লগইন রেজিস্ট্রেশন

দশটি সম্পদ যা আমরা অপচয় করে থাকি

লিখেছেন: ' মুসলিম৫৫' @ মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৭, ২০০৯ (১২:১০ অপরাহ্ণ)

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
السلام عليكم ورحمة الله و بركاته

[মূল পয়েন্টগুলো হাফিজ ইবনুল কায়্যিম(রহ.)-এঁর (৬৯১-৭৫১ হিজরী) রচনা থেকে]:

১. আমাদের জ্ঞান

জ্ঞান অনুযায়ী কাজ না করে এর অপচয় করা হয়ে থাকে।

যেমন ধরুন, আপনি জানেন যে, ধূমপান ক্ষতিকর, কিন্তু আপনি সিগারেট খেয়েই চলেছেন। এই ক্ষেত্রে, আপনি আপনার [ধূমপানের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কিত] জ্ঞানের অপচয় করলেন।

২. আমাদের কর্ম

বিশ্বস্ততা ছাড়া সম্পাদিত কর্ম অপচয় হয়ে থাকে।

যেমন ধরুন আপনি সালাত আদায় করলেন। আপনি রুকু-সেজদা সবই করলেন, কিন্তু সে সব বিশ্বস্ততা সহকারে আল্লাহর উদ্দেশ্যে নিবেদিত ছিল না – হয়তো কেবলই লোক দেখানো ছিল। এক্ষেত্রে আপনার ঐ কর্ম (অর্থাৎ সালাত/নামায) অপচয় হলো।

৩. আমাদের সম্পদ

আমাদের সস্পদ অপচয় হয়, যখন তা আমাদের জন্য কোন ”আজর” বা প্রতিদান বয়ে আনে না। আমরা যখন লোক দেখানো কাজে বা সামাজিক প্রভাব প্রতিপত্তি বাড়াতে সম্পদ ব্যয় করি, তখন তা সত্যিকার অর্থে আমাদের জন্য দুনিয়ার বা আখিরাতের কোন মঙ্গল বয়ে আনে না।

যেমন ধরুন, আপনার ড্রয়িং দেখে অন্যেরা impressed হবে, এই চিন্তায় আপনি তা সুসজ্জিত করতে প্রচুর ব্যয় করলেন, হয়তোবা হারাম উপার্জনের আশ্রয়ও নিলেন। এই ক্ষেত্রে আপনার সম্পদ শুধু অপচয়ই হলো এবং আপনার জন্য ক্ষতিই বয়ে আনলো। আপনি অপরের জন্য আপনার শ্রমলব্ধ (অথবা চরিত্র বিক্রয়লব্ধ) সম্পদ ব্যয় করলেন, যা থেকে কোন প্রতিদান আসবে না। এর পরিবর্তে আপনি যদি আপনার বৃদ্ধ বাবা-মা বা এমনকি স্ত্রীকেও প্রয়োজনীয় কিছু কিনে দিতেন, তাতেও এই জগতে এবং আল্লাহর কাছ থেকে প্রতিদান পাবার আশা থাকতো।

৪. আমাদের অন্তরসমূহ

আমাদের অন্তরসমূহের অপচয় হয়, যখন তাতে আল্লাহর ভালোবাসা থাকে না এবং আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের কোন বাসনা থাকে না – না থাকে প্রশান্তি বা পরিতৃপ্তির কোন বোধ। তার পরিবর্তে আমাদের অন্তরসমূহ অন্য কিছু বা অন্য কারো ভালোবাসা দ্বারা পূর্ণ থাকে।

আমাদের নাগরিক জীবনের সমকালীন অস্থিরচিত্ততা, অর্থহীনতা ও হতাশা দেখলেই সহজে আঁচ করা যায় ইবনুল কায়্যিম(রহ.) কি বোঝাতে চাইছেন। আমাদের অন্তর জুড়ে থাকে নিজ নিজ petty-god বা demigod: কারো জন্য তা ম্যাডোনা, কারো জন্য মাইকেল জ্যাকসন, কারো জন্য তা শোয়েব আক্তার, আবার কারো জন্য হয়তো জুহী চাওলা। আর তার সাথে থাকে অর্থহীন, পরিণতিহীন নিস্ফল বাসনা। কেউ ভোর ২ টার সময় somewhereinblogএ লগ ইন করলে বুঝবেন আমি কি বোঝাতে চাইছি।

৫. আমাদের শরীরসমূহ

আমরা আমাদের শরীরসমূহ অপচয় করে থাকি, কারণ সেগুলো আল্লাহর ইবাদতে বা কাজে নিয়োজিত হয় না।

৬.আমাদের ভালোবাসা

আমাদের ভালোবাসা [ও আবেগ] অপচয় হয়, কারণ তা আল্লাহর জন্য নিবেদিত হয় না বরং অন্য কিছু বা অন্য কারো দিকে তা ধাবিত হয়।

৭.আমাদের সময়

সঠিকভাবে ব্যবহার না করার কারণে সময়ের অপচয় হয়ে থাকে। অতীতে কৃত অপকর্মের তিপূরণ করতে আমরা সময় ব্যয় না করে সময়ের অপচয় করে থাকি।

৮.আমাদের মেধা

আমাদের মেধার অপচয় হয় যখন তা এমন কাজে ব্যবহৃত হয়, যা আমাদের জন্য মঙ্গলময় নয় বরং যা সমাজ বা ব্যক্তির জন্য ক্ষতিকর। যে মেধা চিন্তা বা বিশ্লেষণ করে না বরং রিপুর তাড়নার কাছে নিজেকে সঁপে দেয়, তা অপচয় বা বাজে খরচ হয়ে যায়।

৯. আমাদের সেবা

আমাদের সেবা অপচয় হয়, যখন তা এমন কারো পিছনে ব্যয় হয় যে কিনা আমাদের আল্লাহর নিকটবর্তী হতে সাহায্য করে না অথবা দুনিয়ার কোন কাজেও আসে না।

১০.আমাদের যিকির

আমাদের যিকির অপচয় হয় যখন তা আমাদের অন্তরকে প্রভাবিত করে না।

উদাহরণস্বরূপ ”লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” যিকির করতে করতে অনেকে শেষ পর্যন্ত কেবল ”ইল্লাল্লাহ” ”ইল্লাল্লাহ” বলতে থাকেন। যার অর্থ হচ্ছে ”আল্লাহ্ ছাড়া” ”আল্লাহ্ ছাড়া”। অন্তরকে প্রভাবিত করে না বলেই এমন অর্থহীন যিকির করা সম্ভব হয়।

আল্লাহ্ হাফিজ!

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৩০০ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৪৯ টি মন্তব্য

  1. আসসালামু আলাইকুম।
    সুন্দর উপস্হাপনা। আর অনেক কিছু শিখতে পারলাম। (F) (F)

    muslim55

    ওয়া আলাইকাস সালাম! ধন্যবাদ – JazakAllahu Khairan!!

  2. আমাদের ভালোবাসা ও আবেগ যদি রসূলের দিকে ধাবিত হয় , তবে তা অপচয় কিনা?

    হাফিজ

    রসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) কে ভালোবাসা ইমানের অংগ । সুতরাং অপচয় হবার প্রশ্নই আসে না । তাছাড়া যেকোন মুসলমানকেই আমাদের ভালোবাসতে হবে শুধু রসুল কেনো।

    রসুলুল্লাহ (সা:) ওমর (রা:) কে বলেছিলেন “যতক্ষন পর্যন্ত আপনি আপনার নিজস্ব সত্বার চেয়েও আমাকে বেশি ভালবাসতে না পারবেন ততক্ষন পর্যন্ত আপনি প্রকৃত মুমিন হতে পারবেন না” ।

    আসলে আপনার সাথে আমাদের শুধু হাদিস দলীল কিনা এই বিষয়েই আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখা উচিত । কেননা আমি যেহেতু হাদিস মানি তাই হাদিস থেকে দলীল দিবো , আপনি যেহেতু মানেন না তাই মনে হয় অযথাই এসব আলোচনা থেকে কোনো সিদ্ধান্তে আসা যাবে না ।
    ধন্যবাদ

    faruk

    লেখক বলেছেন-

    ৬.আমাদের ভালোবাসা

    আমাদের ভালোবাসা [ও আবেগ] অপচয় হয়, কারণ তা আল্লাহর জন্য নিবেদিত হয় না বরং অন্য কিছু বা অন্য কারো দিকে তা ধাবিত হয়।

    কার কথা ঠিক? আপনার না রসূলের?

    faruk

    স্যরি রসূলের জায়গায় লেখকের হবে।

    হাফিজ

    তবে এই ধরনের বক্তব্যে যে ব্যাখ্যটা গ্রহন করা হয় সেটা হলো : শরীয়ত বিরুদ্ধ যেকোনো ভালোবাসা “আল্লাহ” এর বিপক্ষে ভালোবাসা ধরা হয় , আর ইসলাম সাপোর্ট করে এমন যেকোন ভালোবাসাকে আল্লাহর প্রতি নিবেদিত ভালোবাসা ধরা হয় । একটি উদাহরন দি্চ্ছি ।

    নিজের শিশুদের ভালবাসা সুন্নত । তাই কেউ যদি সুন্নতের নিয়েতে শিশুদের ভালোবাসে তাহলে প্রকারন্তরে আল্লাহর প্রতি নিবেদিত হলো , কেননা যে সুন্নত পালন করে সে প্রকারন্তরে আল্লাহর নির্দেশিত পথেই রয়েছে ।

    এটা কিন্তু লেখকের বক্তব্য নয় ।

    হাফিজ

    @ফারুক , আপনাকে একটি প্রশ্ন , আপনি কি রসুলকে ভালোবাসার বিপক্ষে ?

    faruk

    আমার পোস্টে আমাকে প্রশ্ন করলে ভালো হয়। এখানে আমি পোস্টের বক্তব্যের উপরে প্রশ্ন করেছি। অপ্রাসঙ্গিক কিছু প্রশ্ন করিনি!!

    muslim55

    আস সালামু আলাইকুম ভাই হাফিজ! আপনার মতাতের সাথে আর একটু যোগ করছি।

    রাসূল(সা.)-কে ভালোবাসতে হবে এটা আল্লাহরই কথা, যেমন নীচের আয়াতে আল্লাহ বলেছেন যে, আমরা পার্থিব জীবনে স্বাভাবিকভাবেই যে ৮টি জিনিসকে ভালোবাসি, সেগুলোর চেয়ে যদি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা.) কে [এবং জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহকে] বেশী ভালো না বাসতে পারি, তবে শাস্তির জন্য অপেক্ষা করতে:

    Say: If it be that your fathers, your sons, your brothers, your mates, or your kindred; the wealth that ye have gained; the commerce in which ye fear a decline; or the dwellings in which ye delight – are dearer to you than Allah, Or His Messenger, or the striving in His cause – then wait until Allah brings about His decision: and Allah guides not the rebellious. (Qur’an, 9:24)

    হাফিজ

    @মুসলিম৫৫,
    অসংখ্য ধন্যবাদ এই আয়াত উল্লেখ করার জন্য । অনুবাদটি নীচে দিলাম ।

    বলঃ “যদি তাই হয় যে, তোমাদের পিতা, তোমাদের পুত্র, তোমাদের ভাই, তোমাদের পত্নী, তোমাদের জ্ঞাতিবর্গ, তোমাদের অর্জিত সম্পদ, তোমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য যার মন্দাপড়ার আশংকা কর; অথবা বাসস্থান যেখানে তোমরা পরমানন্দ লাভ কর, এগুলি তোমাদের নিকট যদি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূল অথবা আল্লাহ্‌র পথে সংগ্রাম অপেক্ষা বেশী প্রিয় হয়; তবে আল্লাহ্‌র সিদ্ধান্ত আসা পর্যন্ত অপেক্ষা কর”

    faruk

    9:24 আয়াতে কাদেরকে এই কথা বলা হয়েছে সেটা জানতে ১নং আয়াত থেকে ২৯ নং আয়াত পর্যন্ত পড়ুন।

    এরপরেও যদি আপনার কথাই যদি সত্যি বলে আপনার মনে হয় , তাহলে পোস্টে আপনার বক্তব্য সংশোধন করুন।

    muslim55

    পোস্টের পয়েন্টগুলো আমার নয়, হাফিজ ইবনুল কায়্যিমের। তিনি সহ এযাবতকালের সকল বড় স্কলার মনে করতেন/করেন যে, আল্লাহর রাসূলকে ভালোবাসা আমাদের ঈমানের শর্ত এবং আল্লাহর রাসূলকে আমরা আল্লাহর জন্যই ভালোবাসবো। এতে আমাদের কোন সমস্যা নাই। তিনি অবশ্য “আপনার সুন্নাহ/রাসূল বিবর্জিত দ্বীন” সম্বন্ধে জানতেন না। জানলে আরো বিস্তারিত লিখতেন। তাঁর “ভালোবাসায় শিরক” নামক লেখা আমি পড়েছি – হয়তো কখনো তরজমাটা এই ব্লগে পোস্ট করবো। সেটা পড়লে যে কেউ বুঝবে যে, যা কিছু আল্লাহর কাছে pleasing, সেটা ভালোবাসা মানে আল্লাহকে ভালোবাসা – তবে আল্লাহকে ভালোবাসার চূড়ান্ত manifestation হচ্ছে রাসূলের (সা.) আনুগত্য ও জিহাদ।

    আসলে আপনি শুধু শুধু আমাদের (অন্তত আমার) সময় নষ্ট করছেন। ধরুন আমি আপনার সাথে কাপড়ের ব্যবসা করতে চাই। কি দিয়ে কাপড় মাপবো, সেটাই যদি ঠিক করতে না পারি বা সেটাতেই যদি একমত হতে না পারি, তাহলে কি কোন লেনদেন সম্ভব? আমার কাছে কুর’আন ও সুন্নাহ “দলিল” – আপনার কাছে নয়। এখানে শুধু শুধু তর্ক জুড়ে, আমার জীবনের অমূল্য সময়টুকু নষ্ট করার অভদ্রতাটুকু না করার মত ভদ্রতা জ্ঞানটুকু আপনার থাকা উচিত ছিল বলে আমি মনে করি। আশাকরি ভবিষ্যতে কথাটা মনে রাখবেন!

    faruk

    আমার কাছে কুর’আন ও সুন্নাহ “দলিল” – আপনার কাছে নয়।

    মিথ্যাচার আপনার কাছে আশা করিনি। কোথায় আমি বলেছি কোরান আমার কাছে দলিল নয়।

    আমার জীবনের অমূল্য সময়টুকু নষ্ট করার অভদ্রতাটুকু না করার মত ভদ্রতা জ্ঞানটুকু আপনার থাকা উচিত ছিল বলে আমি মনে করি। আশাকরি ভবিষ্যতে কথাটা মনে রাখবেন!

    এখনো বুঝিনি আপনার অমূল্য সময় কিভাবে নষ্ট করে অভদ্রতা করলাম। পোস্টের প্রথমেই যদি বলতেন কোন কমেন্ট চান না যেমন অনেকে বলে থাকেন , তাহলে আপনি একথা বল্লে মানাতো।

    যাই হোক নিশ্চিন্ত থাকেন , ভবিষ্যতে আপনার পোস্টে কোন কমেন্ট করব না। আপনার যা মনে চায় বক্তব্য দেন।

    the muslim

    ফারুক ভাই, আসসলামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ

    আল্লাহ তা’য়ালা আপনাকে হিদায়াত দিন।

    আমিন।

  3. ব্যক্কলের অনুপ্রবেশ । উপরের আলোচনায় আমি ব্যক্কলের যা মনে হইল, ফারুক সাব আসলে লোক ভালা । উনি তো একবারও কন নাই যে উনি রাসুলরে ভালোবাসেন না। আপনারা খামাখাই উনারে দোষ দিতাছেন। বরং উনি আশ্চর্য হইতাছেন এই দেইখা যে রাসুলের প্রতি আপনাদের ভালোবাসা অনেক কম । কারন আপনারা লেখছেন “আমাদের ভালোবাসা [ও আবেগ] অপচয় হয়, কারণ তা আল্লাহর জন্য নিবেদিত হয় না বরং অন্য কিছু বা অন্য কারো দিকে তা ধাবিত হয়” । এখানে লেখকের লেখা দরকার ছিল “কারণ তা আল্লাহর ও তার রাসুলের জন্য নিবেদিত হয় না” ।

    ভুল হইলে মাফ কইরা দিয়েন। ফারুক সাব, মন্তব্য চাই।

    বাংলা মৌলভী

    ঠিক কইছেন তো? তবে আপনার নামটা কি রকম হইলো?

    Bekkal

    এই দুনিয়াতে দেখতাছি সবাই এত বেশী জানে, সবাই এত বড় আলেম, সবাই এত বড় পন্ডিত, হেই তুলনায় আমি কিচ্ছু জানি না। নিজেরে সব সময়ই ব্যক্কল মনে হয়। তাই আপনেরা কওনের আগে নিজেই নিজের নাম ব্যক্কল দিছি।
    যাই হোক, ফারুক সাব আপনে এখনো কন না কেন যে আপনে আসলে রাসুলরে ভালবাসেন। তাইলেতো সব ঝগড়া মিট্টা যায়। আপনেগো কাছ থেইকাইতো জানছি যে ঝগড়া হত্যা করার চেয়েও খারাপ কাজ।
    ভুল হইলে মাফ কইরা দিয়েন।

  4. ব্লগার ফারুকের উদ্দেশ্যে “আমার ব্লগে” একই বিষয়ের উপর আমার মন্তব্যটা আরেকটু বিস্তারিত, তাই PII-এর সকলের জন্য তুলে দিলাম:

    পোস্টের পয়েন্টগুলো আমার নয়, হাফিজ ইবনুল কায়্যিমের। তিনি সহ, এযাবতকালের সকল বড় স্কলার মনে করতেন/করেন যে, আল্লাহর রাসূলকে(সা.) ভালোবাসা আমাদের ঈমানের শর্ত এবং আল্লাহর রাসূলকে আমরা আল্লাহর জন্যই ভালোবাসবো। এতে আমাদের কোন সমস্যা নাই। তিনি অবশ্য “আপনার সুন্নাহ/রাসূল বিবর্জিত দ্বীন” সম্বন্ধে জানতেন না। জানলে হয়তো আরো বিস্তারিত লিখতেন। তাঁর “ভালোবাসায় শিরক” নামক লেখা আমি পড়েছি – হয়তো কখনো তরজমাটা এই ব্লগে পোস্ট করবো। সেটা পড়লে যে কেউ বুঝবে যে, যা কিছু আল্লাহর কাছে pleasing, সেটা ভালোবাসা মানে আল্লাহকে ভালোবাসা – তবে আল্লাহকে ভালোবাসার চূড়ান্ত manifestation হচ্ছে রাসূলের (সা.) আনুগত্য ও জিহাদ। আল্লাহ তো আর আইসক্রীমের মত কিছু নন(নাউযুবিল্লাহ), যে বেশী খেতে চাওয়া থেকে বোঝা যাবে যে, আমরা তাঁকে ভালোবাসি। আল্লাহ্ transcendental সত্তা – সুতরাং তাঁকে ভালোবাসা হচ্ছে তাঁর কাছে যা pleasing তা ভালোবাসা – যেমন নীচের আয়াতে তিনি বলেছেন, রাসূলের আনুগত্য হচ্ছে তাঁকে ভালোবাসার বহিপ্রকাশ:
    Say: “If ye do love Allah, follow me: Allah will love you and forgive you your sins; for Allah is Oft-Forgiving, Most Merciful.” (কুর’আন, ৩:৩১)

    একইভাবে এর আগে উদ্ধৃত আয়াতে (৯:২৪) আল্লাহ বলেছেন যে, রাসূলকে(সা.) “না ভালোবাসাটা” তাঁর কাছে অপছন্দনীয় ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ!!

    আসলে আপনি শুধু শুধু আমাদের (অন্তত আমার) সময় নষ্ট করছেন। ধরুন আমি আপনার সাথে কাপড়ের ব্যবসা করতে চাই।কি দিয়ে কাপড় মাপবো, সেটাই যদি ঠিক করতে না পারি বা কতটুকু দৈর্ঘকে আমরা “১ গজ” বা “১ মিটার” বলবো সেটাতেই যদি আমরা একমত হতে না পারি, তাহলে কি কোন লেনদেন সম্ভব? আমার কাছে কুর’আন ও সুন্নাহ “দলিল” – আপনার কাছে নয়। এখানে শুধু শুধু তর্ক জুড়ে, আমার জীবনের অমূল্য সময়টুকু নষ্ট করার অভদ্রতাটুকু না করার মত ভদ্রতা জ্ঞানটুকু আপনার থাকা উচিত ছিল বলে আমি মনে করি। আশাকরি ভবিষ্যতে কথাটা মনে রাখবেন!

    পোস্টের পয়েন্টগুলো আমার নয়, হাফিজ ইবনুল কায়্যিমের। তিনি সহ, এযাবতকালের সকল বড় স্কলার মনে করতেন/করেন যে, আল্লাহর রাসূলকে(সা.) ভালোবাসা আমাদের ঈমানের শর্ত এবং আল্লাহর রাসূলকে আমরা আল্লাহর জন্যই ভালোবাসবো। এতে আমাদের কোন সমস্যা নাই। তিনি অবশ্য “আপনার সুন্নাহ/রাসূল বিবর্জিত দ্বীন” সম্বন্ধে জানতেন না। জানলে হয়তো আরো বিস্তারিত লিখতেন। তাঁর “ভালোবাসায় শিরক” নামক লেখা আমি পড়েছি – হয়তো কখনো তরজমাটা এই ব্লগে পোস্ট করবো। সেটা পড়লে যে কেউ বুঝবে যে, যা কিছু আল্লাহর কাছে pleasing, সেটা ভালোবাসা মানে আল্লাহকে ভালোবাসা – তবে আল্লাহকে ভালোবাসার চূড়ান্ত manifestation হচ্ছে রাসূলের (সা.) আনুগত্য ও জিহাদ। আল্লাহ তো আর আইসক্রীমের মত কিছু নন(নাউযুবিল্লাহ), যে বেশী খেতে চাওয়া থেকে বোঝা যাবে যে, আমরা তাঁকে ভালোবাসি। আল্লাহ্ transcendental সত্তা – সুতরাং তাঁকে ভালোবাসা হচ্ছে তাঁর কাছে যা pleasing তা ভালোবাসা – যেমন নীচের আয়াতে তিনি বলেছেন, রাসূলের আনুগত্য হচ্ছে তাঁকে ভালোবাসার বহিপ্রকাশ:
    Say: “If ye do love Allah, follow me: Allah will love you and forgive you your sins; for Allah is Oft-Forgiving, Most Merciful.” (কুর’আন, ৩:৩১)

    একইভাবে এর আগে উদ্ধৃত আয়াতে (৯:২৪) আল্লাহ বলেছেন যে, রাসূলকে(সা.) “না ভালোবাসাটা” তাঁর কাছে অপছন্দনীয় ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ!!

    আসলে আপনি শুধু শুধু আমাদের (অন্তত আমার) সময় নষ্ট করছেন। ধরুন আমি আপনার সাথে কাপড়ের ব্যবসা করতে চাই।কি দিয়ে কাপড় মাপবো, সেটাই যদি ঠিক করতে না পারি বা কতটুকু দৈর্ঘকে আমরা “১ গজ” বা “১ মিটার” বলবো সেটাতেই যদি আমরা একমত হতে না পারি, তাহলে কি কোন লেনদেন সম্ভব? আমার কাছে কুর’আন ও সুন্নাহ “দলিল” – আপনার কাছে নয়। এখানে শুধু শুধু তর্ক জুড়ে, আমার জীবনের অমূল্য সময়টুকু নষ্ট করার অভদ্রতাটুকু না করার মত ভদ্রতা জ্ঞানটুকু আপনার থাকা উচিত ছিল বলে আমি মনে করি। আশাকরি ভবিষ্যতে কথাটা মনে রাখবেন!

    ইতিমধ্যে উনি আমাকে মিথ্যাবাদীও বলেছেন, কারণ আমি তাকে বলেছিলাম:

    আমার কাছে কুর’আন ও সুন্নাহ “দলিল” – আপনার কাছে নয়।

    আপনারাই বলুন তিনি কি সুন্নাহকে “দলিল” মানেন??

    faruk

    মিথ্যাচার আপনার কাছে আশা করিনি। কোথায় আমি বলেছি কোরান আমার কাছে দলিল নয়।

    কোরান মানি কিনা সেই প্রশ্ন করুন।

    Bekkal

    ফারুক সাব, দয়া কইরা আমার দিকে একটু তাকান। আমি যে একটা কমেন্ট করছি, হেইডার একটু উত্তর দেন।

    faruk

    ভাই Bekkal , রসূল কে আমি মানি ও শ্রদ্ধা করি , যেমনটি করতে আল্লাহ কোরানে আদেশ করেছেন। এ কথাটি তো আমি আগেও বহুবার বলেছি।

    Bekkal

    ব্যস, ঝগড়া তো এইখানেই শেষ হইয়া যাওনের কথা। তবু মনে হয় হেরা শেষ করব না। কারন তাগো অভিযোগ আপনে হাদিস মানেন না। আমি তো ব্যক্কল, আমি কিছু জিনিষ বুঝতাম চাই। (১) হাদিস যদি না মানি, তয় নামায কেমনে পরুম, (২) আর অযু কামনে করুম? আপনেগো মত বড় বড় আলেমগো কাছ থেইকা শুনছি যে নামাজ বা আযু কেমনে কারতে হইব, হেইডা নাকি কোরানে নাই। দয়া কইরা বুঝায়া দিবেন। আবার কইয়েন নে যে তুমি ব্যক্কল, তুমি এইগুলা বুজবা না। আরে আমাগো মত ব্যক্কলের জন্ম হয় দেইখাইতো আপনাগো মত বড় বড় আলেম আল্লাহপাক দুনিয়াতে পাডান।
    ভুল হইলে মাফ কইরা দিয়েন।

    হাফিজ

    @Bekkal ,
    ব্রাদার আপনে নিজের “ব্যাক্কেল” বললে কি হবে আমার তো আপনারে “আতেল” মনে হচ্ছে :)

    Bekkal

    আমি যে ব্যক্কল এতে কোনো সন্দেহ নাই। কিন্তু বুঝতাছি না ফারুক সাবে আমার কথার জবাব দিতাছে না কেনো?

    faruk

    Shabbir Ahmed – Obeying the messenger = Obeying God’s revelations to him

    Bekkal

    ব্যক্কলে কি আইনষ্টাইনের থিউরী বুঝে? একটু সরল বাংলায় বুঝায়া দেন।

    faruk

    কোরানকে মানা ও অনুসরন করার মানেই হলো রসূলকে মানা ও অনুসরন করা।

    হাফিজ

    @ফারুক সাহেব,

    কোরানকে মানা ও অনুসরন করার মানেই হলো রসূলকে মানা ও অনুসরন করা।

    আপনি যে ব্যাখ্যাটা দিলেন এটার কোনো দলীল দিতে পারবেন ১) কোরানের আয়াত থেকে ২) এ যাবৎকালে আর কেউ এমন ব্যাখ্যা দিয়েছে এমন কারো রেফারেন্স ?

    Bekkal

    আমার কিন্তু ফারুক সাবের কথা একদম ঠিক মনে হইছে। কারন কোরানে নাকি কোন জায়গায় লেখা আছে “ফাত্তাবেউনি” (আলেমগো কাছ থেইকা শোনা)। তয় আল্লায় তো নিজেই কইছে রাসুলরে মানতে। তার মানে যে কোরান মানবো সে তো রাসুলরে মানবৈ। আমি কি ভুল কইলাম?
    ভুল হইলে মাফ কইরা দিয়েন।

    faruk

    ৫) সূরা আল মায়েদাহআয়াত ৪৮
    আমি আপনার প্রতি অবতীর্ণ করেছি সত্যগ্রন্থ, যা পূর্ববতী গ্রন্থ সমূহের সত্যায়নকারী এবং সেগুলোর বিষয়বস্তুর রক্ষণাবেক্ষণকারী। অতএব, আপনি তাদের পারস্পারিক ব্যাপারাদিতে আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করুন এবং আপনার কাছে যে সৎপথ এসেছে, তা ছেড়ে তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না। আমি তোমাদের প্রত্যেককে একটি আইন ও পথ দিয়েছি। যদি আল্লাহ চাইতেন, তবে তোমাদের সবাইকে এক উম্মত করে দিতেন, কিন্তু এরূপ করেননি-যাতে তোমাদেরকে যে ধর্ম দিয়েছেন, তাতে তোমাদের পরীক্ষা নেন। অতএব, দৌড়ে কল্যাণকর বিষয়াদি অর্জন কর। তোমাদের সবাইকে আল্লাহর কাছে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। অতঃপর তিনি অবহিত করবেন সে বিষয়, যাতে তোমরা মতবিরোধ করতে।

    ৪) সূরা আন নিসা আয়াত৬১
    আর যখন আপনি তাদেরকে বলবেন, আল্লাহর নির্দেশের দিকে এসো-যা তিনি রসূলের প্রতি নাযিল করেছেন, তখন আপনি মুনাফেকদিগকে দেখবেন, ওরা আপনার কাছ থেকে সম্পূর্ণ ভাবে সরে যাচ্ছে।

    জানেন কি কোরানকেও রসূল বলা হয়েছে।5:15, 11:1-3, 14:1, 27:2, 32:3, 34:6, 42:52, & 65:11.

    the muslim

    ভাই Bekkal,
    এই তর্ক যুদ্ধ গত অনেক দিন ধরে চলতাছে। এই আহলে কোরান দলটা একটা “গোদের উপর বিষ ফোঁড়া”। এমনিতেই ইয়াহুদি, নাসারা, বুশ আর নিজেদের বদ আমলের কারনে আমরা আজ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখিন। তার উপর “ঘরের শত্রু বিভিষন” হল এই “আহলে কোরান”। সকল ধর্ম প্রাণ মুসলমান কে এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার করা আমাদের দায়িত্ব। তা না হলে একদিন এরাও আহমদিয়াদের মতো আসন গেঁড়ে বসবে।

    হয়তোবা আল্লাহ তায়ালা এদের দিয়ে আমাদের ঈমান পরিক্ষা করছেন।

    গত কয়েকদিন ধরে যতটুকু সম্ভব PII এর আর্কাইভ পড়ে আমি যতটুকু বুঝেছি এরা একটা “সংগঠিত দল”। আর এক কথা বার বার বলে।প্রশ্ন করলে ঠিক মতো উত্তর দেয় না, পাশ কাটিয়ে যায়।

    আমি যানিনা, ফারুক ভাই নিজেকে “আহলে কোরান” বলে মনে করে কিনা। যদি করে থাকে, তাহলে আল্লাহ উনাকে হেদায়াত দিন।

    যাই হোক, এতগুলো কথা বললাম শুধু আপনাকে এটা বুঝানোর জন্য যে, এতবড় সমস্যার হুট করে একটা সমাধান না দিয়ে PII, আমার ব্লগ, সামু এর আর্কাইভ ঘেটে আরেকটু ভালো ভাবে জানলে ভালো হয। আশা করি প্রকৃত সমস্যা অনুধাবন করতে পারবেন। ।আপনার জন্য দোয়া রইল।

    ব্যাক্তিগত ভাবে আরেকটা কথা, হাদিসে এসেছে, কোন ব্যাক্তির নাম তার চরিত্রের উপর প্রভাব ফেলে। তাই নামের ব্যপারে একটু সতর্ক হলে ভালো হয়। আল্লাহ তায়ালা আপনাকে আপনার নামের প্রভাব থেকে মুক্ত রাখুন। (F)

  5. আমি ভেবেছিলাম উনি(ফারুক) আমাকে অবকাশ দেবেন (he would leave)। তা যখন দিলেন না, তখন অন্যত্র তাকে আমি এ ব্যাপারে কি বলেছি তা আপনাদের সাথে শেয়ার করি। নীচের পুরাটুকুই “আমার ব্লগ থেকে:

    আমি বলেছি:

    আমার কাছে কুর’আন ও সুন্নাহ “দলিল” – আপনার কাছে নয়।

    আমি যদি বলি আমি (A+B)= “ক” মনে করি

    আর আপনি বললেন যে, আপনি A = “ক” মনে করেন

    তাহলে কি আমার “ক” আর আপনার “ক” এক হলো? “ক” যদি একটা নির্দিষ্ট বস্তু হয়ে থাকে, তবে আমারটা “ক” হলে আপনারটা “ক” হবার উপায় নেই [যদি না A অথবা B অথবা দু'টোই {এবং সেক্ষেত্রে "ক"ও} ০ না হয়]।
    এমন যদি হয়ে থাকে যে, আপনি সুন্নাহ মানেন তবে আমার কথাটা মিথ্যা – তা না হলে আপনি মিথ্যাচারী!! আপনি কি সুন্নাহ মানেন??

    সময় নষ্টের কথাটা আমি আপনাকেই শুধু বলেছি – আর কারণ কি তাও বলেছি!!

    faruk

    আমার কাছে কুর’আন ও সুন্নাহ “দলিল” – আপনার কাছে নয়।

    এর অর্থ দাড়ায় কোরান ও সুন্নাহ কোনটাই আমার কাছে দলিল নয়। যতই a+b দেখান না কেনো এর অর্থ অন্য কিছু হয় না। আপনার কাছে নয় একথা আপনি বলতে পারেন না।

    আসলেই “vain talks” হয়ে যাচ্ছে। ভালো থাকুন। শান্তিতে থাকুন। May Allah guides us all.

  6. ৯. আমাদের সেবা

    আমাদের সেবা অপচয় হয়, যখন তা এমন কারো পিছনে ব্যয় হয় যে কিনা আমাদের আল্লাহর নিকটবর্তী হতে সাহায্য করে না অথবা দুনিয়ার কোন কাজেও আসে না।

    In general আমি একমত তবে একজন দাওয়াতীর জন্য যেখানে problem বরং সেখানে যাওয়া আরো বেশী দরকার। তবে হ্যা prepared থাকা উচিত।

    One of the closest companion or one of the 4 Caliphs said that he is awlays afraid of a Kafer since he does not know when Allah`s Hikma will enter that person, and when it enters that person he/she will start their life from that day like a new born baby, with no SIN.

    the muslim

    (Y) (Y)

    muslim55

    Assalaamu Alaikum!

    For Muslims, saving “Our souls” has become a priority and that is more important NOW than reaching out the “kuffar” – as Allah has mentioned in his book:

    “O ye who believe! Save yourselves and your families from a Fire whose fuel is Men and Stones, over which are (appointed) angels stern (and) severe, who flinch not (from executing) the Commands they receive from Allah, but do (precisely) what they are commanded.” (Qur’an, 66:6).

    We are really in very bad shape. You just need to see the debates we engage in (in this blog or elsewhere) to understand where we stand. May Allah grant us His Mercy to come out of the chaos we are in and save us from engaging in “vain talks”! Ameen!!

    হাফিজ

    @সবাইকে,

    আমার মনে হয় , যদি আপনারা মনে করেন তাকে যথেষ্ট দলীল দেয়া হয়ে গেছে তাহলে “ফারুককে” ইগনোর করলেই তো পারেন । যেমন “মেরিনার” ওনার পোস্টে বলেই দেন “আহলে কোরান” কেউ যেন কমেন্ট না করে। আপনারা এমন বলে দেন এবং বিরত থাকুন । আমিও তাকে ইগনোর করার পক্ষে ।

    যার সময় আছে সে ওনার সাথে আলোচনা চালিয়ে যাক। আমরা যেটা প্রয়োজনীয় মনে করি সেই বিষয়গুলো আলোচনায় নিয়ে আসি ।

    আমি বিশেষ করে “আমল” সংক্রান্ত পোস্ট , আমরা কিভাবে আমাদের সংশোধন করতে পারি সেটা বেশী আলোচনার পক্ষে । যেমন যেগুলো থেকে বেচে থাকতে হবে “গীবত” , “হিংসা” , “ঝগড়া” , “ফেতনা” , “অহংকার” ইত্যাদি । এবং যেগুলো থাকা উচিত “আদব” , “হালাল রুজী” , “পিতা মাতার সেবা করা” , “শিশুদের আদব শিখানো” , “জামাত নামাজ পড়ার ফজীলত” ইত্যাদি ।

    ভাই মুসলিম৫৫ এবং অন্যান্য , যদি বক্তব্যে কোনো ভুল থাকে তাহলে আমার ভুল ধরিয়ে দিন । ধন্যবাদ

    the muslim

    100% একমত।

    মর্দে মুমিন

    হাফিজ ভাই, এখানে আমার একটু ভিন্নমত আছে, আপনি যে বিষয় গুলোর কথা বলেছেন। এগুলো আমরা পারিবারিক ঐতিহ্য সূত্রে অনেক কিছু পেয়ে থাকি এবং স্কুল মাদ্রাসায় ও শিক্ষকবৃন্দের কাছ থেকেও শিখে থাকি।
    আমরা যে বিষয় গুলো ঐ সব থেকে মোটেই পাইনা সে গুলোরে টপ প্রায়োরিটি দিলে ভাল হত বলে আমি মনে করি। আমাদের প্রধাণ লক্ষ্য হওয়া উচিত মুসলিম উম্মাহর মধ্যে বৃহত্তর ঐক্য এবং বতর্মান সময়ের চলমান সমস্যা।
    ধন্যবাদ।

    হাফিজ

    @মর্দে মুমিন,

    আমাদের প্রধাণ লক্ষ্য হওয়া উচিত মুসলিম উম্মাহর মধ্যে বৃহত্তর ঐক্য এবং বতর্মান সময়ের চলমান সমস্যা।

    মুসলিম ঐক্য তো অবশ্যই দরকার , ব্যক্তিগত আমল ঠিক না করে সেই ঐক্য কোনোদিনও সম্ভব না । আর আপনে যেগুলো বললেন উত্তরাধিকার সুত্রে আমরা পেয়েছি , সেটা হয়ত গুটিকয়েকজনের ফেমিলিতে এখনো আছে , কিন্তু বেশীর ভাগ আমরা সুদ , ঘুষ , বেহায়াপনার জড়িত আছি ।

    নিজের শরীরে যদি আমরা ইসলাম কে না আনতে পারি সেখানে ঐক্য কোনোমতেই সম্ভব না । আর আপনিও হয়ত স্বীকার করবেন আমরা যদি প্রকৃত মুসলমান না হই , তাহলে সেই ঐক্য দিয়ে কোনো লাভ নেই। একটি উদাহরন দিচ্ছি :

    নিজের প্রকৃত মুসলামন না হয়ে যদি ঐক্য আসে , সেই ঐক্য হবে অনেকটা এমন, সবাই ঐক্য হয়ে একমত পোষন করল যে ঘুষ, হ্ত্যাকে, অশ্লিল সিনেমা, আইন করে বৈধ করে দিল । কিন্তু সেটা আমাদের কোনোমতেই কাম্য নয় ।

    shane2k

    For Muslims, saving “Our souls” has become a priority and that is more important NOW than reaching out the “kuffar” – as Allah has mentioned in his book:

    “O ye who believe! Save yourselves and your families from a Fire whose fuel is Men and Stones, over which are (appointed) angels stern (and) severe, who flinch not (from executing) the Commands they receive from Allah, but do (precisely) what they are commanded.” (Qur’an, 66:6).

    There is no way to disagree that saving ourselves is important. But if I am to take the above verse as SOS for Muslims then Prophet (saw) would have stopped preaching and only looked after welfare of the already converted muslims of the time but such was not the case. My point here is, when a portion of you country gets affected by a Cyclone you run to that spot with high priority but that does not mean until that affected area is taken care of you will ignore the other unfortunates of the country. Therefore, balance and above all a organized approach is very very important.

    Besides, we are no way near to the level of suffering and persecution the Prophet and his Companions suffered. From there own lives there is lot to learn. We are so much used to cushion of comfort that anytime a little discomfort happens it turns out to be unimaginable.

    We are really in very bad shape. You just need to see the debates we engage in (in this blog or elsewhere) to understand where we stand. May Allah grant us His Mercy to come out of the chaos we are in and save us from engaging in “vain talks”! Ameen!!

    As much as I would like to stop engaging with people who are stubborn I simply cannot stop because in one hand this blog or we are inviting people to discuss and in the process clear the misconception, then in the other hand when we stumble into a stubborn person we backout.

    From my own personal experience, only via means mistakes and Hikma we can come up with a proper response.

    So Br muslim55, I do agree with you but lets not give up so easily.

    মর্দে মুমিন

    ভাই আমি মূর্খ মানুষ । আপনার এই ইংরেজী কেমন করে বুঝব বলেন? আপনি কি শুধু আপনার মত ইংলিশ জ্ঞানিদের জন্য জ্ঞান দান করবেন? এই বাঙ্গালদেরকে করবেন না? দয়া করে আমাদের দিকে লক্ষ্য রাখবেন। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন। আমিন।

    হাফিজ

    @shane2k , শানে এলাহি , যখন বাংলা দরকার , তখন ইংরেজীতে লেখেন আবার যখন ইংরেজী দরকার তখন বাংলাতে লেখেন ।

    মর্দে মুমিন

    ভাই খুব জরুরী কথা বললেন। ডাক্তার তো রোগীর জন্য। (Y)

    muslim55

    আস সালামু ‘আলাইকা ভাই মর্দে মুমিন!

    “ডাক্তার রোগীর জন্য” – একথায় কোন দ্বিমত নেই। তবে ঘরের রোগী আগে দেখতে হবে। মোটামুটি “রাফ” হিসেবে আমাদের ঢাকা শহর বা দেশের অন্যান্য বড় শহরগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গামী ছাত্র-ছাত্রীদের অন্তত ৩০% নাকি নাস্তিক। “সামু” আর “আমার ব্লগ” দেখলে এমনিতেই তা বোঝা যায়! হাফিজ ইবনুল কায়্যিম (রহ.) খুব বড় মাপের স্কলার ছিলেন। আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান মতে, তিনি “আমাদের সেবা অপচয় হয়, যখন তা এমন কারো পিছনে ব্যয় হয় যে কিনা আমাদের আল্লাহর নিকটবর্তী হতে সাহায্য করে না অথবা দুনিয়ার কোন কাজেও আসে না।” বলে যা বোঝাতে চেয়েছেন, তা হচ্ছে এই যে আমাদের service যেন আমাদের আল্লাহর নিকটবর্তী করে। এখানে আরেকটি কথা এসে যায় – ইসলামে যে “‘আমিলুস সালিহ” কথাটা বলা হয়, সেটা কিন্তু আল্লাহ বা আল্লাহর রাসূল(সা.) যেটাকে সৎকর্ম বলেছেন সেটা বুঝতে হবে। আমাদের বতর্মান প্রেক্ষাপটে অনেক কথা বা কাজকে “সুন্দর” মনে হলেও, আসলে আল্লার মাপকিঠতে তা নাও হতে পারে। যেমন ধরুন, “যৌন কর্মীদের” সমাজের আর যে কারো মতই বুক ফুলিয়ে চলার অধিকার আদায়ের আন্দোলন খুব প্রগতিশীল মনে হলেও, তা ইসলাম বিরোধী। আবার “সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই” – একথা সাহিত্যে বা রাজনীতিতে খুব সুন্দর শোনালেও, তা হচ্ছে নির্ভেজাল “শিরকের” statement!

    হাফিজ

    @muslim55 , সুন্দর বলেছেন , সহমত ।

    the muslim

    একমত। (Y)