আল্লাহর নিকটবর্তী !
লিখেছেন: ' দেশী৪৩২' @ মঙ্গলবার, মার্চ ৩০, ২০১০ (৬:৫০ অপরাহ্ণ)
আল্লাহর নিকটবর্তীঃ
১। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন- হযরত মূসা (আ) – এর প্রতি আল্লাহ প্রত্যাদেশ করলেন, “হে মূসা! তুমি কি এটা চাও যে, আমি তোমার ঘরে তোমার সাথে বসবাস করি? এই শুনে হযরত মূসা (আ) আল্লাহর উদ্দেশে সিজদায় রত হলেন অতঃপর নিবেদন করলেন- ‘হে আমার প্রতিপালক! আপনি আমার সাথে আমার ঘরে কিভাবে বসবাস করবেন? ’ অনন্তর আল্লাহ্ বললেন, হে মুসা! তুমি কি জান না আমায় যে স্মরণ করে আমি তার সঙ্গী হই? আর আমার বান্দা আমাকে যেখানে খোজে, সেখানেই আমাকে পায়।“এ হাদীসটি ইবনু শাহীন হযরত জাবির (রা) থেকে সংগ্রহ করেছেন।
২। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন- হযরত মূসা (আ) বললেন, “হে আমার প্রতিপালক! আপনি কি আমার খুব কাছাকাছি যে, আপনাকে আমি অনুচ্চরস্বরে ডাকব, না কি আমার থেকে অনেক দূরে যে, উচ্চৈস্বরে ডাকবো? কারণ আপনার সুরের মাধূরী তো আমি অবশ্যই অনুভব করি কিন্তু আপনাকে দেখতে পাই না, তা হলে আপনি কোথায় অবস্থান করেন?” আল্লাহ্ এরশাদ করলেন, “আমি তোমার পেছনে, তোমার সামনে, তোমার ডানে এবং তোমার বামে অবস্থান করি। ওহে মূসা! আমি আমার বান্দার সাথে বসে থাকি যখন সে আমায় স্মরণ করে। সে যখন আমাকে ডাকে আমি তখন তার সাথে থাকি।”দায়লামী এ হাদীসটি সাওবান (রা) সংগ্রহ করেছেন।
৩। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন- নিশ্চয়ই সুমহান আল্লাহ্ বলেন, “আমি আমার বান্দার সাথে অবস্থান করি। যতক্ষণ সে আমার যিকির করে এবং আমার যিকিরে তার দু’ঠোট সঞ্চারিত হয়।”আহমদ এ হাদীসটি আবূ হুরায়রা (রা) থেকে সংগ্রহ করেছেন।
Processing your request, Please wait....












হাদিসগুলো কিছুটা ব্যাখ্যা দাবি রাখে।
অবস্থান করার দ্বারা কী বুঝানো হচ্ছে, সেটা ব্যাখ্যা না করলে কেউ ভুল বুঝতে পারে।
@সাদাত,পবিত্র কোরআনে আল্লাহ পাক এরশাদ করেন,”ফাযকুরনি আজকুরকুম” অর্থাৎ ”যে আমাকে(আল্লাহকে) স্বরন করে আমি(আল্লাহক) তাকে স্বরন করি”
এই হাদিসগুলো দিয়ে সূফীজমের অনেকে গোলমাল পাকিয়ে থাকেন, যার এক্সট্রিম পর্যায় “আনাল হক” টাইপের কিছু একটা।
@মালেক_০০১,
সূফিজম সম্পর্কে আপনার মতামত কি?
মানে বিশ্বাস করেন? নাকি করেন না।?
@দ্য মুসলিম, সরাসরি কোন উত্তর নাই। সূফিজমের অনেক কিছুই আছে যা কোরআন-হাদিস সমর্থিত আবার অনেক ঘটনা শোনা যায় যেগুলো সত্যি হলে তা অবশ্যই কোরআন-সুন্নাহর পরিপন্থি। তাই, আল্লাহ আমাদের জীবনের সকল ক্ষেত্রে কোরআন-সুন্নাহ মেনে চলার তৌফিক দান করুন। আমীন।
@মালেক_০০১,
ঢালাও ভাবে মন্তব্য না করার জন্য শুকরিয়া। সূফিজমের কোন ঘটনা যদি কোরান-সুন্নাহর পরিপন্হি হয়ে থাকে তবে তা অবশ্যই পরিত্যাজ্য। ” আব্বু বলেছেন খারাপ, তাই খারাপ “- এধরণের সমালোচনা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। ধন্যবাদ।
@দ্য মুসলিম, thanks for good question. কেউ কেউ মনে করেন সমালোচনা করতে পারলেই বড় হওয়া যায়।এক্ষেত্রে শিক্ষা ও জানার কোন প্রয়োজন নেই।আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে হেদায়াত দান করুন। আমিন।
@দেশী৪৩২,
ধন্যবাদ।
হযরত আবু হোরায়রা রাঃ এর রেওয়ায়েতে হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ অজ্ঞাত বিষয় নিয়ে যে তর্কে লিপ্ত হয়, সে তর্কে ক্ষান্ত না দেয়া পর্যন্ত আল্লাহ তায়ালা তার প্রতি নাখোশ থাকেন।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সকল খারপ কাজ থেকে হিফাজত করুন। আমিন।