লগইন রেজিস্ট্রেশন

ইসলামে গান বাজনা

লিখেছেন: ' হাফিজ' @ বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১২, ২০০৯ (১০:৫৯ অপরাহ্ণ)

এখানে গান বাজনা বলতে আমি শুধুমাত্র সেই সব গানকে বুঝাচ্ছি যেগুলোতে বাদ্যযন্ত্র ( Musical instrument ) ব্যবহার করা হয় । Musical instrument ছাড়াও অনেক সময় গান হয় এবং সেটার অনেকগুলো Form আছে যেগুলোর কোনটা নিষেধ আবার কোনোটা গ্রহনযোগ্য । কিন্ত অত বিস্তারিত না যেয়ে আমি শুধুমাত্র সেই সব গান নিয়ে আলোচনা করব যেগুলোতে Musical instrument আছে । সুতরাং যারা আমার এই পোস্ট-এ আলোচনা করবেন শুধু এই Context এর মধ্যে আলোচনা সিমাবদ্ধ রাখবেন । মর্দে মুমিন ভাই , আপনার পোস্টে আমি উত্তর দিতে পারতাম কিন্তু সেখানে অনেকে উত্তর দিয়ে বিষয়টাকে জটিল করেছে তাই আলাদা পোস্ট দিলাম।

কোরানের দলীল:

((وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّخِذَهَا هُزُوًا أُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُهِينٌ))

““মানুষের মধ্যে এমন ব্যক্তিও আছে যে অর্থহীন ও বেহুদা গল্প কাহিনী খরিদ করে, যাতে করে সে (মানুষদের নিতান্ত) অজ্ঞতার ভিত্তিতে আল্লাহ তাআলার পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে, সে একে হাসি, বিদ্রুপ, তামাশা হিসেবেই গ্রহণ করে; তাদের জন্য অপমানকর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে” (সূরা লোকমান : ০৬)

লাহুআল হাদিস বলতে যারা গান-বাজনা বুঝিয়েছেন তাদের নাম নীচে দেয়া হলো:

১। আবদুল্লাহ ইবন মাসঊদ (রা:) [ সাহাবী ]
২। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা:) [ সাহাবী ]
৩। আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস ( রা:) [ সাহাবী ]
৪। হাসান আল বসরী (রা:) [ তাবেয়ী ]
৫। ইকরিমা (রা:) [ তাবেয়ী ]
৬। ইব্রাহিম নখয়ী (রহ:) [ তাবেয়ী ]
৭। মায়মুন বিন মাহরান (রহ:) [ তাবেয়ী ]
৮। কাতাদাহ (রহ:)
৯। সাঈদ বিন জুবাইর (রহ:)
১০। মুজাহিদ (রহ:)

নীচের কিতাবগুলোতে এই দলীল পাবেন :

[ মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা , আল মুস্তাদরাক হাকিম, বায়হাকী , দুররুল মানসুর , কবির , নুকাত ওয়াল ঊউন , তফসীরে ইবনে কাসির ,
তাফসিরে কুরতুবী , তাফসীরে বায়জাবী , তাফসীরে আদিল , তফসীরে খাজিন , তাফসীরে তাবারী , মাআরাফুল কোরান ]

হাদীসের দলীল

হাদীস ১: রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেছেন , আমার উম্মতের কিছু লোক মদের নাম পাল্টিয়ে তা পান করবে এবং বাদ্যযন্ত্র সহকারে গান করবে । আল্লাহ তাআলা তাদের ভুগর্ভে বিলীন করে দিবেন এবং কতকের আকৃতি বিকৃত করে বানর ও শুকরে পরিনত করে দিবেন ।

[ সুনানে ইবনে মাজাহ , সহীহ ইবনে হিব্বান , জামিহ আল কাবির বুখারী কৃত , সুনানে বায়হাকী , মুসান্নাফে ইবনে শায়বা , আল মুজাম তাবরানী কৃত , বগভী সহ আরো অনেক ]

হাদীস ২: রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেছেন , “আমার উম্মতের উপর এই আযাবগুলি আসবে “ভুগর্ভে বিলীন হওয়া , আকৃতি বিকৃত হওয়া , পাথর বর্ষন হওয়া । জনৈক সাহাবী প্রশ্ন করলেন , হে রসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) এগুলো কখন হবে ?

তখন রসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) বললেন , “যখন গায়িকা নারী ও বাদ্যযন্ত্রের ব্যাপক প্রচলন হবে এবং মদ্যপান সুরু হবে ।
[ তিরমিজী শরীফ, আদ দানি , ইবনে আবি দুনিয়া ইত্যাদি , এই হাদীসটি আনুমানিক আরো ৭ টি সনদে বর্নিত হয়েছে ]

হাদীস ৩: “আমি দুটো ফাসেক, মুর্খ নিকৃষ্ট আওয়াজ থেকে বাধা দেই । যার একটি হচ্ছে গান বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজ …।”
[ আত তাহাবী , আল বাজ-জার , আল বাগভী , বায়হাকী , ইবনে আবি আদ দুনিয়া , আল হাকিম, আবু ইয়ালা , তিরমিযী এটাকে হাসান হাদিস বলেছেন ]

সাহাবীদের থেকে দলীল

১। হযরত নাফে(রহ:) বলেন , একবার হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা:) রাস্তা দিয়ে চলার সময় বাশীর আওয়াজ শুনে কানে আংগুল ঢুকিয়ে দেন এবং বার বার আমাকে জিজ্ঞেস করেন হে নাফে এখনও আওয়াজ শোনা যায় ? আমি বললাম জ্বী এখনও শোনা যায় । কিছু দুর যাওয়ার পর আর শোনা যাচ্ছে না বলাতে উনি হাত নামিয়ে নেলেন এবং রাস্তার দিকে ফিরে আসলেন । তারপরে বললেন আমি রসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) কে একদা এমন করতে দেখেছি ।

২। হযরত জাবের (রা:) বলেন , গান বাজনা থেকে সতর্ক থাক । কেননা , তা শয়তানের পক্ষ থেকে হয়… এবং শয়তান ছাড়া আর কেউ গান করে না [ ওমদাতুল কারী ]

৩। হযরত ওমর (রা:) এক দল ব্যক্তির পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন । তিনি দেখলেন এক ব্যক্তি গান করছে , বাকীরা বসে শুনছে । তখন তিনি বললেন – “আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা তোমাদের শ্রবনের যোগ্যতা নষ্ট করে দিন , অর্থ্যাৎ তোমাদের বধির হয়ে যাওয়াই শ্রেয় । [ এত্বেহাফ ]

৪। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রা:) বলেন “গান বাজনা মানুষের অন্তরে কপটতা সৃষ্টি করে” । [ এখানে একটি বিষয় অপ্রাসংগিক হবে না , হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রা:) সম্বন্ধে রসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) বলেন "ইবনে মাসঊদ যা বলেন তা তোমরা বিশ্বাস এবং গ্রহন কর" ]

৫। ইবনে আব্বাস (রা: ) বলেন “ড্রাম নিষিদ্ধ , দফ নিষিদ্ধ , যেকোন বাদ্যযন্ত্র নিষিদ্ধ ( এমনকি ) বাশীও নিষিদ্ধ । [ বায়হাকী ]

মাজহাবের দলীল

১। ইমাম আবু ইউসুফ , ইমাম মুহাম্মদ , ইমাম শাফী , ইমাম মালিক এবং ইমাম আহমদ মত দিয়েছেন যে কেউ যদি কারো বাদ্যযন্ত্র ভেঙে ফেলে তাহলে সে দায়ী হবে না ( যেহেতু গান বাজনা নিষেধ ) এবং কারো জন্য বাদ্যযন্ত্র ক্রয়-বিক্রয় করা জায়েজ নয় । [ উমদাতুল কারী ]

২। ৭৭ জন বিজ্ঞ আলেম গান হারাম হওয়া সম্বন্ধে একমত হয়েছেন । [ ফতোয়ায়ে আজিজিয়া ]

৩। গান সমস্ত মানুষকে কবিরা গোনায় লিপ্ত করে [ বাহরোর রায়েক ]

৪। যাবতীয় প্রকার গান-বাজনা হারাম এমনকি কাঠের ওপর আংগুল দিয়ে আঘাত করে গান গাওয়াও হারাম [ হেদায়া ]

আরো ওনেক দলীল আছে তবে সংক্ষিপ্ত করাই ভালো । আশাকরি সবার কাছে ব্যাপারটা পরিষ্কার। একটা বিষয় আমি বলতে চাই , আমি কিন্তু আমার নিজস্ব কোনো কমেন্ট করি নাই , নিজস্ব মতামত পেশ করি নাই । যেহেতু এটা মাসআলার ব্যাপার এবং এই ক্ষেত্রে মুজতাহিদ আলেমদের মত গ্রহনযোগ্য । তাই কেউ যদি এই মত খন্ডন করতে চান আশাকরি সেও অন্য কোনো মুজতাহিদ বা মুফতী বা আলেমদের রেফারেন্স দিবেন ।

ধন্যবাদ।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১,৭৯২ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

১০ টি মন্তব্য

  1. শেষ পর্যন্ত আপনিও আলাদা পোষ্ট দিলেন? যাক আপনার ১ . উত্তর আমি আমার পোষ্টে দিয়েছিলাম- ((وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّخِذَهَا هُزُوًا أُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُهِينٌ))

    “মানুষের মধ্যে এমন ব্যক্তিও আছে যে অর্থহীন ও বেহুদা গল্প কাহিনী খরিদ করে, যাতে করে সে (মানুষদের নিতান্ত) অজ্ঞতার ভিত্তিতে আল্লাহ তাআলার পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে, সে একে হাসি, বিদ্রুপ, তামাশা হিসেবেই গ্রহণ করে; তাদের জন্য অপমানকর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে” (সূরা লোকমান : ০৬)

    আমার যুক্তি-১.“মানুষের মধ্যে এমন ব্যক্তিও আছে যে অর্থহীন ও বেহুদা গল্প কাহিনী খরিদ করে, যাতে করে সে (মানুষদের নিতান্ত) অজ্ঞতার ভিত্তিতে আল্লাহ তাআলার পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে, সে একে হাসি, বিদ্রুপ, তামাশা হিসেবেই গ্রহণ করে; তাদের জন্য অপমানকর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে” (সূরা লোকমান : ০৬)
    * উক্ত আয়াতে লাহুআল হাদিস শব্দটাকে আপনি নিজের ইচ্ছাতে “অর্থহীন ও বেহুদা গল্প কাহিনীকে গান বুঝাতে চেষ্টা করছেন। কয়েকটি কারণে এই ব্যাখ্যাটি আমার কাছে গ্রহণ যোগ্য নয়। ১. রাসুল সাঃ ছাড়া আর কারো কথা হজ্জত বা গ্রহণ যোগ্য নয়। ২. এই ভাবে ব্যাখ্যা কারীরা অপরাপর সাহাবী ও তাবেয়ীদের ব্যাখ্যার বিরোধীতা করেছেন। ৩. স্বয়ং এই আয়াতের বাক্যাবলী আপানার ব্যাখ্যা ও দলিলকে বাতিল করে। কারণ রয়েছে- “মানুষের মধ্যে এমন ব্যক্তিও আছে যে অর্থহীন ও বেহুদা গল্প কাহিনী খরিদ করে, যাতে করে সে (মানুষদের নিতান্ত) অজ্ঞতার ভিত্তিতে আল্লাহ তাআলার পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে, সে একে হাসি, বিদ্রুপ, তামাশা হিসেবেই গ্রহণ করে; তাদের জন্য অপমানকর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে” । এটা এমন একটি কাজ নিঃসন্দেহে যারা এই রূপ কাজ করবে তারা কাফের হয়ে যাবে। কারণ তারা আল্লাহর প্রদত্ত পথকে ঠাট্টা বিদ্রুপের বস্তু বানিয়েছে।

    কোন মানুষ যদি আল কোরানও খরিদ করে তার দ্বারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে গোমরাহ করার জন্য এবং তাকে নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করার জন্য তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে। আল্লাহ তা’আলা আপনার উদৃত আয়াতে এইরূপ কর্মের নিন্দা করেছেন। আল্লাহ কখনো যারা অর্থহীন ও বেহুদা গল্প কাহিনী দ্বারা আনন্দ বিনোদন এবং মনে প্রশান্তি আনয়নের জন্য খরিদ করে, আল্লাহর পথকে গোমরাহ করার জন্য খরিদ করেনা। তাই আল্লাহ এখানে তাদের নিন্দা করেন নি।

    অতএব আপনার আয়াতের ঐ ব্যাখ্যার সাথে আয়াতের কোন সম্পর্ক থাকাটাই বাতিল বলে প্রমাণিত হলো।

    তেমনি ভাবে কোরান তেলাওয়াতে ব্যস্ত থেকে কিংবা হাদিস অধ্যায়নে ব্যস্ত বা পিস ইন ইসলামে ব্যস্ত ইচ্ছাকৃত ভাবে ফর্য কাজ ছেড়ে দেয় সেও ফাসিক- আল্লাহর নাফরমান। আর যে অর্থহীন ও বেহুদা গল্প কাহিনী ব্যস্ত থেকেও কনো ফর্য কাজে গাফিল হয়না সে সৎকর্মশীল। (দলিল- ইবনে হাযম, আল মুহাল্লা, মুনীরিয়া ৯ পৃ.৬০) এ যুগের শ্রেষ্ঠ ইসলামী চিন্তা ইসলাম ও শিল্পকলা চিন্তাবিদ ড. ইউসুফ আল কারযাভীর ইসলাম ও শিল্পকলা বইয়ের পৃষ্টা ৩২ দেখুন।

    হাদীস ১: রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেছেন , আমার উম্মতের কিছু লোক মদের নাম পাল্টিয়ে তা পান করবে এবং বাদ্যযন্ত্র সহকারে গান করবে । আল্লাহ তাআলা তাদের ভুগর্ভে বিলীন করে দিবেন এবং কতকের আকৃতি বিকৃত করে বানর ও শুকরে পরিনত করে দিবেন ।

    বোখারী কর্তৃক আবু মালেক বা আবু আমের আশআরী থেকে মুআল্লাক সনদে রাসুল সাঃ থেকে বর্ণিত- অচিরে আমার উম্মতের মধ্য এমন কিছু লোক হবে যারা ব্যবিচার,রেশমী পোষাক, মদ ও মাআযিফ কে হালাল মনে করবে।
    মাআযিফ মানে খেলা ধুলা ও বাদ্যযন্ত্র।
    ২. এই হাদিসটি আবার ইবনে মাজাহ আবু মালেক আশআরী থেকে এ ভাষায় বর্ণনা করেন- “আমার উম্মতের মধ্য কিছু লোক মদপান করবে। তারা তার অন্য নাম দিবে। তাদের মাথার উপর বাদ্যযন্ত্র ও গায়িকাদের গান বাজানো হবে। আল্লাহ তা’আলা তাদের নিয়ে পৃথিবী ধ্বংস করবেন। এবং তাদের মধ্য থেকে বানর ও শুকুর বানানো হবে।” এই হাদিসটি ইবনে হাববানও এই ভাবেই তাঁর সহীহতে আর বোখারী তার তারীখে বর্ণনা করেছেন।
    এই উভয় হাদিসের মতন নিয়ে আলোচনার সময় নেই, আগামী বই মেলায় আমার প্রকাশিতব্য পাণ্ডুলিপি নিয়ে এখন খুবই ব্যস্ত আছি। তাই এই উভয় হাদিসের সনদ নিয়ে দুটি কথা বলছি- এ হাদিস সহীহ বুখারীতে থাকলেও মুস্তানিদ বা ধারাবাহিক সনদে বর্ণিত নয়। বরং সনদ বিহীন মুআল্লাক ভাবে বর্ণিত। এ কারণে ইবনে হাযম এ হাদিসটি মুনকাতি বা সনদবিহীন হবার কারণে প্রত্যাখান করেছেন। তাছাড়া তিনি বলেন- এ হাদিসের সনদ ও মতন ইজতিরাব তথা বিভ্রাট মুক্ত নয়।
    হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী হাদিসটি মুত্তাসিল প্রমাণ করার চেষ্টা করেছিলেন। কার্যত তিনি তা নয়টি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন। তবে সব সনদে এমন একজন রাবী আছেন যার সম্পর্কে হাদিসের বিভিন্ন সমালোচকরা নানান কথা বলেছেন। তিনি ছিলেন হেসাম ইবনে আম্মার। আবু দাউদ তার সম্পর্কে মন্তব্য করেন যে, তিনি ভিত্তিহীন চল্লিশটি হাদিস বর্ণনা করেছেন।
    দলিল দেখুন- ১.ইবনে হাজর তাগীকুত তালীক খ ৫ পৃষ্টা ১৭-২২ (বায়রুত আলমাকতাবা আল ইসলামী) ২.যাহাবী, মীযানুল ইতিদাল,খ ৪ পৃ. ৩০২। ৩ ইবনে হাজার, তাহযীবুত তাহযীব,খ,১১,পৃ. ৫১-৫৪। এ যুগের শ্রেষ্ঠ ইসলামী চিন্তা ইসলাম ও শিল্পকলা চিন্তাবিদ ড. ইউসুফ আল কারযাভীর ইসলাম ও শিল্পকলা বইয়ের পৃষ্টা ৩৬ ৩৭ ৩৮ পৃষ্টা দেখুন।

    আমি পাণ্ডু লিপি নিয়ে ব্যস্ত আছি আপনার বাকী রেফারেন্স গুলোর উত্তর দেব তবে এখানে নয় আমার পোষ্টে।

    আমার মনে হয় ব্লগে ট্র্যাক বজায় রাখা দরকার একই বিষয়ে একাদিক পোষ্ট দেওয়া একই সময়ে না দেবার ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একাদিক পোষ্ট পড়ার মত সময় কি সবার আছে সেটা বিবেচনা রাখা দরকার। আমি কখনো একদিক পোষ্ট পড়বনা এবং উত্তরও দেবনা।

    অন্য বিষয়- কোন বিষয়ে নিজে ব্যাখ্যা না দিয়ে লিংকে গিয়ে পড়ার নসিহত এবং কপি পেষ্ট অবশ্য নিরুৎসাহ করা উচিত। ধর্মে কোন শর্টকাট রাস্তা নেই।

    হাফিজ

    @মর্দে মুমিন,

    আপনি বলেছেন :

    * উক্ত আয়াতে লাহুআল হাদিস শব্দটাকে আপনি নিজের ইচ্ছাতে “অর্থহীন ও বেহুদা গল্প কাহিনীকে গান বুঝাতে চেষ্টা করছেন। কয়েকটি কারণে এই ব্যাখ্যাটি আমার কাছে গ্রহণ যোগ্য নয়। ১. রাসুল সাঃ ছাড়া আর কারো কথা হজ্জত বা গ্রহণ যোগ্য নয়। ২. এই ভাবে ব্যাখ্যা কারীরা অপরাপর সাহাবী ও তাবেয়ীদের ব্যাখ্যার বিরোধীতা করেছেন। ৩. স্বয়ং এই আয়াতের বাক্যাবলী আপানার ব্যাখ্যা ও দলিলকে বাতিল করে।

    আপনিকি ঠিকমতো পোস্টটা পড়েননি ? আমি কোথায় আমার ব্যাখ্যা দিলাম এটা সাহাবীরা ব্যাখ্যা করেছেন । আপনি যদি ব্যস্ত থাকেন তাহলে এখন তাড়াহুড়া করে উত্তর দেবার দরকার নেই । পড়ে সময় করে পড়ে উত্তর দিন । আর বেশি পয়েন্ট-এ না যেয়ে একটি একটি করে উত্তর দিন , তাহলে আলোচনার সুবিধা হয় । আমি তাই আপনার ২/৩টার উত্তর না দিয়ে শুধু প্রথমটা সম্বন্ধে কমেন্ট করছি ।

    * উক্ত আয়াতে লাহুআল হাদিস শব্দটাকে আপনি নিজের ইচ্ছাতে “অর্থহীন ও বেহুদা গল্প কাহিনীকে

    ব্রাদার আমি আমার নিজের ইচ্ছাতে ব্যাখ্যা দিই নাই । যারা এটার ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেই সব মহান সাহাবী (রা:) এবং তাবেয়ীনদের নাম দেয়া হলো:

    ১। আবদুল্লাহ ইবন মাসঊদ (রা:) [ সাহাবী ]
    ২। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা:) [ সাহাবী ]
    ৩। আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস ( রা:) [ সাহাবী ]
    ৪। হাসান আল বসরী (রা:) [ তাবেয়ী ]
    ৫। ইকরিমা (রা:) [ তাবেয়ী ]
    ৬। ইব্রাহিম নখয়ী (রহ:) [ তাবেয়ী ]
    ৭। মায়মুন বিন মাহরান (রহ:) [ তাবেয়ী ]
    ৮। কাতাদাহ (রহ:)
    ৯। সাঈদ বিন জুবাইর (রহ:)
    ১০। মুজাহিদ (রহ:)

    নীচের কিতাবগুলোতে এই দলীল পাবেন :

    [ মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা , আল মুস্তাদরাক হাকিম, বায়হাকী , দুররুল মানসুর , কবির , নুকাত ওয়াল ঊউন , তফসীরে ইবনে কাসির ,
    তাফসিরে কুরতুবী , তাফসীরে বায়জাবী , তাফসীরে আদিল , তফসীরে খাজিন , তাফসীরে তাবারী , মাআরাফুল কোরান ]

  2. Musical Instrument হারাম হওয়া সম্পর্কে বিশটির মত এজমার উল্লেখ আছে :
    ১. الإجماع الأول: نَقَلَهُ وأَقَرَّهُ خامس الخلفاء الراشدين: عُمَرُ بنُ عَبْدِ العَزِيْزِ (وُلد 63هـ ) 0 ( رواه النسائي في سننه رقم 4135 بسند صحيح )ওমর বিন আব্দুল আজীজ রহ আলাইহের যূগে। নাসাঈ, সুনান অধ্যায় ৪১৩৫নং বর্ননা , সহীহ সনদ ।
    ২. الإجماع الثاني: وقع في عهدي عُمَرُ بنُ عَبْدِ العَزِيْزِ , وأَبِي عَمْرٍو الأَوْزَاعِيّ. ( رواه النسائي )
    الإجماع الثالث: نَقَلَهُ الإِمَامُ ابن جرير الطبري (وُلد 224هـ) 0 (تهذيب الآثار)
    الإجماع الرابع: نَقَلَهُ الإِمَامُ أَبُو بَكْرٍ الآجُرِّيُّ (وُلد نحو 280هـ)0 ( نزهة الأسماع في مسألة السماع ص25 )
    আবু আমর আল আওযায়ী, এবং ওমর বিন আব্দুল আজীয় রহ এর যূগে দ্বীতিয় বারের মত এজমা পোষণ হয় । নাসায়ী
    ৩. ইবনে জারীল রহ তৃতীয় এজমার বর্ননা করেছেন। তাহযীবুল আছার
    ৪. ইমাম আবু বকর আজুরী রহ চতুর্থ এজমার বর্ননা করেছেন। নুযযহাতুল আছমা ফী মাসআলাতিল ছিমা (গান বাজনা শুনা নিয়ে একটি গবেষনামুলক রচনা) পৃ২৫।
    ৫. الإجماع الخامس: نَقَلَهُ الإِمَامُ أَبُو الطَّيِّبِ الطَّبَرِيُّ (وُلد 348هـ) 0 ( نزهة الأسماع ص 62:64 )
    الإجماع السادس: نَقَلَهُ الإِمَامُ أَبُو الفَتْحِ سُلَيْمُ الرَّازِيُّ (وُلد قريبا من 360هـ) 0 ( كف الرعاع ص124 )
    আবু তাইয়্যেব আত তবারী ৩৪৮হি: নুযহাতূল আসমা ৬২/৬৪
    ৬. আবু ফুতহ সুলাইম আর রাযী, ৩৬০হি: কাফ্ফুর রুআ কিতবে ছয় নং এজমার বর্ননা এনেছেণ। পৃ১২৪ কাফ্ফুর রুআ।
    এভাবে মোট ২০টি এজমার বর্ননা এবং মূল কিতাবগুলোতে কোরান ও হাদীসের দলীলগুলো লিপিবন্ধ হয়েছে । সূত্র
    গান বাজনা নিয়ে হাদীসের সনদ এবং মাসায়েল নিয়ে আলবানী রহ এর বইটু খুবই গুরুত্ব পূর্ন তবে আরবীতে । লিঙ্ক থেকে আলবানী রহ এর সকল লেখা পাওয়া যাবে। تحريم آلات الطرب (17038 مرة): صيغة Chm – صيغة Exe লিংক এ তার তাহরীমু আলাতিত্বারব, বা মিউজিকাল ইনস্ট্রুমেন্ট হারাম হওয়ার সপক্ষে সহীহ, হাসান, মুত্তাফাক আলাইহে ইত্যাদি বিশদ বর্ণনা এসেছে।
    মুনিম ভাই আমার বোখারীর হাদীস নিয়ে আলোচনা করায় বিখ্যাত মুহাদ্দীস আলবানীর কথা টি টানতে হল।

    হাফিজ

    @বাংলা মৌলভী , ধন্যবাদ এই রেফারেন্স গুলো দেবার জন্য ।

  3. আপনাকে বলেছেন :

    * উক্ত আয়াতে লাহুআল হাদিস শব্দটাকে আপনি নিজের ইচ্ছাতে “অর্থহীন ও বেহুদা গল্প কাহিনীকে গান বুঝাতে চেষ্টা করছেন। কয়েকটি কারণে এই ব্যাখ্যাটি আমার কাছে গ্রহণ যোগ্য নয়। ১. রাসুল সাঃ ছাড়া আর কারো কথা হজ্জত বা গ্রহণ যোগ্য নয়। ২. এই ভাবে ব্যাখ্যা কারীরা অপরাপর সাহাবী ও তাবেয়ীদের ব্যাখ্যার বিরোধীতা করেছেন। ৩. স্বয়ং এই আয়াতের বাক্যাবলী আপানার ব্যাখ্যা ও দলিলকে বাতিল করে।

    আপনিকি ঠিকমতো পোস্টটা পড়েননি ? আমি কোথায় আমার ব্যাখ্যা দিলাম এটা সাহাবীরা ব্যাখ্যা করেছেন । আপনি যদি ব্যস্ত থাকেন তাহলে এখন তাড়াহুড়া করে উত্তর দেবার দরকার নেই । পড়ে সময় করে পড়ে উত্তর দিন । আর বেশি পয়েন্ট-এ না যেয়ে একটি একটি করে উত্তর দিন , তাহলে আলোচনার সুবিধা হয় । আমি তাই আপনার ২/৩টার উত্তর না দিয়ে শুধু প্রথমটা সম্বন্ধে কমেন্ট করছি ।

    * উক্ত আয়াতে লাহুআল হাদিস শব্দটাকে আপনি নিজের ইচ্ছাতে “অর্থহীন ও বেহুদা গল্প কাহিনীকে

    ব্রাদার আমি আমার নিজের ইচ্ছাতে ব্যাখ্যা দিই নাই । যারা এটার ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেই সব মহান সাহাবী (রা:) এবং তাবেয়ীনদের নাম দেয়া হলো:

    ১। আবদুল্লাহ ইবন মাসঊদ (রা:) [ সাহাবী ]
    ২। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা:) [ সাহাবী ]
    ৩। আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস ( রা:) [ সাহাবী ]
    ৪। হাসান আল বসরী (রা:) [ তাবেয়ী ]
    ৫। ইকরিমা (রা:) [ তাবেয়ী ]
    ৬। ইব্রাহিম নখয়ী (রহ:) [ তাবেয়ী ]
    ৭। মায়মুন বিন মাহরান (রহ:) [ তাবেয়ী ]
    ৮। কাতাদাহ (রহ:)
    ৯। সাঈদ বিন জুবাইর (রহ:)
    ১০। মুজাহিদ (রহ:)

    নীচের কিতাবগুলোতে এই দলীল পাবেন :

    [ মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা , আল মুস্তাদরাক হাকিম, বায়হাকী , দুররুল মানসুর , কবির , নুকাত ওয়াল ঊউন , তফসীরে ইবনে কাসির ,
    তাফসিরে কুরতুবী , তাফসীরে বায়জাবী , তাফসীরে আদিল , তফসীরে খাজিন , তাফসীরে তাবারী , মাআরাফুল কোরান ]

  4. ভাই হাফিজ, আসসালামু আলাইকুম,

    মর্দে মুমিন ভাইয়ের পেছনে আপনার সব পরিশ্রমই বৃথা যাবে। কারণ, উনি এই বিষয়ে সিদ্ধহস্ত এবং কোনভাবেই মেনে নিবেন না। কাজেই উনার পেছনে বৃথা সময় নষ্ট না করাটাই উত্তম বলে আমি মনে করি। বিষয়টি এমন নয় যে যুক্তি তর্ক রেফারেন্স দিয়ে একটা হারাম জিনিসকে বৈধ করা যাবে। যেসব গান বাজনায় হারাম কথা থাকে, আল্লাহর নাফরমানী করার দিকে আহবানের কথা থাকে এবং শিরকপূর্ণ কথা থাকে সেগুলো বৈধ হতে পারে কি করে? যার ইচ্ছা সে গান শুনুক, আমাদের যা বলার ছিল তা বলেছি, এখন কেউ যদি এগুলো শুনে পুলকিত বোধ করে তাহলে আমাদের কিছু করার নাই। আল্লাহ হিদায়াতের মালিক, একমাত্র আল্লাহ তাআলাই পারেন মানুষকে হিদায়াত দান করতে।

    আল্লাহ তাআলা আমাদের হিফাজত করুন। আমীন।

    বাংলা মৌলভী

    আমীন

    হাফিজ

    @manwithamission,
    না ভাই, আপনার এভাবে মন্তব্য করাকে আমি সমর্থন করতে পারলাম না । আমাদের এখানে আরো সহনশীল ভাবে আলোচনা করতে হবে।
    আমি একটা পোস্টের মাধ্যমে কেনোই বা চাবো একজন সাথে সাথে সংশোধন হয়ে যাবে ?

    আসুন আমরা সবার মতকেই গুরুত্ব দেই এবং কোরান সুন্নাহ মোতাবেক জীবন গড়ে তুলি।

    the muslim

    আমিন।

  5. একটি বিষয়ে কন দ্বিধা নেই সেটি হল যে scholar-দের মাঝে গান বাজনা নিয়ে সমমত নেই কিন্তু “anything extreme is wrong” এই বিষয়ে কন দ্বিধা তাদের মাঝে নেই। অর্থাৎ যারা গান to a certain extent support করে তারা অতিমাত্রায় লম্ফ ঝম্প এবং নাচানাচি এবং চীৎকার করে গাওয়া গানকে support করে না।

    আমি এই দুই মতবাদের মর্যাদা করি এবং তাদের মধ্যবর্তী স্থান নিজেকে অবস্থান করি। এর পেছনে আমার কারণ নিচে বর্ণনা করলাম।

    গান কি ?

    গান = কথা + সুর
    সুর = গলার সর + বাদ্যের সর

    আমার মতে উপরে উল্লিখিত ৪টি variable-এর একটিও যদি extreme পন্থা অবলম্বন করে আমার কাছে তা গ্রহণ যোগ্য নয়।

    আমি যদিও এই ব্যপারে সকল হাদীস্‌ পড়িনি তবে popular যে সকল হাদীস্‌ scholar-দের কাছ থেকে শুনেছি তাতে আমি কথাওই সুনির্দিষ্ট ভাবে গান বাজনাকে নিষেধ করা হয়েছে এমনটি দেখিনি।

    সুনির্দিষ্ট-এর কাছাকাছি যেটি আমার মতে ধরা যায় সেই হাদীস্‌টি হল নিম্নে

    ১। হযরত নাফে(রহ:) বলেন , একবার হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা:) রাস্তা দিয়ে চলার সময় বাশীর আওয়াজ শুনে কানে আংগুল ঢুকিয়ে দেন এবং বার বার আমাকে জিজ্ঞেস করেন হে নাফে এখনও আওয়াজ শোনা যায় ? আমি বললাম জ্বী এখনও শোনা যায় । কিছু দুর যাওয়ার পর আর শোনা যাচ্ছে না বলাতে উনি হাত নামিয়ে নেলেন এবং রাস্তার দিকে ফিরে আসলেন । তারপরে বললেন আমি রসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) কে একদা এমন করতে দেখেছি ।

    তবে খেয়াল করবেন রাসুল (সাঃ) এখানে কন নিষেধাজ্ঞা দেননি কিন্তু একি সাথে তেমন পছন্দ করেননি।

    আমি formula-র মানুষ। scholar-দের মতে তারা নিচের কিছু পন্থা অবলম্বন করে হাদীস্‌ (সাহীহ্‌-এর ব্যাপারে বলছি) পাঠ করেন, অতএব দলিল বলেন আর no দলিল বলেন তারা নিজেরাই যদি এই formula-র বাইরে চলে যান তাহলে আমি তখন (already mentioned earlier) মধ্যম পন্থা বেছেনি।

    কখনই একি বিষয়ে একটি হাদীস্‌ আরেকটির সাথে contradict করবেনা
    ==> যদি উপরের situation-এর মত কিছু হয় তবে এর মানে হাদীস্‌গুলো ওই একি বিষয়ের বিভিন্ন সীমার ও পরিস্থিতির কথা বলছে
    রাসুল (সাঃ) কখনই গুনাহ্‌ বা হারাম কাজের আদেশ দিবেন না

    অতঃপর উপরের হাদীস্‌কে যদি আমি নিষেধাজ্ঞা বলে গণ্য করি তবে আমাকে ধরে নিতে হচ্ছে রাসুল (সাঃ) নিজেকে হারাম কাজ থেকে বাঁচালেন কিন্তু সাহাবীকে সেই সুযোগ দিলেন না, আর এমন কাজটি রাসুল (সাঃ) কখনই করবেন না।

    আমার logic এবং comment থেকে please ধারনা করবেন না আমি কন একটি পক্ষকে support করার চেষ্টা করছি বরং scholar-রা আমাকে যেভাবে হাদীস্‌ পড়ার উপদেশ দিচ্ছেন ঠিক সেই দর্পণ দিয়ে বিচার করছি।

    Inshallah আমি আশা করব আপনারা আমার comment-এর criticism করবেন যা কিনা আমি একান্ত ভাবে আশা করছি কিন্তু অনুরোধ করব যে যুক্তিযুক্ত ভাবে আমাকে সংশোধন করবেন। এই request করার পেছনে কারণ অনেকেই দেখছি emotional comment করছেন কিন্তু to the point issue খণ্ডাচ্ছেন না। “একজন মোমিন অপরের আয়না স্বরূপ”, আমি একান্ত ভাবে এটি বিশাস করি।