পাকিস্তানের ‘মালালা’র সাথে ফিলিস্তিনের মালালাদের পার্থক্য, তার মডেল ওবামা ,আর ওদের মডেল মোহাম্মাদ সা:-
লিখেছেন: ' এম এম নুর হোসেন' @ মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৬, ২০১২ (১২:৪২ অপরাহ্ণ)
মালালাল জন্য কাঁদছে সারা বিশ্ব! আক্ষেপ!! এই কান্নাটা যদি ফিলিস্তিনের হতভাগড়া শিশুদের জন্য হতো!! তালেবান হামলার শিকার সোয়াতের শিশু মালালার জন্য যারা কেঁদে সিন্দু বইয়ে দেয়, সেই সোয়াতেই আমেরিকার ড্রোন হামলায় মৃত্যু ও পঙ্গুত্ববরণকারী হাজার হাজার শিশুর জন্য তাদের চোখ থেকে বিন্দুও গড়ায় না!!
কি এমন র্কম করে ফেলেছে “মালালা”? গোটা বিশ্বে তাকে নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে! তার এক ভিডিও ক্লীপে শুনলাম-সে বলেছে- ‘…আমার আদর্শ হলো বারাক ওবামা ও (নাস্তিক) বে-নজীর ভুট্টো।’ তার এক ডায়েরির কার্টিংয়ে দেখলাম-লেখা আছে-”বোরকা হলো পস্তর যুগের জিনিস, আর দাড়িওয়ালা লোক দেখলে আমার ফিরআউনের কথা স্মরণ হয়ে যায়।”
তাকে তালেবানরা হামলা করেছে। সে এখন হিরো। এরচেয়ে হাজারগুন নির্মভাবে আরো ছোট ছোট বহু শিশু ফিলিস্তিনে প্রতিনিয়ত পঙ্গু ও নিহত হচ্ছে ইয়াহুদীদের দ্বারা। তারা হিরো তো দুরের কথা, সংবাদে ঠাইও পায় না। তাদের আর মালালার মাঝে একমাত্র পার্থক্য হলো-তাদের আদর্শ মোহাম্মদ সা: আর মালালালর মডেল ওবামা।
আবারো বলছি-ইসরাইলী হায়েনাদের খুনের শিকার ফিলিস্তিনের মাজলুন শিশু আর আমরেকির ড্রোন হামলার শিকার সোয়াতের অন্যসব শিশুর সাথে মালালার মাঝে একমাত্র পার্থক্য হলো-তাদের আইডল মোহাম্মদ সা: আর মালালালর মডেল ওবামা। মালালার জন্য মায়াকান্না আর তাদের জন্য কান্নার ভানও না!! ধিক এই বিশ্বকে!!! ধিক নামধারী মগজহীন মুসলিমদেরকে!!!
Processing your request, Please wait....













আবারো বলছি-ইসরাইলী হায়েনাদের খুনের শিকার ফিলিস্তিনের মাজলুন শিশু আর আমরেকির ড্রোন হামলার শিকার সোয়াতের অন্যসব শিশুর সাথে মালালার মাঝে একমাত্র পার্থক্য হলো-তাদের আইডল মোহাম্মদ সা: আর মালালালর মডেল ওবামা। মালালার জন্য মায়াকান্না আর তাদের জন্য কান্নার ভানও না!! ধিক এই বিশ্বকে!!! ধিক নামধারী মগজহীন মুসলিমদেরকে!!!
@জাহিদ,
যে ভুল তালেবানরা করেছে, সেই একই ভুল আপনিও করলেন ভাই। আজ কত ছুঁচো, বিচ্ছু, তেলাপোকা, এই পোকা, সেই পোকা বিচরণ করছে। সুযোগ পেলেই কেউ একটা চিৎকার করছে, কেউ একটা কামড় বা হুল ফোটাতে চাচ্ছে। এক এক করে সব কটা ছুঁচোর মোকবেলা করার আসলে সুযোগ নেই, দরকারও নেই। আল্লাহ তায়ালা বাতিলের সকল শক্তিতে তুলনা করেছেন মাড়কশার জালের সাথে। আল্লাহ শক্তি আর মুসলমানের পক্ষে নেই কেননা আল্লাহ তায়ালার শক্তিকে ধারণ করার সামর্থ্য বা সাহস কোনটাই মুসলমানের নেই। এসব ছুঁচোদের পিছনে পড়ে সময় নষ্ট করে লাভ নেই। দরকার মুসলমানদের ঘুম ভাঙ্গানো। ঈমানী শক্তিতে বলীয়ান করা। যেন আল্লাহ শক্তিকে ধারণ করতে পারে মুসলমান।
@guest, যে ভুল তালেবানরা করেছে, সেই একই ভুল আপনিও করলেন ভাই। ভাল বুঝতে পারিনাই।