হাদীস ও সুন্নাহ।(১)
লিখেছেন: ' ফারুক' @ শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০০৯ (৯:৩১ পূর্বাহ্ণ)
বর্তমানে প্রতিটি মুসলমানের জন্য হাদীস ও সুন্নাহ মেনে চলা বাধ্যতামূলক এবং কোরানের পরেই একে স্থান দেয়া হয়। ঐতিহ্যবাহী মুসলমানরা দাবী করেন যে , যারা হাদীস ও সুন্নাহ বিশ্বাস করেন না তারা কাফের। হাদীস বলতে বুঝায় মুহাম্মদের কথাকে যা তিনি কোরানের নির্দেশের বাইরে বলেছিলেন (আদেশ , নির্দেশ উপদেশ..) এবং সুন্নাহ হলো মুহাম্মদ কতৃক প্রতিষ্ঠিত ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান।
কোরান নবী মুহাম্মদের জীবদ্দশায় তারই তত্বাবধানে লিখিত হতো (কোরান সংকলন হয় আবুবকর ও ওসমানের সময়) কিন্তু হাদীস লেখার ব্যপারে নবী মুহম্মদের পরিস্কার নিষেধ ছিল , যে কারনে হাদীস মুখে মুখে প্রচলিত ছিল এবং নবীর মৃত্যুর ১০০ বৎসর পরেই কেবল লিখিত আকারে আসা শুরু করে। সর্বাধিক প্রচলিত হাদীস গ্রন্থ সহীবুখারীর লেখক বুখারীর জন্ম নবী মুহাম্মদের মৃত্যুর প্রায় ২০০ বৎসর পরে।
১) ইবনে সাঈদ আল খুদরি ইরশাদ করেছেন যে আল্লাহর নবী বলেছেন : তোমরা কোরান ছাড়া আমার কোন কথা লিপিবদ্ধ করবে না। যদি কেউ কোরান ছাড়া অন্যকিছু লিখে থাকে , তবে তা মুছে ফেলবে।
২)যায়িদ ইবনে থাবিত (রসুলের মৃত্যুর ৩০ বষর পরে) মুয়াবিয়ার দরবারে রসূলের সম্পর্কে একটি গল্প বলেছিলেন। মুয়াবিয়ার গল্পটি ভালো লাগে এবং এটি লিখে রাখার আদেশ দেন। কিন্তু যায়িদ বল্লেন : রসূল আমাদেরকে আদেশ করেছেন তার কোন হাদীস কখনো না লিখতে। (ইবনে হাম্বল থেকে) এই গল্প থেকে বুঝা যায় হাদীস লেখার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা রসূল মৃত্যুর আগে তুলে নেন নি।
৩)ইবনে সালাহ’র উলুম আল হাদীস বই তে উল্লেখ আছে – আবু হুরায়রা বলেছেন: আমরা একদিন যখন হাদীস লিখছিলাম তখন আল্লাহর রসূল এসে বল্লেন , তোমরা কি লিখছ? হাদীস , যা আমরা আপনার কাছ থেকে শুনি। তিনি বল্লেন: আল্লাহর বই ছাড়া অন্য আরেকটা বই? আবু হুরায়রা বল্লেন: আমরা যত হাদীস লিখেছিলাম , তা একত্র করে আগুনে পুড়িয়ে দিলাম।
৪) তাকঈদ আল ইলম বইতে উল্লেখ আছে- আবু সাঈদ আল খুদরি বলেছেন: আমি আল্লাহর রসূলের কাছে হাদীস লেখার জন্য অনুমতি চেয়েছিলাম কিন্তু তিনি অনুমতি দিতে অস্বীকার করেন।
একারনেই নবীর জীবদ্দশায় বা তার মৃত্যুর পরে ২০০ বৎসর পর্যন্ত হাদীস লিখিত আকারে সংকলিত হয় নাই। আজ যারা হাদীসের সমর্থক তারা উপরে বর্নীত হাদীসকে পালন না করে হাদীস লিখে ও প্রচার করে চলেছেন যা হাদীস ও সুন্নাহর পরিপন্থি।
Processing your request, Please wait....












পড়ছি চলুক।
ধন্যবাদ।
ভাল লিখেছেন। তাহলে কেন হাদীসের বইগুলি এলো? এর প্রয়োজনিয়তাটা কি?
শয়তান মুসলমানদেরকে কিভাবে ভুল পথে নিয়ে যাচ্ছে তা বোঝার জন্য হাদীসের প্রয়োজনীয়তা আছে।
ঠিকই বলেছেন , যেমন আমরা বুঝতে পারছি আপনার কথা ভুল ।
আপনার কেনো মনে হলো ভুল? একটু যদি ব্যাখ্যা করতেন , তাহলে আমিও বুঝতে পারতাম আমার ভুলগুলো। যে হাদীসগুলোর উল্লেখ করেছি সেগুলো ভুল নাকি বুখারির জন্ম রসূলের মৃত্যুর প্রায় ২০০ বছর পরে সেইটা?
হাদীস বলতে বুঝায় মুহাম্মদের কথাকে যা তিনি কোরানের নির্দেশের বাইরে বলেছিলেন (আদেশ , নির্দেশ উপদেশ..) এবং সুন্নাহ হলো মুহাম্মদ কতৃক প্রতিষ্ঠিত ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান।
হাদীস ছাড়া আপনি নামাজ পরবেন কিভাবে ? কোরানের কোথাও আছে নামাজ কিভাবে পড়তে হয় ?
এটা একটি কমন প্রশ্ন। উত্তর দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে গেছি। আমার উত্তরের আগে জানতে চাই হাদীসে নামাজ সম্পর্কে সত্যিই কি আছে? প্লিজ হাদীস নং উল্লেখ করে সকল পাঠককে জানানতো নামাজ কিভাবে পড়তে হবে?
Borther Faruk,
Quran says that for a thief punishment is to cut off the hand. The word used in Arabic for Hand is considered by Arabs from wrist, elbow or the sholder. Now tell me without Hadith how you would know or come to decide that you are to cut off the wrist not the whole hand from the shoulder ?
This is just one example.
Please refer to the following speech by Sheikh Salim Al Amri on the importance of Sunnah
http://www.youtube.com/watch?v=E9UdYNFv9Gs
Also, brother Faruk, You are denying the saying of Hadith from the chain of Narrators who themselves are the very person who were the reciters of the Quran. If for some reason I am to consider that their sayings are not up to par then you are indirectly making the Quran void and its very claim that Quran has been unchanged.
How are you to prove that the Quran has not been changed and not the same one as Prophet’s time ? We do not have not a single copy of Authentic print date as close as dates to Prophets time.
So indirectly you may not realize you are shooting our own foot.
Brother Shane2k, Salamun Alaikum. To answer the question of thief punishment need long answer. Inshallah in future writings it will come with reference from Quran.
All your concerns will be dealt in future writings.
কোরান নবী মুহাম্মদের জীবদ্দশায় তারই তত্বাবধানে লিখিত হতো (কোরান সংকলন হয় আবুবকর ও ওসমানের সময়) কিন্তু হাদীস লেখার ব্যপারে নবী মুহম্মদের পরিস্কার নিষেধ ছিল ,
এটা শুধু সেই সময়কার জন্য এবং কতিপয় সাহাবীদের জন্য নির্দেশ ছিল । আর তখন লেখা নিষেধ মানে এই না সেটা প্রচারেও নিষেধ ছিল। আবু হুরাইরা (রা:) যখন বললেন আমি হাদিস ভুলে যাই , তখন রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম তার জন্য দোয়া করলেন যাতে তিনি না ভুলে যান । হাদিস প্রচারে যদি নিষেধ থাকত তাহলে নিশ্চয়ই দোয়া করতেন না ।
আর আপনি হাদিস অস্বিকার করেন আবার হাদিস থেকেই রেফারেন্স দিচ্ছেন ? স্ববিরোধিতা হয়ে গেলো না ?
এটা আপনি কিসের উপর ভিত্তি করে বল্লেন? দলিল দেখাতে পারবেন? এই পোস্টেরই ২ নং হাদীসের টীকা পড়ুন।
আমি হাদীস না মানলেও তো আপনারা মানেন। খৃষ্টানদের যদি আপনি বাইবেল থেকে উদাহরন দেন , তবে সেটা কোরান থেকে বেশি তাদের কাছে গ্রহনযোগ্য হবে , কারন বাইবেলকে তারা ঐশীবানী হিসাবে বিশ্বাস করে । কোরান কে নয়। একারনেই হাদীস থেকে উদ্ধৃতি দেয়া , যাতে হাদীসে বিশ্বাসীরা অস্বীকার করতে না পারে।
কোরান থেকে হাদীস সম্পর্কিত আয়াত পরের কোন পোস্টে দেব।
আবু হুরাইরার হাদীস দিয়ে নিশ্চয় আপনি হাদীসের যথার্থতা প্রমান করতে পারেন না। নিজের সাক্ষ্য নিজেই দেয়া যায় কি?
Brother Faruk,
I understand your point but I need to understand the reason behind it.
Meaning, why are trying to dig up probable reasons to invalidate Hadith altogather.
What have you seen or concerns you about Hadith that has gravely created so much chaos that has lead you to this path ?
Also, if I am to agree with you concern that Hadith is to be denied, let me be the first to say that I will take you path witout any hesitation. But you need to fullfil for me the second option of the Quran where Quran has made it obligatory for us to following the guidance of Itself and the Sunnah of the Prophet. So, from where am I to get this information of Sunnah. If you do have such valid source I see no reason why I cannot renounce all the Sahih Hadith.
Please quench the thirst of my query.
NOTE :: “নিজের সাক্ষ্য নিজেই দেয়া যায় কি?” this may not be true for us but it is true for the Prophet himself and the Sahabis and their direct decedents..
@shane2k, উনি সব কিছু অস্বিকার করছে কেননা উনি “আহলে কোরান” বা Quran Only গ্রুপের । উনি বিভিন্ন ব্লগে জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়ে থাকেন ।
@হাফিজ, আমি কোন গ্রুপের না। আমি নিজে যা সত্য বলে বিশ্বাস করি ও নিজে পালন করি , সেটাই লিখে থাকি।
দেখুন এখানে আমি কাউকে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করছি না। আমার ভাবনা এখানে তুলে ধরার কারন হলো , আপনাদের সথে আলোচনার মাধ্যমে সত্যকে জানা। ভুল কিছউ লিখলে ধরিয়ে দিন। গঠনমূলক আলোচনা করুন। অন্যথায় কেউই লাভবান হবে না।
Brother Shane2k, Salamun Alaikum. In one word , I Think present day muslims are faraway from teaching of Allah , given in Quran. You don’t have to agree with me , read my writing . If you think , there is any truth , take it . Otherwise forget it. I shall be grateful, if You find any lie or misleading points , please tell it in comments.
“হাদীস বলতে বুঝায় মুহাম্মদের কথাকে যা তিনি কোরানের নির্দেশের বাইরে বলেছিলেন (আদেশ , নির্দেশ উপদেশ..) এবং সুন্নাহ হলো মুহাম্মদ কতৃক প্রতিষ্ঠিত ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান।”
ইসলামের সবকিছু আমাদের মতামত বা বিতর্কের জন্য open নয় – সে কারণেই পশ্চিমারা তাদের যীশুকে নিয়ে প্রেমের সিনেমা বানাতে পারলেও, আমরা ঈসা (আ.)-কে নিয়ে একটা ডক্যুমেন্টারীও বানাতে পারি না – আমাদের নবীর (সা.) জীবন নিয়ে সিনেমা বানানোর তো প্রশ্নই ওঠে না। আমাদের নবীকে (সা.) আমরা মানুষই মনে করি – ওরা যেমন ওদের নবীকে ঈশ্বর মনে করে আমরা তেমন মনে করি না। তথাপি তাঁর ও তাঁর পরিবারের সকলের অবস্থান আমাদের কাছে এতই সম্মানিত যে, আমরা সালাতের মাঝেও তাঁদের জন্য দোয়া করি। আর সে কারণেই Jewel of Madinah নামক ছবি বানানোকে আমরা blasphemous মনে করি। রাসূল(সা.)-এঁর নাম প্রথম বার উচাচারণ করলে দরুদ পড়াটা ওয়াজিব এবং পরবর্তী প্রতিবারে দরুদ পড়াটা মুস্তাহাব। এই ব্লগারের ঔদ্ধত্ব দেখুন – সে কিভাবে রাসূল (সা.)-এর নাম উচ্চারণ করে চলেছে। আমি এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি তাকে ban করার জন্য । অন্যথায় এর দ্বারা কৃত রাসূল(সা.)-এর সকল অসম্মান প্রচারের জন্য আপনারা আল্লাহর সামনে কাঠগড়ায় দাঁড়াবেন। আমি শুধু একজন মু’মীন হিসাবে আমার দায়িত্ব পালন করলাম!!
সত্য জানতে সাহসের দরকার হয়। আপনি যদি সকল কিছুই জেনে থাকেন , তাহলে আর আলোচনার দরকার কি? নিজের বিশ্বাস নিয়েই থাকুন। রসূলের অসম্মান কোথায় করলাম জানাবেন কি? আমাকে ban করার দাবীর অর্থই হলো , আপনি চোখ বুজে থাকতে পছন্দ করছেন। আপনি যে সঠিক , সেটা জানতে হলেও আপনার অপছন্দের কথা শোনা উচিৎ। কর্তৃপক্ষ যদি আমাকে ব্যন করে , শুধুমাত্র অন্ধ অনুগতদের জন্য এ ব্লগ চালু রাখতে চান, আমার বলার কিছু নেই। এটা তাদের অধিকার।
এখন সহীহ হাদীস নামে প্রচলিত হাদীসগুলো থেকে ৯৯% হাদীসকেও যদি কেউ তা রাসূল এর কথা
নয় বলে বিশ্বাস করে তবুও এতে তার ঈমানের কোন ক্ষতি হবে না- এ বিষয়ে সকল
বিজ্ঞ হাদীস শাস্ত্রীয় পন্ডিতগণ একমত।
কোরানে বলা আছে – বলো না আমি মু’মীন , বরঙ্চ বলো আমি আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পন করলাম।
@mariner , ফারুক রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) এর অবমাননা করে লেখা আগেও দিয়েছে , এটা নতুন নয় , তবে আমি যেটা চাই তার সমস্ত অভিযোগের/মতের উত্তর ব্লগাররা দিক । যদি সমস্ত উত্তর আপনাদের থেকে আসার পরও সে এসব বলতে থাকে তখন আমার মতে তাকে ব্যান করা উচিত । এমনও তো হতে পারে সে সংশোধন হবে ।
আর কোন জায়গায় সে রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) এর অবমাননা করেছে , উল্লেখ করে দিলে ভালো হতো ।
একমত।
“হাদীস বলতে বুঝায় মুহাম্মদের কথাকে যা তিনি কোরানের নির্দেশের বাইরে বলেছিলেন (আদেশ , নির্দেশ উপদেশ..)”
আপনার ঈমান ঠিক আছে তো?মনে হচ্ছে না আপনি একজন মুসলমান।
আল্লাহ তা’লা কে মানবেন মুহাম্মাদ(সাঃ) কে বাদ দিয়ে,আবার আশা করবেন আপনি একজন মুসলমান !!!ব্যাপার টা কেমন যেন জাহেলিয়াত যুগের কাফির দের মত শুনাচ্ছে……ওরা ও আল্লাহ কে প্রভু মানতো……লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ কে মানতো………কিন্তু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) মানতো না………আপনি কি সেই গোত্রের অনুসারী?
আসলে মুনাফিকদের মুখোশ আল্লাহ তা’লা এভাবেই খুলে দেন।আমাদের জন্য আপনাকে চিনে রাখা সহজ হলো।
আমি কোথায় রসূলকে বাদ দিতে বল্লাম? ভালো করে আমার পোস্ট টি পড়ুন। হাদীস মানার অর্থই হলো যারা রসূলের নাম দিয়ে বিভিন্ন হাদীস বর্ননা করেছেন , তাদেরকে মানা। রসূলের নাম নিয়ে মিথ্যা হাদীস বানানো যে কত সোজা ছিল সে সময় , শুধু তাই নয় লক্ষ লক্ষ মিথ্যা হাদীস ও যে প্রচলিত ছিল তার প্রমান আমরা ইতিহাসে পাই। আপনি যদি মনের জানালা বন্ধ রেখে আমার পোস্ট পড়েন , তাহলে লাভ নেই। প্রথমেই যদি আপনার মনে হয় জাহেলিয়াত যুগের কাফির দের মত শুনাচ্ছে , তাহলে আমার পোস্ট প্লিজ পড়েন না।
কারও বিরুদ্ধে যাবার আগে পক্ষে-বিপক্ষে দুই দলেরই মতামত জানা আবশ্যক। শুধু একপক্ষের কথা শুনলে সঠিক পথ দেখতে পারবেন না। চোখ বন্ধ করে নয়। প্রচলিত ধারণাকে আগে মন থেকে মুছে ফেললে এসমস্যাটা হয়না।
মিথ্যা হাদীস বানানো যতটুকো সহজ, হাদীস বিশারদগনের কাছে তা সনাক্ত করাও আল্লাহর ইচ্ছায় ততটুকো সহজ।
গরম লাগবে সেই ভয়ে কেউ ল্যাংটা থাকেনা, হাদীস চর্চা এবং হাদীসের উপর আমল করতে গেলে মিথ্যা হাদীসে জড়িয়ে যাবেন এ ই ভয়ে হাদীস ত্যাগ করা একপ্রকার ইরতেদাদ।
আমরা বক্ষমান যে কোরানকে কোরান বলে যানি তাও হাদীসের মাধ্যমেই আমাদের কাছে পৌছেচে। নবী স: এর কথা কোরান নয় হাদীস, আর আল্লাহর পড়ে যখনই কোরান মানুষের মুখে উচ্চারিত হবে তখন তা হাদীস পরম্পরায় কোরান বলে গন্য হবে, যেহেতু কোরান সংকলন এবং কোরানের গ্রহনযোগ্যতা হাদীসের উপর নির্ভরশীল তাই হাদীসের গুরুত্ব ও অপরিসীম।
ফারুকের এ জাতীয় বিভ্রান্তিকর পোস্টের জন্য এ্যাডিমনের কাছে বিণীত অনুরোধ থাকবে তাকে অন্ত এজাতীয় বিভ্রান্তিকর পোস্ট থেকে ব্যান্ড করা হোক।