আক্বীদাহ।
লিখেছেন: ' ফারুক' @ সোমবার, নভেম্বর ১৬, ২০০৯ (১২:১২ অপরাহ্ণ)
আমাদের এক ভাই আক্বীদাহ্র উপরে সিরিজ লিখছেন। জানার বা জ্ঞানার্জনের জন্য ভালো। উনি যে পয়েন্টগুলো দিয়েছেন তার অনেকগুলো নিয়েই বিতর্ক করা যায়। আমি সে তর্কে না গিয়ে জানতে চাই আসলেই কোরানে আক্বীদাহ্ সম্পর্কে কি বলা হয়েছে ? আক্বীদাহ্ মনে হয় আরবি শব্দ। সার্চ দিয়ে এই শব্দটি কোরানে পেলাম না। যেটা পাওয়া গেল , সেগুলো হলো-উকদাহ্(২:২৩৫) যেটা বিয়ের বন্ধন সম্পর্কিত, আকাদাহ(৪:৩৩)উত্তরাধিকারদের মধ্যে সম্পত্তি বন্টন সম্পর্কিত। আল-নিসা ৩৩, আল-মায়দাহ ৮৯ ও আল-নাহল ৯১এই আয়াতগুলোতে আকাদাত , আকাদতুম শব্দ ব্যবহার হয়েছে , কিণ্তু এদের সাথে আক্বীদাহর কোন সম্পর্ক নেই। বাধ্যতামূলক বিশ্বাসের (আক্বীদাহ) ব্যাপারে কোরানে কিছু থাকলে বিজ্ঞ ভাইকে কিছু জানাতে অনুরোধ করছি।
আক্বীদাহ এটা হিব্রু শব্দ , যার অর্থ অবশ্য করনীয়। এর ব্যবহার বাইবেলে পাওয়া যায়।
The Oxford Companion to the Bible talks about ‘aqeedah’ ।
Processing your request, Please wait....












ভাগেন তো। কোরান কী ডিকশনারী নাকি? আপনি দেখছি আজাপাড়াগাও থেকে উঠে এসেছেন।
কোরান তো সর্বপ্রথম মানুষের উপর আক্বীদার হুকুমই নাযিল করেছে। ما ظنكم بآلهتكم মানুষের স্রষ্টার প্রতি কি বিশ্বাস হবে তাই তো কোরানের মৌলিক কথা । আগামাথা না বুইঝা পোস্ট করবেন না ।
আমার উপস্থিতির উপরে কি আপনার বিশ্বাস নির্ভর করে? আমাকে ভাগাতে পারলে অজপাড়া গাঁর লোকদের যা ইচ্ছা তাই গেলাতে পারবেন, এই কি আপনার আশা? হ্যা , আমি অজপাড়া গাঁ থেকে এসেছি। কোন অসুবিধা?
একটা কথা পাইছিলাম ” কেয়ামতের আগে অনেক নাদানরাও কোরান বুঝতে চেষ্টা করবে” আপনারে দেইখা সেই কথাটাই মনে পড়লো। কত বাস্তব কথাই না বলে গেছেন।
নাদানদের মুক্তির উপায় জানাবেন কি?
নির্বোধের মত কথা বলবেন না, অনলাইনে সার্চ ছাড়া আর কিছু জানেন কিনা সন্দেহ হচ্ছে। আরবী ডিকশনারী উল্টাইতে জানেন?
জানি না বলেই তো আপনার সাহায্য প্রয়োজন। কোরানের আয়াতটি খুজে আমাকে বলুন।
আচ্ছা বলেন তো আপনার নাম ফারুক কোরানের কোন খানে আছে?!!! এটাও তো কোরানে থাকার কথা না কি?!!! আপনারে মিয়া আমি কোরানের আয়াত পড়াইতে যামু ক্যান? আপনি না খালি কোরান ছাড়া আর কিছু মানেন না?!!
কোরান দিয়াই যদি সব সাজেসন পাইতে চান তাইলে আক্বীদা বিশ্বাসের সাজেসন লইয়া কোরানে একখানা আয়াতও পাইলেন না?!! খালি ডিকশনারী মনে কইরা কোন আয়াতে আ কী দা ল্যাখা আছেন সেইডা খোজলেন।। আপনার মাথায় কী লইয়া বসবাস করেন বলেন তো?!!
আমার নাম কোরানে থাকার তো কোন দরকার নাই। কোরানের আয়াত পড়াইতে না চাইলে পড়ায়েন না , আমি তো জোর করি নাই আপানাকে। ভালো থাকুন। রাগ কমান। কোরানে কিন্তু রাগ কমাতে বলা হয়েছে।
আচ্ছা বলেন তো আপনার নাম ফারুক কোরানের কোন খানে আছে?!!! এটাও তো কোরানে থাকার কথা না কি
ভাই , আমি তো পিস ইন ইসলাম শব্দটাও কোরানে খুজে কোনো জায়গায় পেলাম না
ফারুক সাহেব এখনও সময় আছে মানুষকে মর্যাদা দিতে শিখুন , যে নবীজী ( সা:) কোরান নিয়ে এলো তাকে অনুসরন করায় এতো আপনার আপত্তি ।
@হাফিজ , আপনার ফারুক ও পিস ইন ইসলাম নিয়ে আজাইরা প্রশ্নের উত্তর নিচে দেয়া আছে।
আপনার কেনো মনে হলো আমি মানুষকে মর্যাদা দেই না? রসূলকে অনুসরন করা নিয়ে আমার একটা পোস্ট আছে , যতদুর জানি আপনি ওটা পড়েছেন। না বুঝে থাকলে ওখানেই এই প্রশ্নটা করা উচিৎ ছিল। এখানে আমরা অন্য বিষয় নিয়ে আলাপ করছি। এই ভাবে যদি আলোচনা ভিন্ন খাতে সরানোর চেষ্টা করতে থাকেন , তাহলে তো আলোচনার কোন মানেই থাকেনা।
তদুর জানি আপনি ওটা পড়েছেন। না বুঝে থাকলে ওখানেই এই প্রশ্নটা করা উচিৎ ছিল। এখানে আমরা অন্য বিষয় নিয়ে আলাপ করছি। এই ভাবে যদি আলোচনা ভিন্ন খাতে সরানোর চেষ্টা করতে থাকেন , তাহলে তো আলোচনার কোন মানেই থাকেনা।</strong
ফারুক , জ্বি ঠিকই বলেছেন , মেনে নিলাম।
আসসালামু আলাইকুম,
ভাইযান রা ঝগড়া কইরেন না…..
ফারুর ভাই, কোরান শরীফে তো সালাত এর কথা উল্লেখ আছে, নামাজ এর কথা বলা নাই …. … … …
আলহামদুলিল্লাহ, আমি একজন মাদ্রাসার ছাত্র। আমি ও “আক্বিদাহ” বলতে বিশ্বাস ই পড়েছি… …. … …
শুধু সাচ এর উপর ডিপেন্ড না করে আরবি সাহিত্য ঘাটলে ভালো হয়…
ভুল হলে মাফ করবেন…
ওয়া আলাইকুম ছালাম। নারে ভাই ঝগড়া করতেছিনা।
নামাজ ফার্সি শব্দ , সেকারনে নামাজ শব্দটি সার্চ দিলে কোরানে পাবেন না। কিন্তু সালাত সার্চ দিলে পাবেন।
আমি তো জানতেই চাইতেছি আক্কিদাহ্ কোন ভাষার শব্দ।
আপনি যে ঝগড়া করেন নি , তার জন্য ধন্যবাদ।
কারো যদি তর্ক করার যোগ্যতা না থাকে তার সাথে চুপ থাকা উত্তম। কিন্তু এসব লোককে লজ্জা না দিলে সাধারণ পাঠকরা এদের আল্লামা ভাবতে শুরু করবে। দেখেন না গোবেচারা কোরানে আক্কীদা শব্দ সার্চ করে কিন্তু আক্বীদা না পেয়ে আরেক ভাইয়ের আক্বীদা নিয়ে বক্তব্যকে অমুলক ….. ইত্যাদি ইত্যাদি যা খুশী বললো।
হিব্র্রু ভাষার পন্ডিত গজাইছে না সার্চ মাইরা পেষ্ট করছে দেখতেই তো পেলেন। এরা আবার ধর্মনিয়া এজতেহাদ করবে। কি বলা উচিত এদের বলেন তো?!!
যার লজ্জা নেই , তাকে কিভাবে লজ্জা দিবেন?
হক্ব কথা কইলেন তো?!! লজ্জা থাকাটাই কাম্য কারন কোরানে নাই তবে হাদিসে আছে” الحياء شعبة من الإيمان লজ্জা ঈমানের অংগ। তো একটু লজ্জা পাইতে শিখেন অনেক কাজে আসবে।
নাহ্ , আপনার কথায় আশ্বস্ত হতে পারছিনা। আছেন কি কেউ আল্লাহ্র বান্দা , যিনি আমাকে আশ্বস্ত করবেন এই কথা জানিয়ে যে, লজ্জা(ফার্সিতে ‘খেজালাত’, আরবিতে মনে হয় ‘খেজাল’) শব্দটি কোরানে নাই।
আসলে কি জানেন কোরানের বানী প্রচার করতে যেয়ে , গালি শুনতে শুনতে গালিপ্রুফ হয়ে গেছি।
লজ্জার অনেক প্রতিশব্দ আরবীতে আছে যেমন- হায়া,হায়ী, খাজাল,খাজুল, ইসতাহা, ফাদিহ, মুস্তাহী, ইত্যাদি তো খাজাল না থাকলেও অন্য গুলোতো আছে?
রসূল স: আবুল হাকাম কে আবুল জাহাল বলতেন। বেদুঈনদের বলতেন এই বেদুইন বেকুফ আহমকের মত পোশাক পড়ে আবার… তো আপনাকে কিছু কিছু বলে সুন্নত আদায় করি ্
আর ভালো কথার শোনার যোগ্যতা থাকলে ওয়েল ।
কোরানের বানী প্রচার !! হাসালেন ভাই অন্তরালে কিসের বানী প্রচার করছেন খেয়াল আছে তো?!!! কোরানে বলছে ” يضل به كثيرا و يهدي به كثيرا আল্লাহ কোরানের মাধ্যমে অনেককে বিভ্রান্ত করেন এবং অনেক কে হেদায়াত দান করেন। তো প্রচার করেন ঠিক আছে কিন্তু বিভ্রান্ত হইয়েন না।
যোগ্যতা বিচার করে ভালো কথা শোনাতে চাইলে , যোগ্যতা বিচার করতেই আপনার সময় চলে যাবে । ভালো কথা শোনানোর আর সময় পাবেন না।
কোরানের বানীর মাধ্যমে কে বিভ্রান্ত হচ্ছে আর কে হেদায়েতপ্রাপ্ত হচ্ছে , সেটা আল্লাহ্ই ভালো জানেন। আপনি কি জানেন?
ফারুক ভাই, ভাষা একটি চলন্ত বিষয়। ভাষায় এক জাতীর শব্দ আরেক জাতী গ্রহণ করার ভূরি ভূরি নজির আমাদের আসে পাশে পাবেন। এটার মানে এই নয় যে এই শব্দের অনুপ্রবেশে আমরা আমাদের মৌলিক বিষয়ের ভুল ব্যাখ্যা করছি। এখন আমার লাইভ ডিকশনারী নিদ্রায় নতুবা একটা ভাল ব্যাখ্যা কোরান থেকে দিতে পারতাম। আমি যেটি জানি ঈমানের পরিভাষা হচ্ছে আক্বীদাহ । আপনি কোরানে সার্চ করে আক্বীদাহ শব্দ যদিও পান নাই তবে ঈমান শব্দটি ১০০ বারের উপরে যে পাবেন তা আমি সিওর। আক্বীদাহর আর একটি ভিন্ন শব্দ হচ্ছে- ই’তিক্বাদ আমার মনে হয় যদিও সিওর না এই ই’তিক্বাদ থেকেও আক্বীদাহ আসতে পারে। এ বিষয়ে আপডেট যদি না আসে অন্য কারো থেকে তবে আমার লাইভ ডিকশনারী থেকে জেনে জানাব। ততক্ষণ সালাম। শান্তি। শান্তি।
ধন্যবাদ। আপনার লাইভ ডিকশনারীর অপেক্ষায় থাকলাম। সালামুন আলাইকুম।
আমি আপনার আক্বীদা বিষয়ক ব্যাখায়া যবো না, কারণ যিনি লিখছেন তিনিই আরো ভালো ব্যখা করবেন,তবে প্রসংঙ্গক্রমে প্রয়োজন হলে করা যাবে। হ্যা আপনার প্রশ্নের ক্যাটাগরি হিসেবে একটা কথা বলবো: কোরান বলছে مَا فَرَّطْنَا فِي الْكِتَابِ مِنْ شَيْءٍ আর আমি কিতাবে কোন বিষয়ের বাদ দেই নি” আনআম ৩৮। এবার প্রশ্ন হল আমার ব্লগে কে যেন বলছিল হিজরা -খাজড়া নিয়া, আম-কাঠাল নিয়া কোরানে কি আছে?! একান্ত অমুলক নয় আপনার জন্যও এই কথাটা বলতে হয় কোরান যদি একটি ডিকশনারী হত তবেই তো আমাদের এই প্রশ্নের জওয়াব দিতে হত যে কোরানে এই শব্দ বাদ পড়লো কেন? কোরান যেহেতু ডিকশনারী নয় বরং جوامع الكلم অনেক কিতাব ও কথা সার-সংক্ষেপ তাই কোরানের শব্দ দিয়ে পাওয়া না গেলেও ইংগিত ও ইশারায় সকল বিষয়াবলি এমনকি বস্তু নিয়ে আল্লাহ মানুষকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। কোনটি বিস্তারিত আবার কোনটি সংক্ষিপত্ । বিস্তারিতগুলোর হুকুম পরিস্সকার আর সংক্ষিপ্তগুলোর মধ্যে কোনটি বিশ্লেষনের প্রয়োজন থাকলে তা হাদীস সুন্নাহ ও সাহাবাগনের কাথার মাধ্যমে হবে । ওমা তাওফিক্বী ইল্লা বিল্লাহ
ধন্যবাদ সুন্দর একটি প্রশ্ন করার জন্য। দেখুন কোরানে একটি আয়াত আছে সাত সমু্দ্রের পানি যদি কালি হতো ও সকল গাছ যদি কলম হতো , তাহলে ও আল্লাহ্র কথা শেষ হতো না। অর্থাৎ আল্লাহ চাইলে হাজার হাজার ভল্যুম কোরান লিখে মানুষের সকল অবান্তর প্রশ্নের জবাব দিতে পারতেন। আরো একটি আয়াতে রসূলকে অবান্তর প্রশ্ন করে ক্লান্ত করতে নিশেধ করেছেন। এর থেকে এই উপসংহারে আসা যায় যে , আল্লাহ যতটুকু মানুষের মুক্তির জন্য প্রয়োজন , ততটুকু তথ্য ও জ্ঞান কোরানে দিয়েছেন। সুতরাং আম জাম হিজড়া নিয়া আজাইরা প্রশ্নের উত্তর কোরানে না খোজাই উচিৎ।
লাইনে আসছেন তাইলে। মা শা আল্লাহ । তবে কোরানের সাথে হাদিস-ফেকাহকেও রেসপেক্ট করবেন তাইলে যে কোন বাঙ্গালের উত্তর দেয়া সহজ হবে।
বে লাইনে কবে ছিলাম? জানি না তো!!
রাসুল (সা:) বলেছিলেন
আমার মনে হয় “আহলে কোরআন” এই ধরনের আরেকটি ফেরকা বা দল। একটু বিচার বুদ্ধি দিয়ে চিন্তা করলেই সবাই বুঝতে পারবে, ওরা যে কোরানের কথা বলে সেই কোরআনের তাফসীর বা ব্যাখ্যা এর মূল ভিত্তি হল “ইলমে হাদীস”। কেউ যদি হাদীস কে বর্জন করতে চায়, ইনডিরেক্টলি তাকে কোরআনের তাফসীর বর্জন করতে হবে। আমাদের আরেকটু ভেবে চিন্তে দেখা উচিত।
AllRight
@the muslim, এখানে আমরা আক্কিদাহ নিয়ে আলোচনা করছি। আপনি ৭৩ দল নিয়ে একটি পোস্ট দিন , সেখানে দল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। ঠিক আছে।
একটা হাদীস আমরা সবাই জানি
আক্বিদাহ শব্দটি আরবি হোক আর অন্য ভাষা হোক, মূল কথা হল আমাদের আসলেই সর্বপ্রথম “আত্মশুদ্ধি” দরকার। আমি ৭৩ দলের কথা আলোচনার মোড় ঘুরানোর জন্য বলিনি। বলেছি এই জন্যই যে প্রথমে আমাদের উদ্দেশ্য যাচাই করা উচিৎ। আমরা যদি এখানে শুধু লজিকের দোকান নিয়ে বসি তাহলে আলাদা কথা। কিন্তু একজন মুসলমান হিসেবে আপনারা ও স্বীকার করবেন যে “আমাদের প্রতিটি কাজ হওয়া উচিৎ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য”। আর তখনই ৭৩ দলের প্রশ্ন আসে। কারো শুধু যুক্তি তর্কে জেতার ইচ্ছে থাকলে তাদের অন্য ব্লগ এ যাওয়া উচিৎ। আর আশা করি সাইট এর “লক্ষ ও উদ্দেশ্য” পড়া হয়েছে।
তাই চেয়েছিলাম একটা দরকারি কথা বলে সময়টুকু কে অর্থবহ করে রাখতে।
আসুন, আমরা সবাই প্রথমে আমাদের উদ্দেশ্য যাচাই করে নেই। আর তা হোক একমাত্র মহান আল্লাহ তা’য়ালার সন্তুষ্টির জন্য।
আপনার সন্তুষ্টি অর্জন করার সহজ উপায় হলো আপনার নির্দেশ মেনে নেয়া, নয় কি? এখন আমি যদি বলি , ভাই আমার ভুল হয়ে গেছে , এখন থেকে আপনি যা বলবেন সেই মতো চলব। তাহলে নিশ্চয় আপনি আমার উপর সন্তুষ্ট হবেন। হবেন না? তেমনি–
আমিও আল্লাহ্র সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য তারই প্রেরিত কোরানের বানী আমার জ্ঞান বুদ্ধিমতো মেনে চলার আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছি। এতে আপনি অবাক হচ্ছেন কেনো?
না ভাই, আমি অবাক হব কেন? আমি শুধু মনে করিয়ে দিতে চেয়েছিলাম। এখন দেখি আপনার আগেই মনে আছে।
আলহামদুলিল্লাহ, আপনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এসব করছেন শুনে ভালো লাগলো। আপনার জন্য দোয়া রইল। আর আমাদের জন্য ও দোয়া করবেন, আমরা যেন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সব সময় সচেষ্ট থাকতে পারি। এক একজন মানুষের এক এক অ্যামবিষন থাকে, আর আমার অ্যামবিষন হলো “পরকাল”। আর তাই বিন্দুমাত্র রিস্ক নিতে রাজি না। কোরান, হাদিস, ইজমা, ক্বিয়াস, সবই আমি মানতে রাজি। এবং ইনশাল্লাহ সবই মানব। ভয় শুধু “বিদআত” নিয়ে। বিদআত থেকে বেঁচে থেকে যেন জীবন অতিবাহিত করতে পারি সে জন্য দোয়া করবেন।
আল্লাহ হাফেজ
আপনার অ্যামবিষন হলো “পরকাল”। শুনে খুশি হলাম। আপনি রিস্ক মুক্ত থাকতে চাইলে তো , ৭৩ দলের সব আদর্শই মেনে চলা উচিৎ। তাহলে কোনো কিছুই মিস্ করবেন না।
দোয়া করি , আপনি ও আমরা সকলে যেনো বিদআত থেকে বেঁচে থেকে জীবন অতিবাহিত করতে পারি।
ছি ভাই, এটা কি বলেন? , ৭৩ দলের মধ্যে তো এমন দল ও আছে যারা সরাসরি “অমুসলিম” ঘোষিত। মানার জন্য আমি চারটা উৎসের কথাতো বললামঐ।
আপনার বুঝার সুবিধার জন্য আরেকটা কথা যোগ করে দিলাম “হানাফী মাজহাব”। এবার আপনি চাইলে আমাকে গোড়া বলতে পারেন। আলহামদুলিল্লাহ আমার সাথে আরো ৩ টি জিনিষ আছে :
১) আল্লাহর রহমত (সকল ভাল কাজে আকাঙ্খির সাথেই থাকেন)।
২) মাদ্রাসায় পড়ার ৭ বছরের অভিজ্ঞতা।
৩) মহান আল্লাহর দেয়া বিবেক বুদ্ধি।
দোয়া করবেন।
@The muslim ,
মানার জন্য আমি চারটা উৎসের কথাতো বললামঐ।
কোরান, হাদিস, ইজমা, ক্বিয়াস
সহমত
২) মাদ্রাসায় পড়ার ৭ বছরের অভিজ্ঞতা।
৩) মহান আল্লাহর দেয়া বিবেক বুদ্ধি।
আপনার মাদ্রাসার পড়ার অভিজ্ঞতা আছে শুনে খুশী হলাম এবং যার পর নাই আশ্চর্য হলাম। এটা খুবই খুশীর কথা যে মাদ্রাসার লাইন থেকে এসে আপনি ইন্টারনেটের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছেন । আপনাকে স্বাগতম ।
যদি সমস্যা না থাকে তাহলে আপনার সম্বন্ধে আরো কিছু জানতে চাই , এখানে লিখতে পারেন অথবা এই আমার ইমেইল আই।ডি
hafiz@techants.com
ধন্যবাদ, হাফিজ ভাই। আপনাদের মতো সিনিয়র ব্লগারদের নজর কাড়তে পেরে আনন্দিত। যদি সময় থাকে আপনি আমার ওয়েব সাইট থেকে একবার ঘুরে আসতে পারেন। ওখানে সব দেয়া আছে। এছাড়া আর কিছু জানার থাকলে আমিতে আছিই।
দোয়া করবেন। আল্লাহ হাফেজ।