লগইন রেজিস্ট্রেশন

ব্যাবেচারের সংজ্ঞা কি? কয়েকটি প্রেম বিষয়ক পোষ্ট দেখে আমার মাঠে নামা।

লিখেছেন: ' রাতদিন' @ সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১, ২০১০ (৮:২৩ অপরাহ্ণ)

বার বার একই বিষয়ের পোষ্ট দেখে লিখতে বসলাম। জানি না কেমন হবে। আল্লাহ পাক আমাকে মাফ করুন। আমার প্রশ্ন সকল মাহজাব এবং সালাফিদের মতে ব্যাবিচারের সংজ্ঞা কি? হানিফী মাহজাবের একটি সংজ্ঞা জানি যা খুবই কঠিন। বাকিরা কি বলেন জানি না। এ বিষয়ে অনেক হাদিস আছে, মুঘস্ত নেই।

“আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ” আল কুরান ১৭ঃ৩২

এখন এখানে ব্যাবিচারের সংজ্ঞা কি? কানের ব্যাবিচার, চোখের ব্যাবিচার ইত্যাদি কি এর অন্তর্ভুক্ত। যদি কানের ব্যাবিচার,চোখের ব্যাবিচার হাতের বা মনের ব্যাবিচার কারো হয়, তাহলে কি তার ছেলের সাথে ঐ মেয়ের বিবাহ নাজায়েজ হয়ে যাবে নাকি। বিষয় কত কঠিন, আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

আমি যা বুঝতে পেরেছি পড়াশুনা করে, যে ব্যাবিচারের শাস্তি আছে ঐধরনের সত্যিকার ব্যাবিচারের কারনেই শুধু তার ছেলে সাথে ঐ মেয়ের বিবাহ নাজায়েজ হয়ে যাবে। তবে ইমাম আবু হানীফার এই মত নেই মনে হয়। আপনারা বলুন। এ বিষয়ের সংজ্ঞা ঠিক ভাবে না জেনে, ভালবাসা বা প্রেম এর ব্যাপারে কিছু বলা যাবে না।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৬৬০ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

২৩ টি মন্তব্য

  1. Imran b. Husain reported that a woman from Juhaina came to Muhammad and she had become pregnant because of adultery. She said: I am pregnant as a result of Zina. Muhammad said: “Go back, and come to me after the birth of the child”. After giving birth, the woman came back to Muhammad, saying: “please purify me now”. Next, Muhammad said, “Go and suckle your child, and come after the period of suckling is over.” She came after the period of weaning and brought a piece of bread with her. She fed the child the piece of bread and said, “Oh Allah’s Apostle, the child has been weaned.” At that Muhammad pronounced judgment about her and she was stoned to death

    এই হাদিস কি সহী ?

    Reported by many companions that Ma’iz went before Muhammad in the Mosque and said, “I have committed adultery, please purify me.” (In another report, Muhammad asked Ma’iz that the reports he heard about him are correct or not[5]) Muhammad turned his face away from him and said “Woe to you, go back and pray to Allah for forgiveness.” But the boy again came in front of Muhammad and repeated his desire for purification. The act was repeated three times, until Abu Bakr, sitting close by, told the Ma’iz to leave, as the fourth repetition of the plea would get him stoned. But the man persisted. Muhammad then turned to him and said “you might have kissed or caressed her or you might have looked at her with lust (and so assumed that you committed Zina)”. Ma’iz replied in the negative. Allah’s Apostle said “did you lie in bed with her?” Ma’iz replied in the affirmative. He then asked, “did you have sexual intercourse?” Ma’iz replied in the affirmative. Then Muhammad got quite uncomfortable, and asked “Did your male organ disappear in the female part?” Ma’iz replied in the affirmative. He then asked, once more, whether Ma’iz knew what Zina means. Ma’iz replied “yes, I have committed the same act a husband commits with his wife.” Muhammad asked if he was married, and he replied “yes”. Muhammad asked if he took any wine, and Ma’iz again replied in the negative. Muhammad then sent for an inquiry from the neighbors of Ma’iz, whether or not Ma’iz suffered from insanity. The replies all came in the negative. Muhammad then said, “had you kept it a secret, it would have been better for you.” Muhammad then ordered Ma’iz to be stoned to death. During the stoning, Ma’iz cried out, “O people, take me back to the Holy Prophet, the people of my clan deluded me.” When this was reported to Muhammad, he replied “Why did you not let him off, he might have repented, and Allah may have accepted it.”
    It is reported that the woman in the above case was not punished. সহী মুসলিম

    এইখানে, পুরুষের ক্ষেত্রে আল্লাহ পাকের রাসূল সঃ অনেক কিছু প্রশ্ন করেছেন, কিন্তু উপরের মহিলার ক্ষেত্রে কোন প্রশ্ন করেন নি? তাই উপরের হাদিস সহী কি না, জানতে চাই।

    sadman

    @ফুয়াদ,
    It is clear like the day light, why Mohammed (sm) was not question that lady “she had become pregnant because of adultery.”

    ফুয়াদ

    @sadman,

    আপনি এভাবে বলতে পারেন না। কারন রাসূল সঃ তাকে খুজে বার করেন নি। তারপর অন্য ঘটনায় বলেছেন “had you kept it a secret, it would have been better for you.”
    ভাল করে দেখুন উপরের হাদিসটিতে She came after the period of weaning and brought a piece of bread with her. সে বেশ কিছু দিন পরে আসছে। তারমানে সহজ অনেক দিন চলে যাওয়ার পর এসেছেন। এখন, তারপর রাসূল সঃ তাকে কোন প্রশ্ন করেন নি, তা হতে পারে না। যে কোন মেয়ে ই পেগনেন্ট হতে পারে ব্যাবিচারের কারনে। এখন আল্লাহর রাসূল সঃ ছেলেদের ছেরে দিবেন, আর মেয়েদের শাস্তি দিবেন, তা হতে পারে না। অতএব, আমাদের রেকর্ডে কিছু ভুল আছে। মনে হইতেছে উপরের হাদিসটি অসম্পূর্ন। মানে কাহিনি আসে নি। আবার নাও হতে পারে।

    sadman

    @ফুয়াদ,
    The punishment of ‘Zinna’ has types. When the man and woman both are married then they have been sentence to death. But when one or both of them are unmarried then the punishment is”Dorra” for the unmarried one .

    My request is please go to the Educated “Alem” and they can give you better solution.

    দ্য মুসলিম

    @sadman,

    The punishment of ‘Zinna’ has types. When the man and woman both are married then they have been sentence to death. But when one or both of them are unmarried then the punishment is”Dorra” for the unmarried one .

    ঠিক বলেছেন। সহমত।

    হাফিজ

    @ফুয়াদ,

    এভাবে কোনো হাদিস শরীফ দেখে কোনো সিদ্ধান্তে আসা খুব কঠিন । কেননা হাদিস শরীফও কোরান শরীফের মতো পর্যায়ক্রমে সাহাবীগন শুনেছেন এবং আমল করেছেন । অনেক সময় এমন হয়েছে পরের হাদিস শরীফ আগের হাদিস শরীফকে মনসুখ করে দ্যায় । যেমন প্রথমদিকে নামাজে “সালাম” দেয়া যেত , যেটা পরবর্তিতে নিষেধ হয়ে গেছে ।

    যেহেতু মাযহাব কোরান শরীফ , “হাদিস” শরীফ , সাহাবীদের আমল ইত্যাদির মধ্যে সামন্জস্য বিধান করে , তাই মাজহাব এর সমাধান অনুসরন করাই নিরাপদ ।

    সাদাত

    @ফুয়াদ,

    ১.মহিলার ক্ষেত্রে ব্যভিচারের নিশ্চিত প্রমাণ ছিল: গর্ভধারণ
    পুরুষের ক্ষেত্রে ব্যভিচারের নিশ্চিত প্রমাণ ছিল না: কাজেই নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন ছিল। কারণ সাহাবী(রা.)গণ অনেক সময় ছোট বিষয়কেও অনেক বড় মনে করতেন, দিলের অবস্থা পরিবর্তন হলেই নিজেকে মুনাফেক বলে সন্দেহ করতেন, কাজেই অদৈহিক জিনাকেও উনারা শরয়ী শাস্তিযোগ্য জিনা মনে করে থাকতে পারেন, তাই নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন ছিল।
    ২. একই ঘটনা নিয়ে কিন্তু অনেক হাদিস রয়েছে। কোন হাদিস সংক্ষিপ্ত, কোনটা বিশদ। প্রথমোক্ত হাদিসটা সংক্ষিপ্ত,দ্বিতীয়টা বিশদ। প্রথম ঘটনার বিশদ বিবরণের জন্য আলেমদের কাছে জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে।
    ৩. হাদিস সহি কিনা, সেটা যাচাই এর সুনির্দিষ্ট নিয়ম আছে, সেজন্য মুহাদ্দিসের কাছে জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে। আমাদের বিচার-বিবেচনা পছন্দ-অপছন্দ হাদিস যাচাইয়ের মানদন্ড নয়।

  2. শব্দটা হবে: ব্যভিচার
    ইমাম আবু হানিফা(রহ.)এর মত মানেই কিন্তু হানাফি মাযহাবের মত নয়।
    আমি যতদূর জানি শারীরিক ব্যভিচাবের জন্যই শাস্তি প্রযোজ্য।

    অট:
    নতুন রেজিস্টার করলাম, পোস্ট দিতে কদিন অপেক্ষা করতে হয়?

    হাফিজ

    @সাদাত, সহমত, এটা শারিরীক ব্যভিচারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ।

    সাদাত ভাই, আপনি কি আমারব্লগের “সাদাত” ?

    সাদাত

    @হাফিজ,
    জ্বী

    কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    @সাদাত,

    আসসালামু আলাইকুম,

    আপনি এখন পোস্ট দিতে পারেন ।

    ওয়াসসালাম ।

  3. আপনি যদি হাদিসে অবৈধ যৌনক্রিয়ার দায় মহিলাদের উপর বর্তায় কেন? এই নামে একটি পোষ্ট দিতেন তো বুঝতে পারতাম আমাগো ব্লগীয় নায়েবে রাসুলরা কি জবাব দেন?

    আমি যেটি বুঝি আমাদের শরীর ও মনে আল্লাহ প্রদত্ত উপাদানের কারণে স্বাভাবিক ভাবে চোখ ও মন দ্বারা ফ্লায়িং যৌনতা হতে পারে। এটির জন্য শরিয়াহর আইন প্রযোজয্য হবেনা। আর এই কর্ম যখন বাস্তব ভাবে সম্পাদন হবে, এবং সমাজের অন্যের সম্মুখে প্রকাশ হয়ে পড়বে তখনই ইসলামী রাষ্ট্রে শরীয়ত মোতাবেক শাস্তি যোগ্য অপরাধ বলে বিবেচিত হবে।

    আর ঐ কার্য গোপণ থাকলে পরকালে আল্লাহ তার বিচার করবেন।

    যেমন ইসলামে প্রেম জায়েজ কিনা কিংবা ব্যভিচার কাকে বলে ? আসলে এই ধরণের প্রশ্ন আমার কাছে বাতুলতা মনে হয়। প্রশ্ন হতে পারে বর্তমান জটিল যুগের প্রেক্ষিতে শারীরিক ও মানসিক ক্ষুধা নিবারণে কি করনীয় হওয়া উচিত? তাহলে আলোচনা ফল নিয়ে আসতে পারত। ধন্যবাদ।

    হাফিজ

    @মুনিম,

    আমি যেটি বুঝি আমাদের শরীর ও মনে আল্লাহ প্রদত্ত উপাদানের কারণে স্বাভাবিক ভাবে চোখ ও মন দ্বারা ফ্লায়িং যৌনতা হতে পারে। এটির জন্য শরিয়াহর আইন প্রযোজয্য হবেনা। আর এই কর্ম যখন বাস্তব ভাবে সম্পাদন হবে, এবং সমাজের অন্যের সম্মুখে প্রকাশ হয়ে পড়বে তখনই ইসলামী রাষ্ট্রে শরীয়ত মোতাবেক শাস্তি যোগ্য অপরাধ বলে বিবেচিত হবে।

    সহমত ।

    সাদাত

    @মুনিম,

    আপনি যদি হাদিসে অবৈধ যৌনক্রিয়ার দায় মহিলাদের উপর বর্তায় কেন? এই নামে একটি পোষ্ট দিতেন তো বুঝতে পারতাম আমাগো ব্লগীয় নায়েবে রাসুলরা কি জবাব দেন?

    হাদিসে অবৈধ যৌনক্রিয়ার দায় মহিলাদের উপর বর্তায়- এই কথা কোথায় পেলেন?

    সাদাত

    @সাদাত,
    It is reported that the woman in the above case was not punished

    ফুয়াদ

    @সাদাত,

    কিন্তু বর্তমানের কথা বলেন। কয় দিন পর পর আমরা নুতুন নুতুন কাহিনী শুনি।

    মুনিম

    @সাদাত, ইতিহাস থেকে। তবে হাদিশের বদলে এই ভাবে প্রশ্নটি সামনে আনেন- শরিয়াহর বিচারে অবৈধ যৌনক্রিয়াতে শুধু নারী কেন শাস্তি পায়?

    দ্য মুসলিম

    @মুনিম,

    আপনি যদি হাদিসে অবৈধ যৌনক্রিয়ার দায় মহিলাদের উপর বর্তায় কেন? এই নামে একটি পোষ্ট দিতেন তো বুঝতে পারতাম আমাগো ব্লগীয় নায়েবে রাসুলরা কি জবাব দেন?
    কিভাবে এটা সম্ভব? এমন কোন ঘটনার বর্ণনা দিতে পারবেন যেখানে শুধু মহিলাদের শাস্তির কথা বলা আছে?

    মুনিম

    @দ্য মুসলিম, লক্ষ কোটি দেওয়া যায় তবে আপনাকে দিয়ে লাভ নাই। কারণ আপনার মন আপনার এই সামান্য বয়সে বৃদ্ধদের মত শক্ত হয়ে গেছে।

    যাক তারপর আপনাকে বলছি, শরার নিয়ম অনুযায়ী দুই জন মানব মানবীর মধ্যে অবৈধ্য যৌনক্রিয়া সংঘটিত হয় তার মধ্যে ৯৯ ভাগ ঘটনার কোন চাক্ষুস সাক্ষী নেই। কারন বিনা ধর্মীয় অনুশাসনেও কোন অবৈধ আর বৈধ যুগল অন্যের সামনে রমণ কর্ম করেনা। এই প্রক্ষাপটে আগের আমলে যখন ঐ অবৈধ ক্রিয়া দ্বারা কোন মহিলা গর্ভবতী হয়ে যায় তখনই লোক সমাজে ধরা পড়ত। তখন মেয়েটি বলত অমুক দ্বারা আমি গর্ভবতী হয়েছি। কিন্তু ঐ লোক তখন অস্বীকার করত কারণ তার কর্মের চাক্ষুস প্রমান নেই। তখন শরার নিয়ম অনুযায়ী ঐ ব্যাক্তি আল্লাহ নামে মিথ্যা কসম করে বেঁচে যেত শরার আইন থেকে কিন্তু বেচারী নারী যেহেতু পেট ফুলে কলাগাছ। তাই শরা ওকে ক্ষমা করে নাই।

    হাফিজ

    @মুনিম,

    @দ্য মুসলিম, লক্ষ কোটি দেওয়া যায় তবে আপনাকে দিয়ে লাভ নাই। কারণ আপনার মন আপনার এই সামান্য বয়সে বৃদ্ধদের মত শক্ত হয়ে গেছে।

    মুনিম ভাই, আপনাকে জিজ্ঞেস করছে পারলে উত্তর দ্যান , না পারলে বলবেন না । শুধু ব্যক্তিগত আক্রমন করেন কেনো ? আপনার কথা না মানলে সেটা হয় “বৃদ্ধদের” মতো ?

    হাফিজ

    @মুনিম,

    এই প্রক্ষাপটে আগের আমলে যখন ঐ অবৈধ ক্রিয়া দ্বারা কোন মহিলা গর্ভবতী হয়ে যায় তখনই লোক সমাজে ধরা পড়ত। তখন মেয়েটি বলত অমুক দ্বারা আমি গর্ভবতী হয়েছি। কিন্তু ঐ লোক তখন অস্বীকার করত কারণ তার কর্মের চাক্ষুস প্রমান নেই। তখন শরার নিয়ম অনুযায়ী ঐ ব্যাক্তি আল্লাহ নামে মিথ্যা কসম করে বেঁচে যেত শরার আইন থেকে কিন্তু বেচারী নারী যেহেতু পেট ফুলে কলাগাছ। তাই শরা ওকে ক্ষমা করে নাই।

    কেনো ঐ মহিলা যদি বলে তাকে জোড় করে ধর্ষন করা হয়েছে , তাহলেই তো তার আর কোনো শাস্তি হয় না ?

    ফুয়াদ

    @হাফিজ,

    একটু দাড়ান, কোউ ধর্ষিত হলে কি বলতে যাইবে আমি ধর্ষিতা ? আবার উচ্চ বংশের না হলে, তার কথা বিলিভ করাও হয় না। আবার চারজন সাক্ষি আনতে হয়, সত্যবাদী যে তা প্রমানের জন্য। কেউ যদি না পায়?

    হাফিজ

    @ফুয়াদ, এখানে এটা আলোচনা হচ্ছে না । মুনিম ভাই এর বক্তব্যে মনে হচ্ছে , উনি বুঝাতে চেয়েছেন যে একজন পুরুষ মিথ্যা কথা বলে পার পেয়ে যায় , কিন্তু একজন নারীর মিথ্যা কথা বলেও পার পাওয়া সম্ভব নয় । নীচের ঘটনাটা পড়ুন :

    এই প্রক্ষাপটে আগের আমলে যখন ঐ অবৈধ ক্রিয়া দ্বারা কোন মহিলা গর্ভবতী হয়ে যায় তখনই লোক সমাজে ধরা পড়ত। তখন মেয়েটি বলত অমুক দ্বারা আমি গর্ভবতী হয়েছি। কিন্তু ঐ লোক তখন অস্বীকার করত কারণ তার কর্মের চাক্ষুস প্রমান নেই। তখন শরার নিয়ম অনুযায়ী ঐ ব্যাক্তি আল্লাহ নামে মিথ্যা কসম করে বেঁচে যেত শরার আইন থেকে কিন্তু বেচারী নারী যেহেতু পেট ফুলে কলাগাছ। তাই শরা ওকে ক্ষমা করে নাই।

    যদি পুরুষটি মিথ্যা বলে , তাহলে সেই ক্ষেত্রে নারীও মিথ্যা বলে পার পেতে পারে ।