কবিরা গুনাহ-৩ (ছেহের বা জাদুটোনা করা)
লিখেছেন: ' দ্য মুসলিম' @ মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৪, ২০০৯ (১:০৪ অপরাহ্ণ)
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ,
পবিত্র কোরআন এর দলিলঃ
- “নিশ্চয়ই শয়তানরাই কুফরীতে রত হয়ে মানুষকে জাদু শিক্ষা দিত।”(সুরা আল বাকারা-১০২)
- “তারা উভয়ই একথা না বলে কাউকে জাদু শিক্ষা দিত না যে, আমরা পরীক্ষার জন্য; কাজেই তুমি কাফের হয়ো না। অতঃপর তারা তদের কাছ থেকে এমন জাদু শিখত, যা দ্বারা স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। অথচ তারা আল্লাহ আদেশ ছাড়া কারো ক্ষতি করতে পারতো না। তারা যা শিখতো তা শুধু তাদের ক্ষতিই করতো কোন উপকার করতো না। তারা ভাল ভাবেই জানতো যে, যে লোক জাদু অবলম্বন করে, তার জন্য পরলোকে কোন অংশ নেই।” (সুরা আল বাকারা-১০২)
পবিত্র হাদিস এর দলিলঃ
- “জাদুকরের নির্ধারিত শাস্তি তরবারী দিয়ে তাকে হত্যা করা।” (তিরমিযী)
- “বাজালা ইবনে আবদা বলেছেনঃ খলিফা হযরত ওমর (রাঃ) এর ইন্তেকালের এক বছর আগে আমাদের কাছে এ নির্দেশনামা আসে- তোমরা প্রত্যেক পুরুষ জাদুকর ও মহিলা জদুকরকে হত্যা কর।” (বোখারী)
- “হযরত আলী (রাঃ) বলেনঃ গণক ও জাদুকর উভয়ে কাফের।”
- “হযকত আবু মুসা (রাঃ) বর্ণনা করেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ তিন শ্রেণীর মানুষ বেহেশতে যেতে পারবে নাঃ ১) শরাবখোর বা মদ্যপায়ী ২) রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়তা ছিন্নকারী এবং ৩) জাদুর প্রতি আস্হা স্হাপনকারী।” (মুসনাদে আহমদ)
- “হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত এক মারফু হাদীসে কলা হয়েছেঃ ঝাড়ফুঁক (তন্ত্রমন্ত্র), তাবিজ কবজ ও জাদুতে বিশ্বাস করা শিরক।”
“ইমাম খাত্তাবী (রহঃ) বলেনঃ পবিত্র কোরআনের আয়াত অথবা আল্লাহর নামে তাবিজ, ঝাড় ফুঁক জায়েয। স্বয়ং রাসূল (সাঃ) হযরত হাসান ও হুসাইন (রাঃ) কে এ বলে ঝাড়ফুঁক দিতেনঃ আমি সব শয়তান ও বিষাক্ত কীটপতঙ্গ এবং সব ধরনের খারাপ দৃষ্টি থেকে আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ কালাম দ্বারা তোমাদেরকে তাঁর আশ্রয়ে অর্পণ করছি।”
৪০৯ বার পঠিত
Processing your request, Please wait....












এই আয়াতের কি কোন ব্যাখ্যা বা এরপরে আর কোন হাদীসের দরকার আছে?
যে হাদীসগুলো বর্ননা করলেন , সেগুলো আজকের জমানায় কি পালন করা সম্ভব বলে মনে করেন? যে হাদীস প্রয়োগ করা সম্ভব না , সেটা সম্ভবত ভুল বা সে হাদীসের প্রয়োজন নেই।
আল্লাহ্র আয়াত দেখুন , এটা সর্ব জমানায় প্রয়োগ সম্ভব।
@ফারুক ভাই আপনি জ্ঞানী মানুষ ঐ আয়াত আপনার বুঝতে অসুবিধা নেই তা ঠিক কিন্তু আমি তো আপনার মতো নই। প্লিজ আমাকে ঐ আয়াতটি বুঝিয়ে দিন না!
@মর্দে মুমিন,আপনি পড়ে যতটুকু বুঝেছেন , তার থেকে বেশি কি হাদীসগুলো পড়ার পরে বুঝতে পারছেন? আমি তো হাদীসগুলো থেকে নুতন কিছু আইন জানলাম , ব্যাখ্যা তো পেলাম না।
আপনার এই হাদীস দুটি খৃষ্টান স্প্যনিশ ইনকুইজিশনের বর্বরতাকে মনে করিয়ে দেয়।
@ফারুক ভাই,
পবিত্র কোরআনে ও চুরির শাস্তি হাত কেটে দেয়ার কথা বলা আছে, ওটাকে কি আপনার বর্বরতা মনে হয় না? যদি বর্বরতা মনে হয় তাহলে আপনার তাওবা করা উচিৎ। আর যদি মনে না হয় তাহলে আশা করি যে যুক্তি দিয়ে কোরান বুঝার চেষ্টা করেন, সেই যুক্তি দিয়ে হাদিস ও বুঝার চেষ্টা করবেন।
একটু পর গ্রামের বাড়ী চলে যাচ্ছি। যদি বেঁচে থাকি ইনশাল্লাহ ঈদের পর দেখা হবে।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে হেদায়াত দিন। আমিন।
@দ্য মুসলিম,সালামুন আলাইকুম দ্য মুসলিম ভাই। কোরানে চুরির শাস্তি নিয়ে ভবিষ্যতে একটা পোস্ট দেয়ার ইচ্ছা আছে। তখনই ঠিক করা যাবে কোরানের আদেশ বর্বরতা কিনা?
ভালো থাকুন। এই ঈদ আপনার জীবনে আনন্দময় হয়ে উঠুক। সুস্থ দেহে ফিরে আসুন ,এই কামনা করি।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে হেদায়াত দিন।