েছে। বিধিতে নারী সহকর্মীদের সঙ্গে আচরণের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া আছে।

  3. পর্দার সাহিত সেক্সুয়াল হেরেস্মেন্টের কি সম্পর্ক ? আজব দেশ তো ।

    দ্য মুসলিম

    @ফুয়াদ,

    এর আগে নাকি কোন এক স্কুলে একজন নারীকে চেহারায় নিকাব না পরায় অপমান বা এ জাতীয় কিছু করা হয়েছিলো। সেই ঘটনার উপর ভিত্তি করেই এই আইন চালু হয়।