লগইন রেজিস্ট্রেশন

***মর্ডান মুসলিম ভাইদের জন্যে যারা ইসলামী আইন নিয়ে কথা বলতে চান (ভিডিওটি ভালো করে দেখুন)***

লিখেছেন: ' manwithamission' @ শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১০ (৭:৪৬ অপরাহ্ণ)

The Modernists [Deviant Sects Series]

“আমি আপনার প্রতি অবতীর্ণ করেছি সত্যগ্রন্থ, যা পূর্ববতী গ্রন্থ সমূহের সত্যায়নকারী এবং সেগুলোর বিষয়বস্তুর রক্ষণাবেক্ষণকারী। অতএব, আপনি তাদের পারস্পারিক ব্যাপারাদিতে আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করুন এবং আপনার কাছে যে সৎপথ এসেছে, তা ছেড়ে তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না। আমি তোমাদের প্রত্যেককে একটি আইন ও পথ দিয়েছি। যদি আল্লাহ চাইতেন, তবে তোমাদের সবাইকে এক উম্মত করে দিতেন, কিন্তু এরূপ করেননি-যাতে তোমাদেরকে যে ধর্ম দিয়েছেন, তাতে তোমাদের পরীক্ষা নেন। অতএব, দৌড়ে কল্যাণকর বিষয়াদি অর্জন কর। তোমাদের সবাইকে আল্লাহর কাছে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। অতঃপর তিনি অবহিত করবেন সে বিষয়, যাতে তোমরা মতবিরোধ করতে।
আর আমি আদেশ করছি যে, আপনি তাদের পারস্পরিক ব্যাপারাদিতে আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তদনুযায়ী ফয়সালা করুন; তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না এবং তাদের থেকে সতর্ক থাকুন-যেন তারা আপনাকে এমন কোন নির্দেশ থেকে বিচ্যুত না করে, যা আল্লাহ আপনার প্রতি নাযিল করেছেন। অনন্তর যদি তার মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে জেনে নিন, আল্লাহ তাদেরকে তাদের গোনাহের কিছু শাস্তি দিতেই চেয়েছেন। মানুষের মধ্যে অনেকেই নাফরমান।
তারা কি জাহেলিয়াত আমলের ফয়সালা কামনা করে? আল্লাহ অপেক্ষা বিশ্বাসীদের জন্যে উত্তম ফয়সালাকারী কে?
হে মুমিণগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ জালেমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না।
” (সূরা আল মায়িদাঃ ৪৮-৫১)

ইমাম শাফেয়ী রহিমাহুল্লাহ বলেনঃ
” আমার সময়ে মুসলিমরা এই বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কোন সহীহ সুন্নাহ কারো সামনে আসে তখন কারো মতামতের উপর ভিত্তি করে সেই সুন্নাহকে অগ্রহ্য করা তার উচিত হবে না”

ইমাম আহমদ রহিমাহুল্লাহ বলেনঃ
“যে কেউ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি সহীহ বাতিল করবে সে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হবে”

ইমাম মালিক বলেছিলেন,
“এই উম্মতের পরবর্তী যুগে কোন বিষয়ে কখনও সংশোধন করা যাবে না যে বিষয়ে এই উম্মতের পূর্ববর্তী যুগে সংশোধন করা হয়েছিল”।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
২২৭ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৮ টি মন্তব্য

  1. “যে কেউ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি সহীহ বাতিল করবে সে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হবে”

    সহমত। আপনার কাছে এ বিষয়ে রেফারেন্স চাইবো না। আমি শ্রদ্ধার সাথে মাথা নত করে আপনার কথা মেনে নিলাম।

    এখন আপনি কিভাবে প্রমান করবেন যে আমাদের জানা হাদিসটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বলা, করা ইত্যাদি কিনা?

    (উল্লেখ্যঃ দ্য মুসলিম ভাইয়ের কিছু পোষ্ট আছে, যেখানে জাল হাদিস নিয়ে কথা আছে। কিন্তু আল-কুরান এর আয়াত নিয়ে কারো সন্দেহ নেই। শুধু হাদিস নিয়েই সন্দেহ আছে। অবশ্য আল-কুরানের বাহিরে সবি বিকৃত হতে পারে বা হবে। একমাত্র আল-কুরান ছারা)

  2. খুবতো জ্ঞানের গর্ব করেন আমার মত অজ্ঞানিদের সাথে। নতুন একটি পোষ্ট দিয়েছি হাদিস নিয়ে, ওখানে এসে যুক্তি খন্ডন করেন। দেখি কেমন জ্ঞানি আপনি। ওখানে সরাসরি আলকুরান এবং সহিহ হাদিস তুলে দিয়েছি যাতে আমাকে কেউ দোষতে না পারে। আপনার দাওয়াত রইল।

    manwithamission

    @জ্ঞান পিপাষু,
    আমি কোন জ্ঞানের গর্ব করি নাই, সেই ধৃষ্টতাও আমার নাই, আল্লাহ মাফ করুন। আমীন।

    আমি তর্ক-বিতর্ক করতে পছন্দ করি না। এইটা এমন কোন বিষয় নয় যে তর্ক-বিতর্ক করে বুঝাতে হবে। ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠিত, এইটা পরিবর্তন, পরিবর্ধন করার কোন এখতিয়ার আমাদের নেই। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেভাবে আমাদের বলে গেছেন সেভাবেই করতে হবে। ইসলাম ইহুদী বা খ্রিস্টানদের ধর্মের মতো নয়, যারা প্রতিদিনই তাদের ধর্মে পরিবর্তন সাধন করে থাকে।

    “আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করলাম আর ইসলামকে তোমাদের জীবন বিধান হিসেবে মনোনীত করলাম” (সূরা মায়িদাঃ৩)
    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামে বিদায় হজ্জ্বে ভাষণে ইসলামকে আল্লাহ তাআলা পরিপূর্ণ ঘোষণা করেছেন।

    রজমের বিধান পবিত্র কুরআনে রয়েছে এবং আল্লাহ তাআলা নিজে রজমের শাস্তি দিয়েছেন।
    কওমে লূত যে অবৈধ কার্যকলাপ করতো তার শাস্তি স্বরুপ আল্লাহ তাআলা তাদের পাথর নিক্ষেপ করে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন।
    “তারপর আমি তাদের নগরগুলো উলটিয়ে দিলাম এবং ওদের উপর পাকানো মাটির পাথর বর্ষণ করলাম” (সূরা হিজরঃ ৭৪)

    আল্লাহ ঈমানদারদের উপর অনুগ্রহ করেছেন যে, তাদের মাঝে তাদের নিজেদের মধ্য থেকে নবী পাঠিয়েছেন। তিনি তাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করেন। তাদেরকে পরিশোধন করেন এবং তাদেরকে কিতাব ও কাজের কথা শিক্ষা দেন। বস্তুতঃ তারা ছিল পূর্ব থেকেই পথভ্রষ্ট। (আল ইমরানঃ ১৬৪)

    কাজের কথা শিক্ষা দেন।
    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শিখিয়ে দিয়েছেন কোন ক্ষেত্রে রজম করতে হবে।
    কেউ জিনা করলো আর তাকে ধরে নিয় রজম করে দিলাম ব্যাপাটা মোটেও এরকম নয়। রজমের কিছু শর্ত আছে সেগুলো পূরণ হলে তবেই কেবল রজম করতে হবে।
    প্রথম শর্তঃ বিবাহিত হয়ে যদি জিনা করে।
    দ্বিতীয় শর্তঃ চারজন মুমিন ব্যক্তির সাক্ষ্য লাগবে।
    তৃতীয় শর্তঃ যে জিনা করেছে সে যদি নিজেই স্বীকার করে নেয়।

    এখন কেউ জিনা করলো এরপর তওবা করলো এবং তার ব্যাপাড়ে কোন সাক্ষী পাওয়া গেল না এবং সে নিজেও স্বীকার করলো না, তাহলে তার ব্যাপাড়ে আল্লাহ তাআলাই বিচার করবেন। কারণ,
    “আপনি আমার বান্দাদেরকে জানিয়ে দিন যে, আমি অত্যন্ত ক্ষমাশীল দয়ালু এবং ইহাও যে, আমার শাস্তিই যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি।” (সূরা হিজরঃ ৪৯-৫০)

    ‘গামেদিয়া বলে হাদীসে উল্লেখিত জনৈকা সাহাবীয়া মহিলার দ্বারা ব্যাভিচারের কর্ম সংঘটিত হয়। এ বিষয়ে অন্য কারো খবর বা কল্পনাও ছিল না। কিন্তু তাঁর বিশ্বাস ছিল, আমার অপরাধ সম্পর্কে মহান আল্লাহ জ্ঞাত রয়েছেন, তাঁর আযাব দুনিয়ার যাবতীয় কষ্টের চেয়ে ভীষণ পীড়াদায়ক। তাই রাসূল ﷺ এর নিকট উপস্থিত হয়ে নিজের কৃত অপরাধ সবিস্তার বর্ণনাপূর্বক আবেদন করলেন: “যথাযোগ্য শাস্তি দিয়ে আমাকে পবিত্র করুন”। রাসূল ﷺ এটা তেমন গুরুত্ব না দেওয়ায় পুনরায় আরয করলেন: “হুযুর! আমার কথা কোন পাগলের প্রলাপ নয়। স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে আমি এ বক্তব্য রাখছি। আমাকে রজম করিয়ে দিন, যেন পরকালের আযাব থেকে নিস্তার পাই।” তিনি আরো বললেন: “অবৈধ মিলনের ফলে আমি অন্তঃসত্তা হয়েছি বলে আমার বিশ্বাস”। তার বিবরণ শুনে রাসূল ﷺ বললেন: “যদি তাই হয় তবে, এখন তোমার উপর হদ্দ জারি করা যাবে না। প্রসবের পরে আসবে”।

    প্রসবের পর সন্তান কোলে নিয়ে আল্লাহর সে বান্দাহ রাসূল ﷺ খিদমতে হাজির হয়ে আবেদন জানালেন, “হুজুর! আমি অমুক অপরাধিনী মহিলা। সন্তান প্রসব হয়ে গেছে, তাই শাস্তি দানে আমাকে নির্মল করুন”। রাসূল ﷺ বললেন: “বাচ্চা এখনো মায়ের দুধের উপর নির্ভরশীল। দুধ ছাড়িয়ে যখন রুটি খেতে শুরু করে তখন আসবে।” অতঃপর বাচ্চাটি রুটি খাওয়ার যোগ্য হওয়ার পর তার হাতে রুটির টুকরা নিয়ে রাসুল ﷺ এর নিকট হাজির হন। বাচ্চাটি তখন রুটি খাচ্ছিল। আবেদন করলেন: হুজুর! আমি সেই অপরাধিনী। আমার বাচ্চার এখন দুধের প্রয়োজন ফুরিয়েছে। দেখুন সে রুটি খাচ্ছে। এখন একে কারো হাতে সোপর্দ করে পরকালের আযাব থেকে আমার মুক্তির ব্যবস্থা করুন।”

    সুতরাং মহিলাটিকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা হল। পাথর নিক্ষেপকারীগণের মধ্যে একজন বিরুপ মন্তব্য করেছিলেন। রাসূল ﷺ একথা জানতে পেরে উক্ত সাহাবীকে জিজ্ঞেস করলেন: “তুমি এরুপ করলে কেন? তুমি কি জান, সে এমন তওবাই করেছে যে, মদীনাবাসীদের সকলের মধ্যে তা বন্টন করে দিলে তাদের সবার নাজাতের জন্য যথেষ্ট।” আল্লাহু আকবর! পরকালের চিন্তার কি অপূর্ব নিদর্শন।

    মহিলা সাহাবিটি আল্লাহর নিকট তওবাও করেছিলেন আবার আল্লাহর শাস্তির ভয়ে দুনিয়ার আল্লাহর বিধান মোতাবেক শাস্তি গ্রহণ করে ছিলেন। আর রাসূল ﷺ প্রথমে গুরুত্ব দেননি, কারণ, মহিলা সাহাবিটির ঘটনা কেউ জানতো না, সে আল্লাহর নিকট তওবা করে নিলেই পারতো। কিন্তু মহিলা সাহাবীটি আল্লাহকে এতই ভয় করতেন যে আল্লাহ তিনি আল্লাহর বিধান তার উপর বাস্তবায়ন করে নিয়েছিলেন।
    প্রকৃতপক্ষে যারাই আল্লাহকে যত বেশী ভয় করে তারাই আল্লাহ তাআলার বিধান তত বেশী মেনে চলে।

    আর আমি বলেছিলাম এমন কোন সিদ্ধান্তে পৌছাবেন না যা একজনকে ইসলাম থেকে বের করে দেওয়ার জন্যে যেথষ্ট। তার দলীল হচ্ছেঃ

    আর যদি তুমি তাদের কাছে জিজ্ঞেস কর, তবে তারা বলবে, আমরা তো কথার কথা বলছিলাম এবং কৌতুক করছিলাম। আপনি বলুন, তোমরা কি আল্লাহর সাথে, তাঁর হুকুম আহকামের সাথে এবং তাঁর রসূলের সাথে ঠাট্টা করছিলে? ছলনা কর না, তোমরা যে কাফের হয়ে গেছ ঈমান প্রকাশ করার পর। তোমাদের মধ্যে কোন কোন লোককে যদি আমি ক্ষমা করে দেইও, তবে অবশ্য কিছু লোককে আযাবও দেব। কারণ, তারা ছিল গোনাহগার। (সূরা তওবাঃ ৬৫-৬৬)

    ভাই রাগ করবেন না। আপনার সাথে আমার কোন ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই। হয়তো আপনি আমার সাথে একমত হবেন না, কিন্তু তারপরও আপনি আমার দ্বীনি ভাই। আল্লাহ তাআলা আপনাকে রক্ষা করুন এবং আমাদের মাফ করে দিন। আমীন।

    দ্য মুসলিম

    @manwithamission,

    ধন্যবাদ। আপনার বর্ণিত হাদিসটি আমি আগেও পড়েছিলাম। কিন্তু রেফারেন্স না জানা থাকার কারনে উল্লেখ করতে পারিনি। হাদিসটির রেফারেন্সের ব্যপারে কি আপনি সাহায্য করতে পারবেন?

    manwithamission

    @দ্য মুসলিম, আসসালামু আলাইকুম ভাই, কেমন আছেন?

    অবশ্যই ভাই, আমি হাদীস নম্বর বলে দিচ্ছি, চেক করে নিবেন।
    The Book Pertaining to Punishments Prescribed by Islam (Kitab Al-Hudud)
    Muslim :: Book 17 : Hadith 4205
    Muslim :: Book 17 : Hadith 4206
    Muslim :: Book 17 : Hadith 4207

    Abu Dawud 38:4426

    এছাড়া আপনি এই লিংটিতে রজম বিষয়ক যত হাদীস আছে একসাথে পাবেন, রেফারেন্স সহ, আলহামদুলিল্লাহ তাদের রেফারেন্স সহীহ।
    রজম বিষয়ক যত হাদীস, রেফারেন্স সহ

    দ্য মুসলিম

    @manwithamission,

    ওয়াআলাইকুম আসসালাম। আলহামদুলিল্লাহ, ভালো। আশা করি আপনিও ভালো।
    রেফারেন্সের জন্য ধন্যবাদ।

    জ্ঞান পিপাষু

    @manwithamission,

    আমি এখানে রাগ করতে আসি নাই, আশা করি আপনিও রাগ করবেন না। সত্য যা হোক মেনে নেবেন।
    আপনার উপরে উল্লেখিত কথার পেক্ষিতি বলতে চাই, আমি এমন কিছু করিনি যে আপনাকে এইভাবে উপমা পেশ করতে হবে।

    বলুন সত্য এসে গেছে, মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, মিথ্য বিলুপ্ত হবেই।
    সত্য যখন মিথ্যাকে ঠোকরায়, তখন মিথ্যার সর্ব নাশ হয়।
    তারা অন্ধ, তারা দেখেও দেখেনা, শুনেও শুনেনা।
    এইরকম অসংখ্য উদ্রিতি দিতে পারি আপনার মত। এইগুলি আর এমন কি।

    এই বিষয়ে আমার পোষ্টে এসে কথা বলুন। এখানে আমি আলোচনা করতে ইচ্ছুক নই। ধন্যবাদ।