তুষারপাত ব্লগার রাজারবাগ অবস্থিত জামানার ইমাম মুলা জিল্লহুল আলী এর অনুসারী এবং একনিষ্ঠ ভক্ত। উনার লেখা সবগুলোই বিদ্বেষপূর্ণ। ভ্রান্ত আকীদা বিশ্বাসী এবং কতক বিশ্বাস শিরকপূর্ণ। এই রাজারবাগ পীর নিজেকে জামানার ১৫তম ইমাম বলে দাবী করে এবং তাদের ভাষায় তার বায়াত সকল মুসলিমকে নিতে হবে।
ইনার লেখা থেকে দূরে থাকলেই ভাল হবে বলে আমি মনে করি।
হ্যা স্বীকার করছি , শুনেই মন্তব্য করা ঠিক হয় নাই। আপনার কথাই মানলাম “যাচাই” করে নিবো । তার আগে আপনি বলেন এটা সত্য কিন যে উনি হজ্জ্বে যেতে নিষেধ করেন ? আপনার থেকেই যাচাই করি ।
আপনি আমার কোন কোন লেখাগুলো এবং কিসের ভিত্তিতে ভ্রান্ত আকীদা বিশ্বাসী এবং কতক বিশ্বাস শিরকপূর্ণ, দয়া করে দলীলসহ উল্লেখ করবেন। যিনি জামানার ইমাম হবেন তা তো অবশ্যই তার উপস্থিতি জানানোর জন্য ইমাম দাবী করতে হবে তা না হলে মানুষ জানবে কি করে। প্রত্যেক নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালামগণও তাঁদের জামানায় ইসলাম প্রচারের জন্য নবী-রসূল দাবী করেছিলেন তথা নিজেদের প্রকাশ করেছিলেন।
ফারুক ভাই আপনার সাথে একমত পোষণ করছি। রাজারবাগের সম্মানিত পীর সাহেব যদি কোন ভ্রান্ত আকীদা এবং শিরকপূর্ণ বিশ্বাসী হন তাহলে সকলের উচিৎ তা দলীল সহ তুলে ধরা। কারণ আল্লাহ পাক কুরআন শরীফে ইরশাদ করেন, “যদি সত্যবাদী হয়ে থাকো, তাহলে দলীল পেশ কর।”(সূরা বাক্বারা -১১১)
২) সূরা আল বাক্বারাহ আঃ ১৯৭ হজ্জ্বে কয়েকটি মাস আছে সুবিদিত। এসব মাসে যে লোক হজ্জ্বের পরিপূর্ণ নিয়ত করবে, তার পক্ষে স্ত্রীও সাথে নিরাভরণ হওয়া জায়েজ নয়। না অশোভন কোন কাজ করা, না ঝাগড়া-বিবাদ করা হজ্জ্বের সেই সময় জায়েজ নয়। আর তোমরা যাকিছু সৎকাজ কর, আল্লাহ তো জানেন। আর তোমরা পাথেয় সাথে নিয়ে নাও। নিঃসন্দেহে সর্বোত্তম পাথেয় হচ্ছে আল্লাহর ভয়। আর আমাকে ভয় করতে থাক, হে বুদ্ধিমানগন! তোমাদের উপর তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষণ করায় কোন পাপ নেই।
২) সূরা আল বাক্বারাহ আঃ ১৮৯ তোমার নিকট তারা জিজ্ঞেস করে নতুন চাঁদের বিষয়ে। বলে দাও যে এটি মানুষের জন্য সময় নির্ধারণ এবং হজ্বের সময় ঠিক করার মাধ্যম। আর পেছনের দিক দিয়ে ঘরে প্রবেশ করার মধ্যে কোন নেকী বা কল্যাণ নেই। অবশ্য নেকী হল আল্লাহকে ভয় করার মধ্যে। আর তোমরা ঘরে প্রবেশ কর দরজা দিয়ে এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক যাতে তোমরা নিজেদের বাসনায় কৃতকার্য হতে পার।
৯) সূরা আত তাওবাহ আঃ ৩৬-৩৭ নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গননায় মাস বারটি, আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না। আর মুশরিকদের সাথে তোমরা যুদ্ধ কর সমবেতভাবে, যেমন তারাও তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে সমবেতভাবে। আর মনে রেখো, আল্লাহ মুত্তাকীনদের সাথে রয়েছেন।
এই মাস পিছিয়ে দেয়ার কাজ কেবল কুফরীর মাত্রা বৃদ্ধি করে, যার ফলে কাফেরগণ গোমরাহীতে পতিত হয়। এরা হালাল করে নেয় একে এক বছর এবং হারাম করে নেয় অন্য বছর, যাতে তারা গণনা পূর্ণ করে নেয় আল্লাহর নিষিদ্ধ মাসগুলোর। অতঃপর হালাল করে নেয় আল্লাহর হারামকৃত মাসগুলোকে। তাদের মন্দকাজগুলো তাদের জন্যে শোভনীয় করে দেয়া হল। আর আল্লাহ কাফের সম্প্রদায়কে হেদায়েত করেন না।
চাঁদ যদি খালি চোখে দেখা না যায় তখন আমরা কি করব? আধুনিক মানুষের আধুনিক চিন্তা দিয়ে নীচের কাজগুলো আমরা করতে পারি,
১. জ্যোতির্বিজ্ঞানের সাহায্য নিতে পারি।
২. হেলিকপ্টার দিয়ে যে করেই হোক চাঁদকে জোড় করে খুজে বের করতে পারি।
৩. আধুনিক টেলিস্কোপ ইত্যাদি যন্ত্র দিয়ে চাঁদ খুজে বের করার চেষ্টা করতে পারি।
এগুলোর কোনটাই ইসলাম করতে বলেনি। ইসলামের বিধান আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাহদের জন্য সহজ করে দিয়েছেন। মানুষের ক্ষমতা খুব সীমিত, মানুষ যন্ত্রের উপর নির্ভরশীল। ইসলামের বিধান যখন নাযিল হয়েছিল তখন মানুষ যন্ত্রের উপর নির্ভরশীল ছিল না বল্লেই চলে। তাদের একমাত্র বিশ্বাস ছিল আল্লাহর উপর এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দেখানো পথেই তারা চলতো।
সকল প্রযুক্তি ও যন্ত্র বাদ দিয়ে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে নীচের বিষয়টি বিবেচনা করি:
চাঁদ খালি চোখে দেখা না গেলে নাই, এর জন্য জোড় করে চাঁদ খুজে বের করার কোন দরকার নাই। আর চাঁদ দেখা গেলেই হলো, আরবী মাস শুরু হয়ে যাবে। আরবী মাস ২৯ বা ৩০ দিনে হয়। ২৯ তারিখে যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে সেক্ষেত্রে কিছুই করার নাই, ঐ মাসটি তখন ৩০ দিন হবে। আর ৩০ দিন হয়ে গেলে বাধ্যতামূলকভাবেই তার পরেরদিন থেকে পরবর্তী আরবী মাস শুরু হয়ে যাবে। এখন ঐ মাস শুরুরদিন যদি দেখা যায় চাঁদ কিছুটা মোটা হয়ে গেছে তাহলেও কোন সমস্যা নেই, সহজ পন্থা রয়েছে অর্থাৎ যেদিন থেকে চাঁদ দেখেছি সেদিন থেকে ঐমাস শুরু করেছি।
কঠিন করার কিছুই নেই, দুশ্চিন্তা করারও কিছু নেই। আল্রাহ তাআলা যে নিয়ম তার রাসূলকে শিখিয়ে দিয়েছিলেন তাই সকল যুগের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। অর্থাৎ নিয়মটি এতই সুন্দর যে কোন যুগেই ইসলাম অনুসারীদের সমস্যায় পরতে হবে না। প্রধান সমস্যা হলো আমাদের Ego, অর্থাৎ নিজের মতের সাথে না মিল্লেই আমরা তা মানতে চাই না। আজকে আমাদের মাঝে যে এত মতবিরোধ তার প্রধানতম কারণই এটা। নিজেরা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত আছি, নিজের মতামতকে প্রাধান্য হিসেবে না দেখলে কোন কিছু মানতে চাই না। এই বিষয়টি যাতে আমাদের সমস্যা না করে এজন্যই আল্লাহ তাআলা আমাদের একজন পথপ্রদর্শক দিয়েছেন আর তিনি হলেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্রাম অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা আমাদের জন্য একটি মানদন্ড দিয়ে দিয়েছেন।
চাঁদ দেখে মাস নির্ণয়ের যে নিয়ম আল্লাহর রাসূল আমাদের শিখিয়ে দিয়েছেন সেটা থেকে বেশী বুঝার ফল হচ্ছে এইসব মতবিরোধ এবং কতিপয় মানুষের বেশী বুঝা।
” আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান, তিনি কঠিন করতে চান না আর তোমরা যাতে ইদ্দত (গননা) পরিপূর্ণ করতে পারো এবং আল্লাহর নামে তাকবীল পড়তে পারো যেমনটি তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন এবং তোমরা যাতে শুকরিয়া জ্ঞাপন কর” সূরা বাকারা ১৮৫।
আয়াতটি চন্দ্রনির্ভর আরেকটি হুকুম রমজান মাসের রোজার সাথে বর্ণিত, অতএব যোগসাজস এবং হুকুমের মাসদার বা উতপত্তি একই।
রসূল স: এর কথাও স্পস্ট তিনি সহজ করতে বলেছেন কঠিন করতে নিষেধ করছেন। চাদ দেখার বোর্ড অতিরিক্ত কোন বল প্রয়োগের দরকার মনে করে না। এবং হেলিকপ্টার, টেলিস্কোপ, কিংবা স্যাটেলাইটের সাহায্যে চন্দ্রের অবস্থান দর্শন করলে বৈজ্ঞানিক একটি সূত্রের সাহায্যে সারা বত্সরের হিসাব বলে দেয়া সম্ভব। অতএব আল্লাহর স্বাভাবিক নিয়ম মেনে নেয়া সহজ এবং তিনি সহজ হিসাব পসন্দ করেন।
@বাংলা মৌলভী, সহমত । আর “ফতোয়া” দিবে অর্গানাইজেশন , কোনো ব্যক্তি নয় । রাজারবাগের এই পীর সাহেব কোনো আলেম না , তার কোনো ফতোয়া গ্রহনযোগ্য নয়। এইক্ষেত্রে আমার মনে হয়েছে “দেওবন্দের” ফতোয়া সঠিক । আর আমাদের মতো আম জনতার আলেমদের ফতোয়া অনুসরন করা উচিত । ভুল হলে তারা দায়ী হবে। আর নিজের ঘাড়ে ফতোয়ার দায়িত্ব নেয়া আমাদের দরকার কি
আসসালামু আলাইকুম ভাই বেদুঈন,
তুষারপাত ব্লগার রাজারবাগ অবস্থিত জামানার ইমাম মুলা জিল্লহুল আলী এর অনুসারী এবং একনিষ্ঠ ভক্ত। উনার লেখা সবগুলোই বিদ্বেষপূর্ণ। ভ্রান্ত আকীদা বিশ্বাসী এবং কতক বিশ্বাস শিরকপূর্ণ। এই রাজারবাগ পীর নিজেকে জামানার ১৫তম ইমাম বলে দাবী করে এবং তাদের ভাষায় তার বায়াত সকল মুসলিমকে নিতে হবে।
ইনার লেখা থেকে দূরে থাকলেই ভাল হবে বলে আমি মনে করি।
রাজারবাগ পীর তার মুরীদদের শুনেছি “হজ্জ্বে” যেতে নিষেধ করে । আমিও @manwithamission এর সাথে একমত পোষন করছি ।
শুনেই মন্তব্য করে ফেলেছেন !!! সত্য না মিথ্যা সেটা যাচাই করলেন না?
@তুষার খান,
হ্যা স্বীকার করছি , শুনেই মন্তব্য করা ঠিক হয় নাই। আপনার কথাই মানলাম “যাচাই” করে নিবো । তার আগে আপনি বলেন এটা সত্য কিন যে উনি হজ্জ্বে যেতে নিষেধ করেন ? আপনার থেকেই যাচাই করি ।
আপনি আমার কোন কোন লেখাগুলো এবং কিসের ভিত্তিতে ভ্রান্ত আকীদা বিশ্বাসী এবং কতক বিশ্বাস শিরকপূর্ণ, দয়া করে দলীলসহ উল্লেখ করবেন। যিনি জামানার ইমাম হবেন তা তো অবশ্যই তার উপস্থিতি জানানোর জন্য ইমাম দাবী করতে হবে তা না হলে মানুষ জানবে কি করে। প্রত্যেক নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালামগণও তাঁদের জামানায় ইসলাম প্রচারের জন্য নবী-রসূল দাবী করেছিলেন তথা নিজেদের প্রকাশ করেছিলেন।
ধন্যবাদ, সঠিক তথ্যের জন্য।
জাজাক আল্লাহ
শুনেই মন্তব্য করে ফেলেছেন !!! সত্য না মিথ্যা সেটা যাচাই করলেন না? বলে দিলেন সঠিক তথ্য !!!
তুষার ভাই ভুল বুঝবেন না। আমার কাছে ‘@mawithmission’ এর পরের পোষ্টটি লজিকেলি সঠিক মনে হয়েছে। এ মন্তব্যটি আমার পরের পোষ্টে করা উচিত ছিল। জাজাক আল্লাহ।
শোনা কথায় কান না দিয়ে সত্য জানার চেষ্টা করা উচিৎ।
ফারুক ভাই আপনার সাথে একমত পোষণ করছি। রাজারবাগের সম্মানিত পীর সাহেব যদি কোন ভ্রান্ত আকীদা এবং শিরকপূর্ণ বিশ্বাসী হন তাহলে সকলের উচিৎ তা দলীল সহ তুলে ধরা। কারণ আল্লাহ পাক কুরআন শরীফে ইরশাদ করেন, “যদি সত্যবাদী হয়ে থাকো, তাহলে দলীল পেশ কর।” (সূরা বাক্বারা -১১১)
২) সূরা আল বাক্বারাহ আঃ ১৯৭
হজ্জ্বে কয়েকটি মাস আছে সুবিদিত। এসব মাসে যে লোক হজ্জ্বের পরিপূর্ণ নিয়ত করবে, তার পক্ষে স্ত্রীও সাথে নিরাভরণ হওয়া জায়েজ নয়। না অশোভন কোন কাজ করা, না ঝাগড়া-বিবাদ করা হজ্জ্বের সেই সময় জায়েজ নয়। আর তোমরা যাকিছু সৎকাজ কর, আল্লাহ তো জানেন। আর তোমরা পাথেয় সাথে নিয়ে নাও। নিঃসন্দেহে সর্বোত্তম পাথেয় হচ্ছে আল্লাহর ভয়। আর আমাকে ভয় করতে থাক, হে বুদ্ধিমানগন! তোমাদের উপর তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষণ করায় কোন পাপ নেই।
২) সূরা আল বাক্বারাহ আঃ ১৮৯
তোমার নিকট তারা জিজ্ঞেস করে নতুন চাঁদের বিষয়ে। বলে দাও যে এটি মানুষের জন্য সময় নির্ধারণ এবং হজ্বের সময় ঠিক করার মাধ্যম। আর পেছনের দিক দিয়ে ঘরে প্রবেশ করার মধ্যে কোন নেকী বা কল্যাণ নেই। অবশ্য নেকী হল আল্লাহকে ভয় করার মধ্যে। আর তোমরা ঘরে প্রবেশ কর দরজা দিয়ে এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক যাতে তোমরা নিজেদের বাসনায় কৃতকার্য হতে পার।
৯) সূরা আত তাওবাহ আঃ ৩৬-৩৭
নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গননায় মাস বারটি, আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না। আর মুশরিকদের সাথে তোমরা যুদ্ধ কর সমবেতভাবে, যেমন তারাও তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে সমবেতভাবে। আর মনে রেখো, আল্লাহ মুত্তাকীনদের সাথে রয়েছেন।
এই মাস পিছিয়ে দেয়ার কাজ কেবল কুফরীর মাত্রা বৃদ্ধি করে, যার ফলে কাফেরগণ গোমরাহীতে পতিত হয়। এরা হালাল করে নেয় একে এক বছর এবং হারাম করে নেয় অন্য বছর, যাতে তারা গণনা পূর্ণ করে নেয় আল্লাহর নিষিদ্ধ মাসগুলোর। অতঃপর হালাল করে নেয় আল্লাহর হারামকৃত মাসগুলোকে। তাদের মন্দকাজগুলো তাদের জন্যে শোভনীয় করে দেয়া হল। আর আল্লাহ কাফের সম্প্রদায়কে হেদায়েত করেন না।
আসসালামু আলাইকুম,
চাঁদ যদি খালি চোখে দেখা না যায় তখন আমরা কি করব? আধুনিক মানুষের আধুনিক চিন্তা দিয়ে নীচের কাজগুলো আমরা করতে পারি,
১. জ্যোতির্বিজ্ঞানের সাহায্য নিতে পারি।
২. হেলিকপ্টার দিয়ে যে করেই হোক চাঁদকে জোড় করে খুজে বের করতে পারি।
৩. আধুনিক টেলিস্কোপ ইত্যাদি যন্ত্র দিয়ে চাঁদ খুজে বের করার চেষ্টা করতে পারি।
এগুলোর কোনটাই ইসলাম করতে বলেনি। ইসলামের বিধান আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাহদের জন্য সহজ করে দিয়েছেন। মানুষের ক্ষমতা খুব সীমিত, মানুষ যন্ত্রের উপর নির্ভরশীল। ইসলামের বিধান যখন নাযিল হয়েছিল তখন মানুষ যন্ত্রের উপর নির্ভরশীল ছিল না বল্লেই চলে। তাদের একমাত্র বিশ্বাস ছিল আল্লাহর উপর এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দেখানো পথেই তারা চলতো।
সকল প্রযুক্তি ও যন্ত্র বাদ দিয়ে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে নীচের বিষয়টি বিবেচনা করি:
চাঁদ খালি চোখে দেখা না গেলে নাই, এর জন্য জোড় করে চাঁদ খুজে বের করার কোন দরকার নাই। আর চাঁদ দেখা গেলেই হলো, আরবী মাস শুরু হয়ে যাবে। আরবী মাস ২৯ বা ৩০ দিনে হয়। ২৯ তারিখে যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে সেক্ষেত্রে কিছুই করার নাই, ঐ মাসটি তখন ৩০ দিন হবে। আর ৩০ দিন হয়ে গেলে বাধ্যতামূলকভাবেই তার পরেরদিন থেকে পরবর্তী আরবী মাস শুরু হয়ে যাবে। এখন ঐ মাস শুরুরদিন যদি দেখা যায় চাঁদ কিছুটা মোটা হয়ে গেছে তাহলেও কোন সমস্যা নেই, সহজ পন্থা রয়েছে অর্থাৎ যেদিন থেকে চাঁদ দেখেছি সেদিন থেকে ঐমাস শুরু করেছি।
কঠিন করার কিছুই নেই, দুশ্চিন্তা করারও কিছু নেই। আল্রাহ তাআলা যে নিয়ম তার রাসূলকে শিখিয়ে দিয়েছিলেন তাই সকল যুগের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। অর্থাৎ নিয়মটি এতই সুন্দর যে কোন যুগেই ইসলাম অনুসারীদের সমস্যায় পরতে হবে না। প্রধান সমস্যা হলো আমাদের Ego, অর্থাৎ নিজের মতের সাথে না মিল্লেই আমরা তা মানতে চাই না। আজকে আমাদের মাঝে যে এত মতবিরোধ তার প্রধানতম কারণই এটা। নিজেরা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত আছি, নিজের মতামতকে প্রাধান্য হিসেবে না দেখলে কোন কিছু মানতে চাই না। এই বিষয়টি যাতে আমাদের সমস্যা না করে এজন্যই আল্লাহ তাআলা আমাদের একজন পথপ্রদর্শক দিয়েছেন আর তিনি হলেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্রাম অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা আমাদের জন্য একটি মানদন্ড দিয়ে দিয়েছেন।
চাঁদ দেখে মাস নির্ণয়ের যে নিয়ম আল্লাহর রাসূল আমাদের শিখিয়ে দিয়েছেন সেটা থেকে বেশী বুঝার ফল হচ্ছে এইসব মতবিরোধ এবং কতিপয় মানুষের বেশী বুঝা।
ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন।
প্রধান সমস্যা হলো আমাদের Ego, অর্থাৎ নিজের মতের সাথে না মিল্লেই আমরা তা মানতে চাই না। আজকে আমাদের মাঝে যে এত মতবিরোধ তার প্রধানতম কারণই এটা।
সহমত ।
চাদ নিয়ে এই তর্কা তর্কি কবে যে শেষ হবে?
@Wind of Change,
মানুষ যতদিন দুনিয়াতে আছে ততদিন তর্কাতর্কি শেষ হবে না
” আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান, তিনি কঠিন করতে চান না আর তোমরা যাতে ইদ্দত (গননা) পরিপূর্ণ করতে পারো এবং আল্লাহর নামে তাকবীল পড়তে পারো যেমনটি তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন এবং তোমরা যাতে শুকরিয়া জ্ঞাপন কর” সূরা বাকারা ১৮৫।
আয়াতটি চন্দ্রনির্ভর আরেকটি হুকুম রমজান মাসের রোজার সাথে বর্ণিত, অতএব যোগসাজস এবং হুকুমের মাসদার বা উতপত্তি একই।
রসূল স: এর কথাও স্পস্ট তিনি সহজ করতে বলেছেন কঠিন করতে নিষেধ করছেন। চাদ দেখার বোর্ড অতিরিক্ত কোন বল প্রয়োগের দরকার মনে করে না। এবং হেলিকপ্টার, টেলিস্কোপ, কিংবা স্যাটেলাইটের সাহায্যে চন্দ্রের অবস্থান দর্শন করলে বৈজ্ঞানিক একটি সূত্রের সাহায্যে সারা বত্সরের হিসাব বলে দেয়া সম্ভব। অতএব আল্লাহর স্বাভাবিক নিয়ম মেনে নেয়া সহজ এবং তিনি সহজ হিসাব পসন্দ করেন।
@বাংলা মৌলভী, সহমত । আর “ফতোয়া” দিবে অর্গানাইজেশন , কোনো ব্যক্তি নয় । রাজারবাগের এই পীর সাহেব কোনো আলেম না , তার কোনো ফতোয়া গ্রহনযোগ্য নয়। এইক্ষেত্রে আমার মনে হয়েছে “দেওবন্দের” ফতোয়া সঠিক । আর আমাদের মতো আম জনতার আলেমদের ফতোয়া অনুসরন করা উচিত । ভুল হলে তারা দায়ী হবে। আর নিজের ঘাড়ে ফতোয়ার দায়িত্ব নেয়া আমাদের দরকার কি