বাদ্যযন্ত্র হারাম সাবস্ত্যকারী হাদিস বিশ্লেষন
লিখেছেন: ' আল মাহমুদ' @ শুক্রবার, নভেম্বর ১৩, ২০০৯ (১১:০৬ পূর্বাহ্ণ)
বাদ্যযন্ত্রের ফতোয়া এবং রেফারেন্স চেয়ে জনৈক শ্রদ্ধেয় ব্লগার পোস্ট লিখলেন যার উত্তরে অনেকগুলো পোস্ট এসেছে।
কোরানের আয়াত নিয়ে তিনি যেসব আপত্তি করেছেন তার উত্তর যারা কোরানের জমীর ব্যাখায় সাহাবাদের বক্তব্য সহ নিজ নিজ পোস্টে তুলেধরেছেন আমি হাদিস দ্বারা বিষয়টি তুলে ধরেছিলাম কারণ হাদিসের শব্দ কোন বিশ্লেষণ ও ব্যাখা ছাড়াই পরিষ্কার ভাবে বাদ্য-বাজনা হারামের হুকুম সাব্যস্ত করছে। গফমার একটি পোষ্টে একটি সহীহ হাদিস পেশ করার পরে তিনি উক্ত হাদিসের ব্যাপারে নিন্মোক্ত কমেন্ট করেন: ।
আমি তো আপনার মতো দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত নই তারপর এই হাদিস পষ্ট ভাবে বর্ণনা করছি- বোখারী কর্তৃক আবু মালেক বা আবু আমের আশআরী থেকে মুআল্লাক সনদে রাসুল সাঃ থেকে বর্ণিত- অচিরে আমার উম্মতের মধ্য এমন কিছু লোক হবে যারা ব্যবিচার,রেশমী পোষাক, মদ ও মাআযিফ কে হালাল মনে করবে।
মাআযিফ মানে খেলা ধুলা ও বাদ্যযন্ত্র।
২. এই হাদিসটি আবার ইবনে মাজাহ আবু মালেক আশআরী থেকে এ ভাষায় বর্ণনা করেন- “আমার উম্মতের মধ্য কিছু লোক মদপান করবে। তারা তার অন্য নাম দিবে। তাদের মাথার উপর বাদ্যযন্ত্র ও গায়িকাদের গান বাজানো হবে। আল্লাহ তা’আলা তাদের নিয়ে পৃথিবী ধ্বংস করবেন। এবং তাদের মধ্য থেকে বানর ও শুকুর বানানো হবে।” এই হাদিসটি ইবনে হাববানও এই ভাবেই তাঁর সহীহতে আর বোখারী তার তারীখে বর্ণনা করেছেন।
এই উভয় হাদিসের মতন নিয়ে আলোচনার সময় নেই, আগামী বই মেলায় আমার প্রকাশিতব্য পাণ্ডুলিপি নিয়ে এখন খুবই ব্যস্ত আছি। তাই এই উভয় হাদিসের সনদ নিয়ে দুটি কথা বলছি- এ হাদিস সহীহ বুখারীতে থাকলেও মুস্তানিদ বা ধারাবাহিক সনদে বর্ণিত নয়। বরং সনদ বিহীন মুআল্লাক ভাবে বর্ণিত। এ কারণে ইবনে হাযম এ হাদিসটি মুনকাতি বা সনদবিহীন হবার কারণে প্রত্যাখান করেছেন। তাছাড়া তিনি বলেন- এ হাদিসের সনদ ও মতন ইজতিরাব তথা বিভ্রাট মুক্ত নয়।
হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী হাদিসটি মুত্তাসিল প্রমাণ করার চেষ্টা করেছিলেন। কার্যত তিনি তা নয়টি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন। তবে সব সনদে এমন একজন রাবী আছেন যার সম্পর্কে হাদিসের বিভিন্ন সমালোচকরা নানান কথা বলেছেন। তিনি ছিলেন হেসাম ইবনে আম্মার। আবু দাউদ তার সম্পর্কে মন্তব্য করেন যে, তিনি ভিত্তিহীন চল্লিশটি হাদিস বর্ণনা করেছেন।
দলিল দেখুন- ১.ইবনে হাজর তাগীকুত তালীক খ ৫ পৃষ্টা ১৭-২২ (বায়রুত আলমাকতাবা আল ইসলামী) ২.যাহাবী, মীযানুল ইতিদাল,খ ৪ পৃ. ৩০২। ৩ ইবনে হাজার, তাহযীবুত তাহযীব,খ,১১,পৃ. ৫১-৫৪।
বাংলা মৌলভী খুব খেয়াল কইরা আগুয়ান কইলাম। জানেন তো আমি হাফ আরবী তো বটে!!!!!
জনাব লক্ষ্য করুন :
- ইবনুল হাজার আসক্বালানী বলছেন জয়ীফ (সনদের ক্ষেত্রে দুর্বল হাদীস) যখন অনেকগুলো রেওয়ায়েত এ আসবে তখন তা সহীহ এবং প্রমানের জন্য যথেষ্ট হবে। সে ক্ষেত্রে বোখারীল হাদীসের সমালোচনা অপেক্ষা রাখে না, আমার উক্ত হাদীসের একজন মাত্র রাবী নিয়ে আপনার টিক্বা ও মতামত এনেছেন, এবং একজন রাবীর ব্যাপারে আপত্তি তুলে ইবনুল হাজারের কায়দা অনুসারে হাদিসটিকে জয়ীফ আখ্যা দিয়েছেন, ইবনুল হাজার সরাসরি ব্যক্তির উল্লেখ করে তাকে অপরিচিত বলেন নি, এবং রাবী এবং ইবনুল হাজার রহ এর যূগেরও অনেক তফাথ।
অথচ একই মজমুন অন্য রেওয়ায়েতে আছে আর ইবনুল হাজারের ভাষ্য মতেই তা এখন হুজ্জত পেশ করার যোগ্য ।আমার যতটুকু বিশ্বাস আপনি সরাসরি ইবনুল হাজারের কিতাবও দেখেন নি, বরং কারো দলীল থেকে কপি পেষ্ট মেরেছেন। আমার কাছে আলমাক্তাবাতুশ শামেলার ডিভিডি আছে যেখানে ৫০০০পাচঁ হাজার রেফারেন্স কিতাব আছে, চাইলে আপনার রেফারেন্স কৃত দলিল দেখে নিতে পারেন। অনলাইনেও কিতাবের লিংক আছে।
দেখুন: তাহরীমু আলাতিত্বারব, নাছিরুদ্দীন আলবানী, পৃ: ৩৭।
হাদীসটির বর্ননাকারী বোখারী এবং তার ওস্তাদ হিশামের বর্ণনায় (অপরিচিত) শব্দ উল্লেখ করে হাদিসটিকে দুর্বল বলতে চেষ্টা করেছেন ইবনুল হাযাম এবং তার অনুসারীরা ইবনুল হাজারের কানুনের আলোকে -অবশ্যই সরাসরি নাম উল্লেখ করে ইবনুল হাজার আসকালানীর মত ব্যক্তি বোখারী এবং তার ওস্তাদকে অপরিচিত উল্লেখ করতে পারেন না এবং কোথায়ো করেনও নি- সুতারং ইবনুল হাজারের কোন যুক্তিটি স্পষ্ট?!! । অথচ ইবনুল হাজাম এবং তার অনুসারীরা কেন এই অপচেষ্টা বিভ্রান্তিকর ব্যাখায় হাদীসটিকে অবান্তর -যয়ীফ- উল্লেখ করেছেণ তা বোধগম্য নয়।
নাছিরুদ্দিন আলবানী তার কিতাবের ৩৭নং পৃষ্ঠায় হাদীসটি উল্লেখ করার পরে এটার ব্যাপারে আপত্তি ও তা খন্ডন করতে প্রায় ১০পাতা খরচ করেছেন যেখানে ইবনুল হাজামকে তিনি অবান্তর বলে প্রমান করছেন। এবং দশজনেরও বেশি হাফেজুল হাদিস-লক্ষাধিক হাদিসের সনদ সহ মুখস্তকারীরদের- বক্তব্য পেশ করেছেন যারা প্রত্যকেই হাদিসটিকে সহিহ ঘোষনা করেছেন। দেখুন তাহরীমুল আলাতুত্বারব ৩৫ থেকে ৫০পৃ:
ইবনুল হাজারের রেফান্স টেনে কাকের সাথে ময়ূরের লেন্জা জোড়া দেয়া ছাড়া আর কিছুই না। নাছিরউদ্দনি আলবানীর ভাষায়”কোন খোদাভীরু লোক এমন কাজ করতে পারে না” আমি আগ বাড়িয়ে বলবো গান-বাজনার প্রেমিকরা যেমন ফাসেক ফুজ্জার তাদের পক্ষেই সম্ভব এই বিকৃতি সাধন করে হাদিসের সনদের আপত্তি তুলে হারামকে হালাল সাব্যস্ত করা।
Processing your request, Please wait....












বোখারী শরীফের হাদিস সব “হাসান” পর্যায়ের যেটা গ্রহনযোগ্য , প্রথমে আমি জানতে চাই মর্দে মুমিন ইবনে হযমের এই বক্তব্য কোথায় পেলেন , অর্থ্যাৎ রেফারেন্স জানতে চাই ।
বুঝা গেল আপনিও খুব ব্যস্ত!!!!! আপনি যখন কারো পোষ্ট পড়বেন তখন ঐ পোষ্টে সম্পূরক হিসাবে তার কমেন্ট গুলোও পড়বেন তখন পোষ্টে কোন কিছু বাদ পড়লে সেখানে পাবেন। আর আপনার মত বিজ্ঞ ব্লগার এটা কেন বুঝছেন না মর্দে মুমিনকে কিছু প্রশ্ন করলে তার ট্র্যাকে প্রশ্ন করা উচিত।কেউ প্রশ্ন করলেও অন্য ট্র্যাকে উত্তর দেবনা এবং একটা কথা শোনে রাখুন আমি কোন ধরণের চরম পন্থায় নই। এতে আপনার আমার মত পার্থক্য থাকলে হুদা সময় নষ্ট না করে ফায়সাল ভার আল্লাহ কাছে সপে দেওয়াটা মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের স্বার্থে উত্তম । হালাল হারাম তর্ক ফর্জ নয়। মুসলিম উম্মাহর ঐক্য টা নামাজ রোজার মতো ফর্জ । আর আমি সেটাই করে চলছি। আমি জানি প্রচলিত মতের বিপরীতে নতুন কিছু শুনলে এক শ্রেণীর মানুষ ঝাপাইয়া পড়ে।
প্রাচিণ ফিকাহ শাস্ত্র দিয়ে যুগজিজ্ঞাসার জবাব দেওয়া সম্ভব নয় বিধায় আল্লাহ প্রতি শতাব্দীতে একবা একাদিক মুজতাহিদ প্রেরণ করেন। আর এমনি একজন এ যুগের ফকিহ জনাব আল্লামা ইউসুফ আল-কারযাভী। এ পর্যন্ত যত লেখা উনার পড়েছি তত আমার বিবেক সাক্ষ্য দিচ্ছে এই যুগে ইসলামের আরেক কাণ্ডরী যেমন বৃটিশ ভারতের নতুন ইসলামী চিন্তা চেতনার কাণ্ডারী ছিলেন। স্যার সৈয়দ আহমদ, আল্লামা ইকবাল, বাংলায় হজরত মৌলানা জৌনপুরী রহমত উল্লা। তারা ইসলামকে সংস্কার করেছিলেন বলে আজ আমরা এই পর্যন্ত আসতে পেরেছি। না হলে হারুলহার্ব মত পোষণ কারীদের চক্করে পড়ে এদেশের ইসলামের বারটা ইসলামের বাজত।
এবার এ যুগের ফকিহ জনাব আল্লামা ইউসুফ আল-কারযাভীর আলোকিত মশাল নিয়ে আমি সবাইকে আমার সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যাব। এতে কে সাথে থাকে কে থাকবেনা এটা বিবেচনার বিষয় নয়। ভাল থাকুন।
ঠিক আছে আপনার পোস্টে প্রশ্নটা করছি ।
গতযূগের একজন সংস্কারক হলেন আল্লামা নাসিরুদ্দীন আলবানী রহ যার হাদীস শাস্ত্রের গবেষণা একটি আদর্শ মাইল ফলক, যতটুকু দেখেছি শেখ কারজাভী ও তার লেখা থেকে কোড করতে ভুল করেন না।
@বাংলা মৌলভী,
নাসিরুদ্দিন আল বানীর “রসুলুল্লাহর নামাজ” বইটি সম্পূর্ন পড়েছেন ?
কেউ প্রশ্ন করলেও অন্য ট্র্যাকে উত্তর দেবনা এবং একটা কথা শোনে রাখুন আমি কোন ধরণের চরম পন্থায় নই।
খুবই সুন্দর কথা , আমাদের কারো চরমপন্হা হওয়া উচিত নয় । আর কেউ যদি চরমপন্হা হয়ে থাকে তাকে থামানোর জন্য আবার অনেক চরমপন্হা হয়ে যায় , সেটাও আমাদের পরিহার করা উচিত ।
প্রাচিণ ফিকাহ শাস্ত্র দিয়ে যুগজিজ্ঞাসার জবাব দেওয়া সম্ভব নয় বিধায় আল্লাহ প্রতি শতাব্দীতে একবা একাদিক মুজতাহিদ প্রেরণ করেন। আর এমনি একজন এ যুগের ফকিহ জনাব আল্লামা ইউসুফ আল-কারযাভী।
ইউসুফ আল-কারযাভী অনেক বড় আলেম , সেটা আমিও স্বীকার করি , তবে এটাই ঠিক আরোও অনেক বড় বড় আলেম এবং প্রতিষ্ঠান আছে যারা ইসলাম নিয়ে নিরন্তর গবেষনা করে যাচ্ছেন ।
আর এটাও আমাদের স্নরন রাখতে হবে ইউসুফ আল-কারযাভী র কিছু মাসআলা অন্যান্য অনেক বড় বড় আলেম এবং বিভিন্ন গবেষনা প্রতিষ্ঠান ( যেমন দেওবন্দ , সাউথ আফ্রিকার মাদ্রাসায়ে ইনামিয়া ইত্যাদি ) মেনে নিতে পারেন নাই । যেমন “গান বাজনা এবং ছবির” ফতোয়া । এবং এই সব ক্ষেত্রে একজনকে অনুসরন না করে অন্যান্য মেজোরিটি আলেম ওলামা কি বলেন সেটাই ধর্তব্য ।
না । আমি দ্বি-মত পোষণ করি। আপনারা উনার পুরো রায় না জেনে এই এই ভাবে আর একটা রায় চাপাচ্ছেন। আপনারা যদি আমার ট্র্যাকে থাকতেন তাহলে আপনারা প্রশ্ন রাখতেন আর আমি উনার ব্যাখ্যা থেকে কিছু করে উত্তর দিয়ে গান বাজনা সম্পর্কে সব যুক্তি শেষ হবার পর আমার বিশ্বাস হয়তোবা আপনারাও ইসলামের এক নতুন অনুপম দিক আবিষ্কার করতেন। আমার ইমাম শুধু নয় আপনার ইমাম গাজ্জালী রঃ ও গান বাজনার বিষয়ে যে দৃষ্টি ভঙ্গি তুলে ধরেছেন তাও কারজাভি থেকে কম নয় বরং বেশী।
আমার ইমাম বলেছেন উনার সাথে উনার অনেক বন্ধু একমত হবে না জেনেও উনি উনার বক্তব্য ইসলামি আন্দোলনের যোদ্ধাদেরকে বলে যাবেন। উনি বন্ধুত্ব বড় মনে করেন না আল্লাহর সন্তুষ্টিকে সামনে রেখে চলবেন। এতে যে পরিনাম আসুক না কেন।
আমি বুঝতে পারছি আমার অক্ষমতা আর এই ব্লগে আমি একা আপনারা বেশীর ভাগ আহলে সুন্নত আল জামাতের লোক। আমার ইমামের কাছ থেকে এবং হাসান বান্না রঃ শিক্ষায় আমার বুঝে এসেছে রাসুল প্রচারিত ইসলামকে ভিন্ন ট্যাগে ট্যাগিং করে আপনারা মুসলিম উম্মাহ কে শত ধারায় বিভক্তি করছেন। এই বিভক্তির জন্য কাল হাশরের মাঠে সেই তথাকথিত নায়েবে নবী গণ কি জবাব দিবেন আমি জানিনা। আমার মঞ্জিল স্থির যে কোন কিছুর বিনিময়ে মুসলিম উম্মার ঐক্য । কারণ আজকের বিশ্বে মুসলমানরা সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে এমন কি ব্লগে বাংলাবাসী মুসলিম যুবকদের কাছেও মুসলমানরা সন্ত্রাসী বলে পরিহাস করা হচ্ছে। তার প্রধাণ কারণ এক কোরান এক রাসুল এক আল্লাহ এক কাবা থাকার পরও ভিন্ন গ্রুপে আমাদের বিভক্তি। আমারা নিজের মধ্যে বউ তালাক অজু গোশল, বসে খাব না দাঁড়িয়ে খাব, দাঁড়ি রাখবনা দাঁড়ি রাখব, ইসলামি লেবাস পরব না পরব ভিন্ন অমৌলিক বিষয়ে কলহে লিপ্ত। এখানে আল উম্মাহর ঐক্যের মত ফর্য বিষয়ে আমরা নির্লিপ্ততা প্রকাশ করছি আর ফতোয়া দিচ্ছি আমরা অমুক ফেরকা আমরাই ৭৩ দলে মধ্যে কথিত ১ দল যা রাসুল বলে গেছেন। হায় আল্লাহ আমি কি হাঃ হঃ হাসব না গলা ফাটিয়ে কাঁদব মুসলিম উম্মার এই সব অনৈক্যের বীজ গভীর ভাবে প্রচার হচ্ছে দেখে!
আরিফুর রহমান, খারাপ মানুষ, তৎসম বাঙ্গালী, গরীব মানুষ নিক ধারী সৃষ্টি আমাদেরই নেতিবাচক ধারণার ফলশ্রুতি।
ভাল থাকুন।
@মর্দে মুমিন, আপনি বলছেন সবাই বিভক্ত করছে, আপনি কি “গানের” বিষয়টা প্রথম এখানে নিয়ে আসেন নি ?
না । আমি দ্বি-মত পোষণ করি। আপনারা উনার পুরো রায় না জেনে এই এই ভাবে আর একটা রায় চাপাচ্ছেন। আপনারা যদি আমার ট্র্যাকে থাকতেন তাহলে আপনারা প্রশ্ন রাখতেন আর আমি উনার ব্যাখ্যা থেকে কিছু করে উত্তর দিয়ে গান বাজনা সম্পর্কে সব যুক্তি শেষ হবার পর আমার বিশ্বাস হয়তোবা আপনারাও ইসলামের এক নতুন অনুপম দিক আবিষ্কার করতেন।
অন্যরা কিভাবে চিন্তা করছে জানি না , তবে আমি অপেক্ষা করছি সেই মত শোনার জন্য । এইজন্য আমি “গান” বিষয়ে আর প্রশ্ন করছি না যেহেতু আপনি বলেছেন উত্তর দিবেন ।
আমি বুঝতে পারছি আমার অক্ষমতা আর এই ব্লগে আমি একা আপনারা বেশীর ভাগ আহলে সুন্নত আল জামাতের লোক।
আপনি কি আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতের বাহিরে ? আমি তো আপনাকে “কোরান” এবং “সুন্নাহর” অনুসারী হিসেবেই জানি । আপনি তো কারো মত সহ্য করতেই পারছেন না । যেকোন এক বিষয়ে মত দিলেই আপনি দুনিয়ার সব ঐক্য , অনৈক্য এত সব নিয়ে আসছেন ? আপনি কেনো আসা করছেন আপনি বলার সাথে সাথে আর সবাই মেনে নিবে । আমিও সেটা আশাকরি না নিজের ক্ষেত্রে ।
আমার ইমামের কাছ থেকে এবং হাসান বান্না রঃ শিক্ষায় আমার বুঝে এসেছে রাসুল প্রচারিত ইসলামকে ভিন্ন ট্যাগে ট্যাগিং করে আপনারা মুসলিম উম্মাহ কে শত ধারায় বিভক্তি করছেন।
আমি ও তো বলতে পারি আপনি এবং আপনার ইমাম একটা গ্রুপের । এই সব বলে কোনো ফয়সালা হবে না । যেকোন একটি বিষয়ের কোরান হাদিসের ফয়সালা দিন , আবেগপূর্ন কথা পরিহার করে ।
হায় আল্লাহ আমি কি হাঃ হঃ হাসব না গলা ফাটিয়ে কাঁদব মুসলিম উম্মার এই সব অনৈক্যের বীজ গভীর ভাবে প্রচার হচ্ছে দেখে!
এখানে যদি আর সবাই আপনার মনমতো বক্তব্য পেশ না করতে পারে , তাহলে অবশ্যই আপনাকে সহনশীল হতে হবে। আপনি এত সহজেই কেনো আশা করছেন আর সবাই এক মুহুর্তে আপনার কথা মেনে নিবে ।
আমি এমনো দেখেছি অনেক ১০/১২ বছর পর পরিবর্তন হয় , আপনি সেটা নিশ্চয় একদিনে ২/১ টা পোস্ট দিয়ে আসা করতে পারেন না ।
ধন্যবাদ
হাফিজ ভাই,
নাসিরুদ্দিন আল বানী রহ “রসুলুল্লাহর নামাজ” এর বইটি পড়ি নি।
@বাংলা মৌলভী, ভাই আপনি যদি সময় পান তাহলে বইটির ভূমিকা পড়তে পারেন , বাংলায় অনুবাদ হয়েছে। পড়ে সময় পেলে এটা নিয়ে আলোচনা করা যাবে ।
একটি বিষয়ে কন দ্বিধা নেই সেটি হল যে scholar-দের মাঝে গান বাজনা নিয়ে সমমত নেই কিন্তু “anything extreme is wrong” এই বিষয়ে কন দ্বিধা তাদের মাঝে নেই। অর্থাৎ যারা গান to a certain extent support করে তারা অতিমাত্রায় লম্ফ ঝম্প এবং নাচানাচি এবং চীৎকার করে গাওয়া গানকে support করে না।
আমি এই দুই মতবাদের মর্যাদা করি এবং তাদের মধ্যবর্তী স্থান নিজেকে অবস্থান করি। এর পেছনে আমার কারণ নিচে বর্ণনা করলাম।
গান কি ?
গান = কথা + সুর
সুর = গলার সর + বাদ্যের সর
আমার মতে উপরে উল্লিখিত ৪টি variable-এর একটিও যদি extreme পন্থা অবলম্বন করে আমার কাছে তা গ্রহণ যোগ্য নয়।
আমি যদিও এই ব্যপারে সকল হাদীস্ পড়িনি তবে popular যে সকল হাদীস্ scholar-দের কাছ থেকে শুনেছি তাতে আমি কথাওই সুনির্দিষ্ট ভাবে গান বাজনাকে নিষেধ করা হয়েছে এমনটি দেখিনি।
সুনির্দিষ্ট-এর কাছাকাছি যেটি আমার মতে ধরা যায় সেই হাদীস্টি হল নিম্নে
১। হযরত নাফে(রহ:) বলেন , একবার হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা:) রাস্তা দিয়ে চলার সময় বাশীর আওয়াজ শুনে কানে আংগুল ঢুকিয়ে দেন এবং বার বার আমাকে জিজ্ঞেস করেন হে নাফে এখনও আওয়াজ শোনা যায় ? আমি বললাম জ্বী এখনও শোনা যায় । কিছু দুর যাওয়ার পর আর শোনা যাচ্ছে না বলাতে উনি হাত নামিয়ে নেলেন এবং রাস্তার দিকে ফিরে আসলেন । তারপরে বললেন আমি রসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) কে একদা এমন করতে দেখেছি ।
তবে খেয়াল করবেন রাসুল (সাঃ) এখানে কন নিষেধাজ্ঞা দেননি কিন্তু একি সাথে তেমন পছন্দ করেননি।
আমি formula-র মানুষ। scholar-দের মতে তারা নিচের কিছু পন্থা অবলম্বন করে হাদীস্ (সাহীহ্-এর ব্যাপারে বলছি) পাঠ করেন, অতএব দলিল বলেন আর no দলিল বলেন তারা নিজেরাই যদি এই formula-র বাইরে চলে যান তাহলে আমি তখন (already mentioned earlier) মধ্যম পন্থা বেছেনি।
কখনই একি বিষয়ে একটি হাদীস্ আরেকটির সাথে contradict করবেনা
==> যদি উপরের situation-এর মত কিছু হয় তবে এর মানে হাদীস্গুলো ওই একি বিষয়ের বিভিন্ন সীমার ও পরিস্থিতির কথা বলছে
রাসুল (সাঃ) কখনই গুনাহ্ বা হারাম কাজের আদেশ দিবেন না
অতঃপর উপরের হাদীস্কে যদি আমি নিষেধাজ্ঞা বলে গণ্য করি তবে আমাকে ধরে নিতে হচ্ছে রাসুল (সাঃ) নিজেকে হারাম কাজ থেকে বাঁচালেন কিন্তু সাহাবীকে সেই সুযোগ দিলেন না, আর এমন কাজটি রাসুল (সাঃ) কখনই করবেন না।
আমার logic এবং comment থেকে please ধারনা করবেন না আমি কন একটি পক্ষকে support করার চেষ্টা করছি বরং scholar-রা আমাকে যেভাবে হাদীস্ পড়ার উপদেশ দিচ্ছেন ঠিক সেই দর্পণ দিয়ে বিচার করছি।
Inshallah আমি আশা করব আপনারা আমার comment-এর criticism করবেন যা কিনা আমি একান্ত ভাবে আশা করছি কিন্তু অনুরোধ করব যে যুক্তিযুক্ত ভাবে আমাকে সংশোধন করবেন। এই request করার পেছনে কারণ অনেকেই দেখছি emotional comment করছেন কিন্তু to the point issue খণ্ডাচ্ছেন না। “একজন মোমিন অপরের আয়না স্বরূপ”, আমি একান্ত ভাবে এটি বিশাস করি।
ধন্যবাদ । নীচে আপনাকে কিছু:
@saen2k
আমি যদিও এই ব্যপারে সকল হাদীস্ পড়িনি তবে popular যে সকল হাদীস্ scholar-দের কাছ থেকে শুনেছি তাতে আমি কথাওই সুনির্দিষ্ট ভাবে গান বাজনাকে নিষেধ করা হয়েছে এমনটি দেখিনি।
আপনি কি আমার লেখাটি পড়েছেন , গান বাজনা সম্বন্ধে , সেখানে সুস্পস্ট দলীল দেয়া আছে । একটু কষ্ট করে দেখুন ।
http://www.peaceinislam.com/hafiz/1234/
@saen2k,
আপনার সুবিধার জন্য কিছু দলীল দেয়া হল:
হাদীসের দলীল
হাদীস ১: রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেছেন , আমার উম্মতের কিছু লোক মদের নাম পাল্টিয়ে তা পান করবে এবং বাদ্যযন্ত্র সহকারে গান করবে । আল্লাহ তাআলা তাদের ভুগর্ভে বিলীন করে দিবেন এবং কতকের আকৃতি বিকৃত করে বানর ও শুকরে পরিনত করে দিবেন ।
[ সুনানে ইবনে মাজাহ , সহীহ ইবনে হিব্বান , জামিহ আল কাবির বুখারী কৃত , সুনানে বায়হাকী , মুসান্নাফে ইবনে শায়বা , আল মুজাম তাবরানী কৃত , বগভী সহ আরো অনেক ]
হাদীস ২: রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেছেন , “আমার উম্মতের উপর এই আযাবগুলি আসবে “ভুগর্ভে বিলীন হওয়া , আকৃতি বিকৃত হওয়া , পাথর বর্ষন হওয়া । জনৈক সাহাবী প্রশ্ন করলেন , হে রসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) এগুলো কখন হবে ?
তখন রসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) বললেন , “যখন গায়িকা নারী ও বাদ্যযন্ত্রের ব্যাপক প্রচলন হবে এবং মদ্যপান সুরু হবে ।
[ তিরমিজী শরীফ, আদ দানি , ইবনে আবি দুনিয়া ইত্যাদি , এই হাদীসটি আনুমানিক আরো ৭ টি সনদে বর্নিত হয়েছে ]
হাদীস ৩: “আমি দুটো ফাসেক, মুর্খ নিকৃষ্ট আওয়াজ থেকে বাধা দেই । যার একটি হচ্ছে গান বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজ …।”
[ আত তাহাবী , আল বাজ-জার , আল বাগভী , বায়হাকী , ইবনে আবি আদ দুনিয়া , আল হাকিম, আবু ইয়ালা , তিরমিযী এটাকে হাসান হাদিস বলেছেন ]
Br. Hafiz, thanks for mentioning these hadiths.
In light of the above hadiths how am I to interpret the following ?
Bukhari :: Volume 7, Book 69, Number 494v:
The Two Festivals (Eids) – Narrated Aisha: Abu Bakr came to my house while two small Ansari girls were singing beside me the stories of the Ansar concerning the Day of Buath. And they were not singers. Abu Bakr said protestingly, “Musical instruments of Satan in the house of Allah’s Apostle !” It happened on the ‘Id day and Allah’s Apostle said, “O Abu Bakr! There is an ‘Id for every nation and this is our ‘Id.”
আগেই বলা হয়েছে, বিবাহঅনুষ্ঠানের দফ বাজানো এবং নাবালিগা মেয়েদের গান নির্দিষ্ট পরিসরে সীমাবদ্ধ । হাদীস থকে আপনি সব ধরনের বাজনা সাবেত করলেন কিভাবে।
thats Exclusively for Thats Festivals not for Publicly Musics, then over thats a fixed Kind Equipment its told in Arabic دف Daff thats such a little Dream its if Drive Slowly by one and one Shakes. its over its have to Discuss between Schoolers is it Mansukh or No.
Sorry not Dream but Dram
يستحلون الحر
ঁ.. হালাল বানাবে অর্থাত আসলে হারাম তা হালাল প্রমানের চেষ্ঠা করা। إستحلال হালাল বানানোর চেষ্টা করা, পরিষ্কার বিষয়, তাছাড়া রেশম, মদ ও জেনা যা বাজনার معازف এর সাথেই বর্নিত হয়েছে তা হারাম তাতে কোন এখতেলাফ নেই। বাক্যের এক আংশিক হালাল এবং এক অংশ হারাম তা হতে পারে না।
অতঃপর উপরের হাদীস্কে যদি আমি নিষেধাজ্ঞা বলে গণ্য করি তবে আমাকে ধরে নিতে হচ্ছে রাসুল (সাঃ) নিজেকে হারাম কাজ থেকে বাঁচালেন কিন্তু সাহাবীকে সেই সুযোগ দিলেন না, আর এমন কাজটি রাসুল (সাঃ) কখনই করবেন না।
দ্বিতীয় যে হাদিস বলেছেন সেটা আমলী হাদিস, সাহাবীকে তিনি শোনার বৈধতা দেন নি বরং প্রয়োজনের খাতিরে তাড়াতাড়ি চলে যাওয়ার জন্য তাকে শুনতে হয়েছিল যেমনটি আমরা পরিস্থিতির শিকার হয়ে বিভিন্ন জায়গায় শুনি। ওটা দিয়ে আসল হুকুমের উপর কোন এশকাল বা প্রশ্ন করা যায় না।
এটাকে উসুলের বা ফেকাহের ভাষায় বলা যায় الضرورة تبيح المحذورات প্রয়োজনের খাতিরে পরিমান মত শুকুর ভক্ষন করার বৈধতাও আছে। সো দ্যাটস নট কনট্রাডেক্টিং অফ মিণ-
@ Brother Bangla Moulubhi,
“হাদীস থকে আপনি সব ধরনের বাজনা সাবেত করলেন কিভাবে।” not sure where I tried to prove this.
I merely asked how to interpret the hadith in light of the previous comments and the hadiths posted by Br Hafiz
I am aware of “Daf” drum. As per you last analysy this act of SIN [since brother Hafiz's hadith points to that] which is singing [I am excluding instrument for now for the sake of easy argument] is permitted during times of specific joyous celebration which is Eid and Wedding, you also mentioned such is permitted within a limited space among teenage girls.
I find this exclusive derivation of meaning form this hadith very bizzare. It is only in dire situation when Allah has forgiven any transgression. Based on this principle how is that the celebration becomes an exclusive matter to practice singing within limited space by teenager girls ? To be even more fare, why would I encourage something among the youth which is forbidden and is very likely to lead to a massive protest by this very generation when they grow up and may likely not want to hear my objection from singing.
@shane2k,
ব্রাদার , হ্যা আমিও এটা স্বীকার করি সরাসরি “কোরান” এবং “হাদিস” থেকে যদি আমরা কোনো সিদ্ধান্ত আসতে চেষ্টা করি সেটাতে অনেক রিস্ক রয়ে যায় । যেমন আমি একটা উদাহরন দেই , যে সব হাদিসে দফ বাজানোর কথা আছে এমনও তো হতে পারে সেটা প্রথম দিককার, পরে এটা নিষেধ হয়ে গেছে। এখন আমি আপনি যদি এটা নিয়ে বের করার চেষ্টা করি তাহলে এই বিষয়ে যত হাদিস , কোরানের রেফারেন্স, সাহাবীদের আমল, তাবেয়িন , তাবে-তাবেয়িনদের কমেন্ট আছে সবই পর্যালোচনায় নিয়ে আসতে হবে । এখন আপনি বলেন আমাদের পক্ষে এটা সম্ভব কিনা ? Quite Impossilbe.
কিন্তু আমাদের পক্ষ থেকে এই বিষয়টাই মাজহাবের ইমাম এবং অন্যান্য মুজতাহিদরা গবেষনা করে বের করেছেন । এখন আমরা ইচ্ছে করলে সেই গবেষনা কর্ম দেখতে পারি অথবা সরাসরি তারা যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন সেটা মেনে নিতে পারি । এটাই সবচেয়ে বেস্ট সলুশন। কেননা আমরা যদি গবেষনা করি ( যেটা আসলে সম্ভব না ) তাহলেও তো একটা সিদ্ধান্তে আসব , নয় কি ? আর আমাদের সিদ্ধান্ত নিশ্চয়ই তাদের চেয়ে ভালো হবে না ?
আমার মনে হয় নতুন করে যদি আমরা এসব বিষয়ে গবেষনা শুরু করি তাহলে আলটিমেটলি তারা যে উপসংহারে পৌছেছেন সেটাতেই আমাদের পৌছাতে হবে । তাহলে Reinventing from wheel কি দরকার ?
@shane2k, ব্রাদার ছোটমুখে অনেক বড় কথা কইলাম , বেয়াদবি হইলে নিজগুনে ক্ষমা কইরা দিয়েন
OK, overlook korlam
@ Brother Hafiz,
I agree that somethings are not possible by people like us but then again some things are possible. When accept a scholars opinion in matter of dispute, we actually do not accept it because we love or trust the scholar rather we agree to analytical conclusion of the scholar to his judgement. Even the scholar without explaining the analogy does not provide the judgement. Therefore, it is this very analogy I am questioning based on the very principle that the scholars have followed.
Do understand, I am not trying to prove the supporters of singing right/wrong or the supported or no singing right/wrong. I am trying to understand both sides analogy which I have already pointed out earlier. Therefore if you or the other reader could clarify on that I would sincerelt grateful, it is only such means that I have corrected myself overtime and Inshallah willing to enhance myself in the future.
Let me explain,
If you tell me 1 + 1 = 2 and if I agree I will always follow this principle. Then later if someone comes and says 0.5 + 1 + 0.5 = 2, I will not accept this at all. Why ? since my knowledge is limited to 1 + 1 = 2. But this does not mean I am stcuk to that idea. If this new person now explains me the principle of maths and numbers and by means of this now shows me a WHOLE NUMBER can be broken in fractions and decimals and can even go negative, I will then accept since I have given new and more detailed information. THEREFORE, now I will accept any formation of ADDITION & SUBTRACTION as long the end result becomes “2″.
So, guideline has been set that 2 or more hadiths on the same topic will NEVER contradict, rather they should be considered as limits. I accept this and willing to abide by this. Now, you can see the above explanation that we are interpreting one Hadith as an objection for SIN then again in a joyous occasion we are interpretting it as permissible [please stick song, do not bring instrument for simple logical understanding]. A joyouse occasion is not a critical and life threating moment for muslim when if a muslim transgress Allah will forgive. So this sort of interpretation is not sound.
Let me give another example, [I forgot the exact hadith reference therefore paraphrasing]
Rasul (saw) in several hadith has mentioned not drink while standing and he has related this act as an influence of Shaitan. Then again he himself drank while sitting on this ride during a travel time.
Based on the principle of the scholars where 2 hadiths on the same topic will not contradict rather we need to consider them as limits, the above Hadith has been interpretted properly. Scholars have said, that as Prophet was travelling, which is a tiring moment [notice this is not a joyous moment rather a critical or tiring moment, as Allah himself has softened many rules for a traveller], he instead of getting down from ride drank while sitting up on the ride. Such kind of analogy just proves that it is sound and it is this kind of analogy which we can question.
So, I would sincerely appreciate that if all the hadiths are presented and the analogy is explained it will be MUCH better. So far I have seen that onyl cherry picked hadith that says song is not supported, have not seen hadiths that is soft to singing. If all these are mentioned in one place then it becomes clear what is to be done.
Also, the other thing that creates confusion, Prophet Daud was good singer and if I am not mistaken his is the best prayer and fasting among all the prophets and humans. So, if we go with the strict interpretation of no song at all then we kind of contradict here.
Also, as described in my very fast comment, lets looks into the very definition of what song is so that we can do better analogy.
গান = কথা + সুর
So, do not we sing our Quran ? Lets not get confused with the english word recitiation which is equal bangla poetry “আবরিতি”. We actually do not recite rather with musical tone of our voice we sing the verse.
@sael2k
আপনি যেহেতু বাংলায় লিখেন নাই , তাই জবাব দিলাম না
তবে একটা কথা গান বলতে আমি কি বুঝিয়েছি সেটা এখানে দেখুন ।
এখানে গান বাজনা বলতে আমি শুধুমাত্র সেই সব গানকে বুঝাচ্ছি যেগুলোতে বাদ্যযন্ত্র ( Musical instrument ) ব্যবহার করা হয় । Musical instrument ছাড়াও অনেক সময় গান হয় এবং সেটার অনেকগুলো Form আছে যেগুলোর কোনটা নিষেধ আবার কোনোটা গ্রহনযোগ্য । কিন্ত অত বিস্তারিত না যেয়ে আমি শুধুমাত্র সেই সব গান নিয়ে আলোচনা করব যেগুলোতে Musical instrument আছে ।
কেননা বাদ্যযন্ত্র ছাড়া “যেমন কোরান তেলাওয়াত, কবিতা পড়া , হামদ , নাত” এগুলোকে কেউ নিষেধ করে না । তাই আমি শুধুমাত্র বাদ্যযন্ত্র সহ যে গান সেটার সম্বন্ধেই আলোচনা করেছি । আশাকরি বুঝতে পেরেছেন ।
@shane2k,
আপনার নীচের অংশটুকু বাংলা করে পুনরায় কমেন্ট দ্যান আমি আলোচনা করতে আগ্রহী , আমার মনে হচ্ছে আপনার সাথে আলোচনা করা যায়
I agree that somethings are not possible by people like us but then again some things are possible. When accept a scholars opinion in matter of dispute, we actually do not accept it because we love or trust the scholar rather we agree to analytical conclusion of the scholar to his judgement. Even the scholar without explaining the analogy does not provide the judgement. Therefore, it is this very analogy I am questioning based on the very principle that the scholars have followed.