একটু ভদ্রতার আশা
লিখেছেন: ' মুসলিম' @ সোমবার, নভেম্বর ১৬, ২০০৯ (৪:১৮ অপরাহ্ণ)
আল্লাহ মুসা আ. কে বলেন :
তোমরা উভয়ে (মুসা ও হারুন) ফেরআউনের কাছে যাও সে খুব উদ্ধত হয়ে গেছে। অতঃপর তোমরা তাকে নম্র কথা বল, হয়তো সে চিন্তা-ভাবনা করবে অথবা ভীত হবে। (সুরা তোয়াহা :৪৩-৪৪)
আমরা নিজেদেরকে যত বড় জ্ঞানীই মনে করিনা কেন, মুসা আ. নিঃসন্দেহে আমাদের চেয়ে জ্ঞানী ছিলেন। আমরা আমাদের প্রতিপক্ষকে যতই পথভ্রষ্ট মনে করিনা কেন, সে বা তারা নিঃসন্দেহে ফেরাউনের মতো পথভ্রষ্ট নয়।
তাহলে খোদ ফেরাউনের সাথে যদি নম্র ভাষায় দাওয়াত দেয়া বাঞ্ছনীয় হয়, তাহলে আমরা মুসলিমরা কেন মতপার্থক্যের জন্য অন্য মুসলিমকে উগ্র ভাষায় আক্রমণ করি ?
১০১ বার পঠিত
Processing your request, Please wait....












পাঁচ তারা।
তার মানে বুঝলেন না? মানুষ যখন তার যুক্তি হারিয়ে ফেলে তখন সে ঐ আচরন করে বসে।
আর একটা আয়াতে আল্লাহ রাসুলের মত শ্রেষ্ট মহামানবকে বলেন- পৃথিবীর সকল মানুষ কখনই কোন একটি বিষয়ে একমত হবেনা। তাই তুমি কোরানের বক্তব্য মানুষের নিকট উপস্থাপন করবে। যারা গ্রহণ করবেনা তাদের গ্রহণ করাতে বাধ্য করা তোমার কাজ নয়। গাশিয়াহ ২২ নিসা ৮০।
অথচ আমরা পারলে ইন্টারনেটের ভিতর দিয়ে হাত বের করে জোরে অন্য কারো গলা দিয়ে ঢোকায়া দিতে চাই।
অফ টপিকঃ আপনি কেন আমুতে দ্বীন নিয়ে কথা বলে সময় নষ্ট করছেন? বরং সেখান শুদ্ধি অভিযান থেকে এখানে আত্ম শুদ্ধি অভিযানে অধিক সময় ব্যয় করুন। ধন্যবাদ।