নামকরন।
লিখেছেন: ' ফারুক' @ বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৯, ২০০৯ (১০:২৯ পূর্বাহ্ণ)
আমাদের একটি সহজাত প্রবনতা হলো , কারো বক্তব্যের বিরোধীতার সময় , ঐ বক্তব্যের বিরুদ্ধে যৌক্তিক কোন প্রমান বা দলীল স্থাপন না করে , বক্তাকে একটা নামকরন করে দেয়া। যেমন – কোরান ওনলি , শীয়া , কাদিয়ানী বা অমুক পীরের অনুসারী ইত্যাদি ইত্যাদি। ওদেরকে বর্জন করুন বা ওদের কথা শোনার দরকার নেই। এর সুফল হচ্ছে কষ্ট করে আর প্রমান করা লাগলো না , উক্ত বক্তব্য টা মিথ্যা । আর কুফল হচ্ছে , বক্তব্যটা যদি সঠিক হয় , তাহলে আমরা সত্য জানা থেকে বঞ্চিত হলাম , এবং নিজেদের ভুলের মাঝে থেকে অন্ধকারাচ্ছ্ন্নই থেকে গেলাম। এর দায় দায়ীত্ব ঐ সব আলেমদের যারা এই নামকরন করে মানুষকে সত্য জানা থেকে বঞ্চিত করছে। সাধারন মানুষ আলেমদের ঘাড়ে দায় দায়িত্ব চাপিয়ে যে রেহাই পাবে তাও কিন্তু নয়। তারা ও রেহাই পাবেনা।
৬) সূরা আল আন-আম আঃ ৭০
তাদেরকে পরিত্যাগ করুন, যারা নিজেদের ধর্মকে ক্রীড়া ও কৌতুকরূপে গ্রহণ করেছে এবং পার্থিব জীবন যাদেরকে ধোঁকায় ফেলে রেখেছে। কোরআন দ্বারা তাদেরকে উপদেশ দিন, যাতে কেউ স্বীয় কর্মে এমন ভাবে গ্রেফতার না হয়ে যায় যে, আল্লাহ ব্যতীত তার কোন সাহায্যকারী ও সুপারিশকারী নেই এবং যদি তারা জগতের বিনিময়ও প্রদান কবে, তবু তাদের কাছ থেকে তা গ্রহণ করা হবে না। একাই স্বীয় কর্মে জড়িত হয়ে পড়েছে। তাদের জন্যে উত্তপ্ত পানি এবং যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে-কুফরের কারণে।
৬) সূরা আল আন-আম আঃ ৫০
আপনি বলুনঃ আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর ভান্ডার রয়েছে। তাছাড়া আমি অদৃশ্য বিষয় অবগতও নই। আমি এমন বলি না যে, আমি ফেরেশতা। আমি তো শুধু ঐ ওহীর অনুসরণ করি, যা আমার কাছে আসে। আপনি বলে দিনঃ অন্ধ ও চক্ষুমান কি সমান হতে পারে? তোমরা কি চিন্তা কর না ?
আমাদের রসূল ভবিষ্যত জানতেন না। ৭৩ ফ্যরকা হবে কিনা তা তার জানার কথা নয়।
৩) সূরা আল ইমরান আঃ ৫৮
আমি তোমাদেরকে পড়ে শুনাই এ সমস্ত আয়াত এবং নিশ্চিত বর্ণনা।
Muhammad Asad 3:58 THIS MESSAGE do We convey unto thee, and this tiding full of wisdom: (হিকমা)
Processing your request, Please wait....












আসসালামু আলাইকুম,
রাসুল (সাঃ) ভবিষ্যত জানতেন। তবে তা ওহি-র মাধ্যমে। অর্থাৎ যতটুকু আল্লাহ পাক তার বান্দাহ দের জানাবেন বলে মনস্হির করতেন ততটুকুই ওহি-র মাধ্যমে জানাতেন। এবং তিনি অতীত ও জানতেন একই মাধ্যম থেকে।
যেমনঃ হাদীস শরীফে হুজুর পাক (সাঃ) “কেয়ামতের আলামত”, “আদ ও সামুদ জাতীর সাথে সাদৃশ্য পূর্ণ আচরন”, “ইমাম মাহদী ও ঈসা (আঃ) এর আগমন”, “দাজ্জাল এর ঘটনা”, “দাব্বাতুল আরদ”, “ইয়াজুজ মাজুজ”, “আল্লাহ তায়ালার বিধান অমান্য করার পরিণতি (যা বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশে বর্তমান)”… … … …ইত্যাদি।
এছাড়া তিনি অতীত ও জানতেন। যেমন বিভিন্ন নবীদের ঘটনা, বিভিন্ন জাতীর ঘটনা, আদম (আঃ) এর সময়কার ঘটনা… … … …ইত্যাদি।
যদি আপনি এসবে বিশ্বাস করে থাকেন তাহলে হয়তো আলোচনা সামনে এগোতে পারে। আর যদি না করে থাকেন তাহলে অহেতুক আপনার সময় নষ্ট করার কোন মানে হয়না। কারন এই ক্ষেত্রে বেশীর ভাগ রেফারেন্স আসবে পবিত্র হাদীস শরীফ থেকে, আর… … …
আল্লাহ তায়ালা আপনাকে হেদায়াত দিন।
ভাই দ্যা মুসলিম এখানে এই পোষ্ট দিয়েছেন মিঃ ফারুক কিন্তু এই পোষ্টতো শুধু তিনি পড়বেন না অসংখ্য পাঠক পড়বেন। তাই তিনি মানেন আর নাই মানেন আমরাতো শুনি আপনার যুক্তি গুলো। ধন্যবাদ।
@মর্দে মুমিন , আপনার সাথে একমত। প্রত্যেকে বলুক তার যুক্তি। আল্লাহ আমাদের জ্ঞান দিয়েছেন, যে যার মতো বুঝে নেবে। কেউ এখানে সত্যের সোল এজেন্সি নেয় নি। সত্য সত্যই ।
তাছাড়া আমি অদৃশ্য বিষয় অবগতও নই। এটা কোরানের কথা। আরবিতে ‘গায়েবের’ অনুবাদ করা হয়েছে অদৃশ্য বিষয়। ভবিষ্যত ও অদৃশ্য বিষয়।
আরেকটি আয়াত দেই।
৭) সূরা আল আ’রাফ আঃ১৮৮
আপনি বলে দিন, আমি আমার নিজের কল্যাণ সাধনের এবং অকল্যাণ সাধনের মালিক নই, কিন্তু যা আল্লাহ চান। আর আমি যদি গায়বের কথা জেনে নিতে পারতাম, তাহলে বহু মঙ্গল অর্জন করে নিতে পারতাম, ফলে আমার কোন অমঙ্গল কখনও হতে পারত না। আমি তো শুধুমাত্র একজন ভীতি প্রদর্শক ও সুসংবাদদাতা ঈমানদারদের জন্য।
কোরানে কোন পরস্পর বিরোধী আয়াত নেই।
এগুলো মানা না মানা আপনার ইচ্ছা।
তাছাড়া আমি অদৃশ্য বিষয় অবগতও নই। এটা কোরানের কথা। আরবিতে ‘গায়েবের’ অনুবাদ করা হয়েছে অদৃশ্য বিষয়। ভবিষ্যত ও অদৃশ্য বিষয়।
গায়েব অর্থ “অদৃশ্য” বিষয় সেটা ঠিক আছে , তাই বলে ভবিষ্যৎ না । আর আপনি যেটা বললেন “তাছাড়া আমি অদৃশ্য বিষয় অবগতও নই।” হ্যা ঠিক । তবে যেটা আল্লাহতাআলা রসুলকে জানিয়েছিলেন ভবিষ্যৎ এর কথা, সেটা জানার পর তো আর অদৃশ্য থাকলো না । কেননা ভবিষ্যৎ যেটা রসুল জেনেছেন , জানার পর সেটা আর অদৃশ্য থাকে না ।
তাই রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহূ আলাইহে ওয়া সাল্লাম “অদৃশ্য বিষয় অবগত নয়” এবং “ভবিষ্যৎ এর কিছু বলে গেছেন ” এটার মধ্যে আসলে কোনো বিরোধ নেই ।
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য। আমি এখানে কোন বিতর্কে যাব না। পাঠকরা স্বাধীনভাবে তাদের স্বীদ্ধান্ত নিক , এটাই আমি চাই। শুধু এটুকুই বলব , আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনার বিশ্লেষনের সাথে একমত নই। আপনার মতামত দিয়ে ভবিষ্যতে আমার পোস্টকে অলংকৃত করবেন , এই আশাবাদ রইল এবং আবারো ধন্যবাদ ।
@faruk ,ধন্যবাদ ফারুক ভাই।