লগইন রেজিস্ট্রেশন

ভন্ড পীরের মুরিদের চাদঁ বিষয়ক পোস্ট এবং শরিয়তের দৃষ্টিকোন থেকে চাদেঁর মাসলা।

লিখেছেন: ' আল মাহমুদ' @ সোমবার, নভেম্বর ২৩, ২০০৯ (১:৩২ অপরাহ্ণ)

আরবী মাসের হিসাব হবে চাদঁ দেখার উপর নির্ভর করে, এটা সকল দেশের জন্য প্রযোজ্য। আমাদের বাংলাদেশের ধর্মীয় ছুটিগুলোর টিপ্পনীতেও এ কথা পরিষ্কার করে বলা আছে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখায় কবে কয় তারিখ চাদঁ দেখা যেতে পারে তার নির্দিষ্ট হিসাব গ্রহনযোগ্য নয়, কারন শরীয়ত তার সুযোগ দেয় নি, সর্বপোরি মহান আল্লাহ তার ইচ্ছা মাফিক সৃষ্টির প্রতিটি নিয়মকে কখনো কখনো পরিবর্তন করেন, অতএব তিনি যেদিন আমাদের চাদঁ দেখাবেন সেদিন থেকেই আমরা রোজা রাখবো- এবং আরবী হিসেবগুলো সেভাবেই হবে। ২৯তম দিনে আমরা চাদঁ দেখার প্রয়াশ চালাবো দেখা গেলে পরের দিনকে পরের মাসের প্রথম তারিখ ধরা হবে।
বৈজ্ঞানিক সূত্র প্রয়োগ করার সুযোগ শরীয়ত দেই নি। এবং ফিক্স কোন হিসাবো করার অবকাশ নেই ।
অথচ আমার নীচের পোস্ট কারী ভন্ড পীরের মুরিদ তুষার তার ভন্ড মুরুব্বীর লেখা কোড করে সাধারণ মানুষদের বিভ্রান্ত এবং কনফিউসড করার প্রয়াশ পাচ্ছে।
দেখুন:
চাঁদের নাম নিয়ে এবং আভিধানিক ও বৈজ্ঞানিক ধারনা নিয়ে শরিয়তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অহেতুক, ভিত্তিহীন বক্তব্য পেশ করছে। আমার বক্তব্য হলো:
১- বৈজ্ঞানিক কোন সূত্র কখনোই বিশুদ্ধ নয়, কেবল কোরান সুন্নাহই শরীয়তের দলীল, এস্ট্রোলজিকাল কোন ব্যাখার উপর শরীয়তের মাসলা নির্ধারণ করা যায় না।
২-পত্রিকার মিথ্যাচার এবং ভুল-ভ্রান্তিও সর্বজন বিদিত উপরের পত্রিকাগুলোর বক্তব্য তাই কখনোই শরীয়তের হুকুমের বিপরীতে দলিল হতে পারে না।
৩- পত্রিকার দিনক্ষন তারা প্রকাশ করে কম্পিউটারের আরবী ছক হিসাবে, যা বাস্তবিক আরবী ছকের ব্যাতিক্রম, অতএব তাদের ভুল হওয়া খুবই স্বাভাবিক, তা নিয়ে ধর্মের কোন ব্যাপারকে অবজ্ঞা করার সুযোগ নেই।
৪- পৃথীবির সকল আলেমগন নিজদেশের চাদেঁ হিসাব নিজেদের মতই করেন- সৌদি ধর্ম গবেষকরাও তাদের চাদঁদেখার বোর্ডে হিসাব অনুযায়ী তা ঘোষণা করবে, যুক্তি সংঙ্গত কারনেই সেই হিসাবটা সকল হাজীদের জন্য প্রযোজ্য কারন যে দেশে অবস্থান করবে সে দেশের হিসাব পালন করতে হবে।

অতএব, আলইহসান পত্রিকার বিভ্রান্তিকর খবরে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। এখানে তাদের এজেন্ডা হিসেবে ব্লগার তুষার খানের বক্তব্যকে ব্যান্ড করার অনুরোধ করবো।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
২৫৩ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৩.০০)

১৪ টি মন্তব্য

  1. আমার ব্লগে কোন দলীল ছাড়া মন্তব্য করে আবার নির্লজ্জের মত আরেকটা পাগলের প্রলাপ লিখে ফেলেছেন। যদি মুসলমান হয়ে থাকেন তাহলে আপনার প্রতি আমার চ্যালেঞ্জ রইল যে প্রমাণ করুন যে আমি যতটুকু রেফারেন্স, পত্রিকার ছবি, পত্রিকার নিউজ এবং বিজ্ঞান ভিত্তিক যে ব্যাখ্যা দিয়েছি তার সব ভূল। আর যদি না পারেন তা হলে আমার ব্লগে মন্তব্য করার আগে চিন্তা ভাবনা করে মন্তব্য করবেন।

    বাংলা মৌলভী

    @তুষার খান, আপনার পুরা পোস্টই পাগলামি, আপনি আমাকে মুসলমান ছাড়া অন্য কিছু ভাবার চেষ্টা করছেন অথচ বৃহত্তর মুসলমান সমাজের ব্যতিক্রম চিন্তা ভাবনা নিয়ে বসবাস করেন।
    চাদেঁর আভিধানিক ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখার সাথে শরীয়তের সম্পর্ক কোরান হাদীস বা এজমা- কিয়াসের বা কোন কিতাবে উল্লেখ আছে একটু জানাবেন।
    আরবী মাসের হিসাব কি পত্রিকার লেখার উপর নির্ভর করে না চাদঁ দেখার উপর তাও জানাবেন। পত্রিকায় কখনো ভূল সংবাদ দেখেন নি?!

    বাংলা মৌলভী

    @তুষার খান,চাদঁ নিয়ে বৈজ্ঞানিক দিক হলো দুটি:
    ১। সরঞ্জাম : যথা দুরবীন-টেলিস্কোপ-কিংবা স্যাটেলাইটের ব্যবহার। এটা যদি বাস্তবিক বস্তু দেখার ক্ষেত্রে কোনরুপ ব্যতিক্রম না ঘটায় তবে ব্যাবহার করা যাবে, এবং চোখে দেখা আর এসব ব্যাবহার করে দেখার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই, সরকারি ব্যবস্থাপনায় চাদঁ দেখার বোর্ড এগুলো ব্যাবহার করে। ঃ

    ২। এস্ট্রলজির তথ্য এবং ছকঅনুযায়ী চাদেঁ অবস্থানের ভিত্তিতে তা কত তারিখে নুতন ভাবে দেখা যাবে তার বর্ণনা ।
    এটার শরয়ী এবং বৈজ্ঞানিক কোন ভিত্তি নেই, কারন সৃষ্টির এসব বিষয় কখনো এক থাকে না, মহান আল্লাহ এগুলো পরিবর্তন করেন। এবং সেই পরিবর্তন হয়েছে কিনা তা গবেষণা করাই আসল বিজ্ঞান। চাদঁ দেখার মাধ্যমে আমরা সেই বিজ্ঞানই চর্চা করি, যা প্রাকটিক্যাল বিজ্ঞান আর ছককাটা সূত্র হল পূথিগত।

    বাংলা মৌলভী

    @বাংলা মৌলভী, উল্লেখ্য চাদেঁর হিসেব মিলাতে পৃথীবিতে মোট আটটি বোর্ড এবং আছে যেখানে কেবল আলেম ওলামা মোল্লা সম্প্রদায় কাজ করেন না, বরং আধুনিক মুসলিম ব্যক্তিরাও রয়েছেন যারা সাইন্সের উপর মাস্টার্স এবং পি,এইচ,ডি করা।

    তুষার খান

    @বাংলা মৌলভী, বিজ্ঞ আলিম সাহেব আপনাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, পত্রিকার প্রতি যেহেতু আপনার এত এলার্জি তাহলে নিম্নোক্ত ব্যাপারটির শরয়ী ব্যাখ্যা দিন।

    সৌদি ওহাবী সরকার ১৪২৮ হিজরীর জিলহজ্জ মাস ঘোষণা করে ১০ই ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে এবং ১৪২৯ হিজরীর মুহররম মাস ঘোষণা করে ১০ই জানুয়ারী ২০০৯ তারিখে। এবার তাহলে ব্যাখা করুন সৌদি ওহাবী সরকার আরবী মাস ৩১ দিন হয় এটা কোথায় পেল।

    আশা করি আবু জাহিল না হলে এর ব্যাখ্যা প্রদান করবেন।

  2. Brother বাংলা মৌলভী

    আপনি কাদের উদ্দেশ্য করে এই আর্টিকেল লিখেছেন আমি যানিনা তবে আমি চাঁদ দেখার ব্যাপারে আপনার সাথে একমত নই।

    আমার বিস্তারিত আর্টিকেল নিম্নে

    ttp://www.peaceinislam.com/shane2k/340/

    বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় কবে কয় তারিখ চাঁদঁ দেখা যেতে পারে তার নির্দিষ্ট হিসাব গ্রহনযোগ্য নয়, কারন শরীয়ত তার সুযোগ দেয়নি,

    - কেন এই হিসাব গ্রহণ করা যাবে না ?
    - আপনি তাহলে আমাকে বলছেন যখন আমি জানছি মহাশূন্যে ঠিক আমার মাথার উপর যখন চাঁদ উঠেছে আমি সেই চাঁদকে অস্বীকার করবো কারণ মেঘ, আলো ও পরিবেশের কারণে আমি নিজ চোখে তা দেখতে পাইনি। ঘটনা দাঁড়াল, মেঘের কারণে সূর্য দেখতে পাবনা বলে আমি দিন ও ওয়াক্ত মানবনা। আধুনিক মাধ্যমে যেহেতু আমি চাঁদ দেখতে পাব তবে কেন আমি জেনে মোহানা আল্লাহ্‌র সত্যকে অস্বীকার করবো ?
    - শরিয়ত কোথায় বলেছে দেখতেই হবে ?
    - আর যদি দেখতেই হয়, তবে কী খালী চোখে দেখাকে নাকি চশমা পোড়ে দেখাকে নাকি উভয়ই গ্রহণযোগ্য ?

    সর্বপোরি মহান আল্লাহ তার ইচ্ছা মাফিক সৃষ্টির প্রতিটি নিয়মকে কখনো কখনো পরিবর্তন করেন

    - এটি ঠিক নয়
    - এক দিকে আল্লাহ কালাম নিয়ে তাতে বর্ণিত সৃষ্টির ও বিজ্ঞানের মিল নির্ণয় করবেন অপর দিকে বিজ্ঞানের মাধ্যমে সেই সৃষ্টিকে যখন আরো ভালো করে জানবেন তা গ্রহণ করবেন না তাতো হয়না

    বাংলা মৌলভী

    @shane2k,

    - আপনি তাহলে আমাকে বলছেন যখন আমি জানছি মহাশূন্যে ঠিক আমার মাথার উপর যখন চাঁদ উঠেছে আমি সেই চাঁদকে অস্বীকার করবো কারণ মেঘ, আলো ও পরিবেশের কারণে আমি নিজ চোখে তা দেখতে পাইনি। ঘটনা দাঁড়াল, মেঘের কারণে সূর্য দেখতে পাবনা বলে আমি দিন ও ওয়াক্ত মানবনা। আধুনিক মাধ্যমে যেহেতু আমি চাঁদ দেখতে পাব তবে কেন আমি জেনে মোহানা আল্লাহ্‌র সত্যকে অস্বীকার করবো ?

    চাদঁ যেভাবেই দেখুন চোখে দেখতে হবে- টেলিস্কোপ-দুরবীন- স্যাটেলাইটের সাহায্য নেয়া চোখেঁ দেখার চেয়ে ব্যতিক্রম নয় কি? আর যদি ধরে নেয়া যায় যে এসব উপকরনের সাহায্যে চাদঁ দেখাও চোখে দেখার সমান, তবে কোন সৌদি আরবও এসব উপকরনের উপর আস্থাশীল হয়ে চাদঁ দেখে নিতে পারে। আমার কথা হল এ্যাস্ট্রোলজি যেখানে ছক কেটে বলে দিচ্ছে এ মাসের এত তারিখ চাদঁ উঠবে সে ক্ষেত্রে আপনি সেই ছক কাটা বৈজ্ঞানিক হিসাবের উপর আরবী মাসের গননা করতে পারেন না, কারন হাদিস হল ” তোমরা চাদঁ দেখে রোজা রাখ এবং চাদঁ দেখে তা ভংঙ্গ কর” দেখার উপকরণ এবং ব্যাবস্থাপনার বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম নিয়ে কথা হচ্ছে না বরং বৈজ্ঞানিরা বিশেষত এস্ট্রোলজিতে যে ছক আছে তদনুযায়ি চাদের হিসাব ধরে নেয়া ব্যাপরটি এক নয়। আশা করি পরিস্কার ।

    - এক দিকে আল্লাহ কালাম নিয়ে তাতে বর্ণিত সৃষ্টির ও বিজ্ঞানের মিল নির্ণয় করবেন অপর দিকে বিজ্ঞানের মাধ্যমে সেই সৃষ্টিকে যখন আরো ভালো করে জানবেন তা গ্রহণ করবেন না তাতো হয়না

    বিজ্ঞানের মাধ্যমে এক সময় জেনেছি পৃথীবি ঘুরে আবার জেনেছি সূর্য্য ঘুরে আবার জেনেছি উভয়টাই ঘুরে, এ ক্ষেত্রে একটির উপরই যদি ডিপেন্ড করি তাহলে আরেকটিকে মিথ্যা বলা হবে। এধরনের বিষয়কে আমরা শরিয়তের স্পষ্ট দলিলের ক্ষেত্রে পেশ করতে পারি না, কারন গবেষণা করে একটা বিষয়ের আবছা ধারণা আমরা পাই পরবর্তিতে তার ব্যাপারে আরো পরিষ্কার কিংবা আগের ধারণার ভূল পাই। অতএব, শরয়ী মাসলার ক্ষেত্রে পরিস্কার এবং একেবারেই নির্ভূল চাক্ষুষ প্রমান প্রয়োজন। যেমন দেখুন ” বেলাল রযি ছাড়া আরো এক সাহাবী আযান দিতেন, সেই আযান ছিল তাহাজ্জুদের, কেউ একজন রসূল স: এর সেহেরীগ্রহনের সময় খবর দিল সুবহে সাদিক হয়ে গেছে, তিনি হাসতে হাসতে খাবার খেয়েই চল্লেন। এবং বল্লেন সে সুবহে সাদিকের আগেই আযান দেয়।” অনুরুপ বিজ্ঞান যেখানে ভুল ও শুদ্ধ উভয় প্রকার তথ্য পরিবেশন করে – বিষয়টি আপনিও মানবেন- সেখানে এরুপ দ্বীমুখি বৈজ্ঞানিক তথ্যের উপর ভিত্তি না করে পরিস্কার প্রমানের উপর নির্ভর করে আমল করতে হবে।

    চাদেঁর মাসলায় শরীয়াত যেখানে তা দেখার কথা বলছে, বৈজ্ঞানিক দেখাকে আমি অস্বীকার করছি না, আর এ খবরও বা আমাদের কে দিচ্ছে যে সৌদি আরব হেলিকপ্টার বা প্রযুক্তি ব্যাবহার করে না?! তারা যেভাবেই হোক চক্ষু দর্শনের পরেই চাদেঁর হিসাব নির্ধারণ করবে যেমনটি হাদিসে বলা হয়েছে।
    চাদেঁর হিসাবে ছককাটা বিজ্ঞান-তথ্য শরীয়তের প্রমান নয়, তাহলে হাদীস ছেড়ে বিজ্ঞানের ছক কাটা হিসাব অনুযায়ী আমল করতে থাকুন। অথচ সেই হিসাব আল্লাহর নিয়ন্ত্রিত এবং তার নিয়ত্রনে তিনি পরিবর্থন আনতে পারেন, এনেছেন কিনা তা দেখার জন্যই চাদঁ দেখে রোজা- হজ্বের হিসাব করতে বলছেন।
    তারকা বিশারদদের পূথিঁগত গবেষণার চাইতে ইসলাম চাদেঁর গবেষণায় আরেকধাপ এগিয়ে রয়েছে। এবং এটাই মুলথ আরো বেশি বৈজ্ঞানিক যে, আমরা পূথির চেয়ে প্র্যাকটিকল হিসাব করবো।

  3. বিজ্ঞানের theory এবং fact-এর মাঝে বিশাল তফাত আছে।

    আপনার কাছে নিশ্চয় কন প্রমাণ আছে যে বিজ্ঞান কাগজে কলমে ঘরের কেনায় বসে চাদের গণনা করছে। যদি তাই হয়ে থাকে তবে আমি আপনার সাথে একমত।

    আপনি আমার article পরুন ও link-টি পরুন, তারপর বলুন যে ভুল কোথায় ?

    আমার কথা হলো:বিজ্ঞানের মাধ্যমে এক সময় জেনেছি পৃথিবী ঘুরে আবার জেনেছি সূর্য ঘুরে আবার জেনেছি উভয়টাই ঘুরে, এ ক্ষেত্রে একটির উপরই যদি ডিপেন্ড করি তাহলে আরেকটিকে মিথ্যা বলা হবে। এধরনের বিষয়কে আমরা শরিয়তের স্পষ্ট দলিলের ক্ষেত্রে পেশ করতে পারি না, কারন গবেষণা করে একটা বিষয়ের আবছা ধারণা আমরা পাই পরবর্তিতে তার ব্যাপারে আরো পরিষ্কার কিংবা আগের ধারণার ভূল পাই। অতএব, শরয়ী মাসলার ক্ষেত্রে পরিস্কার এবং একেবারেই নির্ভূল চাক্ষুষ প্রমান প্রয়োজন।

    - বিজ্ঞান চাক্ষুষ প্রমানের মাধ্যমেই এই গননার সিদ্ধান্তে উপনীত হচ্ছে।
    - পৃথিবীতে ৫টিরো বেশী স্থানে dedicated observatory আছে যা কেবলই চাঁদ ও পৃথিবীর অবস্থান, গতি, পারস্পরিক আকর্ষণ ইত্যাদি monitor করে। অতএব আপনার concern আমি বুঝছি কিন্তু আপনি এই শকল শ্রমকে হাওয়ায় উড়িয়ে দিচ্ছেন তা আমার মতে ঠিক নয়।

    বাংলা মৌলভী

    @shane2k,থিওরি মুখ্য না ফ্যাক্ট মূখ্য?
    ফ্যাক্টই যদি মুখ্য হয় তবে আমরাও ফ্যাক্টের ক্ষেত্র পিছিয়ে নেই। আর বিজ্ঞানের সেইসব ল্যাবরটরী কি মুসলিমদের ? কোন মুসলিম ছাড়া অন্য কাফেরদের বক্তব্য নিয়ে আপনার ধর্মে গোলযোগ বাধানোর সুযোগ কে দিচ্ছে? !! কোরান বলছে ان جائكم فاسق بنباء فتبينوا কোন ফাসেক -মুসলমান- ব্যাক্তিও কোন খবর নিয়ে আসলে তা যাচাই করে দেখ। সূরা হুজারাত- সেখানে খৃস্টান-ইহুদী পরিচালিত এসব নভোগবেষনা কেন্দ্রে তথ্যকে কিভাবে আপনি শরিয়াতের হুকুম বানাবেন। কোন মুসলিম ব্যক্তিও সাক্ষীর অযোগ্য সাব্যস্ত হওয়ার পর তার খবর আর প্রমান হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়, সেখানে বিধর্মীদের তথ্যের উপর কিভাবে শরিয়ত পালন করবেন?!!
    আর বিধর্মীরা যে আমাদের ধর্ম নিয়ে যাতে শোরগোল উঠে সজন্য সাইন্টিফিক ব্যাখা- চাদের অবস্থান ইত্যাদি নিয়ে ঘোলা জলে মাছ শিকার করছে না তা বুঝেন কিভাবে?
    এ ক্ষেত্রে সাইন্সের ইহুদী নাসারা বক্তব্য বিশ্বাস করবেন না ধর্মীয় স্কলার মুফতিদের সিদ্ধান্ত গ্রহন করবেন? আর আপনিও যদি সীদ্ধান্ত হীনতায় ভূগেন তবে আপনার ধর্ম ইহুদী নাসার ঠিক করে দেবে না আপনার ইমামরা? সিদ্ধান্ত আপনার। :)

    shane2k

    @বাংলা মৌলভী,

    Even to realize that Truth is the Truth one needs knowledge.

    comment lacks facts but full of emotion.

  4. বাংলা মৌলভী,

    আস-সালামু আলাইকুম,

    আপনার লেখা নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষন করছি । আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মুসলমানরা সঠিক বিষয়টি জানুক । আপনি যদি দেখেন কেউ বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাহলে সেই বিভ্রান্তিটা জনসম্মুখ্যে তুলে ধরুন , সে যে-ই হোক না কেনো । কিন্তু কাউকে “ভন্ড” , “বেঈমান” ইত্যাদি বিশেষনে বিশেষিত করবেন না ।

    আপনি সঠিক জিনিসটা তুলে ধরুন মানুষ বুঝে নেবে কোনটা সঠিক , কোনটা ভুল।

    ওয়াস-সালাম।

    ধন্যবাদ

    বাংলা মৌলভী

    @কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ],অবশ্যই বিষয়টি আমিও ভেবেছিলাম, কিন্তু গীবাত বা কারো দোষচর্চা যদি জনকল্যান মুলক উদ্দেশ্য হয় তবে তা করা কখনো ওয়াজিব হয়ে যায়, দেখুন রিয়াদুস সালেহীন গীবাত অধ্যায় ।
    দ্বিতীয় কথা হলো সে “ওয়াহাবী”দের হজ্ব নষ্ট করার প্রয়াশ প্রকাশ্যেই বলেছে, প্রকাশ্য অপরাধের প্রতিরোধ প্রকাশ্যেই করতে হয়। দেখুন ফাজায়েলে তাবলীগ । আমি ডিলিট করে নুতন করে লিখার কথা অনেক আগেই ভাবছি কিন্তু এই দুটি বিষয় মাথায় আসার পর সাধারণ মানুষের কাছে তা প্রকাশ করার জন্য বাদ দিয়েছি, যা আপনি অবগত করার পূর্বেই মাথায় এসেছে।

    কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    @বাংলা মৌলভী,
    আস-সলামু আলাইকুম,

    আমাদের সময়ের মুল্য অনেক । তাই কোনো কমেন্ট করার পূর্বে ধীর-স্হির ভাবে ভেবে চিন্তে সম্পুর্ন পড়ে তারপর করা উচিত । আপনাকে বলা হয়েছে কাউকে “ভন্দ” , “বেঈমান” , “মোনাফেক” এসব শব্দ না বলতে , কিন্তু কারো ভুল ধরাতে কিংবা কারো সংশোধন করার জন্য সত্য বলতে নিষেধ করা হয় নি ।

    তাকে “ভন্ড” বা অন্য কিছু না বলে আপনি খুব সহজেই আসল বিষয়টা উল্লেখ করতে পারেন । আপনার লেখার বাকী অংশটুকু নিয়ে কোনো সমালোচনা করা হয়নি ।

    ওয়াস সালাম।
    কর্তৃপক্ষ [ পিস ইন ইসলাম ]

  5. বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন ভাবে হিজরী মাস গননা শুরু করে। সকলের অবগতির জন্য নিচের লিন্কটি দেয়া হলো:

    http://moonsighting.com/methods.html

    আল্লাহপাক আমাদেরকে সঠিক পথে রাখুন। আমরা যেন নিজেরা বিতর্কে না জড়াই এবং মুসলিম উম্মাহকে যেন ভুল পথে না নিয়ে যাই। যে বিষয়ে পূর্বের হক ওলামায়ে কেরামগন সমাধান দিয়ে গিয়েছেন সে বিষয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি না করি। এমনিতেই আজ মুসলিম উম্মাহ শতধাবিভক্ত, নতুন করে ফতোয়া দিয়ে যেন আরো বিভক্ত সৃষ্টি না করি।
    ভুল হলে মাফ করে দিয়েন।