লগইন রেজিস্ট্রেশন

কবিরা গুনাহ-৪ (নামাযে অলসতা করা)

লিখেছেন: ' দ্য মুসলিম' @ বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৩, ২০০৯ (১২:৪০ অপরাহ্ণ)

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ,

পবিত্র কোরআন এর দলিলঃ

  • “অনন্তর (যে সেসব নবীর পর) এল তাদের এমন সব অপদার্থ উত্তরাধিকারী, যারা নামায নষ্ট করলো এবং কুপ্রবৃত্তির অনুসারী হলো। সুতরাং তারা অচিরেই পথভ্রষ্টতার শাস্ত প্রত্যক্ষ করবে। কিন্তু তারা ছাড়া যারা তওবা করেছে, বিশ্বাস স্হাপন ও সৎকাজ করেছে।”(সুরা মারইয়াম ৫৯-৬০)
  • “সুতরাং দুর্ভোগ সে সব নামাযীর জন্য, যারা তাদের নামাযের ব্যাপারে উদাসীন।” (সুরা মাউন ৪-৫)
  • “হে মুমিনগণ! তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান সন্ততি যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে অমনোযোতী না করে। যারা এ কারণে অমনোযোতী হয়, তারাই তো ক্ষতিগ্রস্হ হবে।” (সুরা আল মুনাফিকুন-৯)
  • “বেহেশতিগণ তাদেরকে জিজ্ঞেস করবে, কি কারণে তোমরা জাহান্নামে গেলে ? উত্তরে তারা বলবেঃ আমরা নামায আদায়কারীদের মধ্যে শামিল ছিলাম না, আমরা অভাবীদেরকে অন্নদান করতাম না। … … … … … ফলে শাফায়াত কারীদের শাফায়াত তাদের কোন কাজেই লাগবে না।” (সুরা মুদ্দিসসির-৪২-৪৮)

পবিত্র হাদিস এর দলিলঃ

  • “আমাদের ও অমুসলিমদের মাঝে (প্রার্থক্য সুচিত করে) নামাযের অঙ্গীকার, যে নামায ত্যাগ করলো, সে কুফুরী করলো।” (আহমদ, আবু দাউদ, নাসায়ী ও তিরমিযী)
  • “মুমিন ও কাফের এর মধ্যে ব্যবধান হচ্ছে নামায ত্যাগ করা।” (আহমদ, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী ও তিরমিযী)
  • “যার আসরের নামায ছুটে গেছে, তার আমল নষ্ট হয়ে গেলো।” (বোখারী)
  • “যে ইচ্ছা করে নামায ছেড়ে দিল, সে আল্লাহর জিম্মাদারী থেকে বের হয়ে পড়ল।”
  • “মানুষের সাথে যুদ্ধ করার জনৌ আমাকে আদেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা বলবে, আল্লাহ ছাড়া আর কোন ম’বুদ নেই এবং নামায ও যাকাত আদায় না করবে। যখন এগুলো করবে, তখন ন্যাযসঙ্গত কারণ ছাড়া তদের রক্ত মাংস ও সম্পদ আমার হাতে নিরাপদ। তাদেরকে আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে।” (বোখারী ও মুসলিম)
  • “স্বইচ্ছায় যে ব্যক্তি ফরজ নামায পরিত্যাগ করে, তার উপর থেকে মহান আল্লাহ পাকের জিম্মাদারী শেষ হয়ে যায়।” (আহমদ, তাবারানী)
  • “যে ব্যক্তি বেনামাযীরূপে আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করবে, আল্লাহ তার অপরাপর নেক কাজ গুলো গ্রহণ করবেন না।” (তাবারানী)

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকল কবীরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার তোফিক দিন।

আল্লাহ হাফেজ।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৯৪ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

২ টি মন্তব্য

  1. কোরানের আয়াতের উদ্ধৃতি দেয়ার সময় যত্নবান হোন।

    সুরা আল বাকারা-১০২
    তারা ঐ শাস্ত্রের অনুসরণ করল, যা সুলায়মানের রাজত্ব কালে শয়তানরা আবৃত্তি করত। সুলায়মান কুফর করেনি; শয়তানরাই কুফর করেছিল। তারা মানুষকে জাদুবিদ্যা এবং বাবেল শহরে হারুত ও মারুত দুই ফেরেশতার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছিল, তা শিক্ষা দিত। তারা উভয়ই একথা না বলে কাউকে শিক্ষা দিত না যে, আমরা পরীক্ষার জন্য; কাজেই তুমি কাফের হয়ো না। অতঃপর তারা তাদের কাছ থেকে এমন জাদু শিখত, যদ্দ্বারা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। তারা আল্লাহর আদেশ ছাড়া তদ্দ্বারা কারও অনিষ্ট করতে পারত না। যা তাদের ক্ষতি করে এবং উপকার না করে, তারা তাই শিখে। তারা ভালরূপে জানে যে, যে কেউ জাদু অবলম্বন করে, তার জন্য পরকালে কোন অংশ নেই। যার বিনিময়ে তারা আত্নবিক্রয় করেছে, তা খুবই মন্দ যদি তারা জানত।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক,দুঃখিত। শুদ্ধ করে নিলাম। ভবিষ্যতে মনে থাকবে ইনশাআল্লাহ।