লগইন রেজিস্ট্রেশন

শৈবাল দিঘিরে বলে উচ্চ করি শীর, লিখে রেখ এক ফোটা দিলাম শিশির

লিখেছেন: ' রাতদিন' @ রবিবার, নভেম্বর ২২, ২০০৯ (৯:০২ পূর্বাহ্ণ)

কবি এটি কী দেখে লিখেছেন আমি জানি না। কিন্তু, আজকের দুনিয়াতে এর সত্যতা কিন্তু প্রবল। আমাদের দেশের যুক্তিবাদী, স্বঘোষিত মনবতাবাদী নাস্তিক সম্প্রদায় তাদের জয়গান প্রচার করে যাইতেছে। ভাবখানা এমন, জ্ঞান-দিয়া আস্তিকদের ঋনী করতেছেন। প্রচারের উপর প্রচার চালাইতেছেন, যেন এই সভ্যতা তাদের। যে বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে তারা এত ফালাফালি করেন, যে টেকনলজির দোহাই দিয়ে তারা এত বড় কথা বলতেছেন, তারা দেখেন না, যে ভাত বা রূটি তারা খাইতেছেন, তা এক অভাগা আস্তিকের উৎপাদিত। সকাল বেলা উঠে যে মাঠে যায়। রোদে পুরে ফসল ফলায়। ঐ আভাগা কৃষক আস্তিক, যাকে স্বঘোষিত মনবতাবাদী নাস্তিক সম্প্রদায় অজ্ঞানী, ভন্ড অথবা সাহসহীন ভাবেন। আমি বলি, যারে আপনি অজ্ঞানী ভাবেন, তার টেকনোলজি আবিষ্কার কেন আপনারা খান। যার দ্বারা বেঁচে থাকেন। তাহলে, ঐ অভাগা আস্তিক কৃষকের আবিষ্কার আপনাদের আবিষ্কারের চেয়ে কম কিসে? বরং বেশী। আপনারা কী দিলেন এই পৃথিবীকে? আস্তিকদের আবিষ্কারে চলেন খান আবার জ্ঞানের দোহাই দেন। সামান্য কিছু ফিলসফী দিয়ে আস্তিকদের ঋনী করে ফেলছেন। দিঘিরে একফোটা শিশির দেন। হায়রে! কিন্তু ভুলে যান দিঘির পানিতেই আপনারা বেঁচে থাকেন পুষ্টি পান। দিঘির একটু পানি আপনাদের হাজারো লক্ষ ফোটা শিশিরের সমান। আর একফোটা শিশির দিয়ে লিখে রাখতে বলেন। হায়রে মানবতা, হায়রে যুক্তিবাদী!

যে বিজ্ঞানের দোহাই দেন, সেখানে আপনাদের অবদান কত? দেখেন ত বিশ্বাস হয় কিনা, যে পিথাগোরাসের সূত্র পড়েছেন, ঐ পিথাগোরাসই নাকি বলেছিলেন, “ঈশ্বর যদি না থাকেন তাহলে আস্তিক নাস্তিকের কিছু হবে না, কিন্তু যদি থাকেন তাহলে নাস্তিকরা শেষ।” এই বহু পুরাতন যুক্তি উনি প্রথম আবিষ্কার করেছিলান কিনা আমরা জানি না। কিন্তু উনি বিজ্ঞানী ছিলেন, তা নিয়ে আপনারা প্রশ্ন করতে পারবেন না। যাইহোক, রেফারেন্স এখনই না দিতে পারলেও উনি যে ধর্ম বিশ্বাসী ছিলেন তা দিতে পারবো। উনাকে এরিস্তেটল সুপারন্যচারাল ফিগার মনে করতেন, প্লেটো সহ আরো দুইজন নাকি তাকে ঈশ্বরের পেরিত পূরুষ মনে করতেন {১,২}। তা উইকিপিডিয়াতেও আছে। এক জায়গায় পড়েছিলাম, গণিতের উন্নয়ন নাকি হজরত ইব্রাহীমের দ্বারা হয়েছিল। যাইহোক, নাস্তিকদের ধারণা আছে কিনা জানি না, ইমাম জাফর সাদিক, জাবির আল হাইয়ানের, ইবনে সিনা, আল খাওয়ারিজমি, আল কিন্দি, আল রাজি, আল জাওহারি, আল ফারাবি, আল বিরুনির মত বিজ্ঞানীরা আস্তিকই ছিলেন, তাও আবার মসুলমান (৩)। কই যাব বলেন, গ্যালিলিও যাকে আপনারা ধর্মবাদীর দ্বারা মৃত্যদন্ড প্রাপ্ত বলেন সেই আবার বলেছেন “গণিত হচ্ছে ভাষা যার দ্বারা ঈশ্বর এই মহাবিশ্ব লিখেছেন” (৪)। নিকোলাস কোপেরনিকাস, স্যার ফ্র্যান্সিস ব্যাকন, জোহান ক্যাপ্লার, রেনি দেস্কাস, স্যার আইজ্যাক নিউটন, রবার্ট বয়েল, মাইকেল ফ্যারাডে, উইলিয়াম থমাস ক্যালবিন, ম্যাক্স প্লান্ক এরা সবাই আস্তিক ছিলেন (৫)। এখন, নাস্তিকরা হয়ত চার্লস ডারউইন প্রসংগ টানবেন, কিন্তু জনাব আধুনিক জীব বিজ্ঞানী থেকে আমরা যে উপকার পাচ্ছি তা কিন্তু জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এর ফসল, জেনেটিক্স কিন্তু জর্জ মেন্ডেলের আবিষ্কার। জর্জ মেন্ডেল কিন্তু ধার্মিক ছিলেন (৬)।

নাস্তিকদের হাটে হাড়ি ভেঙ্গে দিয়েছেন আলবার্ট আইনিস্টাইন। তিনি তো পুরা তাদের ঊদ্দেশ্যে বলেছেন, “কিছু লোক আছে যারা বলে কোন গড নেই, যা আমাকে সত্যিই রাগান্বিত করে তা হচ্ছে তারা আমাকে এ ধরণের ভিউয়ের সমর্থনে কোট করে” (৭)। আর কী বলবো? আইস্টাইন নিজেই নাস্তিকদের ভন্ডামি ধরিয়ে দিয়েছেন। বর্তমান সময়েও দেখি বেশীর ভাগ ইন্ডিয়ান বিজ্ঞানীরা ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন (৮)। আর আলেকজেন্ডার ফ্লেমিং ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, গুড গড (৯,১০)। হায়রে! শৈবাল দিঘিরে বলে উচ্চ করি শীর, লিখে রেখ এক ফোটা দিলাম শিশির।

রেফারেন্স:
1. Plato, Republic, 600a, Isocrates, Busiris, 28
2. ^ John Dillon and Jackson Hershbell, (1991), Iamblichus, On the Pythagorean Way of Life, page 14. Scholars Press.; D. J. O’Meara, (1989), Pythagoras Revived. Mathematics and Philosophy in Late Antiquity, pages 35-40. Clarendon Press.
3. http://www.ummah.net/history/scholars/
4. http://quranmiracles.com/19/
5. http://www.godandscience.org/apologetics/sciencefaith.html#5TpopNTIrTxm
6. http://en.wikipedia.org/wiki/Gregor_Mendel
7. http://inarchei.wordpress.com/2008/06/03/was-einstein-an-atheist/
8. http://www.rediff.com/news/2008/jun/15god.htm
9. http://www.spotlightradio.net/listen/fleming-persecution/
10. http://en.wikipedia.org/wiki/Alexander_Fleming

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৪১৫ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৭ টি মন্তব্য

  1. একেবারে হক্ব কথা কইছেন ভাই। পড়ে অনেক ভালো লাগলো। ধন্যবাদ। (F)

  2. ভাল লাগল তবে এ ব্লগে তো নাস্তিক কেউ নেই যে তিনি আপনার যুক্তিকে খণ্ডানোর চেষ্টা করবেন। আল্লাহ প্রতি বিশ্বাস এটাতো বিশ্বাসই তাতে লজিক খাটানো সম্ভব নয়। আমার মতে হয়তো সবাই একমত হবেননা যারা বলেন- আল্লাহকে চিনুন আল্লাহকে জানুন তাও আল্লাহ শানকে ছোট করে ফেলার মত। যেমন ক্ষুদ্র একটি ঘটি কখনো সাগরের সব পানিকে ধারণ করতে অক্ষম, তেমনী সৃষ্ট ক্ষুদ্র মানব আল্লাহকে চিনতে জানতে অক্ষম। মানব মন যেটি পারে সেটি হলো অনুভব। মানব মন আল্লাহকে শুধু অনুভব করতে পারে তার সৃষ্ট সকল বস্তু হতে। ধন্যবাদ।

    fuad

    @মর্দে মুমিন,
    পড়ার জন্য ধন্যবাদ । আসলে এখানে যুক্তি গুলো রেফারেন্স সহ দেওয়া এবং অনেক নাস্তিক গ্রুপে লিংক দিয়েছি । তারা আমার সমালোচনা করেছে এই বলে যে নাস্তিক আস্তিক এক ধরনের সম্প্রতি আছে , যা নাকি আমার মত মানুষরা ধংশ করে । যাইহোক, তারা আমার লেখা খন্ডন করে নি । কারন আমি বিভিন্ন বিজ্ঞানীর বক্তব্য দিয়েছি যা তাদের বিরুদ্ধে যায় । এখানে তাদের কি বলার থাকবে আমি জানি না । তবে কিছু সুক্ষ বিষয় অলোকপাত করে খন্ডানোর চেষ্টা করতে পারে । যাইহোক, আমার ও ভুল হতে পারে । ভাল থাকবেন ।

  3. Philoshophy فلسفة এটাও কোন নাস্তিকের উদ্ভাবিত শাস্ত্র নয়, প্লেটো যার আরবী নাম أفلطون আপ্লাতুন সে ইদরীস আ: এর সহীফায় বিশ্বস করতো, Aristotal ارسطاطاليس বা এরিস্টোটল ছিলেন রিতীমত তার প্রচারক, আর নব্যযূগের এই আধুনা বিজ্ঞান এখনো ৫০০-৭০০হি: শত্বাদীর উপসংহার, কম্পিউটার সাইন্স, চিকিত্সা, এস্ট্রেলজি, জিওলজিক, সব শাস্ত্র এখনো জাবের, কিন্দি, ইবনে সিনা, খলদুন এবং বত্তুত্বার কাছ থেকে নেয়া ধার করা জ্ঞান নিয়ে চলে, আর আধুনা বিগত তিন চার শতকে ইংলিশদের যেসব পন্ডিত গজাইছে এবং নিজে কিছু থিওরি রচণা করছে তা একেবারেই ভুল বলে তারাই আবার প্রমান করতে শুরু করছে, যেমন ডারউইন, আইন্সটন, অমুক সমুক। পক্ষান্তরে তাদের মৌলিক বিজ্ঞানের যেসব রেফারেন্স কখনোই তারা অস্বীকার করে না তার বেশীর ভাগই হল ৫০০-৭০০ হি: মুসলমানদের পন্ডিতদের রচিত।
    মজার বিষয় হল ১১০০হি: থেকে পৃথীবিতে মুসলমানদের ব্যাপক পরাজয়, পদস্খলন এবং অনৈতিকতার ফলে ইংরেজ, গ্রীক এবং পাশ্চাত্যের এসব বিজ্ঞানী!রা প্রচার শুরু করলো যে আমরাই বিজ্ঞানের মহারাজা, এবং বৃটেনের সম্রাজ্যবাদী পায়তারা ইরেজী প্রতিষ্ঠিত হল একটি আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে, আর আমাদের শিক্ষিত! সমাজ সেই ইংরেজী শিক্ষায় ধ্বর্ষিত হয়ে ভাবতে লাগল আজকের এই বিজ্ঞান কেবলই পাশ্চত্যের সৃষ্টি।
    মজার বিষয় স্পেনে যখন মুসলমানরা ঘরে ঘরে লাইব্রেরী- মসজিদ মাদ্রাসা তৈরি করেছিল, মাদ্রিদ-গ্রানাডার মত ইতিহাস খ্যত উন্নত শহর প্রতিষ্ঠা করেছিল ঠিক এমেরিকায় তখনো মানুষ হারিকেন জ্বালাতো আর গুহায় বাস করতো, কাচা খাবার খেত, তারা কাঠ কেটে মশাল জ্বালাতো আর স্পেন তখন ছিল জ্ঞন বিজ্ঞানের মশাল, পার্থিব ও আখেরাতের সকল সফলতাই তাদের ছিল। এইসবই ছিল আমাদের পূর্বপুরুষদের গৌরবউজ্জল ইতিহাস যারা ছিলেন সিংহ পুরুষ আমরা তাদের উত্তরসূরি বটে! কিন্তু দীর্ঘদিন ছাগলদের সাথে বাস করতে করতে আমাদের বোধ-বুদ্ধির ঢেকুর শিক্ষিত! সমাজ আজ ভুলেই গেছেন যে তারা ছিলেন সিংহশাবক, তারাতো এখন রিতীমত আমাদের সাথে তর্কে লিপ্ত হন যে আমরা সিংহ নই, বরং ছাগল ছানা। আমাদের আধুনা শিক্ষিতরা আজ খারেজমী, জাবের আর ইবনে সিনার অবদার নিয়ে তুষ্ট নয় তারা ডারউইন, আইনেস্টনদের শিক্ষা নিয়েই গর্ব ও তর্ক করে, !!! ধিক !
    প্রতিক্ষায় সেই সময়ের যখন দর্পনে তারা নিজের চেহারা দেখে বলবেন না আমরা ছাগলছানা নই সিংহ শাবক। আল্লাহ সবার দৃষ্টি খুলে দিন। আমীন

    জামাল

    @বাংলা মৌলভী, (F)

    fuad

    @বাংলা মৌলভী,
    ধন্যবাদ ।

    প্লেটো যার আরবী নাম أفلطون আপ্লাতুন সে ইদরীস আ: এর সহীফায় বিশ্বস করতো, Aristotal ارسطاطاليس বা এরিস্টোটল ছিলেন রিতীমত তার প্রচারক

    এটার রেফারন্স দিলে আমার জন্য ভাল হত আমি এ ব্যপারটা নিয়ে চিন্তা করতেছি । আর ইবনে সিনা কে কি আপনি মসুলমান মনে করেন ? অথবা জাবির ইবনে হাইয়ান যে শিয়া ছিলেন তাকে কি আপনি মসুওলমান মনে করেন ? কারন কেঊ কেঊ শিয়াদের কে কাফির অথবা মুরতাদ বলে ।

  4. [...] http://www.peaceinislam.com/fuad/1662/ ফুয়াদ ভাইয়ের লেখাটি আসলে শিরোনামে একটু অন্যরকম লাগছিলো তাই আবারো এখানে দিলাম। বিজ্ঞান বলতে আমরা আজ মনে করি এমরিকার নাসা, রাশিয়র নভোথিয়েটার, আর চীন জাপানরে ইলেক্ট্রিক্যাল উত্পাদন। অথচ এ সবই কিন্তু মুসলমানদের সৃষ্ট – বিজ্ঞানের মৌলিক তত্বথেকে গবেষনা করে নেয়া হয়েছে। মুসলিম বিশ্বের বিশেষত এশিয়ার উন্নয়নশীল রাস্ট্রগুলোর শিক্ষা ব্যবস্থা আজ অনেকটাই যেন পাশ্চাত্যের সেই ক্যামব্রীজ আর অক্সফোর্ডের উপর নির্ভরশীল হয়ে গেছে। এমনকি আমাদের দৈনন্দিন ব্যাবহার্য্য ইলেকট্রিকল জিনিষ-পত্রের উত্পাদন-বিপনণ ও প্রচার প্রচারণা শিখতেও লন্ডন এমেরিকার ইঞ্জিনিয়ার, ইকোনোমিস্ট ও পন্ডিত ছাড়া সম্ভব নয় ভাবছি, ঠিক চিকিত্সা- আইন- এডমিনিস্ট্যাসন ও সকল গুরুত্বপূর্ন ক্ষেত্রেই আমরা আজ পাশ্চাত্য পড়ুয়াদের উপর নির্ভর করি। অথচ পাশ্চাত্য ধার নিয়েছিল আমাদের বিজ্ঞান-প্রযুক্তি এবং শাস্ত্র । ধরা যাক বিজ্ঞানের মৌলিক উপাত্ব থিওরিকাল নিয়ম কানুনের দর্শন-বিজ্ঞান বা ফিলোসফির কথা যার মূল সূচনা ছিল খৃষ্টপূর্ব দুই হাজার বত্সর পূর্বে। (আনুমানিক এবং কাছাকাছি) Philoshophy فلسفة এটা কোন নাস্তিকের উদ্ভাবিত শাস্ত্র নয়, প্লেটো যার আরবী নাম أفلطون আপ্লাতুন সে ইদরীস আ: এর সহীফায় বিশ্বস করতো, Aristotal ارسطاطاليس বা এরিস্টোটল ছিলেন রিতীমত তার প্রচারক, আর নব্যযূগের এই আধুনা বিজ্ঞান এখনো ৫০০-৭০০হি: শত্বাদীর উপসংহার, কম্পিউটার সাইন্স, চিকিত্সা, এস্ট্রেলজি, জিওলজিক, সব শাস্ত্র এখনো জাবের, কিন্দি, ইবনে সিনা, খলদুন এবং বত্তুত্বার কাছ থেকে নেয়া ধার করা জ্ঞান নিয়ে চলে, আর আধুনা বিগত তিন চার শতকে ইংলিশদের যেসব পন্ডিত গজাইছে এবং নিজে কিছু থিওরি রচণা করছে তা একেবারেই ভুল বলে তারাই আবার প্রমান করতে শুরু করছে, যেমন ডারউইন, আইন্সটন, অমুক সমুক। পক্ষান্তরে তাদের মৌলিক বিজ্ঞানের যেসব রেফারেন্স কখনোই তারা অস্বীকার করে না তার বেশীর ভাগই হল ৫০০-৭০০ হি: মুসলমানদের পন্ডিতদের রচিত। মজার বিষয় হল ১১০০হি: থেকে পৃথীবিতে মুসলমানদের ব্যাপক পরাজয়, পদস্খলন এবং অনৈতিকতার ফলে ইংরেজ, গ্রীক এবং পাশ্চাত্যের এসব বিজ্ঞানী!রা প্রচার শুরু করলো যে আমরাই বিজ্ঞানের মহারাজা, এবং বৃটেনের সম্রাজ্যবাদী পায়তারা ইরেজী প্রতিষ্ঠিত হল একটি আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে, আর আমাদের শিক্ষিত! সমাজ সেই ইংরেজী শিক্ষায় ধ্বর্ষিত হয়ে ভাবতে লাগল আজকের এই বিজ্ঞান কেবলই পাশ্চত্যের সৃষ্টি। মজার বিষয় স্পেনে যখন মুসলমানরা ঘরে ঘরে লাইব্রেরী- মসজিদ মাদ্রাসা তৈরি করেছিল, মাদ্রিদ-গ্রানাডার মত ইতিহাস খ্যত উন্নত শহর প্রতিষ্ঠা করেছিল ঠিক এমেরিকায় তখনো মানুষ হারিকেন জ্বালাতো আর গুহায় বাস করতো, কাচা খাবার খেত, তারা কাঠ কেটে মশাল জ্বালাতো আর স্পেন তখন ছিল জ্ঞন বিজ্ঞানের মশাল, পার্থিব ও আখেরাতের সকল সফলতাই তাদের ছিল। এইসবই ছিল আমাদের পূর্বপুরুষদের গৌরবউজ্জল ইতিহাস যারা ছিলেন সিংহ পুরুষ আমরা তাদের উত্তরসূরি বটে! কিন্তু দীর্ঘদিন ছাগলদের সাথে বাস করতে করতে আমাদের বোধ-বুদ্ধির ঢেকুর শিক্ষিত! সমাজ আজ ভুলেই গেছেন যে তারা ছিলেন সিংহশাবক, তারাতো এখন রিতীমত আমাদের সাথে তর্কে লিপ্ত হন যে আমরা সিংহ নই, বরং ছাগল ছানা। আমাদের আধুনা শিক্ষিতরা আজ খারেজমী, জাবের আর ইবনে সিনার অবদার নিয়ে তুষ্ট নয় তারা ডারউইন, আইনেস্টনদের শিক্ষা নিয়েই গর্ব ও তর্ক করে, !!! ধিক ! প্রতিক্ষায় সেই সময়ের যখন দর্পনে তারা নিজের চেহারা দেখে বলবেন না আমরা ছাগলছানা নই সিংহ শাবক। আল্লাহ সবার দৃষ্টি খুলে দিন। আমীন বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত জানতে পড়ুন ” মুসলমানদের অধপতনে বিশ্ব কী হারালো” সায়্যেদ আবুল হাসান আলী নদভী । ১ বার পঠিত পোস্ট বুকমার্ক করুন [...]