Welcome ! ! !
লিখেছেন: ' দেশী৪৩২' @ শুক্রবার, জানুয়ারি ২৯, ২০১০ (১:৪০ পূর্বাহ্ণ)
ইটালিয়ান টিভিতে মেয়েদের বুরকা পরিধান নিয়ে আলোচনা হছ্ছিল।এক পক্ষে ছিলেন ইটালিয়ান নও মুসলিম আফগান কায়দায় বোরকা পরিহিতা এক মহিলা ।অন্য পক্ষে ছিলেন মরক্কোর তাসলিমা নাসরিন টাইপের আধুনিক মোসলমান নামধারী এক মহিলা।ইটালির পার্লামেন্টে বোরকাকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে আলোচনা হছ্ছে।উপস্হাপক বোরকা পরিহিতা নওমুসলিম ইটালিয়ান মহিলাকে গিজ্ঞেস করছিলেন আইনটি সংসদে পাস হলে কি করবেন।প্রচন্ড ইমানের শক্তি নিয়ে মহিলা জবাব দিলেন জন্মগত ইটালিয়ান হয়েও এদেশ ত্যাগ করবো। একথা শুনে মরক্কোর বংশোদ্ভোত সদ্য ইটালিয়ান নাগরিক আধুনিক মহিলা নিচু স্বরে মন্তব্য করলেন ”প্রেগো” অর্থাৎ ‘welcome’ ! !
৫৩৭ বার পঠিত
Processing your request, Please wait....












খবরটি কোন চ্যানেলে দেখেছেন এবং কখন, দয়া করে জানাবেন কি?
আমি যতটুকু জানি তা হচ্ছে যে, ফ্রান্সে হিজাব নিশিদ্ধ করা হয়েছে, খবরটি সম্পর্কে অনেক আগে থেকেই জানতাম, তবে বিভিন্ন ইন্টার ন্যশনাল চ্যানেলে ২দিন আগে বিস্তারিত জেনেছি, কিন্তু ইটালিতেও এমন কিছু হতে যাচ্ছা তা জানিনা। এছাড়া খ্রীষ্টান যে Nuns রা আছে , তারা মুসলিমদের মতই হিজাব পালন করে, এদেরকে খ্রীষ্টানরা সবাই খুব ধার্মিক বলে জানে বা ”মা” বলে সম্মধন করে।
তাহলে তারাওকি হিজাব ছেড়ে খোলা হাওয়াতে নেচে বেরাবে নাকি অসভ্যের মত?
@জ্ঞান পিপাষু চ্যানেন এর নাম- RAI UNO অনুষ্টানের নাম- ”VITA INDIRETTA”
২৮ জানুয়ারী বিকাল ৬ টার পর প্রচারিত হয়েছে।এ সময়ে প্রায়ই ইসলামকে নিয়ে এখানে আলোচনা হয়।
বোরকা নিষিদ্ধ করা নিয়ে বিভিন্ন দলের মধ্যে ও সংসদে আলোচনা হছ্ছে।সরকারি ও বেসরকারি দলের অনেকেই
এ আইনের বিপক্ষে মত দিছ্ছে।এ আইন সাধারন পর্দার বিপক্ষে নয়।এ আইনে চেহারা ঢেকে অফিস আদালত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত পুরুষ মহিলা সবার জন্য নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবনা দেয়া হছ্ছে। আইনটি এখনো সংসদে আসেনি।
অনুষঠানে আমার কাছে সবচেয়ে বেশী আজব মনে হয়েছে যখন দেখি ,রোরকা না পরতে পারার জন্য ইটালিয়ান নাগরিক হয়ে যখন দেশ ত্যাগের ঘোষনা দেয় সেই মুহুর্তে একটি আরব দেশের মহিলা হয়ে কিভাবে এটাকে welcome জানাতে পারে ? ধন্যবাদ।
@দেশী৪৩২,
অনুষঠানে আমার কাছে সবচেয়ে বেশী আজব মনে হয়েছে যখন দেখি ,রোরকা না পরতে পারার জন্য ইটালিয়ান নাগরিক হয়ে যখন দেশ ত্যাগের ঘোষনা দেয় সেই মুহুর্তে একটি আরব দেশের মহিলা হয়ে কিভাবে এটাকে welcome জানাতে পারে ? ধন্যবাদ।
আপনি হয়তো জানেন, ইটালিয়ানরা অকারনে ব্যকারনে ”গ্রাচ্ছে” প্রেগো” ব্যাবহার করে থাকে, যেমন ইংরেজরা অকারনে ব্যকারনে ”থ্যাঙ্কস”অয়েলকাম” ব্যবোহার করে থাকে। তাই উনিকি অনার দেশ ত্যগকে welcome জানিয়েছেন নাকি অনার কথায় পরিপেক্ষিতে সাধারনত welcome জানিয়েছেন তা একটু ভবে দেখতে হবে। আর ইতালিতে বোরকা পরা মুসলিম মেয়ে শতে একজন পাওয়া যাবে।
কারন বরকা পরা আর হিজাব পালন করা এক কথা নয়। বোরকা পরেও অসভ্যতা করা যায় যার বাস্তব প্রমান এখন আমরা দেখে থাকি। বোরকাকে আমিও হিজাব মনে করিনা এবং আল-কুরানে এই বোরকা শব্দটি আছে বলে আমার জানা নাই।
তাই আমারো মনে হয় বোরকা পরাকে নিশিদ্ধ করলে কারো কোন ক্ষতি হবে না। আর মুখ হাত ঢাকাও ইসলামে বাধ্যতা মূলক নয়।
সাধারনত ইউরোপীয়ান ধার্মিক মুসলিম মেয়েরা তদের শরির ঢেকে রাখে এবং উপরে ওভারকোট এবং মাথায় স্কাফ ব্যবহার করে।
আর এটা ইসলামের বিরধী বলেও আমর মনে হয় না । এছাড়া খ্রীষ্টান যে Nuns রা আছে , তারা মুসলিমদের মতই হিজাব পালন করে, এদেরকে খ্রীষ্টানরা সবাই খুব ধার্মিক বলে জানে। ধন্যবাদ।
@জ্ঞান পিপাষু, আপনি অযথাই নিচে কিছু বিষয় উল্লেখ করেছেন।যানাকি আমার কাছে অশালিন মনে হয়েছে।তাই
সেই গুলি মুছে দিলাম।আশা করি আমরা সবাই সচেতন হবো ইনশাআল্লাহ।ধন্যবাদ।
@জ্ঞান পিপাষু,
বোরকা পড়া হিজাবের অনেকগুলো অংশের মধ্যে একটি । যেহেতু শরীর আবৃত রাখতে হবে , তাই বোরকা পড়ে আবৃত রাখা যায় আবার বড় চাদর পড়ে আবৃত রাখা যায় । কিন্তু বোরকা পড়ে সবচেয়ে সুবিধা ।
@জ্ঞান পিপাষু,
কিন্তু বোরকা পড়ে সবচেয়ে সুবিধা ।
আপনার যা সুবিধা তা আপনি মানেন আর অন্যের যা সুবিধা তা তাকে মানতে দিন। মূল কথা হল ইসলামিক নিয়মের সিমা অতিক্রম না করা। সিমার ভিতরে থেকে কেউ যদি পর্দা করতে চায় ইসলাম তাহে ওয়েলম জানায়, এটা নিশ্চই আপনি জানেন। ধন্যবাদ।
@জ্ঞান পিপাষু,
আপনার যা সুবিধা তা আপনি মানেন আর অন্যের যা সুবিধা তা তাকে মানতে দিন।
আরে ভাই , আমার সুবিধা বলেন কেনো ? আমি কি মেয়ে মানুষ নাকি ?
কোনো মেয়ে পর্দা করতে চাইলে সবচেয়ে সুবিধা “বোরকা” র মাধ্যমে । এটাই বুঝিয়েছি ।
@জ্ঞান পিপাষু,
তাই আমারো মনে হয় বোরকা পরাকে নিশিদ্ধ করলে কারো কোন ক্ষতি হবে না। আর মুখ হাত ঢাকাও ইসলামে বাধ্যতা মূলক নয়।
“বোরকা” নিষিদ্ধ হবে কেনো ? অবশ্যই ক্ষতি আছে । যারা বোরকার মাধ্যমে পর্দা করতে চায় , তাদের আমরা বাধা দেবো কেনো ?
@জ্ঞান পিপাষু,
“বোরকা” নিষিদ্ধ হবে কেনো ? অবশ্যই ক্ষতি আছে । যারা বোরকার মাধ্যমে পর্দা করতে চায় , তাদের আমরা বাধা দেবো কেনো ?
কারন বোরকা লেবেল লাগাইয়া হাত মুখ ঢাকিয়া অপরাধিরা অপরাধ করে বেরায়। আর এইরকম কেউকে যদি টিভি মিডিয়াতে দেখানো হয়, তখন তাকে মুসলিম বলে চালিয়ে দেয়া হয়। তাই ইসলাম এবং মুসলিমদের সুনাম বজায় রাখার সার্থে এটা আমাদের করনিয় বটে। আর এটা কোন মুসলিম কন্ট্রি নয়, তাই এ ব্যপারে বেশি চিল্লাফাল্লা করলে মুসলিমদেরি ক্ষতি হবে। আর বোরকাও ইসলামে বাধ্যতা মূলক নয়। ধন্যবাদ।
@ হাফিজ,
আরে ভাই , আমার সুবিধা বলেন কেনো ? আমি কি মেয়ে মানুষ নাকি ?
আরে ভাই, এখন অনেক ছেলেরাও বোরকা পরে নিজেকে আরাল করতে, তাই বুঝতেই পারছেন? তবে আমার মনে হয়না যে আপনি আমাদের কোন বোন।
@জ্ঞান পিপাষু,
কারন বোরকা লেবেল লাগাইয়া হাত মুখ ঢাকিয়া অপরাধিরা অপরাধ করে বেরায়। আর এইরকম কেউকে যদি টিভি মিডিয়াতে দেখানো হয়, তখন তাকে মুসলিম বলে চালিয়ে দেয়া হয়।
তাহলে কেউ “দাড়ি” রেখে যদি অপরাধ করে এবং মিডিয়াতে দেখানো হয়, তাহলে সমস্ত মুসলিমের দাড়ি কেটে ফেলা উচিত ? নাকি আইন করে দাড়ি রাখা নিষিদ্ধ করা উচিত ?
আর এটা কোন মুসলিম কন্ট্রি নয়, তাই এ ব্যপারে বেশি চিল্লাফাল্লা করলে মুসলিমদেরি ক্ষতি হবে।
চিল্লা চিল্লি করা ভিন্ন জিনিস , আপনি মুসলিম হয়ে কিভাবে সাপোর্ট করছেন যে “বোরকা” নিষিদ্ধ করা উচিত ?
আর বোরকাও ইসলামে বাধ্যতা মূলক নয়। ধন্যবাদ।
পর্দা করা ফরজ । এর পর্দার সহায়ক হিসেবে কেউ “বোরকা” কে বেছে নিলে সেটা মুসলিম হিসেবে আমাদের উৎসাহিত করা উচিত । বিধর্মিদের সাথে গলা মিলিয়ে বলা উচিত নয় যে এটাও নিষিদ্ধ হোক ।
@জ্ঞান পিপাষু,
আরে ভাই, এখন অনেক ছেলেরাও বোরকা পরে নিজেকে আরাল করতে, তাই বুঝতেই পারছেন? তবে আমার মনে হয়না যে আপনি আমাদের কোন বোন।
সরম দিলেন
@জ্ঞান পিপাষু,
তাহলে কেউ “দাড়ি” রেখে যদি অপরাধ করে এবং মিডিয়াতে দেখানো হয়, তাহলে সমস্ত মুসলিমের দাড়ি কেটে ফেলা উচিত ? নাকি আইন করে দাড়ি রাখা নিষিদ্ধ করা উচিত ?
দাড়ি টুপি অমুসলিমরাও রাখে, পোপের ছবিটা দেখেন। এছাড়া শিক ধর্ম, ইহুদি ইত্যাদি ধর্মের লোকেরাও আছে যারা দাড়ি রাখে এবং মাথা ঢেকে রাখে।
চিল্লা চিল্লি করা ভিন্ন জিনিস , আপনি মুসলিম হয়ে কিভাবে সাপোর্ট করছেন যে “বোরকা” নিষিদ্ধ করা উচিত ?
আমি বলেছি কেন আমি বরকাকে সাপোর্ট করিনা। আর যে বলেছে বরকা পরাকে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে সে ভুল বলেছে আমার মনে হয়।
কারন খ্রীষ্টান সন্যাসিরাও বোরকা পরে, তবে তাদের মুখ এবং হাত খোলা থাকে।
পর্দা করা ফরজ । এর পর্দার সহায়ক হিসেবে কেউ “বোরকা” কে বেছে নিলে সেটা মুসলিম হিসেবে আমাদের উৎসাহিত করা উচিত । বিধর্মিদের সাথে গলা মিলিয়ে বলা উচিত নয় যে এটাও নিষিদ্ধ হোক ।
পর্দা করা ফরজ এই কথার সাথে আমি একমত, কিন্তু বোরকা পরা বাধ্যতা মুলক নয়। কেউ যদি বোরকা পরতে চায়, তাহলে তাকে সাগতম। কিন্তু অনেক সময় অনেক পরিস্থিতিতে তা আমাদের পরিহার করা উচিত, যেমন বিভিন্ন জায়গায়, দেশের আইন শ্রিঙ্খোলা রক্ষার্থে, ইত্যাদি। মুসলিম দেশে এক রকম আর অমুসলিম দেশে আরেক রকম, কিন্তু মূল বিষয় আগে ঠিক রাখতে হবে। ধন্যবাদ।
পড়ে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ
@দ্য মুসলিম, আপনাকেও ধন্যবাদ।আর জ্ঞান পিপাসু ভাইকে সচেতন করানোর জন্যও আপনাকে ধন্যবাদ।
@দেশী৪৩২,
আপনি আগে সোচেতন হোন। আর উনি আমাকে কোথায় সচেতন করেছেন, পারলে প্রমান দেন, আমার কোন কথাটি অশালিন আমাকে বলেন আপনি? আপনাকে ১০০% চ্যালেঞ্জ করলাম। ধন্যবাদ।
@দেশী৪৩২,
ধন্যবাদ। ইসলাম একটি পুর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্হা এবং এতে এমন কিছু নাই যা কিনা মানুষের জন্য পালন করা অসম্ভব হবে। আল্লাহ পাক কোরানে কারীমে বলেনঃ
@দ্য মুসলিম,
কিন্তু দেশী৪৩২ এর মতে সব বিশয় আলোচনা করা যাবে না, আমিযে আপনার সাথে সেক্স নিয়ে আলোচোনা করচতেছিলাম তা নাকি অস্লিল। কি আর বলবো………
আমি বুঝি না, বোরকা, হিজাব পরা যার যার ব্যাক্তিগত ব্যাপার এবং এটা আমাদের ধর্মের সাথে সম্পর্কিত। এটা নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের এত মাথা ব্যাথা কেন?
হিজাব এবং নন-হিজাব মেয়েদের মধ্যে যত তর্কই হোক, একথা সর্বজন স্বীকৃত যে “বেহায়া , বে পর্দা মেয়েরা কোনো সময়ই সম্মানজনক ব্যবহার পুরুষদের থেকে পায় না ” ।
খুব কমই দেখা যায় , একজন বোর্কা পড়া বা পর্দায় আছে এমন মেয়েকে রাস্তা ঘাটে কেউ খারাপ কমেন্ট করে । অনেককেই দেখা যায় , পর্দার সমালোচনা করে , কিন্তু বিয়ে করার সময় “লাক্স ফটো সুন্দরী, ফেয়ার এন্ড লাভলী ” এই সব পণ্য টাইপ কল গার্লদের বর্জন করে ।
ধীক এইসব সাংস্কৃতিক আগ্রাসনকে ।
@হাফিজ,
সহমত।
@হাফিজ একমত
@হাফিজ, ভাই আপনি বোধহয় জানেন না আমাদের দেশে শিল্প খাতে গার্মেন্টসে সব চেয়ে বেশী কাজ করে। এবং এসব মেয়েরা ফ্যাকটরি থেকে বের হবার সময়ই বোরকা নামক অবগুন্ঠন ব্যবহার করে যা মোটেই হিযাব নয়। এবং এই মেয়েরা বেশি ফস্টি নস্টি করে থাকে। আমি এক যৌনকর্মীকে জিজ্ঞাস করেছিলাম তোমার ছেলে বড় হয়েগেছে আর তুমি এখনো এই সব করে বেড়াচ্ছ? যদি কোন দিন ছেলের সাথে রাস্তায় বের হয় হও আর সে সময় যদি তোমার কোন মক্কেল তোমাকে দেখে তোমার ছেলের সামনে তোমার পরিচয় প্রকাশ করে দেয় তো তখন কি হবে ভেবে দেখেছ? মহিলাটি বলল- আমি তো বোরকা ছাড়া রাস্তায় বের হইনা।
আমার ঐ কথা আপনার বোরকাকে নেগেটিভ দৃষ্টিতে দেখার জন্য নয়। আমি যে সব কথ বলেছি তা বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। অহরহ ঘটছে। কাজেই বোরকা নামক অবগুন্ঠন অবশ্য শুধু ধর্মীয় পারপাস সার্ভ করেনা মন্দ কাজও সার্ভ করে। যদি মূখ খোলা থাকত তবে অবশ্য মন্দ কাজে ব্যবহার হতনা। ধন্যবাদ।
@মুনিম,
ভাই, যদিও বোরকা শুধু মেয়েরা পরে কিন্তু তা শুধু মেয়েদের জন্য নয় বরং পুরুষদের জন্যও উপকারী বটে। যখন একজন পুরুষ, বিশেষ করে উঠতি বয়সের ছেলে কোন সুন্দরি মেয়েকে দেখে তখন তার মধ্যে এক ধরণের চাহিদা সৃষ্টি হয়। হোক সেটা শারিরিক বা মানসিক। তারপর ঐ ছেলেটি তার ক্ষমতা অনুযায়ী রিয়েক্ট করে। যেমন যদি তার মধ্যে খোদাভীতি বা সুশিক্ষা না থাকে তখন সে হয়তোবা মেয়েটিকে প্রেম নিবেদন করে বা জালাতন করে বা হয়তোবা কোন পতিতালয়ে যাওয়া শুরু করে। আর যদি খোদাভীতি থাকে তখন হয়তোবা সে নিজেকে কন্ট্রোল করে।
এখন প্রশ্ন হলো বর্তমানে বাংলাদেশে কতজন মানুষের মধ্যে খোদাভীতি কাজ করে?
উপরে আমি যা বললাম তা আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। সমসাময়ীক ছেলেদের সাথে চলাফেরা করার কারণে তাদের মন মানসিকতা বুঝতে সুবিধা হয়। আপনাকে একটি ঘটনা বলি,
গত বছর আমি অনার্স পরিক্ষা দিতে গিয়েছিলাম মিরপুর বাংলা কলেজে। সেই সময় আবার এইচ. এস. সি পরিক্ষা চলছিলো। পরিক্ষা শেষ হওয়ার সময় সকল অভিভাবক এসে মুল গেইটে এসে ভিড় করতো। তাদের মাঝ দিয়ে আমাদের সবাইকে তখন তাদের মাঝ দিয়ে বের হতে হত। তো একদিন পরিক্ষা দিয়ে বের হবার পর আমার এক মেয়ে ক্লাসমেট এসে কাঁদো কাঁদো স্বরে বললো যে ভিড়ের মধ্যে কেউ একজন তার গায়ে হাত দেয়ার চেষ্টা করেছিলো। আমি তাড়াতাড়ি সেখানে গিয়েছিলাম কাউকে খুজে পাওয়া যায় কিনা তা দেখতে। কিন্তু কাউকে পাইনি।
এরই কয়েকদিন পর আমার কয়েকজ ক্লাসমেট একটু দুরে গিয়ে কি নিয়ে যেন হাসাহাসি করছিলো। গিয়ে দেখলাম একজন বলছে যে সে তাড়াতাড়ি পরিক্ষার হল থেকে বের হয়ে যেত এবং অভিভাবক শেজে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতো যেন সুযোগ পেলে কোন সুন্দরী মেয়ের গায়ে হাত দিতে পারে। নিজের রাগ দমন করার জন্য আমি তাড়াতাড়ি সেখান থেকে বিদায় নিয়েছিলাম।
@জ্ঞান পিপাষু ,
একজন মানূষ যেহেতু তার শরিরে প্রতি নিয়ত সেক্স হরমন তৈ্রি হয় আর তখন তার কি করা উচিত বলে আপনি মনে করেন?
আপনার প্রশ্নের উত্তর আপনার কমন্টের মধ্যেই আছে। শাররীক উত্তেজনা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু তা তখনই মাত্রা ছাড়াবে যখন নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা করবে। যখন ছেলে মেয়ের চেহারা দেখবে তখন সাথে সাথে হয়তোবা সে ভুলে যাবে কিন্তু পরে কোন একসময় ইমাজিনেশনের কারনে তাকে পাপ কাজে বাধ্য করবে, চাই সেটা লাওয়াতাত বা জিনা হোক।
তাই আপনার প্রশ্নের মুল উত্তর হলোঃ ১) তাকওয়া অবলম্বন ২) হিজাবের পরিপুর্ণ প্রচলন।
@দ্য মুসলিম,
আমার উত্তরও আগেরটা। কারো মধ্যে যদি পরিপুর্ণ খোদাভীতি বা তাকওয়া থাকে তখন সে এ ধরনের উত্তেজনাকে কন্ট্রোল করতে পারবে। আর হিজাবের মাধ্যমে তার এই উত্তেজনা যেন না হয় সেটা নিশ্চিত করবে।
@জ্ঞান পিপাষু ,
এছাড়া বিয়ের প্রসঙ্গে একটা হাদিস জানি, তা হলো যার বিয়ের সামর্থ নাই এমনকি শাররীক উত্তেজন কন্ট্রোল করতে পারেনা তাদেরকে হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেশী বেশী রোজা রাখতে বলেছেন।
@দ্য মুসলিম,
এছাড়া বিয়ের প্রসঙ্গে একটা হাদিস জানি, তা হলো যার বিয়ের সামর্থ নাই এমনকি শাররীক উত্তেজন কন্ট্রোল করতে পারেনা তাদেরকে হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেশী বেশী রোজা রাখতে বলেছেন।
ভালো বলেছেন। তা কেমন সামর্থ থাকতে হবে বিয়ে করার জন্যে? নিজের থাকতে হবে নাকি বাপের পাওয়া সম্পত্তি তেই যতেষ্ট হবে?
আর একজন মানুষ যদি বয়সে খুব ছোট হয় এবং তার যদি যৌন চাহিদা দেখা দেয়, তাহলে ইসলামে বিধান কি?
@জ্ঞান পিপাষু ,
হিজাবের মাধ্যমে শারিরিক চাহিদা মিটবে এটা তো আমি বলিনি। আমি বলেছি এটা যে সীমা অতিক্রম না করে সেজন্য হিজাব একটি ভুমিকা রাখবে। যেমন উত্তেজনা আসার জন্য বিপরীত লিঙ্গের দর্শন বা ইমাজিনেশ দরকার। হিজাব এ অবৈধ দর্শন বন্ধ করবে।
এছাড়া বিয়ের প্রসঙ্গে একটা হাদিস জানি, তা হলো যার বিয়ের সামর্থ নাই এমনকি শাররীক উত্তেজন কন্ট্রোল করতে পারেনা তাদেরকে হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেশী বেশী রোজা রাখতে বলেছেন।
যখন সাহাবীদেরকে রাঃ গরম বালুর উপর টেনে হিচড়ে নিয়ে যাওয়া হতো এবং এছাড়া অনেক অমানবিক কষ্ট দেয়া হতো তখন তারা এসব সহ্য করতেন তাকওয়ার কারনে। এছাড়া যুগে যুগে অনেক মনিষি অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন তাকওয়ার কারনে। আর আমিও বলছি কারো মধ্যে যদি খোদাভীতি থাকে তাহলে সে শরীরে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হবে তা দমন করতে পারবে।
মোট কথা তাকওয়া দ্বারা শরীরের হরমোন বন্ধ করা যাবেনা কিন্তু হরমোন দ্বারা উদ্ভুত উত্তেজনাকে দমন করতে পারবে।
@জ্ঞান পিপাষু ,
তা কেমন সামর্থ থাকতে হবে বিয়ে করার জন্যে? নিজের থাকতে হবে নাকি বাপের পাওয়া সম্পত্তি তেই যতেষ্ট হবে?
সামর্থ বলতে মোহরানার হক আদায় করতে সক্ষম এবং স্ত্রীর ভরপোষনে সক্ষম।
আর একজন মানুষ যদি বয়সে খুব ছোট হয় এবং তার যদি যৌন চাহিদা দেখা দেয়, তাহলে ইসলামে বিধান কি?
যৌন চাহিদা হওয়ার জন্য কমপক্ষে তার বালেগ হওয়া আবশ্যক। আর বালিগ হবার পরই বিয়ের কথা বলা হয়েছে। ২১বছরের আগে বিয়ে করা যাবেনা তা রাষ্ট্রীয় আইন। ইসলামে এধরনের কোন বিধি নিষেধ নেই বরং যদি আর্থিক ভাবে সক্ষম হয় এবং শারীরিক উত্তেজনা প্রশমনে অক্ষম হয় তাহলে তার উপর বিয়ে ওয়াজিব বলা হয়েছে।
@মুনিম ভাই,
“বোরকা” কেনো ইসলামের আরো অনেক নিয়ম, কানুন দিয়ে মানুষ ব্যবসা করে । অনেক দাড়ী রাখে অমিতাভ বচচন এর মতো চেহারা দেখানোর জন্য । আবার অনেকে মসজিদ কমিটিতে যায় , ক্যাশের টাকা লুট করার জন্য । এটা একটি দিক ।
আবার অনেকে “বোরকা” পড়ে পর্দা করার জন্য , কেউ দাড়ী রাখে রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) কে অনুসরন করার জন্য ।
একজন মুসলমানের খালেস আল্লাহ তাআলাকে সন্তুষ্ট করার জন্য ইসলামি বিধি বিধান পালন করা উচিত । এখন কেউ যদি খারাপ উদ্দেশ্যে পালন করে সেটার দায় দায়িত্ব তার এবং সে গোনাহগার হবে । একজন যদি খারাপ উদ্দেশ্যে “বোরকা” ব্যবহার করে , তাহলে সে গোনাহগার হবে । একজন পূন্যের কারনে বা হিজাব পালন করার উদ্দেশ্যে পর্দা করলে সে আল্লাহতাআলার কাছে এর জন্য উত্তম পুরস্কার পাবে ।
আর কেউ খারাপ উদ্দেশ্যে বোরকা ব্যবহার করার অর্থ এই নয় যে , যারা ভালো উদ্দেশ্যে বোরকা ব্যবহার করে তাদের এই আমল পরিত্যাগ করতে হবে ।
সৃষ্টিকর্তা ইচ্ছা করলে সারা দুনিয়াতে পর্দা চালু করতে পারেন মূহুর্তের মধ্যেই
দেখুন
কিছু নমুনা
আমি এই পোষ্টটা ফেসবুকে দিয়েছিলাম। আমার কোন নোট এত জনপ্রিয়তা পায়নি যেমনটি এটা পেয়েছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয় ২৪ঘন্টারও কম সময়ে তারা (ফেসবুক এডমিন) এটা মুছে দেয়।
আল্লাহ বলেছেন- তোমার সাধ্যমত আল্লাহকে স্মরণ কর।
জ্ঞান পিপাষু ভাই আপনি অযথাই এখানে কিছু মন্তব্য করেছেন।যানাকি আমার কাছে অশালিন মনে হয়েছে।তাই
সেই গুলি মুছে দিলাম।আমাদের সবার মনে রাখতে হবে এটা ইসলামী ব্লগ। আশা করি আমরা সবাই সচেতন হবো ইনশাআল্লাহ।ধন্যবাদ।
@দেশী৪৩২,
আমিতো দ্যা মুসলিম এর সাথে যুক্তি তর্কের খাতিরে অনেক বিষয় নিয়ে আলোচোনা করেছি। আপনার কাছে মনে হয়েছে আমার কিছু কথা অশালিন, ভালো কথা, কিন্তু আপনি আমাকে আগে বলতেতো পারতেন যে, কোন কথাটা অশালিন?
আর আমি যার সাথে কথা বলছিলাম তার কিছু মনে হলোনা অথচো আপনার মনে হলো বোলেই এমনটি করবেন?
এখানে ইসলামের আলোকে শিখতে এসেছি, আর আমাদের জীবনের অনেক কিছু নিয়েই এখানে আলোচনা হবে। আর এইসব বিশয় কোন মন গড়া কথা না। নারি পুরুষের পা হতে মাথা পর্যন্ত আলোচোণা কোরবো আগামীতে, আপনি শুধু দেখে যান।
আমার ভুল ধরেছেন তাতে আমি আনন্দিত, কিন্তু আমাকে আগে জানালে তার পর ডিলেট কোড়লে আরো ভালো হত, আমাকে আত্তপক্ষ যুক্তি দান থেকে আপনি বঞ্চিত করলেন। ধন্যবাদ।
@জ্ঞান পিপাষু, বিভিন্ন ব্যস্ততার জন্য এতদিন লেখাগুলি পড়তে পারিনি ।তাই দেরী হলো। ধন্যবাদ।