লগইন রেজিস্ট্রেশন

আলেম ওলামা ভাইয়েরা প্লিজ সাহায্য করুন।

লিখেছেন: ' ফারুক' @ রবিবার, ডিসেম্বর ৬, ২০০৯ (১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ)

সূরা আল আন-আম ( মক্কায় অবতীর্ণ ), আয়াত ৫১-৫২
আপনি এ কোরআন দ্বারা তাদেরকে ভয়-প্রদর্শন করুন, যারা আশঙ্কা করে স্বীয় পালনকর্তার কাছে এমতাবস্থায় একত্রিত হওয়ার যে, তাদের কোন সাহায্যকারী ও সুপারিশকারী হবে না-যাতে তারা গোনাহ থেকে বেঁচে থাকে।

আর তাদেরকে বিতাড়িত করবেন না, যারা সকাল-বিকাল স্বীয় পালনকর্তার এবাদত করে, তাঁর সন্তুষ্টি কামনা করে। তাদের হিসাব বিন্দুমাত্রও আপনার দায়িত্বে নয় এবং আপনার হিসাব বিন্দুমাত্রও তাদের দায়িত্বে নয় যে, আপনি তাদেরকে বিতাড়িত করবেন। নতুবা আপনি অবিচারকারীদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবেন।

এখানে বিতাড়ন করার ব্যাপারে রসূলকেও সাবধান করা হয়েছে।

এই আয়াতে “যারা সকাল-বিকাল স্বীয় পালনকর্তার এবাদত করে, তাঁর সন্তুষ্টি কামনা করে” বলতে কাদের কথা বলা হয়েছে? কেন রসূল তাদের বিতাড়ন করতে চেয়েছিলেন? এব্যাপারে manwithamission ভাই , muslim55 ভাই , হাফিজ ভাই, mariner ভাই , দ্য মুসলিম ভাই , বাংলা মৌলভী ভাই ও আরো যারা জ্ঞান রাখেন , যদি একটু আলোকপাত করেন , তাহলে খুশী হব।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৩৯৫ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৫৩ টি মন্তব্য

  1. কেনরে ভাই। আপনি কি পড়তে জানেন না???

    ফারুক

    @দ্য মুসলিম,কেনো , আপনার জানাইতে আপত্তি আছে? আমরা তো জ্ঞান ভাগাভাগির জন্য ব্লগে আসি। আমি জানি না বলেই তো আপনাদের সাহায্য চাই।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক, আপত্তি নাই। ইনশাল্লাহ জানাবো।

    ফারুক

    @দ্য মুসলিম, ধন্যবাদ। অপেক্ষায় থাকলাম।

    দ্য মুসলিম

    @দ্য মুসলিম, আপাতত ২০ তারিখ পর্যন্ত আমি হ্যাঙ। সামনে পরীক্ষা তাই বেশী সময় দিব না। পরে আলোচনা হবে ইনশাল্লাহ।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক , আপাতত ২০ তারিখ পর্যন্ত আমি হ্যাঙ। সামনে পরীক্ষা তাই বেশী সময় দিব না। পরে আলোচনা হবে ইনশাল্লাহ।

  2. فإن سبب نزول هذه الآية هو ما رواه مسلم عن سعد قال : كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم ستة نفر، فقال المشركون للنبي صلى الله عليه وسلم: اطرد هؤلاء لا يجترؤون علينا. قال: وكنت أنا وابن مسعود ورجل من هذيل وبلال ورجلان لست أسميهما، فوقع في نفس رسول الله صلى الله عليه وسلم ما شاء الله أن يقع فحدث نفسه، فأنزل الله عز وجل: وَلا تَطْرُدِ الَّذِينَ يَدْعُونَ رَبَّهُمْ بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ يُرِيدُونَ وَجْهَهُ {الأنعام: 52}
    আমার এই ব্যাখাটি পড়ার আগে আপনাকে হাদিস/সুন্নাহের ব্যাপারে সকলপ্রকার আপত্তি মুছে ফেলতে হবে। নতুবা এটাকে কোরানের আয়াত কখন থেকে শামিল করা হলো কবে নাযিল হলো তা সুন্নাহ ব্যতিত অন্য কোন মাধ্যমে প্রমান করতে হবে যা আদৌ সম্ভব নয় ।
    ( ইমাম মুসলিম রহ: তার বর্ণনাসূত্রে সা`দ রযি: থেকে বর্ণনা করেন : আমরা ছয়জনের একটি দল রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এর নিকট ছিলাম, তখন মুশরিকরা এসে রসূল স: কে বললো : এপনি এসব লোককে তাড়িয়ে দিন। সাহাবী বলেন: আমি, ইবনে মাসউদ, হুজাইল গোত্রের একজন, বেলাল এবং আরো দুজন ব্যক্তি যাদের নাম আমার জ্ঞাত নয় আমরা সেখানে ছিলাম। অতপর রসূল স: এর পরিপেক্ষিতে আমাদের কিছু বল্লে আল্লাহ তা`লা এই আয়াত নাযিল করেন”
    এই আয়াত এসেছে ঐসকল মানুষের জন্য যারা রসূল স: এর কথাকে জীবনের চাইতে বেশী ভালবাসতেন এবং যাদের কথা ছিল فداك أبي و أمي يا رسول الله হে আল্লাহ রসূল আপনার জন্য আমার পিতা মাতা কোরবান হোক” কিন্তু আজ যারা রসূলের সুন্নাহ-জীবন-আচরণ কথা-বার্তায় সন্দিহান তাদেরকে নিশ্চয় ব্লগ থেকে ব্যান করা প্রসংঙ্গে এ আয়াত উপস্থাপন করা যেতে পারে না।
    প্রসংঙ্গক্রমে একটি ঘটনা বলতে চাই যখন এই আয়াত নাযিল হয়েছিল ” আর আল্লাহ ও তার রসূল কোন বিষয়ের ফায়সালা করে দেয়ার পর কোন মুমিনের জন্য দ্বীমত করার সুযোগ থাকে না ” এক ইহুদী এসে ওমর রযি আনহু এর নিকট কোন বিষয়ের ফায়সালা সম্পর্কে বলেছিল যে রসূল স: তা এভাবে ফায়সালা করেছেন কিন্তু আপনি কী বলেন : এর প্রত্তুতরে ওমর রযি যা করেছেন : তাকে ঘরের বাইরে অপেক্ষা করতে বলে তরবারী নিয়ে এসে তাকে হত্যা করলেন। তো কোরান-হাদিসের স্পস্ট হুকুমের পরিপন্থী ইজম তৃতীয় পক্ষের কাছে তাও ইসলামের খাতিরে জিজ্ঞেস করা এটা মারাত্নক ধরনের কুফুরী যার শাস্তিতে ওমর রযি ইহুদীকে কতল করতে উদ্দ্যত হয়েছিলেন মতান্তরে কতল করেছিলেন।
    আজ কোন নামধারী মুসলিমকে কিভাবে এ সুযোগ করে দেয়া যায় বলূন।?!!!

    ফারুক

    @বাংলা মৌলভী,

    আমার এই ব্যাখাটি পড়ার আগে আপনাকে হাদিস/সুন্নাহের ব্যাপারে সকলপ্রকার আপত্তি মুছে ফেলতে হবে।

    আপনার এই লাইনটি পড়ার পরে , আর পড়িনি। আপনার এই শর্ত অনুগ্রহ করে প্রত্যাহার করুন , অন্যথায় আপনার দেয়া জ্ঞান থেকে বঙ্চিত থাকতে হবে। আমরা কি ভিন্ন মতে থাকার জন্য একমত হতে পারি না? আপনাকে ধন্যবাদ সাহায্যের চেষ্টার জন্য।

    বাংলা মৌলভী

    @ফারুক, আমার ব্যাখা হাদিস নির্ভর। শুধু কোরান নির্ভর ব্যাখা আপনিই ভালো অবগত আমাদেরকে জিজ্ঞেষ করার অপেক্ষা রাখে না । আপনি কোরান বলতে কি বুঝেন আমাকে জানাবেন। কোনটি কোরান কোনটি হাদিস তা হাদিসের মাধ্যমেই যাচাই হয় । আর হাদিসই যদি না মানেন তবে কোরানকেও মানতে পারেন না।

    ফারুক

    @বাংলা মৌলভী,আপনি শর্ত তুলে নিয়েছেন কিনা তা কিন্তু বল্লেন না। আমি ভাই , সকলের লেখাই পড়ি , তারপরে যটা ভালো লাগে সেটাই মানি।

    আমি হাদীস(রসূলের কথা) মানি না একথা বলা ভুল। কোরানের প্রতিটা আয়াত সর্বপ্রথম রসূলের মুখ থেকে কথা হিসাবেই এসেছে। আল্লাহতো আর কোরানকে লিখিত বই আকারে নাযিল করেন নি। সেই হিসাবে কোরান হাদীস এবং যে হাদীসে কোন সন্দেহ নেই। কারন আল্লাহ কোরানের হেফাজতের দায়িত্ব নিয়েছেন।

    দ্য মুসলিম

    @বাংলা মৌলভী, সহমত। (Y)

    হাফিজ

    @বাংলা মৌলভী, (Y) (Y)
    খুবই সুন্দর জবাব দিয়েছেন । আপনার সাথে একমত । হাদীস ছাড়া কোরানের ব্যাখ্যা করলে কোনো সময়ই সত্যটা জানা যাবে না ।

  3. ফারুক ভাই আমার প্রশ্নের উত্তর কি আমি পামুনা?

    আপনে কইছেন হাদীছ বিভিন্ন মানুষের বানানো কথা , যা রসূলের নামে চালানো হয়েছে,

    যদি হাদীছ গুলি মানুষের বানানো কথা হয়, তাহলে সেই বানানো কথা আপনি কেন মানেন,
    নামাজ কয় ওয়াক্ত পরেন ? প্লীজ ভাই উত্তরটা দেন!!!!!!!!!!

    ফারুক

    @ফাহাদ,আপনার রসূলকে অনুসরনের উপরে করা ১০০% চ্যালেন্জের উত্তর তো দিয়েছি। দেখেন নি?

    নামাজ কয় ওয়াক্ত পরেন ? এই প্রশ্নটা তো আগে দেখিনি। আপাতত যে কয় ওয়াক্ত পড়ছেন সেভাবেই পড়ুন। কোরানের আলোকে এতে কোন বাধা নেই বলেই মনে করি।(আমার নিজস্ব ধারনা)। কোরানের আলোকে কিভাবে পড়তে হবে , সেটা পরে কোন পোস্টে দিব । এখনি দিলে অনেকেই সহ্য করতে পারবেন না।

    ফাহাদ

    @ফারুক, আরে ভাই আপনি কয় ওয়াক্ত পড়েন এটা জানতে চাচ্ছি দয়া করে বলবেন কি ?
    আপনার নিজস্ব ধারনা না দিয়া কুরান কি কয় সেটা বলেন।
    আর পরে দিবেন কে, সত্য কথা বলতে ভয় পান কেনো ?
    যে যাই মনে করুক আপনই বলেন । :)

    ফারুক

    @ফাহাদ, আমি প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি।

    ফাহাদ

    @ ফারুক , আলহামদু লিল্লহাহ , তা এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এর কথাকি আল-কুরানে আছে?
    কোথায় পাইছেন যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে? :)

    মর্দে মুমিন

    @ফাহাদ, কোরানে পাঁচওয়াক্ত নামাজের কথা বলা আছে পড়ে দেখুন।
    ফজরের নামাজ -
    24-58
    يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لِيَسْتَأْذِنكُمُ الَّذِينَ مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ وَالَّذِينَ لَمْ يَبْلُغُوا الْحُلُمَ مِنكُمْ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ مِن قَبْلِ صَلَاةِ الْفَجْرِ وَحِينَ تَضَعُونَ ثِيَابَكُم مِّنَ الظَّهِيرَةِ وَمِن بَعْدِ صَلَاةِ الْعِشَاء ثَلَاثُ عَوْرَاتٍ لَّكُمْ لَيْسَ عَلَيْكُمْ وَلَا عَلَيْهِمْ جُنَاحٌ بَعْدَهُنَّ طَوَّافُونَ عَلَيْكُم بَعْضُكُمْ عَلَى بَعْضٍ كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمُ الْآيَاتِ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ (58
    হে মুমিনগণ! তোমাদের দাসদাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়নি তারা যেন তিন সময়ে তোমাদের কাছে অনুমতি গ্রহণ করে, ফজরের নামাযের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা বস্ত্র খুলে রাখ এবং এশার নামাযের পর।

    জোহর নামাজ -
    17-78
    أَقِمِ الصَّلاَةَ لِدُلُوكِ الشَّمْسِ إِلَى غَسَقِ اللَّيْلِ وَقُرْآنَ الْفَجْرِ إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًا (78
    সূর্য ঢলে পড়ার সময় থেকে রাত্রির অন্ধকার পর্যন্ত নামায কায়েম করুন এবং ফজরের কোরআন পাঠও। নিশ্চয় ফজরের কোরআন পাঠ মুখোমুখি হয়।
    Perform As¬Salât (Iqamât-as-Salât) from mid-day till the darkness of the night (i.e. the Zuhr, ’Asr, Maghrib, and ’Ishâ’ prayers), and recite the Qur’ân in the early dawn (i.e. the morning prayer). Verily, the recitation of the Qur’ân in the early dawn is ever witnessed (attended by the angels in charge of mankind of the day and the night

    আছরের নামাজ-
    2-238
    حَافِظُواْ عَلَى الصَّلَوَاتِ والصَّلاَةِ الْوُسْطَى وَقُومُواْ لِلّهِ قَانِتِينَ (238
    সমস্ত নামাযের প্রতি যত্নবান হও, বিশেষ করে মধ্যবর্তী নামাযের ব্যাপারে। আর আল্লাহর সামনে একান্ত আদবের সাথে দাঁড়াও।
    Guard strictly (five obligatory) As¬Salawât (the prayers) especially the middle Salât (i.e. the best prayer ¬ ’Asr). And stand before Allâh with obedience [and do not speak to others during the Salât (prayers)].

    মাগরেবের নামাজ-
    11-114
    وَأَقِمِ الصَّلاَةَ طَرَفَيِ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِّنَ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّـيِّئَاتِ ذَلِكَ ذِكْرَى لِلذَّاكِرِينَ (114
    আর দিনের দুই প্রান্তেই নামায ঠিক রাখবে, এবং রাতের প্রান্তভাগে পূর্ণ কাজ অবশ্যই পাপ দূর করে দেয়, যারা স্মরণ রাখে তাদের জন্য এটি এক মহা স্মারক।
    And perform As-Salât (Iqâmat-as-Salât), at the two ends of the day and in some hours of the night [i.e. the five compulsory Salât (prayers)]. Verily, the good deeds remove the evil deeds (i.e. small sins). That is a reminder (an advice) for the mindful (those who accept advice).
    এশার নামাজ –

    يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لِيَسْتَأْذِنكُمُ الَّذِينَ مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ وَالَّذِينَ لَمْ يَبْلُغُوا الْحُلُمَ مِنكُمْ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ مِن قَبْلِ صَلَاةِ الْفَجْرِ وَحِينَ تَضَعُونَ ثِيَابَكُم مِّنَ الظَّهِيرَةِ وَمِن بَعْدِ صَلَاةِ الْعِشَاء ثَلَاثُ عَوْرَاتٍ لَّكُمْ لَيْسَ عَلَيْكُمْ وَلَا عَلَيْهِمْ جُنَاحٌ بَعْدَهُنَّ طَوَّافُونَ عَلَيْكُم بَعْضُكُمْ عَلَى بَعْضٍ كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمُ الْآيَاتِ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ (58
    হে মুমিনগণ! তোমাদের দাসদাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়নি তারা যেন তিন সময়ে তোমাদের কাছে অনুমতি গ্রহণ করে, ফজরের নামাযের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা বস্ত্র খুলে রাখ এবং এশার নামাযের
    O you who believe! Let your legal slaves and slave-girls, and those among you who have not come to the age of puberty ask your permission (before they come to your presence) on three occasions; before Fajr (morning) prayer, and while you put off your clothes for the noonday (rest), and after the ’Ishâ’ (late-night)

    জ্ঞান পিপাষু

    @মর্দে মুমিন , আলহামদুলিল্লাহ সুন্দর বলেছেন, তা ভাই আর কয়েকটি বিষয় জানাবেন কি ?

    আমরা জানি নামাজ ভঙ্গের কারন ১৯টি, এ বিষয়ে ও ওজু করা সম্পর্কে আল-কুরান কি বলে ? (Y)

    জ্ঞান পিপাষু

    @মর্দে মুমিন , আর একটা বিষয়, কোন নামাজ কয় রাকাত এটাও কি আল-কুরানে আছে ?

    জোহর নামাজ -
    সূর্য ঢলে পড়ার সময় থেকে রাত্রির অন্ধকার পর্যন্ত নামায কায়েম করুন এবং ফজরের কোরআন পাঠও। নিশ্চয় ফজরের কোরআন পাঠ মুখোমুখি হয়।

    আছরের নামাজ-
    সমস্ত নামাযের প্রতি যত্নবান হও, বিশেষ করে মধ্যবর্তী নামাযের ব্যাপারে। আর আল্লাহর সামনে একান্ত আদবের সাথে দাঁড়াও।

    মাগরেবের নামাজ-
    আর দিনের দুই প্রান্তেই নামায ঠিক রাখবে, এবং রাতের প্রান্তভাগে পূর্ণ কাজ অবশ্যই পাপ দূর করে দেয়, যারা স্মরণ রাখে তাদের জন্য এটি এক মহা স্মারক।

    উপরে এই তিনটি নামাজ বিষয় একটু বুঝিয়ে বললে খুবই উপকৃত হব, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। :)

    ফারুক

    @মর্দে মুমিন ,ধন্যবাদ ভাই মর্দে মুমিন ।

    ফারুক

    @জ্ঞান পিপাষু , সূরা আল মায়েদাহ ( মদীনায় অবতীর্ণ ), আয়াত ৬
    হে মুমিনগণ, যখন তোমরা নামাযের জন্যে উঠ, তখন স্বীয় মুখমন্ডল ও হস্তসমূহ কনুই পর্যন্ত ধৌত কর এবং পদযুগল গিটসহ। যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও এবং যদি তোমরা রুগ্ন হও, অথবা প্রবাসে থাক অথবা তোমাদের কেউ প্রসাব-পায়খানা সেরে আসে অথবা তোমরা স্ত্রীদের সাথে সহবাস কর, অতঃপর পানি না পাও, তবে তোমরা পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও-অর্থাৎ, স্বীয় মুখ-মন্ডল ও হস্তদ্বয় মাটি দ্বারা মুছে ফেল। আল্লাহ তোমাদেরকে অসুবিধায় ফেলতে চান না; কিন্তু তোমাদেরকে পবিত্র রাখতে চান এবং তোমাদের প্রতি স্বীয় নেয়ামত পূর্ণ করতে চান-যাতে তোমরা কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ কর।

    আশা করি ওজু সম্পর্কে আপনার প্রশ্নের উত্তর পাবেন এই আয়াতে।

    ফারুক

    @জ্ঞান পিপাষু , বাংলা অনুবাদে মাথা মাসাহ করার কথা লিখতে our holy quran ভুলে গেছে। ইংরেজি অনুবাদ দেখুন।
    Muhammad Asad 5:6 O YOU who have attained to faith! When you are about to pray, wash your face, and your hands and arms up to the elbows, and pass your [wet] hands lightly over your head, and [wash] your feet up to the ankles. And if you are in a state. requiring total ablution, purify yourselves.17 But if you are ill, or are travelling, or have just satisfied a want of nature, or have cohabited with a woman, and can find no water-then take resort to pure dust, passing therewith lightly over your face and your hands. God does not want to impose any hardship on you, but wants to make you pure, and to bestow upon you the full measure of His blessings, so that you might have cause to be grateful.

    জ্ঞান পিপাষু

    @ফারুক, এক ভাই বললো আপনি (নট হাদিশ বাট কুরান পন্থী), আমিও সেটা জানি, আমাকে দয়া করে বলবেন কি কোন নামাজ কয় রাকাত এটাও কি আল-কুরানে আছে ?

    অজু করার বিষয়ে আপনার মন্তব্যকে স্বাগত জানাই আর এই তোরিকায় কি অজু আপনি করেন নাকি সাথে আরো কিছু করেন ?

    ফারুক

    @জ্ঞান পিপাষু ,দেখুন ভাই , এক পোস্টে তো আর সকল প্রশ্নের উত্তর দেয়া সম্ভব না। একারনেই আমাদের উচিৎ পোস্টের বক্তব্য নিয়ে আলোচনা করা ও সেই টপিক্সে সীমাবদ্ধ থাকা। নামাজের উপরে ভবিষ্যতে পোস্ট দিব ইনশাল্লাহ , যদি এই ব্লগে টিকে থাকি। তখন আপনার প্রশ্নের উত্তর দিব।

    ওজু আমি কোরানে যেভাবে বলা আছে ঐভাবেই করি , অতিরিক্ত কিছু করি না। ধন্যবাদ।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক, আমরা দোয়া করি আপনি যেন টিকে থাকেন এবং সত্য উপলব্দি করতে পারেন।

  4. আসসালামু আলাইকুম,

    কেমন আছেন?

    ইহুদী ও খ্রিস্টানদের মধ্যে একটা স্বভাব ছিল এবং বর্তমানেও রয়েছে, তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তাদের নিজ সন্তানের চেয়েও খুব ভাল করে চিনতো কিন্তু তবুও মেনে নিতো না, বিভিন্ন ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ এনে হাজির করতো, তারা যা বুঝতো সেটাকেই সঠিক মনে করতো যদিও তা তাদের উপর নাযিল কৃত কিতাবে পরিস্কারভাবে উল্লেখ থাকতো। তাদের উদ্দেশ্য ছিল নাযিলকৃত কিতাবের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ পরিবর্তন করে ভিন্ন উদ্দেশ্যে তা পরিচালিত করা। অন্যতম দায়ী আহমদ দিদাত ঠিক এই কথাটিই বলেছিলেন, আপনারা(খ্রিস্টানরা) পড়েন একটা কিন্তু বুঝেন ভিন্নটা, কেন? বুঝা কি খুবই কঠিন?

    তাওহীদের উপর বিশ্বাসী কাউকে থামিয়ে দেওয়া বা তাকে তাওহীদ বিশ্বাসের ফলে তার উপর যে সকল কর্ম বর্তায় তা থেকে বিরত রাখা অন্য এক তাওহীদে বিশ্বাসী কোনভাবেই করতে পারে না।
    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় যারা ইসলাম গ্রহণ করেছিল তাদের বিশ্বাসের কোনই তুলনা নাই। তবে একদম প্রাথমিক সময়ে তারা জাহিল সমাজের উচু গোত্র বিশিষ্ট ছিল না যেমন: আবু জেহেল, আবু লাহাব পর্যায়ের। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে তখন সমাজের দরিদ্র, নিপিড়িত, অসহায় মানুষরাই থাকতো আর তাই দেখে উচু শ্রেনীর আবু জেহেল পর্যায়ের লোকজন ঠাট্টা বিদ্রুপ করতো। বিশ্বাসীদের সংখ্যা ছিল অতি নগন্য। কিন্তু তারা এতই তাওহীদের বিশ্বাসী ছিল যে শত অত্যাচার নিপিড়ন করেও তাদের বিচ্যুত করা যেত না। আল্লাহতে দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপনকারী, শিরকমুক্ত ইবাদত, একমাত্র আল্লাহকে ভয় করা ছিল তাদের বৈশিষ্ট্য। আবু জেহেল পর্যায়ের লোকজনের ঠাট্টা বিদ্রুপ শুনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামে যেন এই লোকদের যেন বিতাড়িত না করেন সেই সতর্ক বাণীই দেওয়া হয়েছে।

    কেউ যদি আল্লাহতে দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করে, শিরকমুক্ত কুরআন নির্দেশিত পন্থায় ইবাদত করে তাদের বিতাড়িত করার অধিকার কারোরই নেই কারণ ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্য।

    এখন কেউ যদি শিরকযুক্ত ও বিদআতী ইবাদত করে আর গোয়র্তুমি করে, কোনভাবেই মেনে নিতে চায় না এবং তার শিরকযুক্ত ও বিদআতী ইবাদতকেই সঠিক মনে করে তার ব্যাপাড়ে কি করা যায়? প্রথম উপায় হিসেবে, ধৈর্য্য সহকারে তাকে সুন্দরভাবে বুঝানো যায় কিন্তু তাতেও যদি না কাজ হয় তখন সে যে সেই ইহুদী ও খ্রিস্টানদের মতোই গোয়ার্তুমিতে আচ্ছন্ন তাতে কোন সন্দেহ থাকে না।

    বস্তুবাদি বর্তমান জামানাতে মুসলমান কুরআন থেকে দূরে সরে আছে, আর কুরআনের কথা বলে কোন একটা বিষয় উপস্থাপন করলেই তাদের মনে একটা দূর্বলতা চলে আসে আর আসাটাই স্বাভাবিক। এখন কেউ যদি ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে শিরকযুক্ত ও বিদআতী ইবাদতের আহবান জানায় এবং আর বস্তুবাদী মুসলমান যদি তা গ্রহণ করতে থাকে বা বিভ্রান্ত হয় তখন সেই গোয়ার্তুমিতে আচ্ছন্ন ব্যক্তিকে এমন একটা ব্যবস্থায় ফেলতে হয় যাতে সে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিতে না পারে।

    আমার বক্তব্য এতটুকুই, আপনার এই ব্লগে আর কোন মন্তব্য করবো না। ভাল থাকবেন।

    ফারুক

    @manwithamission, ওয়া আলায়কুম ছালাম। আমি ভালো আছি। আশা করি আপনিও ভালো আছেন।

    আবু জেহেল পর্যায়ের লোকজনের ঠাট্টা বিদ্রুপ শুনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামে যেন এই লোকদের যেন বিতাড়িত না করেন সেই সতর্ক বাণীই দেওয়া হয়েছে।

    আপনি এই যে যুক্তি দিলেন এটা মেলানো মুস্কিল।
    ১) রসূল কেনো আবু জেহেল পর্যায়ের লোকজনের ঠাট্টা বিদ্রুপ কে সমীহ বা ভয় করতে যাবেন?
    ২) “তাদের হিসাব বিন্দুমাত্রও আপনার দায়িত্বে নয় এবং আপনার হিসাব বিন্দুমাত্রও তাদের দায়িত্বে নয় যে, আপনি তাদেরকে বিতাড়িত করবেন।” এটা থেকে তো বোঝা যায় রসূল কোন কারনে এই লোকগুলির উপর বিরক্ত বা রাগান্বীত ছিলেন। আবু জেহেল পর্যায়ের লোকজনের ঠাট্টা বিদ্রুপ কে সমীহ বা ভয় করলে ও ঐ লোকগুলোর উপর বিরক্ত বা রাগান্বীত হওয়ার কথা না।

    মন্তব্য কেনো করবেন না? আপনার মন্তব্যকে সব সময় স্বাগত জানাই। আপনি ও ভালো থাকুন , শান্তিতে থাকুন।

    দ্য মুসলিম

    @manwithamission, সহমত। (Y)

  5. এই আয়াতে “যারা সকাল-বিকাল স্বীয় পালনকর্তার এবাদত করে, তাঁর সন্তুষ্টি কামনা করে” বলতে কাদের কথা বলা হয়েছে?
    * এরা ছিলেন- বিল্লাল রাঃ, ছোহায়েব রুমী রাঃ, আম্মার ইবনে ইয়াসের রাঃ, সালেম রাঃ, ছাবিহ রাঃ, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাঃ, মেকদাদ ইবনে আমর রাঃ, মসউদ ইবনুল ক্বারী রাঃ ও যুশ-সিমালাইন রাঃ প্রমূখ সাহাবায়ে কেরাম।

    কেন রসূল তাদের বিতাড়ন করতে চেয়েছিলেন?
    ** বিতাড়ন শব্দটি প্রয়োগ করা সঠিক হয় নাই। এখানে ইসলামের শক্তিমত্তা বাড়াতে রাসুল সাঃ কে হযরত ওমর রাঃ পরামর্শ দিয়েছিলেন যে, ঐ সব সাহাবীতো ইসলামের তরে আছেন তাই উনারা যদি সেই সময়ের এলিট ওতবা,শায়বা, ইবনে রবিয়া,মুতএম ইবনে আদি,ও হারেছ ইবনে নওফেল রা রাসুল সমীপে আসেন তো ঐ সময় সেই দারিদ্র সাহেবায়ে কেরামগণ অন্যত্র সরে যাবেন।
    এই সময়েই আল্লাহ কঠোর ভাষায় তা করতে নিষেধ করেন। যার প্রেক্ষিতে স্বয়ং ওমর রাঃ ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন।

    ফারুক ভাই আমি বুঝতেছিনা আপনি কোন উদ্দেশ্যে এই প্রশ্ন উপস্থাপন করলেন?

    ফারুক

    @মর্দে মুমিন,বিতাড়ন শব্দটি আমার না , আমি ourholuquran থেকে কপিপেস্ট করেছি। ব্যন করার বিরুদ্ধে এই আয়াতটির উদ্ধৃতি যখন দেই , তখন জানতে মন চাইল , আপনারা যারা হাদীস পন্থী তাদের ব্যখ্যাটা কি? অন্য কোন উদ্দেশ্য ছিল না , স্রেফ কৌতুহল।

    মর্দে মুমিন

    @ফারুক,আপনি আমাকে কোন বিশেষ পন্থী বলে ট্যাগিং করবেন না। আমি ইসলামকে যেমন কোন এক বিশেষণ দ্বারা চিহ্নিত করতে চাই না তেমনি নিজেও বিশেষ পন্থী বলে চিহ্নিত করতে চাইনা। সত্যকে জানার জন্য যে কোন ব্যক্তির চিন্তা ভাবনা জানতে পড়তে আমার সংকোচ নেই। আমি নিজে …. তবলীগকি…. জামাতি…. ভান্ডারী….. তরিকতী…. ব্রাকেট দ্বারা বিভাজিত করতে রাজি নই। ধন্যবাদ।

    দ্য মুসলিম

    @মর্দে মুমিন,

    …. তবলীগকি…. জামাতি…. ভান্ডারী….. তরিকতী…. ব্রাকেট দ্বারা বিভাজিত করতে রাজি নই।

    আপনি যে কুরান অনলি নন এটাতো স্বীকার করেন। তাই না?

    ফারুক

    @মর্দে মুমিন, না আমি ও কাউকে ট্যগিং করতে পছন্দ করি না। ভবিষ্যতে ও করব না ইনশাল্লাহ।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক,
    আমি ourholuquran থেকে কপিপেস্ট করেছি। এটা কি কোন সাইটের নাম? পারলে ঠিকানাটা দিয়েন।

    ফারুক

    @দ্য মুসলিম, typing mistake হয়ে গেছে। ourholyquran.com থেকে কপিপেস্ট করা।

  6. @জ্ঞান পিপাষু আপনার জ্ঞান পিপাষা মিটানুর জন্য বাজারে মখসুদুল মুমেনিন, বেহেস্তি জেওর, বিভিন্ন নামাজ শিক্ষা বই পাওয়া যায় সেখান থেকে জেনে নিন, নতুবা এই বিষয়ে হাফিজ ভাই বলতে পারবেন।
    আপনার প্রশ্ন আমার কাছে না করে ফারুক ভাইকে করুন কারণ উনি নট হাদিশ বাট কুরান পন্থী। উনি এটির ভাল জবাব দিবেন। ধন্যবাদ।

    জ্ঞান পিপাষু

    @মর্দে মুমিন, যাক তাহলে আপনি আল-কুরানের সাথে হাদীস পন্থীও, শুনে ভালো লাগলো আর আল-কুরান থেকে আপনি বিস্তারিত বলতে পারলেন না কিন্তু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বিষয়ে যা বলেছেন সে জন্যে আপনাকে ধন্যবাদ যদিও আপনি আমাকে ৩ওয়ক্তের কথা বুজিয়ে বলেন নি । :)

    মর্দে মুমিন

    @জ্ঞান পিপাষু, আমি এখানে এই ব্লগে কখনো যা আমার মা বাবা বা মক্তবের হুজুরের কাছ থেকে শিখে এসেছি তা বর্ণনা করতে উৎসাহী নই। আমি যুগ জিজ্ঞাসার বিষয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী। আমি দরবশী ইসলাম নিয়েও আগ্রহী নই। আমি ব্যক্তিগত পর্যায়ে ইসলামকে বন্দী করে রাখার পক্ষেও নেই। অতএব আপনি বুঝতে পারছেন আমার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। ধন্যবাদ।

    জ্ঞান পিপাষু

    @মর্দে মুমিন, আপনি শুনলে খুঁশি হবেন যে ইসলাম নিয়ে যত সমালোচনা হয়েছে ততো ভাল ভাবে ইসলামকে মানুষ বুঝতে পেরেছে , জানতে পেরেছে কিন্তু এটার পক্ষে বিপক্ষে অনেক লোক আছে, তবে তাদেরও যোথাযত যুক্তি আছে ইসলাম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায়,
    যাই হওক, আপনার কাছে যে আমার অনেক কিছু শিখার আছে এটা আমি এক বাক্যে স্বীকার করি, আল্লাহকে যদি খুঁশি করতে পারেন তাহলেই আপনার উদ্দেশ্য সফল, আমরা কি বুঝলাম তা পরের কথা, আর সত্য কথাগুলি আমি সব সময়ই মেনে নেবো সেটা যাই হউকনা কেন, এ ব্যাপারে আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন, আমিও যুগ জিজ্ঞাসার বিষয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী। ধন্যবাদ। (Y)

    দ্য মুসলিম

    @মর্দে মুমিন, যুগ জিজ্ঞাসার আলোচনা করা আসলেই একটা প্রয়োজনিয় ব্যপার। এব্যপারে পরে আলোচনা করবো,ইনশাল্লাহ।

  7. @ দ্য মুসলিম, আপনি যে কুরান অনলি নন এটাতো স্বীকার করেন। তাই না?

    * এ এক আজিব প্রশ্ন!!!!!! বৃক্ষ তোমার নাম কি ? ফলে পরিচয়
    আপনি কি কুরান, বাইবেল এবং অন্য সব গ্রন্থি?
    কুরান তো কুরান, কুরানের তুল্য অন্য কিছু হতে পারেনা। এবং একজন মুসলমান কুরানের সমকক্ষ অন্য কিছুকে করতে পারে কি? তবে হ্যাঁ কুরান ব্যাখ্যা রাসুল সাঃ করে গিয়েছেন। আর হাদিসের মাধ্যমে (সব হাদিস নয়) ঐ ব্যাখ্যা রাসুল পরবর্তি আমলে আমরা পেয়ে আসছি।

    এবার আপনাকে বা আপনারা যারা ইংরেজী প্রীতি ব্লগারদেরকে প্রশ্ন করি- এই যে আপনাদের কলম নাম তা ইংরেজীতে কেন? এটি কোন ইসলামী সংস্কৃতি থেকে পেয়েছেন? একজন বাঙ্গালী হিসাবে নাহয় বাংলা কিংবা মুসলিম হিসাবে আরবী কলম নাম রাখলে কি কোন অসুবিধা হত?

    দ্য মুসলিম

    @মর্দে মুমিন, আপনি আমার ব্যবহার করা “কুরান অনলি” বাক্যটির আভিধানিক অর্থ নিয়েছেন। আমি ওটা মিন করিনি। আমি তাদের হাদিস না মানা, মুহাম্মদ (সাঃ) এর প্রতি দুরুদ না পড়া, রাসুল (সাঃ) এর প্রতি অবমানমা কর শব্দ বা বাক্য উচ্চারণ ইত্যাদি বুঝাতে চেয়েছিলাম।

    তবে হ্যাঁ কুরান ব্যাখ্যা রাসুল সাঃ করে গিয়েছেন। আর হাদিসের মাধ্যমে (সব হাদিস নয়) ঐ ব্যাখ্যা রাসুল পরবর্তি আমলে আমরা পেয়ে আসছি।

    আপনি নিজেই স্বীকার করেছেন যে আপনি কুরান অনলি নন। আমিও শুধু ওটাই মিন করতে চেয়েছিলাম। অন্য কোন উদ্যেশ্য থাকতে চেয়েছিলাম।

    এবার আপনাকে বা আপনারা যারা ইংরেজী প্রীতি ব্লগারদেরকে প্রশ্ন করি- এই যে আপনাদের কলম নাম তা ইংরেজীতে কেন?

    প্রথমত আমি ব্লগিং এর জগতে প্রবেশ করি আমু এর মাধ্যমে। সেখানে গিয়ে ফারুক ভাই এর হাদিস বিরোধী লিখা পড়ে প্রতিবাদ করার প্রয়োজনিয়তা অনুভব করি। কিন্তু বাংলা টাইপিং না জানা থাকার কারনে সেটা সম্ভবপর ছিলোনা। কিন্তু দ্রুত টাইপিং শেখা শুরু করি। এরই মাঝে সেখানে অসাস্হকর পরিবেশ লক্ষ করে ভেগে গিয়ে “পিস ইন ইসলাম” এ আসি। কিন্তু তখনও আমার টাইপিং টা চালু হয় নাই। যখন সাইন ইন করতে যাই বাধ্য হয়ে ইংরেজীতে লিখতে হয়। পরে যখন বাংলা শিখলাম তখন নিকটা বাংলায় পরিবর্তন করলাম। এটা বাংলা প্রীতি থাকার কারনেই করেছি। আমার ইংরেজী বিদ্বেষী ভাবটা অনেক আগে থেকেই ছিলো, যার কারনে এমনকি আমি এইচ.এস.সি বা অনার্স এ ইংরেজী পড়তাম না। এটা অবশ্য কোন জাতি গত বিদ্বেষ না। ভালো লাগতোনা তাই পড়তাম না।

    একজন বাঙ্গালী হিসাবে নাহয় বাংলা কিংবা মুসলিম হিসাবে আরবী কলম নাম রাখলে কি কোন অসুবিধা হত?

    আপনি চাইলেই ইংরেজী পুরোপুরি বাদ দিতে পারবেন না। কারন “চেয়ার”,”গ্লাস”,”টেবিল”,”বাস”,”কার”,”জগ”… … … ইত্যাদি দৈনন্দিন ব্যবহার্য শব্দ আপনি বাদ দিতে পারবেন না। আমি জানি এগুলো আপনি ইংরেজী প্রীতির কারনে করেননা। আমার অবস্হা ও ঠিক তেমনি। সব শেষে একটা কৌতুক বলে শেষ করলাম।

    এক লোক বাংলাদেশ থেকে সৌদিআরব এ গিয়েছিলো হজ্ব পালন করতে বা চাকরী করতে। দেশে ফিরে আসার পর তাকে সে দেশের মানুষের ভাষা, আচার আচরন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে সে বললঃ “হেরা সব আরবীতে কয়, খালি আযান ডা বাংলায় দেয়”।

    আশা করি আপনার বিভ্রান্তি দূর হয়েছে।

    মর্দে মুমিন

    @দ্য মুসলিম,কি আর বলব! এখানে এসেছিলাম সংশোধন হতে কিন্তু এখন দেখছি এখানকার ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশ বদলে গিয়ে কৌতুকে কৌতুকে ভরে যাচ্ছে।
    যাক এই সব ব্যক্তিগত বিষয়। আশাকরি সবাই ইসলামিক ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখার চেষ্টা করে যাবেন।
    আমু ব্লগে আমি অধমের একটি স্থান ছিল। এবং সেই স্থানটি এখনও বজায় থাকত যদিনা আমি ইসলামকে ডিফেন্ড করতাম। আমি যখন নাস্তিক্য বাদিদের সাথে যুদ্ধরত ছিলাম তখন কোন মৌলভী সাহেবদের কাছে পাইনাই। যখন ফারুক ভাই আমুতে আসলেন কোরান নিয়ে তখন এই বান্দাই উনার যুক্তির বিপক্ষে আমি আম পাবলিক দাঁড়িয়ে ছিলাম। তখনও কোন মৌলভী সাহেবকে পাই নাই। পরে এই কাফেলায় দেশে বিদেশে ভাই ও আমার অনুজপ্রতিম তামিম এসে যোগ দেয়।
    পরে আমি বুঝতে পারলাম আমরা ইসলাম নিয়ে কোন প্রকার বিতর্কে আমু সামু ব্লগে আলোচনা করা ঠিক নয়। তাই পিস-ইন- ইসলাম কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি ইসলামী ব্লগ তৈরির করার পরিকল্পনা হল, যেখানে আমরা ইসলাম সম্পর্কে বিশদ ভাবে আলোচনা পর্যালোচনা করব। এবং প্রয়োজনে এই লব্ধ জ্ঞানকে অন্য ব্লগে যখন ইসলাম আক্রান্ত হবে তখন প্রয়োগ করব।
    কিন্তু এখন আমি দেখছি আমরা আলোচনা পর্যালোচনা বাদ দিয়ে আমু সামুর মতো বাম্বু ফাইটিং ব্যস্ত হয়ে পড়েছি।
    কারণ আলোচনা পর্যালোচনার জন্য পূর্ব শর্ত মুক্তবুদ্ধি চর্চার প্রয়োজন । আর মুক্তবুদ্ধি যেখানে থাকবে সেখানে মানেন আর নাই মানেন অন্যকে নিঃসংকোচে তার বক্তব্য রাখার অধিকার দিতে হবে। মনে রাখা দরকার এখানে আমরা ইসলাম প্রচার করতে আসি নাই এখানে এসেছি, হক ও বাতিলের কি ব্যবধান তা বুঝতে ।

    আপনাকে আমি the muslim নিয়ে প্রশ্ন করি নাই করেছি দ্য মুসলিম নিয়ে,যদিও দেব নাগরী অক্ষরে লিখেছেন তথাপি এটি বাংলা হয় নাই। যেমন ধরুন আমার কলম নাম মর্দে মুমিন এটাকে রোমান হরফে লিখলেও mordemumin ই থাকবে the mordemumin বা দ্য মর্দে মুমিন হবেনা। যাক আমি জানতে চেয়েছিলাম যা তা পেয়ে গেছি। ভাল থাকুন।

    দ্য মুসলিম

    @মর্দে মুমিন, সবতো আপনারাই বলেন। আর আমার কৌতুক তো প্রসঙ্গত ছিলো। যাই হোক, বাদ দিন। ব্যক্তিগত পর্যায়ে আলোচনা না গেলে আমিও খুশি। ভাল থাকুন।

    ফারুক

    @মর্দে মুমিন,

    কিন্তু এখন আমি দেখছি আমরা আলোচনা পর্যালোচনা বাদ দিয়ে আমু সামুর মতো বাম্বু ফাইটিং ব্যস্ত হয়ে পড়েছি।
    কারণ আলোচনা পর্যালোচনার জন্য পূর্ব শর্ত মুক্তবুদ্ধি চর্চার প্রয়োজন । আর মুক্তবুদ্ধি যেখানে থাকবে সেখানে মানেন আর নাই মানেন অন্যকে নিঃসংকোচে তার বক্তব্য রাখার অধিকার দিতে হবে। মনে রাখা দরকার এখানে আমরা ইসলাম প্রচার করতে আসি নাই এখানে এসেছি, হক ও বাতিলের কি ব্যবধান তা বুঝতে ।

    সুন্দর বলেছেন। (Y) আচ্ছা বলতে পারেন , এখানে যুক্তি বাদ দিয়ে ব্যক্তি আক্রমন কেনো হয়? জিন্দিক , নাদান , ভন্ড , ভ্রান্ত এগুলি কি যু্ক্তির অংশ? কোন এক বিষয়ে আলাপের সময় সেই বিষয়ে স্বীদ্ধান্তে না এসে অন্য প্রসংগ তুলে আলোচনাকে ডাইভার্ট করা হয়?

    হাফিজ

    @মর্দে মুমিন,

    কিন্তু এখন আমি দেখছি আমরা আলোচনা পর্যালোচনা বাদ দিয়ে আমু সামুর মতো বাম্বু ফাইটিং ব্যস্ত হয়ে পড়েছি।
    মুমিন ভাই, আপন কথায় বোঝা যাচ্ছে মুক্ত বুদ্ধির চর্চার জন্য ব্যান করা উচিত নয় । এখন আমরা যদি সম্পূর্ন মুক্ত বুদ্ধির সুযোগ দেই তাহলে যেকেউ যেকোন কমেন্ট করতে পারে , অসুবিধা কোথায় ? অন্যজন বাম্বু ফাইটিং করলে তাকেও তো সেটা করার সুযোগ দেয়া উচিত ? তাই নয় কি ?

  8. @ ফারুক ভাই আচ্ছা বলতে পারেন , এখানে যুক্তি বাদ দিয়ে ব্যক্তি আক্রমন কেনো হয়? জিন্দিক , নাদান , ভন্ড , ভ্রান্ত এগুলি কি যু্ক্তির অংশ? কোন এক বিষয়ে আলাপের সময় সেই বিষয়ে স্বীদ্ধান্তে না এসে অন্য প্রসংগ তুলে আলোচনাকে ডাইভার্ট করা হয়?
    কি বলব ভাই, যারা এ ভাবে ট্যাগিং করতেছে তারা কি বুঝে করছে তা তারাই বলতে পারবে। আমি তো জানি ইসলাম আমাদের সহনশীল হতে শিক্ষা দেয়। তবে এইটুকু আমি বুঝি কোন ব্যক্তি যখন সে যুক্তি দিতে অক্ষম তখনই সে উত্তেজিত হয়ে পড়ে। আর উত্তেজনা আসে ইবলীসের কূমন্ত্রণায়। আল্লাহ আমাদেরকে ইবলীসের কূমন্ত্রণা থেকে রক্ষা করুন। আমিন।

    এখানে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা বলছি- একবার মামুনুর রশিদের দরবারে একজন আলেম এসে এই ভাবে দাঁত মূখ খিঁচে নাদান, বেকুব, আহম্মক, বুরবকত ইত্যাদি ইত্যাদি বিশেষণ ব্যবহার করেন তখন মামুনুর রাশিদ বলেছিলেন সেই নায়েবে নবীকে- এই যে ভাই, আল্লাহ আমার চেয়েও খারাপ এক শাষকের কাছে আপনার চেয়েও ভাল এক নবীকে পাঠিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন ঐ খারাপ শাষকের সাথে ভাল ব্যবহার করার জন্য।
    ধন্যবাদ।

  9. ফারুক ভাই আচ্ছা বলতে পারেন , এখানে যুক্তি বাদ দিয়ে ব্যক্তি আক্রমন কেনো হয়? জিন্দিক , নাদান , ভন্ড , ভ্রান্ত এগুলি কি যু্ক্তির অংশ? কোন এক বিষয়ে আলাপের সময় সেই বিষয়ে স্বীদ্ধান্তে না এসে অন্য প্রসংগ তুলে আলোচনাকে ডাইভার্ট করা হয়?
    কি বলব ভাই, যারা এ ভাবে ট্যাগিং করতেছে তারা কি বুঝে করছে তা তারাই বলতে পারবে। আমি তো জানি ইসলাম আমাদের সহনশীল হতে শিক্ষা দেয়। তবে এইটুকু আমি বুঝি কোন ব্যক্তি যখন সে যুক্তি দিতে অক্ষম তখনই সে উত্তেজিত হয়ে পড়ে। আর উত্তেজনা আসে ইবলীসের কূমন্ত্রণায়। আল্লাহ আমাদেরকে ইবলীসের কূমন্ত্রণা থেকে রক্ষা করুন। আমিন।

    সহমত , কাউকে ভন্ড , প্রতারক, মোনাফেক ইত্যাদি বলার আমিও বিপক্ষে । আমার যদি দলীল বা যুক্তি থাকে সেটা আমি প্রকাশ করব তাতে অন্যরা সত্যটা বুঝে যাবে , কিন্তু এর জন্য অন্যকে ভন্ড , মোনাফেক এসব বলার দরকার নেই ।

    মর্দে মুমিন

    @হাফিজ, ধন্যবাদ।

  10. @ হাফিজ সাহেব, মুমিন ভাই, আপন কথায় বোঝা যাচ্ছে মুক্ত বুদ্ধির চর্চার জন্য ব্যান করা উচিত নয় । এখন আমরা যদি সম্পূর্ন মুক্ত বুদ্ধির সুযোগ দেই তাহলে যেকেউ যেকোন কমেন্ট করতে পারে , অসুবিধা কোথায় ? অন্যজন বাম্বু ফাইটিং করলে তাকেও তো সেটা করার সুযোগ দেয়া উচিত ? তাই নয় কি ?

    না। না। না । আমাদের একটি লিমিট আছে, সেই লিমিটের মধ্যে আমাদের মুক্ত বুদ্ধি দৌড় থাকতে হবে।

    হাফিজ

    @মর্দে মুমিন,

    আমাদের একটি লিমিট আছে, সেই লিমিটের মধ্যে আমাদের মুক্ত বুদ্ধি দৌড় থাকতে হবে।

    সেই লিমিটটা কি সেটা কি আমাদের একটু জানাবেন ?

    ফারুক

    @হাফিজ, (Y)