লগইন রেজিস্ট্রেশন

কবিরা গুনাহ-১৮ (মিথ্যা সাক্ষী দেয়া ।)

লিখেছেন: ' দ্য মুসলিম' @ বৃহস্পতিবার, মার্চ ১১, ২০১০ (৯:১৩ অপরাহ্ণ)

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ,

পবিত্র কোরআন এর দলিলঃ

  • আর যারা মিথ্যা সাক্ষী দেয় না। (সুরা ফোরকান- ৭২)
  • তোমরা মিথ্যা থেকে আত্মসংবরণ কর। (সুরা হজ্জ- ৩০)
  • নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালংঘনকারী, মিথ্যাবাদীকে পথ প্রদর্শন করেন না। (সুরা আল মুমিন)

পবিত্র হাদিস এর দলিলঃ

  • মিথ্যা সাক্ষ্যদান ও আল্লাহর সাথে শিরক, দু-ই সমান। (আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজা, তাবারানী)
  • কেয়ামতের দিন মিথ্যা সাক্ষ্যদানকারীদের জন্য জাহান্নামের ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত তারা পাও বাড়াতে পারবে না। (ইবনে মাজা ও হাকেম।)
  • মিথ্যা সাক্ষ্যের দরুণ আমি যদি কাউকে অপর কোন মুমিন ভাইয়ের সম্পদ থেকে কিছু দেয়ার ভুল নির্দেশ দেই, তবে সে যেন তা গ্রহণ না করে। কারণ সে অবস্হায় আমি যেন তার জন্য জাহান্নামের একটি অংশ বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছি। (মুসলিম ও বুখারী)
  • “আমি কি তোমাদের গুরুতর কবীরা গুনাহ সম্পর্কে জানাবো না? তা হচ্ছেঃ আল্লাহর সাথে অংশী সাব্যস্ত করা, পিতা-মাতাকে কষ্ট দেয়া, আর সাবধান! অসত্য বলা, সাবধান! মিথ্যা সাক্ষ্যি দেয়া।” বর্ণনাকারী বলেনঃ শেষের কথাটি তিনি বার বার পুনরাবৃত্তি করতে লাগলেন। শেষ পর্যন্ত আমরা মনে মনে বলছিলাম, আহ! তিনি যদি নীরব হতেন তবে ভাল হতো। (মুসলিম, বুখারী ও তিরমিযি)

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকল কবীরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার তোফিক দিন।

আল্লাহ হাফেজ।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১২৯ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৪ টি মন্তব্য

  1. এক মিথ্যাই পৃথিবীকে শেষ করে দিচ্ছে। ধন্যবাদ।

  2. (Y)

    বানানগুলো একটু দেখুন!
    কেয়ামতের দিন মাথ্যা/মিথ্যা সাক্ষ্যদানকারীদের জন্য জাহান্নামের ঘোষনা/ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত তারা পাও বাড়াতে পারবে না। (ইবনে মাজা ও হাকেম।)
    মিথ্যা সাক্ষ্যের দরুন/দরুণ আমি যদি কাউকে অপর কোন মুমিন ভাইয়ের সম্পদ থেকে কিছু দেয়ার ভুল নির্দেশ দেই, তবে সে যেন তা গ্রহণ না করে। কারণ সে অবস্হায় আমি যেন তার জন্য জাহান্নামের একটি অংশ বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছি। (মুসলিম ও বুখারী)
    “আমি কি তোমাদের গুরুতর কবীরা গুনাহ সম্পর্কে জানাবো না? তা হচ্ছেঃ আল্লাহর সাথে অংশী সাব্যস্ত করা, পিতা-মাতাকে কষ্ট দেয়া, আর সাবধাণ!/সাবধান! অসত্য বলা, সাবধান! মিথ্যা সাক্ষ্যি দেয়া।” বর্ণনাকারী বলেনঃ শেষের কথাটি তিনি বার বার পুনরাবৃত্তি করতে লাগলেন। শেষ পর্যন্ত আমরা মনে মনে বলছিলাম, আহ! তিনি যদি নিরব/নীরব হতেন তবে ভাল হতো। (মুসলিম, বুখারী ও তিরমিযি)

    দ্য মুসলিম

    @সাদাত, শুদ্ধ করে নিলাম। ধন্যবাদ।