যুক্তি।
লিখেছেন: ' ফারুক' @ মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৪, ২০০৯ (৮:৪৪ পূর্বাহ্ণ)
“Say: The things that my Lord hath indeed forbidden are: shameful deeds, whether open or secret; sins and trespasses against truth or reason; assigning of partners to Allah, for which He hath given no authority; and saying things about Allah of which ye have no knowledge.” (Qur’an, 7:33)
আমাদের এক ভাই reason বা যুক্তিকে লঙ্ঘন না করার আয়াত দিচ্ছেন আবার সেই পোস্টেই প্রবাদবাক্যকে সকলের উপরে স্থান দিচ্ছেন।
সবশেষে, ইসলামী স্কলার মহলে “দ্বীন-শিক্ষা” সম্বন্ধীয় একটা প্রবাদ বাক্য রয়েছে: Aqeedah comes first – সবকিছুর আগে বিশ্বাস! এজন্যই ইসলাম নিয়ে লিখতে গিয়ে সবার আগে, “আমরা কি বিশ্বাস করবো?” – সেই আলোচনাটাই চলে আসে।
এটাকে কি বলব? তারই ভাষায় – আবারো আপনাদের এবং নিজেকে মনে করিয়ে দিচ্ছি যে, অনুমানবশত আল্লাহ্ তথা তাঁর দ্বীন নিয়ে কথা বলা মু’মিন বা মুসলিমদের জন্য মহা পাপ।
N.B – উনার পোস্টে আমার কমেন্ট করা নিষিদ্ধ থাকায় নুতন পোস্ট দিলাম।
Processing your request, Please wait....












ভাই আমি খুবই কম জানাশুনা লোক, ভুল হলে আমাকে ক্ষমা করবেন,
ইসলাম সত্যের পক্ষে, যুক্তির পক্ষে, কিন্তু মিথ্যার বিরুধ্বে, তাই আমাদের উচিত আগে সত্যকে জানা, তার পর সত্যের পক্ষে যুক্তি দেখানো, আল্লাহ আল-কুরআনে বলেন,
আপন পালনকতা’র পথের প্রতি আহবান করুন জ্ঞানের
কথা বুঝিয়ে ও উপদেশ শুনিয়ে উত্তমরুপে, এবং তাদের
সাথে বিতক’ করুন পছন্দ যুক্ত পন্থায় । নিশ্চয় আপনার পালনকতা’ই ঐ ব্যক্তি সম্পকে’ বিশেষ ভাবে জ্ঞাত রয়েছেন,
যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে এবং তিনিই ভাল
জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে ।
(সুরা নাহাল, সুরা নাম্বার ১৬ ,আয়াত নাম্বার ১২৫ )
নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন একমাত্র ইসলাম। এবং যাদের প্রতি কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের নিকট প্রকৃত জ্ঞান আসার পরও ওরা মতবিরোধে লিপ্ত হয়েছে, শুধুমাত্র পরস্পর বিদ্বেষবশতঃ, যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের প্রতি কুফরী করে তাদের জানা উচিত যে, নিশ্চিতরূপে আল্লাহ হিসাব গ্রহণে অত্যন্ত দ্রুত।
(সুরা আল ইমরান, সুরা নং ৩, আয়াত নং ১৯)
নিশ্চয় আমি আপনাকে সত্যধর্মসহ সুসংবাদদাতা ও ভীতি প্রদর্শনকারীরূপে পাঠিয়েছি। আপনি দোযখবাসীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবেন না।
(সুরা আল বাকারা, সুরা নং ২, আয়াত নং ১১৯)
তাই আসুন আমরা সবাই আল-কুরআনকে মেনে চলি, তাহলেই আমাদের সমস্যা গুলি সমাধান করতে পারবো, আপনাকে ধন্যবাদ,
@ফাহাদ হুসাইন,আমার মনের কথা বলেছেন। আমিও আমার মনের কথা এত সুন্দর করে বলতে পারতাম না!
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
@ফারুক, আল-কুরআন আল্লাহর বাণী, তাই ভালো লাগাটাই স্বাভাবিক, আমারও ভালো লাগে কুরআন বিষয়ে কথা বলতে,
আপনার সুন্দর লেগেছে শুনে ভালো লাগলো, আবারও ধন্যবাদ ভাই, সাথে থাকুন ।
@ফারুক, তাই আসুন আমরা সবাই আল-কুরআনকে এবং হাদীসকে মেনে চলি, তাহলেই আমাদের সমস্যা গুলি সমাধান করতে পারবো, আপনাকে ধন্যবাদ।
@দ্য মুসলিম, আসলেই আল-কুরআনকে যদি মানেন, তাহলে সহিহ হাদীছের কথাটা চলেই আসে, আর হাদিছ আল-কুরআনএর বাহিরের কিছু না, আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সঃ) আল-কুরানের বিষয়গুলি বাসতবে করে দেখিয়েছেন, এবং আমাদেরকে শিখিয়েছেন, কিভাবে করতে হয়, হাদিছ হল কুরানের ব্যেখ্যা, ভাই আপনাকে ধন্যবাদ বিষয়টি আরো স্পষ্ট করার জন্যে, ভালো থাকবেন ।
@ফাহাদ হুসাইন,
চোর নামের একজনের মন্তব্য quote করছি -
@ফারুক, আলহামদুলিল্লাহ, খুব ভালো লাগলো আপনার মন্তব্যটি, প্রথমেই একটি হাদিছ,
মুসলিম সে, যার জিহ্বা ও হাত থেকে মুসলমানগণ নিরাপদ
[বুখারী: ১০]
আমি আপনার কথার সম্পুর্ন জবাব দেবার আগে আপনাকে একটা প্রশ্ন করি, হাদিছ যে কুরানের ব্যেখ্যা,
আপনি এর সাথে একমত?
হাদিছ যে কুরানের ব্যেখ্যাএটা বলেছেন ইসলামিক চিন্তাবিদ,লেকচারার ডঃ জাকির নায়েক, যার লেকচার পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রায় ২০০টি টিভি চ্যানেলে প্রচার
হয় এবং যার লেকচার শুনে অনেক অমুসলিম ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছেন……
@ফাহাদ হুসাইন, ভাই এইটা কি বল্লেন! ইসলামিক চিন্তাবিদ,লেকচারার ডঃ জাকির নায়েক বল্লেই সেটা সত্যি হয়ে গেল! উনার ভুল হতে পারে না?
@ফারুক, আপনার সাথে আমি একমত, তারো ভূল হতে পারে, আমি তার কথা শুনেছি, এবং বিচার বিশ্লেষন করেছি
তার পর আমার মনে হয়েছে তার কথাটা ঠিক, তাই আমি তার সাথে একমত হয়েছি, যাই হোক, হাদীছ বিষয়ে আমি
আপনাদেরকে বিস্তারিত জানাতে চেষ্টা করবো, যাতে সবাই দেখতে পায় লিখাগুলি, সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করুন,
আমারো অনেক কিছু শেখার আছে বলে আমি মনে করি, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।
@ফাহাদ হুসাইন,শুধু আপনার কেনো , আমার ও সকলেরি অনেক কিছু শেখার আছে। শেখার শেষ নেই। অপেক্ষায় থাকলাম। আপনাকে ও অসংখ্য ধন্যবাদ ।
@ফারুক ভাই ১.কোরআনকে আল্লাহ ‘বিস্তারিত’ গ্রন্থ বলেছেন। এই বিস্তারিত শব্দটি আমি বুঝতে পারিনাই আমাকে কি একটু বুঝিয়ে দিবেন?
২. আয়াতগুলোর রূপক এই রূপক শব্দটিও বুঝিয়ে দেন না ভাই প্লিজ!
@মর্দে মুমিন,বাংলা-বাংলা ডিকশনারি দেখুন। ‘বিস্তারিত’ মানে দেখলাম পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বর্ননা ।
আল্লাহ কোরানেই বলেছেন – রুপক আয়াতগুলোর সঠিক মানে একমাত্র আল্লাহ্ই জানেন।
পুরা কোরান মানে সহকারে পড়ুন , ইনশাল্লাহ বুঝবেন।
@ফারুক, যেহেতু মর্দে মুমিন এবং আরো অনেকে উত্তর দিচ্ছে তাই আমি আর জবাব দিলাম না , তবে আপনার আপত্তি না থাকলে আমি এ নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছে রাখি ।
@হাফিজ, সালামুন আলাইকুম। Most welcome. আমার কোন আপত্তি নাই। আপনি এবং যে কেউ আলোচনায় অংশ নিতে পারেন। আমি খুশি হব।
আসসালামু আলাইকুম ফারুক ভাই,
আপনার সাথে যুক্তি-তর্ক করে কোন লাভ নাই, কারণ আপনি কিছুটা অন্যরকম টাইপের মানে যিনি যা পড়েন তার উল্টোটা বুঝেন সেই টাইপ। আমি সোজাসোজি কথা বলতে পছন্দ করি তাই আপনার সম্পর্কে আমার যে ধারণা তাই বল্লাম।
কুরআনে প্রায় ৯০ টা আয়াত আছে যেখানে বলা হয়েছে “ইয়া আইয়ু হাল্লা জিনা আমানু” যার বাংলা অর্থ করলে দাড়ায় ওহে বিশ্বাসীরা বা হে ঈমানদারগণ বা O you who believe ।
এই বিশ্বাসগুলো কিসের উপর তাও কুরআনের দ্বিতীয় সূরার একদম শুরুতেই বলে দেওয়া হয়েছে-
২:৩ – যারা গায়েবে অদৃশ্যকে বিশ্বাস করে; নামায কায়েম করে, আরা আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা হতে ব্যয় করে।
২:৪- আর যে কিতাব তোমার প্রতি নাযিল করা হযেছে (অর্থাৎ কুরআন) এবং তোমার পূর্বে যেসব গ্রন্থ অবতীর্ণ হয়েছে, সেই সবকেই তারা বিশ্বাস করে এবং পরকালের প্রতি তাদরে দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে।
২:৫- বস্তুত এই ধরণের লোকেরাই তাদের রব- এর নিকট হতে অবতীর্ণ জীবন-ব্যবস্থার অনুসারী এবং তারাই কল্যাণ পাওয়ার অধিকারী।
অর্থাৎ মুত্তাকীদের প্রাথমিক বিষয়টিই হলো বিশ্বাস এবং সেই বিশ্বাস অনুযায়ী কর্ম সম্পাদন এখন কেই যদি এই বিশ্বাস কিসের উপর বা বিশ্বাস করলে কিভাবে কি করা উচিত সে সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা না থাকে তাহলে তার জন্য প্রকৃত বিশ্বাসী হওয়া কিভাবে সম্ভব হতে পারে। ছোট একটা উদাহরণ দিই, ইবলিশ শয়তান কি আল্লাহকে অবিশ্বাস করতো বা সে কি এমন ছিল যে Idol Worshiper ছিল বা ইবাদতে আল্লাহর সাথে শরীক করতো? এগুলোর কোনটিই কিন্তু নয় তাহলে সে কি করেছিল? সে বিশ্বাস অনুযায়ী তার কর্ম সম্পাদন করে নি! আল্লাহ আদম আলাইহি সাল্লামকে সৃষ্টির পর যখন সবাইকে সিজদা করতে বললেন তখন সে অস্বীকার করলো যার ফলশ্রুতিতে সে বিতাড়িত হয়ে গেল।
“(স্মরণ কর) যখন আমি ফেরেশতাদের বলেছিলাম, তোমরা সবাই আদমকে সিজদা কর, তখন তারা সবাই সিজদা করলো, কিন্তু ইবলীস ছাড়া (সে সিজদা করলো না); সে ছিল (আসলে) জ্বীনদেরই একজন, সে তার মালিকের আদেশের নাফরমানী করলো” (সূরা আল কাহাফ : ৫০)
“আল্লাহ তাআলা বললেন, যাও (দূর হয়ে যাও এখান থেকে , তাদের মধ্যে) যারা তোমার(শয়তানের) আনুগত্য করবে, তোমাদের সবার শাস্তি হচ্ছে জাহান্নাম, আর (জাহান্নামের) শাস্তিও পুরোপুরি দেওয়া হবে।” (সূরা বনী ইসরাঈল:৬৩)
তাই বিশ্বাস সম্পর্কে একটা পরিস্কার এবং স্বচ্ছ ধারণা থাকা কি জরুরী নয়?
যাইহোক, আপনি বিষয়টি কিভাবে নিবেন তা জানি না তবে আমি মনে করি বিশ্বাস যদি ঠিক না থাকে তাহলে ঈমান ঠিক থাকে না আর ঈমান ঠিক না থাকলে সেখানে কুফুরী তথা আল্লাহর নাফরমানী মূলক কাজ বৃদ্ধি পায়।
ভাল থাকবেন।
@manwithamission,ওয়া আলাইকুম সালাম ভাই । ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
ঈমান নিয়ে আমি কোন প্রশ্ন করিনি আমার পোস্টে , যদিও ঈমান কি এবং কিসে এবং কিসের উপরে ভিত্তি করে , তা নিয়ে বিস্তর আলাপ করা যায়।
আমার পোস্ট টা স্ববিরোধিতার উপরে। এই পোস্ট দেয়া লাগতো না যদি আমি সংশ্লিষ্ঠ পোস্টে মন্তব্য করতে পারতাম।
আরেকটি কথা , আপনার একটি মন্তব্য আমার ভালো লাগার জন্য সামুতে আপনার অনুমতি ছাড়াই পোস্ট আকারে দিয়েছি কোন পরিবর্তন পরিবর্ধন ও নিজস্ব্ব মতামত ছাড়াই। আপনার যদি আপত্তি থাকে তো জানাবেন , মুষে দেব। ধন্যবাদ।
@ফারুক, আসসালামু আলাইকুম ভাই,
আপনার পোস্টটি আমি মাত্র দেখলাম, কোন আপত্তি নাই।
ভাল থাকবেন।
@manwithamission, ধন্যবাদ। আপনিও ভালো থাকুন।
@ মিঃ ফারুক সাব,
@মর্দে মুমিন,বাংলা-বাংলা ডিকশনারি দেখুন। ‘বিস্তারিত’ মানে দেখলাম পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বর্ননা ।
আল্লাহ কোরানেই বলেছেন – রুপক আয়াতগুলোর সঠিক মানে একমাত্র আল্লাহ্ই জানেন।
পুরা কোরান মানে সহকারে পড়ুন , ইনশাল্লাহ বুঝবেন।
পুরা কোরান মানে সহকারে পড়ুন, এই মানে শব্দটি কি আমিতো কিছুই বুঝি নাই,
ইনশাল্লাহ এইটিও বুঝি নাই, আর আমার প্রশ্ন ছিল- রুপক শব্দটি দ্বারা আমি কি বুঝতে পারি, সেটি আমাকে বুঝায়ে দিবেন। আশা করি আমার সওয়ালটি এখন বুচ্ছইন?
এবার দয়া করে এ অধমরে একটু দমে দমে বুঝায়া দেন উপরের সওয়াল গুলো। প্লিজ!!!!!!!!!!!!!!!!!
@মর্দে মুমিন,ভাই সাব, সালামুন আলাইকুম। মানে বলতে আমি তর্জমা (translation) বুঝিয়েছি, কোন ব্যাখ্যা বা তফসীর নয়।
আল্লাহ বলেছেন উনিই কোরানের শিক্ষক (الرَّحْمَنُ عَلَّمَ الْقُرْآنَ। আল্লাহ যদি আপনাকে দমে দমে বুঝাতে না পারেন তো আমি কেনো কেউ পারবে না। একারনেই বলেছিলাম , পুরা কোরান মনযোগ দিয়ে বারে বারে পড়ুন।
দেখা যাক রুপক বা উপমা সম্বন্ধে কোরান কি বলে -
২) সূরা আল বাক্বারাহ আয়াত ২৬,
আল্লাহ পাক নিঃসন্দেহে মশা বা তদুর্ধ্ব বস্তু দ্বারা উপমা পেশ করতে লজ্জাবোধ করেন না। বস্তুতঃ যারা মুমিন তারা নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করে যে, তাদের পালনকর্তা কর্তৃক উপস্থাপিত এ উপমা সম্পূর্ণ নির্ভূল ও সঠিক। আর যারা কাফের তারা বলে, এরূপ উপমা উপস্থাপনে আল্লাহর মতলবই বা কি ছিল। এ দ্বারা আল্লাহ তা’আলা অনেককে বিপথগামী করেন, আবার অনেককে সঠিক পথও প্রদর্শন করেন। তিনি অনুরূপ উপমা দ্বারা অসৎ ব্যক্তিবর্গ ভিন্ন কাকেও বিপথগামী করেন না।
৩) সূরা আল ইমরান আয়াত ৭
তিনিই আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন। তাতে কিছু আয়াত রয়েছে সুস্পষ্ট, সেগুলোই কিতাবের আসল অংশ। আর অন্যগুলো রূপক। সুতরাং যাদের অন্তরে কুটিলতা রয়েছে, তারা অনুসরণ করে ফিৎনা বিস্তার এবং অপব্যাখ্যার উদ্দেশে তন্মধ্যেকার রূপকগুলোর। আর সেগুলোর ব্যাখ্যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না। আর যারা জ্ঞানে সুগভীর, তারা বলেনঃ আমরা এর প্রতি ঈমান এনেছি। এই সবই আমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। আর বোধশক্তি সম্পন্নেরা ছাড়া অপর কেউ শিক্ষা গ্রহণ করে না।
রুপক বা উপমার কয়েকটি উদাহরন –
২) সূরা আল বাক্বারাহ আয়াত ১৭
তাদের অবস্থা সে ব্যক্তির মত, যে লোক কোথাও আগুন জ্বালালো এবং তার চারদিককার সবকিছুকে যখন আগুন স্পষ্ট করে তুললো, ঠিক এমনি সময় আল্লাহ তার চারদিকের আলোকে উঠিয়ে নিলেন এবং তাদেরকে অন্ধকারে ছেড়ে দিলেন। ফলে, তারা কিছুই দেখতে পায় না।
২) সূরা আল বাক্বারাহ আয়াত ১৯
আর তাদের উদাহরণ সেসব লোকের মত যারা দুর্যোগপূর্ণ ঝড়ো রাতে পথ চলে, যাতে থাকে আঁধার, গর্জন ও বিদ্যুৎচমক। মৃত্যুর ভয়ে গর্জনের সময় কানে আঙ্গুল দিয়ে রক্ষা পেতে চায়। অথচ সমস্ত কাফেরই আল্লাহ কর্তৃক পরিবেষ্ঠিত।
@মর্দে মুমিন, ইনশাল্লাহঅর্থ যদি আল্লাহ চান বা আল্লাহ্র ইচ্ছা হয়।
@ফারুক ভাই আমি এত সব প্রশ্ন করেছি জেনে বুঝে ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়েই। আপনি একটু আমার পয়েন্টটি নিয়ে ভাবুন। এখানে আমি এমন একজন যার অক্ষমতা আপনার উল্লেখিত কথা গুলোর মর্ম বুঝার আর এর জন্য আমি বারবার জানতে চাচ্ছি, বুঝতে চাচ্ছি, শিখতে চাচ্ছি আপনার কাছ থেকে এবং আপনি আমাকে বুঝাচ্ছেন, উপদেশ দিচ্ছেন অভিধান পড়ার, চেষ্টা করছেন আপনার বিবেচনা বোধদের সাথে আমি যেন এক হই।
আপনি ও আমি একদিন এই দুনিয়া থেকে গত হব। এখন যদি কেউ বা কোন দল আপনার আমার এই কনভার্শেসন রেকর্ড করে রাখেন তা কি হাজার বছর পরে বদলে যাবে না মিথ্যা হয়ে যাবে?
১৪০০ বছর আগে তেমনি পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক, আবার তার শিক্ষক, আপনার আমার কোরান সাক্ষী দিচ্ছে -মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ পাক। সেই আল্লাহ পাকের কাছ থেকে সরাসরি জ্ঞান প্রাপ্ত রাসুল করিম সঃ-ও, এমনি করে উনার সাহাবে কেরামগণকে বুঝিয়েছেন, জানিয়েছেন ,ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ইসলামের সব অধ্যায়। সেই সব কনভার্শেসনকে উনার সাহাবীরা পরম সম্পদ মনে করে হেফাযত করে গেছেন এবং যুগে যুগে ঐ ভাবেই হেফাযত করে এখনও চলছেন। তাহলে কোন যুক্তিতে ঐ সব কভার্শেসনের রেকর্ড মূল্যহীন হয়ে যাবে?
@মর্দে মুমিন,
@মর্দে মুমিন,
নারে ভাই , আমার বিবেচনা বোধের সাথে কারো এক হওয়ার প্রয়োজন নেই। যার যার বিবেচনা বোধ তার নিজস্ব। আমার বক্তব্য একটাই, কোরান পড়ুন এবং নিজের বুদ্ধি বিবেচনাকে কাজে লাগান , যদি সত্য জানতে চান। তার পরে আপনি কি স্বীদ্ধান্ত নেবেন , তাতে আমার কোন হাত নেই।
@মর্দে মুমিন, ৩) সূরা আল ইমরান আয়াত ৭
তিনিই আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন। তাতে কিছু আয়াত রয়েছে সুস্পষ্ট, সেগুলোই কিতাবের আসল অংশ। অন্তত সুস্পষ্ট আয়াতগুলি সকল মুসলমানের মেনে চলা উচিৎ।