ইসলাম নিয়ে কথা বলা (repost)
লিখেছেন: ' মুসলিম৫৫' @ মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৪, ২০০৯ (১:৫৭ পূর্বাহ্ণ)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আস সালামু আলাইকুম!
[ব্লগের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এই লেখাটা রি-পোস্ট করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। কর্তৃপক্ষ agree না করলে মুছে দিতে পারেন! একজন "রেফরেন্স-ফ্রেম" নিয়ে একটা লেখা পোস্ট/প্রকাশ করেছেন। খুঁটি-নাটি বিষয়ে ছোট-খাটো পাথর্ক্য থাকলেও, সকল মুসলিমের আক্বীদাহ্ বা ধর্ম-বিশ্বাস একদম এক হবে। উদাহরণস্বরূপ, আপনি টুপি পরেন আরেকজন টুপি পরেন না - এখানে আক্বীদাহ্ বা বিশ্বাসের তারতম্য হচ্ছে না। কিন্তু আপনি যদি মনে করেন যে, "ক্বদর" বা "measuring out of good and evil" বলে কিছু নেই - তখন এটা ঠিক না করে, আপনার সাথে ইসলামের কোন বিষয়ে মত বিনিময় একরকম অথর্হীন (আপনাকে সঠিক দ্বীনের দাওয়াত দেয়া যেতে পারে, সেটা অন্য কথা)। ধর্ম-বিশ্বাসই হবে মুসলিমদের প্রথম রেফারেন্স ফ্রেম। এখানে একমত হতে না পারলে - বাকী কিছু নিয়ে আলোচনা করা প্রায়শই কেবল সময়ের অপচয়। সাম্প্রতিককালে এই ব্লগের অনেক আলোচনাকেই কেবল talking for the sake of talking বলে মনে হয়েছে।]
আক্বীদাহ্ সংক্রান্ত আমার আগের পোস্টগুলো, অনেকের কাছে একটু ভারী মনে হতে পারে – কারণ ওগুলো ছিল ইসলামের একেবারে মৌলিক বিশ্বাস বিষয়ক আলোচনা – মনে হতে পারে অনেক তত্ত্ব কথা দিয়ে ভরা, গজ গজ খস খস করা সব শুকনো বিষয়। এমনটা কারো মনে হয়ে থাকলেও আমি আসলে কাউকে দোষ দিই না। কারণ আমরা প্রায় কেউই “দ্বীন” শিখি না। বাংলাদেশর মুসলিমদের কত %, ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, সেই পরিসংখ্যান আমার জানা নেই। তবে ৫% হলেও সেটা খুব খুশির খবর। কেন নামাজ পড়বো তা না জেনেই আমরা নামাজ পড়তে শিখি এবং পড়ি – নামাজে কি পড়ছি তা না জেনেই বা না বুঝেই, নামাজ পড়া এই ক্ষুদ্র অংশ নামাজ পড়তে পড়তে কবরে চলে যাই। ফলে আমার নামাজের আমার উপরই কোন প্রভাব থাকে না – পরিবেশ প্রতিবেশ ইত্যাদির উপর আর কি থাকবে?
পৃথিবীতে ইসলামই সম্ভবত একমাত্র subject যা নিয়ে কথা বলতে এর উপর কোন বিদ্যাশিক্ষার প্রয়োজন হয় না। ধরুন আমি বাংলার ছাত্র। আজ যদি আমি কোন পড়াশোনা ছাড়াই, কোথাও মত প্রকাশ করতে গিয়ে 2nd law of thermodynamics নিয়ে কথা বলি, তাহলে আপনারা আমাকে পাগল বা নির্বোধ ভাবতে পারেন। অথচ ইসলাম এমন একটি সাবজেক্ট যা নিয়ে, এমনকি কোন প্রাথমিক শিক্ষা বা জ্ঞান ছাড়াই, আমরা ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতে পারি বা লিখে যেতে পারি পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা। এটা কি ভাবা যায় যে আপনি ‘ক’,'খ’,'গ’ না শিখেই গরুর রচনা লিখতে চেষ্টা করছেন? কাফির, মুশরিক, হাফ-কাফির বা কার্যত কাফির, এদের কথা না হয় বাদই দিলাম – কারণ এরা তো পরকালে বিশ্বাস করে না – কিন্তু আমরা বিশ্বাসীরা যখন ইসলাম নিয়ে কথা বলি, তখন আমরা কি ভেবে দেখি যে, আমরা যে বিষয়টা নিয়ে কথা বলছি সেটা সম্বন্ধে আমরা আসলেই কোন জ্ঞান অর্জন করেছি কিনা? প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও অন্তত methodologically বা সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে, অগ্রাধিকারের ক্রমানুসারে, আমরা কি কখনো আমাদের দ্বীন শিক্ষা করেছি কি না?? না করে থাকলে, আমরা কিসের ভিত্তিতে ইসলাম নিয়ে কথা বলছি বা মত প্রকাশ করছি??? আগেও বলেছি এবং আবারো আপনাদের এবং নিজেকে মনে করিয়ে দিচ্ছি যে, অনুমানবশত আল্লাহ্ তথা তাঁর দ্বীন নিয়ে কথা বলা মু’মিন বা মুসলিমদের জন্য মহা পাপ। দেখুন কুর’আনে আল্লাহ্ কি বলছেন:
“Say: The things that my Lord hath indeed forbidden are: shameful deeds, whether open or secret; sins and trespasses against truth or reason; assigning of partners to Allah, for which He hath given no authority; and saying things about Allah of which ye have no knowledge.” (Qur’an, 7:33)
“বল, আমার রব তো হারাম করেছেন অশ্লীল কাজ – যা প্রকাশ পায় এবং যা গোপন থাকে, আর পাপ ও অন্যায়ভাবে সীমালঙ্ঘন এবং আল্লাহর সাথে তোমাদের শরীক করা, যে ব্যাপারে আল্লাহ কোন প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি এবং আল্লাহর ব্যাপারে এমন কিছু বলা যা তোমরা জান না। (কুর’আন, ৭:৩৩)
লক্ষ্য করুন, পর্যায়ক্রিমকভাবে আল্লাহ্ এই পাপকে শিরকেরও উপর স্থান দিয়েছেন – কারণ এই পাপ হচ্ছে অগণিত পাপের উৎস।
সবশেষে, ইসলামী স্কলার মহলে “দ্বীন-শিক্ষা” সম্বন্ধীয় একটা প্রবাদ বাক্য রয়েছে: Aqeedah comes first – সবকিছুর আগে বিশ্বাস! এজন্যই ইসলাম নিয়ে লিখতে গিয়ে সবার আগে, “আমরা কি বিশ্বাস করবো?” – সেই আলোচনাটাই চলে আসে।
আল্লাহ্ হাফিজ।
Processing your request, Please wait....












ভাই আপনার পোস্টেটা ভালো লাগলো । এ বিষয়ে আমার কিছু কথা আছে , সে বিষয়ে বলার আগে একটি ঘটনা বলছি :
প্রথম গালফ ওয়ারের সময় এক আমেরিকান সৈনিকের পোস্টিং ছিল সৌদি আরবে । সে একবার শপিং করার জন্য এক দোকানে গিয়েছে । কোনো একটি জিনিস পছন্দ করার পর সে সেলসম্যানকে টাকা দেবার জন্য পকেটে হাত দিয়েছে । সেই মুহুর্তে পার্শবর্তী মসজিদে আজান দিলে সেলসম্যান টাকা না নিয়ে সাথে সাথে তাড়াহুড়া করে দোকান বন্ধ করতে থাকলে। আমেরিকান সৈনিক কারন জিজ্ঞেস করলে সে বলল “আমাকে এখন নামাজ পড়তে যেতে হবে এবং এই মুহূর্তে আপনার কাছে আমি কোনো জিনিস বিক্রয় করতে পারব না” ।
আমেরিকান সৈনিক হতভম্ব হয়ে দাড়িয়ে রইল । তার জীবনে এমন অভিজ্ঞতা হয় নাই , যেখানে কোনো ব্যবসায়ী টাকা নিতে অস্বীকার করেছে , সবসময় সব ব্যবসায়ীকে দেখেছে কিভাবে শুধু টাকা নেয়া যায় , তারই চিন্তা করতে । এখানেই একমাত্র ব্যতিক্রম । কি সেই ধর্ম যার কারনে টাকা নেয়ার পরিবর্তে সে চলে গেলো । কি এর আকর্ষন । এখানেই ঘটনার শুরু।
পরবর্তিতে সেই সৈনিক জানতে পারে সেই ধর্মের নামে “ইসলাম” । তারপর সে ইসলাম বিষয়ে পড়াশুনা শুরু করে দ্যান । পরবর্তিতে “ইসলাম” ধর্ম গ্রহন করেন । শুধু সেই নয় তার ছেলে মেয়েদের ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত করেন এবং কাউকে “কোরানে হাফেজ” পর্যন্ত বানিয়ে তোলেন ।
এখন আমার প্রশ্ন “তাকে কেউ স্রষ্টা সম্বন্ধে বলেন নাই , কিংবা আকিদা সম্বন্ধে কিছু বলেন নাই, শুধুমাত্র একটি ঘটনা তার জীবনের মোড় ঘুড়িয়ে দ্যান” । এবং যখন সে সেই ঘটনায় অভিভূত হয়ে যান , তখন তার আগ্রহ সৃষ্টি হয়ে, পড়াশুনা শুরু করেন, এবং তারপর একে একে ইসলামের বেসিক আকিদা , যেমন স্রষ্টা , পরকাল , রেসালত সব সে শিখতে থাকে ।
Aqeedah comes first – সবকিছুর আগে বিশ্বাস! কথাটা সত্য ১০০% । এতে কারো মতভেদ নেই ।
আমাদের লক্ষ সেইটেই । তবে আমি যদি একজনকে প্রথমেই আকিদার কঠিন বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা শুরু করি তাহলে সে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারি । এইজন্য আমরা প্রয়োজনে নবীজীর (সা:) জীবনি , সাহাবীদের জীবনি এবং তুলনাত্নক ধর্ম চর্চা দিয়ে ( Audience এর Requirements and capacity ) অনুযায়ী বক্তব্য রাখবো । উনি বুঝিয়েছেন কখন আমাদের কিভাবে শুরু করা উচিত , আর আপনি বুঝিয়েছেন আমাদের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জিনিস কি ? যার যার Context এ আপনারা দুইজনই সঠিক ।
মুলত আপনার এবং রেফারেন্স পোস্টের বক্তব্যের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই ।
যেমন ধরুন , আমি মসজিদে যাব জোহরের নামাজ পড়তে , এখন সেই মসজিদে যেতে গেলে আমাকে কোনো মাঠ পেরিয়ে যেতে হয়, সেটা পার হওয়া ছাড়া আমার যাওয়া সম্ভব না । এখন আমাকে প্রথমে সেই মাঠ পার হতে হবে , তার অর্থ এই না মাসজিদের চেয়ে সেই মাঠ আমার কাছে বেশী গুরুত্বপূর্ন । আমার কাছে “মসজিদ” অবশ্যই মাঠের চেয়ে গুরুত্বপূর্ন । আর আমি যে মাঠে প্রথম পৌছালাম সেটা আসলে “মসজিদে” পৌছানোর জন্য ।
যে পোস্টের উদাহরন আপনি দিয়েছেন “রেফারেন্স ফ্রেম” উনি সেটাই বুঝাতে চেয়েছেন ।
বক্তেব্যে ভুল হলে মনে ব্যথা নিবেন না ।
আল্লাহু সুবহানাহু তাআলাই সর্বাধিক জ্ঞাত ।
এ প্রসঙ্গে দুটি হাদিস জানা ছিলো, এখানে সে দুটো তুলে দিলাম।
১) হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ “অজ্ঞাত বিষয় নিয়ে যে তর্কে লিপ্ত হয়, সে তর্কে ক্ষান্ত না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ তার প্রতি নাখোশ থাকেন।”
২) হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) থেকে আবু দাউদ ও ইবনে হেব্বানে বর্ণিত আছে, রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ “কোরাআন সম্পর্কে বিতর্কে লিপ্ত হওয়া কুফুরী কাজ।”
@দ্য মুসলিম,
আপনার প্রতি সালাম।
দুনিয়াতে যা কিছু করিনা কেন, মনের নিয়তটির উপর আল্লাহর কাছে গ্রহণীয় কিংবা বর্জনীয় হবে। জ্ঞানার্জন বিভিন্ন ভাবে হতে পারে। ব্যক্তির জ্ঞানে ভুল থাকতে পারে তাই বলে সে কি বুঝে বা সে কি জানে সেটা প্রকাশ করতে দোষ কোথায়? এই ব্লগটি তো হলো ইসলাম সম্পর্কে আমার মতো জ্ঞানহীন মানুষের মিলন মেলা যেখানে আমার জানা বা শুনার কোন একটি বিষয় সম্পর্কে উপস্থাপন করব অন্য জ্ঞানী ভাইয়েরা তা সংশোধণ করতে এগিয়ে আসবেন! এটাইতো মুসলিম মিল্লাতের কল্যাণ।
আপনার পোষ্ট পড়ে মনে হয়, আপনি বিশেষ একটি শ্রেণীকেই শুধু ইসলাম সম্পর্কে কথা বলতে অনুমতি দিচ্ছেন? (হয়ত আমার বুঝার ভুল। আর তাহলে ক্ষমা করবেন।)
এখানে আমার মত যারা অজ্ঞ তারা শুধু তাদের মনে যে জিনিসটি ভাল বলে মনে হয় সেটাই তুলে ধরেন তার মানে এই নয় যে এটাই একমাত্র রায় তা আপনাকে মানতেই হবে!
আমি কারো একটা পোষ্টে কমেন্ট করেছিলাম- আমাদের জিরো পয়েন্ট হোক- লা- ইলাহা- ইল্লাললাহু মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ। কারণ আমি মনে করি বিশ্ব মুসলিম এক বাবার পাঁচ সন্তান । পাঁচ ভাইর বাবা যেমন এক কিন্তু পাঁচ ভাইয়ের বুঝ ক্ষমতা এক নয়। তাদের মধ্যে মতান্তর আছে থাকবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু এই মতান্তর যাতে মনান্তরে না যায় সেই চেষ্টা করা বিশ্ব মুসলিমের করণীয় কাজ বলে মনে করি। আল্লাহ হাফেদ।
@মর্দে মুমিন,
আমি আসলে হয়তো অল্প কথায় বোঝাতে পারিনি। মতবিনিময় থেকে “দ্বীন-ইসলাম” শেখা যায় না – অন্তত মৌলিক বা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারগুলো তো নয়ই। দ্বীন ইসলাম শিখতে হবে text বা “নস্” থেকে। এটা “ট্রায়াল এন্ড এররের” ব্যাপার না বা “একমত হবার” বা “না হবার ব্যাপার না”। আমি এধরণের উদাহরণ আগেও দিয়েছি, আবারো দিচ্ছি: সারা পৃথিবী যদি বলে যে, সমকামিতায় কোন দোষ নেই, আর একজন মুসলিমও যদি বলে যে, ব্যাপারটা হারাম – তবে সেই একজনই সঠিক এবং সারা পৃথিবী ভুল। ইসলামের বেলায় আমাদের সমকালীন “গণতান্ত্রিক” মস্তিষ্ককে আবজর্না মুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা আছে। জ্ঞান না থাকলে কেবল “ব্লগর ব্লগর”[এই টার্মটা আমার নয়, "আমরব্লগের"]-এর জন্য লেখাটা বা আলোচনা করাটা আসলে একধরনের অপচয়। এটা আমার, আপনার সকলের বেলায়ই প্রযোজ্য। রাসূল (সা.) বলেছেন:
“Whoever believes in Allah and the Last Day let him say what is good, or else keep silent” [Bukhari, Mulim]
অর্থাৎ, “যে আল্লাহয় ও আখেরাতে বিশ্বাস করে সে যেন (হয়) উত্তম কথা বলে, নাহয় চুপ থাকে।”
আমরা, সবাই চেষ্টা করবো, secondary বিষয়গুলোর আগে primary বিষয়গুলোর সন্ধান করতে এবং সেগুলো ঠিক করে নিতে! আমাকে অনেক দ্বীনী ভাইরা অনেক সময়ই একটা ভ্রান্ত ব্যাপার নিয়ে মানুষকে সাবধান করতে বলেন – তা নিয়ে লিখতে বলেন, অথচ, তারা হয়তো নিজেরাই কোনটা শুদ্ধ সেটা জানেন না। এখানে “ভুল” ব্যাপারগুলো নিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়ার আগে, অতি অবশ্যই শুদ্ধ ব্যাপারগুলো জানার ব্যাপারে মনোনিবেশ করতে হবে। একটা উদাহরণ হচ্ছে আমেরিকানদের উদ্ভাবিত “ফুরক্বান” নামক কুর’আনের সংস্করণ – যেখানে জিহাদের আয়াত বিহীন ৭০টা সূরাহ আছে। আচ্ছা আপনারাই বলুন যে মুসলিম “কুর’আনে হাফিজ” বা যে তার নিজের কুর’আন জানে, তাকে কি ঐ “মিথ্যা কুর’আন” দিয়ে বিভ্রান্ত করা যাবে?
@muslim55,
আমি আসলে হয়তো অল্প কথায় বোঝাতে পারিনি। মতবিনিময় থেকে “দ্বীন-ইসলাম” শেখা যায় না – অন্তত মৌলিক বা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারগুলো তো নয়ই। দ্বীন ইসলাম শিখতে হবে text বা “নস্” থেকে। এটা “ট্রায়াল এন্ড এররের” ব্যাপার না বা “একমত হবার” বা “না হবার ব্যাপার না”।
হ্যা ঠিকই বলেছেন , এখন আমি যদি আপনার এই কথাটা মেনে নেই তাহলে এটুকুও তো শিখতে পারলাম এই ব্লগের মাধ্যমে। এটুকু তো জানতে পারলাম যে আমাকে ইসলাম বিষয়ে মুলধারার জ্ঞান অর্জন করতে হলে কারো কাছ থেকে কিংবা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে শিখতে হবে। আপনাদের সাথে আলোচনা না হলে এটুকুও তো জানতে পারতাম না । সেই আলোচনার জন্যই তো এখানে আসা । তাই বলে এখানে যে সব পাবো সেটাও আশা করি না ।
@muslim55,
আমেরিকানদের উদ্ভাবিত “ফুরক্বান” নামক কুর’আনের সংস্করণ – যেখানে জিহাদের আয়াত বিহীন ৭০টা সূরাহ আছে। আচ্ছা আপনারাই বলুন যে মুসলিম “কুর’আনে হাফিজ” বা যে তার নিজের কুর’আন জানে, তাকে কি ঐ “মিথ্যা কুর’আন” দিয়ে বিভ্রান্ত করা যাবে?
ভাই এই ঘটনা আবার কবে হইল । বিস্তারিত পোস্ট দ্যান । কিছু জানি ।