ফারুক এর নতুন পোস্ট
লিখেছেন: ' হাফিজ' @ সোমবার, নভেম্বর ৯, ২০০৯ (৪:৫৭ পূর্বাহ্ণ)
সম্প্রতি পিস ইন ইসলামের থেকে ব্যান হয়ে “ফারুক” একটি পোস্ট আমার ব্লগে দিয়েছে । যেটার লিংক দেয়া হলো নীচে:
http://faruk55kw.amarblog.com/posts/90429
তবে সেটা ব্যাপার না এবং এটাতে আমি আশ্চর্য হইনি । যেটাতে আশ্চর্য হলাম সেটা হলো তারো কয়েকদিন (৭ই নভেম্বর ) আগে এই বিভ্রান্ত , রসুলকে অপমানকারী ফারুকের একটি পোস্ট দেখে । যেটাতে সে হাদীস অনুসরনকারীদের খৃষ্টান বলেছেন !!!!!
আপনারা দেখুন তার লেখা
http://faruk55kw.amarblog.com/posts/90297
সেই পোস্টের কিছু অংশ :
হাদীস ও সুন্নাহর অনুসারিরা প্রকৃতপক্ষে কট্টর খৃষ্টান।
গত হাজার বছর ধরে হাদীস ও সুন্নাহর অনুসারিরা ইসলামের ঐশীগ্রন্থ কোরান অনুসরন না করে বাইবেলকেই অনুসরন করে চলেছেন । বাইবেলের যে সকল বানী আজকের খৃষ্টানরা অনুসরন করেন না , সেই একি বানী আজকের হাদীস ও সুন্নাহর অনুসারিরা কট্টরভাবে মেনে চলেছেন। হাদীসের বানীগুলোর উৎস বাইবেল , কোরান নয়
Processing your request, Please wait....












তার মতে হাদিসের কোন ভিত্তি নেই।
আমার মনে প্রশ্ন জাগে, সে মুসলমান হয়ে এ ধরনের কাজ কিভাবে করে যাচ্ছে?
সে কি মুসলিম না মুসলিমনামধারী বিধর্মী তা কে জানে??
ভাই রেজোয়ান, আপনি কিভাবে বুঝলেন সে মুসলমান ? সে “ফারুক” নিক নিয়ে লিখছে তার মানে এই নয় সে মুসলমান ।
এমন কত এজেন্ট ছড়িয়ে আছে সেটা আমি আপনি বুঝব কিভাবে ?
সহমত।
মিঃ ফারুকের বাড়ি সাতক্ষিরা জিলায়। উনার বাবা মা সুন্নি তরিকায় জীবন যাপন করছেন। ১৭ বছর ধরে কুয়েতে আছেন। ব্লগীং জগতে ১০ বছরের উপরে আছেন। উনি একজন ইংরেজী উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত মধ্য বয়সের ব্যক্তি। আমার যতদূর বিশ্বাস উনি কোন কিছুর পেইড এজেন্ট নন। যেহেতু উনি ব্লগীং এ প্রচুর সময় দেন তাতে বুঝাযায় উনার প্রচুর অবসর সময় হাতে থাকে। সেই কারণে যখন ইন্টারনেটের কল্যাণে আমাদের হাদিস শাস্ত্রের ইতিহাস, ও বাইবেলে উল্লেখিত বেশ কিছু আইন হাদিসের সাথে মিল পাওয়ায় এবং ঐ আইন গুলো আবার কোরানে পষ্ট করে না পাওয়ায় ও ড.রাশেদ খালিফাদের মত ব্যক্তিদের লেখা পড়ে পড়ে উনি নতুন একক এক ধারার জন্ম দিতে মাঠে নেমেছেন। যা হল উনি ইসলামে কোন সেক্টরে বিশ্বাসী নন। আমি যাকে বলব উনি উনার ধারণ ক্ষমতার বাইরে গিয়ে ধর্মতত্ত্ব নিয়ে উপযুক্ত ওস্তাদ ছাড়া গবেষণা করায় এক ধরণের বিভ্রান্তিতে পতিত হয়েছেন।
আমি এখনও বিশ্বাস করি এডমিনের উনাকে ব্যান করা ঠিক হয় নাই। কারণ রোগীর জন্যই ডাক্তারের প্রয়োজন। এডমিন অন্য ব্লগের সাথে এই ব্লগের সংমিশ্রণ করে ফেলেছেন। এটা না করলেও ইসলামের এমন ক্ষতি হত না বলে বিশ্বাস।
আমিও আমুতে ফারুক নিককে উদ্দেশ্য করে একটা পোষ্ট দিলাম।
লিঙ্কঃ
“ফারুক” নিক এর প্রশ্নের উত্তর ও আমার ধারনা
দেখি কি বলেন।
উনার সাথে আমার কথা হয়েছিল। উনাকে অনুরোধ করেছি যেন উনি আপনার এই পোষ্টের উত্তর গুলো দেন। উনি আমাকে কথা দিয়েছেন কয়েক দিনের মধ্যে উনি উত্তর দিবেন। আমার মনে হয় উনার দীর্ঘ দিন থেকে বাংলাদেশের সাথে যোগাযোগ নেই। কারণ আমার কাছ থেকে যখন শুনলেন যে আপনি রংপুর থেকে ব্লগীং করছেন তখন অবাক হয়ে আমাকে প্রশ্ন করলেন এখন কি রংপুর থেকেও ব্লগীং করা যায়? ধন্যবাদ।
আমি প্রতি বছর বাংলাদেশে আসি। এবছর রোজার ঈদ বাংলাডেসগে করেছি।
আমি চাই নাই মিঃ ফারুক কে নিয়ে আর কোন মন্তব্য করি এই ব্লগে। তারপরও করছি এই কারণে যে আমি ব্যক্তি ফারুকের পক্ষে কথা বলছিনা আমি বলছি মতের ভিন্নতার কারণে একজনকে মতপ্রকাশের অধিকারকে ব্যান নামক অস্ত্র প্রয়োগের উপযোগিতা নিয়ে। মিঃ ফারুক যে পুরো সুন্নাহ অস্বীকার করছেন তা অবশ্য আমাদের যুগ যুগ ধরে চলে আসা ধারাবাহিকতার নিয়মকে উনি প্রত্যাখান করেছেন। যাহা আমি সাপোর্ট কখনও করবনা। কিন্তু আপনি শুধু উনার অস্বীকার করার কথা দেখলেন কিন্তু উনার প্রশ্ন গুলো গুরুত্বের সহিত দেখলেন না। যেমন কেউ দেখে অর্ধ পানি ভর্তি গ্লাস আর কেউ দেখে অর্ধ খালী গ্লাস। আপনি শুধু অর্ধ খালি গ্লাসটিই দেখলেন।
এডমিন উনাকে ফাঁসী দেবার আগে উনার প্রশ্ন গুলোর জবাব দেবার উচিত ছিল বলে আমি মনে করি। রাসুল সঃ এর উপর দুরুদ না পড়া কিংবা হাদিশ প্রত্যাখান যদি একজন ব্যক্তি করে ফেলে এবং এর পরও যদি সে দাবি করে সে আল্লাহ ও তার রাসুলের প্রতি ইমান রাখে তাকে আমরা অমুসলিম বা জিন্দিগ ট্যাগ করতে পারি কি? স্বয়ং কোরানে আল্লাহ বলেছেন “যে আমার সাথে শরীক না করে থাকে তাহলে তার অন্য গুণাহ সমুহ আল্লাহ চাইলে মাফ করতে পারেন”। ইতিহাস পাঠেও আমরা দেখি স্বয়ং রাসুল উনার দলে মুনাফিকদের উপস্থিতির প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও উনি কলেমার শরীক কাউকে শাস্তি দেন নাই। ২য়তঃ মিঃফারুকে লেখায় কোথাও আল্লাহ রাসুল ও কোরানকে নিয়ে মুনাফিকদের মত অসম্মান জনক কোন উক্তি কিছু পাইনাই। আপনি যদি পেয়ে থাকেন তা তুলে ধরুন। আমিতো দেখেছি বরং বহু জায়াগায় কোরানের অকাট্যতায় কথা বলেছেন। যে পোষ্টের লিংক দিয়েছেন তার কমন্ট গুলোতেই আমার বক্তব্যের সমর্থনে জবাব পাবেন।
৩য়তঃ উনি যে কয়টি বাইবেল থেকে রেফারেন্স দিয়ে প্রশ্ন করছেন এ গুলো আমাদের হাদিসে অনুপ্রবেশ ঘটেছে তার বিপক্ষকে প্রমাণ সহ একটা ব্যাখ্যা আপনার কাছ থেকে পেতে পারি কি?
অফটপিকঃ এখানে এখনও আঙ্গুলে গনা ব্যক্তি পোষ্ট করছেন। আল্লাহ তার নিয়ামত উনাদের প্রদান করুন। আমিন। কিন্তু ঐ দ্বীনি ভাই শুধু পোষ্ট দিয়েই উনাদে ওয়াজিব আদায় করে চুপ করে থাকেন। আজ পর্যন্ত অন্যদের কোন পোষ্টে কোন কমেন্ট করতে দেখি নাই। এতে করে এই ব্লগের সদস্যদের মধ্যে ইন্টারকানেশনের বিপরীত হয়ে যাচ্ছে। যা কোন অবস্থায় সুস্থ্য ব্লগীং এর জন্য কাম্য নয়। ব্লগ একটি লাইভ মিডিয়া তাই পরস্পরের মধ্যে সংযোগ ঘটাতে পোষ্টে মন্তব্য করা প্রয়োজন। আর তা নাহলে আমরা শিখব কেমন করে? আলোচনা হল ব্লগের প্রাণ। যে ব্লগে আলোচনা হয়না সে ব্লগ মৃত ব্লগের মতই মনে হয়। ধন্যবাদ।
আমি চাই নাই মিঃ ফারুক কে নিয়ে আর কোন মন্তব্য করি এই ব্লগে। তারপরও করছি এই কারণে যে আমি ব্যক্তি ফারুকের পক্ষে কথা বলছিনা আমি বলছি মতের ভিন্নতার কারণে একজনকে মতপ্রকাশের অধিকারকে ব্যান নামক অস্ত্র প্রয়োগের উপযোগিতা নিয়ে।
কর্তৃপক্ষ কাকে ব্যান করবে না করবে এটা তাদের ব্যাপার । এ ব্যাপারে আমি বেশী আগ্রহ প্রকাশ করা আমার ক্ষেত্রে সমীচিন মনে করি না । আমি মনে করি আমাদের ব্লগারদের এটাতে বেশী আগ্রহ প্রকাশ করা আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পরে না ।
তারপরও করছি এই কারণে যে আমি ব্যক্তি ফারুকের পক্ষে কথা বলছিনা আমি বলছি মতের ভিন্নতার কারণে একজনকে মতপ্রকাশের অধিকারকে ব্যান নামক অস্ত্র প্রয়োগের উপযোগিতা নিয়ে
আমার মনে হয় আপনি ঠিকমত কারনটা পড়েন নাই , যে কারনে তাকে ব্যান করা হয়েছে । কর্তৃপক্ষ কোনো সময় বলে নাই মত ভিন্নতার কারনে তাকে ব্যান করেছে , তারা বলেছে
কেউ জানার জন্য প্রশ্ন করলে তাকে আমরা উৎসাহ দিবো , কিন্তু কেউ একই প্রশ্ন বারবার করলে আমরা ধরেই নেবো তাকে বুঝানোর ক্ষমতা আমাদের নেই, কিংবা তার সত্য গ্রহন করার ইচ্ছে নেই ।
সাইটের জন্ম লগ্নেই বিভিন্ন সাংঘর্ষিক প্রসংগ এনে ব্লগের পরিবেশকে সংঘাতমুখর করে তুলতে আমরা আগ্রহি নই ।
কর্তৃপক্ষ কাকে ব্যান করবে না করবে এটা তাদের ব্যাপার । এ ব্যাপারে আমি বেশী আগ্রহ প্রকাশ করা আমার ক্ষেত্রে সমীচিন মনে করি না । আমি মনে করি আমাদের ব্লগারদের এটাতে বেশী আগ্রহ প্রকাশ করা আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পরে না ।
তাহলে তো আমাকেও আবার চিন্তা করতে এই ব্লগে আমার অবস্থান করা সংগত হবে কিনা।
কেনো আপনার সাথে তাদের কি কোন সমস্যা হয়েছে ? ফারুক এর ব্যান করার জন্য আপনি এই ব্লগে আসবেন না এটা কেমোন হলো ?
২য়তঃ মিঃফারুকে লেখায় কোথাও আল্লাহ রাসুল ও কোরানকে নিয়ে মুনাফিকদের মত অসম্মান জনক কোন উক্তি কিছু পাইনাই।
ফারুক এর বক্তব্য: নবীকে ছালাম পাঠাতে হবে , যা শির্কের সমতুল্য।
আপনি কি ফারুকের উপরের মন্তব্যে কোনো অসন্মানজনক উক্তি পান নাই ?
নবীকে ছালাম পাঠাতে হবে , যা শির্কের সমতুল্য।
এটার মানে কি নবুয়ত অস্বীকার করা? এটাকে আমি মনে করি ফ্যাসিকি করা।
যেটা শিরক না সেটাকে শিরক বলা কি ? তাহলে কাদিয়ানীরা যে মুসলমান না তারাও তো শেষ নবী হিসেবে মুহম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামকে ) মানে তাহলে তারা কাফের হলো কেনো ?
কোরান শরীফের সরাসরি যেগুলো ব্যাখ্যা আছে যেটাকে “নস” বলা হয় এমন ব্যাখ্যা যে অস্বীকার করবে সেই মুসলমান না । এমন বহু রেফারেন্স দেয়া যায় যেটাতে বোঝা যায় ফারুক সরাসরি সমস্ত ব্যাখ্যা অস্বীকার করে ।
যেটা শিরক না সেটাকে শিরক বলা কি ?
এই সব কথা বার্তা ফালতু কথা বার্তা। এই এসব কথা ইগনোর করা উচিত।
তাহলে কাদিয়ানীরা যে মুসলমান না তারাও তো শেষ নবী হিসেবে মুহম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামকে ) মানে তাহলে তারা কাফের হলো কেনো ?
কিসের সাথে কি পান্তা ভাতে ঘি! নবীর ইন্তেকালের পর সালাম পাঠান না পাঠান এই বিষয়টি কোরআন শরীফে পষ্ট করে বলা নাই। আর রাসুল সাঃ শেষ নবী ছিলেন তা কোরানে ও হাদিসে পষ্ট করে বলা থাকার পর তার বিরুধ্যে যারা বলে তারা উভয়ে কি একই গ্রেডের অপরাধী?
যে সুন্নী কিংবা যারা মুসলমান তাদেরকে মুশরিক বলে সে কি মুসলমান হতে পারে । সমস্ত আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতের আলেমদের বক্তব্য হলো তারা কাফের । আপনি “ফারুক” এর ব্যান করা সাপোর্ট করেন না ভালো কথা , আপনার নিজস্ব মত থাকতেই পারে , কিন্ত তাকে মুসলমান হিসেবে প্রমান করার মতো দলীল আমাদর কারো কাছো নেই ।
কিন্ত তাকে মুসলমান হিসেবে প্রমান করার মতো দলীল আমাদর কারো কাছো নেই ।
আমরা নিজেরা প্রতি নিয়ত কত শির্ক করে যাচ্ছি তার ইয়াত্তা নাই। শরিক কথা নিয়ে কথা বলতে হলে আলাদা পোষ্ট দিতে হবে। তবে বর্তমানে সুক্ষ্ন ভাবে ভাতে গেলে কয়জন মানুষ আল্লাহর প্রতি নির্ভরশীল আছে? যারা ১০০ ভাগ আল্লাহর প্রতি নির্ভর শীল নয় তারাই আল্লাহর সাথে অন্য কিছুকে শরীক করল। এই দৃষ্টে একজন যদি সমালোচনার সময় কাউকে বলে বসে তবে সে কি কাফের হয়ে যাবে?
যেখানে আল্লাহ ও রাসুল কোন মুসলমানকে কাফের না বলতে পষ্ট আদেশ দিয়েছে সে আপনি একজনকে কেমন করে সে আদেশ অমান্য করে কাফের বলতে পারেন?
সমস্ত আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতের আলেমদের আপনি এই কথার দ্বারা রাসুলের প্রদত্ত ইসলামকে বিভাজিত করছেন না?
রাসুল কি কোন হাদিসে এই বিষয়ে কোন দলিল দিয়ে গেছেন যে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতের আলেমদের রায়ই সর্ব সম্মত রায়? আপনারা ভুলে যান কেন মুসলিম ঐক্য রাখা ফর্জ আর সালাম দেওয়া না দেওয়া সুন্নত, আমাদের প্রধান কর্তব্য নয়কি ফর্জকে রক্ষা করা?
মুশরিক বলেছি এই অভিযোগটি সবসময় শুনি। আমার উ্ত্তরটি মনে হয় কেউ পড়ে না, তাই বারে বারেই একি অভিযোগ শুনতে হয়।
আমি যে মুশরিক বলেছি , সেটা কোরানের আয়াতের উপরে ভিত্তি করেই। আল্লাহ যেখানে মুশরিক বলছেন , সেখানে আমাকে কেন দোষী করা হচ্ছে? কোরানের আয়াতটি নিচে দিয়ে দিচ্ছি। সকলে পড়ুন ও আমার দোষ নির্নয় করুন।
একটু মিথ্যাচার করলেন। ‘যে সুন্নি’ এই কথাটি ঠিক আছে কিন্তু ‘কিংবা যারা মুসলমান’ এই কথাটি তো আমি বলিনি।
@ফারুক , আর এটা নিয়ে কোনো তর্ক নয় । আমারব্লগ থেকে কপি পেস্ট করা হয়েছে , সেগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় যেতে চাচ্ছি না । এখানে যেগুলো পোস্ট দিবেন সেগুলো নিয়েই না হয় আমাদের আলোচনা হবে ।
কেনো আপনার সাথে তাদের কি কোন সমস্যা হয়েছে ? ফারুক এর ব্যান করার জন্য আপনি এই ব্লগে আসবেন না এটা কেমোন হলো ?
কারন কর্তৃপক্ষ আমাকে আমন্ত্রণ কালিন সময় এইরূপ কোন শর্ত বলেন নাই যে কোন এক বা একাধিক এডমিনের তলোয়ারে নিচে গর্দান রেখে এখানকার ব্লগারদের ব্লগীং করতে হবে।
তাছাড়া আল্লাহ তার রাসুল ও কোরআনের বিপক্ষে সুপষ্ট ভাবে আঘাত না করা পর্যন্ত কাউকে এখানে ব্যান করা যাবেনা বলেই জানান হয়েছিল।
এই ব্লগে কি অন্য ধর্মীরা কথা বলতে পারে কিনা? আমাকে জানান। ধন্যবাদ।