কবিরা গুনাহ-১৪ (আল্লাহ তায়ালা ও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি মিথ্যারোপ করা।)
লিখেছেন: ' দ্য মুসলিম' @ রবিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০১০ (৩:৫৭ পূর্বাহ্ণ)
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ,
পবিত্র কোরআন এর দলিলঃ
- যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে, কেয়ামতের দিন আপনি তাদের মুখ কালো দেখবেন ।(সুরা আয যুমার-১০)
হযরত হাসান বসরী রঃ বলেনঃ আল্লাহ তায়ালা ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি মিথ্যারোপকারী তারাই, যারা বলে, আমরা ইচ্ছা করলে কোন কাজ করতে পারি, আবার নাও করতে পারি। (এতে আমাদের কোন অপরাধ হবেনা।)। হযরত আল্লাম ইবনুল জাওযী রঃ তাঁর তাফসীরে বলেনঃ ” এক দল আলেমের অভিমত হলোঃ আল্লাহ তায়ালা ও তার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি মিথ্যারোপ করলে কাফের (অর্থাৎ ইসলাম থেকে বহিস্কার) হয়ে যায়। তেমনি ভাবে আল্লাহর বৈধকৃত বিষয়কে অবৈধ এবং অবৈধকে বৈধ করে নেয়াই হলো আল্লাহ তায়ালা ও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি মিথ্যারোপ করা, যা নির্জলা কুফরী। “
পবিত্র হাদিস এর দলিলঃ
- যে আমার প্রতি মিথ্যারোপ করে, তার জন্য জাহান্নাম একি গৃহ তৈরী করা হয় (একটি স্হান নির্দিষ্ট করে রাখা হয়।)। (এটি একটি মুতাওয়াতির হাদিস।)
- “যে লোক স্বইচ্ছায় আমার উপর মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্হান ঠিক করে নেয়। (মুসলিম)
- যে লোক আমার নামে কোন অসত্য হাদীস বর্ণনা করে অথচ যে জানে যে, তা সত্য নয়, সে একজন মিথ্যুক। (মুসলিম।)
- আমর প্রতি মিথ্যারোপ, অন্য সবার উপর মিথ্যারোপ করার মত নয়। যে আমার প্রতি মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্হান বানিয়ে নেয়। (মুসলিম)
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকল কবীরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার তোফিক দিন।
আল্লাহ হাফেজ।
Processing your request, Please wait....












রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) এর গ্রহনযোগ্য হাদিস (সহীহ , হাসান ইত্যাদি ) শরীফকে জঈফ বা মওজু এবং যেটা হাদিস শরীফ না সেটাকে হাদিস শরীফ বলাও এর মধ্যে পড়বে ।
@হাফিজ,
একমত।