লগইন রেজিস্ট্রেশন

একটি জরিপ পোষ্টঃ ইসলামি শরীয়াতে ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় বৈধ কিনা?

লিখেছেন: ' বাগেরহাট' @ রবিবার, ডিসেম্বর ২০, ২০০৯ (১১:১১ অপরাহ্ণ)

“বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম”

প্রায়াত সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল্লাহ ইবনে বা”জকে
করা হয় শিরোনামের উক্ত প্রশ্নটি।প্রশ্নটির জবাবে তিনি যে উত্তর দিয়েছেন তা হলঃ
“ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় বৈধ নয়। কেননা এটা হচ্ছে নগদ অর্থের বিনিময়ে নগদ অর্থ প্রাপ্তি । এতে সমান সমান হওয়ার শর্ত নেই।মালিকানা লাভেরও সুযোগ নেই। তাছাড়া সুদভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সহযোগিতা বৈধ নয়। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সংস্পর্শে গিয়ে ক্রয়-বিক্রয়ও বৈধ নয়।
কারন মহান আল্লাহ বলেন “সৎকর্ম ও তাকওয়ায় তোমরা পরস্পরকে সাহায্য করবে এবং পাপ ও সীমালঙ্ঘনে একে অন্যকে সহযোগিতা করবে না।”(সূরা মায়েদা,আয়াত নং ২০)।

মুসলিম শরীফের হাদীসে রয়েছে, মহানবী (সঃ) সুদ দেওয়া , সুদের হিসাব লেখা এবং সুদের সাক্ষ্য দেয়াকে অভিশাপ দিয়েছেন ।তিনি বলেছেন, এরা সবাই পাপের ক্ষেত্রে সমান। ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়ের পর আপনি যে টাকার শেয়ার ক্রয় করেছেন শুধুমাত্র সে টাকাই গ্রহন করতে পারেন। আপনাকে এবং অন্য সকল মুসলমানকে আমি অনুরোধ করছি
যে আপনারা সুদভিত্তিক লেনদেন থেকে দূরে থেকে অন্যদেরও দূরে থাকতে সহায়তা করুন । অতীতে যা করেছেন সেজন্য মহাপরাক্রমশালী
আল্লাহর নিকট তওবা করুন। মনে রাখবেন সুদের লেনদেন প্রকৃতপক্ষে
মহান আল্লাহর সাথে যুদ্ধ করার শামিল । মহান আল্লাহ এতে অসন্তুষ্ট হয়।
তিনি যাদের প্রতি অসন্তুষ্ট হন তাদের তিনি অবশ্যই কঠিন শাস্তি দেবেন।

মহান আল্লাহ বলেন,” যরা সুদ খায় তারা সেই ব্যক্তির ন্যায় দাড়াবে যাকে শয়তান স্পর্শ দ্বারা পাগল করেছে, এটা এজন্য যে তারা বলে ক্রয়-বিক্রয়তো সুদের মত। অথচ আল্লাহ ক্রয় -বিক্রয়কে হালাল ও সুদকে হারাম করেছেন। যার নিকট তার প্রতিপালকের উপদেশ এসেছে এবং
যে বিরত হয়েছে তবে অতীতে যা হয়েছে তা তারই এবং তার ব্যাপার
আল্লাহর ইচ্ছাধীন।আর যারা পুনরায় আরম্ভ করবে তারাই আগুনের অধিবাসী। সেখানে তারা হবে স্হায়ী। আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন
এবং দানকে বর্ধিত করেন। আল্লাহ কোন অকৃতজ্ঞ পাপীকে ভালবাসেন না।”(সূরা বাকারা,আয়াত নং-২৭৫-২৭৬)।

আপনি শায়খের উক্ত বক্তব্যের সাথে একমত?
হ্যা হলে (+)
এবং না হলে (-) দিন।
একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনাদের মতামতের অপেক্ষায়
রইলাম।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১০৩ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

২ টি মন্তব্য

  1. আমার জানা মতে আজ পর্যন্ত যত আলেম কে এই ব্যপারে প্রশ্ন করা হয়েছে তারা সকলে এক যোগে ব্যাংকের শেয়ার কেনাকাটা হারাম বলেছেন।

    mamun

    @দ্য মুসলিম, শুধু ব্যাংক কি দোষ করল? অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান যারা সুদ দেয় ও নেয় তারা কি হালাল? ইন্সুরেন্স, আইসিবি ইত্যাদি………………? যারা ব্যাংক থেকে টাকা লোন নিয়ে প্রতিষ্ঠান চালায়? যেমন বেক্সিমকো, স্কয়ার ফার্মা, বিভিন্ন স্পিনিং মিলস, গার্মেন্টস ইত্যাদি।
    সুক্ষ্ম ভাবে বিচার করলে সুদ দেওয়া, নেওয়া, সুদের হিসাব রাখা, সুদ দানে উৎসাহিত করা, যেসব প্রতিষ্ঠান সুদের কারবার করে সেখানে চাকরি করা সবই হারাম। ধরুন বাংলাদেশ সরকার সরকরী কর্মচারীদের বেতন দেয়, এ টাকার উৎস কি? তাদের তহবিল কোথায় থাকে? কোথা থেকে আসে, যারা এই তহবিল সংগ্রহ করে অর্থাৎ ট্যাক্স দেয় তারা কি ১০০% হালাল ইনকাম করে? সরকার তার বিপুল পরিমান অর্থ কোন না কো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা করে এবং নিশ্চিত সুদ সেখানে যোগ হয়। আর সেই টাকাই আমরা বেতন হিসাবে পেয়ে থাকি।
    আসলে আমি সুক্ষ্মতার বিচারে এই উদ্হরণ টানলাম, অন্য কোন উদ্দেশ্যে নয়।
    যাই হোক আল্লাহ আমাদের ঈমানেক মজবুত করুন এই কামনা করি।