লগইন রেজিস্ট্রেশন

আগন্তুক

লিখেছেন: ' মুসলিম৫৫' @ বুধবার, নভেম্বর ১৮, ২০০৯ (৭:৫৬ অপরাহ্ণ)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আস সালামু আলাইকুম!

নীচের লেখাটি একজন নাম না জানা বিদেশী লেখকের লেখা থেকে আপনাদের জন্য অনূদিত:
—————–
আমার জন্মের কয়েক মাস আগে, আমার বাবার সাথে একজন আগন্তুকের দেখা হয়েছিল, যে আমাদের ছোট্ট শহরে তখন নতুন এসেছিল। শুরু থেকেই আমাদের বাবা, ঐ মুখর আগন্তুকের প্রতি অত্যন্ত আকৃষ্ট বোধ করেন এবং শীঘ্রই তাকে আমাদের সাথে এসে বসবাস করতে আমন্ত্রণ জানান। তার চেহারা, বাইরে থেকে দেখতে খুব আকর্ষণীয় মনে না হলেও, সবাই তাকে খুব তাড়াতাড়িই আপন করে নিল এবং কয়েক মাস পর পৃথিবীতে যখন আমার আগমন ঘটলো, তখন আর সবার সাথে সেও আমাকে স্বাগত জানালো। আমি যখন বড় হচ্ছিলাম, তখন, কখনো বাড়ীতে এই আগন্তুকের অবস্থান নিয়ে মনে কোন প্রশ্ন জাগেনি।

আমার কচি মনে পরিবারের সকল সদস্যের জন্য একেকটা আসন ছিল। আমার ৫ বছরের বড় ভাই ইউসুফ ছিল আমার জন্য অনুসরণীয় উদাহরণ। আমার ছোট বোন সাদিয়া, আমার খেলার সাথী ছিল – সে আমাকে বড় ভাই হবার যোগ্যতা দান করে এবং মানুষকে ”ক্ষ্যাপানোর” বিদ্যা অর্জনে সহায়তা করে। আমার বাবা-মা ছিলেন সম্পূরক ও পরিপূরক শিক্ষক – মা আমাকে আল্লাহকে ভালোবাসতে শেখান, আর বাবা শেখান কি করে আল্লাহর আনুগত্য করতে হয়। কিন্তু ঐ আগন্তুক আমাদের গল্প শোনাতো। সে অদ্ভুত সুন্দর সব হৃদয়গ্রাহী গল্প বানাতে ও শোনাতে পারতো। এডভেঞ্চার, রহস্য, কমেডি – আরো কত কি! এসবই ছিল তার দৈনন্দিন সংলাপ। প্রতিদিন বিকালে সে আমাদের গোটা পরিবারকে ঘন্টার পর ঘন্টা তার শ্রোতা হিসেবে ধরে রাখতে পারতো আর সপ্তাহান্তে, আমাদের জেগে থাকা সময়ের প্রায় সবটুকু সেই নিয়ে নিতো। আমি যদি রাজনীতি, ইতিহাস অথবা বিজ্ঞান সম্বন্ধে কিছু জানতে চাইতাম, সে তা জানতো। সে অতীত সম্বন্ধে জানতো এবং মনে হতো যে, বর্তমান সম্বন্ধেও তার সম্যক জ্ঞান রয়েছে। সে এমন সব ”জীবন্ত” ছবি আঁকতে পারতো যে, আমি প্রায়ই সেগুলো দেখে কাঁদতাম অথবা হাসতাম। সে আমাদের গোটা পরিবারের একজন বন্ধুর মত ছিল। সে আমার বাবাকে, ইউসুফকে এবং আমাকে, আমাদের জীবনের প্রথম-দেখা আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট ম্যাচে নিয়ে যায়। সে আমাদের সব সময় সিনেমা দেখতে উৎসাহ দিত এবং এমনকি, বহু নামী-দামী মানুষের সাথে যাতে আমরা পরিচিত হতে পারি, সে তারও ব্যবস্থা করে দিত।

সে অনর্গল কথা বলতে পারতো। আমার বাবা মনে হয় তাতে কিছু মনে করতেন না বা বিরক্ত হতেন না। কিন্তু, আমরা বাকীরা যখন হাঁ করে, তার বলা পৃথিবীর প্রত্যন্ত কোন অঞ্চলের গল্প শুনতাম, মা তখন মাঝে মাঝেই তার সভা থেকে উঠে যেতেন – নিজের ঘরে গিয়ে তিনি কুর’আন পড়তেন। কখনো তিনি সন্তর্পণে আমাদের বলতেন যে, নবী (সা.) বলেছেন, “কারো ঈমানের সুন্দর দিক হচ্ছে, সকল নিস্ফল কাজ-কর্ম এড়িয়ে চলা।”

এখন আমি মাঝে মাঝে ভাবি, মা কি কখনো এমন দোয়া করতেন যে, ঐ আগন্তুক যেন চলে যায়! আমার বাবা আমাদের পরিবারকে কিছু নৈতিক নিয়ম কানুনের ভিত্তিতে পরিচালনা করতেন। কিন্তু এই আগন্তুক সেগুলোকে সম্মান করার কোন প্রয়োজন বোধ করতো না। এমনিতে, আল্লাহবিরুদ্ধ কোন আচরণ আমাদের বাড়ীতে বরদাস্ত করা হতো না – আমাদের তরফ থেকে তো নয়ই, আমাদের বন্ধুদের বা বড়দের তরফ থেকেও ঐ ধরনের কোন আচরণ বরদাস্ত করা হতো না। কিন্তু আমাদের অনেকদিনের অতিথি কখনো কখনো এমন ”চার অক্ষরের” শব্দ ব্যবহার করতো, যাতে আমার কানে শীসা ঢালার অনুভূতি হতো এবং আমার বাবা তখন অস্বস্তিতে গজ গজ করতেন। তবে আমার জানা মতে, ঐ আগন্তুককে কখনো চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। আমার বাবা কখনোই মদ স্পর্শ করেননি এবং কখনো বাড়ীতে এলকোহল অনুমোদন করেননি – এমনকি রান্নার জন্যও নয়। কিন্তু ঐ আগন্তুক যেন মনে করতো যে, আমাদের, অন্য ধারার জীবন সম্বন্ধে জ্ঞানলাভ করা আবশ্যক। সে আমাদের প্রায়ই, বিয়ার এবং অন্যান্য মদ জাতীয় পানীয় সাধতো। সে আমাদেরকে বোঝাতো যে, সিগারেট বেশ মজার একটা জিনিস, চুরুট বেশ পুরুষালী আর পাইপ হচ্ছে ব্যক্তিত্বের প্রকাশ। সে খোলামেলাভাবে যৌনতা নিয়ে কথা বলতো। তার মতামতগুলো ছিল কখনো চাঁছা-ছোলা, কখনো ইঙ্গিতবহ, আর প্রায়শই বিব্রতকর। কিভাবে রসিয়ে রসিয়ে মেয়েদের সাথে আলাপ জমানো যায়, তাও সে আমাদের শিখিয়ে দিতো।

আমি এখন বেশ বুঝতে পারি যে, নারী-পুরুষের সম্পর্কের ব্যাপারে আমার মনে প্রোথিত প্রাথমিক ধারণাগুলো, তার দ্বারা প্রভাবিত ছিল।

এখন যখন আমি পিছনে ফিরে তাকাই, তখন আমার মনে হয় যে, এটা আমাদের জন্য আল্লাহর একটা বিশেষ রহমত ও করুণার ব্যাপার ছিল যে, ঐ আগন্তুক আমাদের আরো বেশী প্রভাবিত করতে পারেনি। বার বার সে আমার বাবা-মার নৈতিক মূল্যবোধের বিরোধিতা করতো। তথাপি তাকে কদাচিৎ শাসন করা হতো বা প্রস্থান করতে বলা হতো। যখন থেকে সে আমাদের পরিবারের সাথে বসবাস শুরু করেছিল, তারপর প্রায় ৩০ বছর পেরিয়ে গেছে। এখন অবশ্য আমার বাবার কাছে সে, তার আগমনের পরের প্রথম দিককার দিনগুলোর মত প্রিয় নয়। কিন্তু তবু, এখনো, আমি যদি কখনো আমার বাবা-মায়ের শোবার ঘরে প্রবেশ করি, তবে দেখি সে এক কোণায় বসে রয়েছে – কখন কেউ তার কথা শুনবে এবং তার আঁকা ছবি দেখবে এবং সে তার যাদু দিয়ে তার শ্রোতা-দর্শককে বিমোহিত করবে, সেই অপেক্ষায়। আপনারা হয়তো তার নাম জানতে চাইবেন। আমরা তাকে টিভি বলে ডাকি।
———-
ফি আমানিল্লাহ্!

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
২০১ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

২২ টি মন্তব্য

  1. @muslim55,
    ব্রাদার , খুবই সুন্দর লাগলো ঘটনাটা , এমন কাউকে প্রবেশাধিকার দেয়া উচিত নয় । এটা ভালো যে সে বেশীদুর প্রভাবিত করতে পারেনি , কিন্তু এমন অনেক সংসার আছে এমন আগুন্তকদের অবাধ মেলামেশার কারনে ধ্বংশ হয়ে যায়, সংঘাতমুখর হয়ে ওঠে পরিবেশ।

    নবী (সা.) বলেছেন, “কারো ঈমানের সুন্দর দিক হচ্ছে, সকল নিস্ফল কাজ-কর্ম এড়িয়ে চলা।”
    অসাধারন একটি হাদিস শরীফ, কোনো একজন জ্ঞানী ব্যক্তি বলেছিলেন এই হাদিস শরীফ যদি আমল করা যায় , তাহলে তার বেশী কিছু না জানলেও চলবে । কেননা অপ্রয়োজীনয় জিনিস পরিত্যাগ করা শুরু হলে এমনিতেই অনেক সুন্নত আমল তার চরিত্রে প্রবেশ করা শুরু করবে এবং অনেক পাপ থেকে সে বেচে থাকতে পারবে ।

    আর আপনার অনুবাদ খুবই সাবলীল এবং একটানে পড়ার মত হয়েছে ।

    আপনি কি মুহমম্দ আসাদ , তালাল আসাদ এদের লেখা পড়েছেন ? খুব ভালো হতো তাদের কোনো একটি বই যদি কেউ অনুবাদ করে এখানে ছাপাতো ।

    the muslim

    ধন্যবাদ। অনেক সুন্দর। (F)

  2. কথার যাদু কাকে বলে এইটা না পড়লে আর এই পোষ্টের মূলবক্তব্য না বুঝলে পোষ্ট লেখকের মনের গভীরে পৌঁছা যেত না।
    আমরা তাকে টিভি বলে ডাকি। তাহলে তো এই ইন্টারনেট নিয়ে আরও বেশী করে ভা ভাবতে হয়!!!!!!!!!!!! এই মাধ্যমতো টিভির চেয়েও ভয়ানক খতরনাক!!!!!!! আপনি আপনার এই পোষ্টের মাধ্যমে যেন কান্দাহারের আওয়াজ পাচ্ছি।

    আল্লাহ বলেছেন- তুমি আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করনা এবং কোরানের কোন বিষয় ঘুরিয়ে বা উপমা দিয়ে বলনা। সোজা সরল ভাবে বলবে যদিও তা অপ্রিয়।

    @ এডমিন ফিচার পোষ্ট সিলেক্ট করা অবশ্যই আপনার এখতিয়ার তবে এই পোষ্ট কি স্টিকি হবার মতো? আমাকে হতাশ হতে হল। ধন্যবাদ।

    হাফিজ

    @মর্দে মুমিন, আপনি শেষের উপমা বুঝেছেন কিন্তু উনার বক্তব্যের মুল বিষয় ধরতে পারেন নাই , উনি টিভির শুধু ক্ষতিকর দিকটা বুঝিয়েছেন । সেটার ভালো দিকও আছে কিন্তু বর্তমানে আমার দৃষ্টিতে সবচেয়ে ক্ষতিকর ভাবে বিজ্ঞানের যে আবিষ্কারটা ব্যবহার হচ্ছে সেটা হচ্ছে ‘টিভি” ।

    আজ টিভি খুললেই দেখা যায়
    ১) কিভাবে অশ্লিলতাকে প্রমোট করা হচ্ছে
    ২) তরুন তরুনীরা রাতের পর রাত ডিস চ্যানেল ব্যবহার করে ধ্বংশের পথে যাচ্ছে
    ৩) জনপ্রিয় সিরিয়াল হলে নামাজীরাও বাসায় থেকে টিভির সামনে বসে থাকে ।
    ৪) প্রচন্ডভাবে ইনডিয়ান সিরিয়াল গুলো আজ “পরকীয়াকে” উৎসাহিত করছে ।

    আর আপনি যে ইন্টারনেট এর কথা বলছেন , হ্যা অবশ্যই সেটা নিয়ে ভাবতে হবে । যেকোন জিনিসের ভালো এবং মন্দ দুটোই ভাবতে হবে । আজ সারা পৃথিবীতে যে পর্নো গ্রাফির ব্যবসা চলছে ইনটারনেটের মাধ্যমে সেটা নিয়ে কি ভাবতে আপনি আগ্রহী নন ?

    মর্দে মুমিন

    আল্লাহ বলেছেন- তুমি আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করনা এবং কোরানের কোন বিষয় ঘুরিয়ে বা উপমা দিয়ে বলনা। সোজা সরল ভাবে বলবে যদিও তা অপ্রিয়।
    আপনিও তো আমার এই কথা গুলো মর্ম বুঝে উত্তর দেন নাই। আল্লাহর রাস্তায় মানুষকে ডাকবেন তা পষ্ট করে ডাকুন কোন দ্রোপদী ভাবে নয়। আমি এটাই বলতে চেয়েছি। আপনি এমন কথা ধর্মীয় বিষয়ে বলবেন যাতে সকল মানুষের ভুল বুঝার অবকাশ থাকে। উনি কোথায় বলেছেন – টিভির শুধু ক্ষতিকর দিকটা বুঝিয়েছেন । সেটার ভালো দিকও আছে ?

    বর্তমানে আমার দৃষ্টিতে সবচেয়ে ক্ষতিকর ভাবে বিজ্ঞানের যে আবিষ্কারটা ব্যবহার হচ্ছে সেটা হচ্ছে ‘টিভি”

    কিন্তু তার জন্য বেচারা অবোধ টিভির কি দোষ? কেন ইলসামী উম্মা কি এতই গরীব যে ঐ কথিত ক্ষতিকর ব্যবহারের বিকল্প শিশু তরুণ যুবকের হাতে তুলে দিতে পারেন না? পারেন এবং তাও আছে । তবে আরব জগতে। কিন্তু বাঙ্গালী মুসলমানরা কাকের মতো পাথরের নিচে মূখ ঢেকে মনে করছেন যে তাকে কেউ দেখছেন না।
    আমাদের ওদের ক্ষতিকর প্রচেষ্টার অবশ্যই বিকল্প খুঁজতে হবে। নতুবা যতই ইসলামের বাণী বর্তমান প্রজন্মকে শুনান না কেন? শিমুল তলায় পানি ডালার সমান হব। গ্রেনেড এর জবাব তলোয়ার দিয়ে দিলে শুধু আত্মহত্যা ছাড়া কোন কাজে আসবে না।ধন্যবাদ।

    হাফিজ

    আমাদের ওদের ক্ষতিকর প্রচেষ্টার অবশ্যই বিকল্প খুঁজতে হবে। নতুবা যতই ইসলামের বাণী বর্তমান প্রজন্মকে শুনান না কেন?
    সেটাতো পরের স্টেপ , আগে বুঝতে হবে এটা ক্ষতিকর , তারপরে না বিকল্পের চিন্তা । আর এই বিকল্পের চিন্তার ব্যাপারে আমার কোন
    আপত্তি নেই ।
    এটা যে ক্ষতিকর এইটাই তো মানুষ এখন মানতে চায় না ।

    হাফিজ

    আপনি আপনার এই পোষ্টের মাধ্যমে যেন কান্দাহারের আওয়াজ পাচ্ছি।

    আপনিও তো ঘুরিয়ে পেচিয়ে বললেন :)

    বাংলা মৌলভী

    সুবহানাল্লাহ ” ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বল না” !!!!?
    সাহিত্যে এসব হবে, সেটা পারশ্পরিত কথা বার্তার ক্ষেত্র বলা হয়েছে। সাহিত্য হল সৃজনশীলতা, এখানে পাঠক কে প্রভাবিত করতে অনেক কলাকৌশল প্রয়োগ হয়।
    রসূল স: এর বর্ণনাশৈলিতেও অনকে ক্ষেত্র – গারাবাহ غرابة – যাকে বালাগাতের বা অলংকরণশাস্ত্রে বর্নণাশৈলীর ব্যাতিক্রম কৌশল বলা যায়।

  3. @ হাফেজ আপনি আপনার এই পোষ্টের মাধ্যমে যেন কান্দাহারের আওয়াজ পাচ্ছি

    আমি মোটেই ঘুরিয়ে বলি নাই, যদি আমি বলতাম দেওবন্দী তাহলে আপনি বুঝতেন আমি দেওবন্দী চেতনার কথাই বুঝাচ্ছি। তাই কান্দাহারী বলতে কোন চেতনাকে বুঝায় তা পরিষ্কার। ওর দুনিয়া জুড়ে প্রচলিত শব্দ পরিহার করেছি এই সাইটের নিরাপত্তা জনিত কারণে। বিশেষ কিছু শব্দ ট্রাকিং অটোমেটিক হয়ে যায় তাতো নিশ্চয় আপনার জানা আছে।
    ধন্যবাদ।

    মর্দে মুমিন

    পুনঃ আঙ্গুল জখম হয়েছে বলে পুরো আঙ্গুল কেটে ফেলার দলে আমি নাই। প্রয়োজন মতো চিকিৎসার দরকার। ধন্যবাদ।

    হাফিজ

    @মর্দে মুমিন , সহমত , তাই বিকল্প ব্যবস্হা আমাদের ভেবে দেখতে হবে । যেমন আমাদের এই পিস ইন ইসলাম ব্লগের মতো ।

    the muslim

    সহ (Y) মত।

  4. আমি শুধু একটি কথাই বলবো – অসাধারন!

  5. অনূদিত লেখাটিতে লেখকের বাংলা ভাষার দক্ষতার পরিচয় মিলেছে। লেখাটিতে যে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে, তা হচ্ছে টিভির ক্ষতিকর দিকগুলি, টিভি যে আমাদের বিভিন্ন ভাবে ক্ষতি করছে তা কিন্তু অস্বিকার করার কোন উপায় নেই। তবে টিভি থেকে আমরা যে উপকার পায়না বা উপকার পাবার আশা করতে পারিনা তাও কিন্তু ঠিক না।

    সুন্দর একটি বিষয় তুলে ধরার জন্য muslim55 কে বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জনাচ্ছি।

    হাফিজ

    অনূদিত লেখাটিতে লেখকের বাংলা ভাষার দক্ষতার পরিচয় মিলেছে।
    সহমত

  6. আস সালামু আলাইকুম!

    উপরের লেখাটি নিয়ে বেশ বিতর্ক হয়েছে ও বাক-বিতন্ডার ঝড় বয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে। যারা লেখাটায় “কান্দাহারের গন্ধ” পেয়েছেন, তাদের অবগতির জন্য বলছি যে, লেখাটা এক শ্রীলঙ্কান মুসলিমের সূত্র থেকে এসেছে, যিনি, খুব সম্ভবত একটা বহুজাতিক ব্যাঙ্কে চাকুরী করেন। আমি লেখাটা অনুবাদ করেছি ২ টা করণে – লেখাটা খুব সুন্দর ও ছোট। টেলিভিশন নিয়ে এধরনের লেখা এটাই প্রথম নয়। আমার কাছে একটা গোটা বই আছে, যেটা ৯০-এর দশকে লেখা। আমেরিকান ধর্মান্তরিত (ও সাদা-চামড়া) মুসলিম হামযা ইউসুফ হ্যানসন যেটা প্রকাশ করেছেন। বইটার নাম ও প্রাপ্তিস্থান নীচে লিখে দিচ্ছি। “কান্দাহারের গন্ধ” পেয়ে যাদের অস্বস্তি লাগছিল, তারা হয়েতা এবার San Francisco Bay Area-র McDonald-এর গন্ধে কিছুটা আস্বস্ত হবেন। ঐ এলাকায় প্রচুর বাংলাদেশী ছাত্র ও চাকুরীজীবী রয়েছেন। কেউ চাইলে হয়তো বইটা জোগাড়ও করতে পারবেন। একই বিষয়ে আরেকটা চমৎকার খুতবা/লেখা রয়েছে কানাডায় বসবাসরত, মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা খতিব ও ইমাম Muhammad Al-Shareef-এর – যিনি আমেরিকা ও কানাডায় AlMaghrib Institute-এর কমর্কান্ড পরিচালনা করেন। The Third Parent নামের এই খুতবাটা/লেখাটা খুবই সুন্দর, কিন্তু বড়। আমার হাতে এটা অনুবাদ করার মত সময় এই মুহূর্তে নেই। তাই আলাদা একটা পোস্ট হিসেবে, আমার মত অভাগা সেকেলে পাঠকদের জন্য তুলে দিলাম – যারা নিজেকে এবং নিজের আহালকে আগুন থেকে বাঁচানোর ব্যাপারে খুবই চিন্তিত – এবং যাদের হারাম বিষয় থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখার ব্যাপারে confidence খুবই কম! আশাকরি পাঠক এটাতেও “কান্দাহারের গন্ধ” পাবেন না – কারণ এটাও এসেছে খোদ কুফ্ফার-স্বর্গ থেকে।

    এবার উপরে উল্লিখিত বইটার নাম ও প্রাপ্তিস্থান জেনে নিন:

    Strangers in Our Homes: TV and Our Children’s MindsSusan R.
    Johnson,M.D. with comments by Hamza Yusuf Hanson

    RUMI BOOKSTORE
    4050B Peralta Blvd.
    Fremont CA 94536
    USA
    http://www.rumibookstore.com
    Tel: (510) 744-3692

    মর্দে মুমিন

    :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :)

    বাংলা মৌলভী

    আপনি চালিয়ে যান । বারাকাল্লাহু ফীক (Y) (F)

    হাফিজ

    এখানে যারা আছেন তারা “কান্দাহারী” নন এবং “ম্যাকডোনাল্ডি” ও নন । সবাইকে ধন্যবাদ

  7. prothomei salam niben.
    apnake donnobad ei rokom ekti sondor golpo lekhar jonn.
    tbe amra ki pari tv take ekdom gor theke ber kore dite?

    the muslim

    ভাই, বাংলা। (*)

    বাংলা মৌলভী

    এটা পর্যায়ক্রমে সম্ভব, যেমন গল্পের মূল নায়করা করেছেন। আমার জানামতে অনেকের ঘরেই সম্ভব হচ্ছে । আল্লাহ সহজ করুন।