আমল ৩: কবর আজাব থেকে মুক্তির আমল
লিখেছেন: ' রেজওয়ান করিম' @ শুক্রবার, নভেম্বর ১৩, ২০০৯ (২:০৩ অপরাহ্ণ)
প্রত্যহ শুধু মাত্র ৭ বার ইয়া বারিউ (البارئ) পাঠ করলে কবর আজাব থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
সূত্র: শাহসুফী মোজাদ্দেদে হজরত মাওলানা আবদুর রব ছিদ্দিকী সাহেব প্রণীত নাফিউল খালায়েক ও
মৌলভী মোহ: শামসুল হুদার গ্রন্থীত ‘নেয়ামুল কোরআন’
১,১১৬ বার পঠিত
Processing your request, Please wait....












ধন্যবাদ, আমি আপনার কাছ থেকে আরও কিছু আশা করছি।
তাইলে আর কি প্রত্যহ ৭ বার ইয়া রারিউ (البارئ) পাঠ করা শুরু করে দিন এবং যত ইচ্ছা অনাচার করতে থাকুন। আপনাকে আর পায় কে!!
আ[পনার এই ধরনের হেয়ালীপূর্ণ কথাটা ভালভাবে নিতে পারলাম না। কেউ নফল আমল করলেই পাপ কাজের লাইসেন্স পেয়ে যায় না। কেননা পাপ ঈমান ধ্বংস করে। আর ঈমানহীন ব্যক্তির আমল গ্রহণযোগ্য নয়।
আমাদের অপরকে হেনস্থা করার উদ্দেশ্যে অযথা শিশুসুলভ প্রশ্ন করা উচিত নয়।
ধন্যবাদ, আবির্ভাব…….আমার কথাটা আপনিই সুন্দর ভাবে বলে দিয়েছেন
যারা অন্যায় করে তারা কি কখনও আমল করে……..?
@ফারুক সাহেব, মানুষকে নফল ইবাদতের প্রতি উৎসাহ দেবার অর্থ এই নয় , অন্যায় কাজে তাকে উৎসাহিত করা । আপনার এই কমেন্ট আমার উগ্র আচরন মনে হয়েছে ।
ভাল লাগল।
ধন্যবাদ, আল্লাহ আপনার সহায় হোন
মোকসুদুল মোমিনীন, নেয়ামুল কোরআন এই ধরনের বই পড়া থেকে বিরত থাকুন, এগুলো তে রেফারেন্স বিহীন আমলের কথা রয়েছে অনেক, যা কুরআন এবং সহীহ সুন্নাহতে কোন ভিত্তি নেই। আর যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাহতে নেই সেইসব আমল যতই ভাল মনে হোক না কেন তা মূল্যহীন।
এই দুটো বই না পড়ার জন্য অনেক আলেম বলে থাকেন।
কিন্তু এই বই ২টোতো অনেক পুরাতন আর খুজলে অনেকের বাসাতেই পাওয়া যাবে।
আমাদের আলেমদের মধ্যে এত বিভক্তি, তারা একেক জন একেক মত প্রকাশ করে। কোনটা আসল আর কোনটা ভিত্তিহীন……তা নিয়ে আমাদের মত সাধারণ মানুষদের বড় সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে।
আর আমি যেটা দিয়েছি তা শুধু এই বইয়ে নয় আরও অন্য বইয়েও আছে…….ওযীফাতুল মুসলিমীন।
আমি যতদুর জানি “গোলাম রহমান” লিখিত মকসুদুল মোমেনিন গ্রহনযোগ্য কিতাব, এর নকল যে লেখকগুলো করিছিল সেগুলো একটু সমস্যা আছে।
@রেজোওয়ান ভাই,
ইমাম জাওজী (রহ:) এর হিসনে হাসীন খুবই বিখ্যাত এবং পৃথিবীখ্যাত গ্রহনযোগ্য কিতাব, আমার মনে হয় আপনি সেটা জোগার করে তার থেকে একটু একটু করে দিতে পারলে সবার কাছেই গ্রহনযোগ্য হতো ।
তবে আপনার এই প্রচেষ্টাকে স্বাগতম।
ঠিক আছে চেষ্টা করব
আমার ব্যক্তিগত মতামত হল, কোর্আনের কিছু বাণী দিয়ে হয়তবা দোয়া দুরুধ, তাবীজ তুমার, ইত্যাদি করা যায়, কিন্তু নিজেকে প্রশ্ন করা হক আসলে কোরান এসবের জন্য কি নাজিল হয়েছিল, রাসুল (সাঃ) কি আসলে তার সুন্নাহ্তে এসকল গুরুত্ব দিয়েছিলেন ? মানুষ মাত্রই ফাঁকিবাজ, শুধু আমাদের মুসল্মান্দের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে আমরা আল্লাহ্ আর রাসুল (সাঃ) এর দেয়া option গুল থেকে কেবল easiest option-ই বেছে নিয়েছি। অতঃপর
- নিজে না পরে অথবা প্রচেষ্টা না করে হুজুরের কাছে দউর দেই
- কোর্আনের বুঝে না পড়েই খতম দিয়ে দেই
- ফরজ আমলের খবর না রেখে নফল পরতে পরতে মুখে ফেনা তুলে ফেলি
উপরে বর্ণিত গুণাবলীতে আমিও সমৃদ্ধ। আল্লাহ্ যেন আমাকে এবং আমাদের এসব পথ হতে সরে আসার hikma দেন এবং শক্তি দেন।
আমি তো ফরজ বাদ দিয়ে শুধু নফল ইবাদতের কথা বলিনি
@রেজওয়ান করিম, হ্যা ঠিকই বলেছেন ।
একটা কথা , যেহেতু আমরা এখন ব্যস্ত হয়ে গেছি , তাই সহজ আমলগুলো বেছে নেই এবং এটা উত্তম । একটা বিষয় আপনার সাথে শেয়ার করছি । কিছু কিছু রসুলু্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) এর খাছ সুন্নত আছে যেগুলো খুব সহজেই আমরা আমল করতে পারি । যেমন রসুলু্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) খাবার গ্রহন করার পূর্বে, পরে , অজুর আগে , ঘুমানোর সময় , ঘুম থেকে উঠে , দুধ খাবার সময় নির্দিষ্ট কিছু “দোয়া” পড়তেন । যেটা সাহাবীরা , তাবেয়ীনরা , আগের আলেম মুজতাহিদ গন খুবই গুরুত্বের সাথে আমল করতেন ।
এগুলোর সবচেয়ে সুবিধা হলো, আমরা যদি এই আমল গুলো করতে পারি তাহলে আমাদের প্রাত্যহিক কাজগুলোতেও সওয়াব পাবো। আপনার যেহেতু এই বিষয়ে আগ্রহ আছে তাই এই দোয়াগুলো যদি পোস্ট আকারে দিতেন খুবই উপকৃত হতাম ।
এই বইগুলোর সাহায্য নিতেন পারেন । (সবগুলোই বাংলাতে পাওয়া যায় )
১) হিসনে হাসিন – ইমাম জাযরী ( রহ:) [ সবচেয়ে বৃহৎ ]
২) মোনাজাতে মকবুল – আশরাফ আলী থানভী (রহ:) [ মাঝারী ]
৩) নূরানী কোরান শিক্ষা – বেলায়াত হোসেন [ ক্ষুদ্র ]
হ্যা, হাফিজ ভাই আমার দেয়ার ইচ্ছা আছে।
আমরা যখন এক সাথে বসে মসজিদে বা হোস্টেলে ইসলামের ব্যপারে আলোচনা করি তখন শুধু বলি ইসলামে সব কিছু বিধান বলে দেওয়া আছে, কিভাবে খানা খেতে হবে, খানা খাবার সময় পর কোন্ দোয়া পড়তে হবে, অজুর আগে , ঘুমানোর সময় , ঘুম থেকে উঠে দোয়া পড়া, ট্রয়লেটে যাওয়া ও বের হবার দোয়া, মোজা পরার দোয়া সব কিছু বলা আছে। কিন্তু কোন দোয়ার কথা বলা আছে তা উনারা বেশীরভাগ/ অনেক ক্ষেত্রেই উহ্য রাখেন। ফলে শুধু আমরা জানি সব কিছুই ইসলামে আছে, কিন্তু কি আছে তা জানিনা। আর তাই আমি এসব নিয়ে লিখতে আগ্রহবোধ করছি। কাউকে ফরয ইবাদত হতে ফিরিয়ে সহজ নফল ইবাদত করানোর চরিতার্থে নয়।
Brother Rezowan, I did not comment @ you rather in light of your topic I just shared my opinion considering current nature of the general mass.
I was merely trying to point out [also as Brother Hafiz mentioned] that due to our busy life style [which also I believed is not rooted in Islamic Principle rather materliastic achievement] we are jumping to shortcuts rather than the obligatories.
JazakAllah.
@rezowan ভাই,
ফলে শুধু আমরা জানি সব কিছুই ইসলামে আছে, কিন্তু কি আছে তা জানিনা। আর তাই আমি এসব নিয়ে লিখতে আগ্রহবোধ করছি।
অবশ্যই লিখবেন , একটা সুন্নতও যদি আমরা আমল করতে পারি সেটা অনেক বড় সোভাগ্যের ব্যাপার। আপনি লিখুন ।
কাউকে ফরয ইবাদত হতে ফিরিয়ে সহজ নফল ইবাদত করানোর চরিতার্থে নয়।
সহমত, আমাদের ফরজ ইবাদত অবশ্যই করতে হবে সাথে এটাও মনে রাখতে হবে নফল/সুন্নত ইবাদত করতে করতে মুমিনরা আল্লাহ তাআলার নৈকট্যশীল হন ।