লগইন রেজিস্ট্রেশন

***একটি বড় শিরক বা শিরকে আকবরের নমুনা***

লিখেছেন: ' manwithamission' @ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১, ২০১০ (১২:২৮ পূর্বাহ্ণ)

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
সকল প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্যে। আল্লাহর শান্তি ও রহমত রাসূল ﷺ এর উপর, তার পরিবারের উপর ও তার সাহাবীদের উপর এবং কিয়ামত পর্যন্ত তাদেরকে যারা অনুসরণ করবে তাদের উপর অর্পিত হোক। আমিন।

মানুষের সকল ইবাদত হতে হবে একমাত্র আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ

“তাদের হেদায়েতের দায়িত্ব তোমার উপর নয়, তবে আল্লাহ তাআলা যাকে চান তাকেই সঠিক পথ দেখান, তোমরা যা দান সদকা করো এটা তোমাদের জন্যেই কল্যাণকর, (কারণ) তোমরা তো এ জন্যেই খরচ করো যেন আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারো।” (সূরা বাকারাঃ ২৭২)

যারা তাদের মালিকের সন্তুষ্টি লাভের জন্যে ধৈর্য্য ধারণ করে, যথারীতি নামায কায়েম করে, আমি তাদের যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে তারা (আমারই পথে) খরচ করে-গোপনে কিংবা প্রকাশ্যে, যারা (নিজেদের) ভালো (কাজ) দ্বারা মন্দ (কাজ) দূরীভূত করে, তাদের জন্যেই রয়েছে আখিরাতে শুভ পরিণাম।” (সূরা রাদঃ ২২)

“অতএব (হে ঈমানদার ব্যক্তি), তুমি আত্মীয় স্বজনকে তার অধিকার আদায় করে দাও, অভাবগ্রস্থ মোসাফেরদেরও (নিজ নিজ পাওনা বুঝিয়ে দাও), এ (বিষয়টি) তাদের জন্যে ভালো যারা (একমাত্র) আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি কামনা করে, (আর সত্যিকার অর্থে) এরাই হচ্ছে সফলকাম।” (সূরা রুমঃ ৩৮)

“যা (কিছু ধন সম্পদ) তোমরা সুদের উপর দাও, (তা তো এজন্যেই দাও) যেন তা অন্য মানুষদের মালে সাথে (শামিল হয়ে) বৃদ্ধি পায়, আল্লাহ তাআলার দৃষ্টিতে তা (কিন্তু মোটেই) বাড়ে না, অপরদিকে যে যাকাত তোমরা দান করো তা (যেহেতু একান্তভাবে) আল্লাহ তাআলাকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে দান করো, তাই বরং বৃদ্ধি পায়।” (সূরা রোমঃ ৩৯)

“যে (আল্লাহকে) বেশী বেশী ভয় করে তাকে আমি বাচিয়ে দিব, যে ব্যক্তি নিজেকে পরিশুদ্ধ করার জন্যে (আল্লাহর পথে অর্থ সম্পদ) ব্যয় করেছে, (অথচ) তোমাদের কারোই তার কাছে এমন কিছু ছিলো না, (যার জন্যে) তোমদের কোন রকম প্রতিদান দেয়া হবে, (হাঁ, পাওনা) এটুকুই সে শুধু তার মহান মালিকের সন্তুষ্টিই কামনা করেছে। (এ কারণে) অচিরেই তার মালিক (তার উপর) সন্তুষ্ট হবেন।” (সূরা লাইলঃ ১৭-২১)

রাসূল ﷺ শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে ইবাদত করা জোর তাগিদ দিয়েছেন কেননা আল্লাহর সন্তুষ্টি ব্যতীত অন্য কারো সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে ইবাদত করলে তা বড় শিরক বা শিরকে আকবর হয়ে যাবে। রাসূল ﷺ বলেনঃ

আল্লাহ তাআলা শুধু সে আমলই গ্রহণ করেন, যা ইখলাছের সাথে এবং আল্লাহকে সন্তুষ্টি করার উদ্দেশ্যে করা হয়”। (নাসায়ী)
যে জ্ঞান অর্জন করা হয় আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তা যদি কেউ পার্থিব স্বার্থ লাভের উদ্দেশ্যে করে তাহলে সে কিয়ামত দিবসে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না” (আবু দাউদ)

“সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা) যখন অসুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন তখন রাসূল ﷺ তাকে বলেছিলেনঃ তুমি যদি এরপর বেঁচে থাক এবং কোন ভাল আমল কর তাহলে তারা দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করবে” (বুখারী ও মুসলিম)

“আল্লাহ তাআলা জাহান্নামের উপর ঐ ব্যক্তিকে হারাম করেছেন যে ব্যক্তি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলবে এবং এর মাধ্যমে সে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করবে”। (বুখারী ও মুসলিম)

“খাব্বাব বিন আরদ (রা) বলেন, আমরা রাসূল ﷺ এর সাথে হিজরত করেছিলাম মক্কা থেকে মদীনায় আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে”। (বুখারী ও মুসলিম)

প্রত্যেকটি আমল(কর্ম) নিয়তের উপর নির্ভরশীল বা সকল কাজের ফলাফল নিয়ত অনুযায়ী পাবে। (বুখারী ও মুসলিম)

কাজেই যে ব্যক্তি ইবাদত বা কোন কাজের শুরুতে নিয়ত করে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সে ব্যক্তি সে অনুযায়ী আল্লাহর নিকট প্রতিদান পাবে আর যে ব্যক্তি কোন ইবাদত করে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে সে ব্যক্তি শিরকে আকবর বা বড় শিরকে লিপ্ত হবে।
তেমনি একটি বড় শিরকের নমুনা উল্লেখ করব যেন আমরা শিরক থেকে বেঁচে থেকে ইখলাসের সাথে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে ইবাদত করতে পারি।
নীচের ছবিটি লক্ষ্য করুনঃ
Tablig Shirk

ছবিটি শায়খুল হাদীস হযরত মাওলানা যাকারিয়্যা (রহ) রচিত ফাযায়েল আমল এর ভূমিকা থেকে নেওয়া হয়েছে।
লাল বর্ডার চিহ্নিত লেখাগুলো লক্ষ্য করুন। “এইরুপ বুযুর্গগণের সন্তুষ্টি হাসিল করা আমার মত গোনাহগারের জন্য গোনাহ-মাফী ও নাজাতের ওসীলা-এই আশায় দ্রুত রচনা করতঃ এই উপকারী কিতাবখানি খেদমতে পেশ করিতেছি”
আল্লাহ ব্যতীত অন্যের সন্তুষ্টি অর্জন করা এবং তার সন্তুষ্টি গোনাহ-মাফী ও নাজাতের ওসীলা হবে!!! এরকম শিরকী আকীদা সম্পন্ন লেখকের কিতাব থেকে যারা এই বই পড়বে তারা কি অর্জন করবে? আল্লাহ তাআলা আমাদের রক্ষা করুন।
আল্লাহ তাআলা বলেন, “আমি তাদের কৃতকর্মের প্রতি লক্ষ করব অত:পর সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করব” (সূরা ফুরকানঃ ২৩)
যে সকল কাজ খালেছ আল্লাহর জন্য করা হয় না কিংবা শরীয়তের অনুমোদিত পন্থায় পালন করা হয় না তা বাতিল বলে গণ্য – সন্দেহ নেই।(তাফসীর ইবনে কাসীর)

রাসূল ﷺ বলেনঃ
আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি শরীকদের শিরক থেকে একেবারেই বেপরওয়া। যদি কোন ব্যক্তি কোন আমল করে এবং এতে আমার সাথে কাউকে শরীক করে তাহলে আমি তাকে ও শিরকী কাজকে প্রত্যাখ্যান করি। (মুসলিম)

আবার লেখক নিজেই লিখেছেন -
নামায-রোযা ত্যাগ করার বিষয় কি বলিব যখন লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রকাশ্য কুফর ও শিরকে লিপ্ত রহিয়াছে। সবচেয়ে মারাত্মক ব্যাপার হইল যে, তাহারা ইহাকে শিরক ও কুফর বলিয়া মনে করে না
বাস্তব কথা, উনি নিজেই শিরকে লিপ্ত অথচ ইহাকে শিরক বলিয়া মনে করেন নাই।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে শিরকের মতো জঘণ্য পাপ থেকে হিফাজত করুন। আমিন।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১,৪১১ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ২.৫০)

১৬ টি মন্তব্য

  1. ভাই বেয়াদবী মাফ করবেন। আপনার প্রথম লাল কালি দেখে মনে করছিলাম আপনি বুঝতে ভুল করছেন তাই সমালোচনা করেছেন। কিন্তু দ্বিতীয় লালকালি
    দেখে মনে হল আপনি আসলে বুঝতে ভুল করেন নাই বরং জেনে শুনে একটা হক মেহনতের উপর কালিমা লেপনের জন্য মিথ্যাচার করছেন।

    আবার লেখক নিজেই লিখেছেন -
    নামায-রোযা ত্যাগ করার বিষয় কি বলিব যখন লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রকাশ্য কুফর ও শিরকে লিপ্ত রহিয়াছে। সবচেয়ে মারাত্মক ব্যাপার হইল যে, তাহারা ইহাকে শিরক ও কুফর বলিয়া মনে করে না।
    বাস্তব কথা, উনি নিজেই শিরকে লিপ্ত অথচ ইহাকে শিরক বলিয়া মনে করেন নাই।

    কথা গুলো কি উনি নিজের কথা বলেছেন বলে আপনার মনে হল? এইখানে কি উনি বলেছেন যে আমি নিজেই শিরক ও কুফরে লিপ্ত অথচ উহাকে শিরক বা কুফর মনে করি না? আপনি মনে হয় ছোটবেলা থেকে বিদেশে ছিলেন অথবা বাংলা মধ্যমে পড়াশুনা করেন নাই। এত সুন্দর ও স্বচ্ছ বাংলাও আপনি বুঝতেছেন না! রীতিমত অবাক হলাম। আপনি যদি আসলেই বাংলা কম বুঝে থাকেন তাহলে তো উত্তর দেয়া যায় আর যদি আপনি হকের মেহনতকে মিটিয়ে দেবার মিশনে নেমে থাকেন সেক্ষেত্রে উত্তর দেয়া বৃথা। কিন্তু সাধারণ লোকজন যাতে আপনার মিথ্যাচারে ধোঁকা না খায় সে জন্য এই প্রয়াস।

    আপনার যুক্তিটা অনেকটা কামরান মির্জার মত যুক্তি হল। উনি আম ভাবে সাধরণ উম্মতের কথা বলেছেন। আসলেই অবস্থা এতই ভয়াবহ। মানুষ তাওহীদের কালেমা পর্যন্ত জানেনা। হ্যাঁ আমাদের বাংলাদেশের কথাই বলছি। মানুষের সাথে মিশেন নাতো তাই জানেননা। তাবলীগের চার মাস সময় লাগান। যান দেশে প্রান্তে প্রান্তে। বুঝবেন। ইন্টারনেটে তাওহীদ আর শিরকের গল্প শুনিয়ে প্রকৃত অবস্থা অনুধাবন করা যাবে না।

    আল্লহ তায়া’লার সন্তুষ্টি ছাড়া কোন কাজ করা যাবে না এই আয়াত দিয়া আপনি আম ভাবে সব কিছু বাদ দিয়ে দিতে পারেন না। আপনি কি আপনার পিতামাতা কে খুশি করতে পারবেন না? যদি আপনার সামনে এমন কোন জিনিস আসে যা করলে আপনার বাবা মা খুশি হয়ে যাবেন আর না করলে কিছু যায় আসে না। এই অবস্থায় কাজটা কি আপনি করবেন নাকি করবেন না? কাজটা যদি আপনি করেই ফেলেন তখন কি আমি বলব যে আপনি পিতা মাতার সন্তুষ্টির জন্য করছেন আপনি আল্লহ তায়া’লার সন্তুষ্টির জন্য করেন নি? কাজেই আপনি শিরকে আকবার করেছেন? দ্বীন পাগলামী না। কারো নিয়তের উপর হামলা করা দ্বীন না। যদি কোন কাজ যা শারিয়াত সমর্থন করে, ঐ কাজের দ্বারা যদি আপনার পিতামাতা খুশি হয়ে যান তাহলে ঐ কাজ আপনার গোনাহ মাফীর উসিলা হবে কি না? আল্লহ তায়া’লার নির্দেশ পিতামাতা কে সন্তুষ্ট করা। একই রকম ভাবে শারিয়াতের সীমার মধ্যে যে কোন বুজুর্গ (বুযুর্গ মানে বড়; বয়সে বা ইলমে বা তাকওয়ায় ইত্যাদি) কে খুশি করা বা কোন মুমিন কে খুশি করাও এমনকি এখলাসের সাথে যেকোন মাখলুককে খুশি করাও ইবাদাতের অংশ। আল্লহ তায়া’লা হুকুম এটা মাখলুকের উপর রহম করা? এখলাসের সাথে যদি কেউ কাউকে খুশি করে তা শিরক কেমনে হয় বরং ইবাদাত। অনেক বড় ইবাদাত।

    মাওলানা ইলিয়াস রহমাতুল্লহ আ’লাইহি যাকারিয়া রহমাতুল্লহ আ’লাইহি এর চাচা ছিলেন। এবং যাকারিয়া রহমাতুল্লহ আ’লাইহি এর বাবা বেঁচে ছিলেন না। বাবার অবর্তমানে বাবার আত্মীয়দের সাথে ভাল আচরণ করা রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর নির্দেশ। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর নির্দেশ পালন করাও শিরক হবে বলছেন? আল্লহ তায়া’লার হুকুম রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর নির্দেশ সব কিছুকেই আপনি শিরকে পর্যায়ে ফেলে দিলেন তাহলে তাওহীদ কি আর ইবাদাত কি? চাচাকে সন্তুষ্ট মানে যে তিনি চাচার পুজা নয় এটা যে কোন সাধারণ লোক বুঝবে। এটাও সবাই বুঝবে যে উনি চাচাকে সন্তুষ্ট করার দ্বারা আসলে আল্লহ তায়া’লার সন্তুষ্টি অর্জন করতে চেয়েছেন চাচার পুজা করতে চাননি।

    এখানে আপনি তিনটি শিরক করেছেন ১) কুরআনের আয়াতের মর্ম বিকৃত করেছেন ২) অন্যের ইখলাসের উপর হামলা করেছেন। অথচ ইখলাসের মুফতি কেবল মাত্র আল্লহ তায়া’লা। এই দৃষ্টিকোন থেকে আপনি অন্যের এখলাসে ব্যাপারে কথা বলে নিজেকে আল্লহ তায়া’লার সমপর্যায়ে নিয়ে গেছেন। ৩) আপনি আল্লহ তায়া’লা ও রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর নির্দেশকে শিরক বলেছেন।

    আল্লহ তায়া’লা ও রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর অনুসরণ শিরক এই আকীদা নিয়ে যদি কেউ মারা যায় সে হাশরের ময়দানে উম্মতে মুহাম্মাদীর কাতারে কিভাবে উঠবে?

    ভুল হইলে সংশোধন করে দিয়েন। বেয়াদবী হলে মাফ করে দিয়েন।

    দ্য মুসলিম

    @Anonymous,

    এখানে আপনি তিনটি শিরক করেছেন ১) কুরআনের আয়াতের মর্ম বিকৃত করেছেন ২) অন্যের ইখলাসের উপর হামলা করেছেন। অথচ ইখলাসের মুফতি কেবল মাত্র আল্লহ তায়া’লা। এই দৃষ্টিকোন থেকে আপনি অন্যের এখলাসে ব্যাপারে কথা বলে নিজেকে আল্লহ তায়া’লার সমপর্যায়ে নিয়ে গেছেন। ৩) আপনি আল্লহ তায়া’লা ও রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর নির্দেশকে শিরক বলেছেন।

    এভাবে বলা উচিত হয়নি আপনার। যে অভিযোগ আপনি উনার নামে করেছেন, সে নিয়তে যদি পোষ্টটি না দিয়ে থাকেন তখন তা যে আপনার উপর পড়বে তাও সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। কাউকে মুশরিক বলার আগে আমাদের ভাবা উচিত সে আসলে তাই কিনা। এভাবে বলে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করলে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে আমরা কি জবাব দিহি করবো? হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে মুখ দেখাবো কি করে?
    আরেকটু সহনশীল হবার চেষ্টা করুন, প্লীজ। তাবলীগ, মাজহাব, আহলে হাদিস, ইত্যাদিকে মহান আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ব্যবহার করুন, বিভক্তির জন্য নয়।

    আল্লাহ তায়ালা আমাদের সরল সঠিক পথে চলার তৌফিক দিন। আমিন।

    Anonymous

    @দ্য মুসলিম, এই পোস্টটা হোম পেজ থেকে সরানো হয়েছে তাই আপনার এই কথাটার উত্তর দেয়ার প্রয়োজন বোধ করিনি। কিন্তু এখন লক্ষ করলাম এটা এখনও সার্চ পেইজ এ এবং লেখক আর্কাইভ পেইজ এ আছে। তাই উত্তর দিচ্ছি। দেখুন আরবীতে একটি অতি পুরাতন প্রবাদ আছে–বেয়াদবদের সাথে বেয়াদবী করাই প্রকৃত আদবের পরিচয়।

    এখন আসুন, বিশ্লেষণ করি উনার কথাটা কত মারাত্মক শিরক যুক্ত। উনি বলেছেন আল্লহ তায়া’লার সন্তুষ্টি ছাড়া অন্য কারও সন্তুষ্টির জন্য কিছু করলে নাকি ঐটা শিরকে আকবার। এই হিসেবে কুরআনের কিছু আয়াত দিয়ে হাদিসের কিছু রেফারেন্স দিয়ে বললেন মাওলানা যাকারিয়া রহমাতুল্লহ আ’লাইহি নাকি শিরকে আকবার করেছেন।

    অথচ রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনে অনেক ঘটনা পাওয়া যায় যা তিনি বিভিন্ন মানুষকে খুশি করার জন্য করেছেন। যেমন উনি উনার পুরাতন খাদেমা হযরত উম্মু আইমান রদিয়াল্লহু আ’নহাকে মা ডেকে ছিলেন। উনার উপর কি আল্লহ তায়া’লার প্রকাশ্য কোন নির্দেশ ছিল ঐ মহিলাকে মা ডাকার। তাহলে কি নাউযুবিল্লাহ রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম শিরক করেছেন?

    একই ভাবে রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম আ’য়েশা রদিয়াল্লহু আ’নহু কে খুশি করার জন্য দৌড় প্রতিযোগীতা করেছেন। দুই দুই বার। আবার আ’য়েশা রদিয়াল্লহু আ’নহা ছোট ছিলেন বলেন তাঁকে শিশুসুলভ আনন্দ দেয়ার জন্য (অর্থাৎ এক শিশু কে খুশি করার জন্য) হাবশী গোলামদের তলোয়ার বাজি খেলা দেখিয়েছিলেন যতক্ষন পর্যন্ত না আ’য়েশা রদিয়াল্লহু আ’নহা তৃপ্ত হন। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত হাসান ও হুসাইন রদিয়াল্লহু আ’নহুমা কে প্রায়ই ঘাড়ে নিয়ে বেড়াতে যেতেন কেননা শিশুরা এতে খুশি হয়। এমন কি তিনি তাঁদের জন্য ঘোড়াও হয়েছেন। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের নাত্নী হযরত উমামা রদিয়াল্লহু আ’নহা তাঁর পিঠে উঠতেন সিজদার সময়। তিনি ততক্ষন পর্যন্ত তাঁকে নামাতেন না যতক্ষন তিনি নিজে থেকে না নামতেন। একই ভাবে রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত উম্মে সালামাহ রদিয়াল্লহু আ’নহার সন্তান হযরত সালামাহ রদিয়াল্লহু আ’নহু ও হযরত যায়নাব রদিয়াল্লহু আ’নহা দের সাথে প্রচুর দুষ্টুমি করেছেন বলে রেওয়ায়েতে পাওয়া যায়। এমনি ভাবে অনেক শিশুদের খুশি করার জন্য রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম অনেক কিছু করেছেন যা করার জন্য রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের উপর আল্লহ তায়া’লার পক্ষ থেকে সরাসরি কোন হুকুম আসেনি। লেখকের মতে এগুলো সবই শিরকে আকবার।

    এক বুড়ি কে একটু হাসানোর জন্য বলেছিলেন কোন বুড়ি জান্নাতে যাবে না। হযরত হালীমা রদিয়াল্লহু আ’নহা দেখা করতে আসলে তিনি নিজের গায়ের চাদর বিছিয়ে দিয়েছেন তাঁকে বসার জন্য। শুধু খাজিদা রদিয়াল্লহু আ’নহার সম্মানে তাঁর এক পরিচিত মহিলাকে বেশ কদর করেছিলেন। আর কত ঘটনার কথা বলব?

    এবার চাচা প্রসঙ্গ। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর চাচা হযরত আব্বাস রদিয়াল্লহু আ’নহু কে অনেক সম্মান করতেন। অনেক ঘটনা পাওয়া যায় এ প্রসঙ্গে। এক হাদিসে উল্লেখ করেছেন, তোমাদের কি জানা নাই মানুষের চাচা তাঁর পিতার সমতুল্য। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে যেখানে চাচাকে অনেক সম্মান করেছেন, চাচাকে বিভিন্ন সময়ে খুশি করেছেন। চাচার সম্মানে অনেক সুপারিশ কবুল করেছেন (মক্কা বিজয়ের পর আবু সুফিয়ান প্রসঙ্গ) এরই অনুসরণে (সুন্নতের অনুসরণে) যাকারিয়া রহমাতুল্লহ আ’লাইহি তাঁর চাচাকে খুশি করার জন্য একটা দ্বীনী কিতাব তাড়াতাড়ি লিখেছেন এটা নাকি শিরক। চাচাকে খুশি করা যদি শিরক হয় তবেতো এই শিরকের জনক রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে (নাউযুবিল্লাহ)। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম কে যে মুশরিক বলতে পারে সে ভালো খৃষ্টান বা ভালো ইয়াহুদী হতে পারে কিন্তু ন্যুনতম পর্যায়ের মুসলমানও নয়।

    আসলে মূর্খদের অবস্থাই এমন। যা মনে চায় ফট করে বলে ফেলে কিন্তু জানে না কথা কত মারাত্মক হয়। কোন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকে। উনি আসলে তাবলীগ জামাত পছন্দ করেন না। তাবলীগ জামাত পছন্দ না করা নিজেই একটা মারাত্মক গুনাহ। এটা পরে সুযোগ পেলে আলোচনা করব ইনশাআল্লহ। তাবলীগ জামাতে সমালোচনা করতে গিয়ে উনি এমন একটা কথা বললেন যা কিনা রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম কে পর্যন্ত আক্রমন করে। এই জন্যই নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দের দিকে খেয়াল না করে কোন সন্দেহ সৃষ্টি হলে উলামা কেরামদের সাথে আলোচনা করা উচিত। নাহলে এমন পর্যায়ের শিরকের খপ্পরে পড়তে হবে। দয়া করে এই কমেন্টটি একটা পড়ুন।

    আর একটি অনুরোধ তাবলীগে লম্বা সময় লাগান সব সন্দেহ দূর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

    জাযাকাল্লহ

    দ্য মুসলিম

    @Anonymous,

    দেখুন আরবীতে একটি অতি পুরাতন প্রবাদ আছে–বেয়াদবদের সাথে বেয়াদবী করাই প্রকৃত আদবের পরিচয়।
    এই প্রবাদ কোরআন-হাদীস-শরীয়াহ সম্মত কিনা আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন। আল্লাহ তায়ালা বান্দার হক্ব কখনো ক্ষমা করবেন না যতক্ষন পর্যন্ত না সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ক্ষমা না করেন।

    উনি আসলে তাবলীগ জামাত পছন্দ করেন না।
    হতে পারে উনি করেন না আবার হতে পারে করেন। শুধু উনি কেন, বাংলাদেশের অনেকে আছেন যারা তাবলীগ পছন্দ করেন না। আমি অনেককে চিনি যারা তাবলীগ পছন্দ করেন না এবং এই কাজটি করেন সংশ্লিষ্ট তাবলীগী ভাইদের কর্মকান্ডের কারণে।

    তাবলীগ জামাত পছন্দ না করা নিজেই একটা মারাত্মক গুনাহ।
    দুঃখিত, ভাই। একমত হতে পারলাম না। তাবলীগ বা ইসলামের দাওয়াত দেয়া অর্থাৎ সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ করার বিষয়টি অস্বীকার করা অবশ্যই গুনাহের কাজ, এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু তাবলীগ জামাতকে পছন্দ করতে হবে এমন কোন কথা নেই। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্য পন্হায়ও তাবলীগের কাজটি সম্পাদন করতে পারেন। যেমন দাওয়াতুল হকও একটি দাওয়াতের মেহনতের জামাত।

    আর একটি অনুরোধ তাবলীগে লম্বা সময় লাগান সব সন্দেহ দূর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
    তাবলীগের সাথে আমার জাতিগত কোন দুশমনি নেই। যদি কখনো সময় পাই অবশ্যই যাব, ইনশাআল্লাহ।

    Anonymous

    @দ্য মুসলিম, আমি অনেককে চিনি যারা তাবলীগ পছন্দ করেন না এবং এই কাজটি করেন সংশ্লিষ্ট তাবলীগী ভাইদের কর্মকান্ডের কারণে।
    তাবলীগী ভাইদের কর্মকান্ডের কারণে তাবলীগ পছন্দ না করা একটা প্রথম শেণীর মূর্খতা। ব্যক্তির দায়ভার প্রতিষ্ঠানের উপর চাপানো যায় না।

    তাবলীগ জামাত পছন্দ না করা নিজেই একটা মারাত্মক গুনাহ।
    দাওয়াত ফরযে কেফায়া এই বিষয়ে সারা বিশ্বের সমস্ত আলীম একমত। প্রায় সব আলীমই বর্তমান প্রেক্ষাপটে ফরযে আঈ’ন বলেছেন। আর কিছু আলীমদের মতে সব সময়ের জন্যই দাওয়াত ফরযে আঈ’ন। মাওলানা সা’দ সাহেব দামাতবারাকাতুহুম তাঁদের মধ্যে অন্যতম। এখানে ঊনার বয়ানগুলো তরজমা করার চেষ্টা করছি দেখতে পারেন। অভ্র ইন্সটল করে নিয়েন দয়া করে। কাজেই যে লোকগুলো বা যে জামাত এই ফরয কাজ করার চেষ্টা করছে তাদের পছন্দ না করাও গুনাহ। আমি ইনশাআল্লাহ পরবর্তীতে একটি পোস্টে এবিষয়ে লিখব কেন প্রচলিত অর্থে তাবলীগ জামাত পছন্দ না করা মারাত্মক গুনাহ হবে।

    কোন সন্দেহ নেই যে কেউ যে কোন ভাবে দাওয়াত দিবে সেই ومنْ احْسن قولا مّمّن -الاية এই আয়াতের ফযিলতের অন্তর্ভুক্ত হবে কিন্তু যে মেহনত সুন্নতের যত কাছা কাছি সে মেহনত থেকে ততবেশি ফায়দা পাওয়া যাবে। প্রচলিত তাবলীগ কেন অন্যান্য সকল মেহনতের মধ্যে সুন্নতের সবচেয়ে কাছাকাছি এ ব্যাপারে আমি পরে লিখব ইনশাআল্লাহ। সা’দ সাহেব দামাতবারকাতুহুম ও অন্যান্য আকাবিরদের বয়ানেও আশা করি এসম্পর্কে জানতে পারবেন। এবারের এস্তেমার বয়ানগুলো এখানে পাবেন। এটা আমার অফিসিয়াল সাইট।

    জাযাকাল্লহ

    দ্য মুসলিম

    @Anonymous,

    ভালো কিছু গ্রহণ করতে আমার কখনোই আপত্তি নেই। আপনার পোষ্টের আশায় রইলাম। ধন্যবাদ।

  2. ভাই, আসসালামু আলাইকুম,

    আপনি কি ১০০% শিওর আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা ছাড়া অন্য কারো সন্তুষ্টি অর্জন করা শিরক ? যেমন ধরুন পিতা মাতা ?

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ,

    এক্ষেত্রে দুটি ব্যপার রয়েছে। একটি হলো ইবাদত যা হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালার হক্ব বলে নির্দিষ্ট করে দিয়েছন। আর বাকী গুলো হলো পিতা-মাতার হক্ব এবং সমগ্র বান্দাহদের হক্ব। তাদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে খুশি করার জন্য করলে তাকে শিরকে আকবার বলা যাবে না।

    হাফিজ

    @দ্য মুসলিম, এটা আপনার নিজস্ব ব্যাখ্যা , যেটা ওহাবীদের থেকে এসেছে ।

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ,

    বুঝলাম না ভাই। কোনটা ওহাবীদের থেকে এসেছে? আমি যেভাবে ব্যাখ্যা করেছি সেটা?
    আপনি কি ১০০% শিওর আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা ছাড়া অন্য কারো সন্তুষ্টি অর্জন করা শিরক ? যেমন ধরুন পিতা মাতা ? এক্ষেত্রে আপনার মতামত কি?

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ,

    আরেকটি প্রশ্ন।
    ওহাবী কাদেরকে বলা হয়?
    কয়েকদিন আগে একটি বই পড়ে জানতে পারলাম- আহলে হাদীস কে ওহাবী বলা হয়।
    আশরাফ আলী থানভী রঃ এর উদৃতি থেকে জানতে পেরেছি- দেওবন্দীদেরকে ওহাবী বলা হয়।

    মুলত ওহাবী কারা?

  3. তিরমিযী শরীফে একটি হাদিস আছে খেয়াল করুন :

    “স্রষ্টার সন্তুষ্টি নির্ভর করছে পিতার সন্তুষ্টির ওপর আর স্রষ্টার অসন্তুষ্টি নির্ভর করছেন পিতার অসন্তুষ্টির ওপর ” । (তিরমিজী শরীফ)

    তার অর্থ আমাদের পিতার সন্তুষ্টি খুজতে হবে । এবং সেটা চাওয়া কোনো অপরাধ নয় ।
    আমার মনে হয় কোনোকিছু পড়ে সবসময়ই আলেমদের সাথে আলোচনা করা উচিত । খুব তাড়াতাড়ি শিরকের ফতোয়া দেয়া ঠিক না । হাদিস শরীফে এটাও আছে কেউ যখন কাউকে “কাফের” বলবে সে যদি সেটা না হয় তাহলে যে বলেছে তার ওপরে সেটা পড়বে ।

  4. লাল বর্ডার চিহ্নিত লেখাগুলো লক্ষ্য করুন। “এইরুপ বুযুর্গগণের সন্তুষ্টি হাসিল করা আমার মত গোনাহগারের জন্য গোনাহ-মাফী ও নাজাতের ওসীলা-এই আশায় দ্রুত রচনা করতঃ এই উপকারী কিতাবখানি খেদমতে পেশ করিতেছি”।

    বর্তমানে বাংলাদেশে ১৬কোটি মানুষ রয়েছে। একেক জনের চিন্তা ভাবনা-ধ্যান ধারণা একেক রকম। অতিপুরাতন একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝানো যায়, যেমনঃ আধা গ্লাস পানিকে কেউ অর্ধেক খালি আর কেউ অর্ধেক পূর্ণ বলে থাকেন। মাওলানা যাকারিয়া রঃ এর নিয়ত কি ছিলো একমাত্র আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন। তিনি হয়তোবা ঐ নিয়তে কথা গুলো বলেননি যে ভাবে লিখক ব্যাখ্যা করেছেন। আবার কেউ যদি ঐ নিয়তে লিখে থাকেন, তাহলে যে যত ভাবেই ব্যাখ্যা করেন না কেন সে যে শিরকে আকবরের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত তাকে কোন সন্দেহ নেই। তবে উপরোক্ত ক্ষেত্রে যেহেতু কারো মনের কথা পড়ার উপায় নেই সেক্ষেত্রে সরাসরি ঢালাও ভাবে মাওলানা যাকারিয়া শিরকে আকবরে লিপ্ত বলা উচিত বলে মনে হয় না। কারণ তিনি যদি এধরণের কোন নিয়ত পোষন না করে থাকেন তাহলে অভিযোগ যে আপনার উপরই বর্তাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। তাছাড়া মাওলানা যাকারিয়া রঃ কোন ধরণের শরীয়াত বহির্ভুত কাজ যেমন মাজার পুজা ইত্যাদি করেছেন বলেও আমার জানা নেই, যা দেখে উনার এই লিখার নিয়ত সম্পর্কে জানা যাবে।

    তবে, আপনার উদৃতি গুলোর জন্য ধন্যবাদ। এটাও ঠিক যে ইবাদত কবুল হবার জন্য শর্তের মধ্যে মহান আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য হওয়া বাঞ্চনীয়। বাংলাদেশের বর্তমান প্রক্ষাপটে পীরদেরকে নাজাতের ওসীলা বা ইত্যাদি মনে করা একটি নিত্য-নৈমত্তিক ব্যপার। এই ব্যপারটা আমি খুব ভালো ভাবে অনুভব করতে পারি কারণ, আমাকে প্রায় নিয়মিত গুলিস্হানের মাজারের পাশ দিয়ে যেতে হয়। গোলাপ শাহের মাজারের পাশে প্রায় সময়ে ১০-১৫ মিনিটের জ্যামেও আটকে থাকতে হয়। তখন দেখি কিভাবে তারা সিজদা করছে। এছাড়া আমি যেখানে থাকি তার পাশে ভান্ডারীদের একটি দরবার আছে যেখানে সবসময় উচ্চস্বরে কাউয়ালী গাওয়া হয়। আর গানের কথা শুনলেতো কানে হাত দিতে হয়।
    মোট কথা, উপরোক্ত উদৃতি দিয়ে যে কেউ শিরকে আকবরে ডুবে থাকতে পারে আবার নাও পারে। সেটা ভরসা করে নিয়তের উপর। ঢালাও ভাবে কাউকে সরাসরি দোষারোপ না করে ” যদি “ শব্দটি ব্যবহার করে ব্যাখ্যা করা গেলে ভালো হয়।

    ধন্যবাদ।

  5. বেয়াদবি এবং স্পর্ধার একটা সীমা থাকা উচিত।

  6. লেখকের এই পোস্ট টা এখানেও পোস্ট করেছিলেন http://www.somewhereinblog.net/blog/manwithamission/29144666
    এই সাইটে আমার এক্সেস ছিল না।
    সে খানে লেখকের সাথে আমার আলোচনা এখানে কপি পেস্ট করলাম।

    কঠিনলজিক বলেছেন: ভাই আপাততঃ পড়াশুনা চালিয়ে যান ।

    অপরিপূর্ণ ডাক্তার রোগীর জিবনাশংকা সৃস্টি করে,
    অপরিপূর্ণ আলেম ঈমান রক্ষার পরিবর্তে ইমান নাশের কারণ হয়।

    লক্ষ্য,উসিলা,মাধ্যম,কারণ, উদ্দেশ্য,রাস্তা আর গন্তব্যের মধ্যের পার্থক্য কি? এবং কিভাবে? বুঝার চেস্টা করুন ।

    শিরক কি ? শিরক এ আকবর কি ? কুফর কি ? জানুন।

    কোন মুসলমান কে মুশরিক বলা কুফর, জেনে নিন।
    সব চেয়ে জঘন্য অপবাদ অন্যায় ভাবে কাউকে কাফের,মুরতাদ বা মুশরিক বলা । এজন্য মুশরিক বা কাফের ফোতোয়া দেওয়া সবচেয়ে ঝুঁকিপুর্ণ ।
    উপমহাদেশের এক জন প্রথম সারির আলেম কে মুশরিক বলার মত ঝুঁকি নিতে পারেন এত বড় আলেম আপনে কোথায় বা কেমনে হলেন?

    শায়খুল হাদীস যাকারিয়্যা (রহঃ) বাংলায় বইটি লিখেন নি, মূল বইয়ে কি শব্দ ব্যবহার করেছেন সেটা আমার জানা নাই ।
    যদিও সন্তুষ্টি লিখতে কোন সমস্যা নাই তারপরেও যেহেতু শিরোনাম “প্রতিবেদন” আবার অত্যন্ত গম্ভীর অভিযোগ তাই অনুসন্ধানের গুরুত্ব বুঝাতে বলতে চাই , মূল শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ কি সন্তুষ্টি ? নাকি খুশি করা বা অন্য অর্থ হতে পারি কিনা ? যাচাই করেছেন? অনুবাদকের শব্দচয়নের ভুল হল কিনা ?

    নিজের ক্ষমতা কে যাচাই করুন তার পর ক্বোরআন হাদীস পড়ুন , না হলে ৫০ টা আয়াত আর ২০ টা হাদিস পইরা বাজারে গেলে মনে হবে বাংলাদেশের ১২ কোটি মুসলমানই কাফের ।

    ৫ টন ওজনের ভার বহন করার আগে ট্রাকের টায়ার আর বডি ফিটনেস পরিক্ষা না করে নিলে, ওজন বহন দুরের কথা ঐ ট্রাক বহন করার জন্য ক্রেন লাগবে। এলেম অনেক ভারী জিনিষ নিজের ফিটনেস ঠিক না করে এলেম নিয়া উল্টায়া পরবেন দোষ এলেমের না দোষ আলেমের ফিটনেসের ।

    ১৩. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:১৮
    উমর বলেছেন: @কঠিনলজিক, ভাই আপনার নামের সাথে আপনার মন্তব্যের যথার্থতা রয়েছে, মাশাআল্রাহ, চমৎকার বলেছেন।

    আরবীতে একটা কথা আছে “হাতেবুল্লাইলিন” যার মানে হলো রাত্রের বেলা লাকড়ী কুড়ানো। দিনের বেলা লাকড়ী কুড়ালে কোন সমস্যা নেই, ঠিকমতো লাকড়ী কুড়িয়ে ব্যাগে বা বস্তায় রাখা যায় কিন্তু রাত্রের বেলা অন্ধকারে লাকড়ী কুড়ালে বিপদে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে যেমন লাকড়ী কুড়াতে কুড়াতে কেউ সাপকে লাকড়ী মনে করে বস্তায় ভরে নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে আর তখন সাপের দংশনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ঠিক তেমনি কিছু মানুষের বই এরকম, আপনি পড়তে পড়তে অনেক কিছু শিখতে পারবেন কিন্তু হঠাৎ এমনকিছু শিখবেন বা জানতে পারবেন যা আপনার সমস্ত ইবাদতকেই বাতিল করে দিবে।

    কারো যদি আকীদাতে ভুল থাকে সে যেমন ভাল কথা বলবে ঠিক তেমনি শিরকী ও বিদআতী কথাও বলবে।
    নীচের ছবি দুটি লক্ষ্য করুনঃ

    এখন কেউ যদি বলে ইয়া রাসূলাল্লাহ মেহেরবাণীপূর্বক একটু দয়া ও রহমতের দৃষ্টি নিক্ষেপ করুন। এটা কি শিরক নয়? আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নিকট দয়া ও রহমত কামনা করা! নিঃসন্দেহে শিরকে আকবর।
    এরপর বলা হল, আমাদের মতো দূর্ভাগা হইতে আপনি কি করিয়া গাফিল থাকিতে পারেন।
    তারপর, বলা হল, আপন সৌন্দর্য ও সৌরভের দ্বারা সারা জাহানকে সঞ্জীবিত করিয়া তুলুন। আপনার চেহারার ঝলকে আমাদের দিনকে কামিয়াব করে দিন। দূর্বল ও অসহায়দের সাহায্য করুন।
    এগুলো কি বাড়াবাড়ি নয়? এগুলো কি শিরক নয়?

    দ্বিতীয় ছবিতে বলা হল, রাসূল ﷺ হাত বের করে দিয়েছিলেন। সাহাবাদের জন্যে কোনদিন হাত বের করে দিলেন না। আর উনার জন্যে বের করে দিলেন। এরকম জালিয়াতি কথা বলে মানুষের আকীদা নষ্ট করার মানে কি? এরকম বহু শিরকের উদাহরণ ফাযায়েল আমলে রয়েছে। আবার অনেক সহীহ কথাও রয়েছে। সহীগুলো মানতে কোনই আপত্তি নেই কিন্তু কেউ যদি ভাল কাজ মনে করে শিরক করে তাকে কি সাবধান করা উচিত নয়?
    যারা এগুলো পড়বে তারপর রাসূল ﷺ এর কবরের কাছে যেয়ে যদি বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ মদদ, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি দূর্বল সাহায্য করুন। তাহলে কি সে শিরক করবে না? এগুলো থেকে মানুষকে সাবধান করা কি উচিত নয়? কাউকে ধ্বংস করা বা কারো কুৎসা রটানো বা মানহানি করা এখানে উদ্দেশ্য নয়, উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যক্তি যেই হোক আমরা যেন শিরককে শিরক বলতে শিখি, মানুষকে কুরআন ও সুন্নাহ’র দিকে আহবান করি। আল্লাহ তাআলা আমাদের শিরক থেকে হিফাজত করুন, সত্য বুঝার তৌফিক দান করুন, আমিন। ১৪. ৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৪৭
    কঠিনলজিক বলেছেন: ভাই আরবী শব্দ টা “”হাতেবুল্লাইলিন” নয়, “হাতেবুল লাইল” হবে।
    জন্ম যেহেতু আরব দেশে এবং দির্ঘ সময় কাটিয়েছি তাই সংশোধন করে দিলাম ।

    আপনি মনে হয় একরকম জোর করেই কিছু একটা বলে ফেলতে চাইছেন ।
    প্রথম ছবি টা ভাল করে খেয়াল করেন শুরুর লাইনে যে দুইটা পংতি দেখছেন তা কিন্তু আরবী ভাষা নয় এবং লেখার ধরণে পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে এটা কোন কবিতা যা নিশ্চয় অন্য কারো এবং শেখ যাকারিয়া তা উদৃত করেছেন শুধু । নিচে বাংলা লেখাটার শিরোনাম “অনুবাদ” তা প্রমান করে।
    যদি কবিতা সাহিত্যের ন্যুনতম ধারণা থাকে তো আপনার জানা থাকার কথা কবিতা মানুষের বিশ্বাস কে প্রতিফলিত করে না বরং কল্পনা বা যা হবার নয়, বা হয় নাই , বা যদি এরকম হত, জাতীয় বিষয় প্রাধান্য পায়।
    আবেগী কবিতার বেলায় প্রায় ৯৯% ভাগ ই এরকম আপনি যে কোন ভাষার কবিতা থেকে উদাহরণ নিতে পারেন ।
    কবিতার শিরিক তখন শিরিক গন্য হবে যখন বক্তব্য পাস্ট ভার্বে ব্যাবহৃত হবে ।
    যদি বলে এরকম হলে এরকম করতাম তাহলে গুনাহ হবে তবে শিরিক হবে না।
    যেমন কোন মুসলমান যদি বলে কালকে আমি অমুক ধর্ম গ্রহন করব তা হলে সে গুনাহগার হবে তবে আজকে তাকে কাফের বা মুশরিক বলা যাবে না ।

    “দ্বিতীয় ছবিতে বলা হল, রাসূল ﷺ হাত বের করে দিয়েছিলেন। সাহাবাদের জন্যে কোনদিন হাত বের করে দিলেন না। আর উনার জন্যে বের করে দিলেন।”

    আপনার এই প্রশ্ন ঠিক আছে যে “সাহাবাদের জন্যে কোনদিন হাত বের করে দিলেন না। আর উনার জন্যে বের করে দিলেন। “(?? !!)
    এটার উত্তর আমার জানা নেই । তবে হাত মুবারক বের হবার সাথে আক্বীদার কি সন্পর্ক? মানুষের আকীদা নষ্ট হবে কেন ?
    বিষয় টা কোন হাদিস কোরান নয় ইতিহাস স্বরুপ একটা ঘটনা, সত্য না হবার সমূহ সম্ভাবনা আছে ,তবে এটা কোথাও থেকে উনি উদৃত করেছেন মাত্র । উনার নিজের কথা নয় আবার বিশ্বাস করা মোটেও জরুরি নয় ।

    “যারা এগুলো পড়বে তারপর রাসূল ﷺ এর কবরের কাছে যেয়ে যদি বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ মদদ, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি দূর্বল সাহায্য করুন। তাহলে কি সে শিরক করবে না?”
    এখানেও সেই পুরোনো কথায় ফিরে যাই ।
    শুধু এরকম আংশিক এলেম গ্রহন করা মানুষ এ রকম করতেও পারে তবে যে করবে তার অপরিপুর্ন এলেমের কারণে করবে লেখকের কিছুই করার নাই।
    শেখ যাকারিয়া শেষ জিবন টা মদিনা শরিফে কাটিয়েছেন উনার কবর জান্নাতুল বাক্বি তে , উনি নিজে এই ঘটনার লিখক কিন্তু উনি কখনো “কবরের কাছে গিয়ে বলেন নি, ইয়া রাসূলাল্লাহ মদদ” ।
    আমি ধারণা থেকে বলছি না আমি তখন সউদি আরবেই ছিলাম এবং ব্যাক্তিগত ভাবে মদিনার এমন অনেক কে চিনি যারা উনাকে চিনত এবং জানত।

    কবরের কাছে গিয়ে যদি কেও বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ মদদ, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি দূর্বল সাহায্য করুন। তাহলে অবশ্যই শিরক হবে সন্দেহের অবকাশ নাই।
    কেউ যদি ভাল কাজ মনে করে শিরক করে তাকে সাবধান করা উচিত। সম্পূর্ন একমত ।

    আপনার উদ্দেশ্য কে সমর্থন করি
    “উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যক্তি যেই হোক আমরা যেন শিরককে শিরক বলতে শিখি, মানুষকে কুরআন ও সুন্নাহ’র দিকে আহবান করি। আল্লাহ তাআলা আমাদের শিরক থেকে হিফাজত করুন, সত্য বুঝার তৌফিক দান করুন, আমিন। ”

    আমার এত লম্বা মন্তব্যের উদ্দশ্য হচ্ছে শেখ যাকারিয়া সন্মর্কে আপনার বক্তব্য
    “আল্লাহর সন্তুষ্টি ব্যতীত অন্যের সন্তুষ্টি কামনা করা হয়েছে এবং সেই অন্যের সন্তুষ্টির ওসিলায় গোনাহ মাফের আশা করা হয়েছে, যা স্পষ্ট শিরক। এটি হচ্ছে বড় শিরক বা শিরকে আকবর” ।

    আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে অবশ্যই শিরিক সম্মর্কে মানুষ কে সচেতন করুন তবে তা করতে গিয়ে কারো ব্যাপারে নিজের মতামত দিতে সতর্ক থাকুন।

    যত গুরুতর বিষয় তত বেশী সতর্কতা কাম্য।

    ১৫. ৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮
    উমর বলেছেন: @কঠিনলজিক,
    কবিতাটির আগে কিছু কথা ছিল সেটা আমি এখানে দেইনি নাই, এখন দিচ্ছি, এই ছবিটা দেখুন তারপর অনুবাদটি আবার পড়ুন বুঝতে সুবিধা হবে-

    এরপর দেখুন বিষয়টি তাহলে কি দাড়াল? ১৬. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ৩:৫৮
    কঠিনলজিক বলেছেন: বিষয় টি আপনিই দেখুন , লেখক নিজেই বলছেন কাসিদা মানে কবিতা আর মুখে বলা কেচ্ছা। লেখকের বলার ধরণ গল্পচ্ছলে বলার মত এর মধ্যে শিরকের মত সিরিয়াসনেস কোথায় দেখলেন ? আমি কনফিউসড। ১৭. ০১ লা মে, ২০১০ সকাল ৯:৪০
    উমর বলেছেন: @কঠিনলজিক, ভাই আপনি কি ছবিটার প্রথম দিকে ভালো করে পড়ে দেখেন নি, এই কাসিদা লেখার জন্যে উনি স্বপ্নে আদেশ প্রাপ্ত হয়েছেন এবং তিনি এটাকে একটা মহৎ কাসিদা হিসেবেই ফাযায়েল আমলে স্থান দিয়েছেন যে কাসিদা শুনে রাসূল ﷺ এর হাত বেড়িয়ে এসেছিল। আপনি তো লজিকের মানুষ, বলুন মৃত্যুর পর কারো হাত বেড়িয়ে আসে, আপনি এটা বিশ্বাস করবেন? যাকারিয়া সাহেব যদি বিশ্বাস নাই করতেন তাহলে এই কিচ্ছা কাহিনী ফাযায়েল আমলে স্থান দিতেন না। কারণ, উনি নিজেই বলেছেন এই কিচ্ছা আমার শোনা এবং স্মরণ থাকার মধ্যে কোনই সন্দেহ নাই।

    সত্য প্রকাশের জন্যে দলীল প্রয়োজন আছে, কোনআন এবং সহীহ সুন্নাহ থেকে সে দলীল হতে হবে। কিন্তু তিনি কোন দলীল ছাড়াই কাসিদা ছেপে দিলেন এখন কোন মানুষ যদি এই কাসিদা পড়ে শিরকে লিপ্ত হয় তার দায়ভার কে নেবে? ইসলামে কিচ্ছা কাহিনীর স্থান নাই। আপনি লজিকওয়ালা মানুষ এবং মাশাল্লাহ ভালো লজিক স্থাপন করেন এবং আপনার মন্তব্য থেকে বুঝতে পেরেছি আপনি আল্লাহর রহমতে ইসলাম সম্পর্কে পড়াশুনাও করেন। ঠিকআছে ধরলাম এগুলো মিথ্যা ভিত্তিহীন কাহিনী, তাহলে তো এগুলো প্রচার করা রাসূল ﷺ সম্পর্কে মিথ্যা প্রচার করার শামিল। ১৮. ০১ লা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৪
    কঠিনলজিক বলেছেন: দলীল প্রমান ছাড়া বা কিচ্ছা কাহীনির ইসলামে স্হান নাই, এই ব্যাপারে আপনার সাথে কোন প্রকার দ্বীমত প্রকাশ করার সুযোগ নাই ।

    আমি শিরক/শিরকে আকবর এবং শেখ যাকারিয়্যা (রঃ) মুশরিক বলার নিয়ে আপনার সাথে দ্বিমত পোষণ করি এবং তাই লিখেছিলাম ।

    আরেকটা বিষয় আমি গত কাল খোঁজ নিয়ে নিশ্চিৎ হলাম, ফাযায়েলে দরুদ চ্যাপটার কে লেখক জিবদ্বশায় মূল কিতাব থেকে বাদ দিয়ে দেন । ১৯৮৬ সাল থেকে এখন কোন ফাযায়েলে আমলেই ফাজায়েলে দরুদ অন্তর্ভুক্ত নয়।
    হ্য়ত এই ভুল বা এরকম আরো ভুলের কারণেই , ভূল হওয়া দোষের না যদি ভুল কে স্বীকার করে সংশোধন করা হয় ।

    আপনি মনে হয় সে রকম কোন আগেকার এডিশন থেকে এই কপি পেয়েছেন ।
    ০১ লা মে, ২০১০ রাত ৯:১৪
    লেখক বলেছেন: আমি ফাযায়েল আমল এই লিংক থেকে ডাউনলোড করেছি, এটার মাঝে প্রতিনিয়ত বই আপডেট করা হয়, ইজতেমার বয়ান আপডেট করা হয়।

    হক কথা বলেছেন, ভুল হওয়া দোষের না যদি ভুলকে স্বীকার করে সংশোধন করা হয়। তাবলিগ জামাতের সাথে আমার এমন কোন আক্রোশ নেই যে আমি তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করব, বরং তারা কিছু ভালো কাজ করে যেমন, বেনামাযী মানুষকে নামাজের দিকে আহবান করে, তাদেরকে কালেমা শিক্ষা দেয়, কিছু সহীহ সুন্নাত অনুসরণ করে। এই বড় জামাতটি যদি সংশোধন হয় তাহলে সেটা খুবই উত্তম হতো। তার জন্যেই এই প্রয়াস। আল্লাহ তাআলা আমাদের হক বুঝার তৌফিক দান করুন। আমিন।

    হাফিজ

    @KOTHINLOGIC,


    আপনার এই প্রশ্ন ঠিক আছে যে “সাহাবাদের জন্যে কোনদিন হাত বের করে দিলেন না। আর উনার জন্যে বের করে দিলেন। “(?? !!)
    এটার উত্তর আমার জানা নেই । তবে হাত মুবারক বের হবার সাথে আক্বীদার কি সন্পর্ক? মানুষের আকীদা নষ্ট হবে কেন ?


    ঠিক বলেছেন । এরা আক্বীদা বিষয়ে সঠিক জ্ঞান রাখে না । কোনটা আকিদা আর কোনটা আমল সেটার পার্থক্য এদের জানা নেই ।